সঠিক উত্তর: A) ভৌ + উক
১. কেন সঠিক:
- এখানে স্বসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে, যেখানে ও-কার বা ঔ-কারের পরে স্বরধ্বনি থাকলে তা যথাক্রমে অব বা আব-এ রূপান্তরিত হয়।
- ভৌ যোগ উক মিলে ভাবুক গঠিত হয়েছে, যেখানে ঔ-কারের স্থলে আব আদেশ হয়ে শব্দটির সৃষ্টি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের আদি বা বৃদ্ধি সংক্রান্ত অনাদি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ, যেখানে সংস্কৃতির নিয়ম অনুযায়ী ঔ-এর পর স্বরবর্ণ থাকলে ঔ স্থানে আব হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে এটি ব্যতিক্রমধর্মী নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধির আওতাভুক্ত হিসেবেও বিবেচিত হয়ে থাকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাও + অক = গায়ক
ব্যাখ্যা: এটিও স্বরসন্ধির একটি নিয়ম যেখানে ও-কারের স্থানে অব বা আই আদেশ হয়।
উদাহরণ ২: নৌ + ইক = নাভিক
ব্যাখ্যা: এখানে ঔ-কারের পরে স্বরধ্বনি থাকায় ঔ স্থানে আব আদেশ হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভৌ + উক — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়ম অনুযায়ী ভাবুক শব্দ গঠন করে।
B) ভো + উক — এই অপশনটি ভুল কারণ ভো হলে ভো যোগ উক মিলে ভাবুক না হয়ে ভৌউক বা ভাবুক হওয়ার কথা নয়, এখানে ঔ-কার প্রয়োজন।
C) ভাব + উক — এটি সন্ধি বিচ্ছেদ নয় বরং এটি প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয়, যেখানে ভাব শব্দটির সাথে উক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
D) ভৌ + অক — এখানে উত্তর ভুল কারণ প্রকরণ অনুযায়ী উক প্রত্যয় বা বিভক্তি থাকার কথা, অক থাকলে ভাবক হতো।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঔ-কার যুক্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদে সাধারণত ভৌ বা নৌ জাতীয় পদ আসে এবং পরে উক বা ইকের মতো প্রত্যয়জাত অংশ থাকে।
- ভাবুক শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি ভৌ যোগ উক এর মিলন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধি বারবার আসে যেখানে ঔ-কার আব-এ রূপান্তরিত হয়।
- গায়ক, ভাবুক, নাভিক এই শব্দগুলো একই ব্যাকরণগত সূত্রের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: B) বিভক্তি
১. কেন সঠিক:
বাক্যে শব্দের সাথে অন্য শব্দের সম্পর্ক বা অন্বয় বোঝাতে শব্দের সাথে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে ব্যাকরণের পরিভাষায় বিভক্তি বলে।
বিভক্তি শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করে এবং পদ গঠনে সাহায্য করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে শব্দের সাথে কারক বোঝানোর জন্য এবং বাক্যের পদগুলোকে সুবিন্যস্ত করতে বিভক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিভক্তিগুলো একা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয় না, বরং শব্দের শেষে বা প্রাতিপদিকের সাথে যুক্ত হয়ে বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছে ফুল ফুটেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে গাছ শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে অধিকরণ কারক বুঝিয়েছে।
উদাহরণ ২: বাবাকে ডাকো।
ব্যাখ্যা: এখানে বাবা শব্দের সাথে কে বিভক্তি যুক্ত হয়ে কর্ম কারক গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারক — কারক হলো বাক্যের ক্রিয়া পদের সাথে নাম পদের সম্পর্ক, কোনো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি নয়।
B) বিভক্তি — এটি সঠিক উত্তর।
C) সমাস — সমাস হলো অর্থের দিক থেকে সম্পর্কযুক্ত দুই বা ততোধিক পদের একপদীকরণ বা মিলন।
D) সম্বন্ধ পদ — সম্বন্ধ পদ হলো বাক্যের যে পদে ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হয়ে অন্য পদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে, এটি কোনো বর্ণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি মিল বা অন্বয় ঘটায়, তাকেই বিভক্তি বলে মনে রাখবে।
বিভক্তি চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শেষের বর্ণটি আলাদা করে দেখা যায় কিনা তা খেয়াল করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করার জন্য বিভক্তির প্রকারভেদ ও তাদের রূপ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
বিভক্তি না থাকলে বাক্যের শব্দগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক অস্পষ্ট থেকে যায়।
সঠিক উত্তর: D) টাকায় কি না হয়
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে টাকায় শব্দের নিচে দাগ রয়েছে যার মাধ্যমে অর্থ বা উপায়ের মাধ্যম প্রকাশ পেয়েছে।
- টাকা শব্দের সাথে অন্তস্থ অ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে এবং সাধনের মাধ্যম বোঝানোর কারণে এটি করণ কারক হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে এবং করণ কারকে শূন্য, তৃতীয় বা সপ্তমী বিভক্তি হতে পারে।
- শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বিভক্তি বা সপ্তমীর একবচন বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু
ব্যাখ্যা: এখানে পাপে শব্দের নিচে দাগ থাকলে তা অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি হতো।
উদাহরণ ২: কলমে ভালো লেখা হয়
ব্যাখ্যা: এখানে কলমে শব্দের দ্বারা লেখার মাধ্যম বোঝানো হয়েছে বিধায় এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বালকেরা ফুটবল খেলে — এখানে ফুটবল দ্বারা খেলা সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যম বোঝালেও ফুটবলে শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি না থাকায় এটি প্রথমা বা শূন্য বিভক্তিযুক্ত করণ কারক।
B) তাস খেলা ভাল নয় — এখানে তাস খেলা একটি সমাসবদ্ধ পদ এবং বাক্যের কর্তা হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি কর্তৃকারকে প্রথমা বিভক্তি।
C) কাচের জিনিস সহজে ভাঙে — এখানে কাচের শব্দের সাথে এর বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সম্বন্ধ পদ হয়েছে এবং এটি কোনো কারক নয়।
D) টাকায় কি না হয় — এই অপশনটি সঠিক এবং এর ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা করণ কারক হয়।
- শব্দের অন্তে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে শব্দের সাথে যুক্ত বর্ণ দেখে বিভক্তি নির্ণয় করতে হয়।
- এই ধরনের প্রশ্ন ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে তাই মাধ্যম বোঝালে করণ কারক নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কর্মে দ্বিতীয়া
১. কেন সঠিক:
বাক্যে যার ওপর কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্মকারক বলে। এখানে বাধ্যবাধকতা বা অধিকার বোঝাতে কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে কর্তার ইচ্ছার বাইরে যখন কোনো বাধ্যতামূলক কাজ বোঝায় তখন তা কর্মকারক হয়। একে বাক্যের ভাব বা বাধ্যবাধকতা বোঝানোর ক্ষেত্রে কর্মকারকের সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাবাকে আজ অফিসে যেতে হবে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বাবাকে শব্দটি কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: রোগীকে ওষুধ খেতে হবে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে রোগীকে শব্দটি কর্মকারকের সঠিক প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া — এই বাক্যটিতে আমাকে শব্দটি কোনো স্বাধীন কর্তা নয় তাই এটি কর্তৃকারক হবে না।
C) করণে দ্বিতীয়া — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র বা সহায়ক মাধ্যম বোঝায় যা এই বাক্যে অনুপস্থিত।
D) অপাদানে দ্বিতীয়া — অপাদান কারক থেকে বা দূরে সরে যাওয়া বোঝায় যা এখানে নেই।
B) কর্মে দ্বিতীয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি বাধ্যবাধকতা অর্থে কর্মকারক হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে যখন বাধ্যবাধকতা বা আবশ্যকতা বোঝায় তখন সাধারণত কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি হয়। যেতে হবে বা করতে হবে জাতীয় বাক্যে এই নিয়ম প্রযোজ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বাক্য প্রায়ই আসে যেখানে কর্তা থাকা সত্ত্বেও তা কর্মকারক হিসেবে গণ্য হয়। বাধ্যবাধকতার বাক্যগুলো সাবধানে নির্ণয় করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মুহুর্মুহু
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'মুহুর্মুহু' শব্দটিতে প্রথম দুটি হ-এ হ্রস্ব উ-কার এবং শেষের হ-এ হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়।
- বারবার বা অবিরাম ঘটে এমন বোঝাতে এই তৎসম শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দে হ্রস্ব ই এবং হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দটিতে বিসর্গ সন্ধির প্রভাব রয়েছে, যেখানে মুহু যুক্ত মুহু মিলে মুহুর্মুহু গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রতিযোগিতায় সে মুহুর্মুহু গোল করে সবার নজর কাড়ল।
ব্যাখ্যা: এখানে কাজটি বারবার সংঘটিত হওয়া বোঝাতে মুহুর্মুহু শব্দটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: গ্রীষ্মের দাবদাহে মুহুর্মুহু বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে।
ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ যাওয়া আসার পুনরাবৃত্তি বোঝাতে এই বানানটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহুর্মুহু — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত বানান রূপ।
B) মূহুমুহু — এখানে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে এবং রেফ বাদ পড়েছে যা ভুল।
C) মূহূর্মূহু — এখানে দীর্ঘ ঊ-কার এবং ভুল স্থানে রেফ ব্যবহার করা হয়েছে।
D) মূহুর্মূহু — এখানে প্রথম হ-এর সাথে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে, মুহুর্মুহু শব্দে কোথাও দীর্ঘ ঊ-কার বা দীর্ঘ ঈ-কার বসে না, সবগুলোতে হ্রস্ব উ-কার হয়।
- বানানটি মনে রাখার জন্য মুহু এবং মুহু এই দুটি অংশ আলাদা করে চর্চা করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই আসে।
- হ্রস্ব উ-কারযুক্ত এই ধরনের কঠিন বানানগুলো চর্চা করলে শুদ্ধ বানান নির্ণয়ের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) ছান্দসিক
১. কেন সঠিক:
ছন্দ সংক্রান্ত বিষয়ে যিনি পারদর্শী বা ছন্দ জানেন তাকে ছান্দসিক বলা হয়।
শব্দটির গঠনে মূল শব্দ ছন্দ এর সাথে ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণের রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে শব্দ গঠনের নিয়মে এই বানান নির্ধারিত হয়।
মূল শব্দের অন্তে ইকা বা ইনি প্রত্যয় যুক্ত হলে পূর্বস্বরের পরিবর্তন ঘটে যাকে গুণ বা বৃদ্ধি বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভৌগোলিক
ব্যাখ্যা: ভূগোল শব্দের সাথে ইনিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভৌগোলিক বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ঐতিহাসিক
ব্যাখ্যা: ইতিহাস শব্দের সাথে ইনিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঐতিহাসিক বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছান্দসিক — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
B) ছন্দসিক — এখানে মূল শব্দ ছন্দের সাথে অদ্ধিদ্ধ বানান ও ভুল প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে।
C) ছন্দসীক — এখানে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) ছান্দসীক — এখানে আকার ও দীর্ঘ ঈ কারের ভুল প্রয়োগ করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ছন্দ শব্দের সাথে ছান্দসিক বানানে আকার এবং ই কার যুক্ত হয়।
মনে রাখবে পেশাদার বা দক্ষ বোঝাতে ই প্রত্যয় বসে, দীর্ঘ ঈ কার বসে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে।
বানান শেখার সময় মূল শব্দের সাথে প্রত্যয়ের যুক্ত হওয়ার নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কৃতজ্ঞ
১. কেন সঠিক:
- যে ব্যক্তি অন্যের করা উপকার মনে রাখে এবং তার স্বীকৃতি দেয়, তাকে এক কথায় কৃতজ্ঞ বলা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই শব্দটি উপকার স্বীকার করার ভাব প্রকাশ করতে সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যে উপকারের অপকার করে
ব্যাখ্যা: এটি একটি ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে, যার এককথায় প্রকাশের রূপ আলাদা।
উদাহরণ ২: যা সহজে নিবারণ করা যায় না
ব্যাখ্যা: এটি বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে এককথায় প্রকাশের আরেকটি সাধারণ উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অকৃতার্থ — এই শব্দের অর্থ যার মনোরথ বা উদ্দেশ্য সফল হয়নি, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) কৃতজ্ঞ — এটি সঠিক উত্তর।
C) কৃতঘ্ন — যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না বরং অস্বীকার করে, তাকে কৃতঘ্ন বলে।
D) অকৃতজ্ঞ — এটি কৃতজ্ঞ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, যার অর্থ উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কৃতজ্ঞ শব্দের শেষ অংশ মনে রাখলে বোঝা যায় এটি পজিটিভ অর্থ প্রকাশ করে।
- কৃতজ্ঞ মানে গুণগ্রাহী বা যে গুণ বা উপকার মনে রাখে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতজ্ঞ ও কৃতঘ্ন শব্দ দুটি প্রায়ই বিপরীতার্থক হিসেবে জোড়ায় আসে।
- উপকার স্বীকারকারী এবং উপকার অস্বীকারকারী এই দুটি পদের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) অনিবার্য
১. কেন সঠিক:
- অনিবার্য শব্দটির অর্থ যা কোনোভাবেই নিবারণ বা রোধ করা যায় না।
- প্রশ্নটিতে চাওয়া হয়েছে যে ঘটনা বা বিষয় অবধারিত এবং আটকানো অসম্ভব, তার এককথায় প্রকাশ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বাক্য সংকোচন নামেও পরিচিত।
- বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করা এর কাজ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যুর অনিবার্য সত্যকে কেউ অস্বীকার করতে পারে না।
ব্যাখ্যা: এখানে অনিবার্য শব্দটি এমন একটি সত্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে যা রোধ করা অসম্ভব।
উদাহরণ ২: তাদের এই সংঘাত এখন অনিবার্য হয়ে উঠেছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অনিবার্য বলতে এমন পরিস্থিতি বোঝানো হয়েছে যা কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অদম্য — যার দমন বা নিবারণ করা যায় না এমন নয়, বরং যাকে সহজে দমন করা যায় না তাকে অদম্য বলে।
B) অসম্ভব — যা ঘটা সম্ভব নয় তা অসম্ভব, কিন্তু এখানে নিবারণ না করার যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে।
D) অনিবারিত — যা নিবারণ করা হয়নি এমন বোঝায়, কিন্তু প্রশ্নটিতে নিবারণ করা যায় না এমন অর্থ চাওয়া হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিবারণ থেকে অনিবারিত এবং যা নিবারণ করা যায় না তা অনিবার্য মনে রাখবে।
- নেতিবাচক ভাব প্রকাশে নি+বার্য মিলে অনিবার্য শব্দটি গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব এবং উপসর্গের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
- একই রকম দেখতে শব্দের সূক্ষ্ম অর্থগত পার্থক্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) হতভাগ্য
১. কেন সঠিক:
- আট কপালে একটি প্রখ্যাত বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ মন্দ ভাগ্য বা দুর্ভাগ্য।
- যার কপালে যেন আটটি অশুভ রেখা টানা আছে অর্থাৎ যার জীবন সবসময় দুর্ভাগ্যে ভরা, তাকেই আট কপালে বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাগধারা ও প্রবাদ প্রবচন অংশের অন্তর্ভুক্ত যেখানে শব্দ বা পদের বিশেষ ও লক্ষার্থ প্রকাশ পায়।
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: অকালকুষ্মাণ্ড বাগধারাটির অর্থ অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তি, যা আট কপালে এর মতো মানুষের ভাগ্যহীনতা বা অযোগ্যতা প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: উনপুরে
ব্যাখ্যা: উনপুরে বাগধারাটির অর্থ হতভাগ্য বা যার ভাগ্য ভালো নয়, যা আট কপালে বাগধারার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হতভাগ্য — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ আট কপালে বাগধারাটি মানুষের দুর্ভাগ্য বা মন্দ ভাগ্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
B) ভাগ্যবান — এটি ভুল কারণ ভাগ্যবান বলতে সৌভাগ্যবান ব্যক্তিকে বোঝায় যা আট কপালে বাগধারার ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) সরু কপাল — এটি ভুল কারণ বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ বা শরীরের কোনো অঙ্গের প্রকৃত মাপ ধরা হয় না বরং এর অন্তর্নিহিত ভাবটিই প্রধান।
D) চওড়া কপাল — এটি ভুল কারণ চওড়া কপাল শারীরিক গঠন বোঝায় কিন্তু আট কপালে একটি বিশেষ বাগধারা যার অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থাৎ হতভাগ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কপালে ভাগ্য লেখা থাকে, আর কারো কপালে যদি আটটি অশুভ রেখা থাকে তবে সে নিশ্চিতভাবেই একজন হতভাগ্য ব্যক্তি।
- এভাবে কপাল শব্দটির সাথে দুর্ভাগ্য বা মন্দ ভাগ্য মিলিয়ে সহজেই এই বাগধারাটির অর্থ মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই সমার্থক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে যেমন আট কপালে এবং উনপুরে একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাগধারার ক্ষেত্রে সবসময় আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে তার রূপক বা ভাবগত অর্থ খুঁজে বের করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
- বইপড়া শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বইকে পড়া। এখানে পূর্বপদে দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি যেমন কে, রে, থেকে, দ্বারা লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে বোঝায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- তৎপুরুষ সমাস সাধারণত পূর্বপদের বিভক্তির নামানুসারে নয় প্রকার হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিপদমুক্ত
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য বিপদ হইতে মুক্ত এবং এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: রান্নাঘর
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্যের জন্য রান্নাঘর এবং এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হলেও তৎপুরুষের নিয়মেও আলোচনা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায় কিন্তু এখানে বিভক্তি লোপের ব্যাপার রয়েছে।
B) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান থাকে কিন্তু বইপড়া শব্দটিতে কোনো অব্যয় যুক্ত নেই।
D) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিভক্তি লোপ পেলে তৎপুরুষ সমাস হয়।
- কর্মকে পড়া অর্থ প্রকাশ করায় এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভক্তিযুক্ত শব্দ দিয়ে তৎপুরুষ সমাস প্রায়ই আসে।
- ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় বিভক্তি চিহ্নিত করতে পারলে সঠিক উত্তর সহজে বের করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়ীভাব
১. কেন সঠিক:
উপকথা শব্দটি উপ এবং কথা মিলে গঠিত হয়েছে যেখানে উপ উপসর্গটি ক্ষুদ্র বা অধীন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে উপসর্গ বা অব্যয় যুক্ত হয়ে অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বা উপসর্গ বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
উপকথা শব্দের ব্যাসবাক্য হলো উপ বা ক্ষুদ্র যে কথা, যা অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়মে গঠিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপকূল
ব্যাখ্যা: কূলের সমীপে অর্থে উপকূল শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: আজীবন
ব্যাখ্যা: জীবন পর্যন্ত অর্থে আজীবন শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের আরেকটি পরিচিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন পদ গঠিত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উপসর্গ যোগে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়েছে।
C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা উপকথা শব্দে হয় না।
D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে সমাহার বোঝায়, যা এখানে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপসর্গ দিয়ে শুরু হওয়া অনেক শব্দই অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
উপ উপসর্গ থাকলে তা ক্ষুদ্র বা সামান্য অর্থ প্রকাশ করে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে অব্যয়ীভাব সমাসের কথা চিন্তা করতে হবে।
সমাস নির্ণয়ের সময় শব্দের ব্যাসবাক্য এবং অর্থের প্রাধান্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- সুবর্ণ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো সুন্দর যে বর্ণ, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে।
- এখানে বর্ণ বিশেষ্য পদের পূর্বে সুন্দর বিশেষণ পদ বসে বিশেষ্য ও বিশেষণের পদের মিলনে কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মিলনে গঠিত এই সমাসে উপমান, উপমিত ও রূপক কর্মধারয় সমাসের বিভিন্ন রূপ দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীল যে লোটাস বা পদ্ম = নীলপদ্ম
ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে নীল বিশেষণ এবং পদ্ম বিশেষ্য পদ।
উদাহরণ ২: মহান যে নবী = মহানবি
ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে মহান বিশেষণ এবং নবী বিশেষ্য পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় — এটি সঠিক কারণ পদ দুটির মধ্যে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক রয়েছে।
B) তৎপুরুষ — এটি ভুল কারণ তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়।
C) বহুব্রীহি — এটি ভুল কারণ বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়।
D) অব্যয়ীভাব — এটি ভুল কারণ অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমাস নির্ণয়ের সময় ব্যাসবাক্য করার চেষ্টা করবে এবং দেখবে পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য কি না।
- সুন্দর বর্ণ মিলে সুবর্ণ হয়েছে, যেখানে প্রথম পদ গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বর্ণ শব্দের অর্থ রং বা সোনা, তবে এখানে সমাসের বিচারে কর্মধারয় সমাসের নিয়মে সাধিত হয়েছে।
- এই ধরনের শব্দ দেখলে আগে তার ব্যাসবাক্য নির্ধারণ করে সমাসের নাম নির্ণয় করতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সরল
১. কেন সঠিক:
- কুটিল শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো বাঁকা, প্যাঁচালো বা জটিল। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে সরল শব্দটি, যার অর্থ সোজা বা সহজ।
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারণের সময় শব্দের উৎস ও অর্থের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়, যেখানে কুটিল ও সরল পরস্পর বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে এমন দুটি শব্দকে বোঝায় যারা পরস্পর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দ দিয়েই বিপরীতার্থক শব্দ গঠন করা প্রমিত নিয়ম হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চঞ্চল এর বিপরীত শব্দ শান্ত।
ব্যাখ্যা: চঞ্চল শব্দের অর্থ অস্থির, যার বিপরীতে শান্ত শব্দ স্থিরতা প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: প্রাচীন এর বিপরীত শব্দ অর্বাচীন।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন অর্থ পুরোনো, যার বিপরীতে অর্বাচীন বা আধুনিক শব্দ নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অকুটিল — এটি কুটিল শব্দের সমার্থক বা না-বোধক রূপ হতে পারে, তবে সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে সরল অধিক গ্রহণযোগ্য।
B) বাঁকা — এটি কুটিল শব্দের সমার্থক শব্দ, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয়।
D) হালকা — এটি ওজনের পরিমাপ বা ভাবের লঘুত্ব বোঝায়, যা কুটিল শব্দের বিপরীত অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কুটিল মনের মানুষরা সবসময় প্যাঁচালো বা জটিল হয়, আর সরল মনের মানুষরা সোজা ও সহজ হয়। এই মানসিকতার পার্থক্য মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে তৎসম শব্দ নির্বাচন করার প্রবণতা বেশি থাকে।
- শব্দের অর্থ সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারলে যেকোনো বিপরীতার্থক শব্দের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) বৃক্ষ
১. কেন সঠিক:
- বিটপী শব্দের অর্থ গাছ বা উদ্ভিদ।
- অপশনের মধ্যে বৃক্ষ শব্দের অর্থ গাছ, যা বিটপী শব্দের সমার্থক।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা শব্দভান্ডারে তৎসম শব্দের সমার্থক হিসেবে বিটপী শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- বিটপী শব্দের মূল অর্থ গাছের শাখা বা মূল যা বাতাস বা পাখিদের আশ্রয়স্থল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরু
ব্যাখ্যা: এটিও বৃক্ষ বা গাছের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: পাদপ
ব্যাখ্যা: যে উদ্ভিদ পা দ্বারা বা শেকড় দ্বারা পানাহার করে, তাকে পাদপ বা বৃক্ষ বলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুষ্প — পুষ্প শব্দের অর্থ ফুল, যা গাছের অংশ হলেও সমার্থক নয়।
B) বৃক্ষ — এটি সঠিক উত্তর।
C) পদ্ম — পদ্ম একটি জলজ ফুল, যা বিটপী বা গাছের সমার্থক শব্দ নয়।
D) স্বর্ণ — স্বর্ণ শব্দের অর্থ সোনা বা কাঞ্চন, যা বৃক্ষের সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিটপী মানে গাছ বা বৃক্ষ।
- প দিয়ে পুষ্প আর বিটপী দিয়ে গাছ মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিটপী, তরু, পাদপ, মহীরুহ শব্দগুলো গাছের সমার্থক হিসেবে ভালো করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সেলিম আল দীন
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো সেলিম আল দীন, কারণ জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন নাটকটি তার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি।
- নাটকে রূপক ও প্রতীকী ভাষার মাধ্যমে সমাজের নানা অসঙ্গতি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেলিম আল দীন বাংলা নাটকের শিকড়সন্ধানী নাট্যকার যিনি বাংলা থিয়েটারে নতুন মাত্রা যোগ করেন।
- তিনি ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্যের শৈলী ও রূপকে আধুনিক নাটক রচনা করে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকা
ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীনের একটি বিখ্যাত ও প্রখ্যাত কাব্যনাট্য।
উদাহরণ ২: কেরামত মঙ্গল
ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীনের রচিত বাংলা লোকজ ঐতিহ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মামুনুর রশীদ — ইনি একজন বিশিষ্ট নাট্যকার হলেও জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন নাটকটি তার লেখা নয়।
B) হুমায়ূন আহমেদ — ইনি মূলত উপন্যাস ও নাটক রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই নাটকটির রচয়িতা নন।
C) আবুল হায়াত — ইনি প্রখ্যাত অভিনেতা ও নাট্যকার হলেও এই নির্দিষ্ট নাটকটি তার সৃষ্টি নয়।
D) সেলিম আল দীন — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকটির রচয়িতা হিসেবে প্রমাণিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সেলিম আল দীনের নাটক মনে রাখতে জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে বেলুন ও চাকা নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর কথা মনে রাখতে পারো।
- তার উল্লেখযোগ্য নাটকের নামের সাথে লোকজ ও ঐতিহ্যগত শব্দের এক অদ্ভুত মিল পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিম আল দীনের নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তার রচিত কিত্তনখোলা, কেরামত মঙ্গল ও চাকা নাটকগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
এই পঙ্ক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত বিখ্যাত একটি গানের অংশ যা তার ভানুসিংহের পদাবলী রচনার ধারার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বৈষ্ণব পদাবলীর রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের গভীরতা এবং ভক্তিভাব এখানে কবির লেখনীতে মরণ বা মৃত্যুকে পরম আরাধ্য হিসেবে গ্রহণ করার আকূতিতে প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি কবিতা গান নাটক ছোটগল্প ও উপন্যাসে সমান পারদর্শী ছিলেন। এই পঙ্ক্তিটি তার বিখ্যাত 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে পূরবী ও অন্যান্য কাব্যিক ভাবধারার সঙ্গে যুক্ত যেখানে মৃত্যু ভয়ের বিষয় নয় বরং জীবনের পূর্ণতা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে, দেখতে আমি পাইনি তোমায়।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত গান ও কবিতা, যা তার আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ।
উদাহরণ ২: দিন ফুরালো, সন্ধ্যা হলো, পারের তরী কে বা বয়।
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু ও পারাপার ভাবনার এক গভীর সাহিত্যিক নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত রোমান্টিক ধারার কবি হলেও এই বিশেষ পঙ্ক্তিটির রচিয়তা নন।
B) অতুলপ্রসাদ সেন — তিনি মূলত দেশপ্রেমমূলক ও ভক্তিগীতির জন্য বিখ্যাত হলেও এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি তার নয়।
D) সুফিয়া কামাল — তিনি আধুনিক যুগের প্রগতিশীল নারী কবি ও সাহিত্যিক, তার রচনার সঙ্গে এই পদাবলীর সুর মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মৃত্যুকে শ্যাম বা কৃষ্ণের সমতুল্য জ্ঞান করে এমন আধ্যাত্মিক ও বৈষ্ণব ভাবাপন্ন লাইন থাকলে সাধারণত তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের দিকে নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিক উদ্ধৃতি কার লেখা তা প্রায়ই আসে। তাই বৈষ্ণব ভাবধারায় লেখা আধুনিক যুগের কবিদের বিখ্যাত লাইনগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- 'লালসালু' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শক্তিশালী সামাজিক উপন্যাস যার রচিয়তা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
- উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র ফুটিয়ে তোলা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসের ধারায় মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী চেতনার এক অনন্য রূপকার।
- ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত 'লালসালু' উপন্যাসটি বাংলা কথাসাহিত্যে গ্রামীণ জীবন ও মনস্তত্ত্বের এক যুগান্তকারী দলিল হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক 'বহিপীর'।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত নাটক যা গ্রামীণ সমাজের রক্ষণশীলতার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলে।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস 'চাঁদের অমাবস্যা'।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা অপরাধবোধ ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই এই উপন্যাসটি লিখেছেন।
B) শওকত আলী — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও 'লালসালু' উপন্যাসের রচিয়তা নন।
C) মুনীর চৌধুরী — তিনি মূলত একজন নাট্যকার, শিক্ষাবিদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবী যিনি 'লালসালু' লেখেননি।
D) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত সৃষ্টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ওয়ালীউল্লাহর লালসালু ও বহিপীর খুব বিখ্যাত।
- উপন্যাসের নাম 'লালসালু' এবং লেখকের নাম 'সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ' একসাথে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উপন্যাসের প্রকাশকাল ১৯৪৮ সাল এবং এটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
- একই লেখকের অন্য রচনাগুলো যেমন 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসটিও ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ষট + দশ
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে ত-বর্গীয় বা চ-বর্গীয় ধ্বনির সাথে যোগ হলে এই পরিবর্তন ঘটে।
- এখানে 'ষট' শব্দের সাথে 'দশ' যুক্ত হয়ে 'ষোড়শ' গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রথম পদের অন্তস্থিত ট-কার বা ড-কারের পর যদি দশ শব্দের দ থাকে, তবে তা পরিবর্তিত হয়ে ল-এ পরিণত হয়।
- এই নিয়মে ষট যোগ দশ মিলে ষোড়শ শব্দে পরিণত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ষট যোগ দল = ষোড়দল
ব্যাখ্যা: ট-কারের সাথে দল যুক্ত হয়ে ল-কার উৎপন্ন হয়েছে।
উদাহরণ ২: তৎ যোগ মিলন = তন্মিলন
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির অন্য একটি নিয়মের মাধ্যমে এই শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষট + দশ — এটি সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ও প্রমিত বিধান মেনে তৈরি হয়েছে।
B) সড় + শ — এই অপশনটি ব্যাকরণসম্মত নয় এবং এর কোনো অর্থপূর্ণ ভিত্তি নেই।
C) ষোড় + অশ — এটি সন্ধির সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়নি।
D) ষোড় + শ — এই অংশটি ভেঙে সঠিক সন্ধি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ষোড়শ শব্দ দেখলে ষট যোগ দশ অংশটি মনে রাখবে।
- ট-কার এবং দশ মিলে ল-কার হয় এই সূত্রটি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে।
- অনুরূপ নিয়মের শব্দগুলো চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) গৈ + অক
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে এটি একটি অচর বা স্বরসন্ধির উদাহরণ। এখানে গৈ শব্দের অন্তস্থিত ঐ-কারের পর অক শব্দের অ থাকলে, নিয়মানুসারে ঐ-কারের স্থানে আয় আদেশ হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির অন্তর্গত অয়াচি সন্ধি বা যণ, অয়াদ্ ইত্যাদির একটি বিশেষ নিয়ম। সংস্কর ব্যাকরণ অনুযায়ী এ, ঐ, ও, ঔ এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে যথাক্রমে অয়, আয়, অব, আব হয়। গৈ যোগ অক মিলে গায়ক শব্দ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নৈ + অক = নায়ক
ব্যাখ্যা: ঐ-কারের সাথে অ যুক্ত হয়ে আয় উৎপন্ন হয়েছে।
উদাহরণ ২: পো + অন = পবন
ব্যাখ্যা: ও-কারের সাথে অ যুক্ত হয়ে অব উৎপন্ন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গা + অক — এটি ব্যাকরণের কোনো নিয়ম অনুসারে সিদ্ধ নয় কারণ গা বলে কোনো সঠিক সন্ধিযোগ্য শব্দ বা মূল নেই।
B) গৈ + অক — এটি সঠিক উত্তর।
C) গা + য়ক — এখানে সন্ধির কোনো নিয়ম প্রয়োগ করা হয়নি বরং ভুলভাবে শব্দ ভেঙে দেখানো হয়েছে।
D) গো + অক — গো যোগ অক মিলে গবক বা গাভক হতে পারে, তবে গায়ক হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঐ-কার থাকলে আয় এবং ঔ-কার থাকলে আব হয় এটি মনে রাখবে। গায়ক শব্দের শুরুতে আ ধ্বনি থাকায় গৈ ধাতু বা শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের অয়াদ্ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই গায়ক, নায়ক, পবন, পাবক এই শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ খুব ভালো করে মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) গো + এষণা
কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ওকারের পরে স্বরধ্বনি থাকলে ওকারের পরিবর্তে অব হয়।
তাই গো এর সাথে এষণা যুক্ত হয়ে গবেষণা শব্দটি গঠিত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির অন্তর্গত একটি বিশেষ নিয়ম বা গবাদি সন্ধি হিসেবে পরিচিত।
এখানে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে ওকার এবং এ মিলে অব গঠিত হয়েছে।
যেমন গোষ্পদ শব্দের ক্ষেত্রেও এমন নিয়ম দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গব + এষণা — এখানে প্রথম অংশে গব ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়।
B) গবে + এষণা — এখানে গবে লেখা হয়েছে যা মূল শব্দের সন্ধির নিয়মের সাথে মিলে না।
C) গৌ + এষণা — এখানে গৌ ব্যবহার করা হয়েছে যার ফলে সঠিক ধ্বনি তৈরি হয় না।
D) গো + এষণা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
গবেষণা শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি গো এবং এষণা যোগে গঠিত হয়।
ওকার এবং এ মিলে অব ধ্বনি তৈরি হয় এই কৌশলটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) at
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে ভয় পাওয়া বা আতঙ্কিত হওয়া বোঝাতে fearful শব্দের পরে সাধারণত at preposition বসে।
তাই শূন্যস্থানে at বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়।
অন্য কোনো preposition এই অর্থে ব্যবহার করা হয় না।
এই নিয়মটি ইংরেজি গ্রামারের একটি নির্দিষ্ট ব্যবহার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — fearful শব্দের পরে in preposition বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম নয়।
B) with — fearful শব্দের সাথে with ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ প্রকাশ পায় না।
C) to — fearful শব্দের পরে সাধারণত to বসে না তাই এটি এখানে ভুল অপশন।
D) at — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের শূন্যস্থানে নিয়ম অনুযায়ী বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
fearful শব্দের পরে সবসময় at preposition বসে এটি মনে রাখলে পরীক্ষায় সহজেই সঠিক উত্তর দিতে পারবে।
সঠিক উত্তর: D) Divine
কেন সঠিক:
Sacred শব্দটির বাংলা অর্থ হলো পবিত্র বা ধর্মীয়ভাবে বিশুদ্ধ। Divine শব্দটির অর্থও স্বর্গীয় বা পরম পবিত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Secular — এর অর্থ ধর্মনিরপেক্ষ বা পার্থিব, যা পবিত্র শব্দের বিপরীত।
B) Evil — এর অর্থ মন্দ বা অশুভ, যা পবিত্র শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
C) Profane — এর অর্থ অবপবিত্র বা দুনিয়াদারী, যা পবিত্র শব্দের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Sacred এবং Divine উভয় শব্দই মহান ও পবিত্র বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
কোনো কাজে বা পেশায় নিয়োজিত থাকা বোঝাতে 'engaged' শব্দের পর সাধারণত সঠিক preposition হিসেবে 'in' ব্যবহৃত হয়।
এখানে একটি বই লেখার কাজে ব্যস্ত থাকার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক উত্তর 'in' হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ কোনো কাজে লিপ্ত থাকা বোঝাতে engaged এর সাথে এটি বসে।
B) with — এটি ভুল কারণ সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা যন্ত্রের সাথে যুক্ত থাকা বোঝাতে এটি বসে।
C) to — এটি ভুল কারণ বিবাহ বা বাগদান বোঝাতে engaged এর সাথে এটি ব্যবহৃত হয়।
D) at — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা ছোট সময়ের ক্ষেত্রে এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজে ব্যস্ত বা নিয়োজিত থাকা বোঝালে 'engaged in' ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) A letter is being written by me.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সে আছে, তাই প্যাসিভ করার সময় টেন্স অপরিবর্তিত রেখে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে am being, is being বা are being ব্যবহৃত হয়।
অবজেক্ট 'A letter' সাবজেক্ট হিসেবে বসার পর সঠিক সাহায্যকারী ভার্ব is being বসেছে এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল form লেখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A letter is written by me — বাক্যটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে পরিবর্তিত হয়েছে, যা মূল বাক্যের কন্টিনিউয়াস টেন্সের সাথে মেলে না।
B) A letter was written by me — সাহায্যকারী ভার্ব was ব্যবহারের কারণে এটি পাস্ট টেন্সে চলে গেছে, যা মূল বাক্যের প্রেজেন্ট টেন্সের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।
C) A letter was being written by me — এখানে past continuous টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব was being ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ মূল বাক্যটি present continuous টেন্সের।
D) A letter is being written by me — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Continuous টেন্সের passive voice করার সময় be verb এর সাথে ہمیشہ একটি being যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Let the order be given.
কেন সঠিক:
মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এর মূল verb হলো give এবং object হলো the order।
তাই নিয়ম অনুযায়ী Let দিয়ে শুরু করে object বসাতে হবে এবং তার পরে be যোগ করে মূল verb এর past participle বসাতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let the order to give — এখানে be verb এর ব্যবহার না করে সরাসরি to give দেওয়ায় বাক্যটির passive গঠন ভুল হয়েছে।
B) Let the order given — এই অপশনে be verb না থাকায় passive voice এর সঠিক গঠন সম্পূর্ণ হয়নি।
C) Let the order be given — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
D) Let the order give — এখানে verb এর past participle না দিয়ে present form দেওয়ায় এটি একটি ভুল passive গঠন হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence কে active থেকে passive করার সময় প্রথমে Let বসবে, তারপর object এবং তার পরে be এর সাথে মূল verb এর V-৩ বসবে।
সঠিক উত্তর: A) Let not the poor be hated.
কেন সঠিক:
Imperative sentence-যুক্ত active voice-কে passive করার নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসে।
এর পর object (the poor) বসে এবং negative অর্থ ঠিক রাখতে not বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক।
B) Let the poor not be hated — এখানে not এর স্থান ভুল জায়গায় দেওয়া হয়েছে।
C) Let not the poor hate — এটি অর্থ পরিবর্তন করে ফেলেছে এবং passive রূপ হয়নি।
D) Let poor not be hate — এখানে আর্টিকেল দা অনুপস্থিত এবং verb এর past participle রূপ নেই।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ Do not দিয়ে শুরু হলে Passive করার সময় Let not দিয়ে শুরু করতে হয় এবং মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হয়।
সঠিক উত্তর: B) ENCYCLOPAEDIA
কেন সঠিক:
এই শব্দটিতে শুরুতে EN- এবং মাঝে CYCLO অংশটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এছাড়া শেষের অংশটিতে PAEDIA বানানটি আন্তর্জাতিকভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
শব্দটি গ্রীক মূল শব্দ থেকে এসেছে।
এর সঠিক বানান এভাবেই গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ENCICLOPEDIA — এখানে বানানটিতে CYCLO এর বদলে CICLO লেখা হয়েছে এবং শেষাংশে AE বাদ দেওয়া হয়েছে।
B) ENCYCLOPAEDIA — এটি সঠিক উত্তর।
C) ENCICLOPEADIA — এখানে শুরুতেই বানানের ভুল আছে এবং PEADIA অংশটি ভুলভাবে সাজানো হয়েছে।
D) ENCYCLOPEDIA — এটি আমেরিকান ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয়, তবে ব্রিটিশ বা প্রমিত মানদণ্ডে B অপশনটি অধিক গ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
এনসাইক্লোপিডিয়া বানানটি মনে রাখতে এন-সাইক্লো-পেইডিয়া এই তিনটি ভাগে ভেঙে মুখস্থ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: C) Asad told me that he wanted to go to school then.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' পরিবর্তন হয়ে 'told' হয় এবং ইনভার্টেড কমা তুলে 'that' বসে।
- ডাইরেক্ট ন্যারেশনের present indefinite tense ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে past indefinite tense হয় এবং 'now' পরিবর্তন হয়ে 'then' হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Asad said to me that he wanted to go to school now — রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' এর পরিবর্তে 'told' বসেনি এবং 'now' অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
B) Asad said to me that he wanted to go to school then — এখানে রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) Asad told me that he wants to go to school then — পাস্ট টেন্সে থাকা রিপোর্টিং ভার্বের কারণে ভেতরের টেন্স বর্তমান রাখা হয়েছে, যা ন্যারেশনের নিয়মের বরখেলাপ।
মনে রাখার টিপস:
ন্যারেশন পরিবর্তনের সময় রিপোর্টিং ভার্বের পর অবজেক্ট থাকলে 'said to' এর বদলে 'told' বসবে এবং 'now' থাকলে তা পরিবর্তন হয়ে সর্বদা 'then' হবে।
সঠিক উত্তর: B) Abid told me that he had been ill.
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভার্বের পর object থাকলে said to এর পরিবর্তে told বসে এবং inverted comma উঠে that বসে।
Direct speech এ থাকা Past Indefinite Tense (was) indirect speech এ গিয়ে Past Perfect Tense (had been) এ পরিবর্তিত হয়।
First person (I) সাবজেক্ট অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে he হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Abid said to me that he was ill — এখানে told না বসিয়ে said to রাখা হয়েছে এবং টেন্সের কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
B) Abid told me that he had been ill — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) Abid told me that I had been ill — এখানে রিপোর্টেড স্পীচের ফার্স্ট পারসন অবজেক্ট অনুযায়ী পরিবর্তন না করে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
D) Abid told me that he has been ill — এখানে পাস্ট টেন্সকে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সে রূপান্তর করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Direct speech এ was বা were থাকলে indirect speech এ গিয়ে তা সবসময় had been এ রূপান্তরিত হয়।
সঠিক উত্তর: A) Punishment
কেন সঠিক:
Penalty শব্দের বাংলা অর্থ হলো শাস্তি বা জরিমানা।
Punishment শব্দের অর্থও শাস্তি, যা এর হুবহু সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Punishment — এটি সঠিক উত্তর এবং Penalty শব্দের সমার্থক।
B) Pardon — এর অর্থ ক্ষমা, যা Penalty বা শাস্তির বিপরীত।
C) Reward — এর অর্থ পুরস্কার, যা শাস্তির সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) Compensation — এর অর্থ ক্ষতিপূরণ, যা অপরাধের শাস্তির সাথে সরাসরি মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
Penalty এবং Punishment দুটি শব্দই কোনো নিয়ম ভঙ্গের কারণে পাওয়া শাস্তি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) from
কেন সঠিক:
অতিরিক্ত খাওয়া বা অতিভোজনের কারণে মৃত্যুর কারণ বোঝাতে 'die from' फ्रेজটি ব্যবহার করা হয়।
এই নিয়মের অধীনে ওভার ইটিং বা অতিভোজন একটি বাহ্যিক বা পরোক্ষ কারণ হওয়ায় এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে from বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মৃত্যু বোঝাতে এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের শূন্যস্থানে বসে।
B) by — কোনো হিংস্রতা, খুন বা আত্মহত্যার মাধ্যমে মৃত্যু হলে 'die by' বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) in — যুদ্ধ, শান্তি বা কোনো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মৃত্যু বোঝাতে 'die in' ব্যবহার করা হয়।
D) to — কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে বা নির্দিষ্ট প্রথার কারণে প্রাণ বিসর্জন দিলে 'die to' বসে।
মনে রাখার টিপস:
অতিভোজন, অবহেলা বা অতিরিক্ত কাজের মতো পরোক্ষ কারণে মৃত্যু হলে die এর পরে हमेशा from বসে।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
deal in শব্দের অর্থ কোনো ব্যবসা করা। এই বাক্যে চালের ব্যবসা করার কথা বলা হয়েছে তাই এখানে সঠিক preposition হবে in।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — deal with অর্থ কোনো ব্যক্তির সাথে আচরণ করা বা কোনো সমস্যা সমাধান করা।
B) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ deal in অর্থ কোনো পণ্যের ব্যবসা করা।
C) at — deal শব্দের সাথে at preposition ব্যবহার হয় না।
D) by — deal শব্দের সাথে by preposition বসে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো পণ্যের ব্যবসা করা বোঝালে deal এর পরে সর্বদা in বসে এবং মানুষের সাথে ব্যবহার বোঝালে with বসে।
সঠিক উত্তর: A) i feel out of sort today.
কেন সঠিক:
এখানে 'out of sort' বা 'out of sorts' একটি সঠিক ইংরেজিidiom যার অর্থ অসুস্থ বা অস্বস্তি বোধ করা।
দৈনন্দিন কথোপকথনে শারীরিক বা মানসিক অস্বস্তি প্রকাশ করতে এই বিশেষ বাক্যাংশটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) i feel out of sort today. — এই অপশনটিই সম্পূর্ণ সঠিক এবং এখানে কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই।
B) he tried hardly to succeed. — 'hardly' শব্দের অর্থ কদাचित বা খুব কম, তাই এখানে কঠোর পরিশ্রম বোঝাতে 'hard' ব্যবহার করা উচিত ছিল।
C) I have great deal of work to do. — 'great deal' এর আগে একটি নিয়মানুযায়ী নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'a' বা 'the' ব্যবহার করা আবশ্যিক ছিল।
D) Please give me attendance. — ইংরেজি ব্যাকরণে উপস্থিতির ক্ষেত্রে 'give attendance' না বলে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী 'mark attendance' বলতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি idioms এবং fixed phrases পড়ার সময় প্রতিটি শব্দের সঠিক রূপ ও নির্দিষ্ট আর্টিকেল মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) Television is a wonderful invention.
কেন সঠিক:
বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the না বসে সাধারণত a বসে।
তাই একটি চমৎকার আবিষ্কার বোঝাতে invention শব্দের আগে a wonderful ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A) Television is a wonderful invention — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই।
B) B) My brother is M.A — সংক্ষিপ্ত রূপটি উচ্চারণের সময় vowel sound আসায় এর পূর্বে an বসবে, তাই M.A এর আগে an হবে।
C) C) He speaks English like English — ভাষা হিসেবে ইংরেজদের মতো বলা বোঝাতে ইংরেজদের পরিবর্তে the English বলতে হয়।
D) D) I feel uneasy — অনুভব করা অর্থে feel verb এর পরে adjective বসে, এখানে uneasy সঠিক হলেও সম্পূর্ণ বাক্যের ব্যাকরণ যাচাইয়ে এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আবিষ্কারের নামের আগে a বা an বসে এবং সংক্ষিপ্ত শব্দের উচ্চারণের শুরুতে vowel থাকলে an বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) SURVEILLANCE
কেন সঠিক:
১. এই বানানটিতে প্রথমে 'sur' এবং পরে 'veillance' অংশ দুটি সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে।
স্পেলিংয়ের নিয়ম অনুযায়ী মাঝখানে ডাবল 'l' ব্যবহার করা হয়েছে।
২. ইংরেজি বানানের স্ট্যান্ডার্ড ডিকশনারি অনুযায়ী এই বানানটি শতভাগ নির্ভুল।
৩. বানানটির উচ্চারণ এবং গঠনগত দিক থেকে এটিই একমাত্র সঠিক রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SURVEILANCE — এখানে 'illance' অংশে একটি 'l' কম রয়েছে।
B) SARVEILANCE — এখানে প্রথম অক্ষর 's' এর পর 'u' এর বদলে ভুলভাবে 'a' ব্যবহার করা হয়েছে।
C) SURVEILLANCE — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়।
D) SURVEILLENCE — এখানে শেষ অংশে 'ance' এর বদলে ভুলভাবে 'ence' লেখা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে 'sur' এর সাথে 'veil' এবং শেষে 'lance' এভাবে ভেঙে ভেঙে মুখস্ত করতে পারো।
সঠিক উত্তর: D) KALEIDOSCOPE
কেন সঠিক:
এই শব্দটির সঠিক বানান শুরু হয় KA দিয়ে এবং এর মাঝের অংশটি LEI নয় বরং LEI এর বদলে LEI নয় বরং LEI এর সঠিক রূপ KALEI দিয়ে গঠিত হয়।
এই শব্দের শুরুতে K এবং মাঝে EIDOS ও শেষে COPE যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ সঠিক বানানটি তৈরি করে।
শব্দটির মূল গ্রিক উৎস অনুযায়ী সঠিক বানানটি হলো KALEIDOSCOPE।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CALEIDOSCOPE — এই অপশনের শুরুতে C ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানান K এর নিয়মবিরোধী।
B) CALEIDOSKOPE — এখানে শুরুতে C এবং শেষে KOPE ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
C) KALAIDOSCOPE — এই অপশনের মাঝের অংশে LAI ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
D) KALEIDOSCOPE — এটি সঠিক বানান হওয়ায় কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
বানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখবে এটি শুরু হয় K দিয়ে এবং এর ভেতরে EIDOS অংশটি ঠিক থাকে।
সঠিক উত্তর: B) Common noun
কেন সঠিক:
'girl' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট মেয়ের নাম না বুঝিয়ে পৃথিবীর সকল মেয়েকে সাধারণভাবে বোঝায়। তাই এটি কমন নাউন বা জাতিবাচক বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ নাম প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Proper noun — এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম নয়, তাই প্রপার নাউন হতে পারে না।
B) Common noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সাধারণ নাম বোঝায়।
C) Collective noun — এটি কোনো সমষ্টি বা দল বোঝায় না, তাই এটি সঠিক নয়।
D) Material noun — এটি কোনো উপাদান বা বস্তুবাচক কিছু নয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
যে নাম দিয়ে একই জাতীয় সবাইকে বোঝায়, তাকে Common noun বলে।
সঠিক উত্তর: C) Collective noun
কেন সঠিক:
flock শব্দটি দিয়ে একদল ভেড়ার সমষ্টিকে বোঝানো হয়েছে।
এটি একক কোনো ভেড়া না বুঝিয়ে ভেড়ার একটি আস্ত দলকে নির্দেশ করে।
সমজাতীয় প্রাণীর সমষ্টি বোঝানোর কারণে এটি Collective noun হয়েছে।
এই জাতীয় শব্দ সবসময় দলগত বা সমষ্টিগত বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম নয়।
B) Common noun — এটি একটি নির্দিষ্ট ভেড়াকে না বুঝিয়ে সমষ্টিকে বোঝায়।
C) Collective noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Material noun — এটি কোনো উপাদান বা বস্তুবাচক কিছু বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ দিয়ে কোনো ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায়, তাকে Collective noun বলে।
সঠিক উত্তর: C) in
কেন সঠিক:
কোনো বিষয়ে গভীর জ্ঞান বা দক্ষতা বোঝাতে expert শব্দের পরে in preposition ব্যবহার করা হয়। physics একটি বিশেষ ক্ষেত্র হওয়ায় এখানে সঠিক preposition হবে in।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট কাজে পারদর্শী বোঝাতে expert at বসে, কিন্তু বিষয়ের ক্ষেত্রে in বসে।
B) to — expert শব্দের পরে কখনো to preposition বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) with — কোনো বস্তু বা উপাদানের সাথে যুক্ত থাকা বোঝাতে with বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিষয়ে বা সাবজেক্টে পারদর্শী বোঝালে always expert এর পরে in বসবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৭১
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার একটি ধারা দেওয়া আছে
ধারাটি ১ থেকে শুরু হয়ে ১৮ পর্যন্ত যোগ করতে হবে
ধরি,
এটি একটি সমান্তর ধারা যার প্রথম পদ ক = ১
শেষ পদ ল = ১৮ এবং পদের সংখ্যা ন = ১৮
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্রটি হলো
পদসংখ্যা গুণ প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই
সুতরাং,
যোগফল = ১৮ গুণ ১ যোগ ১৮ ভাগ দুই
যোগফল = ১৮ গুণ ১৯ ভাগ দুই = ১৭০ যোগ ৯ নয় ১৭০ নয় ১৭০ ভাগ দুই হলো ৮৫ গুণ ২
উত্তর: ১৭১
সঠিক উত্তর: C) ৩১ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
দুই সন্তানের বয়সের গড় ১০ বৎসর
মাতাসহ তাদের বয়সের গড় ১৭ বৎসর
ধরি,
দুই সন্তানের মোট বয়স = ১০ × ২ = ২০ বৎসর
মাতাসহ তিনজনের মোট বয়স = ১৭ × ৩ = ৫১ বৎসর
অতএব,
মাতার বয়স বের করতে হলে তিনজনের মোট বয়স থেকে দুই সন্তানের মোট বয়স বিয়োগ করতে হবে
সুতরাং,
মাতার বয়স = ৫১ − ২০ = ৩১ বৎসর
উত্তর: ৩১ বৎসর
সঠিক উত্তর: B) ১৫ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ছত্রিশ বৎসর
পিতা, মাতা ও মেয়ের বয়সের গড় উনত্রিশ বৎসর
ধরি,
পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = ৩৬ × ২ = ৭২ বৎসর
পিতা, মাতা ও মেয়ের বয়সের সমষ্টি = ২৯ × ৩ = ৮৭ বৎসর
অতএব,
মেয়ের বয়স নির্ণয় করতে পিতা, মাতা ও মেয়ের মোট বয়স থেকে পিতা ও মাতার মোট বয়স বাদ দিতে হবে
সুতরাং,
মেয়ের বয়স = ৮৭ − ৭২ = ১৫ বৎসর
উত্তর: ১৫ বৎসর
সঠিক উত্তর: D) ১৮.৮
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ৬টি উইকেটের মোট রান = ৬ × ২২ = ১৩২
পরবর্তী ৪টি উইকেটের মোট রান = ৪ × ১৪ = ৫৬
ধরি,
মোট উইকেটের সংখ্যা = ৬ + ৪ = ১০
মোট রানের সংখ্যা = ১৩২ + ৫৬ = ১৮৮
অতএব,
উইকেটপ্রতি গড় রান = মোট রান ÷ মোট উইকেট
উইকেটপ্রতি গড় রান = ১৮৮ ÷ ১০
সুতরাং,
উইকেটপ্রতি গড় রান হলো ১৮.৮
উত্তর: ১৮.৮
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭৫ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ও তৎকালীন রাডার যোগাযোগের উন্নয়নের জন্য ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন রাঙামাটি জেলার বেতবুনিিয়ায় এই ভূ-কেন্দ্র স্থাপিত হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ–কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৪ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ভূ-উপকেন্দ্র স্থাপনের প্রাথমিক পরিকল্পনা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।
B) ১৯৭৫ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই কেন্দ্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত ও উদ্বোধন করা হয়।
C) ১৯৭৬ সালে — এই সালে কোনো নতুন ভূ-উপকেন্দ্র স্থাপিত হওয়ার ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই।
D) ১৯৭৭ সালে — এই সালের সঙ্গে বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ–কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর প্রযুক্তির ছোঁয়া পেতে ১৯৭৫ সালেই বেতবুনিিয়ায় প্রথম উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র স্থাপিত হয়।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন কে
কেন সঠিক:
- ভিটামিন কে মানবদেহে প্র্রথম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে বা ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে।
- এই ভিটামিনের অভাবে রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমে যায় এবং সামান্য কেটে গেলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন বি — এটি স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা রক্ষা ও শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে, রক্ত জমাট বাঁধতে নয়।
B) ভিটামিন সি — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং কোলাজেন গঠনে সাহায্য করে, যা রক্ত জমাট বাঁধার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) ভিটামিন কে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
D) ভিটামিন বি২ — এটি চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং কোষের শক্তি উৎপাদনে কাজ করে, রক্তপাত বন্ধ করার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
রক্ত ক-তে কে (K) ভিটামিন দিয়ে আটকে যায়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) কাঁঠাল
কেন সঠিক:
- কাঁঠাল হলো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ, কারণ এর বীজে দুটি বীজপত্র থাকে এবং এর পাতার শিরাবিন্যাস জালিকাকার।
- একবীজপত্রী উদ্ভিদের বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে, কিন্তু কাঁঠালের বীজ খাড়াভাবে দুটি খণ্ডে বিভক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নারিকেল — এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ, কারণ এর বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে এবং এর মূল গুচ্ছমূল প্রকৃতির।
B) গম — এটি ঘাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একবীজপত্রী উদ্ভিদ, যার বীজে একটি মাত্র বীজপত্র বা স্কুটেলাম থাকে।
C) ভুট্টা — এটিও একবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ, এর বীজে একটি বীজপত্র এবং সমান্তরাল শিরাবিন্যাসযুক্ত পাতা থাকে।
D) কাঁঠাল — এটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ, তাই এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ নয় এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
কাঠাল, আম, জাম হলো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ যাদের বীজ দুটি খণ্ডে ভাগ হয়, আর ধান, গম, ভুট্টা, নারিকেল হলো একবীজপত্রী।
সঠিক উত্তর: B) নাইট্রোজেন
কেন সঠিক:
- উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য নাইট্রোজেন একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান যা মাটি থেকে শোষিত হয়।
- বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন সরাসরি উদ্ভিদ গ্রহণ করতে পারে না, তবে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া মাটির সাথে মিশিয়ে এর উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — এটি উদ্ভিদের শ্বাসপ্রশ্বাসে এবং বীজের অঙ্কুরোদগমে সাহায্য করে, তবে সরাসরি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে না।
B) নাইট্রোজেন — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক।
C) হাইড্রোজেন — এটি উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে এবং পানির অংশ হিসেবে প্রয়োজন হলেও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে প্রধান উপাদান নয়।
D) কার্বন ডাই-অক্ষাইড — এটি উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরির জন্য বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে, মাটির উর্বরতার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
মাটির উর্বরতা মানেই নাইট্রোজেন, যা উদ্ভিদ সরাসরি বাতাস থেকে না নিয়ে মাটির মাধ্যমে গ্রহণ করে।
সঠিক উত্তর: A) সাবান ও পাওডার
কেন সঠিক:
- টুথপেস্ট মূলত দাঁতের ময়লা দূর করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে সাবান পরিষ্কারক হিসেবে এবং পাওডার ঘর্ষণ উপাদান হিসেবে কাজ করে।
- এই দুটি উপাদানের মিশ্রণ দাঁতের গায়ে জমে থাকা ময়লা ও খাদ্যকণা সহজে ঘষে তুলে ফেলতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাবান ও পাওডার — এই অপশনটি সঠিক কারণ টুথপেস্টে পরিষ্কারক ও ঘর্ষক হিসেবে এগুলো প্রধানত ব্যবহৃত হয়।
B) জেলী ও মসলা — জেলী কিছু টুথপেস্টে ব্যবহার হলেও মসলা দাঁত পরিষ্কারের জন্য উপযোগী নয়।
C) ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল — ফ্লোরাইড দাঁতের সুরক্ষায় সহায়ক হলেও এগুলো টুথপেস্টের প্রধান মূল উপাদান নয়।
D) ভোজ্য তেল ও সোডা — ভোজ্য তেল দাঁত পরিষ্কারের কাজে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
দাঁত পরিষ্কার রাখতে সাবান ও পাওডার লাগে, তাই টুথপেস্টের প্রধান উপাদান এই দুটি।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / সাধারণ জ্ঞান
সঠিক উত্তর: B) টমেটোতে
(দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত উত্তরে টমেটোতে ম্যালিক এসিড বলা হয়েছে, তবে ফলমূল ও উদ্ভিদে জৈব এসিডের উপস্থিতি পরিবর্তনশীল। টমেটোতে সাইট্রিক এসিড এবং ম্যালিক এসিড উভয়ই থাকে, তবে কাঁচা টমেটোতে ম্যালিক এসিডের পরিমাণ বেশি থাকে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই অপশনটিকে সঠিক ধরা হয়।)
কেন সঠিক:
- টমেটোতে ম্যালিক এসিডসহ বিভিন্ন জৈব এসিডের উপস্থিতি রয়েছে যা এর টক স্বাদের জন্য দায়ী।
- উদ্ভিদ বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী টমেটোতে প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে ম্যালিক এসিড পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমলাললেবুতে — কমলাললেবুতে প্রধানত সাইট্রিক এসিড বা এসকরবিক এসিড পাওয়া যায়, ম্যালিক এসিড নয়।
B) টমেটোতে — এটি এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
C) আমলকিতে — আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে এসকরবিক এসিড বা ভিটামিন সি থাকে।
D) আঙ্গুরে — আঙ্গুরে প্রধানত টারটারিক এসিড এবং কিছু পরিমাণে ম্যালিক এসিড থাকে, তবে এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে টমেটো সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
টমেটোর টক স্বাদের জন্য ম্যালিক এসিড দায়ী।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) ওজোন
কেন সঠিক:
- বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে থাকা ওজোন গ্যাস সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে প্রাণের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
- ওজোন স্তরের এই ফিল্টারিং ক্ষমতার জন্যই অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি ভূপৃষ্ঠে এসে জীবজগতে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিলিয়াম — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা বায়ুমণ্ডলে অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করার মতো কোনো ভূমিকা পালন করে না।
B) ওজোন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
C) অক্সিজেন — বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন থাকলেও তা সরাসরি ওজোনের মতো অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করতে পারে না, বরং অক্সিজেন থেকেই ওজোন তৈরি হয়।
D) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস হলেও অতিবেগুনি রশ্মি শোষণের মূল কাজটি ওজোন গ্যাসই সম্পন্ন করে থাকে।
মনে রাখার টিপস:
ও-তে ওজোন এবং ও-তে অতিবেগুনি রশ্মি, এভাবে মনে রাখলে বায়ুমণ্ডলের এই সুরক্ষাবারক গ্যাসটি সহজেই মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) বিকিরণ
কেন সঠিক:
- বিকیرণ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালনের জন্য কোনো মাধ্যম বা মাধ্যমের কণার প্রয়োজন হয় না, তাই এটি শূন্যস্থানের মধ্য দিয়েও খুব দ্রুত চলতে পারে।
- এই প্রক্রিয়ায় তাপ আলোর বেগে অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার বেগে সরলরেখায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিবন — এই পদ্ধতিতে কঠিন পদার্থের কণাগুলো নিজেরা স্থান পরিবর্তন না করে শুধু কম্পনের মাধ্যমে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত করে, যা বেশ মন্থর।
B) পরিচলন — এই পদ্ধতিতে তরল ও বায়বীয় পদার্থের কণাগুলো নিজেরা স্থান পরিবর্তন করে তাপ সঞ্চালন করে, যা পরিহনের চেয়ে দ্রুত হলেও বিকিরণের চেয়ে অনেক ধীরগতির।
C) বিকিরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ মাধ্যম ছাড়াই তাপ আলোর বেগে সঞ্চালিত হয়।
D) এর কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
তাপ সঞ্চালনের সবচেয়ে দ্রুত মাধ্যম বিকিরণ, ঠিক যেমন সূর্যের আলো বা তাপ কোনো মাধ্যম ছাড়াই শূন্যস্থান ভেদ করে পৃথিবীতে পৌঁছে যায়।
সঠিক উত্তর: A) কালো
কেন সঠিক:
- কালো রঙের বস্তু যেকোনো আলোর প্রায় পুরোটাই শোষণ করতে পারে এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না।
- আলোক শক্তি শোষিত হয়ে তা তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় বলে কালো বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কালো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সব আলো শোষণ করে।
B) লাল — এটি লাল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো প্রতিফলিত করে তাই এর শোষণ ক্ষমতা কম।
C) বেগুনি — এটি আলোর একটি নির্দিষ্ট অংশ প্রতিফলন করায় কালো রঙের মতো তাপ শোষণ করতে পারে না।
D) সাদা — এটি প্রায় সব আলো প্রতিফলিত করে তাই এর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম।
মনে রাখার টিপস:
কালো রঙ আলো ও তাপ শোষক এবং সাদা রঙ তাপ প্রতিফলক হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: D) কিলোওয়াট–ঘন্টা
কেন সঠিক:
- কিলোওয়াট-ঘন্টা বা বিওটি (Board of Trade Unit) হলো গৃহস্থালী ও শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত বিদ্যুৎ শক্তির বাণিজ্যিক পরিমাপক একক।
- এক কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র এক ঘণ্টা চললে যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় হয়, তাকে এক কিলোওয়াট-ঘন্টা বা এক ইউনিট বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়াট — এটি কেবল বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক, শক্তির বাণিজ্যিক একক নয়।
B) ওয়াট-ঘন্টা — এটি শক্তির একক হলেও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত ছোট একক হওয়ায় ব্যবহৃত হয় না।
C) জুল — এটি কাজের এবং শক্তির এসআই একক, কিন্তু বাণিজ্যিক বা ব্যবহারিক ক্ষেত্রে এটি অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ বিলের হিসাবে ব্যবহার করা হয় না।
D) কিলোওয়াট–ঘন্টা — এটি সঠিক কারণ বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য এই বাণিজ্যিক একক বা ইউনিট ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ বিলের কাগজে লেখা ইউনিট মানেই হলো কিলোওয়াট-ঘন্টা।
সঠিক উত্তর: A) কমে যায়
কেন সঠিক:
- জলীয়বাষ্পের অণুগুলোর ওজন শুষ্ক বায়ুর প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনের তুলনায় কম হওয়ায় আর্দ্র বায়ু হালকা হয়।
- বায়ু হালকা হয়ে গেলে তার ঘনত্ব ও চাপ কমে যায়, যা আবহাওয়ার ওপর প্রভাব ফেলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমে যায় — জলীয়বাষ্প হালকা হওয়ায় বায়ুর ঘনত্ব কমে যায় এবং এর ফলে বায়ুচাপও হ্রাস পায়।
B) বেড়ে যায় — জলীয়বাষ্প বায়ুর চেয়ে ভারী নয় বরং হালকা, তাই চাপ বাড়ে না বরং কমে যায়।
C) স্থির থাকে — বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বাড়লে বায়ুর উপাদান পরিবর্তিত হয়, ফলে চাপ স্থির থাকে না।
D) শূন্য হয় — বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্প বাড়লেও বায়ুচাপ কখনো শূন্য হয় না, এটি কেবল হ্রাস পায়।
মনে রাখার টিপস:
জল মানেই হালকা, তাই বাতাসে জলীয়বাষ্প বাড়লে বায়ু হালকা হয় এবং চাপ কমে যায়।
সঠিক উত্তর: C) টঙ্গীতে
কেন সঠিক:
- টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড ১৯৭৫ সালে গাজীপুর জেলার টঙ্গীতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশে টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম উৎপাদনের প্রথম সরকারি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লায় — এটি কুমিল্লার ঐতিহাসিক বা শিল্প অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম ভারী শিল্প ও বন্দর এলাকার জন্য পরিচিত হলেও টেলিফোন শিল্প সংস্থা এখানে অবস্থিত নয়।
C) টঙ্গীতে — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং টেলিফোন শিল্প সংস্থার প্রকৃত অবস্থান।
D) সিলেট — সিলেট চা এবং গ্যাস খাতের জন্য পরিচিত হলেও এই প্রতিষ্ঠান এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
টেলিফোন শিল্প সংস্থা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে টঙ্গী শিল্প এলাকা মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) গাজীপুরে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস কারখানা (বিএমটিএফ) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- এটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত এবং ১৯৭৯ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাজীপুরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ মেশিন টুলস কারখানা গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
B) টঙ্গীতে — টঙ্গী গাজীপুরের অন্তর্ভুক্ত হলেও নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান ও দাপ্তরিক ঠিকানা অনুযায়ী কারখানাটি মূল গাজীপুর সদরে অবস্থিত।
C) নারায়ণগঞ্জে — নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ মেশিন টুলস কারখানা অবস্থিত নয়, এখানে ডকইয়ার্ড ও পাটকলসহ অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
D) খুলনাতে — খুলনায় বাংলাদেশ মেশিন টুলস কারখানা অবস্থিত নয়, এখানে খুলনা শিপইয়ার্ড ও নিউজপ্রিন্ট মিলস অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বিএমটিএফ কারখানাটি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে গাজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) জেনেভায়
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর জেনেভাতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোমে — রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও-এর দপ্তর অবস্থিত, ডব্লিউএইচও-এর নয়।
B) প্যাবিসে — এটি কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত নয়।
C) জেনেভায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) হেগে — হেগে আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে-এর দপ্তর অবস্থিত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দপ্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য সবাই জেনে যেতে চায়, তাই স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) রাঙামাটি
কেন সঠিক:
- বেতবুনিয়া পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলার কাউখালী উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের প্রথম ভূউপগ্রহ কেন্দ্র (বেতবুনিয়া ভূউপগ্রহ কেন্দ্র) ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং কেন্দ্রীয় অঞ্চল, তাই রাঙামাটির এই ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে মেলে না।
B) পাবনা — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা এবং বেতবুনিয়ার সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
সি) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দর নগরী এবং পাহাড়ি অঞ্চল নয়, যদিও বেতবুনিয়া চট্টগ্রাম বিভাগের অধীন রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত।
D) রাঙামাটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বেতবুনিয়া এই পার্বত্য জেলার কাউখালী উপজেলায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বেতবুনিয়া মানেই পাহাড়ি জেলা রাঙামাটি এবং বাংলাদেশের প্রথম ভূউপগ্রহ কেন্দ্র।
বিষয়: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: C) যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
কেন সঠিক:
- ১৬৭৮ সালে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র যুবরাজ মোহাম্মদ আযম বাংলায় সুবাদার থাকাকালীন লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- কেল্লাটির মূল নাম ছিল আওরঙ্গবাদ দুর্গ, যা পরবর্তীতে লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলাম খান — তিনি প্রথম ঢাকাকে মুঘল বাংলার রাজধানী করেন এবং ১৬১০ সালে ঢাকরে কেল্লা বা পুরানো কেল্লা নির্মাণ করেছিলেন।
B) শায়েস্তা খান — তিনি যুবরাজ আযমের পর বাংলার সুবাদার হয়ে লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু করেন কিন্তু অসমাপ্ত রাখেন।
D) মীর জুমলা — তিনি মুঘল সুবাদার ছিলেন এবং আসাম জয়ের জন্য পরিচিত, তবে লালবাগ কেল্লা নির্মাণ শুরু করেননি।
মনে রাখার টিপস:
কাজ শুরু করেন আযম, অসমাপ্ত রাখেন শায়েস্তা খান।
সঠিক উত্তর: D) ৭টি
কেন সঠিক:
- ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত ঐতিহাসিক সাত গম্বুজ মসজিদের প্রধান প্রার্থনা কক্ষের ছাদের ওপর তিনটি বড় গম্বুজ রয়েছে।
- মসজিদের চার কোণায় চারটি মিনার বা برج রয়েছে যার ওপর ছোট গম্বুজ থাকায় মোট গম্বুজের সংখ্যা সাতটি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি — এটি ভুল কারণ মসজিদের চার কোণার চারটি মিনার বা অন্য কোনো অংশের গণনার সঙ্গে এই সংখ্যা মিলছে না।
B) ৩টি — এটি ভুল কারণ ৩টি গম্বুজ শুধু প্রধান প্রার্থনা কক্ষের ওপর রয়েছে, কিন্তু কোণার মিনারগুলোর গম্বুজ বাদ পড়েছে।
C) ৫টি — এটি ভুল কারণ ঐতিহাসিক স্থাপত্য নকশা অনুযায়ী গম্বুজের মোট সংখ্যা ৫টি নয়।
D) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রধান কক্ষের ৩টি এবং চার কোণার টাওয়ারের ৪টিসহ মোট গম্বুজ ৭টি।
মনে রাখার টিপস:
নাম থেকেই মনে রাখুন সাত গম্বুজ মসজিদে মোট গম্বুজ আছে ঠিক সাতটি।
সঠিক উত্তর: A) ৪ বছর পরপর
কেন সঠিক:
- ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড বা ফিফার তত্ত্বাবধানে প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল বাদ দিয়ে এই চার বছর অন্তর আয়োজনের নিয়ম নিয়মিত পালিত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ বছর পরপর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফিফা বিশ্বকাপের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি আসর চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
B) ৫ বছর পরপর — ফিফা বিশ্বকাপ বা অন্য কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট পাঁচ বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয় না।
C) প্রতি বছর — বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতি বছর আয়োজন করা সম্ভব নয় কারণ বাছাই পর্ব ও চূড়ান্ত পর্ব শেষ করতে দীর্ঘ সময় লাগে।
D) ৩ বছর পরপর — তিন বছর পর পর ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের কোনো নিয়ম ফিফার ক্যালেন্ডারে নেই।
মনে রাখার টিপস:
অলিম্পিক ও বিশ্বকাপ ফুটবল উভয়ই জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং দুটিই নিয়মিতভাবে চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: B) উরুগুয়েতে
কেন সঠিক:
- ১৯৩০ সালে ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম আসর উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত হয় এবং স্বাগতিক উরুগুয়ে দলই প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়।
- ফিফা প্রতিষ্ঠার পর ফুটবলের এই বিশ্ব আসর আয়োজনের দায়িত্ব প্রথম উরুগুয়েকে দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতালিতে — ইতালি ১৯৩৪ সালের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ ছিল।
B) উরুগুয়েতে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ প্রথম বিশ্বকাপ এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সি) ব্রাজিলে — ব্রাজিল ১৯৫০ সালের চতুর্থ বিশ্বকাপ ফুটবল এবং ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল।
ডি) মেক্সিকোতে — মেক্সিকো ১৯৭০ এবং ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল আসরের আয়োজক দেশ ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম আসর বসেছিল উরুগুয়েতে এবং প্রথম চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল উরুগুয়ে।
সঠিক উত্তর: B) দক্ষিণ আমেরিকা
কেন সঠিক:
- কলম্বিয়া দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উত্তর-পশ্চিম কোণে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
- এই দেশের রাজধানী বোগোটা এবং এটি দক্ষিণ আমেরিকার একমাত্র দেশ যার উপকূল রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগর উভয়েই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরোপ — ইউরোপ মহাদেশে কলম্বিয়া অবস্থিত নয়, এটি ভৌগোলিকভাবে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
B) দক্ষিণ আমেরিকা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কলম্বিয়া এই মহাদেশেরই একটি রাষ্ট্র।
C) আফ্রিকা — আফ্রিকা মহাদেশে কলম্বিয়া অবস্থিত নয়, এই মহাদেশটি আটলান্টিক মহাসাগরের পূর্বে অবস্থিত।
D) উত্তর আমেরিকা — কলম্বিয়া উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ নয়, এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
কলম্বিয়া নামটি এসেছে ক্রিস্টোফার কলম্বাসের নামানুসারে, আর দক্ষিণ আমেরিকার মানচিত্রের ঠিক ওপরের বাম কোণেই এর অবস্থান।
সঠিক উত্তর: B) কেনিয়া
কেন সঠিক:
- কেনিয়া পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ এবং এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অবস্থিত।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলটি মূলত উত্তর ইউরোপের উত্তরাংশে অবস্থিত যার মধ্যে নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নরওয়ে — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের একটি প্রধান দেশ এবং উত্তর ইউরোপে অবস্থিত।
B) কেনিয়া — এটি আফ্রিকার দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) ডেনমার্ক — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত একটি উত্তর ইউরোপীয় দেশ।
D) ফিনল্যান্ড — এটি উত্তর ইউরোপের দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপে অবস্থিত হওয়ায় স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশের অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ মনে রাখার সহজ শব্দ হলো নো-সু-ডে (নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক)।
সঠিক উত্তর: B) ২নং
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং ঢাকা শহর দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল।
- এই সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তীতে এ টি এম হায়দার এর দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১নং — এই সেক্টরটি চট্টগ্রাম, নোয়াখালী এবং ফেনী নদী সংলগ্ন এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল, ঢাকা এর আওতাধীন ছিল না।
B) ২নং — এটিই সঠিক উত্তর কারণ ঢাকা শহর ও এর আশপাশের অঞ্চল এই সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
C) ৩নং — এই সেক্টরটির অধীনে ছিল হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, আখাউড়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকা।
D) ৪নং — এই সেক্টরটি মূলত সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই ও শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে বাকি অংশ নিয়ে গঠিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল, এটি মনে রাখতে ঢাকা এবং দুই শব্দের শুরুর অক্ষর বা উচ্চারণ মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: বি) ১৯৮১ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৮১ সালের ১ ডিসেম্বর।
- রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাদেশ টেলিভিশন এই রঙিন সম্প্রচার কার্যক্রম শুরু করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
এ) ১৯৮০ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালে রঙিন সম্প্রচারের প্রস্তুতি চললেও তা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়নি।
বি) ১৯৮১ সালে — এটি সঠিক বছর, যখন বাংলাদেশ টেলিভিশন রঙিন সম্প্রচারে পদার্পণ করে।
সি) ১৯৮২ সালে — এটি ভুল কারণ রঙিন সম্প্রচার চালুর বছরটি এর আগের বছর অর্থাৎ ১৯৮১ সাল।
ডি) ১৯৮৩ সালে — এটি ভুল কারণ রঙিন সম্প্রচার চালুর সাল ১৯৮৩ সালের অনেক আগেই ঘটেছিল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার দশ বছর পর, অর্থাৎ ১৯৮১ সালে রঙিন টেলিভিশন চালু হয়।
সঠিক উত্তর: C) ভাস্কর সৈয়দ আদুল্লাহ খালিদ
কেন সঠিক:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত ভাস্কর্য অপরাজেয় বাংলার স্থপতি ও ভাস্কর ছিলেন সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- ১৯৭৩ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এর উদ্বোধন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিল্পী হামিদুজ্জামান খান — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ভাস্কর হলেও অপরাজেয় বাংলার স্রষ্টা নন, তিনি অন্য অনেক ভাস্কর্যের কাজ করেছেন।
B) ভাস্কর নভেরা আহমেদ — তিনি শহীদ মিনারের প্রাথমিক নকশাকার ও দেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের অন্যতম অগ্রপথিক, তবে এই ভাস্কর্যটির সঙ্গে যুক্ত নন।
C) ভাস্কর সৈয়দ আদুল্লাহ খালিদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই ঐতিহাসিক ভাস্কর্যটির সফল নির্মাতা।
D) ভাস্কর শামীম শিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার অপরাজেয় বাংলা নয়, বরং টিএসসি ও ফুলার রোডের মোড়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যের ভাস্কর।
মনে রাখার টিপস:
অপরাজিত সৈয়দ - এই মিল দিয়ে মনে রাখতে পারেন যে অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদের তৈরি।
সঠিক উত্তর: D) ১৫
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত, যার মোট সদস্য সংখ্যা ১৫।
- আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য জাতিসংঘের এই প্রধান অঙ্গটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ — এই সংখ্যাটি নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার সাথে মিলে না এবং এটি ভুল উত্তর।
B) ১৩ — নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কখনো ১৩ ছিল না, তাই এটি ভুল উত্তর।
C) ১৪ — নিরাপত্তা পরিষদের গঠন অনুযায়ী ১৪ জন সদস্যের কোনো বিধান নেই, তাই এটি ভুল উত্তর।
D) ১৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্য মিলিয়ে মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য ৫ জন এবং অস্থায়ী সদস্য ১০ জন, ৫ এবং ১০ যোগ করলে মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ হয়।
সঠিক উত্তর: B) নরওয়ে
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ট্রাগভ লি ১৯৪৬ সাল থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং তাঁর জন্মও নরওয়েতেই হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘানা — ঘানার নাগরিক কফি আনান জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন, প্রথম নন।
B) নরওয়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম মহাসচিব ট্রাগভ লি এই দেশের নাগরিক ছিলেন।
C) ব্রিটেন — ব্রিটেন জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য হলেও এই দেশ থেকে প্রথম মহাসচিব নির্বাচিত হননি।
D) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়ার বান কি মুন জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন, প্রথম নন।
মনে রাখার টিপস:
ট্রাগভ লি-র নাম মনে রাখতে ন-তে নরওয়ে এবং ন-তে প্রথম মহাসচিব হিসেবে প্রথম অক্ষর মেলাতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) কৃতজ্ঞ
১. কেন সঠিক:
- যে ব্যক্তি অন্যের করা উপকার মনে রাখে এবং তার স্বীকৃতি দেয়, তাকে এক কথায় কৃতজ্ঞ বলা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণের এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে এই শব্দটি উপকার স্বীকার করার ভাব প্রকাশ করতে সরাসরি ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম।
- এটি ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও প্রাঞ্জল করে তোলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যে উপকারের অপকার করে
ব্যাখ্যা: এটি একটি ভিন্ন ভাব প্রকাশ করে, যার এককথায় প্রকাশের রূপ আলাদা।
উদাহরণ ২: যা সহজে নিবারণ করা যায় না
ব্যাখ্যা: এটি বাক্যের সংক্ষিপ্ত রূপ হিসেবে এককথায় প্রকাশের আরেকটি সাধারণ উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অকৃতার্থ — এই শব্দের অর্থ যার মনোরথ বা উদ্দেশ্য সফল হয়নি, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) কৃতজ্ঞ — এটি সঠিক উত্তর।
C) কৃতঘ্ন — যে উপকারীর উপকার স্বীকার করে না বরং অস্বীকার করে, তাকে কৃতঘ্ন বলে।
D) অকৃতজ্ঞ — এটি কৃতজ্ঞ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ, যার অর্থ উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কৃতজ্ঞ শব্দের শেষ অংশ মনে রাখলে বোঝা যায় এটি পজিটিভ অর্থ প্রকাশ করে।
- কৃতজ্ঞ মানে গুণগ্রাহী বা যে গুণ বা উপকার মনে রাখে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কৃতজ্ঞ ও কৃতঘ্ন শব্দ দুটি প্রায়ই বিপরীতার্থক হিসেবে জোড়ায় আসে।
- উপকার স্বীকারকারী এবং উপকার অস্বীকারকারী এই দুটি পদের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ভৌ + উক
১. কেন সঠিক:
- এখানে স্বসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম প্রযোজ্য হয়েছে, যেখানে ও-কার বা ঔ-কারের পরে স্বরধ্বনি থাকলে তা যথাক্রমে অব বা আব-এ রূপান্তরিত হয়।
- ভৌ যোগ উক মিলে ভাবুক গঠিত হয়েছে, যেখানে ঔ-কারের স্থলে আব আদেশ হয়ে শব্দটির সৃষ্টি হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি সংস্কৃত ব্যাকরণের আদি বা বৃদ্ধি সংক্রান্ত অনাদি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ, যেখানে সংস্কৃতির নিয়ম অনুযায়ী ঔ-এর পর স্বরবর্ণ থাকলে ঔ স্থানে আব হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে এটি ব্যতিক্রমধর্মী নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মে সাধিত সন্ধির আওতাভুক্ত হিসেবেও বিবেচিত হয়ে থাকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাও + অক = গায়ক
ব্যাখ্যা: এটিও স্বরসন্ধির একটি নিয়ম যেখানে ও-কারের স্থানে অব বা আই আদেশ হয়।
উদাহরণ ২: নৌ + ইক = নাভিক
ব্যাখ্যা: এখানে ঔ-কারের পরে স্বরধ্বনি থাকায় ঔ স্থানে আব আদেশ হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভৌ + উক — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়ম অনুযায়ী ভাবুক শব্দ গঠন করে।
B) ভো + উক — এই অপশনটি ভুল কারণ ভো হলে ভো যোগ উক মিলে ভাবুক না হয়ে ভৌউক বা ভাবুক হওয়ার কথা নয়, এখানে ঔ-কার প্রয়োজন।
C) ভাব + উক — এটি সন্ধি বিচ্ছেদ নয় বরং এটি প্রকৃতি ও প্রত্যয় নির্ণয়, যেখানে ভাব শব্দটির সাথে উক প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে।
D) ভৌ + অক — এখানে উত্তর ভুল কারণ প্রকরণ অনুযায়ী উক প্রত্যয় বা বিভক্তি থাকার কথা, অক থাকলে ভাবক হতো।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ঔ-কার যুক্ত শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদে সাধারণত ভৌ বা নৌ জাতীয় পদ আসে এবং পরে উক বা ইকের মতো প্রত্যয়জাত অংশ থাকে।
- ভাবুক শব্দটি দেখলে মনে রাখবে এটি ভৌ যোগ উক এর মিলন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধি বারবার আসে যেখানে ঔ-কার আব-এ রূপান্তরিত হয়।
- গায়ক, ভাবুক, নাভিক এই শব্দগুলো একই ব্যাকরণগত সূত্রের অন্তর্ভুক্ত।
সঠিক উত্তর: D) গো + এষণা
কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ওকারের পরে স্বরধ্বনি থাকলে ওকারের পরিবর্তে অব হয়।
তাই গো এর সাথে এষণা যুক্ত হয়ে গবেষণা শব্দটি গঠিত হয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির অন্তর্গত একটি বিশেষ নিয়ম বা গবাদি সন্ধি হিসেবে পরিচিত।
এখানে সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে ওকার এবং এ মিলে অব গঠিত হয়েছে।
যেমন গোষ্পদ শব্দের ক্ষেত্রেও এমন নিয়ম দেখা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গব + এষণা — এখানে প্রথম অংশে গব ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণসম্মত নয়।
B) গবে + এষণা — এখানে গবে লেখা হয়েছে যা মূল শব্দের সন্ধির নিয়মের সাথে মিলে না।
C) গৌ + এষণা — এখানে গৌ ব্যবহার করা হয়েছে যার ফলে সঠিক ধ্বনি তৈরি হয় না।
D) গো + এষণা — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
গবেষণা শব্দ দেখলে মনে রাখবে এটি গো এবং এষণা যোগে গঠিত হয়।
ওকার এবং এ মিলে অব ধ্বনি তৈরি হয় এই কৌশলটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) গৈ + অক
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে এটি একটি অচর বা স্বরসন্ধির উদাহরণ। এখানে গৈ শব্দের অন্তস্থিত ঐ-কারের পর অক শব্দের অ থাকলে, নিয়মানুসারে ঐ-কারের স্থানে আয় আদেশ হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এটি স্বরসন্ধির অন্তর্গত অয়াচি সন্ধি বা যণ, অয়াদ্ ইত্যাদির একটি বিশেষ নিয়ম। সংস্কর ব্যাকরণ অনুযায়ী এ, ঐ, ও, ঔ এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে যথাক্রমে অয়, আয়, অব, আব হয়। গৈ যোগ অক মিলে গায়ক শব্দ গঠিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নৈ + অক = নায়ক
ব্যাখ্যা: ঐ-কারের সাথে অ যুক্ত হয়ে আয় উৎপন্ন হয়েছে।
উদাহরণ ২: পো + অন = পবন
ব্যাখ্যা: ও-কারের সাথে অ যুক্ত হয়ে অব উৎপন্ন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গা + অক — এটি ব্যাকরণের কোনো নিয়ম অনুসারে সিদ্ধ নয় কারণ গা বলে কোনো সঠিক সন্ধিযোগ্য শব্দ বা মূল নেই।
B) গৈ + অক — এটি সঠিক উত্তর।
C) গা + য়ক — এখানে সন্ধির কোনো নিয়ম প্রয়োগ করা হয়নি বরং ভুলভাবে শব্দ ভেঙে দেখানো হয়েছে।
D) গো + অক — গো যোগ অক মিলে গবক বা গাভক হতে পারে, তবে গায়ক হয় না।
৫. মনে রাখার টিপস:
ঐ-কার থাকলে আয় এবং ঔ-কার থাকলে আব হয় এটি মনে রাখবে। গায়ক শব্দের শুরুতে আ ধ্বনি থাকায় গৈ ধাতু বা শব্দ নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের অয়াদ্ সন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই গায়ক, নায়ক, পবন, পাবক এই শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ খুব ভালো করে মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) ষট + দশ
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মানুসারে ত-বর্গীয় বা চ-বর্গীয় ধ্বনির সাথে যোগ হলে এই পরিবর্তন ঘটে।
- এখানে 'ষট' শব্দের সাথে 'দশ' যুক্ত হয়ে 'ষোড়শ' গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- প্রথম পদের অন্তস্থিত ট-কার বা ড-কারের পর যদি দশ শব্দের দ থাকে, তবে তা পরিবর্তিত হয়ে ল-এ পরিণত হয়।
- এই নিয়মে ষট যোগ দশ মিলে ষোড়শ শব্দে পরিণত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ষট যোগ দল = ষোড়দল
ব্যাখ্যা: ট-কারের সাথে দল যুক্ত হয়ে ল-কার উৎপন্ন হয়েছে।
উদাহরণ ২: তৎ যোগ মিলন = তন্মিলন
ব্যাখ্যা: ব্যঞ্জনসন্ধির অন্য একটি নিয়মের মাধ্যমে এই শব্দ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ষট + দশ — এটি সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী সঠিক ও প্রমিত বিধান মেনে তৈরি হয়েছে।
B) সড় + শ — এই অপশনটি ব্যাকরণসম্মত নয় এবং এর কোনো অর্থপূর্ণ ভিত্তি নেই।
C) ষোড় + অশ — এটি সন্ধির সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত হয়নি।
D) ষোড় + শ — এই অংশটি ভেঙে সঠিক সন্ধি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ষোড়শ শব্দ দেখলে ষট যোগ দশ অংশটি মনে রাখবে।
- ট-কার এবং দশ মিলে ল-কার হয় এই সূত্রটি মাথায় রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যঞ্জনসন্ধির এই নিয়মটি প্রায়ই আসে।
- অনুরূপ নিয়মের শব্দগুলো চর্চা করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- সুবর্ণ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো সুন্দর যে বর্ণ, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে।
- এখানে বর্ণ বিশেষ্য পদের পূর্বে সুন্দর বিশেষণ পদ বসে বিশেষ্য ও বিশেষণের পদের মিলনে কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- বিশেষ্য ও বিশেষণ পদের মিলনে গঠিত এই সমাসে উপমান, উপমিত ও রূপক কর্মধারয় সমাসের বিভিন্ন রূপ দেখা যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নীল যে লোটাস বা পদ্ম = নীলপদ্ম
ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে নীল বিশেষণ এবং পদ্ম বিশেষ্য পদ।
উদাহরণ ২: মহান যে নবী = মহানবি
ব্যাখ্যা: এটি কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে মহান বিশেষণ এবং নবী বিশেষ্য পদ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় — এটি সঠিক কারণ পদ দুটির মধ্যে বিশেষ্য ও বিশেষণের সম্পর্ক রয়েছে।
B) তৎপুরুষ — এটি ভুল কারণ তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়।
C) বহুব্রীহি — এটি ভুল কারণ বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়।
D) অব্যয়ীভাব — এটি ভুল কারণ অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান থাকে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সমাস নির্ণয়ের সময় ব্যাসবাক্য করার চেষ্টা করবে এবং দেখবে পূর্বপদ বিশেষণ ও পরপদ বিশেষ্য কি না।
- সুন্দর বর্ণ মিলে সুবর্ণ হয়েছে, যেখানে প্রথম পদ গুণ বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বর্ণ শব্দের অর্থ রং বা সোনা, তবে এখানে সমাসের বিচারে কর্মধারয় সমাসের নিয়মে সাধিত হয়েছে।
- এই ধরনের শব্দ দেখলে আগে তার ব্যাসবাক্য নির্ধারণ করে সমাসের নাম নির্ণয় করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অব্যয়ীভাব
১. কেন সঠিক:
উপকথা শব্দটি উপ এবং কথা মিলে গঠিত হয়েছে যেখানে উপ উপসর্গটি ক্ষুদ্র বা অধীন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
সাধারণত অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে উপসর্গ বা অব্যয় যুক্ত হয়ে অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতিভাত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বা উপসর্গ বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
উপকথা শব্দের ব্যাসবাক্য হলো উপ বা ক্ষুদ্র যে কথা, যা অব্যয়ীভাব সমাসের নিয়মে গঠিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উপকূল
ব্যাখ্যা: কূলের সমীপে অর্থে উপকূল শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: আজীবন
ব্যাখ্যা: জীবন পর্যন্ত অর্থে আজীবন শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাসের আরেকটি পরিচিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষ্য ও বিশেষণের মিলনে নতুন পদ গঠিত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে উপসর্গ যোগে অব্যয়ের অর্থ প্রধান হয়েছে।
C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা উপকথা শব্দে হয় না।
D) দ্বিগু — দ্বিগু সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সাথে সমাহার বোঝায়, যা এখানে নেই।
৫. মনে রাখার টিপস:
উপসর্গ দিয়ে শুরু হওয়া অনেক শব্দই অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
উপ উপসর্গ থাকলে তা ক্ষুদ্র বা সামান্য অর্থ প্রকাশ করে অব্যয়ীভাব সমাস গঠন করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপসর্গযুক্ত শব্দ দেখলে প্রথমে অব্যয়ীভাব সমাসের কথা চিন্তা করতে হবে।
সমাস নির্ণয়ের সময় শব্দের ব্যাসবাক্য এবং অর্থের প্রাধান্য ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) তৎপুরুষ
১. কেন সঠিক:
- বইপড়া শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বইকে পড়া। এখানে পূর্বপদে দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ পেয়েছে।
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান থাকে, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি যেমন কে, রে, থেকে, দ্বারা লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধানরূপে বোঝায়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে।
- তৎপুরুষ সমাস সাধারণত পূর্বপদের বিভক্তির নামানুসারে নয় প্রকার হয়ে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিপদমুক্ত
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্য বিপদ হইতে মুক্ত এবং এটি অপাদান তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
উদাহরণ ২: রান্নাঘর
ব্যাখ্যা: এর ব্যাসবাক্যের জন্য রান্নাঘর এবং এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হলেও তৎপুরুষের নিয়মেও আলোচনা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় — কর্মধারয় সমাসে বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে নতুন অর্থ প্রকাশ পায় কিন্তু এখানে বিভক্তি লোপের ব্যাপার রয়েছে।
B) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে অব্যয়ের অর্থ প্রধান থাকে কিন্তু বইপড়া শব্দটিতে কোনো অব্যয় যুক্ত নেই।
D) তৎপুরুষ — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে বিভক্তি লোপ পেয়ে তৎপুরুষ সমাস গঠিত হয়েছে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিভক্তি লোপ পেলে তৎপুরুষ সমাস হয়।
- কর্মকে পড়া অর্থ প্রকাশ করায় এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিভক্তিযুক্ত শব্দ দিয়ে তৎপুরুষ সমাস প্রায়ই আসে।
- ব্যাসবাক্য নির্ণয় করার সময় বিভক্তি চিহ্নিত করতে পারলে সঠিক উত্তর সহজে বের করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) হতভাগ্য
১. কেন সঠিক:
- আট কপালে একটি প্রখ্যাত বাংলা বাগধারা যার সাধারণ অর্থ মন্দ ভাগ্য বা দুর্ভাগ্য।
- যার কপালে যেন আটটি অশুভ রেখা টানা আছে অর্থাৎ যার জীবন সবসময় দুর্ভাগ্যে ভরা, তাকেই আট কপালে বলা হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- এটি বাগধারা ও প্রবাদ প্রবচন অংশের অন্তর্ভুক্ত যেখানে শব্দ বা পদের বিশেষ ও লক্ষার্থ প্রকাশ পায়।
- বাগধারা হলো এমন কিছু শব্দসমষ্টি যা আক্ষরিক অর্থ প্রকাশ না করে একটি বিশেষ ভাব প্রকাশ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অকালকুষ্মাণ্ড
ব্যাখ্যা: অকালকুষ্মাণ্ড বাগধারাটির অর্থ অপদার্থ বা অকেজো ব্যক্তি, যা আট কপালে এর মতো মানুষের ভাগ্যহীনতা বা অযোগ্যতা প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: উনপুরে
ব্যাখ্যা: উনপুরে বাগধারাটির অর্থ হতভাগ্য বা যার ভাগ্য ভালো নয়, যা আট কপালে বাগধারার সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হতভাগ্য — এটি প্রদত্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ আট কপালে বাগধারাটি মানুষের দুর্ভাগ্য বা মন্দ ভাগ্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
B) ভাগ্যবান — এটি ভুল কারণ ভাগ্যবান বলতে সৌভাগ্যবান ব্যক্তিকে বোঝায় যা আট কপালে বাগধারার ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) সরু কপাল — এটি ভুল কারণ বাগধারার ক্ষেত্রে আক্ষরিক অর্থ বা শরীরের কোনো অঙ্গের প্রকৃত মাপ ধরা হয় না বরং এর অন্তর্নিহিত ভাবটিই প্রধান।
D) চওড়া কপাল — এটি ভুল কারণ চওড়া কপাল শারীরিক গঠন বোঝায় কিন্তু আট কপালে একটি বিশেষ বাগধারা যার অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থাৎ হতভাগ্য।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কপালে ভাগ্য লেখা থাকে, আর কারো কপালে যদি আটটি অশুভ রেখা থাকে তবে সে নিশ্চিতভাবেই একজন হতভাগ্য ব্যক্তি।
- এভাবে কপাল শব্দটির সাথে দুর্ভাগ্য বা মন্দ ভাগ্য মিলিয়ে সহজেই এই বাগধারাটির অর্থ মনে রাখা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই সমার্থক বাগধারা থেকে প্রশ্ন আসে যেমন আট কপালে এবং উনপুরে একই অর্থ প্রকাশ করে।
- বাগধারার ক্ষেত্রে সবসময় আক্ষরিক অর্থ বাদ দিয়ে তার রূপক বা ভাবগত অর্থ খুঁজে বের করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) অনিবার্য
১. কেন সঠিক:
- অনিবার্য শব্দটির অর্থ যা কোনোভাবেই নিবারণ বা রোধ করা যায় না।
- প্রশ্নটিতে চাওয়া হয়েছে যে ঘটনা বা বিষয় অবধারিত এবং আটকানো অসম্ভব, তার এককথায় প্রকাশ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা বাক্য সংকোচন নামেও পরিচিত।
- বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করে ভাষা সুন্দর ও সংক্ষিপ্ত করা এর কাজ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যুর অনিবার্য সত্যকে কেউ অস্বীকার করতে পারে না।
ব্যাখ্যা: এখানে অনিবার্য শব্দটি এমন একটি সত্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে যা রোধ করা অসম্ভব।
উদাহরণ ২: তাদের এই সংঘাত এখন অনিবার্য হয়ে উঠেছে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে অনিবার্য বলতে এমন পরিস্থিতি বোঝানো হয়েছে যা কোনোভাবেই এড়ানো সম্ভব নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অদম্য — যার দমন বা নিবারণ করা যায় না এমন নয়, বরং যাকে সহজে দমন করা যায় না তাকে অদম্য বলে।
B) অসম্ভব — যা ঘটা সম্ভব নয় তা অসম্ভব, কিন্তু এখানে নিবারণ না করার যোগ্যতার কথা বলা হয়েছে।
D) অনিবারিত — যা নিবারণ করা হয়নি এমন বোঝায়, কিন্তু প্রশ্নটিতে নিবারণ করা যায় না এমন অর্থ চাওয়া হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- নিবারণ থেকে অনিবারিত এবং যা নিবারণ করা যায় না তা অনিবার্য মনে রাখবে।
- নেতিবাচক ভাব প্রকাশে নি+বার্য মিলে অনিবার্য শব্দটি গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে শব্দের মূল ভাব এবং উপসর্গের ব্যবহার ভালোভাবে লক্ষ করতে হবে।
- একই রকম দেখতে শব্দের সূক্ষ্ম অর্থগত পার্থক্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
১. কেন সঠিক:
- 'লালসালু' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শক্তিশালী সামাজিক উপন্যাস যার রচিয়তা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ।
- উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো গ্রামীণ সমাজের ধর্মান্ধতা, কুসংস্কার এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের চিত্র ফুটিয়ে তোলা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ বাংলা উপন্যাসের ধারায় মনস্তাত্ত্বিক ও অস্তিত্ববাদী চেতনার এক অনন্য রূপকার।
- ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত 'লালসালু' উপন্যাসটি বাংলা কথাসাহিত্যে গ্রামীণ জীবন ও মনস্তত্ত্বের এক যুগান্তকারী দলিল হিসেবে স্বীকৃত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক 'বহিপীর'।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি বিখ্যাত নাটক যা গ্রামীণ সমাজের রক্ষণশীলতার বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলে।
উদাহরণ ২: সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস 'চাঁদের অমাবস্যা'।
ব্যাখ্যা: এটি লেখকের আরেকটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস যা অপরাধবোধ ও নৈতিকতার দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনিই এই উপন্যাসটি লিখেছেন।
B) শওকত আলী — তিনি একজন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক হলেও 'লালসালু' উপন্যাসের রচিয়তা নন।
C) মুনীর চৌধুরী — তিনি মূলত একজন নাট্যকার, শিক্ষাবিদ ও শহীদ বুদ্ধিজীবী যিনি 'লালসালু' লেখেননি।
D) শহীদুল্লাহ কায়সার — তিনি একজন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক হলেও এই উপন্যাসটি তাঁর লেখা নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত সৃষ্টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো ওয়ালীউল্লাহর লালসালু ও বহিপীর খুব বিখ্যাত।
- উপন্যাসের নাম 'লালসালু' এবং লেখকের নাম 'সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ' একসাথে মনে রাখা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- উপন্যাসের প্রকাশকাল ১৯৪৮ সাল এবং এটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বারবার আসে।
- একই লেখকের অন্য রচনাগুলো যেমন 'কাঁদো নদী কাঁদো' উপন্যাসটিও ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) ছান্দসিক
১. কেন সঠিক:
ছন্দ সংক্রান্ত বিষয়ে যিনি পারদর্শী বা ছন্দ জানেন তাকে ছান্দসিক বলা হয়।
শব্দটির গঠনে মূল শব্দ ছন্দ এর সাথে ইনি প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষণের রূপ লাভ করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে শব্দ গঠনের নিয়মে এই বানান নির্ধারিত হয়।
মূল শব্দের অন্তে ইকা বা ইনি প্রত্যয় যুক্ত হলে পূর্বস্বরের পরিবর্তন ঘটে যাকে গুণ বা বৃদ্ধি বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভৌগোলিক
ব্যাখ্যা: ভূগোল শব্দের সাথে ইনিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ভৌগোলিক বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: ঐতিহাসিক
ব্যাখ্যা: ইতিহাস শব্দের সাথে ইনিক প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ঐতিহাসিক বিশেষণ পদ গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ছান্দসিক — এটি সঠিক বানান এবং প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
B) ছন্দসিক — এখানে মূল শব্দ ছন্দের সাথে অদ্ধিদ্ধ বানান ও ভুল প্রত্যয় ব্যবহার করা হয়েছে।
C) ছন্দসীক — এখানে দীর্ঘ ঈ কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) ছান্দসীক — এখানে আকার ও দীর্ঘ ঈ কারের ভুল প্রয়োগ করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
ছন্দ শব্দের সাথে ছান্দসিক বানানে আকার এবং ই কার যুক্ত হয়।
মনে রাখবে পেশাদার বা দক্ষ বোঝাতে ই প্রত্যয় বসে, দীর্ঘ ঈ কার বসে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রত্যয়জনিত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে।
বানান শেখার সময় মূল শব্দের সাথে প্রত্যয়ের যুক্ত হওয়ার নিয়মগুলো ভালোভাবে চর্চা করতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মুহুর্মুহু
১. কেন সঠিক:
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী 'মুহুর্মুহু' শব্দটিতে প্রথম দুটি হ-এ হ্রস্ব উ-কার এবং শেষের হ-এ হ্রস্ব উ-কার যুক্ত হয়।
- বারবার বা অবিরাম ঘটে এমন বোঝাতে এই তৎসম শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী তৎসম শব্দে হ্রস্ব ই এবং হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করার নিয়ম রয়েছে।
- এই শব্দটিতে বিসর্গ সন্ধির প্রভাব রয়েছে, যেখানে মুহু যুক্ত মুহু মিলে মুহুর্মুহু গঠিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রতিযোগিতায় সে মুহুর্মুহু গোল করে সবার নজর কাড়ল।
ব্যাখ্যা: এখানে কাজটি বারবার সংঘটিত হওয়া বোঝাতে মুহুর্মুহু শব্দটি সঠিকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: গ্রীষ্মের দাবদাহে মুহুর্মুহু বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে।
ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ যাওয়া আসার পুনরাবৃত্তি বোঝাতে এই বানানটি ব্যবহার করা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুহুর্মুহু — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং বাংলা একাডেমি অনুমোদিত প্রমিত বানান রূপ।
B) মূহুমুহু — এখানে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে এবং রেফ বাদ পড়েছে যা ভুল।
C) মূহূর্মূহু — এখানে দীর্ঘ ঊ-কার এবং ভুল স্থানে রেফ ব্যবহার করা হয়েছে।
D) মূহুর্মূহু — এখানে প্রথম হ-এর সাথে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
৫. মনে রাখার টিপস:
- মনে রাখবে, মুহুর্মুহু শব্দে কোথাও দীর্ঘ ঊ-কার বা দীর্ঘ ঈ-কার বসে না, সবগুলোতে হ্রস্ব উ-কার হয়।
- বানানটি মনে রাখার জন্য মুহু এবং মুহু এই দুটি অংশ আলাদা করে চর্চা করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বানান প্রায়ই আসে।
- হ্রস্ব উ-কারযুক্ত এই ধরনের কঠিন বানানগুলো চর্চা করলে শুদ্ধ বানান নির্ণয়ের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) কর্মে দ্বিতীয়া
১. কেন সঠিক:
বাক্যে যার ওপর কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে কর্মকারক বলে। এখানে বাধ্যবাধকতা বা অধিকার বোঝাতে কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে কর্তার ইচ্ছার বাইরে যখন কোনো বাধ্যতামূলক কাজ বোঝায় তখন তা কর্মকারক হয়। একে বাক্যের ভাব বা বাধ্যবাধকতা বোঝানোর ক্ষেত্রে কর্মকারকের সৃষ্টি হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাবাকে আজ অফিসে যেতে হবে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বাবাকে শব্দটি কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তির উদাহরণ।
উদাহরণ ২: রোগীকে ওষুধ খেতে হবে।
ব্যাখ্যা: এই বাক্যে রোগীকে শব্দটি কর্মকারকের সঠিক প্রয়োগ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া — এই বাক্যটিতে আমাকে শব্দটি কোনো স্বাধীন কর্তা নয় তাই এটি কর্তৃকারক হবে না।
C) করণে দ্বিতীয়া — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র বা সহায়ক মাধ্যম বোঝায় যা এই বাক্যে অনুপস্থিত।
D) অপাদানে দ্বিতীয়া — অপাদান কারক থেকে বা দূরে সরে যাওয়া বোঝায় যা এখানে নেই।
B) কর্মে দ্বিতীয়া — প্রদত্ত উত্তরটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এটি বাধ্যবাধকতা অর্থে কর্মকারক হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেকোনো কাজের ক্ষেত্রে যখন বাধ্যবাধকতা বা আবশ্যকতা বোঝায় তখন সাধারণত কর্মকারকে দ্বিতীয়া বিভক্তি হয়। যেতে হবে বা করতে হবে জাতীয় বাক্যে এই নিয়ম প্রযোজ্য।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের বাক্য প্রায়ই আসে যেখানে কর্তা থাকা সত্ত্বেও তা কর্মকারক হিসেবে গণ্য হয়। বাধ্যবাধকতার বাক্যগুলো সাবধানে নির্ণয় করতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) টাকায় কি না হয়
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে টাকায় শব্দের নিচে দাগ রয়েছে যার মাধ্যমে অর্থ বা উপায়ের মাধ্যম প্রকাশ পেয়েছে।
- টাকা শব্দের সাথে অন্তস্থ অ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি হয়েছে এবং সাধনের মাধ্যম বোঝানোর কারণে এটি করণ কারক হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে করণ কারক বলে এবং করণ কারকে শূন্য, তৃতীয় বা সপ্তমী বিভক্তি হতে পারে।
- শব্দের শেষে এ, য়, তে ইত্যাদি বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত থাকলে তাকে সপ্তমী বিভক্তি বা সপ্তমীর একবচন বলা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: লোভে পাপ, পাপে মৃত্যু
ব্যাখ্যা: এখানে পাপে শব্দের নিচে দাগ থাকলে তা অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি হতো।
উদাহরণ ২: কলমে ভালো লেখা হয়
ব্যাখ্যা: এখানে কলমে শব্দের দ্বারা লেখার মাধ্যম বোঝানো হয়েছে বিধায় এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বালকেরা ফুটবল খেলে — এখানে ফুটবল দ্বারা খেলা সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যম বোঝালেও ফুটবলে শব্দের শেষে কোনো বিভক্তি না থাকায় এটি প্রথমা বা শূন্য বিভক্তিযুক্ত করণ কারক।
B) তাস খেলা ভাল নয় — এখানে তাস খেলা একটি সমাসবদ্ধ পদ এবং বাক্যের কর্তা হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি কর্তৃকারকে প্রথমা বিভক্তি।
C) কাচের জিনিস সহজে ভাঙে — এখানে কাচের শব্দের সাথে এর বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি সম্বন্ধ পদ হয়েছে এবং এটি কোনো কারক নয়।
D) টাকায় কি না হয় — এই অপশনটি সঠিক এবং এর ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাক্যের ক্রিয়াকে কিসের দ্বারা বা কি উপায়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায় তা করণ কারক হয়।
- শব্দের অন্তে এ বা তে বিভক্তি থাকলে তা সপ্তমী বিভক্তি হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কারক নির্ণয়ের সময় প্রথমে ক্রিয়াকে প্রশ্ন করে কারক এবং পরে শব্দের সাথে যুক্ত বর্ণ দেখে বিভক্তি নির্ণয় করতে হয়।
- এই ধরনের প্রশ্ন ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে তাই মাধ্যম বোঝালে করণ কারক নির্বাচন করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) বিভক্তি
১. কেন সঠিক:
বাক্যে শব্দের সাথে অন্য শব্দের সম্পর্ক বা অন্বয় বোঝাতে শব্দের সাথে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে ব্যাকরণের পরিভাষায় বিভক্তি বলে।
বিভক্তি শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করে এবং পদ গঠনে সাহায্য করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে শব্দের সাথে কারক বোঝানোর জন্য এবং বাক্যের পদগুলোকে সুবিন্যস্ত করতে বিভক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিভক্তিগুলো একা স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয় না, বরং শব্দের শেষে বা প্রাতিপদিকের সাথে যুক্ত হয়ে বসে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: গাছে ফুল ফুটেছে।
ব্যাখ্যা: এখানে গাছ শব্দের সাথে এ বিভক্তি যুক্ত হয়ে অধিকরণ কারক বুঝিয়েছে।
উদাহরণ ২: বাবাকে ডাকো।
ব্যাখ্যা: এখানে বাবা শব্দের সাথে কে বিভক্তি যুক্ত হয়ে কর্ম কারক গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কারক — কারক হলো বাক্যের ক্রিয়া পদের সাথে নাম পদের সম্পর্ক, কোনো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি নয়।
B) বিভক্তি — এটি সঠিক উত্তর।
C) সমাস — সমাস হলো অর্থের দিক থেকে সম্পর্কযুক্ত দুই বা ততোধিক পদের একপদীকরণ বা মিলন।
D) সম্বন্ধ পদ — সম্বন্ধ পদ হলো বাক্যের যে পদে ষষ্ঠী বিভক্তি যুক্ত হয়ে অন্য পদের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে, এটি কোনো বর্ণ নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
শব্দের শেষে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি মিল বা অন্বয় ঘটায়, তাকেই বিভক্তি বলে মনে রাখবে।
বিভক্তি চেনার সহজ উপায় হলো শব্দের শেষের বর্ণটি আলাদা করে দেখা যায় কিনা তা খেয়াল করা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কারক ও বিভক্তি নির্ণয় করার জন্য বিভক্তির প্রকারভেদ ও তাদের রূপ ভালোভাবে মুখস্থ রাখতে হবে।
বিভক্তি না থাকলে বাক্যের শব্দগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক অস্পষ্ট থেকে যায়।
সঠিক উত্তর: C) সরল
১. কেন সঠিক:
- কুটিল শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো বাঁকা, প্যাঁচালো বা জটিল। এর ঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে সরল শব্দটি, যার অর্থ সোজা বা সহজ।
- বিপরীতার্থক শব্দ নির্ধারণের সময় শব্দের উৎস ও অর্থের গভীরতা বিবেচনা করতে হয়, যেখানে কুটিল ও সরল পরস্পর বিপরীত ভাব প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীতার্থক শব্দ বলতে এমন দুটি শব্দকে বোঝায় যারা পরস্পর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
- তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে তৎসম শব্দ দিয়েই বিপরীতার্থক শব্দ গঠন করা প্রমিত নিয়ম হিসেবে বিবেচিত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চঞ্চল এর বিপরীত শব্দ শান্ত।
ব্যাখ্যা: চঞ্চল শব্দের অর্থ অস্থির, যার বিপরীতে শান্ত শব্দ স্থিরতা প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: প্রাচীন এর বিপরীত শব্দ অর্বাচীন।
ব্যাখ্যা: প্রাচীন অর্থ পুরোনো, যার বিপরীতে অর্বাচীন বা আধুনিক শব্দ নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অকুটিল — এটি কুটিল শব্দের সমার্থক বা না-বোধক রূপ হতে পারে, তবে সরাসরি বিপরীতার্থক হিসেবে সরল অধিক গ্রহণযোগ্য।
B) বাঁকা — এটি কুটিল শব্দের সমার্থক শব্দ, তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে সঠিক নয়।
D) হালকা — এটি ওজনের পরিমাপ বা ভাবের লঘুত্ব বোঝায়, যা কুটিল শব্দের বিপরীত অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- কুটিল মনের মানুষরা সবসময় প্যাঁচালো বা জটিল হয়, আর সরল মনের মানুষরা সোজা ও সহজ হয়। এই মানসিকতার পার্থক্য মনে রাখলেই সঠিক উত্তর নির্বাচন সহজ হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ হিসেবে তৎসম শব্দ নির্বাচন করার প্রবণতা বেশি থাকে।
- শব্দের অর্থ সঠিকভাবে অনুধাবন করতে পারলে যেকোনো বিপরীতার্থক শব্দের প্রশ্ন সহজেই সমাধান করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) বৃক্ষ
১. কেন সঠিক:
- বিটপী শব্দের অর্থ গাছ বা উদ্ভিদ।
- অপশনের মধ্যে বৃক্ষ শব্দের অর্থ গাছ, যা বিটপী শব্দের সমার্থক।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা শব্দভান্ডারে তৎসম শব্দের সমার্থক হিসেবে বিটপী শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- বিটপী শব্দের মূল অর্থ গাছের শাখা বা মূল যা বাতাস বা পাখিদের আশ্রয়স্থল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তরু
ব্যাখ্যা: এটিও বৃক্ষ বা গাছের একটি বহুল ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উদাহরণ ২: পাদপ
ব্যাখ্যা: যে উদ্ভিদ পা দ্বারা বা শেকড় দ্বারা পানাহার করে, তাকে পাদপ বা বৃক্ষ বলে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পুষ্প — পুষ্প শব্দের অর্থ ফুল, যা গাছের অংশ হলেও সমার্থক নয়।
B) বৃক্ষ — এটি সঠিক উত্তর।
C) পদ্ম — পদ্ম একটি জলজ ফুল, যা বিটপী বা গাছের সমার্থক শব্দ নয়।
D) স্বর্ণ — স্বর্ণ শব্দের অর্থ সোনা বা কাঞ্চন, যা বৃক্ষের সমার্থক নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বিটপী মানে গাছ বা বৃক্ষ।
- প দিয়ে পুষ্প আর বিটপী দিয়ে গাছ মনে রাখতে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- বিটপী, তরু, পাদপ, মহীরুহ শব্দগুলো গাছের সমার্থক হিসেবে ভালো করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: D) সেলিম আল দীন
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি হলো সেলিম আল দীন, কারণ জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন নাটকটি তার অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি।
- নাটকে রূপক ও প্রতীকী ভাষার মাধ্যমে সমাজের নানা অসঙ্গতি ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেলিম আল দীন বাংলা নাটকের শিকড়সন্ধানী নাট্যকার যিনি বাংলা থিয়েটারে নতুন মাত্রা যোগ করেন।
- তিনি ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্যের শৈলী ও রূপকে আধুনিক নাটক রচনা করে বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চাকা
ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীনের একটি বিখ্যাত ও প্রখ্যাত কাব্যনাট্য।
উদাহরণ ২: কেরামত মঙ্গল
ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীনের রচিত বাংলা লোকজ ঐতিহ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত একটি নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মামুনুর রশীদ — ইনি একজন বিশিষ্ট নাট্যকার হলেও জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন নাটকটি তার লেখা নয়।
B) হুমায়ূন আহমেদ — ইনি মূলত উপন্যাস ও নাটক রচনার জন্য পরিচিত হলেও এই নাটকটির রচয়িতা নন।
C) আবুল হায়াত — ইনি প্রখ্যাত অভিনেতা ও নাট্যকার হলেও এই নির্দিষ্ট নাটকটি তার সৃষ্টি নয়।
D) সেলিম আল দীন — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকটির রচয়িতা হিসেবে প্রমাণিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সেলিম আল দীনের নাটক মনে রাখতে জন্ডিসে আক্রান্ত হয়ে বেলুন ও চাকা নিয়ে ঘুরে বেড়ানোর কথা মনে রাখতে পারো।
- তার উল্লেখযোগ্য নাটকের নামের সাথে লোকজ ও ঐতিহ্যগত শব্দের এক অদ্ভুত মিল পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সেলিম আল দীনের নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- তার রচিত কিত্তনখোলা, কেরামত মঙ্গল ও চাকা নাটকগুলোর নাম ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
এই পঙ্ক্তিটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অত্যন্ত বিখ্যাত একটি গানের অংশ যা তার ভানুসিংহের পদাবলী রচনার ধারার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। বৈষ্ণব পদাবলীর রাধা ও কৃষ্ণের প্রেমের গভীরতা এবং ভক্তিভাব এখানে কবির লেখনীতে মরণ বা মৃত্যুকে পরম আরাধ্য হিসেবে গ্রহণ করার আকূতিতে প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি কবিতা গান নাটক ছোটগল্প ও উপন্যাসে সমান পারদর্শী ছিলেন। এই পঙ্ক্তিটি তার বিখ্যাত 'গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে পূরবী ও অন্যান্য কাব্যিক ভাবধারার সঙ্গে যুক্ত যেখানে মৃত্যু ভয়ের বিষয় নয় বরং জীবনের পূর্ণতা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে, দেখতে আমি পাইনি তোমায়।
ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি প্রখ্যাত গান ও কবিতা, যা তার আধ্যাত্মিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ।
উদাহরণ ২: দিন ফুরালো, সন্ধ্যা হলো, পারের তরী কে বা বয়।
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু ও পারাপার ভাবনার এক গভীর সাহিত্যিক নিদর্শন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত রোমান্টিক ধারার কবি হলেও এই বিশেষ পঙ্ক্তিটির রচিয়তা নন।
B) অতুলপ্রসাদ সেন — তিনি মূলত দেশপ্রেমমূলক ও ভক্তিগীতির জন্য বিখ্যাত হলেও এই বিখ্যাত পঙ্ক্তিটি তার নয়।
D) সুফিয়া কামাল — তিনি আধুনিক যুগের প্রগতিশীল নারী কবি ও সাহিত্যিক, তার রচনার সঙ্গে এই পদাবলীর সুর মেলে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
মৃত্যুকে শ্যাম বা কৃষ্ণের সমতুল্য জ্ঞান করে এমন আধ্যাত্মিক ও বৈষ্ণব ভাবাপন্ন লাইন থাকলে সাধারণত তা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যকর্মের দিকে নির্দেশ করে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত সাহিত্যিক উদ্ধৃতি কার লেখা তা প্রায়ই আসে। তাই বৈষ্ণব ভাবধারায় লেখা আধুনিক যুগের কবিদের বিখ্যাত লাইনগুলো আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) in
কেন সঠিক:
কোনো বিষয়ে গভীর জ্ঞান বা দক্ষতা বোঝাতে expert শব্দের পরে in preposition ব্যবহার করা হয়। physics একটি বিশেষ ক্ষেত্র হওয়ায় এখানে সঠিক preposition হবে in।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) at — সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট কাজে পারদর্শী বোঝাতে expert at বসে, কিন্তু বিষয়ের ক্ষেত্রে in বসে।
B) to — expert শব্দের পরে কখনো to preposition বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) with — কোনো বস্তু বা উপাদানের সাথে যুক্ত থাকা বোঝাতে with বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বিষয়ে বা সাবজেক্টে পারদর্শী বোঝালে always expert এর পরে in বসবে।
সঠিক উত্তর: D) Divine
কেন সঠিক:
Sacred শব্দটির বাংলা অর্থ হলো পবিত্র বা ধর্মীয়ভাবে বিশুদ্ধ। Divine শব্দটির অর্থও স্বর্গীয় বা পরম পবিত্র।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Secular — এর অর্থ ধর্মনিরপেক্ষ বা পার্থিব, যা পবিত্র শব্দের বিপরীত।
B) Evil — এর অর্থ মন্দ বা অশুভ, যা পবিত্র শব্দের ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে।
C) Profane — এর অর্থ অবপবিত্র বা দুনিয়াদারী, যা পবিত্র শব্দের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Sacred এবং Divine উভয় শব্দই মহান ও পবিত্র বিষয় বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: A) Punishment
কেন সঠিক:
Penalty শব্দের বাংলা অর্থ হলো শাস্তি বা জরিমানা।
Punishment শব্দের অর্থও শাস্তি, যা এর হুবহু সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Punishment — এটি সঠিক উত্তর এবং Penalty শব্দের সমার্থক।
B) Pardon — এর অর্থ ক্ষমা, যা Penalty বা শাস্তির বিপরীত।
C) Reward — এর অর্থ পুরস্কার, যা শাস্তির সম্পূর্ণ বিপরীত।
D) Compensation — এর অর্থ ক্ষতিপূরণ, যা অপরাধের শাস্তির সাথে সরাসরি মিলে না।
মনে রাখার টিপস:
Penalty এবং Punishment দুটি শব্দই কোনো নিয়ম ভঙ্গের কারণে পাওয়া শাস্তি বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: B) Abid told me that he had been ill.
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভার্বের পর object থাকলে said to এর পরিবর্তে told বসে এবং inverted comma উঠে that বসে।
Direct speech এ থাকা Past Indefinite Tense (was) indirect speech এ গিয়ে Past Perfect Tense (had been) এ পরিবর্তিত হয়।
First person (I) সাবজেক্ট অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে he হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Abid said to me that he was ill — এখানে told না বসিয়ে said to রাখা হয়েছে এবং টেন্সের কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
B) Abid told me that he had been ill — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
C) Abid told me that I had been ill — এখানে রিপোর্টেড স্পীচের ফার্স্ট পারসন অবজেক্ট অনুযায়ী পরিবর্তন না করে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
D) Abid told me that he has been ill — এখানে পাস্ট টেন্সকে প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্সে রূপান্তর করা হয়েছে যা নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
মনে রাখার টিপস:
Direct speech এ was বা were থাকলে indirect speech এ গিয়ে তা সবসময় had been এ রূপান্তরিত হয়।
সঠিক উত্তর: C) Asad told me that he wanted to go to school then.
কেন সঠিক:
- রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' পরিবর্তন হয়ে 'told' হয় এবং ইনভার্টেড কমা তুলে 'that' বসে।
- ডাইরেক্ট ন্যারেশনের present indefinite tense ইনডাইরেক্ট ন্যারেশনে past indefinite tense হয় এবং 'now' পরিবর্তন হয়ে 'then' হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Asad said to me that he wanted to go to school now — রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' এর পরিবর্তে 'told' বসেনি এবং 'now' অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।
B) Asad said to me that he wanted to go to school then — এখানে রিপোর্টিং ভার্ব 'said to' অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
D) Asad told me that he wants to go to school then — পাস্ট টেন্সে থাকা রিপোর্টিং ভার্বের কারণে ভেতরের টেন্স বর্তমান রাখা হয়েছে, যা ন্যারেশনের নিয়মের বরখেলাপ।
মনে রাখার টিপস:
ন্যারেশন পরিবর্তনের সময় রিপোর্টিং ভার্বের পর অবজেক্ট থাকলে 'said to' এর বদলে 'told' বসবে এবং 'now' থাকলে তা পরিবর্তন হয়ে সর্বদা 'then' হবে।
সঠিক উত্তর: A) Let not the poor be hated.
কেন সঠিক:
Imperative sentence-যুক্ত active voice-কে passive করার নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসে।
এর পর object (the poor) বসে এবং negative অর্থ ঠিক রাখতে not বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক।
B) Let the poor not be hated — এখানে not এর স্থান ভুল জায়গায় দেওয়া হয়েছে।
C) Let not the poor hate — এটি অর্থ পরিবর্তন করে ফেলেছে এবং passive রূপ হয়নি।
D) Let poor not be hate — এখানে আর্টিকেল দা অনুপস্থিত এবং verb এর past participle রূপ নেই।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence-এ Do not দিয়ে শুরু হলে Passive করার সময় Let not দিয়ে শুরু করতে হয় এবং মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল ফর্ম হয়।
সঠিক উত্তর: C) Let the order be given.
কেন সঠিক:
মূল বাক্যটি একটি Imperative Sentence এবং এর মূল verb হলো give এবং object হলো the order।
তাই নিয়ম অনুযায়ী Let দিয়ে শুরু করে object বসাতে হবে এবং তার পরে be যোগ করে মূল verb এর past participle বসাতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let the order to give — এখানে be verb এর ব্যবহার না করে সরাসরি to give দেওয়ায় বাক্যটির passive গঠন ভুল হয়েছে।
B) Let the order given — এই অপশনে be verb না থাকায় passive voice এর সঠিক গঠন সম্পূর্ণ হয়নি।
C) Let the order be given — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
D) Let the order give — এখানে verb এর past participle না দিয়ে present form দেওয়ায় এটি একটি ভুল passive গঠন হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Imperative sentence কে active থেকে passive করার সময় প্রথমে Let বসবে, তারপর object এবং তার পরে be এর সাথে মূল verb এর V-৩ বসবে।
সঠিক উত্তর: D) A letter is being written by me.
কেন সঠিক:
প্রদত্ত বাক্যটি প্রেজেন্ট কন্টিনিউয়াস টেন্সে আছে, তাই প্যাসিভ করার সময় টেন্স অপরিবর্তিত রেখে সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে am being, is being বা are being ব্যবহৃত হয়।
অবজেক্ট 'A letter' সাবজেক্ট হিসেবে বসার পর সঠিক সাহায্যকারী ভার্ব is being বসেছে এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল form লেখা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A letter is written by me — বাক্যটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্সে পরিবর্তিত হয়েছে, যা মূল বাক্যের কন্টিনিউয়াস টেন্সের সাথে মেলে না।
B) A letter was written by me — সাহায্যকারী ভার্ব was ব্যবহারের কারণে এটি পাস্ট টেন্সে চলে গেছে, যা মূল বাক্যের প্রেজেন্ট টেন্সের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে।
C) A letter was being written by me — এখানে past continuous টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব was being ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ মূল বাক্যটি present continuous টেন্সের।
D) A letter is being written by me — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
Continuous টেন্সের passive voice করার সময় be verb এর সাথে ہمیشہ একটি being যুক্ত করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) in
কেন সঠিক:
কোনো কাজে বা পেশায় নিয়োজিত থাকা বোঝাতে 'engaged' শব্দের পর সাধারণত সঠিক preposition হিসেবে 'in' ব্যবহৃত হয়।
এখানে একটি বই লেখার কাজে ব্যস্ত থাকার অর্থ প্রকাশ করায় সঠিক উত্তর 'in' হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ কোনো কাজে লিপ্ত থাকা বোঝাতে engaged এর সাথে এটি বসে।
B) with — এটি ভুল কারণ সাধারণত কোনো ব্যক্তি বা যন্ত্রের সাথে যুক্ত থাকা বোঝাতে এটি বসে।
C) to — এটি ভুল কারণ বিবাহ বা বাগদান বোঝাতে engaged এর সাথে এটি ব্যবহৃত হয়।
D) at — এটি ভুল কারণ নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা ছোট সময়ের ক্ষেত্রে এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কাজে ব্যস্ত বা নিয়োজিত থাকা বোঝালে 'engaged in' ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) at
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে ভয় পাওয়া বা আতঙ্কিত হওয়া বোঝাতে fearful শব্দের পরে সাধারণত at preposition বসে।
তাই শূন্যস্থানে at বসালে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও সঠিক হয়।
অন্য কোনো preposition এই অর্থে ব্যবহার করা হয় না।
এই নিয়মটি ইংরেজি গ্রামারের একটি নির্দিষ্ট ব্যবহার।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — fearful শব্দের পরে in preposition বসে না কারণ এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নিয়ম নয়।
B) with — fearful শব্দের সাথে with ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ প্রকাশ পায় না।
C) to — fearful শব্দের পরে সাধারণত to বসে না তাই এটি এখানে ভুল অপশন।
D) at — এই অপশনটি সঠিক এবং বাক্যের শূন্যস্থানে নিয়ম অনুযায়ী বসেছে।
মনে রাখার টিপস:
fearful শব্দের পরে সবসময় at preposition বসে এটি মনে রাখলে পরীক্ষায় সহজেই সঠিক উত্তর দিতে পারবে।
সঠিক উত্তর: C) SURVEILLANCE
কেন সঠিক:
১. এই বানানটিতে প্রথমে 'sur' এবং পরে 'veillance' অংশ দুটি সঠিকভাবে যুক্ত হয়েছে।
স্পেলিংয়ের নিয়ম অনুযায়ী মাঝখানে ডাবল 'l' ব্যবহার করা হয়েছে।
২. ইংরেজি বানানের স্ট্যান্ডার্ড ডিকশনারি অনুযায়ী এই বানানটি শতভাগ নির্ভুল।
৩. বানানটির উচ্চারণ এবং গঠনগত দিক থেকে এটিই একমাত্র সঠিক রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) SURVEILANCE — এখানে 'illance' অংশে একটি 'l' কম রয়েছে।
B) SARVEILANCE — এখানে প্রথম অক্ষর 's' এর পর 'u' এর বদলে ভুলভাবে 'a' ব্যবহার করা হয়েছে।
C) SURVEILLANCE — এটি সঠিক অপশন হওয়ায় এখানে ভুল হিসেবে গণ্য নয়।
D) SURVEILLENCE — এখানে শেষ অংশে 'ance' এর বদলে ভুলভাবে 'ence' লেখা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে 'sur' এর সাথে 'veil' এবং শেষে 'lance' এভাবে ভেঙে ভেঙে মুখস্ত করতে পারো।
সঠিক উত্তর: A) from
কেন সঠিক:
অতিরিক্ত খাওয়া বা অতিভোজনের কারণে মৃত্যুর কারণ বোঝাতে 'die from' फ्रेজটি ব্যবহার করা হয়।
এই নিয়মের অধীনে ওভার ইটিং বা অতিভোজন একটি বাহ্যিক বা পরোক্ষ কারণ হওয়ায় এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে from বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — অতিরিক্ত খাওয়ার কারণে মৃত্যু বোঝাতে এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের শূন্যস্থানে বসে।
B) by — কোনো হিংস্রতা, খুন বা আত্মহত্যার মাধ্যমে মৃত্যু হলে 'die by' বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) in — যুদ্ধ, শান্তি বা কোনো নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে মৃত্যু বোঝাতে 'die in' ব্যবহার করা হয়।
D) to — কোনো বিশেষ উদ্দেশ্যে বা নির্দিষ্ট প্রথার কারণে প্রাণ বিসর্জন দিলে 'die to' বসে।
মনে রাখার টিপস:
অতিভোজন, অবহেলা বা অতিরিক্ত কাজের মতো পরোক্ষ কারণে মৃত্যু হলে die এর পরে हमेशा from বসে।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
deal in শব্দের অর্থ কোনো ব্যবসা করা। এই বাক্যে চালের ব্যবসা করার কথা বলা হয়েছে তাই এখানে সঠিক preposition হবে in।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — deal with অর্থ কোনো ব্যক্তির সাথে আচরণ করা বা কোনো সমস্যা সমাধান করা।
B) in — এটি সঠিক উত্তর কারণ deal in অর্থ কোনো পণ্যের ব্যবসা করা।
C) at — deal শব্দের সাথে at preposition ব্যবহার হয় না।
D) by — deal শব্দের সাথে by preposition বসে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো পণ্যের ব্যবসা করা বোঝালে deal এর পরে সর্বদা in বসে এবং মানুষের সাথে ব্যবহার বোঝালে with বসে।
সঠিক উত্তর: A) i feel out of sort today.
কেন সঠিক:
এখানে 'out of sort' বা 'out of sorts' একটি সঠিক ইংরেজিidiom যার অর্থ অসুস্থ বা অস্বস্তি বোধ করা।
দৈনন্দিন কথোপকথনে শারীরিক বা মানসিক অস্বস্তি প্রকাশ করতে এই বিশেষ বাক্যাংশটি সঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) i feel out of sort today. — এই অপশনটিই সম্পূর্ণ সঠিক এবং এখানে কোনো ব্যাকরণগত ভুল নেই।
B) he tried hardly to succeed. — 'hardly' শব্দের অর্থ কদাचित বা খুব কম, তাই এখানে কঠোর পরিশ্রম বোঝাতে 'hard' ব্যবহার করা উচিত ছিল।
C) I have great deal of work to do. — 'great deal' এর আগে একটি নিয়মানুযায়ী নির্দিষ্ট আর্টিকেল 'a' বা 'the' ব্যবহার করা আবশ্যিক ছিল।
D) Please give me attendance. — ইংরেজি ব্যাকরণে উপস্থিতির ক্ষেত্রে 'give attendance' না বলে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী 'mark attendance' বলতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি idioms এবং fixed phrases পড়ার সময় প্রতিটি শব্দের সঠিক রূপ ও নির্দিষ্ট আর্টিকেল মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) Television is a wonderful invention.
কেন সঠিক:
বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের নামের পূর্বে নির্দিষ্ট আর্টিকেল the না বসে সাধারণত a বসে।
তাই একটি চমৎকার আবিষ্কার বোঝাতে invention শব্দের আগে a wonderful ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) A) Television is a wonderful invention — এই অপশনটি সঠিক এবং এতে কোনো ব্যাকরণগত ত্রুটি নেই।
B) B) My brother is M.A — সংক্ষিপ্ত রূপটি উচ্চারণের সময় vowel sound আসায় এর পূর্বে an বসবে, তাই M.A এর আগে an হবে।
C) C) He speaks English like English — ভাষা হিসেবে ইংরেজদের মতো বলা বোঝাতে ইংরেজদের পরিবর্তে the English বলতে হয়।
D) D) I feel uneasy — অনুভব করা অর্থে feel verb এর পরে adjective বসে, এখানে uneasy সঠিক হলেও সম্পূর্ণ বাক্যের ব্যাকরণ যাচাইয়ে এটি সঠিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির আবিষ্কারের নামের আগে a বা an বসে এবং সংক্ষিপ্ত শব্দের উচ্চারণের শুরুতে vowel থাকলে an বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) Collective noun
কেন সঠিক:
flock শব্দটি দিয়ে একদল ভেড়ার সমষ্টিকে বোঝানো হয়েছে।
এটি একক কোনো ভেড়া না বুঝিয়ে ভেড়ার একটি আস্ত দলকে নির্দেশ করে।
সমজাতীয় প্রাণীর সমষ্টি বোঝানোর কারণে এটি Collective noun হয়েছে।
এই জাতীয় শব্দ সবসময় দলগত বা সমষ্টিগত বোঝাতে ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Proper noun — এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম নয়।
B) Common noun — এটি একটি নির্দিষ্ট ভেড়াকে না বুঝিয়ে সমষ্টিকে বোঝায়।
C) Collective noun — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) Material noun — এটি কোনো উপাদান বা বস্তুবাচক কিছু বোঝায় না।
মনে রাখার টিপস:
যে শব্দ দিয়ে কোনো ব্যক্তি, প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায়, তাকে Collective noun বলে।
সঠিক উত্তর: B) Common noun
কেন সঠিক:
'girl' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট মেয়ের নাম না বুঝিয়ে পৃথিবীর সকল মেয়েকে সাধারণভাবে বোঝায়। তাই এটি কমন নাউন বা জাতিবাচক বিশেষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সাধারণ নাম প্রকাশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Proper noun — এটি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম নয়, তাই প্রপার নাউন হতে পারে না।
B) Common noun — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সাধারণ নাম বোঝায়।
C) Collective noun — এটি কোনো সমষ্টি বা দল বোঝায় না, তাই এটি সঠিক নয়।
D) Material noun — এটি কোনো উপাদান বা বস্তুবাচক কিছু নয়, তাই এটি ভুল।
মনে রাখার টিপস:
যে নাম দিয়ে একই জাতীয় সবাইকে বোঝায়, তাকে Common noun বলে।
সঠিক উত্তর: D) KALEIDOSCOPE
কেন সঠিক:
এই শব্দটির সঠিক বানান শুরু হয় KA দিয়ে এবং এর মাঝের অংশটি LEI নয় বরং LEI এর বদলে LEI নয় বরং LEI এর সঠিক রূপ KALEI দিয়ে গঠিত হয়।
এই শব্দের শুরুতে K এবং মাঝে EIDOS ও শেষে COPE যুক্ত হয়ে সম্পূর্ণ সঠিক বানানটি তৈরি করে।
শব্দটির মূল গ্রিক উৎস অনুযায়ী সঠিক বানানটি হলো KALEIDOSCOPE।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CALEIDOSCOPE — এই অপশনের শুরুতে C ব্যবহার করা হয়েছে যা সঠিক বানান K এর নিয়মবিরোধী।
B) CALEIDOSKOPE — এখানে শুরুতে C এবং শেষে KOPE ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
C) KALAIDOSCOPE — এই অপশনের মাঝের অংশে LAI ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে।
D) KALEIDOSCOPE — এটি সঠিক বানান হওয়ায় কোনো ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
বানটি মনে রাখার জন্য মনে রাখবে এটি শুরু হয় K দিয়ে এবং এর ভেতরে EIDOS অংশটি ঠিক থাকে।
সঠিক উত্তর: B) ENCYCLOPAEDIA
কেন সঠিক:
এই শব্দটিতে শুরুতে EN- এবং মাঝে CYCLO অংশটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
এছাড়া শেষের অংশটিতে PAEDIA বানানটি আন্তর্জাতিকভাবে সম্পূর্ণ নির্ভুল।
শব্দটি গ্রীক মূল শব্দ থেকে এসেছে।
এর সঠিক বানান এভাবেই গঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ENCICLOPEDIA — এখানে বানানটিতে CYCLO এর বদলে CICLO লেখা হয়েছে এবং শেষাংশে AE বাদ দেওয়া হয়েছে।
B) ENCYCLOPAEDIA — এটি সঠিক উত্তর।
C) ENCICLOPEADIA — এখানে শুরুতেই বানানের ভুল আছে এবং PEADIA অংশটি ভুলভাবে সাজানো হয়েছে।
D) ENCYCLOPEDIA — এটি আমেরিকান ইংরেজিতে ব্যবহৃত হয়, তবে ব্রিটিশ বা প্রমিত মানদণ্ডে B অপশনটি অধিক গ্রহণযোগ্য।
মনে রাখার টিপস:
এনসাইক্লোপিডিয়া বানানটি মনে রাখতে এন-সাইক্লো-পেইডিয়া এই তিনটি ভাগে ভেঙে মুখস্থ করতে পারো।
সঠিক উত্তর: B) ১৭১
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার একটি ধারা দেওয়া আছে
ধারাটি ১ থেকে শুরু হয়ে ১৮ পর্যন্ত যোগ করতে হবে
ধরি,
এটি একটি সমান্তর ধারা যার প্রথম পদ ক = ১
শেষ পদ ল = ১৮ এবং পদের সংখ্যা ন = ১৮
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্রটি হলো
পদসংখ্যা গুণ প্রথম পদ যোগ শেষ পদ ভাগ দুই
সুতরাং,
যোগফল = ১৮ গুণ ১ যোগ ১৮ ভাগ দুই
যোগফল = ১৮ গুণ ১৯ ভাগ দুই = ১৭০ যোগ ৯ নয় ১৭০ নয় ১৭০ ভাগ দুই হলো ৮৫ গুণ ২
উত্তর: ১৭১
সঠিক উত্তর: C) ৩১ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
দুই সন্তানের বয়সের গড় ১০ বৎসর
মাতাসহ তাদের বয়সের গড় ১৭ বৎসর
ধরি,
দুই সন্তানের মোট বয়স = ১০ × ২ = ২০ বৎসর
মাতাসহ তিনজনের মোট বয়স = ১৭ × ৩ = ৫১ বৎসর
অতএব,
মাতার বয়স বের করতে হলে তিনজনের মোট বয়স থেকে দুই সন্তানের মোট বয়স বিয়োগ করতে হবে
সুতরাং,
মাতার বয়স = ৫১ − ২০ = ৩১ বৎসর
উত্তর: ৩১ বৎসর
সঠিক উত্তর: B) ১৫ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ছত্রিশ বৎসর
পিতা, মাতা ও মেয়ের বয়সের গড় উনত্রিশ বৎসর
ধরি,
পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = ৩৬ × ২ = ৭২ বৎসর
পিতা, মাতা ও মেয়ের বয়সের সমষ্টি = ২৯ × ৩ = ৮৭ বৎসর
অতএব,
মেয়ের বয়স নির্ণয় করতে পিতা, মাতা ও মেয়ের মোট বয়স থেকে পিতা ও মাতার মোট বয়স বাদ দিতে হবে
সুতরাং,
মেয়ের বয়স = ৮৭ − ৭২ = ১৫ বৎসর
উত্তর: ১৫ বৎসর
সঠিক উত্তর: D) ১৮.৮
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ৬টি উইকেটের মোট রান = ৬ × ২২ = ১৩২
পরবর্তী ৪টি উইকেটের মোট রান = ৪ × ১৪ = ৫৬
ধরি,
মোট উইকেটের সংখ্যা = ৬ + ৪ = ১০
মোট রানের সংখ্যা = ১৩২ + ৫৬ = ১৮৮
অতএব,
উইকেটপ্রতি গড় রান = মোট রান ÷ মোট উইকেট
উইকেটপ্রতি গড় রান = ১৮৮ ÷ ১০
সুতরাং,
উইকেটপ্রতি গড় রান হলো ১৮.৮
উত্তর: ১৮.৮
সঠিক উত্তর: B) ১৯৭৫ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ ও তৎকালীন রাডার যোগাযোগের উন্নয়নের জন্য ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন রাঙামাটি জেলার বেতবুনিিয়ায় এই ভূ-কেন্দ্র স্থাপিত হয়।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ–কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৪ সালে — এই সালে বাংলাদেশ ভূ-উপকেন্দ্র স্থাপনের প্রাথমিক পরিকল্পনা হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।
B) ১৯৭৫ সালে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই কেন্দ্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থাপিত ও উদ্বোধন করা হয়।
C) ১৯৭৬ সালে — এই সালে কোনো নতুন ভূ-উপকেন্দ্র স্থাপিত হওয়ার ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই।
D) ১৯৭৭ সালে — এই সালের সঙ্গে বেতবুনিয়া উপগ্রহ ভূ–কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠার কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর প্রযুক্তির ছোঁয়া পেতে ১৯৭৫ সালেই বেতবুনিিয়ায় প্রথম উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র স্থাপিত হয়।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / দৈনন্দিন জীবনের সাধারণ তথ্য
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন কে
কেন সঠিক:
- ভিটামিন কে মানবদেহে প্র্রথম্বিন নামক প্রোটিন তৈরি করে, যা রক্ত জমাট বাঁধতে বা ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত বন্ধ করতে সাহায্য করে।
- এই ভিটামিনের অভাবে রক্ত জমাট বাঁধার ক্ষমতা কমে যায় এবং সামান্য কেটে গেলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হতে পারে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভিটামিন বি — এটি স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা রক্ষা ও শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করে, রক্ত জমাট বাঁধতে নয়।
B) ভিটামিন সি — এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং কোলাজেন গঠনে সাহায্য করে, যা রক্ত জমাট বাঁধার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
C) ভিটামিন কে — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
D) ভিটামিন বি২ — এটি চোখের স্বাস্থ্য রক্ষা এবং কোষের শক্তি উৎপাদনে কাজ করে, রক্তপাত বন্ধ করার সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
রক্ত ক-তে কে (K) ভিটামিন দিয়ে আটকে যায়, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: D) কাঁঠাল
কেন সঠিক:
- কাঁঠাল হলো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ, কারণ এর বীজে দুটি বীজপত্র থাকে এবং এর পাতার শিরাবিন্যাস জালিকাকার।
- একবীজপত্রী উদ্ভিদের বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে, কিন্তু কাঁঠালের বীজ খাড়াভাবে দুটি খণ্ডে বিভক্ত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নারিকেল — এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ, কারণ এর বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে এবং এর মূল গুচ্ছমূল প্রকৃতির।
B) গম — এটি ঘাস পরিবারের অন্তর্ভুক্ত একবীজপত্রী উদ্ভিদ, যার বীজে একটি মাত্র বীজপত্র বা স্কুটেলাম থাকে।
C) ভুট্টা — এটিও একবীজপত্রী উদ্ভিদের উদাহরণ, এর বীজে একটি বীজপত্র এবং সমান্তরাল শিরাবিন্যাসযুক্ত পাতা থাকে।
D) কাঁঠাল — এটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ, তাই এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ নয় এবং এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
কাঠাল, আম, জাম হলো দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ যাদের বীজ দুটি খণ্ডে ভাগ হয়, আর ধান, গম, ভুট্টা, নারিকেল হলো একবীজপত্রী।
সঠিক উত্তর: B) নাইট্রোজেন
কেন সঠিক:
- উদ্ভিদের বৃদ্ধির জন্য নাইট্রোজেন একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান যা মাটি থেকে শোষিত হয়।
- বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন সরাসরি উদ্ভিদ গ্রহণ করতে পারে না, তবে বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া মাটির সাথে মিশিয়ে এর উর্বরতা বৃদ্ধি করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অক্সিজেন — এটি উদ্ভিদের শ্বাসপ্রশ্বাসে এবং বীজের অঙ্কুরোদগমে সাহায্য করে, তবে সরাসরি মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা পালন করে না।
B) নাইট্রোজেন — এটি প্রশ্নের সঠিক উত্তর বিধায় এই অপশনটি সঠিক।
C) হাইড্রোজেন — এটি উদ্ভিদের খাদ্য তৈরিতে এবং পানির অংশ হিসেবে প্রয়োজন হলেও মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে প্রধান উপাদান নয়।
D) কার্বন ডাই-অক্ষাইড — এটি উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় খাদ্য তৈরির জন্য বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে, মাটির উর্বরতার সাথে এর সরাসরি সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
মাটির উর্বরতা মানেই নাইট্রোজেন, যা উদ্ভিদ সরাসরি বাতাস থেকে না নিয়ে মাটির মাধ্যমে গ্রহণ করে।
সঠিক উত্তর: A) সাবান ও পাওডার
কেন সঠিক:
- টুথপেস্ট মূলত দাঁতের ময়লা দূর করার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে সাবান পরিষ্কারক হিসেবে এবং পাওডার ঘর্ষণ উপাদান হিসেবে কাজ করে।
- এই দুটি উপাদানের মিশ্রণ দাঁতের গায়ে জমে থাকা ময়লা ও খাদ্যকণা সহজে ঘষে তুলে ফেলতে সাহায্য করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাবান ও পাওডার — এই অপশনটি সঠিক কারণ টুথপেস্টে পরিষ্কারক ও ঘর্ষক হিসেবে এগুলো প্রধানত ব্যবহৃত হয়।
B) জেলী ও মসলা — জেলী কিছু টুথপেস্টে ব্যবহার হলেও মসলা দাঁত পরিষ্কারের জন্য উপযোগী নয়।
C) ফ্লোরাইড ও ক্লোরোফিল — ফ্লোরাইড দাঁতের সুরক্ষায় সহায়ক হলেও এগুলো টুথপেস্টের প্রধান মূল উপাদান নয়।
D) ভোজ্য তেল ও সোডা — ভোজ্য তেল দাঁত পরিষ্কারের কাজে ব্যবহৃত হয় না।
মনে রাখার টিপস:
দাঁত পরিষ্কার রাখতে সাবান ও পাওডার লাগে, তাই টুথপেস্টের প্রধান উপাদান এই দুটি।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / সাধারণ জ্ঞান
সঠিক উত্তর: B) টমেটোতে
(দ্রষ্টব্য: প্রদত্ত উত্তরে টমেটোতে ম্যালিক এসিড বলা হয়েছে, তবে ফলমূল ও উদ্ভিদে জৈব এসিডের উপস্থিতি পরিবর্তনশীল। টমেটোতে সাইট্রিক এসিড এবং ম্যালিক এসিড উভয়ই থাকে, তবে কাঁচা টমেটোতে ম্যালিক এসিডের পরিমাণ বেশি থাকে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই অপশনটিকে সঠিক ধরা হয়।)
কেন সঠিক:
- টমেটোতে ম্যালিক এসিডসহ বিভিন্ন জৈব এসিডের উপস্থিতি রয়েছে যা এর টক স্বাদের জন্য দায়ী।
- উদ্ভিদ বিজ্ঞানের তথ্য অনুযায়ী টমেটোতে প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে ম্যালিক এসিড পাওয়া যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমলাললেবুতে — কমলাললেবুতে প্রধানত সাইট্রিক এসিড বা এসকরবিক এসিড পাওয়া যায়, ম্যালিক এসিড নয়।
B) টমেটোতে — এটি এই প্রশ্নের জন্য নির্ধারিত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
C) আমলকিতে — আমলকিতে প্রচুর পরিমাণে এসকরবিক এসিড বা ভিটামিন সি থাকে।
D) আঙ্গুরে — আঙ্গুরে প্রধানত টারটারিক এসিড এবং কিছু পরিমাণে ম্যালিক এসিড থাকে, তবে এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে টমেটো সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
টমেটোর টক স্বাদের জন্য ম্যালিক এসিড দায়ী।
প্রশ্নের ধরন: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি / ভূগোল ও পরিবেশ
সঠিক উত্তর: B) ওজোন
কেন সঠিক:
- বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে থাকা ওজোন গ্যাস সূর্য থেকে আসা ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করে পৃথিবীতে প্রাণের সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
- ওজোন স্তরের এই ফিল্টারিং ক্ষমতার জন্যই অতিবেগুনি রশ্মি সরাসরি ভূপৃষ্ঠে এসে জীবজগতে মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হিলিয়াম — এটি একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস, যা বায়ুমণ্ডলে অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করার মতো কোনো ভূমিকা পালন করে না।
B) ওজোন — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য।
C) অক্সিজেন — বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন থাকলেও তা সরাসরি ওজোনের মতো অতিবেগুনি রশ্মি শোষণ করতে পারে না, বরং অক্সিজেন থেকেই ওজোন তৈরি হয়।
D) নাইট্রোজেন — এটি বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস হলেও অতিবেগুনি রশ্মি শোষণের মূল কাজটি ওজোন গ্যাসই সম্পন্ন করে থাকে।
মনে রাখার টিপস:
ও-তে ওজোন এবং ও-তে অতিবেগুনি রশ্মি, এভাবে মনে রাখলে বায়ুমণ্ডলের এই সুরক্ষাবারক গ্যাসটি সহজেই মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: C) বিকিরণ
কেন সঠিক:
- বিকیرণ পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালনের জন্য কোনো মাধ্যম বা মাধ্যমের কণার প্রয়োজন হয় না, তাই এটি শূন্যস্থানের মধ্য দিয়েও খুব দ্রুত চলতে পারে।
- এই প্রক্রিয়ায় তাপ আলোর বেগে অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে প্রায় তিন লক্ষ কিলোমিটার বেগে সরলরেখায় চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পরিবন — এই পদ্ধতিতে কঠিন পদার্থের কণাগুলো নিজেরা স্থান পরিবর্তন না করে শুধু কম্পনের মাধ্যমে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত করে, যা বেশ মন্থর।
B) পরিচলন — এই পদ্ধতিতে তরল ও বায়বীয় পদার্থের কণাগুলো নিজেরা স্থান পরিবর্তন করে তাপ সঞ্চালন করে, যা পরিহনের চেয়ে দ্রুত হলেও বিকিরণের চেয়ে অনেক ধীরগতির।
C) বিকিরণ — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ মাধ্যম ছাড়াই তাপ আলোর বেগে সঞ্চালিত হয়।
D) এর কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তরটি অপশনে বিদ্যমান থাকায় এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
তাপ সঞ্চালনের সবচেয়ে দ্রুত মাধ্যম বিকিরণ, ঠিক যেমন সূর্যের আলো বা তাপ কোনো মাধ্যম ছাড়াই শূন্যস্থান ভেদ করে পৃথিবীতে পৌঁছে যায়।
সঠিক উত্তর: A) কালো
কেন সঠিক:
- কালো রঙের বস্তু যেকোনো আলোর প্রায় পুরোটাই শোষণ করতে পারে এবং কোনো আলো প্রতিফলিত করে না।
- আলোক শক্তি শোষিত হয়ে তা তাপ শক্তিতে রূপান্তরিত হয় বলে কালো বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কালো — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সব আলো শোষণ করে।
B) লাল — এটি লাল তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো প্রতিফলিত করে তাই এর শোষণ ক্ষমতা কম।
C) বেগুনি — এটি আলোর একটি নির্দিষ্ট অংশ প্রতিফলন করায় কালো রঙের মতো তাপ শোষণ করতে পারে না।
D) সাদা — এটি প্রায় সব আলো প্রতিফলিত করে তাই এর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম।
মনে রাখার টিপস:
কালো রঙ আলো ও তাপ শোষক এবং সাদা রঙ তাপ প্রতিফলক হিসেবে কাজ করে।
সঠিক উত্তর: D) কিলোওয়াট–ঘন্টা
কেন সঠিক:
- কিলোওয়াট-ঘন্টা বা বিওটি (Board of Trade Unit) হলো গৃহস্থালী ও শিল্প কারখানায় ব্যবহৃত বিদ্যুৎ শক্তির বাণিজ্যিক পরিমাপক একক।
- এক কিলোওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্র এক ঘণ্টা চললে যে পরিমাণ শক্তি ব্যয় হয়, তাকে এক কিলোওয়াট-ঘন্টা বা এক ইউনিট বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ওয়াট — এটি কেবল বৈদ্যুতিক ক্ষমতার একক, শক্তির বাণিজ্যিক একক নয়।
B) ওয়াট-ঘন্টা — এটি শক্তির একক হলেও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে এটি অত্যন্ত ছোট একক হওয়ায় ব্যবহৃত হয় না।
C) জুল — এটি কাজের এবং শক্তির এসআই একক, কিন্তু বাণিজ্যিক বা ব্যবহারিক ক্ষেত্রে এটি অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ বিলের হিসাবে ব্যবহার করা হয় না।
D) কিলোওয়াট–ঘন্টা — এটি সঠিক কারণ বিদ্যুৎ বিল হিসাব করার জন্য এই বাণিজ্যিক একক বা ইউনিট ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
বাসাবাড়ির বিদ্যুৎ বিলের কাগজে লেখা ইউনিট মানেই হলো কিলোওয়াট-ঘন্টা।
সঠিক উত্তর: A) কমে যায়
কেন সঠিক:
- জলীয়বাষ্পের অণুগুলোর ওজন শুষ্ক বায়ুর প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনের তুলনায় কম হওয়ায় আর্দ্র বায়ু হালকা হয়।
- বায়ু হালকা হয়ে গেলে তার ঘনত্ব ও চাপ কমে যায়, যা আবহাওয়ার ওপর প্রভাব ফেলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কমে যায় — জলীয়বাষ্প হালকা হওয়ায় বায়ুর ঘনত্ব কমে যায় এবং এর ফলে বায়ুচাপও হ্রাস পায়।
B) বেড়ে যায় — জলীয়বাষ্প বায়ুর চেয়ে ভারী নয় বরং হালকা, তাই চাপ বাড়ে না বরং কমে যায়।
C) স্থির থাকে — বায়ুতে জলীয়বাষ্পের পরিমাণ বাড়লে বায়ুর উপাদান পরিবর্তিত হয়, ফলে চাপ স্থির থাকে না।
D) শূন্য হয় — বায়ুমণ্ডলে জলীয়বাষ্প বাড়লেও বায়ুচাপ কখনো শূন্য হয় না, এটি কেবল হ্রাস পায়।
মনে রাখার টিপস:
জল মানেই হালকা, তাই বাতাসে জলীয়বাষ্প বাড়লে বায়ু হালকা হয় এবং চাপ কমে যায়।
সঠিক উত্তর: C) টঙ্গীতে
কেন সঠিক:
- টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড ১৯৭৫ সালে গাজীপুর জেলার টঙ্গীতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশে টেলিযোগাযোগ সরঞ্জাম উৎপাদনের প্রথম সরকারি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কুমিল্লায় — এটি কুমিল্লার ঐতিহাসিক বা শিল্প অঞ্চলের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
B) চট্টগ্রাম — চট্টগ্রাম ভারী শিল্প ও বন্দর এলাকার জন্য পরিচিত হলেও টেলিফোন শিল্প সংস্থা এখানে অবস্থিত নয়।
C) টঙ্গীতে — এটি নিজেই সঠিক উত্তর এবং টেলিফোন শিল্প সংস্থার প্রকৃত অবস্থান।
D) সিলেট — সিলেট চা এবং গ্যাস খাতের জন্য পরিচিত হলেও এই প্রতিষ্ঠান এখানে নেই।
মনে রাখার টিপস:
টেলিফোন শিল্প সংস্থা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে টঙ্গী শিল্প এলাকা মনে রাখুন।
সঠিক উত্তর: A) গাজীপুরে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ মেশিন টুলস কারখানা (বিএমটিএফ) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পরিচালিত একটি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- এটি গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত এবং ১৯৭৯ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাজীপুরে — এই অপশনটি সঠিক কারণ বাংলাদেশ মেশিন টুলস কারখানা গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে অবস্থিত।
B) টঙ্গীতে — টঙ্গী গাজীপুরের অন্তর্ভুক্ত হলেও নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অবস্থান ও দাপ্তরিক ঠিকানা অনুযায়ী কারখানাটি মূল গাজীপুর সদরে অবস্থিত।
C) নারায়ণগঞ্জে — নারায়ণগঞ্জে বাংলাদেশ মেশিন টুলস কারখানা অবস্থিত নয়, এখানে ডকইয়ার্ড ও পাটকলসহ অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
D) খুলনাতে — খুলনায় বাংলাদেশ মেশিন টুলস কারখানা অবস্থিত নয়, এখানে খুলনা শিপইয়ার্ড ও নিউজপ্রিন্ট মিলস অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বিএমটিএফ কারখানাটি সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে গাজীপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) জেনেভায়
কেন সঠিক:
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যার প্রধান কার্যালয় সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর জেনেভাতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রোমে — রোমে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা বা এফএও-এর দপ্তর অবস্থিত, ডব্লিউএইচও-এর নয়।
B) প্যাবিসে — এটি কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত নয়।
C) জেনেভায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) হেগে — হেগে আন্তর্জাতিক আদালত বা আইসিজে-এর দপ্তর অবস্থিত, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দপ্তর নয়।
মনে রাখার টিপস:
স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য সবাই জেনে যেতে চায়, তাই স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) রাঙামাটি
কেন সঠিক:
- বেতবুনিয়া পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি জেলার কাউখালী উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের প্রথম ভূউপগ্রহ কেন্দ্র (বেতবুনিয়া ভূউপগ্রহ কেন্দ্র) ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন এখানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকা — এটি দেশের রাজধানী এবং কেন্দ্রীয় অঞ্চল, তাই রাঙামাটির এই ভৌগোলিক অবস্থানের সঙ্গে মেলে না।
B) পাবনা — এটি উত্তরবঙ্গের একটি জেলা এবং বেতবুনিয়ার সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক বা ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
সি) চট্টগ্রাম — এটি প্রধান বন্দর নগরী এবং পাহাড়ি অঞ্চল নয়, যদিও বেতবুনিয়া চট্টগ্রাম বিভাগের অধীন রাঙামাটি জেলায় অবস্থিত।
D) রাঙামাটি — এটি সঠিক উত্তর কারণ বেতবুনিয়া এই পার্বত্য জেলার কাউখালী উপজেলায় অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
বেতবুনিয়া মানেই পাহাড়ি জেলা রাঙামাটি এবং বাংলাদেশের প্রথম ভূউপগ্রহ কেন্দ্র।
বিষয়: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: C) যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
কেন সঠিক:
- ১৬৭৮ সালে মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র যুবরাজ মোহাম্মদ আযম বাংলায় সুবাদার থাকাকালীন লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- কেল্লাটির মূল নাম ছিল আওরঙ্গবাদ দুর্গ, যা পরবর্তীতে লালবাগ দুর্গ নামে পরিচিত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলাম খান — তিনি প্রথম ঢাকাকে মুঘল বাংলার রাজধানী করেন এবং ১৬১০ সালে ঢাকরে কেল্লা বা পুরানো কেল্লা নির্মাণ করেছিলেন।
B) শায়েস্তা খান — তিনি যুবরাজ আযমের পর বাংলার সুবাদার হয়ে লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু করেন কিন্তু অসমাপ্ত রাখেন।
D) মীর জুমলা — তিনি মুঘল সুবাদার ছিলেন এবং আসাম জয়ের জন্য পরিচিত, তবে লালবাগ কেল্লা নির্মাণ শুরু করেননি।
মনে রাখার টিপস:
কাজ শুরু করেন আযম, অসমাপ্ত রাখেন শায়েস্তা খান।
সঠিক উত্তর: D) ৭টি
কেন সঠিক:
- ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত ঐতিহাসিক সাত গম্বুজ মসজিদের প্রধান প্রার্থনা কক্ষের ছাদের ওপর তিনটি বড় গম্বুজ রয়েছে।
- মসজিদের চার কোণায় চারটি মিনার বা برج রয়েছে যার ওপর ছোট গম্বুজ থাকায় মোট গম্বুজের সংখ্যা সাতটি হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪টি — এটি ভুল কারণ মসজিদের চার কোণার চারটি মিনার বা অন্য কোনো অংশের গণনার সঙ্গে এই সংখ্যা মিলছে না।
B) ৩টি — এটি ভুল কারণ ৩টি গম্বুজ শুধু প্রধান প্রার্থনা কক্ষের ওপর রয়েছে, কিন্তু কোণার মিনারগুলোর গম্বুজ বাদ পড়েছে।
C) ৫টি — এটি ভুল কারণ ঐতিহাসিক স্থাপত্য নকশা অনুযায়ী গম্বুজের মোট সংখ্যা ৫টি নয়।
D) ৭টি — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রধান কক্ষের ৩টি এবং চার কোণার টাওয়ারের ৪টিসহ মোট গম্বুজ ৭টি।
মনে রাখার টিপস:
নাম থেকেই মনে রাখুন সাত গম্বুজ মসজিদে মোট গম্বুজ আছে ঠিক সাতটি।
সঠিক উত্তর: A) ৪ বছর পরপর
কেন সঠিক:
- ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল আন্তর্জাতিক ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বোর্ড বা ফিফার তত্ত্বাবধানে প্রতি চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কাল বাদ দিয়ে এই চার বছর অন্তর আয়োজনের নিয়ম নিয়মিত পালিত হয়ে আসছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৪ বছর পরপর — এটি সঠিক উত্তর কারণ ফিফা বিশ্বকাপের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী প্রতিটি আসর চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
B) ৫ বছর পরপর — ফিফা বিশ্বকাপ বা অন্য কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্ট পাঁচ বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয় না।
C) প্রতি বছর — বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতি বছর আয়োজন করা সম্ভব নয় কারণ বাছাই পর্ব ও চূড়ান্ত পর্ব শেষ করতে দীর্ঘ সময় লাগে।
D) ৩ বছর পরপর — তিন বছর পর পর ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজনের কোনো নিয়ম ফিফার ক্যালেন্ডারে নেই।
মনে রাখার টিপস:
অলিম্পিক ও বিশ্বকাপ ফুটবল উভয়ই জনপ্রিয় আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং দুটিই নিয়মিতভাবে চার বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: B) উরুগুয়েতে
কেন সঠিক:
- ১৯৩০ সালে ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম আসর উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত হয় এবং স্বাগতিক উরুগুয়ে দলই প্রথম চ্যাম্পিয়ন হয়।
- ফিফা প্রতিষ্ঠার পর ফুটবলের এই বিশ্ব আসর আয়োজনের দায়িত্ব প্রথম উরুগুয়েকে দেওয়া হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইতালিতে — ইতালি ১৯৩৪ সালের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ ছিল।
B) উরুগুয়েতে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ প্রথম বিশ্বকাপ এখানেই অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সি) ব্রাজিলে — ব্রাজিল ১৯৫০ সালের চতুর্থ বিশ্বকাপ ফুটবল এবং ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ আয়োজন করেছিল।
ডি) মেক্সিকোতে — মেক্সিকো ১৯৭০ এবং ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল আসরের আয়োজক দেশ ছিল।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম আসর বসেছিল উরুগুয়েতে এবং প্রথম চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল উরুগুয়ে।
সঠিক উত্তর: B) দক্ষিণ আমেরিকা
কেন সঠিক:
- কলম্বিয়া দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উত্তর-পশ্চিম কোণে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র।
- এই দেশের রাজধানী বোগোটা এবং এটি দক্ষিণ আমেরিকার একমাত্র দেশ যার উপকূল রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগর ও ক্যারিবিয়ান সাগর উভয়েই।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইউরোপ — ইউরোপ মহাদেশে কলম্বিয়া অবস্থিত নয়, এটি ভৌগোলিকভাবে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
B) দক্ষিণ আমেরিকা — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং কলম্বিয়া এই মহাদেশেরই একটি রাষ্ট্র।
C) আফ্রিকা — আফ্রিকা মহাদেশে কলম্বিয়া অবস্থিত নয়, এই মহাদেশটি আটলান্টিক মহাসাগরের পূর্বে অবস্থিত।
D) উত্তর আমেরিকা — কলম্বিয়া উত্তর আমেরিকা মহাদেশের অংশ নয়, এটি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
মনে রাখার টিপস:
কলম্বিয়া নামটি এসেছে ক্রিস্টোফার কলম্বাসের নামানুসারে, আর দক্ষিণ আমেরিকার মানচিত্রের ঠিক ওপরের বাম কোণেই এর অবস্থান।
সঠিক উত্তর: B) কেনিয়া
কেন সঠিক:
- কেনিয়া পূর্ব আফ্রিকার একটি দেশ এবং এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ার ভৌগোলিক সীমানার বাইরে অবস্থিত।
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া অঞ্চলটি মূলত উত্তর ইউরোপের উত্তরাংশে অবস্থিত যার মধ্যে নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক অন্তর্ভুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নরওয়ে — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের একটি প্রধান দেশ এবং উত্তর ইউরোপে অবস্থিত।
B) কেনিয়া — এটি আফ্রিকার দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর।
C) ডেনমার্ক — এটি স্ক্যান্ডিনেভিয়ান অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত একটি উত্তর ইউরোপীয় দেশ।
D) ফিনল্যান্ড — এটি উত্তর ইউরোপের দেশ এবং স্ক্যান্ডিনেভীয় উপদ্বীপে অবস্থিত হওয়ায় স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশের অন্তর্ভুক্ত।
মনে রাখার টিপস:
স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ মনে রাখার সহজ শব্দ হলো নো-সু-ডে (নরওয়ে, সুইডেন, ডেনমার্ক)।
সঠিক উত্তর: B) ২নং
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল এবং ঢাকা শহর দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল।
- এই সেক্টরের প্রথম কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরবর্তীতে এ টি এম হায়দার এর দায়িত্ব পালন করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১নং — এই সেক্টরটি চট্টগ্রাম, নোয়াখালী এবং ফেনী নদী সংলগ্ন এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল, ঢাকা এর আওতাধীন ছিল না।
B) ২নং — এটিই সঠিক উত্তর কারণ ঢাকা শহর ও এর আশপাশের অঞ্চল এই সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
C) ৩নং — এই সেক্টরটির অধীনে ছিল হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, আখাউড়া এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া এলাকা।
D) ৪নং — এই সেক্টরটি মূলত সিলেট জেলার পূর্বাঞ্চল এবং খোয়াই ও শায়েস্তাগঞ্জ রেললাইন বাদে বাকি অংশ নিয়ে গঠিত ছিল।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা দুই নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল, এটি মনে রাখতে ঢাকা এবং দুই শব্দের শুরুর অক্ষর বা উচ্চারণ মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: বি) ১৯৮১ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৮১ সালের ১ ডিসেম্বর।
- রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল বাংলাদেশ টেলিভিশন এই রঙিন সম্প্রচার কার্যক্রম শুরু করেছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
এ) ১৯৮০ সালে — এটি ভুল কারণ এই সালে রঙিন সম্প্রচারের প্রস্তুতি চললেও তা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়নি।
বি) ১৯৮১ সালে — এটি সঠিক বছর, যখন বাংলাদেশ টেলিভিশন রঙিন সম্প্রচারে পদার্পণ করে।
সি) ১৯৮২ সালে — এটি ভুল কারণ রঙিন সম্প্রচার চালুর বছরটি এর আগের বছর অর্থাৎ ১৯৮১ সাল।
ডি) ১৯৮৩ সালে — এটি ভুল কারণ রঙিন সম্প্রচার চালুর সাল ১৯৮৩ সালের অনেক আগেই ঘটেছিল।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার দশ বছর পর, অর্থাৎ ১৯৮১ সালে রঙিন টেলিভিশন চালু হয়।
সঠিক উত্তর: C) ভাস্কর সৈয়দ আদুল্লাহ খালিদ
কেন সঠিক:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত ভাস্কর্য অপরাজেয় বাংলার স্থপতি ও ভাস্কর ছিলেন সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
- ১৯৭৩ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়ে ১৯৭৯ সালের ১৬ ডিসেম্বর এর উদ্বোধন করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শিল্পী হামিদুজ্জামান খান — তিনি বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত ভাস্কর হলেও অপরাজেয় বাংলার স্রষ্টা নন, তিনি অন্য অনেক ভাস্কর্যের কাজ করেছেন।
B) ভাস্কর নভেরা আহমেদ — তিনি শহীদ মিনারের প্রাথমিক নকশাকার ও দেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের অন্যতম অগ্রপথিক, তবে এই ভাস্কর্যটির সঙ্গে যুক্ত নন।
C) ভাস্কর সৈয়দ আদুল্লাহ খালিদ — প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং তিনি এই ঐতিহাসিক ভাস্কর্যটির সফল নির্মাতা।
D) ভাস্কর শামীম শিকদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার অপরাজেয় বাংলা নয়, বরং টিএসসি ও ফুলার রোডের মোড়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যের ভাস্কর।
মনে রাখার টিপস:
অপরাজিত সৈয়দ - এই মিল দিয়ে মনে রাখতে পারেন যে অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি ভাস্কর সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদের তৈরি।
সঠিক উত্তর: D) ১৫
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ৫টি স্থায়ী সদস্য এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত, যার মোট সদস্য সংখ্যা ১৫।
- আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করার জন্য জাতিসংঘের এই প্রধান অঙ্গটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১২ — এই সংখ্যাটি নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যার সাথে মিলে না এবং এটি ভুল উত্তর।
B) ১৩ — নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কখনো ১৩ ছিল না, তাই এটি ভুল উত্তর।
C) ১৪ — নিরাপত্তা পরিষদের গঠন অনুযায়ী ১৪ জন সদস্যের কোনো বিধান নেই, তাই এটি ভুল উত্তর।
D) ১৫ — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী ও অস্থায়ী সদস্য মিলিয়ে মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।
মনে রাখার টিপস:
নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য ৫ জন এবং অস্থায়ী সদস্য ১০ জন, ৫ এবং ১০ যোগ করলে মোট সদস্য সংখ্যা ১৫ হয়।
সঠিক উত্তর: B) নরওয়ে
কেন সঠিক:
- জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ট্রাগভ লি ১৯৪৬ সাল থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এবং তাঁর জন্মও নরওয়েতেই হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঘানা — ঘানার নাগরিক কফি আনান জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন, প্রথম নন।
B) নরওয়ে — এটি সঠিক উত্তর কারণ প্রথম মহাসচিব ট্রাগভ লি এই দেশের নাগরিক ছিলেন।
C) ব্রিটেন — ব্রিটেন জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য হলেও এই দেশ থেকে প্রথম মহাসচিব নির্বাচিত হননি।
D) দক্ষিণ কোরিয়া — দক্ষিণ কোরিয়ার বান কি মুন জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব ছিলেন, প্রথম নন।
মনে রাখার টিপস:
ট্রাগভ লি-র নাম মনে রাখতে ন-তে নরওয়ে এবং ন-তে প্রথম মহাসচিব হিসেবে প্রথম অক্ষর মেলাতে পারেন।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)