সঠিক উত্তর: D) বৃষ + তি
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির বিশেষ নিয়মানুসারে শব্দের পূর্বপদের অন্তস্থিত ষ এবং পরপদের আদি ত মিলে ষ ও ট তে রূপান্তরিত হয়।
- এখানে বৃষ পদের ষ এবং তি পদের ত যুক্ত হয়ে ষ + টি অর্থাৎ ষ্টি গঠন করে বৃষ্টি শব্দ তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংস্করকরণ বা তৎসম শব্দের সন্ধির নিয়মে ষ এর পরে ত থাকলে ত স্থানে ট হয়।
- এই নিয়মের ফলে দন্ত্য ত মূর্ধন্য ট এ পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন ধ্বনি তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইষ + ত = ইষ্ট
ব্যাখ্যা: পূর্বপদের ষ এর পরে ত থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ট হয়েছে এবং ইষ্ট শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: শুষ + তি = সৃষ্টি
ব্যাখ্যা: একই নিয়মে ষ এর পরে তি যুক্ত হয়ে সৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে যা এই সন্ধির একটি প্রচলিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষ + তি — এই সন্ধিটি সঠিক নয় কারণ বিষ শব্দের সাথে তি যুক্ত হয়ে প্রমিত বৃষ্টি শব্দ গঠন করে না।
B) বৃ + ষ্টি — এখানে বৃ মূল শব্দ হিসেবে ব্যাকরণসম্মতভাবে সন্ধির নিয়ম মেনে বৃষ্টি গঠন করে না।
C) বৃষ + টি — টি আলাদাভাবে প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হতে পারে কিন্তু এটি প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদের সঠিক রূপ নয়।
D) বৃষ + তি — এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ যা বৃষ্টি শব্দ তৈরি করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সন্ধিতে ষ এর পরে ত দেখলে তাকে ভেঙে ষ এবং তি লেখার নিয়ম মনে রাখতে হবে।
- পরীক্ষার হলে ষত্ব বিধানের সাথে মিলিয়ে এই সন্ধির রূপ সহজে চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে।
- সংস্কৃতে ব্যবহৃত এই নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে অন্যান্য সন্ধি সহজেই সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) নিয়ন
১. কেন সঠিক:
নিয়ন একটি মৌলিক পদার্থ কারণ এটি শুধুমাত্র এক প্রকার পরমাণু দ্বারা গঠিত এবং একে রাসায়নিকভাবে অন্য কোনো সরল পদার্থে ভেঙে ফেলা যায় না।
রসায়নের নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃতিতে যেসব পদার্থের অণু বা পরমাণু একই ধরনের উপাদান দিয়ে তৈরি, সেগুলোকে মৌলিক পদার্থ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়নের মৌলিক ধারণা অনুযায়ী পদার্থ মূলত দুই প্রকার, যেমন মৌলিক পদার্থ ও যৌগিক পদার্থ।
যে পদার্থকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে কেবল সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা: হাইড্রোজেন একটি মৌলিক পদার্থ কারণ এটি শুধু হাইড্রোজেন পরমাণু দিয়ে গঠিত এবং এর কোনো মিশ্র রূপ নেই।
উদাহরণ ২: অক্সিজেন
ব্যাখ্যা: অক্সিজেন একটি মৌলিক পদার্থ যা বায়ুমণ্ডলে স্বাধীনভাবে অবস্থান করে এবং এটি কেবল অক্সিজেন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিনি — চিনি একটি যৌগিক পদার্থ যা কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন সমন্বয়ে রাসায়নিকভাবে তৈরি হয়।
B) নিয়ন — নিয়ন সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি নিষ্ক্রিয় মৌলিক গ্যাস।
C) লবণ — লবণ একটি যৌগিক পদার্থ যা সোডিয়াম ও ক্লোরিন নামক দুটি ভিন্ন মৌলের সমন্বয়ে গঠিত।
D) পানি — পানি একটি যৌগিক পদার্থ যা হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
পর্যায় সারণির মৌলগুলো যেমন হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, নিয়ন, অক্সিজেন এগুলো মৌলিক পদার্থ।
যৌগিক পদার্থগুলো মূলত একাধিক মৌলের রাসায়নিক সংযোজনের ফলে সৃষ্টি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ আলাদা করতে বলা হয়।
যেসব পদার্থের রাসায়নিক সংকেতে একাধিক মৌলের প্রতীক থাকে, সেগুলো সাধারণত যৌগিক পদার্থ হয়।
সঠিক উত্তর: C) নাম পদের
১. কেন সঠিক:
বাক্যস্থিত সমাপিকা ক্রিয়াপদের সাথে বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের যে সম্বন্ধ বা সম্পর্ক থাকে, তাকে কারক বলে।
ব্যাকরণগত দিক থেকে বিশেষ্য ও সর্বনাম পদকে একত্রে নাম পদ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ক্রিয়ার সাথে নাম পদের বিভিন্ন সম্পর্ক স্থাপন করতে হয়।
কারক শব্দের অর্থ যা ক্রিয়া সম্পাদন করে এবং বাংলায় কারক ছয় প্রকার।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিম স্কুলে যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে যায় ক্রিয়ার সাথে রহিম নাম পদের কর্তকারকের সম্পর্ক রয়েছে।
উদাহরণ ২: বাবাকে মান্য কর।
ব্যাখ্যা: এখানে মান্য কর ক্রিয়ার সাথে বাবাকে নাম পদের কর্মকারকের সম্পর্ক রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষণ পদের — বিশেষণ পদ দোষ গুণ প্রকাশ করে কিন্তু ক্রিয়ার সাথে সরাসরি কারকের সম্পর্ক গঠন করে না।
B) অব্যয় পদের — অব্যয় পদ পদের সংযোগ ঘটায় তবে ক্রিয়ার সাথে কারক সম্পর্ক স্থাপন করে না।
C) নাম পদের — এটি সঠিক কারণ বিশেষ্য ও সর্বনাম পদই ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়ে কারক গঠন করে।
D) ক্রিয়া বিশেষণ পদের — ক্রিয়া বিশেষণ ক্রিয়ার ভাব বা সময় প্রকাশ করে কিন্তু কারক নির্ণয়ে এটি সরাসরি যুক্ত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়ার সাথে কারক মানেই হলো নাম পদের সম্পর্ক।
মনে রাখবে ক্রিয়ার সাথে কারক খুঁজতে হলে কে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কারকের মূল সংজ্ঞা থেকে প্রশ্ন আসে।
কারক মূলত ছয় প্রকার এবং ক্রিয়ার সাথে নাম পদের সম্পর্কই এর মূল ভিত্তি।
সঠিক উত্তর: A) তিলে তৈল আছে
১. কেন সঠিক:
বাক্যটিতে তিল নামক উপাদানের মধ্যে তৈল সুপ্ত বা বিদ্যমান আছে বুঝিয়েছে। কোনো বস্তু বা উপাদানের মধ্যে যদি অন্য কোনো বস্তু নিহিত বা অবস্থান করে বোঝায়, তবে তা অধিকরণ কারক হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে। আধার বা ধারণকারী বস্তু বোঝালে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি যুক্ত হয় এবং এটি মূলত আধाराধিকরণ বা ঐকদেশিক অধিকরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: বনে একটি স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে, তাই এটি অধিকরণ কারক।
উদাহরণ ২: বিপদে মোরে রক্ষা করো এ তো নহে মোর প্রার্থনা।
ব্যাখ্যা: বিপদ একটি অবস্থা বা সময় নির্দেশ করায় এটি ভাবাধিকরণ বা অধিকরণ কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিলে তৈল আছে — এটি সঠিক অপশন এবং তিলের মধ্যে তৈলের অবস্থান বোঝায়।
B) দুধ থেকে ঘি হয় — এটি অপাদান কারক কারণ এখানে উৎপন্ন বা বিচ্যুত হওয়া বোঝানো হয়েছে।
C) তিল থেকে তেল হয় — এটি অপাদান কারক কারণ তিল থেকে তেল উৎপন্ন বা ছাঁটাই হয়ে বের হয়।
D) মেঘ থেকে বৃষ্টি হয় — এটি অপাদান কারক কারণ মেঘ থেকে বৃষ্টির চ্যুতি বা উৎপত্তি বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কোথাও কিছু উৎসজাত বা বিচ্যুত হলে অপাদান কারক হয় এবং কোনো উপাদানের ভেতরে কিছু সুপ্ত বা বিদ্যমান থাকলে অধিকরণ কারক হয়। তৈল তিলের ভেতরে থাকে বলে এটি অধিকরণ, কিন্তু তিল থেকে তেল ভাঙিয়ে বের করলে তা অপাদান হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তিলে তৈল আছে এবং তিল থেকে তেল হয়, এই দুটি বাক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পার্থক্য করতে বলা হয়। ভেতরের উপস্থিতি বোঝালে অধিকরণ এবং উৎস থেকে উৎপন্ন বা বিচ্যুত বোঝালে অপাদান কারক হয়।
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে সপ্তমী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান বা ক্ষেত্রকে অধিকরণ কারক বলা হয়। এখানে ব্যাকরণ হলো পন্ডিত হওয়ার বিষয় বা ক্ষেত্র।
- ব্যাকরণ শব্দটির সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির সঠিক উদাহরণ হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কোনো বিষয়ে দক্ষতা, নিপুণতা, পন্ডিত বা অধিকার প্রকাশ পেলে সেই বিষয়টিতে অধিকরণ কারক হয়। একে বিষয় অধিকরণ বা ভাবাধিকরণ বলা হয়।
- ব্যাকরণ শব্দটির সাথে 'এ' বা 'য়' বিভক্তি যুক্ত হয়ে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি সাধিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিল পন্ডিত মশায় ব্যাকরণ ভালো জানেন।
ব্যাখ্যা: এখানে তিল হলো ব্যক্তির নাম যিনি পন্ডিত, যা বিষয়ভিত্তিক দক্ষতার ক্ষেত্রে অধিকরণ কারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: তিনি অঙ্কে কাঁচা কিন্তু বাংলায় পন্ডিত।
ব্যাখ্যা: এখানে অঙ্কে এবং বাংলায় শব্দ দুটি যথাক্রমে গণিত ও বাংলা বিষয়ে দক্ষতা বা অদক্ষতা বোঝাচ্ছে, যা অধিকরণ কারকের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মে সপ্তমী — কর্ম কারকে সপ্তমী বিভক্তি বোঝায় যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যা এখানে বিষয়ের ক্ষেত্র নয়।
B) করণে সপ্তমী — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র, সহায়ক বা উপায় বোঝায়, কিন্তু ব্যাকরণ কোনো উপায় বা যন্ত্র নয়।
C) অপাদানে সপ্তমী — অপাদান কারক থেকে জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভীত হওয়া বোঝায়, যা পন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্রের সাথে মেলে না।
D) অধিকরণে সপ্তমী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিষয় বা ক্ষেত্রে দক্ষতা নির্দেশ করছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো বিষয়ে দক্ষতা, অজ্ঞতা, পন্ডিত বা ভালো হওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাবে।
- বিষয়ে দক্ষতা মানেই বিষয় অধিকরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দক্ষতা বা পন্ডিত বোঝাতে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- বিষয় বা ক্ষেত্রে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত থাকলেই তা অধিকরণে সপ্তমী হবে।
সঠিক উত্তর: D) উন্মীলন
১. কেন সঠিক:
- উন্মীলন শব্দটির সঠিক বানান লেখার সময় দীর্ঘ ঈ কার এবং মূর্ধন্য ন ব্যবহৃত হয়।
- এর অর্থ হলো চোখ মেলা, প্রস্ফুটিত হওয়া বা উন্মুক্ত করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎ এবং নিমীলন শব্দের মিলনে এবং ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে উন্মীলন শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নি ধাতু বা নিমীলন শব্দের সাথে যুক্ত হওয়ার কারণে এখানে দীর্ঘ ঈ এবং মূর্ধন্য ন বসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রতীক্ষা শেষে অবশেষে ফুলের উন্মীলন ঘটল।
ব্যাখ্যা: এখানে উন্মীলন শব্দের অর্থ প্রস্ফুটিত হওয়া বা ফোটা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: জ্ঞানের আলোকবর্তিকা মানুষের চোখের পাতা উন্মীলন করে।
ব্যাখ্যা: এখানে উন্মীলন শব্দটি জ্ঞান লাভের মাধ্যমে দৃষ্টি খুলে যাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্মিলন — এই বানানে দীর্ঘ ঈ কারের বদলে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে।
B) উন্মিলণ — এই বানানে হ্রস্ব ই কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করায় বানানটি পুরোপুরি ভুল।
C) উন্মীলণ — এই বানানে দীর্ঘ ঈ কার সঠিক থাকলেও দন্ত ন এর বদলে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে।
D) উন্মীলন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে দীর্ঘ ঈ কার এবং মূর্ধন্য ন সঠিক নিয়ম মেনে বসেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উন্মীলন বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো চোখ মেলার সাথে এর অর্থ মেলানো, যেখানে দীর্ঘ জীবন বা দীর্ঘ স্বপ্নের মতো দীর্ঘ ঈ কার বসে।
- নিমীলন শব্দের বানান মনে রাখলে উন্মীলন বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধিজাত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে।
- উৎ উপসর্গের সাথে যুক্ত সন্ধির বানানগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) রূপায়ণ
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'উ' কার যুক্ত শব্দের পরে 'ণ' ব্যবহৃত হয়।
রূপ শব্দের সাথে 'আয়ন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দটিতে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী র এবং ঋ-এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ হয়।
তৎসম শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের এই ব্যাকরণিক নিয়মটি এখানে প্রযোজ্য হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রণয়ন
ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গের পর ন-ত্ব বিধানের নিয়মে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২:ায়ণ
ব্যাখ্যা: ঋ-কার বা র-এর প্রভাবে ন মূর্ধন্য ণ-এ রূপান্তরিত হওয়ার এটি একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপায়ন — বানানে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
B) রূপায়ণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল নেই।
C) রুপায়ন — শব্দের শুরুতে 'রুপ' লেখার কারণে বানানটি ভুল এবং শেষে দন্ত ন ব্যবহৃত হয়েছে।
D) রুপায়ণ — শব্দের শুরুতে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের নিয়ম লঙ্ঘন করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
রূপ শব্দের বানানে সবসময় দীর্ঘ ঊ-কার এবং প্রত্যয়ের শুরুতে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করতে হবে।
ন-ত্ব বিধানের এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের বানান ভুল এড়ানো সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত ন-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধানের ব্যতিক্রমী ও প্রমিত বানানগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
বানান শুদ্ধ করার সময় বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: C) মিতভাষী
কেন সঠিক:
১. মিত শব্দের অর্থ কম এবং ভাষী শব্দের অর্থ কথা বলা, যা বাক্যটির সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
২. ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একাধিক পদের একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে উপযুক্ত প্রকাশ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ভাষার সৌন্দর্য ও মাধুর্য বৃদ্ধি করে।
২. বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৩. যেমন— ইতিহাস লেখেন যিনি, তাকে ঐতিহাসিক বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অল্পভাষী — অল্প কথা বলেন যিনি, তাকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় তবে মিতভাষী অধিকতর প্রমিত।
B) সংযম — এর অর্থ নিয়ন্ত্রণ বা দমন করা, যা কথার পরিমাণের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
D) সন্ন্যাসী — যিনি সংসার ধর্ম ত্যাগ করেছেন, তাকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
১. মিত অর্থ কম বা পরিমিত, তাই কম কথা বলেন যিনি বোঝাতে মিতভাষী শব্দটি মনে রাখতে হবে।
২. অপশনগুলোর আক্ষরিক অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করলে সহজেই সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) নির্মোক
১. কেন সঠিক:
সঠিক উত্তরটি হলো নির্মোক কারণ এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সাপের খোলস ত্যাগ করা বা খোলসকে নির্মোক বলা হয়।
এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বহু পদকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব সংক্ষিপ্ত হয়।
নির্মোক শব্দটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর মূল অর্থ হলো খোলস বা ত্যক্ত চর্ম বিশেষ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা দমন করা যায় না = অদম্য
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত বাক্য সংকোচন যা মানুষের স্বভাব বা প্রকৃতি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চোখের নিমেষে যা ঘটে = অনিমিখ
ব্যাখ্যা: এটি খুব দ্রুত ঘটিত কোনো ঘটনা বোঝাতে বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্মোক — এটি সাপের খোলসের সঠিক বাক্য সংকোচন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) উরগ — এই শব্দের অর্থ হলো যা বুক দিয়ে চলে অর্থাৎ সাপ, তাই এটি খোলসের অর্থে প্রযোজ্য নয়।
C) কৃত্তি — এই শব্দের অর্থ হলো পশুর চামড়া বা ছাল, যা সাধারণত পোশাক বা পরিচ্ছদ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) প্লাবক — এই শব্দের অর্থ হলো যা প্লাবন ঘটায় বা ভাসিয়ে নিয়ে যায়, যা সাপের খোলসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাপ খোলস ছেড়ে নতুন রূপ নেয় এবং নির্মোক শব্দটিতেও পরিবর্তন বা খেসারতের একটা ভাব আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে মূল শব্দের উৎসার্থ মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে তাই শরীর ও প্রাণীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পর্কিত শব্দগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সরাসরি কমন পড়ে।
সঠিক উত্তর: B) একাদশে বৃহস্পতি
১. কেন সঠিক:
- একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটির অর্থ সৌভাগ্যের বিষয় বা প্রমূর্ত সৌভাগ্য।
- জ্যোতিষশাস্ত্রের বিশ্বাস অনুযায়ী জন্মছকে বৃহস্পতি গ্রহ একাদশ ঘরে অবস্থান করলে মানুষের জীবনে প্রবল সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি আসে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবহ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
- এই বাগধারাটি একটি জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হলেও বাংলা ভাষায় এটি সৌভাগ্যের সমার্থক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অবশেষে চাকুরিটা পেয়ে যাওয়ায় তার একাদশে বৃহস্পতি দশা চলছে।
ব্যাখ্যা: এখানে হঠাৎ করে বড় কোনো ভালো সুযোগ পাওয়ার অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যবসায় প্রথমবারেই এত লাভ হওয়ায় মনে হচ্ছে তার একাদশে বৃহস্পতি।
ব্যাখ্যা: ব্যবসার ক্ষেত্রে সৌভাগ্য বা সাফল্যের অনুকূল অবস্থাকে প্রকাশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পোয়াবারো — এই বাগধারাটির অর্থ অতিরিক্ত লাভ বা সুসময়, যা সরাসরি সৌভাগ্যের সমার্থক নয়।
B) একাদশে বৃহস্পতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক।
C) গোঁফে-খেজুরে — এই বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত অলস ব্যক্তি, যা সৌভাগ্যের সঙ্গে সম্পর্কহীন।
D) সৌভাগ্যবান — এটি কোনো বাগধারা নয়, বরং এটি একটি সাধারণ বিশেষণের পদ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একাদশ মানে এগারো আর বৃহস্পতি হলো সৌভাগ্যের গ্রহ, তাই একাদশে বৃহস্পতি মানেই হলো সৌভাগ্যের চরম অবস্থা।
- পরীক্ষার হলে ভাগ্য ভালো অর্থে একাদশ সংখ্যাটি দেখলে এই বাগধারাটি নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৌভাগ্য বোঝাতে একাদশে বৃহস্পতি এবং পোয়াবারো—এই দুটি বাগধারা প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- পোয়াবারো অর্থ অতিরিক্ত লাভ আর একাদশে বৃহস্পতি অর্থ সৌভাগ্যের বিষয়।
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- নীলাকাশ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো নীল যে আকাশ। এখানে নীল বিশেষণ পদ আকাশ বিশেষ্য পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদকেই প্রধান করেছে।
- কর্মধারয় সমাসের সংজ্ঞানুযায়ী পরপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং সাধারণত পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- এখানে নীল হলো বিশেষণের কাজ করছে এবং আকাশ হলো বিশেষ্য পদ যা কর্মধারয় সমাসের সাধারণ গঠনপদ্ধতি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঁচামিঠে
ব্যাখ্যা: কাঁচা অথচ মিঠে, এটি কর্মধারয় সমাসের একটি উদাহরণ যেখানে দুটি পদই বিশেষণ।
উদাহরণ ২: বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কর্মধারয় সমাসের নিয়মানুসারে গঠিত।
B) তৎপুরুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) বহুব্রীহি — এই অপশনটি ভুল কারণ বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থের বাইরে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়।
D) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি ভুল কারণ অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে যে, যিনি, যা বা রূপ শব্দগুলো থাকে।
- বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে সাধারণত কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয় যা পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্নে প্রায়ই আসে।
- রঙবাচক বিশেষণ যেমন নীল, লাল, সবুজ যুক্ত শব্দগুলো সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়।
সঠিক উত্তর: D) দ্বিগু
১. কেন সঠিক:
- শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী। সমাসবদ্ধ পদের প্রথম পদটি সংখ্যাবাচক এবং এর মাধ্যমে সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো হয়েছে।
- দ্বিগু সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটিয়ে সমষ্টি বা সমাহার বোঝানো।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং সমস্তপদে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাসে নিষ্পন্ন সমস্তপদটি সাধারণত বিশেষ্য পদ হয়। এটি তৎপুরুষ সমাসেরই একটি বিশেষ রূপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ত্রিফলার সমাহার = ত্রিফলা
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম পদ ত্রি সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদটি একটি সমাহার বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: তিন মথার সমাহার = তেমাথা
ব্যাখ্যা: সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলনে সমাহার বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা শতাব্দী শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাস হলেও সংখ্যা ও সমাহার বাধার কারণে নির্দিষ্টভাবে একে দ্বিগু সমাস বলা হয়।
C) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের অর্থে যে সমাস হয় তা অব্যয়ীভাব, শতাব্দীতে অব্যয় পদ প্রধান নয়।
D) দ্বিগু — এটি সঠিক কারণ সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাহার বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংখ্যাবাচক শব্দ + সমাহার = দ্বিগু সমাস।
- সমাস নির্ণয়ের সময় শেষে সমাহার কথাটি থাকলে সাধারণত দ্বিগু সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও বহুপ্রীহি সমাসের পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- সমস্তপদের অর্থ সমষ্টি বোঝালে এবং শুরুতে সংখ্যা থাকলে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) উৎ + নত
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ত বা দ এর পরে ন থাকলে ত বা দ স্থানে ন হয়।
- এখানে 'উৎ' শব্দের 'ত' এবং 'নত' শব্দের 'ন' মিলে 'উন্নত' শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো বর্গের প্রথম বর্ণের পর নাসিক্য বর্ণ থাকলে প্রথম বর্ণটি তার নিজ বর্গের পঞ্চম বর্ণে পরিণত হয়।
- এখানে ত বর্গের প্রথম বর্ণ ত এর পর ন (নাসিক্য বর্ণ) থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ত বর্গের পঞ্চম বর্ণ ন এ পরিণত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মিত + ময় = মন্ময়
ব্যাখ্যা: ত এর পরে ম থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ন হয়েছে।
উদাহরণ ২: জগৎ + নাথ = জগন্নাথ
ব্যাখ্যা: ত এর পরে ন থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উৎ + নত — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
B) উন্নী + ত — উন্নী কোনো মূল শব্দ বা উপসর্গ নয় এবং এর সাথে ত যুক্ত করে উন্নত হয় না।
C) উৎ + নীত — নীত শব্দটির অর্থ ভিন্ন এবং এটি সঠিক সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি।
D) উৎ + নিত — নিত শব্দটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং সন্ধির নিয়ম মানে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ত এর পরে ন বা ম দেখলে ত কে ন এ রূপান্তর করতে হয়।
- ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে শব্দের মূল অংশ চিনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে।
- উৎ উপসর্গযুক্ত সন্ধিগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: B) বি + ছেদ
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে এই সন্ধি সাধিত হয়েছে।
- স্বরবর্ণের পর ছ থাকলে ছ-এর স্থানে চছ যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- প্রথম পদের শেষে স্বরধ্বনি এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে ছ থাকলে ছ-এর জায়গায় চছ বসে।
- বি শব্দের শেষে ই স্বরধ্বনি আছে এবং ছেদ শব্দের শুরুতে ছ আছে, তাই নিয়ম অনুযায়ী বি + ছেদ মিলে বিচ্ছেদ হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরি + ছেদ = পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যা: ই কারের পর ছ থাকায় ছ এর জায়গায় চছ যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তরু + ছায়া = তরুচ্ছায়া
ব্যাখ্যা: উ কারের পর ছ থাকায় ছ এর জায়গায় চছ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিঃ + ছেদ — বিসর্গ সন্ধির নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি বিসর্গযুক্ত শব্দ নয়।
B) বি + ছেদ — এটি সঠিক অপশন এবং সঠিক নিয়মে গঠিত।
C) বিৎ + ছেদ — বিৎ বা খণ্ড ত এর সাথে ছ যুক্ত হলে অন্য নিয়ম হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) বিচ্ + ছেদ — বিচ্ কোনো মূল উপসর্গ বা পদ নয়, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্বরবর্ণের সাথে ছ যুক্ত হলে মাঝখানে চ যোগ করে চছ বানাতে হয়।
- বিচ্ছেদ শব্দের ক্ষেত্রে বি উপসর্গের সাথে ছেদ যোগ করে এই নিয়ম মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- পরিচ্ছেদ এবং তরুচ্ছায়া শব্দগুলো একই নিয়মে গঠিত হওয়ায় এগুলো চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) সু + আগত
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে ই-কার বা ঈ-কার এবং উ-কার বা ঊ-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কার স্থলে য এবং উ-কার বা ঊ-কার স্থলে ব হয়। এখানে 'সু' শব্দের শেষে উ-কার আছে এবং তার সাথে 'আগত' শব্দের আদি স্বর 'আ' যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি যণসন্ধির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ যেখানে উ-কারের পরে স্বরধ্বনি আসায় ব-ফলা সাধিত হয়েছে। বাংলায় স্বরসন্ধির ক্ষেত্রে এই সূত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নিয়মিতভাবে অনুসৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনু + ইত = অন্বিত
ব্যাখ্যা: এখানে উ-কারের পরে ই-কার থাকায় উ-কারের জায়গায় ব এসেছে।
উদাহরণ ২: মধু + অণু = মধ্বণু
ব্যাখ্যা: এখানেও উ-কারের পরে অ থাকায় ব-ফলা যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বা + আগত — এটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়মের অধীনে সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নয় কারণ 'স্বা' কোনো মূল শব্দ বা উপসর্গ নয়।
B) স্বা + গত — এই বিচ্ছেদটি সন্ধির মূল নিয়মের সাথে মেলে না এবং এর কোনো অর্থপূর্ণ ভিত্তি নেই।
C) সু + আগত — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী সু এবং আগত মিলে স্বাগত গঠিত হয়।
D) সা + আগত — 'সা' উপসর্গটি এখানে প্রযোজ্য নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের বাইরে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
উ বা ঊ কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ব-ফলা হয় তা মাথায় রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। শব্দের শুরুতে স-এর নিচে উ-কার দেখলে সাধারণত সু যোগ মূল শব্দ এই কাঠামোটি মাথায় আনতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-কার ও উ-কার জনিত যণসন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই খল, নদী, তনু বা মধু জাতীয় শব্দগুলোর সন্ধি ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) শাহ মুহম্মদ সগীর
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সাহিত্য বিষয়ক প্রশ্ন এবং এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম দিকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।
- সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে কবি শাহ মুহম্মদ সগীর এই মহাকাব্যটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সুলতানি আমলের শ্রেষ্ঠ কবি এবং তিনি গৌড়ের সুলতানের অনুগৃহীত ছিলেন।
- ইউসুফ জোলেখা কাব্যটি ফারসি ভাষার অনুকরণে রচিত হলেও কবি এতে বাঙালি জীবনের সহজ প্রবৃত্তি ও প্রেম ফুটিয়ে তুলেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত একটি উল্লেখযোগ্য কাব্য।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত মধ্যযুগের আরেকটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যশোরাজ খান — এই কবি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলী রচনার জন্য বিখ্যাত এবং তিনি ইউসুফ জোলেখা কাব্য রচনা করেননি।
B) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ইউসুফ জোলেখা কাব্যটির রচয়িতা হিসেবে স্বীকৃত।
C) মীর মোশাররফ হোসেন — তিনি আধুনিক যুগের ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু।
D) বিজয় গুপ্ত — তিনি মধ্যযুগের মনসা মঙ্গল কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি পদ্মপুরাণ রচনা করেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইউসুফ জোলেখা মানেই শাহ মুহম্মদ সগীর মনে রাখতে হবে জোলেখার প্রেমিক হিসেবে কবির নামের প্রথম অংশ ইউসুফের মতো জনপ্রিয়।
- মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়োপাখানের রচয়িতা হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীরের নাম বারবার চর্চা করলে সহজে মনে থাকবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে ইউসুফ জোলেখা কোন যুগের কাব্য এবং এর রচয়িতা কে।
- মধ্যযুগের অন্যান্য রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান এবং তাদের কবিদের নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) শেখ ফজলুল করিম
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত পংক্তিটি সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক শেখ ফজলুল করিমের বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- মানুষের মনের সদ্গুণ ও অসদ্গুণের মাধ্যমেই পৃথিবী স্বর্গ বা নরকে পরিণত হয়, এই দার্শনিক ভাবটি এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শেখ ফজলুল করিম ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।
- তার সাহিত্যকর্মে নৈতিকতা, মানবতাবাদ এবং দেশপ্রেমের সুর স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরোপকারই ধর্ম।
ব্যাখ্যা: মানুষের কল্যাণে কাজ করাই স্বর্গীয় সুখের মূল ভিত্তি।
উদাহরণ ২: অহংকার পতনের মূল।
ব্যাখ্যা: মানুষের খারাপ গুণ নরকতুল্য পরিবেশ তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ ফজলুল করিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি তাঁরই রচনা।
B) মোজাম্মেল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি হলেও এই পংক্তিটির রচয়িতা নন।
C) মোহিত লাল মজুমদার — তিনি মূলত রোমান্টিক ও ক্লাসিক ধারার কবি, এই পংক্তির সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি, এই পংক্তিটি তাঁর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শেখ ফজলুল করিমের নামের সঙ্গে স্বর্গ নরক পংক্তিটি মনে রাখার জন্য 'স্বর্গ নরক শেখ' এই সংক্ষিপ্ত সূত্র মনে রাখতে পারো।
- মানবতাবাদী কবিতার জন্য তাঁকে চেনা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত উদ্ধৃতি ও তার রচয়িতা প্রায়ই আসে।
- লেখকের মূল সুর ও রচনার নাম ভালোভাবে পড়লে এমন প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) মুনতাসীর ফ্যান্টাসী
কেন সঠিক:
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসী নাটকটির রচিয়তা বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আল দীন।
- এই নাটকটিতে বাংলা নাট্যসাহিত্যে ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিকরীতির এক অপূর্ব মিলন ঘটেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে সেলিম আল দীন একজন প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার ও নির্দেশক।
- তিনি বাংলা নাটকে নিজস্ব শৈলী ও দেশজ আঙ্গিকের ব্যবহার নিশ্চিত করেছিলেন।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে কিংশুক ক远的 কলার ও কেরামত মঙ্গল অন্যতম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এই বিখ্যাত নাটকটির রচিয়তা নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক।
- B) কবর — মুনীর চৌধুরী রচিত একটি অত্যন্ত পরিচিত ও ঐতিহাসিক নাটক।
- C) সুবচন নির্বাসনে — এটি মূলত নাট্যকার আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি বিখ্যাত নাটক।
মনে রাখার টিপস:
- সেলিম আল দীন বললেই মাথায় রাখতে হবে দেশজ ঐতিহ্য এবং মুনতাসীর ফ্যান্টাসী নাটকের নাম।
সঠিক উত্তর: C) অরুণ
১. কেন সঠিক:
- প্রভাত সূর্যের সুনির্দিষ্ট ও বিশেষ সমার্থক শব্দ হলো অরুণ, যার অর্থ সদ্য উদিত বা ভোরের লাল সূর্য।
- সাধারণ সূর্যের অনেক সমার্থক শব্দ থাকলেও প্রভাতকালীন বা ভোরের সূর্যের ক্ষেত্রে অরুণ শব্দটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু রূপ আলাদা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে সমার্থক শব্দগুলো মূলত তদ্ভব, তৎসম বা অর্ধ-তৎসম রূপ ধারণ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদিত সূর্যের আলোয় চারদিক আলোকিত হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে উদিত সূর্য বলতে ভোরের সূর্য বা প্রভাত সূর্যকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: অরুণোদয়ের সাথে সাথে পাখিরা গান গাইতে শুরু করে।
ব্যাখ্যা: অরুণোদয় শব্দের অর্থ ভোরের সূর্য ওঠার সময়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবি — এটি সূর্যের একটি সাধারণ সমার্থক শব্দ, যা কেবল প্রভাতী সূর্যকে বোঝায় না।
B) দিনমণি — এটিও সাধারণভাবে সূর্যের সমার্থক শব্দ এবং দিনের মণি অর্থে ব্যবহৃত হয়।
C) অরুণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ভানু — এটি সূর্যের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সাধারণ সমার্থক শব্দমাত্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভোরের লাল সূর্য দেখলে অরুণ শব্দটি মনে রাখবে।
- সাধারণ সূর্য বোঝালে রবি বা ভানু আর প্রভাত সূর্য বোঝালে অরুণ মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ সমার্থক শব্দের পাশাপাশি বিশেষ সময়ের সমার্থক শব্দগুলো বেশি আসে।
- শব্দের সূক্ষ্ম অর্থভেদ বুঝতে বাংলা অভিধানের সাহায্য নেওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: A) পূরণ
কেন সঠিক:
- হরণ শব্দের অর্থ কেড়ে নেওয়া, খোয়া যাওয়া বা কমানো।
- অন্যদিকে পূরণ শব্দের অর্থ বাড়ানো, পূর্ণ করা বা কোনো ঘাটতি পূরণ করা।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে অর্থের বিপরীত দিকটি বিবেচনা করা হয়।
- হরণ ও পূরণ একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক ভাব প্রকাশ করে।
- যেমন জল হরণ করা হলে তা শুকিয়ে যায়, আর জল দ্বারা পূরণ করলে তা পূর্ণ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পূরণ — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
- B) গ্রহণ — এটি ত্যাগের বিপরীত শব্দ, হরণের বিপরীত শব্দ নয়।
- C) মুক্ত — এটি বদ্ধ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ।
- D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
- হরণ মানে কমানো আর পূরণ মানে বাড়ানো, এই দুটি কথা মনে রাখলে ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
বিষবৃক্ষ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বিষ রূপ বৃক্ষ, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে।
এখানে বিষ এবং বৃক্ষ দুটি পদের মধ্যে অভেদ বা রূপক সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে, যা রূপক কর্মধারয় সমাসের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে বিষম বা কাল্পনিক কোনো বস্তুর সঙ্গে সাধারণ কোনো বস্তুর অভেদ কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
এই সমাসে সাধারণত ব্যাসবাক্যের মাঝখানে রূপ শব্দটি ব্যবহৃত হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে গভীর সাদৃশ্য দেখানো হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটিও বিষবৃক্ষ শব্দের মতো রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি সুপরিচিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ক্রাধানল
ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ অনল, এখানে ক্রোধ এবং অনলের মধ্যে অভেদ কল্পনা করায় এটি রূপক কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে।
C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে ঘটে না।
D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, যা বিষবৃক্ষ শব্দের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যাসবাক্যের মাঝে যদি রূপ শব্দটি থাকে এবং দুটি পদের মধ্যে তুলনা বা অভেদ বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তা রূপক কর্মধারয় সমাস দাগাবে।
বিষবৃক্ষ, বিষাদ সিন্ধু এবং ক্রাধানল শব্দগুলোর গঠনে এই রূপক সম্পর্কটি স্পষ্টভাবে খুঁজে পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ প্রায়ই আসে, তাই বিষ রূপ বৃক্ষ বা বিষাদ রূপ সিন্ধুর মতো শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
এই ধরনের শব্দ দেখলেই রূপক কর্মধারয় সমাসের কথা মাথায় আনতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) Concealed
কেন সঠিক:
Latent শব্দের বাংলা অর্থ হলো সুপ্ত বা লুকিয়ে থাকা, যা সহজে দেখা যায় না।
Concealed শব্দটির অর্থও লুকানো বা অনাবৃত নয় এমন।
তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Concealed — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Latent শব্দের সাথে মিলে যায়।
B) Evident — এর অর্থ স্পষ্ট, যা Latent শব্দের বিপরীত।
C) Visible — এর অর্থ দৃশ্যমান, যা Latent শব্দের বিপরীত।
D) Conspicious — এর অর্থ লক্ষণীয় বা স্পষ্ট, যা Latent শব্দের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Latent মানে যা লাইটের আড়ালে থাকে অর্থাৎ লুকিয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) Short
কেন সঠিক:
Brief শব্দের অর্থ সংক্ষিপ্ত বা অল্প কথায় শেষ করা।
Short শব্দের অর্থও ছোট বা সংক্ষিপ্ত।
তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Profuse — এর অর্থ প্রচুর বা অতিরিক্ত, যা Brief শব্দের বিপরীত।
B) Eloquent — এর অর্থ বাকপটু বা সুন্দরভাবে কথা বলা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Short — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) Copious — এর অর্থ প্রচুর পরিমাণে বা বিস্তর, যা Brief শব্দের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Brief মানে ছোট এবং Short মানেও ছোট, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) You told me that I did not do my duty.
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভারব said to এর পরে অবজেক্ট থাকায় সেটি পরিবর্তিত হয়ে told হয় এবং ইনভার্টেড কমা উঠে গিয়ে দ্যাট কনজাংশন বসে।
রিপোর্টেড স্পিচের ইউ দ্বিতীয় পার্সন হওয়ায় তা রিপোর্টিং ভারবের অবজেক্ট মি অনুসারে পরিবর্তিত হয়ে আই হয়।
রিপোর্টেড স্পিচের প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স এ রূপান্তর লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You told me that I do not do my duty. — এখানে রিপোর্টেড স্পিচের টেন্স পরিবর্তন না করে প্রেজেন্ট টেন্স রাখা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে।
B) You said to me that I did not do my duty. — এখানে সেড টু এর পরে অবজেক্ট থাকা সত্ত্বেও তাকে টোল্ড এ পরিবর্তন করা হয়নি।
C) You said to me that I do not do my duty. — এখানে সেড টু কে টোল্ড করা হয়নি এবং টেন্সেরও কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
D) সঠিক অপশন — এখানে সকল নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাসারেটিভ পরিবর্তনের সময় রিপোর্টিং ভারবের পরে অবজেক্ট থাকলে সেইড টুকে টোল্ড বানাতে হয় এবং পাস্ট টেন্সে রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) CATASTROPHE
কেন সঠিক:
বানানের নিয়ম অনুযায়ী এতে সঠিক প্রিফিক্স এবং সাফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রতিটি অক্ষরের ক্রম আন্তর্জাতিক মানসম্মত ইংরেজি অভিধান অনুসরণ করে গঠিত।
শব্দের শেষের অংশটুকু সঠিক ইংরেজি বানানবিধি মেনে চলে।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ যার বানান অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CATASTROPHE — এটি সঠিক বানান এবং এর মাধ্যমেই মূল শব্দটি প্রকাশ পায়।
B) CETASTROPHE — প্রথম অংশে সি এর পর এ এর পরিবর্তে ই ব্যবহারের কারণে বানান ভুল হয়েছে।
C) CATASTROPHEE — শেষের অংশে অতিরিক্ত ই যুক্ত করার কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে।
D) CATASTROFEE — পি এর পরিবর্তে এফ এবং শেষে দুটি ই ব্যবহারের কারণে এটি ভুল বানান।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটিকে সি এ টি এ এস টি আর ও পি এইচ ই এভাবে ভেঙে মুখস্থ করলে বানান আর ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: A) He wished me that I might have wealth.
কেন সঠিক:
১. এটি একটি অপট্রেটিভ সেন্টেন্স বা ইচ্ছা প্রকাশসূচক বাক্য, তাই Reporting verb পরিবর্তন হয়ে wished হয়।
২. Inverted comma তুলে Conjunction হিসেবে that ব্যবহৃত হয় এবং Subject এর পরে might বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) B) He wished me that I might had wealth. — এখানে might এর পরে verb এর present form হওয়ার কথা থাকলেও had ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) C) He wished me that I should have wealth. — অপট্রেটিভ সেন্টেন্সে might বসানোর নিয়ম থাকলেও এখানে ভুল করে should ব্যবহার করা হয়েছে।
D) D) He said to me that I might have wealth. — রিপোর্টিং ভার্ব হিসেবে said রেখে দেওয়া হয়েছে, অথচ অপট্রেটিভ সেন্টেন্সে wished বা prayed ব্যবহার করতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
অপট্রেটিভ সেন্টেন্সে ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পেলে Indirect করার সময় Said এর বদলে Wished বা Prayed বসে এবং দাড়ি তোলার পর might ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Is he known to you?
কেন সঠিক:
১. বাক্যটি প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে থাকায় প্যাসিভ করার সময় সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে Is বসে এবং সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গुलर হয়।
২. মূল ভার্ব know এর পাস্ট পার্টিসিপল form known বসে এবং এর পরে বাই (by) না বসে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী প্রিপজিশন to বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Is he known by you? — এই অপশনে known এর পরে প্রিপজিশন by ব্যবহার করা হয়েছে, যা grammatically ভুল কারণ know ভার্বের পরে हमेशा to বসে।
B) Is he known to you? — এটি মূল সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) Is he knew by you? — এই অপশনে known এর পরিবর্তে ভার্বের পাস্ট ফর্ম knew ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ প্যাসিভে সবসময় পাস্ট পার্টিসিপল form বসে।
D) Was he known by you? — এই অপশনে বর্তমান কালের বাক্যের জন্য অতীত কালের সাহায্যকারী ভার্ব was ব্যবহার করা হয়েছে, যা টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
মনে রাখার টিপস:
know এবং married শব্দের পরে সাধারণত by না বসে সবসময় প্রিপজিশন to বসে।
সঠিক উত্তর: A) By whom will you be helped?
কেন সঠিক:
১. ইন্টারোগেটিভ বাক্যে 'Who' থাকলে প্যাসিভ করার সময় শুরুতে 'By whom' বসে।
২. মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব 'will' থাকার কারণে তার সাথে 'be' যুক্ত হয় এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
৩. সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব বসে বাক্যটিকে সঠিক প্রশ্নবোধক রূপ দেওয়া হয়েছে।
৪. বাক্যের টেন্স এবং অর্থ সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক।
B) B — কারণ এখানে সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব 'will' বসানো হয়নি, যা প্রশ্নবোধক বাক্যের নিয়মের বাইরে।
C) C — কারণ এখানে সঠিক টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব 'will' এর পরিবর্তে ভুল করে 'would' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) D — কারণ এখানে 'would' ব্যবহারের পাশাপাশি সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব বসানো হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
Who যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসাতে হয় এবং টেন্স অনুযায়ী auxiliary verb এর পর be যুক্ত করে মূল verb এর V3 করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let a song be sung by him
কেন সঠিক:
Imperative sentence-যুক্ত active voice-কে passive করার নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসে এবং objectটি subject হয়।
এরপর অতিরিক্ত be verb যুক্ত হয়ে মূল verb-এর Past Participle রূপ বসে এবং by-এর পর pronoun-এর objective form বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let a song sing by him — এখানে be verb ব্যবহার করা হয়নি এবং মূল verb-এর সঠিক রূপ নেই।
B) Let a song be sung by him — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) Let a song be sang by him — এখানে sing verb-এর ভুল Past Participle রূপ (sang) ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Let a song sung by him — এখানে passive voice করার সময় প্রয়োজনীয় be verb বসানো হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
Let যুক্ত Imperative sentence-কে passive করার সময় সবসময় 'Let + object-এর subject form + be + verb-এর Past Participle + by + subject-এর objective form' এই গঠন মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) at
কেন সঠিক:
expert শব্দের পর সাধারণত at preposition ব্যবহৃত হয়।
এটি কোনো বিষয়ে কারো দক্ষতা বা পারদর্শিতা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
drawing একটি কাজের নাম এবং এর আগে at বসে।
বাক্যের অর্থ দাঁড়াচ্ছে মেয়েটি আঁকাআকিতে দক্ষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — expert শব্দের পর সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী in বসে না।
B) to — এখানে destination বা দিক বোঝাতে to ব্যবহার করা যায় না।
C) with — কোনো যন্ত্রপাতি বা সঙ্গী বোঝাতে with ব্যবহৃত হয় না।
D) at — এটি সঠিক হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষ বোঝাতে expert শব্দের পরে সবসময় at প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Appropriate Preposition)
উল্লেখ্য, প্রদত্ত সঠিক উত্তর A) with ভুল। সঠিক উত্তর হবে D) to। নিয়ম অনুযায়ী conform শব্দের পর সাধারণত to বসে।
সঠিক উত্তর: D) to
কেন সঠিক:
- নিয়ম অনুযায়ী কোনো নিয়ম, নীতি, মতবাদ বা কাজের সাথে মিল রাখা বোঝাতে conform শব্দের পর preposition হিসেবে to বসে।
- এখানে কাজ বা আচরণের সাথে কথা বা কথার মিল রাখার অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় সঠিক preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — প্রদত্ত উত্তর ভুল কারণ conform শব্দের পর সাধারণত with বসে না, তবে কিছু ক্ষেত্রে conform with নিয়মের সাথে মিলে চলা অর্থে ব্যবহৃত হলেও এখানে to অধিক উপযুক্ত।
B) by — মাধ্যম বা উপায় বোঝাতে by বসে, যা এখানে মানানসই নয়।
C) in — অবস্থান বা ক্ষেত্র বোঝাতে in বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম বা কাজের সাথে মিল রাখা বোঝাতে conform-এর পর to ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নিয়ম বা কাজের সাথে মিল রাখা বোঝাতে mindig conform-এর পরে to ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) Noun
কেন সঠিক:
এখানে fast শব্দটি একটি নির্দিষ্ট উপবাস বা রোযাকে বোঝাচ্ছে।
শব্দের আগে the Article বসার কারণে এটি Noun হিসেবে কাজ করেছে।
এটি কোনো কাজের নাম হিসেবে এখানে ব্যবহৃত হয়েছে।
একটি সম্পূর্ণ কাজের নাম হওয়ায় এটি Noun।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে fast একটি নাম বোঝাচ্ছে।
B) Pronoun — Pronoun নামের পরিবর্তে বসে, কিন্তু এখানে কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি।
C) Adjective — Adjective কোনো দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু এটি তা করেনি।
D) Adverb — Adverb কোনো verb বা adjective কে বিশেষিত করে, কিন্তু এখানে তা নয়।
মনে রাখার টিপস:
Article (a, an, the) এর ঠিক পরেই সাধারণত Noun বসে।
সঠিক উত্তর: C) Adjective
কেন সঠিক:
এখানে "Still" শব্দটি একটি Noun বা বিশেষ্যের আগে বসে সেটির দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
বাক্যে "waters" হলো Noun এবং "Still" সেটির ঠিক পূর্বে বসে Adjective হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — এটি কোনো নাম বা বিশেষ্য পদ নয়, কারণ এটি Noun এর দোষ-গুণ প্রকাশ করছে।
B) Pronoun — এটি কোনো Noun এর পরিবর্তে বসেনি, বরং Noun কে বিশেষিত করেছে।
C) Adjective — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এখানে জলের স্থির অবস্থা বোঝাচ্ছে।
D) Adverb — এটি কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb কে বিশেষিত করছে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দ যদি Noun এর ঠিক আগে বসে তার অবস্থা বোঝায়, তবে সেটি সাধারণত Adjective হয়।
সঠিক উত্তর: D) HETEROGENEOUS
কেন সঠিক:
বানানটিতে সঠিক প্রিফিক্স হিসেবে hetero এবং মূল শব্দে geneous যুক্ত হয়েছে।
মাঝখানে একটি অতিরিক্ত e এবং শেষে ous সঠিক আছে।
বানানের উচ্চারণ ও গঠন নিখুঁত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) HETROGENUS — প্রথম অংশে hetero শব্দের বানান ভুল আছে এবং শেষে ous এর পরিবর্তে us ব্যবহৃত হয়েছে।
B) HETROGENEOUS — মূল শব্দে hetero বানানের মাঝখানের e অক্ষরটি বাদ পড়েছে।
C) HETEROGENUS — শেষের দিকে ous প্রত্যয়ের পরিবর্তে শুধু us ব্যবহার করায় বানানটি অসম্পূর্ণ হয়েছে।
D) HETEROGENEOUS — এই অপশনটিতে সমস্ত বানান এবং প্রত্যয় ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক আছে।
মনে রাখার টিপস:
hetero এবং geneous এই দুটি অংশ আলাদা করে মনে রাখলে বানানটি ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: B) MISSIONARY
কেন সঠিক:
ইংরেজি বানান নিয়م অনুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথমে 'MIS' লেখার পর একটি দ্বিত্ব 'S' অর্থাৎ 'SS' যুক্ত হয়।
এরপর 'ION' এবং শেষে 'ARY' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) MISIONARY — এই বানানে 'S' একটি কম আছে এবং সঠিক দ্বিত্ব বর্ণ ব্যবহার করা হয়নি।
B) MISSIONARY — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং বানানটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) MISIONERY — এই বানানে 'S' একটি এবং শেষের দিকে 'ARY' এর বদলে ভুলভাবে 'ERY' লেখা হয়েছে।
D) MISSIONERY — এই বানানে 'MISSION' ঠিক থাকলেও শেষের দিকে 'ARY' এর বদলে ভুল করে 'ERY' ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে 'MISSION' লিখে তার সাথে 'ARY' যোগ করে 'MISSIONARY' পড়ার অভ্যাস করো।
সঠিক উত্তর: B) of
কেন সঠিক:
নিশ্চিত করা বা বিশ্বাস জন্মানো অর্থে convince শব্দের পরে সাধারণত অফ প্রিপজিশন বসে।
কোনো ব্যক্তির সততা বা গুণের প্রতি বিশ্বাসের ক্ষেত্রে অফ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — এই শব্দটির সাথে উইথ প্রিপজিশন বসে না কারণ এটি নিয়মবিরুদ্ধ।
B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
C) by — কাজের মাধ্যম বোঝাতে বাই বসে, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
D) in — ভেতরে বা স্থান বোঝাতে ইন বসে, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কনভিন্সড শব্দের পরে সাধারণত অফ প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) I should take leave of you
কেন সঠিক:
১. কারো কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী take leave of phrase টি ব্যবহার করতে হয়।
২. এই বাক্যে শব্দের ব্যবহার এবং ব্যাকরণের গঠন সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He will avail the opportuntiy — avail শব্দটির পর একটি reflexive pronoun যেমন himself বসাতে হয় এবং বানান ভুল আছে।
B) I should take leave of you — এটি সঠিক বাক্য তাই এখানে ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
C) I have seen two deers — deer শব্দের বহুবচন deer ই হয়, এর সাথে s যুক্ত করা যায় না।
D) Television is a wonderful discovery — টেলিভিশন নতুন কিছু আবিষ্কার নয়, এটি একটি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন তাই discovery এর বদলে invention হবে।
মনে রাখার টিপস:
কিছু শব্দের সঠিক preposition এবং বহুবচন রূপ মনে রাখলে এই ধরনের পরীক্ষায় সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) He always speaks the truth.
কেন সঠিক:
সত্য কথা বলার ইংরেজি করার সময় speak শব্দের সাথে always ব্যবহার করলে তা present indefinite tense নির্দেশ করে।
এক্ষেত্রে truth noun টির পূর্বে নির্দিষ্ট article হিসেবে the বসানো বাধ্যতামূলক নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Good night, how are you? — বিদায় জানানোর সময় গুড নাইট ব্যবহার করা হয় বলে সাক্ষাতের কুশল বিনিময়ে এটি ভুল।
B) Ali took admission into that college. — ইংরেজিতে টুক এডমিশন ইনটু না লিখে সাধারণত এডমিট লেখা সঠিক হয়।
C) He asked me where did I go. — প্রত্যক্ষ থেকে পরোক্ষ নেশনে পরিণত করার সময় বাক্যের মাঝখানে auxiliary verb আগে বসে না।
D) He always speaks the truth. — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বাক্য এবং এর গঠন ব্যাকরণগত সকল নিয়ম মেনে চলেছে।
মনে রাখার টিপস:
সবসময় সত্য বলার ক্ষেত্রে speak the truth বলতে হয় এবং পরোক্ষ নেশনে সাবজেক্টের পরে verb বসে।
সঠিক উত্তর: B) of
কেন সঠিক:
১. কোনো বস্তু তৈরি হওয়ার পর যদি তার মূল উপাদানের পরিবর্তন ঘটে না এবং উপাদানটি চোখে দেখা যায়, তবে সাধারণত of বসে।
২. কাঁচ দিয়ে বোতল তৈরি হলেও বোতলের মধ্যে কাঁচ উপাদানটি অপরিবর্তিত থাকে এবং তা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়।
৩. উপাদান অপরিবর্তিত থাকার কারণে এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে of ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — সাধারণত স্থান বা বড় পরিধির ক্ষেত্রে প্রিপজিশন ইন ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে তা বসবে না।
B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) with — কোনো মাধ্যম বা হাতিয়ার দিয়ে কাজ করা বোঝালে উইথ বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) by — সাধারণত কর্তা বা প্যাসিভ ভয়েসের ক্ষেত্রে বাই ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে তা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
উপাদান দেখা গেলে অব এবং দেখা না গেলে ফ্রম বসে।
সঠিক উত্তর: C) to
কেন সঠিক:
অ্যাটেন্টিভ শব্দের পর সাধারণত সঠিক প্রিপোজিশন হিসেবে টু বসে।
এর অর্থ কোনো বিষয়ের প্রতি মনোযোগী হওয়া।
তাই এখানে টু ছাড়া অন্য কোনো প্রিপোজিশন বসবে না।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে টু ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন — অ্যাটেন্টিভ শব্দের পর ইন প্রিপোজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। এটি বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না।
B) উইথ — উইথ প্রিপোজিশন সাধারণত কোনো কিছু দিয়ে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি এখানে শূন্যস্থানে বসার উপযোগী নয়।
C) সঠিক উত্তর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) অব — অব প্রিপোজিশন মালিকানা বা সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এখানে মনোযোগী হওয়া অর্থে অব ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুতে মনোযোগী হওয়া বোঝাতে অ্যাটেন্টিভ এর পরে সবসময় টু প্রিপোজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) ৩/৪
প্রدত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ২÷৩, ৩÷৪, ৫÷৯ এবং ৭÷১২
ধরি,
ভগ্নাংশগুলোর হরগুলোর লসাগু বের করতে হবে
হরগুলো হলো ৩, ৪, ৯ এবং ১২ এর লসাগু = ৩৬
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ = (২ × ১২) ÷ (৩ × ১২) = ২৪ ÷ ৩৬
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = (৩ × ৯) ÷ (৪ × ৯) = ২৭ ÷ ৩৬
তৃতীয় ভগ্নাংশ = (৫ × ৪) ÷ (৯ × ৪) = ২০ ÷ ৩৬
চতুর্থ ভগ্নাংশ = (৭ × ৩) ÷ (১২ × ৩) = ২১ ÷ ৩৬
সুতরাং,
সবচেয়ে বড় লব হলো ২৭ যা দ্বিতীয় ভগ্নাংশ থেকে এসেছে
উত্তর: ৩÷৪
সঠিক উত্তর: B) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১২০°
ধরি,
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ন
বহুভুজটির একটি বহিঃকোণের পরিমাণ = ১৮০° − ১২০° = ৬০°
অতএব,
আমরা জানি বহুভুজের বহিঃকোণগুলোর সমষ্টি = ৩৬০°
সুষম বহুভুজের বাহুর সংখ্যা ন হলে প্রতিটি বহিঃকোণ = ৩৬০° ÷ ন
সুতরাং,
৬০° = ৩৬০° ÷ ন
ন = ৩৬০° ÷ ৬০° = ৬
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: A) ২৮
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি = ২৪
অনুপাতটি = ৭ অনুপাত ৬
ধরি,
নতুন সংখ্যাটি ক
অতএব,
ক এর মান নির্ণয় করতে হবে ২৪ কে ৭ দিয়ে গুণ এবং ৬ দিয়ে ভাগ করে
সুতরাং,
ক = ২৪ × ৭ ÷ ৬
উত্তর: ২৮
সঠিক উত্তর: B) ৪৫
প্রদত্ত তথ্য:
পূর্বরাশি ও উত্তর রাশির অনুপাত ৫ অনুপাত ১১
উত্তর রাশি = ৯৯
ধরি,
পূর্বরাশি = ৫ক
উত্তর রাশি = ১১ক
অতএব,
প্রশ্নমতে, ১১ক = ৯৯
ক = ৯৯ ÷ ১১
ক = ৯
সুতরাং,
পূর্বরাশি = ৫ × ৯ = ৪৫
উত্তর: ৪৫
সঠিক উত্তর: C) ৩০ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
রাস্তা মেরামত করতে ৩৫ জন শ্রমিকের লাগে = ১২ দিন
ধরি,
১ জন শ্রমিকের ঐ কাজ করতে বেশি দিন লাগবে
অতএব,
১ জন শ্রমিকের কাজটি করতে সময় লাগবে = ৩৫ × ১২ দিন
সুতরাং,
১৪ জন শ্রমিকের কাজটি শেষ করতে সময় লাগবে = (৩৫ × ১২) ÷ ১৪ দিন
উত্তর: ৩০ দিন
সঠিক উত্তর: A) ২৮ জন
প্রদত্ত তথ্য:
৫৬ জন শ্রমিক কাজ করতে পারে ২১ দিনে
কাজটি শেষ করতে হবে ১৪ দিনে
ধরি,
মোট শ্রমিকের প্রয়োজন = ক জন
অতএব,
১৪ দিনে কাজটি শেষ করতে শ্রমিক লাগবে = (৫৬ × ২১) ÷ ১৪ জন
হিসাব করে পাই = (১১৭৬) ÷ ১৪ জন
সুতরাং,
মোট শ্রমিকের প্রয়োজন = ৮৪ জন
নতুন শ্রমিক লাগবে = ৮৪ − ৫৬ জন = ২৮ জন
উত্তর: ২৮ জন
সঠিক উত্তর: D) ৩৫ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
ক ও খ একত্রে একটি কাজ শেষ করতে পারে ১০ দিনে
খ একা কাজটি শেষ করতে পারে ১৪ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে ১ ÷ ১০ অংশ কাজ
খ একা ১ দিনে করে ১ ÷ ১৪ অংশ কাজ
সুতরাং,
ক একা ১ দিনে করে (১ ÷ ১০) − (১ ÷ ১৪ অংশ কাজ)
= (৭ − ৫) ÷ ৭০ অংশ কাজ
= ২ ÷ ৭০ অংশ কাজ
= ১ ÷ ৩৫ অংশ কাজ
উত্তর: ৩৫ দিনে
সঠিক উত্তর: C) ০.২
প্রদত্ত তথ্য:
১ ডজন বা ১২টি বলপেনের ক্রয়মূল্য ৬০ টাকা
১ ডজন বা ১২টি বলপেনের বিক্রয়মূল্য ৭২ টাকা
ধরি,
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য
অতএব,
লাভ = ৭২ টাকা − ৬০ টাকা
লাভ = ১২ টাকা
সুতরাং,
লাভ বা শতকরা লাভ = (১২ ÷ ৬০)
লাভ = ০.২
উত্তর: ০.২
সঠিক উত্তর: C) ৩৪ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
তিন সন্তানের বয়সের গড় = ৬ বৎসর
পিতাসহ তাদের বয়সের গড় = ১৩ বৎসর
ধরি,
তিন সন্তানের মোট বয়স = ৩ × ৬ = ১৮ বৎসর
পিতাসহ মোট সদস্য সংখ্যা = ৪ জন
অতএব,
পিতাসহ চারজনের মোট বয়স = ৪ × ১৩ = ৫২ বৎসর
তিন সন্তানের মোট বয়স = ১৮ বৎসর
সুতরাং,
পিতার বয়স = ৫২ − ১৮ = ৩৪ বৎসর
উত্তর: ৩৪ বৎসর
সঠিক উত্তর: B) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ১২ উইকেটের জন্য মোট রান = ১২ × ২০ = ২৪০ রান
পরবর্তী ৪ উইকেটের জন্য মোট রান = ৪ × ৪ = ১৬ রান
ধরি,
মোট উইকেটের সংখ্যা = ১২ + ৪ = ১৬ টি
মোট রানের সংখ্যা = ২৪০ + ১৬ = ২৫৬ রান
অতএব,
উইকেটপ্রতি গড় রান = মোট রান ÷ মোট উইকেট
উইকেটপ্রতি গড় রান = ২৫৬ ÷ ১৬
সুতরাং,
উইকেটপ্রতি গড় রান = ১৬
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: B) ৪ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ২৫ বৎসর
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ১৮ বৎসর
ধরি,
পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = ২৫ × ২ = ৫০ বৎসর
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ১৮ × ৩ = ৫৪ বৎসর
অতএব,
পুত্রের বয়স নির্ণয় করতে হলে তিনজন সদস্যের বয়সের সমষ্টি থেকে দুইজন সদস্যের বয়সের সমষ্টি বিয়োগ করতে হবে
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৫৪ বৎসর এবং পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি ৫০ বৎসর
সুতরাং,
পুত্রের বয়স = ৫৪ − ৫০ = ৪ বৎসর
উত্তর: ৪ বৎসর
সঠিক উত্তর: A) লাভ ১২%
প্রদত্ত তথ্য:
১ হালি ডিমের ক্রয়মূল্য = ২৫ টাকা
২ হালি ডিমের বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা
ধরি,
মোট ডিমের পরিমাণ = ২ হালি
অতএব,
২ হালি ডিমের ক্রয়মূল্য = ২৫ × ২ = ৫০ টাকা
২ হালি ডিমের বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা
সুতরাং,
মোট লাভ = ৫৬ − ৫০ = ৬ টাকা
উত্তর: (৬ ÷ ৫০) × ১০০% = ১২%
সঠিক উত্তর: A) ২১০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার ধারা ১ থেকে ২০ পর্যন্ত
শেষ পদ = ২০
ধরি,
পদের সংখ্যা n = ২০
প্রথম পদ a = ১
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র n × (n + ১) ÷ ২ ব্যবহার করে পাই
পদের মান বসিয়ে পাই ২০ × (২০ + ১) ÷ ২
সুতরাং,
২০ × ২১ ÷ ২
৪২০ ÷ ২ = ২১০
উত্তর: ২১০
সঠিক উত্তর: D) সোডিয়াম সিলিকেট
কেন সঠিক:
- সাবান তৈরির সময় সোডিয়াম সিলিকেট বা ওয়াটার গ্লাস যুক্ত করলে সাবান দ্রুত শক্ত হয় এবং এর ক্ষয় রোধ হয়।
- এটি সাবানের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং মান বজায় রাখতে ফিলার হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোডিয়াম কার্বনেট — এটি ওয়াশিং সোডা নামে পরিচিত এবং পানি মৃদু করতে ব্যবহৃত হয়, সাবান শক্ত করতে নয়।
B) সোডিয়াম সালফেট — এটি সাবান তৈরিতে ফিলার হিসেবে ব্যবহার করা হলেও তা সাবান শক্ত করার প্রধান উপাদান নয়।
C) সোডিয়াম ক্লোরাইড — সাধারণ লবণ সাবান তৈরিতে গ্লিসারল আলাদা করতে বা সল্টিং আউট প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
D) সোডিয়াম সিলিকেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সাবানকে শক্ত ও টেকসই করতে সরাসরি সাহায্য করে।
মনে রাখার টিপস:
সাবান শক্ত করতে সিলিকেট ব্যবহার করা হয়, এটি এভাবে মনে রাখা যায় যে সিলিকা বা বালু যেমন শক্ত, সোডিয়াম সিলিকেটও সাবানকে তেমনি শক্ত করে।
সঠিক উত্তর: A) গাজীপুরে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানাটি গাজীপুর জেলার রাজেন্দ্রপুরে অবস্থিত।
- এটি দেশের একমাত্র সরকারি কারখানা যেখানে সামরিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাজীপুরে — এটি সঠিক কারণ একমাত্র সমরাস্ত্র কারখানাটি এখানেই অবস্থিত।
B) ঢাকা জেলায় — ঢাকা জেলার বাইরে গাজীপুরে অবস্থিত হওয়ায় এটি ভুল।
C) চট্টগ্রাম জেলায় — চট্টগ্রাম বন্দর নগরী হলেও এখানে প্রধান সমরাস্ত্র কারখানা নেই।
D) রাজশাহী জেলায় — রাজশাহী বিখ্যাত হলেও এখানে এই কারখানাটি অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
অস্ত্র বা সমরাস্ত্র তৈরির কারখানা বললেই গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) প্লিহায়
কেন সঠিক:
- লোহিত রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল শেষ হলে প্লিহা প্রধানত সেগুলোকে ভেঙে ফেলে এবং হিমোগ্লোবিন থেকে বিলিরুবিন তৈরি করে।
- প্লিহাকে লোহিত রক্তকণিকার graveyard বা শ্মশান বলা হয়, কারণ এখানেই পুরনো রক্তকণিকা ধ্বংস হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কিডনীতে — কিডনি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ফিল্টার করে মূত্র তৈরি করে, বিলিরুবিন তৈরি করে না।
B) যকৃতে — যকৃতে বিলিরুবিন তৈরি হয় না, তবে প্লিহা থেকে আসা বিলিরুবিন যকৃতে এসে পিত্তরসের সাথে মিশে দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয়।
C) পিত্তথলিতে — পিত্তথলি কেবল যকৃতে উৎপাদিত পিত্তরস জমা রাখে ও ঘন করে, বিলিরুবিন তৈরি করে না।
D) প্লিহায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
রক্ত ভেঙে বিলিরুবিন হয় প্লিহায়, আর পিত্তে মিশে দেহ থেকে বের হয় যকৃতে।
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন
কেন সঠিক:
- নাইট্রোজেন উদ্ভিদের ক্লোরোফিল অণুর প্রধান গঠন উপাদান, যার অভাবে ক্লোরোফিল উৎপাদন ব্যাহত হয়।
- ক্লোরোফিল কমে যাওয়ার কারণে পাতার সবুজ রঙ নষ্ট হয়ে হলুদ বা পীত বর্ণ ধারণ করে, যাকে ক্লোরোসিস বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন — গাছের পাতা পীত বর্ণ ধারণ করার প্রধান কারণ এই মৌলের অভাব।
B) ম্যাগনেসিয়াম — ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে পাতা হলুদ হয়, তবে সাধারণত পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী অংশ বেশি হলুদ হয়।
C) আয়রন — আয়রনের অভাবে প্রধানত কচি পাতার ক্লোরোসিস বা হলুদ বর্ণ দেখা দেয়, সার্বিক পাতার পীত বর্ণ নাইট্রোজেনের অভাবে ঘটে।
D) পটাশিয়াম — পটাশিয়ামের অভাবে পাতার কিনারা পুড়ে যায় বা বাদামী বর্ণ ধারণ করে, যা নাইট্রোজেনের মতো পীত বর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
নাইট্রোজেনের অভাবে পাতার সবুজ ভাব নষ্ট হয়ে হলুদ বা পীত বর্ণ হয়।
সঠিক উত্তর: D) ২৩ জোড়া
কেন সঠিক:
- সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের কোষে মোট ৪৬টি বা ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে।
- এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮ জোড়া — এটি মানুষের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য।
B) ২০ জোড়া — এটি মানুষের ক্রোমোজোম সংখ্যার সঠিক হিসাব নয়।
C) ২২ জোড়া — এটি কেবল অটোসোমের সংখ্যা, লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম বাদে।
D) ২৩ জোড়া — এটি মানুষের কোষে অবস্থিত মোট ক্রোমোজোমের সঠিক জোড়া সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের ক্রোমোজোম জোড়া মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ২৩, যার দ্বিগুণ অর্থাৎ ৪৬ হলো মোট ক্রোমোজোম সংখ্যা।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: A) ১৯৩০ সালে
কেন সঠিক:
- ফিফার উদ্যোগে ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয়।
- উরুগুয়ে দল ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৩০ সালে — এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম আসর চালুর সঠিক সাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) ১৯৩১ সালে — এই সালে বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়নি এবং এটি সঠিক সাল নয়।
C) ১৯৩২ সালে — এই বছর কোনো ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ এটি বিশ্বকাপের বছর নয়।
D) ১৯৩৪ সালে — এটি ফুটবল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর যা ইতালিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: B) উরুগুয়ে
কেন সঠিক:
- ১৯৩০ সালে ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম আসর বসেছিল উরুগুয়েতে এবং স্বাগতিক দল হিসেবে তারা ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
- ওই টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচটি উরুগুয়ের রাজধানী মোন্তেভিদেও শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাজিল — ব্রাজিল ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করলেও সেবার চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি, তারা পরে ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়।
B) উরুগুয়ে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, কারণ উরুগুয়েই ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের স্বাগতিক ও চ্যাম্পিয়ন দল।
C) ফ্রান্স — ফ্রান্স ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে খেললেও সেবার তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় এবং অনেক পরে ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়।
D) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রথম তিনটি আসরে অংশ নেয়নি এবং তারা প্রথম বিশ্বকাপ জেতে ১৯৬৬ সালে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বকাপ ফুটবলের শুভসূচনা যেখানে, প্রথম চ্যাম্পিয়নও সে দেশ অর্থাৎ ১৯৩০ সালে স্বাগতিক উরুগুয়েই প্রথম শিরোপা জিতেছিল।
সঠিক উত্তর: C) হাইগ্রোমিটার
কেন সঠিক:
- হাইগ্রোমিটার হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত জলীয় বাষ্প বা আর্দ্রতার পরিমাণ নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা হয়।
- আবহাওয়া বিজ্ঞান এবং দৈনন্দিন আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদানে বায়ুর আর্দ্রতা নির্ধারণের জন্য এই যন্ত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এ্যাভোমিটার — এটি মূলত বিভিন্ন বৈদ্যুতিক পরিমাপ যেমন কারেন্ট, ভোল্টেজ ও রোধ মাপার একটি বহুল ব্যবহৃত যন্ত্র।
B) ব্যারোমিটার — এই যন্ত্রটি বায়ুর আর্দ্রতা নয়, বরং বায়ুমণ্ডলীয় চাপ বা বায়ুচাপ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) হাইগ্রোমিটার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রাসঙ্গিক ও নির্ভুল।
D) অ্যামিটার — এটি বৈদ্যুতিক সার্কিটে তড়িৎ প্রবাহ বা কারেন্টের মাত্রা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
আর্দ্রতা মাপার যন্ত্রের নাম মনে রাখতে হাইগ্রো শব্দের হাইদ্রো বা জলীয় অংশের সঙ্গে যন্ত্রের নাম মিলিয়ে হাইগ্রোমিটার মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: A) ইসলাম খাঁন
কেন সঠিক:
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে মোগল সেনাপতি ইসলাম খাঁন চিশতী ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করে এর নাম রাখা হয় জাহাঙ্গীরনগর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলাম খাঁন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৬১০ সালে ঢাকায় প্রথম মোগল রাজধানী স্থাপন করেছিলেন।
B) শায়েস্তা খাঁন — তিনি বাংলার অন্যতম বিখ্যাত সুবেদার ছিলেন যিনি পরবর্তীতে ঢাকা শাসন ও সৌন্দর্যবর্ধন করেন, রাজধানী স্থাপন করেননি।
C) ইব্রাহীম খাঁন — তিনি ইসলাম খাঁনের পর বাংলার সুবেদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, রাজধানী স্থানান্তরের সাথে সম্পর্কিত নন।
D) মীর জুমলা — তিনি আওরঙ্গজেবের আমলে বাংলার সুবেদার ছিলেন এবং আসাম ও কুচবিহার জয় করেছিলেন, রাজধানী স্থাপন করেননি।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেছেন ইসলাম খাঁন, নামের সাথে মিল রেখে এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ইসলাম ধর্মে কোনো কিছু প্রতিষ্ঠা বা শুরু করার সময় প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: C) নাসিরাবাদ
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ আমলে ময়মনসিংহ জেলার নামকরণ করা হয়েছিল নাসিরাবাদ।
- বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার নামানুসারে অথবা তৎকালীন এক শাসকের নামানুসারে এই নাম রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জালালাবাদ — এটি বর্তমান সিলেট জেলার প্রাচীন নাম।
B) ইসলামাবাদ — এটি চট্টগ্রাম জেলার প্রাচীন নাম।
C) নাসিরাবাদ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ময়মনসিংহ জেলার পূর্ব নাম।
D) সিংহগ্রাম — এটি ময়মনসিংহের কোনো প্রাচীন নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
ময়মনসিংহের পূর্বে থাকা নাসিরকে মনে রাখলেই নাসিরাবাদ নামটি সহজে মনে থাকবে।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮২ সালে
কেন সঠিক:
- গাজীপুর জেলার তালিবাবাদে অবস্থিত এই ভূ-কেন্দ্রটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র।
- আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার সাথে দেশের যোগাযোগ উন্নত করতে এটি ১৯৮২ সালের ২২ অক্টোবর চালু করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮০ সালে — এই সালে তালিবাবাদ উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র চালু হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৮১ সালে — এই বছরও কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক চালুর সাল নয়।
D) ১৯৯৩ সালে — এই সালে দ্বিতীয় উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র বেতবুনিয়ায় বা অন্য কোনো সম্প্রসারণ হতে পারে, কিন্তু তালিবাবাদ চালু হয় ১৯৮২ সালে।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর টেলিকমিউনিকেশন উন্নয়নে আশির দশকের শুরুতে অর্থাৎ ১৯৮২ সালে তালিবাবাদ কেন্দ্রটি চালু হয়।
সঠিক উত্তর: D) গাজীপুর
কেন সঠিক:
- তালিবাবাদ ভূউপগ্রহ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের গাজীপুর জেলায় অবস্থিত।
- এটি দেশের টেলিযোগাযোগ ও সম্প্রচার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নরসিংদী — এটি তালিবাবাদ অবস্থিত এমন জেলা নয়, এটি তাঁতশিল্পের জন্য বিখ্যাত।
B) খুলনা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে তালিবাবাদ অবস্থিত নয়।
C) দিনাজপুর — এটি উত্তরাঞ্চলের একটি জেলা এবং তালিবাবাদের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
D) গাজীপুর — এটিই তালিবাবাদের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান।
মনে রাখার টিপস:
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে তালিবাবাদ ভূউপগ্রহ কেন্দ্র অবস্থিত, এটি এভাবে মনে রাখতে পারেন যে টেলিযোগাযোগ কেন্দ্রটি ঢাকার কাছেই গাজীপুরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বিদেশ থেকে আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল এই শোধনাগারের মাধ্যমে পরিশোধন করে দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকায় — ঢাকা দেশের রাজধানী ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও এখানে কোনো জ্বালানি তৈল শোধনাগার নেই।
B) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের একমাত্র প্রধান তেল শোধনাগারটি এখানেই অবস্থিত।
C) খুলনায় — খুলনা একটি শিল্পাঞ্চল হলেও এখানে কোনো জ্বালানি তৈল শোধনাগার নেই।
D) সিলেটে — সিলেটে গ্যাসক্ষেত্র ও খনিজ তেল পাওয়া গেলেও সেখানে কোনো তেল শোধনাগার নেই।
মনে রাখার টিপস:
তেল আমদানির প্রধান বন্দর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, তাই জ্বালানি তৈল শোধনাগারটিও চট্টগ্রামে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: A) অ্যাসকরবিক এসিড
কেন সঠিক:
- অ্যাসকরবিক এসিড হলো ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম, যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- এটি পানিতে দ্রবণীয় একটি ভিটামিন এবং এর অভাবে প্রধানত স্কার্ভি রোগ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যাসকরবিক এসিড — এটি ভিটামিন সি এর মূল রাসায়নিক নাম বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
B) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা ও বিভিন্ন টক জাতীয় ফলে পাওয়া যায়, যা ভিটামিন সি নয়।
C) অ্যসিটিক এসিড — এটি মূলত ভিনেগারের প্রধান উপাদান এবং এর রাসায়নিক ব্যবহার ভিন্ন।
D) অক্সালিক এসিড — এটি পালং শাক ও টমেটোতে পাওয়া এক ধরনের জৈব যৌগ।
মনে রাখার টিপস:
ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম মনে রাখতে স্কি (Scurvy - Ascorbic) কথাটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) অ্যালুমিনিয়াম
কেন সঠিক:
- ভূত্বকে বা ভূপৃষ্ঠে ওয়ান জিওকেমিক্যাল উপাদানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকা ধাতব মৌল হলো অ্যালুমিনিয়াম, যার পরিমাণ প্রায় আট শতাংশ।
- সামগ্রিক বিবেচনায় অক্সিজেন ও সিলিকন বেশি থাকলেও তারা ধাতু নয়, অধাতু ও অপধাতু; তাই ধাতুর মধ্যে অ্যালুমিনিয়াম প্রথম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামা — তামা একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাতু হলেও ভূত্বকে এর পরিমাণ অ্যালুমিনিয়ামের তুলনায় অনেক কম।
B) দস্তা — দস্তা বা জিংক ভূত্বকে প্রাপ্ত ধাতুগুলোর মধ্যে পরিমাণে বেশ কম এবং এটি প্রধান ধাতু হিসেবে শীর্ষে নয়।
C) অ্যালুমিনিয়াম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং অন্যান্য ধাতুর তুলনায় ভূত্বকে এর উপস্থিতি সর্বাধিক।
D) সীসা — সীসা একটি ভারী ধাতু এবং ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে এর পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য।
মনে রাখার টিপস:
মাটিতে মেটালের মধ্যে এগিয়ে অ্যালুমিনিয়াম, মনে রাখুন এম দিয়ে অ্যালুমিনিয়াম আর এম দিয়ে মেটাল বা ধাতু।
সঠিক উত্তর: B) কঠিন পদার্থে
কেন সঠিক:
- কঠিন পদার্থের অণুগুলোর পারস্পরিক দূরত্ব কম থাকায় স্থিতিস্থাপকতা বেশি হয় এবং শব্দ দ্রুত সঞ্চালিত হতে পারে।
- পদার্থের ঘনত্ব ও অণুর বিন্যাসের ওপর শব্দের বেগ নির্ভর করে, যা কঠিন মাধ্যমে সবচেয়ে অনুকূল পরিবেশ পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শূন্যতায় — শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন, কিন্তু শূন্যতায় কোনো মাধ্যম বা অণু না থাকায় শব্দ চলতে পারে না।
B) কঠিন পদার্থে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) তরল পদার্থে — তরলের অণুগুলোর দূরত্ব কঠিনের চেয়ে বেশি হওয়ায় শব্দের গতি কঠিনের তুলনায় কম হয়।
D) বায়বীয় পদার্থ — বায়বীয় পদার্থের অণুগুলো অনেক দূরে থাকে, তাই এতে শব্দের গতি সবচেয়ে কম হয়।
মনে রাখার টিপস:
কঠিন মাধ্যমে অণু কাছাকাছি থাকে বলে শব্দ দ্রুত ছুটে চলে।
সঠিক উত্তর: A) সাদা
কেন সঠিক:
- সাদা রঙ সমস্ত দৃশ্যমান আলো প্রতিফলিত করে এবং তাপ শোষণ করে না।
- আলোর শোষণ কম হওয়ায় সাদা রঙের বস্তু কম গরম হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম।
B) কালো — এটি ভুল কারণ কালো রঙের বস্তু সব আলো শোষণ করে এবং তাপ সবচেয়ে বেশি শোষণ করে।
C) বেগুনি — এটি ভুল কারণ এটি সাদা বা হালকা রঙের তুলনায় বেশি তাপ শোষণ করে।
D) হলুদ — এটি ভুল কারণ এটি সাদা রঙের তুলনায় বেশি তাপ শোষণ করে।
মনে রাখার টিপস:
গরমের দিনে সাদা পোশাক পরলে আরাম লাগে কারণ সাদা রঙ তাপ শোষণ না করে প্রতিফলিত করে।
সঠিক উত্তর: D) পক প্রণালী
কেন সঠিক:
- পক প্রণালী ভারত ও শ্রীলংকাকে পৃথক করেছে এবং বঙ্গোপসাগরকে পক উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- ভৌগোলিক অবস্থানগতভাবে এই জলরাশিটি ভারত ও শ্রীলংকার মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডোভার প্রণালী — এটি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে পৃথক করেছে এবং আটচল্লিশ থেকে উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে।
B) বেরিং প্রণালী — এটি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।
C) মালাক্কা প্রণালী — এটি মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
D) পক প্রণালী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভারত ও শ্রীলংকাকে পৃথক করেছে।
মনে রাখার টিপস:
ভারত ও শ্রীলংকাকে পৃথককারী প্রণালী মনে রাখতে শ্রীলংকার ক্রিকেটারের নাম পক বা পাক এর সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) বৃহস্পতি
কেন সঠিক:
- বৃহস্পতি সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে আকারে এবং ভরে সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- এর আয়তন এবং ভর পৃথিবীর তুলনায় বহুগুণ বেশি হওয়ায় একে বৃহত্তম গ্রহ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুধ — এটি সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ এবং সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ, তাই বৃহত্তম নয়।
B) বৃহস্পতি — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ।
C) মঙ্গল — এটিকে লাল গ্রহ বলা হয় এবং এটি আকৃতিতে ছোট, তাই বৃহত্তম গ্রহ নয়।
D) শক্র — এটি কোনো গ্রহের নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে আকারে সবার ওপরে বা বড় হলো বৃহস্পতি।
সঠিক উত্তর: C) ১১টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১১ই জুলাই অনুষ্ঠিত সেক্টর কমান্ডারদের বৈঠকে সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- সুচারুভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং সামরিক কৌশল গ্রহণের জন্যই এই সেক্টর বিভাজন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে প্রাথমিক পরিকল্পনা অন্যরকম থাকলেও চূড়ান্তভাবে সেক্টর সংখ্যা আটটি ছিল না।
B) ৯টি — এটি ভুল কারণ কোনো সময়ই বাংলাদেশকে নয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়নি।
D) ১২টি — এটি ভুল কারণ সেক্টর বা সাব-সেক্টরের সংখ্যা কোনো পর্যায়েই বারোটি নির্ধারণ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে ১১ সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ ১১ জন সেক্টর কমান্ডার পুরো দেশকে ১১টি ভাগে পরিচালনা করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯০ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চালু হয় ১৯৯০ সালের ১৪ আগস্ট।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় অ্যানালগ যুগ থেকে ডিজিটাল যুগে প্রবেশ ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯০ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।
B) ১৯৯১ সালে — এই সালে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়, যা টেলিফোন ব্যবস্থার চালুর সাল নয়।
C) ১৯৯২ সালে — এটি প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন চালুর সাল নয়, যদিও এই সময়ে তথ্যপ্রযুক্তিতে কিছু উন্নয়ন হয়েছিল।
D) ১৯৯৩ সালে — এই সালে বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট সংযোগ চালু হয়, যা ডিজিটাল টেলিফোন চালুর পরের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
নব্বইয়ের দশকের শুরুর বছরে (১৯৯০) বাংলাদেশ প্রথম ডিজিটালের ছোঁয়া পায় টেলিফোনে।
সঠিক উত্তর: B) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ ও জনগণের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা স্মরণে নির্মিত একটি বিখ্যাত ভাস্কর্য।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত এই ভাস্কর্যটির স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রকর্ম — এটি কোনো দ্বিমাত্রিক ছবি বা চিত্রকর্ম নয়, বরং ত্রিমাত্রিক ভাস্কর্য।
B) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে নির্মিত একটি ভাস্কর্য।
C) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ম্যুরালচিত্র — এটি দেয়ালগাত্রের কোনো ম্যুরাল বা নকশাকৃত চিত্রশিল্প নয়।
D) একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্থাপনা — এটি কেবল সাধারণ কোনো অবকাঠামো বা স্থাপনা নয়, সুনির্দিষ্টভাবে একটি ভাস্কর্য শিল্পকর্ম।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত এবং এর স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭৪
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৪ — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে এবং একই বছরে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেওয়া হয়।
B) ১৯৭৫ — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি ১৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের বছর।
C) ১৯৭৬ — এই সালটি জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বছর।
D) ১৯৭৭ — এই সালটি বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) ট্রিগভেলি
কেন সঠিক:
- ট্রিগভেলি ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং সংস্থার প্রতিষ্ঠালগ্নে নেতৃত্ব দেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন, প্রথম নন।
B) হ্যামারশোল্ড — দাগ হ্যামারশোল্ড জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন।
D) বান কি মুন — বান কি মুন জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম মহাসচিব ট্রিপল ট্রাই বা ট্রিগভেলি দিয়ে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর
কেন সঠিক:
- ইউনেসকো ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর লন্ডনে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।
- জাতিসংঘর এই বিশেষায়িত সংস্থাটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৫ সালে — এই সালেই সংস্থাটির সংবিধান গৃহীত হয় এবং ইউনেসকো প্রতিষ্ঠিত হয়।
B) ১৯৪৬ সালে — এই সালে ইউনেসকোর প্রথম সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং এর সংবিধান কার্যকর হয়।
C) ১৯৪৭ সালে — এই সালে ইউনেসকো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থায় রূপ লাভ করে এবং এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
D) ১৯৪৮ সালে — এই সালে ইউনেসকো সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা প্রচারের সঙ্গে যুক্ত ছিল তবে এটি প্রতিষ্ঠার সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক পরপরই অর্থাৎ ১৯৪৫ সালে শিক্ষার আলো ছড়াতে ইউনেসকো গঠিত হয়।
সঠিক উত্তর: D) বায়ুচাপ
কেন সঠিক:
- বায়ুমণ্ডলের চাপের তারতম্যের ওপর আবহাওয়ার পরিবর্তন সরাসরি নির্ভর করে।
- বায়ুচাপ কমলে বা বাড়লে আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি পরিবর্তিত হয়, যা দিয়ে আবহাওয়া অনুমান করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলবায়ু — এটি দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার গড় অবস্থা, যা দিয়ে হঠাৎ পরিবর্তন জানা যায় না।
B) আর্দ্রতা — এটি বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বোঝায়, যা আবহাওয়ার একটি উপাদান মাত্র।
C) বৃষ্টিপাত — এটি আবহাওয়ার একটি ফলাফল, যা বায়ুর চাপের পরিবর্তনের কারণে ঘটে থাকে।
D) বায়ুচাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর তারতম্য থেকেই মূলত আবহাওয়ার অবস্থা জানা যায়।
মনে রাখার টিপস:
আবহাওয়া বদলের মূল চাবিকাঠি হলো বায়ুর চাপের কমবেশি হওয়া।
সঠিক উত্তর: B) রূপায়ণ
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী 'উ' কার যুক্ত শব্দের পরে 'ণ' ব্যবহৃত হয়।
রূপ শব্দের সাথে 'আয়ন' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত শব্দটিতে মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা বানানরীতির নিয়ম অনুযায়ী র এবং ঋ-এর পরে সাধারণত মূর্ধন্য ণ হয়।
তৎসম শব্দে স্বভাবতই মূর্ধন্য ণ ব্যবহারের এই ব্যাকরণিক নিয়মটি এখানে প্রযোজ্য হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রণয়ন
ব্যাখ্যা: প্র উপসর্গের পর ন-ত্ব বিধানের নিয়মে মূর্ধন্য ণ যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২:ায়ণ
ব্যাখ্যা: ঋ-কার বা র-এর প্রভাবে ন মূর্ধন্য ণ-এ রূপান্তরিত হওয়ার এটি একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রূপায়ন — বানানে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী সঠিক নয়।
B) রূপায়ণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের কোনো ভুল নেই।
C) রুপায়ন — শব্দের শুরুতে 'রুপ' লেখার কারণে বানানটি ভুল এবং শেষে দন্ত ন ব্যবহৃত হয়েছে।
D) রুপায়ণ — শব্দের শুরুতে হ্রস্ব উ-কার ব্যবহারের নিয়ম লঙ্ঘন করায় বানানটি ভুল হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
রূপ শব্দের বানানে সবসময় দীর্ঘ ঊ-কার এবং প্রত্যয়ের শুরুতে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করতে হবে।
ন-ত্ব বিধানের এই সাধারণ নিয়মটি মনে রাখলে এই ধরনের বানান ভুল এড়ানো সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণত ন-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধানের ব্যতিক্রমী ও প্রমিত বানানগুলো থেকে প্রশ্ন আসে।
বানান শুদ্ধ করার সময় বাংলা একাডেমির প্রমিত বানান নিয়ম অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
সঠিক উত্তর: D) বৃষ + তি
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির বিশেষ নিয়মানুসারে শব্দের পূর্বপদের অন্তস্থিত ষ এবং পরপদের আদি ত মিলে ষ ও ট তে রূপান্তরিত হয়।
- এখানে বৃষ পদের ষ এবং তি পদের ত যুক্ত হয়ে ষ + টি অর্থাৎ ষ্টি গঠন করে বৃষ্টি শব্দ তৈরি করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সংস্করকরণ বা তৎসম শব্দের সন্ধির নিয়মে ষ এর পরে ত থাকলে ত স্থানে ট হয়।
- এই নিয়মের ফলে দন্ত্য ত মূর্ধন্য ট এ পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন ধ্বনি তৈরি করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ইষ + ত = ইষ্ট
ব্যাখ্যা: পূর্বপদের ষ এর পরে ত থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ট হয়েছে এবং ইষ্ট শব্দ গঠিত হয়েছে।
উদাহরণ ২: শুষ + তি = সৃষ্টি
ব্যাখ্যা: একই নিয়মে ষ এর পরে তি যুক্ত হয়ে সৃষ্টি শব্দ গঠিত হয়েছে যা এই সন্ধির একটি প্রচলিত উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিষ + তি — এই সন্ধিটি সঠিক নয় কারণ বিষ শব্দের সাথে তি যুক্ত হয়ে প্রমিত বৃষ্টি শব্দ গঠন করে না।
B) বৃ + ষ্টি — এখানে বৃ মূল শব্দ হিসেবে ব্যাকরণসম্মতভাবে সন্ধির নিয়ম মেনে বৃষ্টি গঠন করে না।
C) বৃষ + টি — টি আলাদাভাবে প্রত্যয় হিসেবে যুক্ত হতে পারে কিন্তু এটি প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদের সঠিক রূপ নয়।
D) বৃষ + তি — এটি ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ যা বৃষ্টি শব্দ তৈরি করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সন্ধিতে ষ এর পরে ত দেখলে তাকে ভেঙে ষ এবং তি লেখার নিয়ম মনে রাখতে হবে।
- পরীক্ষার হলে ষত্ব বিধানের সাথে মিলিয়ে এই সন্ধির রূপ সহজে চেনা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের নিপাতনে সিদ্ধ বা বিশেষ নিয়মের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে।
- সংস্কৃতে ব্যবহৃত এই নিয়মগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করলে অন্যান্য সন্ধি সহজেই সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) উৎ + নত
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী ত বা দ এর পরে ন থাকলে ত বা দ স্থানে ন হয়।
- এখানে 'উৎ' শব্দের 'ত' এবং 'নত' শব্দের 'ন' মিলে 'উন্নত' শব্দ গঠিত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম হলো বর্গের প্রথম বর্ণের পর নাসিক্য বর্ণ থাকলে প্রথম বর্ণটি তার নিজ বর্গের পঞ্চম বর্ণে পরিণত হয়।
- এখানে ত বর্গের প্রথম বর্ণ ত এর পর ন (নাসিক্য বর্ণ) থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ত বর্গের পঞ্চম বর্ণ ন এ পরিণত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মিত + ময় = মন্ময়
ব্যাখ্যা: ত এর পরে ম থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ন হয়েছে।
উদাহরণ ২: জগৎ + নাথ = জগন্নাথ
ব্যাখ্যা: ত এর পরে ন থাকায় ত পরিবর্তিত হয়ে ন হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উৎ + নত — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে।
B) উন্নী + ত — উন্নী কোনো মূল শব্দ বা উপসর্গ নয় এবং এর সাথে ত যুক্ত করে উন্নত হয় না।
C) উৎ + নীত — নীত শব্দটির অর্থ ভিন্ন এবং এটি সঠিক সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি।
D) উৎ + নিত — নিত শব্দটি এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় এবং সন্ধির নিয়ম মানে না।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ত এর পরে ন বা ম দেখলে ত কে ন এ রূপান্তর করতে হয়।
- ব্যঞ্জনসন্ধির ক্ষেত্রে শব্দের মূল অংশ চিনে রাখা জরুরি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের ব্যঞ্জনসন্ধি প্রায়ই আসে।
- উৎ উপসর্গযুক্ত সন্ধিগুলো ভালোভাবে চর্চা করলে পরীক্ষায় কমন পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
সঠিক উত্তর: B) বি + ছেদ
১. কেন সঠিক:
- ব্যঞ্জনসন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম অনুসারে এই সন্ধি সাধিত হয়েছে।
- স্বরবর্ণের পর ছ থাকলে ছ-এর স্থানে চছ যুক্ত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- প্রথম পদের শেষে স্বরধ্বনি এবং দ্বিতীয় পদের শুরুতে ছ থাকলে ছ-এর জায়গায় চছ বসে।
- বি শব্দের শেষে ই স্বরধ্বনি আছে এবং ছেদ শব্দের শুরুতে ছ আছে, তাই নিয়ম অনুযায়ী বি + ছেদ মিলে বিচ্ছেদ হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরি + ছেদ = পরিচ্ছেদ
ব্যাখ্যা: ই কারের পর ছ থাকায় ছ এর জায়গায় চছ যুক্ত হয়েছে।
উদাহরণ ২: তরু + ছায়া = তরুচ্ছায়া
ব্যাখ্যা: উ কারের পর ছ থাকায় ছ এর জায়গায় চছ যুক্ত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিঃ + ছেদ — বিসর্গ সন্ধির নিয়ম এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি বিসর্গযুক্ত শব্দ নয়।
B) বি + ছেদ — এটি সঠিক অপশন এবং সঠিক নিয়মে গঠিত।
C) বিৎ + ছেদ — বিৎ বা খণ্ড ত এর সাথে ছ যুক্ত হলে অন্য নিয়ম হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) বিচ্ + ছেদ — বিচ্ কোনো মূল উপসর্গ বা পদ নয়, তাই এটি ভুল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- স্বরবর্ণের সাথে ছ যুক্ত হলে মাঝখানে চ যোগ করে চছ বানাতে হয়।
- বিচ্ছেদ শব্দের ক্ষেত্রে বি উপসর্গের সাথে ছেদ যোগ করে এই নিয়ম মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই নিয়ম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- পরিচ্ছেদ এবং তরুচ্ছায়া শব্দগুলো একই নিয়মে গঠিত হওয়ায় এগুলো চর্চা করা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) সু + আগত
১. কেন সঠিক:
সন্ধির নিয়মানুসারে ই-কার বা ঈ-কার এবং উ-কার বা ঊ-কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ই-কার বা ঈ-কার স্থলে য এবং উ-কার বা ঊ-কার স্থলে ব হয়। এখানে 'সু' শব্দের শেষে উ-কার আছে এবং তার সাথে 'আগত' শব্দের আদি স্বর 'আ' যুক্ত হয়েছে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
এটি যণসন্ধির একটি ধ্রুপদী উদাহরণ যেখানে উ-কারের পরে স্বরধ্বনি আসায় ব-ফলা সাধিত হয়েছে। বাংলায় স্বরসন্ধির ক্ষেত্রে এই সূত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নিয়মিতভাবে অনুসৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অনু + ইত = অন্বিত
ব্যাখ্যা: এখানে উ-কারের পরে ই-কার থাকায় উ-কারের জায়গায় ব এসেছে।
উদাহরণ ২: মধু + অণু = মধ্বণু
ব্যাখ্যা: এখানেও উ-কারের পরে অ থাকায় ব-ফলা যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্বা + আগত — এটি কোনো ব্যাকরণগত নিয়মের অধীনে সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ নয় কারণ 'স্বা' কোনো মূল শব্দ বা উপসর্গ নয়।
B) স্বা + গত — এই বিচ্ছেদটি সন্ধির মূল নিয়মের সাথে মেলে না এবং এর কোনো অর্থপূর্ণ ভিত্তি নেই।
C) সু + আগত — এটি সঠিক কারণ নিয়ম অনুযায়ী সু এবং আগত মিলে স্বাগত গঠিত হয়।
D) সা + আগত — 'সা' উপসর্গটি এখানে প্রযোজ্য নয় এবং এটি সন্ধির নিয়মের বাইরে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
উ বা ঊ কারের পর ভিন্ন স্বরধ্বনি থাকলে ব-ফলা হয় তা মাথায় রাখলে এমন প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়। শব্দের শুরুতে স-এর নিচে উ-কার দেখলে সাধারণত সু যোগ মূল শব্দ এই কাঠামোটি মাথায় আনতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ই-কার ও উ-কার জনিত যণসন্ধি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। তাই খল, নদী, তনু বা মধু জাতীয় শব্দগুলোর সন্ধি ভালোভাবে চর্চা করা উচিত।
সঠিক উত্তর: D) দ্বিগু
১. কেন সঠিক:
- শত অব্দের সমাহার = শতাব্দী। সমাসবদ্ধ পদের প্রথম পদটি সংখ্যাবাচক এবং এর মাধ্যমে সমাহার বা সমষ্টি বোঝানো হয়েছে।
- দ্বিগু সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটিয়ে সমষ্টি বা সমাহার বোঝানো।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলন হয় এবং সমস্তপদে সমাহার বা সমষ্টি বোঝায়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে।
- দ্বিগু সমাসে নিষ্পন্ন সমস্তপদটি সাধারণত বিশেষ্য পদ হয়। এটি তৎপুরুষ সমাসেরই একটি বিশেষ রূপ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ত্রিফলার সমাহার = ত্রিফলা
ব্যাখ্যা: এখানে প্রথম পদ ত্রি সংখ্যাবাচক এবং সমস্তপদটি একটি সমাহার বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: তিন মথার সমাহার = তেমাথা
ব্যাখ্যা: সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের মিলনে সমাহার বোঝানো হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা শতাব্দী শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাস হলেও সংখ্যা ও সমাহার বাধার কারণে নির্দিষ্টভাবে একে দ্বিগু সমাস বলা হয়।
C) অব্যয়ীভাব — অব্যয় পদের অর্থে যে সমাস হয় তা অব্যয়ীভাব, শতাব্দীতে অব্যয় পদ প্রধান নয়।
D) দ্বিগু — এটি সঠিক কারণ সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের সমাহার বোঝানো হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংখ্যাবাচক শব্দ + সমাহার = দ্বিগু সমাস।
- সমাস নির্ণয়ের সময় শেষে সমাহার কথাটি থাকলে সাধারণত দ্বিগু সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দ্বিগু ও বহুপ্রীহি সমাসের পার্থক্য প্রায়ই আসে।
- সমস্তপদের অর্থ সমষ্টি বোঝালে এবং শুরুতে সংখ্যা থাকলে চোখ বন্ধ করে দ্বিগু সমাস দাগাতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
বিষবৃক্ষ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো বিষ রূপ বৃক্ষ, যা কর্মধারয় সমাসের নিয়মে গঠিত হয়েছে।
এখানে বিষ এবং বৃক্ষ দুটি পদের মধ্যে অভেদ বা রূপক সম্পর্ক বোঝানো হয়েছে, যা রূপক কর্মধারয় সমাসের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
যে সমাসে বিষম বা কাল্পনিক কোনো বস্তুর সঙ্গে সাধারণ কোনো বস্তুর অভেদ কল্পনা করা হয়, তাকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
এই সমাসে সাধারণত ব্যাসবাক্যের মাঝখানে রূপ শব্দটি ব্যবহৃত হয় এবং পূর্বপদ ও পরপদের মধ্যে গভীর সাদৃশ্য দেখানো হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বিষাদ সিন্ধু
ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটিও বিষবৃক্ষ শব্দের মতো রূপক কর্মধারয় সমাসের একটি সুপরিচিত উদাহরণ।
উদাহরণ ২: ক্রাধানল
ব্যাখ্যা: ক্রোধ রূপ অনল, এখানে ক্রোধ এবং অনলের মধ্যে অভেদ কল্পনা করায় এটি রূপক কর্মধারয় সমাস হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তৎপুরুষ — তৎপুরুষ সমাসের ক্ষেত্রে বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) কর্মধারয় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং এর ব্যাখ্যা উপরে প্রদান করা হয়েছে।
C) বহুব্রীহি — বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝায়, যা এই শব্দের ক্ষেত্রে ঘটে না।
D) অব্যয়ীভাব — অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়, যা বিষবৃক্ষ শব্দের ক্ষেত্রে অনুপস্থিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
ব্যাসবাক্যের মাঝে যদি রূপ শব্দটি থাকে এবং দুটি পদের মধ্যে তুলনা বা অভেদ বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে তা রূপক কর্মধারয় সমাস দাগাবে।
বিষবৃক্ষ, বিষাদ সিন্ধু এবং ক্রাধানল শব্দগুলোর গঠনে এই রূপক সম্পর্কটি স্পষ্টভাবে খুঁজে পাওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ প্রায়ই আসে, তাই বিষ রূপ বৃক্ষ বা বিষাদ রূপ সিন্ধুর মতো শব্দগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
এই ধরনের শব্দ দেখলেই রূপক কর্মধারয় সমাসের কথা মাথায় আনতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কর্মধারয়
১. কেন সঠিক:
- নীলাকাশ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো নীল যে আকাশ। এখানে নীল বিশেষণ পদ আকাশ বিশেষ্য পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদকেই প্রধান করেছে।
- কর্মধারয় সমাসের সংজ্ঞানুযায়ী পরপদের অর্থ প্রধান থাকে এবং পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ বসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- যে সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান হয় এবং সাধারণত পূর্বপদে বিশেষণ ও পরপদে বিশেষ্য পদ থাকে তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- এখানে নীল হলো বিশেষণের কাজ করছে এবং আকাশ হলো বিশেষ্য পদ যা কর্মধারয় সমাসের সাধারণ গঠনপদ্ধতি।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাঁচামিঠে
ব্যাখ্যা: কাঁচা অথচ মিঠে, এটি কর্মধারয় সমাসের একটি উদাহরণ যেখানে দুটি পদই বিশেষণ।
উদাহরণ ২: বিষাদসিন্ধু
ব্যাখ্যা: বিষাদ রূপ সিন্ধু, এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে উপমেয় ও উপমানের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মধারয় — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি কর্মধারয় সমাসের নিয়মানুসারে গঠিত।
B) তৎপুরুষ — এই অপশনটি ভুল কারণ তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) বহুব্রীহি — এই অপশনটি ভুল কারণ বহুব্রীহি সমাসে পদগুলোর নিজস্ব অর্থের বাইরে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ পায়।
D) অব্যয়ীভাব — এই অপশনটি ভুল কারণ অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কর্মধারয় সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যের মাঝে যে, যিনি, যা বা রূপ শব্দগুলো থাকে।
- বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলনে সাধারণত কর্মধারয় সমাস গঠিত হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কর্মধারয় সমাসে পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রতীয়মান হয় যা পরীক্ষার বহুনির্বাচনী প্রশ্নে প্রায়ই আসে।
- রঙবাচক বিশেষণ যেমন নীল, লাল, সবুজ যুক্ত শব্দগুলো সাধারণত কর্মধারয় সমাস হয়।
সঠিক উত্তর: B) একাদশে বৃহস্পতি
১. কেন সঠিক:
- একাদশে বৃহস্পতি বাগধারাটির অর্থ সৌভাগ্যের বিষয় বা প্রমূর্ত সৌভাগ্য।
- জ্যোতিষশাস্ত্রের বিশ্বাস অনুযায়ী জন্মছকে বৃহস্পতি গ্রহ একাদশ ঘরে অবস্থান করলে মানুষের জীবনে প্রবল সৌভাগ্য ও সমৃদ্ধি আসে।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো বিশেষ অর্থবহ শব্দগুচ্ছ যা সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে বিশেষ কোনো ভাব প্রকাশ করে।
- এই বাগধারাটি একটি জ্যোতিষশাস্ত্রীয় বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে গঠিত হলেও বাংলা ভাষায় এটি সৌভাগ্যের সমার্থক হিসেবে বহুল ব্যবহৃত হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অবশেষে চাকুরিটা পেয়ে যাওয়ায় তার একাদশে বৃহস্পতি দশা চলছে।
ব্যাখ্যা: এখানে হঠাৎ করে বড় কোনো ভালো সুযোগ পাওয়ার অবস্থাকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: ব্যবসায় প্রথমবারেই এত লাভ হওয়ায় মনে হচ্ছে তার একাদশে বৃহস্পতি।
ব্যাখ্যা: ব্যবসার ক্ষেত্রে সৌভাগ্য বা সাফল্যের অনুকূল অবস্থাকে প্রকাশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পোয়াবারো — এই বাগধারাটির অর্থ অতিরিক্ত লাভ বা সুসময়, যা সরাসরি সৌভাগ্যের সমার্থক নয়।
B) একাদশে বৃহস্পতি — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, তাই এটি সঠিক।
C) গোঁফে-খেজুরে — এই বাগধারাটির অর্থ অত্যন্ত অলস ব্যক্তি, যা সৌভাগ্যের সঙ্গে সম্পর্কহীন।
D) সৌভাগ্যবান — এটি কোনো বাগধারা নয়, বরং এটি একটি সাধারণ বিশেষণের পদ।
৫. মনে রাখার টিপস:
- একাদশ মানে এগারো আর বৃহস্পতি হলো সৌভাগ্যের গ্রহ, তাই একাদশে বৃহস্পতি মানেই হলো সৌভাগ্যের চরম অবস্থা।
- পরীক্ষার হলে ভাগ্য ভালো অর্থে একাদশ সংখ্যাটি দেখলে এই বাগধারাটি নির্বাচন করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সৌভাগ্য বোঝাতে একাদশে বৃহস্পতি এবং পোয়াবারো—এই দুটি বাগধারা প্রায়ই বিভ্রান্তি তৈরি করে।
- পোয়াবারো অর্থ অতিরিক্ত লাভ আর একাদশে বৃহস্পতি অর্থ সৌভাগ্যের বিষয়।
সঠিক উত্তর: A) নির্মোক
১. কেন সঠিক:
সঠিক উত্তরটি হলো নির্মোক কারণ এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে সাপের খোলস ত্যাগ করা বা খোলসকে নির্মোক বলা হয়।
এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শব্দ যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই আসে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বহু পদকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে ভাষার সৌন্দর্য ও ভাব সংক্ষিপ্ত হয়।
নির্মোক শব্দটি বিশেষ্য পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর মূল অর্থ হলো খোলস বা ত্যক্ত চর্ম বিশেষ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যা দমন করা যায় না = অদম্য
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত বাক্য সংকোচন যা মানুষের স্বভাব বা প্রকৃতি প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ ২: চোখের নিমেষে যা ঘটে = অনিমিখ
ব্যাখ্যা: এটি খুব দ্রুত ঘটিত কোনো ঘটনা বোঝাতে বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নির্মোক — এটি সাপের খোলসের সঠিক বাক্য সংকোচন হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) উরগ — এই শব্দের অর্থ হলো যা বুক দিয়ে চলে অর্থাৎ সাপ, তাই এটি খোলসের অর্থে প্রযোজ্য নয়।
C) কৃত্তি — এই শব্দের অর্থ হলো পশুর চামড়া বা ছাল, যা সাধারণত পোশাক বা পরিচ্ছদ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) প্লাবক — এই শব্দের অর্থ হলো যা প্লাবন ঘটায় বা ভাসিয়ে নিয়ে যায়, যা সাপের খোলসের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
সাপ খোলস ছেড়ে নতুন রূপ নেয় এবং নির্মোক শব্দটিতেও পরিবর্তন বা খেসারতের একটা ভাব আছে, এভাবে মনে রাখতে পারেন।
বাক্য সংকোচনের ক্ষেত্রে মূল শব্দের উৎসার্থ মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে তাই শরীর ও প্রাণীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সম্পর্কিত শব্দগুলো ভালোভাবে পড়তে হবে।
এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বিসিএস ও প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সরাসরি কমন পড়ে।
সঠিক উত্তর: C) মিতভাষী
কেন সঠিক:
১. মিত শব্দের অর্থ কম এবং ভাষী শব্দের অর্থ কথা বলা, যা বাক্যটির সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
২. ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একাধিক পদের একটি মাত্র শব্দে প্রকাশ করার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে উপযুক্ত প্রকাশ।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ বাংলা ব্যাকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ভাষার সৌন্দর্য ও মাধুর্য বৃদ্ধি করে।
২. বড় কোনো ভাব বা বাক্যকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার জন্য এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করা হয়।
৩. যেমন— ইতিহাস লেখেন যিনি, তাকে ঐতিহাসিক বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অল্পভাষী — অল্প কথা বলেন যিনি, তাকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয় তবে মিতভাষী অধিকতর প্রমিত।
B) সংযম — এর অর্থ নিয়ন্ত্রণ বা দমন করা, যা কথার পরিমাণের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
D) সন্ন্যাসী — যিনি সংসার ধর্ম ত্যাগ করেছেন, তাকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
১. মিত অর্থ কম বা পরিমিত, তাই কম কথা বলেন যিনি বোঝাতে মিতভাষী শব্দটি মনে রাখতে হবে।
২. অপশনগুলোর আক্ষরিক অর্থ ভালোভাবে খেয়াল করলে সহজেই সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করা যায়।
সঠিক উত্তর: B) শাহ মুহম্মদ সগীর
১. কেন সঠিক:
- সঠিক উত্তরটি সাহিত্য বিষয়ক প্রশ্ন এবং এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম দিকের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।
- সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে কবি শাহ মুহম্মদ সগীর এই মহাকাব্যটি রচনা করেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শাহ মুহম্মদ সগীর মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের সুলতানি আমলের শ্রেষ্ঠ কবি এবং তিনি গৌড়ের সুলতানের অনুগৃহীত ছিলেন।
- ইউসুফ জোলেখা কাব্যটি ফারসি ভাষার অনুকরণে রচিত হলেও কবি এতে বাঙালি জীবনের সহজ প্রবৃত্তি ও প্রেম ফুটিয়ে তুলেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মধ্যযুগের আদি নিদর্শন এবং বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত একটি উল্লেখযোগ্য কাব্য।
উদাহরণ ২: পদ্মাবতী কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি আলাওল রচিত মধ্যযুগের আরেকটি বিখ্যাত ও জনপ্রিয় রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) যশোরাজ খান — এই কবি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলী রচনার জন্য বিখ্যাত এবং তিনি ইউসুফ জোলেখা কাব্য রচনা করেননি।
B) শাহ মুহম্মদ সগীর — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ইউসুফ জোলেখা কাব্যটির রচয়িতা হিসেবে স্বীকৃত।
C) মীর মোশাররফ হোসেন — তিনি আধুনিক যুগের ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার এবং তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস বিষাদ সিন্ধু।
D) বিজয় গুপ্ত — তিনি মধ্যযুগের মনসা মঙ্গল কাব্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি পদ্মপুরাণ রচনা করেন।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ইউসুফ জোলেখা মানেই শাহ মুহম্মদ সগীর মনে রাখতে হবে জোলেখার প্রেমিক হিসেবে কবির নামের প্রথম অংশ ইউসুফের মতো জনপ্রিয়।
- মধ্যযুগের প্রথম প্রণয়োপাখানের রচয়িতা হিসেবে শাহ মুহম্মদ সগীরের নাম বারবার চর্চা করলে সহজে মনে থাকবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে ইউসুফ জোলেখা কোন যুগের কাব্য এবং এর রচয়িতা কে।
- মধ্যযুগের অন্যান্য রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান এবং তাদের কবিদের নাম আলাদা করে ছক তৈরি করে পড়লে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
সঠিক উত্তর: D) উন্মীলন
১. কেন সঠিক:
- উন্মীলন শব্দটির সঠিক বানান লেখার সময় দীর্ঘ ঈ কার এবং মূর্ধন্য ন ব্যবহৃত হয়।
- এর অর্থ হলো চোখ মেলা, প্রস্ফুটিত হওয়া বা উন্মুক্ত করা।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উৎ এবং নিমীলন শব্দের মিলনে এবং ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মে উন্মীলন শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী নি ধাতু বা নিমীলন শব্দের সাথে যুক্ত হওয়ার কারণে এখানে দীর্ঘ ঈ এবং মূর্ধন্য ন বসেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রতীক্ষা শেষে অবশেষে ফুলের উন্মীলন ঘটল।
ব্যাখ্যা: এখানে উন্মীলন শব্দের অর্থ প্রস্ফুটিত হওয়া বা ফোটা বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: জ্ঞানের আলোকবর্তিকা মানুষের চোখের পাতা উন্মীলন করে।
ব্যাখ্যা: এখানে উন্মীলন শব্দটি জ্ঞান লাভের মাধ্যমে দৃষ্টি খুলে যাওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) উন্মিলন — এই বানানে দীর্ঘ ঈ কারের বদলে হ্রস্ব ই কার ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে।
B) উন্মিলণ — এই বানানে হ্রস্ব ই কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করায় বানানটি পুরোপুরি ভুল।
C) উন্মীলণ — এই বানানে দীর্ঘ ঈ কার সঠিক থাকলেও দন্ত ন এর বদলে মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করায় এটি ভুল হয়েছে।
D) উন্মীলন — এই অপশনটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ এতে দীর্ঘ ঈ কার এবং মূর্ধন্য ন সঠিক নিয়ম মেনে বসেছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- উন্মীলন বানানটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো চোখ মেলার সাথে এর অর্থ মেলানো, যেখানে দীর্ঘ জীবন বা দীর্ঘ স্বপ্নের মতো দীর্ঘ ঈ কার বসে।
- নিমীলন শব্দের বানান মনে রাখলে উন্মীলন বানান ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের সন্ধিজাত শুদ্ধ বানান প্রায়ই আসে।
- উৎ উপসর্গের সাথে যুক্ত সন্ধির বানানগুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে এই ধরনের প্রশ্নে পূর্ণ নম্বর পাওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) অধিকরণে সপ্তমী
১. কেন সঠিক:
- বাক্যে ক্রিয়া সম্পাদনের সময়, স্থান বা ক্ষেত্রকে অধিকরণ কারক বলা হয়। এখানে ব্যাকরণ হলো পন্ডিত হওয়ার বিষয় বা ক্ষেত্র।
- ব্যাকরণ শব্দটির সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তির সঠিক উদাহরণ হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কোনো বিষয়ে দক্ষতা, নিপুণতা, পন্ডিত বা অধিকার প্রকাশ পেলে সেই বিষয়টিতে অধিকরণ কারক হয়। একে বিষয় অধিকরণ বা ভাবাধিকরণ বলা হয়।
- ব্যাকরণ শব্দটির সাথে 'এ' বা 'য়' বিভক্তি যুক্ত হয়ে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি সাধিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: তিল পন্ডিত মশায় ব্যাকরণ ভালো জানেন।
ব্যাখ্যা: এখানে তিল হলো ব্যক্তির নাম যিনি পন্ডিত, যা বিষয়ভিত্তিক দক্ষতার ক্ষেত্রে অধিকরণ কারক নির্দেশ করে।
উদাহরণ ২: তিনি অঙ্কে কাঁচা কিন্তু বাংলায় পন্ডিত।
ব্যাখ্যা: এখানে অঙ্কে এবং বাংলায় শব্দ দুটি যথাক্রমে গণিত ও বাংলা বিষয়ে দক্ষতা বা অদক্ষতা বোঝাচ্ছে, যা অধিকরণ কারকের উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মে সপ্তমী — কর্ম কারকে সপ্তমী বিভক্তি বোঝায় যাকে আশ্রয় করে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, যা এখানে বিষয়ের ক্ষেত্র নয়।
B) করণে সপ্তমী — করণ কারক দ্বারা কোনো যন্ত্র, সহায়ক বা উপায় বোঝায়, কিন্তু ব্যাকরণ কোনো উপায় বা যন্ত্র নয়।
C) অপাদানে সপ্তমী — অপাদান কারক থেকে জাত, বিরত, রক্ষিত বা ভীত হওয়া বোঝায়, যা পন্ডিত হওয়ার ক্ষেত্রের সাথে মেলে না।
D) অধিকরণে সপ্তমী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি বিষয় বা ক্ষেত্রে দক্ষতা নির্দেশ করছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কোনো বিষয়ে দক্ষতা, অজ্ঞতা, পন্ডিত বা ভালো হওয়া বোঝালে চোখ বন্ধ করে অধিকরণ কারক দাগাবে।
- বিষয়ে দক্ষতা মানেই বিষয় অধিকরণ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দক্ষতা বা পন্ডিত বোঝাতে এই ধরনের প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- বিষয় বা ক্ষেত্রে সপ্তমী বিভক্তি যুক্ত থাকলেই তা অধিকরণে সপ্তমী হবে।
সঠিক উত্তর: A) তিলে তৈল আছে
১. কেন সঠিক:
বাক্যটিতে তিল নামক উপাদানের মধ্যে তৈল সুপ্ত বা বিদ্যমান আছে বুঝিয়েছে। কোনো বস্তু বা উপাদানের মধ্যে যদি অন্য কোনো বস্তু নিহিত বা অবস্থান করে বোঝায়, তবে তা অধিকরণ কারক হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান, কাল বা আধারকে অধিকরণ কারক বলে। আধার বা ধারণকারী বস্তু বোঝালে সপ্তমী বা ৭মী বিভক্তি যুক্ত হয় এবং এটি মূলত আধाराধিকরণ বা ঐকদেশিক অধিকরণ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বনে বাঘ থাকে।
ব্যাখ্যা: বনে একটি স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে, তাই এটি অধিকরণ কারক।
উদাহরণ ২: বিপদে মোরে রক্ষা করো এ তো নহে মোর প্রার্থনা।
ব্যাখ্যা: বিপদ একটি অবস্থা বা সময় নির্দেশ করায় এটি ভাবাধিকরণ বা অধিকরণ কারক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তিলে তৈল আছে — এটি সঠিক অপশন এবং তিলের মধ্যে তৈলের অবস্থান বোঝায়।
B) দুধ থেকে ঘি হয় — এটি অপাদান কারক কারণ এখানে উৎপন্ন বা বিচ্যুত হওয়া বোঝানো হয়েছে।
C) তিল থেকে তেল হয় — এটি অপাদান কারক কারণ তিল থেকে তেল উৎপন্ন বা ছাঁটাই হয়ে বের হয়।
D) মেঘ থেকে বৃষ্টি হয় — এটি অপাদান কারক কারণ মেঘ থেকে বৃষ্টির চ্যুতি বা উৎপত্তি বোঝায়।
৫ মনে রাখার টিপস:
কোথাও কিছু উৎসজাত বা বিচ্যুত হলে অপাদান কারক হয় এবং কোনো উপাদানের ভেতরে কিছু সুপ্ত বা বিদ্যমান থাকলে অধিকরণ কারক হয়। তৈল তিলের ভেতরে থাকে বলে এটি অধিকরণ, কিন্তু তিল থেকে তেল ভাঙিয়ে বের করলে তা অপাদান হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
তিলে তৈল আছে এবং তিল থেকে তেল হয়, এই দুটি বাক্য প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পার্থক্য করতে বলা হয়। ভেতরের উপস্থিতি বোঝালে অধিকরণ এবং উৎস থেকে উৎপন্ন বা বিচ্যুত বোঝালে অপাদান কারক হয়।
সঠিক উত্তর: C) নাম পদের
১. কেন সঠিক:
বাক্যস্থিত সমাপিকা ক্রিয়াপদের সাথে বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের যে সম্বন্ধ বা সম্পর্ক থাকে, তাকে কারক বলে।
ব্যাকরণগত দিক থেকে বিশেষ্য ও সর্বনাম পদকে একত্রে নাম পদ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাক্যের অর্থ পরিষ্কার করার জন্য ক্রিয়ার সাথে নাম পদের বিভিন্ন সম্পর্ক স্থাপন করতে হয়।
কারক শব্দের অর্থ যা ক্রিয়া সম্পাদন করে এবং বাংলায় কারক ছয় প্রকার।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: রহিম স্কুলে যায়।
ব্যাখ্যা: এখানে যায় ক্রিয়ার সাথে রহিম নাম পদের কর্তকারকের সম্পর্ক রয়েছে।
উদাহরণ ২: বাবাকে মান্য কর।
ব্যাখ্যা: এখানে মান্য কর ক্রিয়ার সাথে বাবাকে নাম পদের কর্মকারকের সম্পর্ক রয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বিশেষণ পদের — বিশেষণ পদ দোষ গুণ প্রকাশ করে কিন্তু ক্রিয়ার সাথে সরাসরি কারকের সম্পর্ক গঠন করে না।
B) অব্যয় পদের — অব্যয় পদ পদের সংযোগ ঘটায় তবে ক্রিয়ার সাথে কারক সম্পর্ক স্থাপন করে না।
C) নাম পদের — এটি সঠিক কারণ বিশেষ্য ও সর্বনাম পদই ক্রিয়ার সাথে যুক্ত হয়ে কারক গঠন করে।
D) ক্রিয়া বিশেষণ পদের — ক্রিয়া বিশেষণ ক্রিয়ার ভাব বা সময় প্রকাশ করে কিন্তু কারক নির্ণয়ে এটি সরাসরি যুক্ত হয় না।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্রিয়ার সাথে কারক মানেই হলো নাম পদের সম্পর্ক।
মনে রাখবে ক্রিয়ার সাথে কারক খুঁজতে হলে কে বা কি দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই কারকের মূল সংজ্ঞা থেকে প্রশ্ন আসে।
কারক মূলত ছয় প্রকার এবং ক্রিয়ার সাথে নাম পদের সম্পর্কই এর মূল ভিত্তি।
সঠিক উত্তর: B) নিয়ন
১. কেন সঠিক:
নিয়ন একটি মৌলিক পদার্থ কারণ এটি শুধুমাত্র এক প্রকার পরমাণু দ্বারা গঠিত এবং একে রাসায়নিকভাবে অন্য কোনো সরল পদার্থে ভেঙে ফেলা যায় না।
রসায়নের নিয়ম অনুযায়ী প্রকৃতিতে যেসব পদার্থের অণু বা পরমাণু একই ধরনের উপাদান দিয়ে তৈরি, সেগুলোকে মৌলিক পদার্থ বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়নের মৌলিক ধারণা অনুযায়ী পদার্থ মূলত দুই প্রকার, যেমন মৌলিক পদার্থ ও যৌগিক পদার্থ।
যে পদার্থকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে কেবল সেই পদার্থ ছাড়া অন্য কোনো মৌলিক পদার্থ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক পদার্থ বলে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: হাইড্রোজেন
ব্যাখ্যা: হাইড্রোজেন একটি মৌলিক পদার্থ কারণ এটি শুধু হাইড্রোজেন পরমাণু দিয়ে গঠিত এবং এর কোনো মিশ্র রূপ নেই।
উদাহরণ ২: অক্সিজেন
ব্যাখ্যা: অক্সিজেন একটি মৌলিক পদার্থ যা বায়ুমণ্ডলে স্বাধীনভাবে অবস্থান করে এবং এটি কেবল অক্সিজেন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) চিনি — চিনি একটি যৌগিক পদার্থ যা কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন সমন্বয়ে রাসায়নিকভাবে তৈরি হয়।
B) নিয়ন — নিয়ন সঠিক উত্তর কারণ এটি একটি নিষ্ক্রিয় মৌলিক গ্যাস।
C) লবণ — লবণ একটি যৌগিক পদার্থ যা সোডিয়াম ও ক্লোরিন নামক দুটি ভিন্ন মৌলের সমন্বয়ে গঠিত।
D) পানি — পানি একটি যৌগিক পদার্থ যা হাইড্রোজেন ও অক্সিজেন নির্দিষ্ট অনুপাতে রাসায়নিকভাবে যুক্ত হয়ে গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
পর্যায় সারণির মৌলগুলো যেমন হাইড্রোজেন, হিলিয়াম, নিয়ন, অক্সিজেন এগুলো মৌলিক পদার্থ।
যৌগিক পদার্থগুলো মূলত একাধিক মৌলের রাসায়নিক সংযোজনের ফলে সৃষ্টি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মৌলিক ও যৌগিক পদার্থ আলাদা করতে বলা হয়।
যেসব পদার্থের রাসায়নিক সংকেতে একাধিক মৌলের প্রতীক থাকে, সেগুলো সাধারণত যৌগিক পদার্থ হয়।
সঠিক উত্তর: A) পূরণ
কেন সঠিক:
- হরণ শব্দের অর্থ কেড়ে নেওয়া, খোয়া যাওয়া বা কমানো।
- অন্যদিকে পূরণ শব্দের অর্থ বাড়ানো, পূর্ণ করা বা কোনো ঘাটতি পূরণ করা।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ব্যাকরণে বিপরীত শব্দ নির্বাচনের ক্ষেত্রে অর্থের বিপরীত দিকটি বিবেচনা করা হয়।
- হরণ ও পূরণ একে অপরের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক ভাব প্রকাশ করে।
- যেমন জল হরণ করা হলে তা শুকিয়ে যায়, আর জল দ্বারা পূরণ করলে তা পূর্ণ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পূরণ — এটি সঠিক উত্তর, তাই ভুল নয়।
- B) গ্রহণ — এটি ত্যাগের বিপরীত শব্দ, হরণের বিপরীত শব্দ নয়।
- C) মুক্ত — এটি বদ্ধ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ।
- D) কোনোটিই নয় — সঠিক উত্তর অপশনে থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
- হরণ মানে কমানো আর পূরণ মানে বাড়ানো, এই দুটি কথা মনে রাখলে ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: C) অরুণ
১. কেন সঠিক:
- প্রভাত সূর্যের সুনির্দিষ্ট ও বিশেষ সমার্থক শব্দ হলো অরুণ, যার অর্থ সদ্য উদিত বা ভোরের লাল সূর্য।
- সাধারণ সূর্যের অনেক সমার্থক শব্দ থাকলেও প্রভাতকালীন বা ভোরের সূর্যের ক্ষেত্রে অরুণ শব্দটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দসমূহ যাদের অর্থের মধ্যে মিল থাকে কিন্তু রূপ আলাদা হয়।
- বাংলা ব্যাকরণে শব্দের উৎস ও প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে সমার্থক শব্দগুলো মূলত তদ্ভব, তৎসম বা অর্ধ-তৎসম রূপ ধারণ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদিত সূর্যের আলোয় চারদিক আলোকিত হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে উদিত সূর্য বলতে ভোরের সূর্য বা প্রভাত সূর্যকে বোঝানো হয়েছে।
উদাহরণ ২: অরুণোদয়ের সাথে সাথে পাখিরা গান গাইতে শুরু করে।
ব্যাখ্যা: অরুণোদয় শব্দের অর্থ ভোরের সূর্য ওঠার সময়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) রবি — এটি সূর্যের একটি সাধারণ সমার্থক শব্দ, যা কেবল প্রভাতী সূর্যকে বোঝায় না।
B) দিনমণি — এটিও সাধারণভাবে সূর্যের সমার্থক শব্দ এবং দিনের মণি অর্থে ব্যবহৃত হয়।
C) অরুণ — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) ভানু — এটি সূর্যের আরেকটি বহুল ব্যবহৃত সাধারণ সমার্থক শব্দমাত্র।
৫. মনে রাখার টিপস:
- ভোরের লাল সূর্য দেখলে অরুণ শব্দটি মনে রাখবে।
- সাধারণ সূর্য বোঝালে রবি বা ভানু আর প্রভাত সূর্য বোঝালে অরুণ মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাধারণ সমার্থক শব্দের পাশাপাশি বিশেষ সময়ের সমার্থক শব্দগুলো বেশি আসে।
- শব্দের সূক্ষ্ম অর্থভেদ বুঝতে বাংলা অভিধানের সাহায্য নেওয়া উচিত।
সঠিক উত্তর: D) মুনতাসীর ফ্যান্টাসী
কেন সঠিক:
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসী নাটকটির রচিয়তা বিশিষ্ট নাট্যকার সেলিম আল দীন।
- এই নাটকটিতে বাংলা নাট্যসাহিত্যে ঐতিহ্যবাহী ও আধুনিকরীতির এক অপূর্ব মিলন ঘটেছে।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে সেলিম আল দীন একজন প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার ও নির্দেশক।
- তিনি বাংলা নাটকে নিজস্ব শৈলী ও দেশজ আঙ্গিকের ব্যবহার নিশ্চিত করেছিলেন।
- তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে কিংশুক ক远的 কলার ও কেরামত মঙ্গল অন্যতম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এই বিখ্যাত নাটকটির রচিয়তা নাট্যকার সৈয়দ শামসুল হক।
- B) কবর — মুনীর চৌধুরী রচিত একটি অত্যন্ত পরিচিত ও ঐতিহাসিক নাটক।
- C) সুবচন নির্বাসনে — এটি মূলত নাট্যকার আবদুল্লাহ আল মামুনের একটি বিখ্যাত নাটক।
মনে রাখার টিপস:
- সেলিম আল দীন বললেই মাথায় রাখতে হবে দেশজ ঐতিহ্য এবং মুনতাসীর ফ্যান্টাসী নাটকের নাম।
সঠিক উত্তর: A) শেখ ফজলুল করিম
১. কেন সঠিক:
- প্রদত্ত পংক্তিটি সাহিত্যিক ও সমাজসংস্কারক শেখ ফজলুল করিমের বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- মানুষের মনের সদ্গুণ ও অসদ্গুণের মাধ্যমেই পৃথিবী স্বর্গ বা নরকে পরিণত হয়, এই দার্শনিক ভাবটি এখানে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- শেখ ফজলুল করিম ছিলেন বিশ শতকের প্রথমার্ধের একজন বিশিষ্ট মুসলিম সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।
- তার সাহিত্যকর্মে নৈতিকতা, মানবতাবাদ এবং দেশপ্রেমের সুর স্পষ্টভাবে পাওয়া যায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পরোপকারই ধর্ম।
ব্যাখ্যা: মানুষের কল্যাণে কাজ করাই স্বর্গীয় সুখের মূল ভিত্তি।
উদাহরণ ২: অহংকার পতনের মূল।
ব্যাখ্যা: মানুষের খারাপ গুণ নরকতুল্য পরিবেশ তৈরি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেখ ফজলুল করিম — এই অপশনটি সঠিক কারণ কবিতাটি তাঁরই রচনা।
B) মোজাম্মেল হক — তিনি একজন প্রখ্যাত কবি হলেও এই পংক্তিটির রচয়িতা নন।
C) মোহিত লাল মজুমদার — তিনি মূলত রোমান্টিক ও ক্লাসিক ধারার কবি, এই পংক্তির সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা নেই।
D) জীবনানন্দ দাশ — তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার রূপসী বাংলার কবি, এই পংক্তিটি তাঁর নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- শেখ ফজলুল করিমের নামের সঙ্গে স্বর্গ নরক পংক্তিটি মনে রাখার জন্য 'স্বর্গ নরক শেখ' এই সংক্ষিপ্ত সূত্র মনে রাখতে পারো।
- মানবতাবাদী কবিতার জন্য তাঁকে চেনা যায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিখ্যাত উদ্ধৃতি ও তার রচয়িতা প্রায়ই আসে।
- লেখকের মূল সুর ও রচনার নাম ভালোভাবে পড়লে এমন প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা যায়।
প্রশ্নের ধরন: ভাষা ও ব্যাকরণ (Appropriate Preposition)
উল্লেখ্য, প্রদত্ত সঠিক উত্তর A) with ভুল। সঠিক উত্তর হবে D) to। নিয়ম অনুযায়ী conform শব্দের পর সাধারণত to বসে।
সঠিক উত্তর: D) to
কেন সঠিক:
- নিয়ম অনুযায়ী কোনো নিয়ম, নীতি, মতবাদ বা কাজের সাথে মিল রাখা বোঝাতে conform শব্দের পর preposition হিসেবে to বসে।
- এখানে কাজ বা আচরণের সাথে কথা বা কথার মিল রাখার অর্থ প্রকাশ পাওয়ায় সঠিক preposition হিসেবে to ব্যবহৃত হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — প্রদত্ত উত্তর ভুল কারণ conform শব্দের পর সাধারণত with বসে না, তবে কিছু ক্ষেত্রে conform with নিয়মের সাথে মিলে চলা অর্থে ব্যবহৃত হলেও এখানে to অধিক উপযুক্ত।
B) by — মাধ্যম বা উপায় বোঝাতে by বসে, যা এখানে মানানসই নয়।
C) in — অবস্থান বা ক্ষেত্র বোঝাতে in বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিয়ম বা কাজের সাথে মিল রাখা বোঝাতে conform-এর পর to ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
কোনো নিয়ম বা কাজের সাথে মিল রাখা বোঝাতে mindig conform-এর পরে to ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) Concealed
কেন সঠিক:
Latent শব্দের বাংলা অর্থ হলো সুপ্ত বা লুকিয়ে থাকা, যা সহজে দেখা যায় না।
Concealed শব্দটির অর্থও লুকানো বা অনাবৃত নয় এমন।
তাই এই দুটি শব্দ সমার্থক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Concealed — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি Latent শব্দের সাথে মিলে যায়।
B) Evident — এর অর্থ স্পষ্ট, যা Latent শব্দের বিপরীত।
C) Visible — এর অর্থ দৃশ্যমান, যা Latent শব্দের বিপরীত।
D) Conspicious — এর অর্থ লক্ষণীয় বা স্পষ্ট, যা Latent শব্দের বিপরীত।
মনে রাখার টিপস:
Latent মানে যা লাইটের আড়ালে থাকে অর্থাৎ লুকিয়ে থাকে।
সঠিক উত্তর: C) Short
কেন সঠিক:
Brief শব্দের অর্থ সংক্ষিপ্ত বা অল্প কথায় শেষ করা।
Short শব্দের অর্থও ছোট বা সংক্ষিপ্ত।
তাই এটি সঠিক সমার্থক শব্দ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Profuse — এর অর্থ প্রচুর বা অতিরিক্ত, যা Brief শব্দের বিপরীত।
B) Eloquent — এর অর্থ বাকপটু বা সুন্দরভাবে কথা বলা, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) Short — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
D) Copious — এর অর্থ প্রচুর পরিমাণে বা বিস্তর, যা Brief শব্দের সাথে মেলে না।
মনে রাখার টিপস:
Brief মানে ছোট এবং Short মানেও ছোট, এভাবে সহজে মনে রাখা যায়।
সঠিক উত্তর: D) You told me that I did not do my duty.
কেন সঠিক:
রিপোর্টিং ভারব said to এর পরে অবজেক্ট থাকায় সেটি পরিবর্তিত হয়ে told হয় এবং ইনভার্টেড কমা উঠে গিয়ে দ্যাট কনজাংশন বসে।
রিপোর্টেড স্পিচের ইউ দ্বিতীয় পার্সন হওয়ায় তা রিপোর্টিং ভারবের অবজেক্ট মি অনুসারে পরিবর্তিত হয়ে আই হয়।
রিপোর্টেড স্পিচের প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স পরিবর্তিত হয়ে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স এ রূপান্তর লাভ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) You told me that I do not do my duty. — এখানে রিপোর্টেড স্পিচের টেন্স পরিবর্তন না করে প্রেজেন্ট টেন্স রাখা হয়েছে যা নিয়মের বাইরে।
B) You said to me that I did not do my duty. — এখানে সেড টু এর পরে অবজেক্ট থাকা সত্ত্বেও তাকে টোল্ড এ পরিবর্তন করা হয়নি।
C) You said to me that I do not do my duty. — এখানে সেড টু কে টোল্ড করা হয়নি এবং টেন্সেরও কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
D) সঠিক অপশন — এখানে সকল নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
ন্যাসারেটিভ পরিবর্তনের সময় রিপোর্টিং ভারবের পরে অবজেক্ট থাকলে সেইড টুকে টোল্ড বানাতে হয় এবং পাস্ট টেন্সে রূপান্তর করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) He wished me that I might have wealth.
কেন সঠিক:
১. এটি একটি অপট্রেটিভ সেন্টেন্স বা ইচ্ছা প্রকাশসূচক বাক্য, তাই Reporting verb পরিবর্তন হয়ে wished হয়।
২. Inverted comma তুলে Conjunction হিসেবে that ব্যবহৃত হয় এবং Subject এর পরে might বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক অপশন হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) B) He wished me that I might had wealth. — এখানে might এর পরে verb এর present form হওয়ার কথা থাকলেও had ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
C) C) He wished me that I should have wealth. — অপট্রেটিভ সেন্টেন্সে might বসানোর নিয়ম থাকলেও এখানে ভুল করে should ব্যবহার করা হয়েছে।
D) D) He said to me that I might have wealth. — রিপোর্টিং ভার্ব হিসেবে said রেখে দেওয়া হয়েছে, অথচ অপট্রেটিভ সেন্টেন্সে wished বা prayed ব্যবহার করতে হয়।
মনে রাখার টিপস:
অপট্রেটিভ সেন্টেন্সে ইচ্ছা বা প্রার্থনা প্রকাশ পেলে Indirect করার সময় Said এর বদলে Wished বা Prayed বসে এবং দাড়ি তোলার পর might ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Is he known to you?
কেন সঠিক:
১. বাক্যটি প্রেজেন্ট ইনডিফিনিট টেন্সে থাকায় প্যাসিভ করার সময় সাহায্যকারী ভার্ব হিসেবে Is বসে এবং সাবজেক্ট থার্ড পারসন সিঙ্গुलर হয়।
২. মূল ভার্ব know এর পাস্ট পার্টিসিপল form known বসে এবং এর পরে বাই (by) না বসে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী প্রিপজিশন to বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Is he known by you? — এই অপশনে known এর পরে প্রিপজিশন by ব্যবহার করা হয়েছে, যা grammatically ভুল কারণ know ভার্বের পরে हमेशा to বসে।
B) Is he known to you? — এটি মূল সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) Is he knew by you? — এই অপশনে known এর পরিবর্তে ভার্বের পাস্ট ফর্ম knew ব্যবহার করা হয়েছে, অথচ প্যাসিভে সবসময় পাস্ট পার্টিসিপল form বসে।
D) Was he known by you? — এই অপশনে বর্তমান কালের বাক্যের জন্য অতীত কালের সাহায্যকারী ভার্ব was ব্যবহার করা হয়েছে, যা টেন্সের নিয়ম অনুযায়ী ভুল।
মনে রাখার টিপস:
know এবং married শব্দের পরে সাধারণত by না বসে সবসময় প্রিপজিশন to বসে।
সঠিক উত্তর: A) By whom will you be helped?
কেন সঠিক:
১. ইন্টারোগেটিভ বাক্যে 'Who' থাকলে প্যাসিভ করার সময় শুরুতে 'By whom' বসে।
২. মডাল অক্সিলিয়ারি ভার্ব 'will' থাকার কারণে তার সাথে 'be' যুক্ত হয় এবং মূল ভার্বের পাস্ট পার্টিসিপল বসে।
৩. সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব বসে বাক্যটিকে সঠিক প্রশ্নবোধক রূপ দেওয়া হয়েছে।
৪. বাক্যের টেন্স এবং অর্থ সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সঠিক উত্তর — তাই এটি সঠিক।
B) B — কারণ এখানে সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব 'will' বসানো হয়নি, যা প্রশ্নবোধক বাক্যের নিয়মের বাইরে।
C) C — কারণ এখানে সঠিক টেন্সের সাহায্যকারী ভার্ব 'will' এর পরিবর্তে ভুল করে 'would' ব্যবহার করা হয়েছে।
D) D — কারণ এখানে 'would' ব্যবহারের পাশাপাশি সাবজেক্টের আগে সাহায্যকারী ভার্ব বসানো হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
Who যুক্ত Active Voice কে Passive করার সময় প্রথমে By whom বসাতে হয় এবং টেন্স অনুযায়ী auxiliary verb এর পর be যুক্ত করে মূল verb এর V3 করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) Let a song be sung by him
কেন সঠিক:
Imperative sentence-যুক্ত active voice-কে passive করার নিয়ম অনুযায়ী প্রথমে Let বসে এবং objectটি subject হয়।
এরপর অতিরিক্ত be verb যুক্ত হয়ে মূল verb-এর Past Participle রূপ বসে এবং by-এর পর pronoun-এর objective form বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Let a song sing by him — এখানে be verb ব্যবহার করা হয়নি এবং মূল verb-এর সঠিক রূপ নেই।
B) Let a song be sung by him — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
C) Let a song be sang by him — এখানে sing verb-এর ভুল Past Participle রূপ (sang) ব্যবহার করা হয়েছে।
D) Let a song sung by him — এখানে passive voice করার সময় প্রয়োজনীয় be verb বসানো হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
Let যুক্ত Imperative sentence-কে passive করার সময় সবসময় 'Let + object-এর subject form + be + verb-এর Past Participle + by + subject-এর objective form' এই গঠন মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) at
কেন সঠিক:
expert শব্দের পর সাধারণত at preposition ব্যবহৃত হয়।
এটি কোনো বিষয়ে কারো দক্ষতা বা পারদর্শিতা প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
drawing একটি কাজের নাম এবং এর আগে at বসে।
বাক্যের অর্থ দাঁড়াচ্ছে মেয়েটি আঁকাআকিতে দক্ষ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — expert শব্দের পর সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী in বসে না।
B) to — এখানে destination বা দিক বোঝাতে to ব্যবহার করা যায় না।
C) with — কোনো যন্ত্রপাতি বা সঙ্গী বোঝাতে with ব্যবহৃত হয় না।
D) at — এটি সঠিক হওয়ায় ভুল অপশনের তালিকায় এটি প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
দক্ষ বোঝাতে expert শব্দের পরে সবসময় at প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) of
কেন সঠিক:
নিশ্চিত করা বা বিশ্বাস জন্মানো অর্থে convince শব্দের পরে সাধারণত অফ প্রিপজিশন বসে।
কোনো ব্যক্তির সততা বা গুণের প্রতি বিশ্বাসের ক্ষেত্রে অফ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) with — এই শব্দটির সাথে উইথ প্রিপজিশন বসে না কারণ এটি নিয়মবিরুদ্ধ।
B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
C) by — কাজের মাধ্যম বোঝাতে বাই বসে, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
D) in — ভেতরে বা স্থান বোঝাতে ইন বসে, যা এই বাক্যে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
কনভিন্সড শব্দের পরে সাধারণত অফ প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) MISSIONARY
কেন সঠিক:
ইংরেজি বানান নিয়م অনুযায়ী এই শব্দটিতে প্রথমে 'MIS' লেখার পর একটি দ্বিত্ব 'S' অর্থাৎ 'SS' যুক্ত হয়।
এরপর 'ION' এবং শেষে 'ARY' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) MISIONARY — এই বানানে 'S' একটি কম আছে এবং সঠিক দ্বিত্ব বর্ণ ব্যবহার করা হয়নি।
B) MISSIONARY — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং বানানটি সম্পূর্ণ নির্ভুল।
C) MISIONERY — এই বানানে 'S' একটি এবং শেষের দিকে 'ARY' এর বদলে ভুলভাবে 'ERY' লেখা হয়েছে।
D) MISSIONERY — এই বানানে 'MISSION' ঠিক থাকলেও শেষের দিকে 'ARY' এর বদলে ভুল করে 'ERY' ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
বানানটি মনে রাখতে 'MISSION' লিখে তার সাথে 'ARY' যোগ করে 'MISSIONARY' পড়ার অভ্যাস করো।
সঠিক উত্তর: C) to
কেন সঠিক:
অ্যাটেন্টিভ শব্দের পর সাধারণত সঠিক প্রিপোজিশন হিসেবে টু বসে।
এর অর্থ কোনো বিষয়ের প্রতি মনোযোগী হওয়া।
তাই এখানে টু ছাড়া অন্য কোনো প্রিপোজিশন বসবে না।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে টু ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইন — অ্যাটেন্টিভ শব্দের পর ইন প্রিপোজিশন ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। এটি বসালে বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ হয় না।
B) উইথ — উইথ প্রিপোজিশন সাধারণত কোনো কিছু দিয়ে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি এখানে শূন্যস্থানে বসার উপযোগী নয়।
C) সঠিক উত্তর — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল অপশন হিসেবে ধরা যাবে না।
D) অব — অব প্রিপোজিশন মালিকানা বা সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এখানে মনোযোগী হওয়া অর্থে অব ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো কিছুতে মনোযোগী হওয়া বোঝাতে অ্যাটেন্টিভ এর পরে সবসময় টু প্রিপোজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) of
কেন সঠিক:
১. কোনো বস্তু তৈরি হওয়ার পর যদি তার মূল উপাদানের পরিবর্তন ঘটে না এবং উপাদানটি চোখে দেখা যায়, তবে সাধারণত of বসে।
২. কাঁচ দিয়ে বোতল তৈরি হলেও বোতলের মধ্যে কাঁচ উপাদানটি অপরিবর্তিত থাকে এবং তা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান হয়।
৩. উপাদান অপরিবর্তিত থাকার কারণে এখানে সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে of ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) in — সাধারণত স্থান বা বড় পরিধির ক্ষেত্রে প্রিপজিশন ইন ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে তা বসবে না।
B) of — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রযোজ্য নয়।
C) with — কোনো মাধ্যম বা হাতিয়ার দিয়ে কাজ করা বোঝালে উইথ বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) by — সাধারণত কর্তা বা প্যাসিভ ভয়েসের ক্ষেত্রে বাই ব্যবহৃত হয়, তাই এখানে তা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
উপাদান দেখা গেলে অব এবং দেখা না গেলে ফ্রম বসে।
সঠিক উত্তর: D) He always speaks the truth.
কেন সঠিক:
সত্য কথা বলার ইংরেজি করার সময় speak শব্দের সাথে always ব্যবহার করলে তা present indefinite tense নির্দেশ করে।
এক্ষেত্রে truth noun টির পূর্বে নির্দিষ্ট article হিসেবে the বসানো বাধ্যতামূলক নিয়ম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Good night, how are you? — বিদায় জানানোর সময় গুড নাইট ব্যবহার করা হয় বলে সাক্ষাতের কুশল বিনিময়ে এটি ভুল।
B) Ali took admission into that college. — ইংরেজিতে টুক এডমিশন ইনটু না লিখে সাধারণত এডমিট লেখা সঠিক হয়।
C) He asked me where did I go. — প্রত্যক্ষ থেকে পরোক্ষ নেশনে পরিণত করার সময় বাক্যের মাঝখানে auxiliary verb আগে বসে না।
D) He always speaks the truth. — এটি একটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ বাক্য এবং এর গঠন ব্যাকরণগত সকল নিয়ম মেনে চলেছে।
মনে রাখার টিপস:
সবসময় সত্য বলার ক্ষেত্রে speak the truth বলতে হয় এবং পরোক্ষ নেশনে সাবজেক্টের পরে verb বসে।
সঠিক উত্তর: B) I should take leave of you
কেন সঠিক:
১. কারো কাছ থেকে বিদায় নেওয়ার ক্ষেত্রে ইংরেজি নিয়ম অনুযায়ী take leave of phrase টি ব্যবহার করতে হয়।
২. এই বাক্যে শব্দের ব্যবহার এবং ব্যাকরণের গঠন সম্পূর্ণ সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He will avail the opportuntiy — avail শব্দটির পর একটি reflexive pronoun যেমন himself বসাতে হয় এবং বানান ভুল আছে।
B) I should take leave of you — এটি সঠিক বাক্য তাই এখানে ভুল ব্যাখ্যা প্রযোজ্য নয়।
C) I have seen two deers — deer শব্দের বহুবচন deer ই হয়, এর সাথে s যুক্ত করা যায় না।
D) Television is a wonderful discovery — টেলিভিশন নতুন কিছু আবিষ্কার নয়, এটি একটি প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন তাই discovery এর বদলে invention হবে।
মনে রাখার টিপস:
কিছু শব্দের সঠিক preposition এবং বহুবচন রূপ মনে রাখলে এই ধরনের পরীক্ষায় সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) Noun
কেন সঠিক:
এখানে fast শব্দটি একটি নির্দিষ্ট উপবাস বা রোযাকে বোঝাচ্ছে।
শব্দের আগে the Article বসার কারণে এটি Noun হিসেবে কাজ করেছে।
এটি কোনো কাজের নাম হিসেবে এখানে ব্যবহৃত হয়েছে।
একটি সম্পূর্ণ কাজের নাম হওয়ায় এটি Noun।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে fast একটি নাম বোঝাচ্ছে।
B) Pronoun — Pronoun নামের পরিবর্তে বসে, কিন্তু এখানে কোনো নামের পরিবর্তে বসেনি।
C) Adjective — Adjective কোনো দোষ, গুণ বা সংখ্যা প্রকাশ করে, কিন্তু এটি তা করেনি।
D) Adverb — Adverb কোনো verb বা adjective কে বিশেষিত করে, কিন্তু এখানে তা নয়।
মনে রাখার টিপস:
Article (a, an, the) এর ঠিক পরেই সাধারণত Noun বসে।
সঠিক উত্তর: C) Adjective
কেন সঠিক:
এখানে "Still" শব্দটি একটি Noun বা বিশেষ্যের আগে বসে সেটির দোষ, গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করছে।
বাক্যে "waters" হলো Noun এবং "Still" সেটির ঠিক পূর্বে বসে Adjective হিসেবে কাজ করেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Noun — এটি কোনো নাম বা বিশেষ্য পদ নয়, কারণ এটি Noun এর দোষ-গুণ প্রকাশ করছে।
B) Pronoun — এটি কোনো Noun এর পরিবর্তে বসেনি, বরং Noun কে বিশেষিত করেছে।
C) Adjective — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি এখানে জলের স্থির অবস্থা বোঝাচ্ছে।
D) Adverb — এটি কোনো Verb, Adjective বা অন্য Adverb কে বিশেষিত করছে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো শব্দ যদি Noun এর ঠিক আগে বসে তার অবস্থা বোঝায়, তবে সেটি সাধারণত Adjective হয়।
সঠিক উত্তর: D) HETEROGENEOUS
কেন সঠিক:
বানানটিতে সঠিক প্রিফিক্স হিসেবে hetero এবং মূল শব্দে geneous যুক্ত হয়েছে।
মাঝখানে একটি অতিরিক্ত e এবং শেষে ous সঠিক আছে।
বানানের উচ্চারণ ও গঠন নিখুঁত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) HETROGENUS — প্রথম অংশে hetero শব্দের বানান ভুল আছে এবং শেষে ous এর পরিবর্তে us ব্যবহৃত হয়েছে।
B) HETROGENEOUS — মূল শব্দে hetero বানানের মাঝখানের e অক্ষরটি বাদ পড়েছে।
C) HETEROGENUS — শেষের দিকে ous প্রত্যয়ের পরিবর্তে শুধু us ব্যবহার করায় বানানটি অসম্পূর্ণ হয়েছে।
D) HETEROGENEOUS — এই অপশনটিতে সমস্ত বানান এবং প্রত্যয় ব্যাকরণগত নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক আছে।
মনে রাখার টিপস:
hetero এবং geneous এই দুটি অংশ আলাদা করে মনে রাখলে বানানটি ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: A) CATASTROPHE
কেন সঠিক:
বানানের নিয়ম অনুযায়ী এতে সঠিক প্রিফিক্স এবং সাফিক্স ব্যবহার করা হয়েছে।
প্রতিটি অক্ষরের ক্রম আন্তর্জাতিক মানসম্মত ইংরেজি অভিধান অনুসরণ করে গঠিত।
শব্দের শেষের অংশটুকু সঠিক ইংরেজি বানানবিধি মেনে চলে।
এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি শব্দ যার বানান অপরিবর্তিত থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) CATASTROPHE — এটি সঠিক বানান এবং এর মাধ্যমেই মূল শব্দটি প্রকাশ পায়।
B) CETASTROPHE — প্রথম অংশে সি এর পর এ এর পরিবর্তে ই ব্যবহারের কারণে বানান ভুল হয়েছে।
C) CATASTROPHEE — শেষের অংশে অতিরিক্ত ই যুক্ত করার কারণে এই বানানটি ভুল হয়েছে।
D) CATASTROFEE — পি এর পরিবর্তে এফ এবং শেষে দুটি ই ব্যবহারের কারণে এটি ভুল বানান।
মনে রাখার টিপস:
শব্দটিকে সি এ টি এ এস টি আর ও পি এইচ ই এভাবে ভেঙে মুখস্থ করলে বানান আর ভুল হবে না।
সঠিক উত্তর: A) ২১০
প্রদত্ত তথ্য:
ধারাবাহিক স্বাভাবিক সংখ্যার ধারা ১ থেকে ২০ পর্যন্ত
শেষ পদ = ২০
ধরি,
পদের সংখ্যা n = ২০
প্রথম পদ a = ১
অতএব,
সমান্তর ধারার যোগফলের সূত্র n × (n + ১) ÷ ২ ব্যবহার করে পাই
পদের মান বসিয়ে পাই ২০ × (২০ + ১) ÷ ২
সুতরাং,
২০ × ২১ ÷ ২
৪২০ ÷ ২ = ২১০
উত্তর: ২১০
সঠিক উত্তর: C) ৩৪ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
তিন সন্তানের বয়সের গড় = ৬ বৎসর
পিতাসহ তাদের বয়সের গড় = ১৩ বৎসর
ধরি,
তিন সন্তানের মোট বয়স = ৩ × ৬ = ১৮ বৎসর
পিতাসহ মোট সদস্য সংখ্যা = ৪ জন
অতএব,
পিতাসহ চারজনের মোট বয়স = ৪ × ১৩ = ৫২ বৎসর
তিন সন্তানের মোট বয়স = ১৮ বৎসর
সুতরাং,
পিতার বয়স = ৫২ − ১৮ = ৩৪ বৎসর
উত্তর: ৩৪ বৎসর
সঠিক উত্তর: B) ১৬
প্রদত্ত তথ্য:
প্রথম ১২ উইকেটের জন্য মোট রান = ১২ × ২০ = ২৪০ রান
পরবর্তী ৪ উইকেটের জন্য মোট রান = ৪ × ৪ = ১৬ রান
ধরি,
মোট উইকেটের সংখ্যা = ১২ + ৪ = ১৬ টি
মোট রানের সংখ্যা = ২৪০ + ১৬ = ২৫৬ রান
অতএব,
উইকেটপ্রতি গড় রান = মোট রান ÷ মোট উইকেট
উইকেটপ্রতি গড় রান = ২৫৬ ÷ ১৬
সুতরাং,
উইকেটপ্রতি গড় রান = ১৬
উত্তর: ১৬
সঠিক উত্তর: B) ৪ বৎসর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ২৫ বৎসর
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ১৮ বৎসর
ধরি,
পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = ২৫ × ২ = ৫০ বৎসর
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ১৮ × ৩ = ৫৪ বৎসর
অতএব,
পুত্রের বয়স নির্ণয় করতে হলে তিনজন সদস্যের বয়সের সমষ্টি থেকে দুইজন সদস্যের বয়সের সমষ্টি বিয়োগ করতে হবে
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৫৪ বৎসর এবং পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি ৫০ বৎসর
সুতরাং,
পুত্রের বয়স = ৫৪ − ৫০ = ৪ বৎসর
উত্তর: ৪ বৎসর
সঠিক উত্তর: A) লাভ ১২%
প্রদত্ত তথ্য:
১ হালি ডিমের ক্রয়মূল্য = ২৫ টাকা
২ হালি ডিমের বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা
ধরি,
মোট ডিমের পরিমাণ = ২ হালি
অতএব,
২ হালি ডিমের ক্রয়মূল্য = ২৫ × ২ = ৫০ টাকা
২ হালি ডিমের বিক্রয়মূল্য = ৫৬ টাকা
সুতরাং,
মোট লাভ = ৫৬ − ৫০ = ৬ টাকা
উত্তর: (৬ ÷ ৫০) × ১০০% = ১২%
সঠিক উত্তর: C) ০.২
প্রদত্ত তথ্য:
১ ডজন বা ১২টি বলপেনের ক্রয়মূল্য ৬০ টাকা
১ ডজন বা ১২টি বলপেনের বিক্রয়মূল্য ৭২ টাকা
ধরি,
লাভ = বিক্রয়মূল্য − ক্রয়মূল্য
অতএব,
লাভ = ৭২ টাকা − ৬০ টাকা
লাভ = ১২ টাকা
সুতরাং,
লাভ বা শতকরা লাভ = (১২ ÷ ৬০)
লাভ = ০.২
উত্তর: ০.২
সঠিক উত্তর: D) ৩৫ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
ক ও খ একত্রে একটি কাজ শেষ করতে পারে ১০ দিনে
খ একা কাজটি শেষ করতে পারে ১৪ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে ১ ÷ ১০ অংশ কাজ
খ একা ১ দিনে করে ১ ÷ ১৪ অংশ কাজ
সুতরাং,
ক একা ১ দিনে করে (১ ÷ ১০) − (১ ÷ ১৪ অংশ কাজ)
= (৭ − ৫) ÷ ৭০ অংশ কাজ
= ২ ÷ ৭০ অংশ কাজ
= ১ ÷ ৩৫ অংশ কাজ
উত্তর: ৩৫ দিনে
সঠিক উত্তর: A) ২৮ জন
প্রদত্ত তথ্য:
৫৬ জন শ্রমিক কাজ করতে পারে ২১ দিনে
কাজটি শেষ করতে হবে ১৪ দিনে
ধরি,
মোট শ্রমিকের প্রয়োজন = ক জন
অতএব,
১৪ দিনে কাজটি শেষ করতে শ্রমিক লাগবে = (৫৬ × ২১) ÷ ১৪ জন
হিসাব করে পাই = (১১৭৬) ÷ ১৪ জন
সুতরাং,
মোট শ্রমিকের প্রয়োজন = ৮৪ জন
নতুন শ্রমিক লাগবে = ৮৪ − ৫৬ জন = ২৮ জন
উত্তর: ২৮ জন
সঠিক উত্তর: C) ৩০ দিন
প্রদত্ত তথ্য:
রাস্তা মেরামত করতে ৩৫ জন শ্রমিকের লাগে = ১২ দিন
ধরি,
১ জন শ্রমিকের ঐ কাজ করতে বেশি দিন লাগবে
অতএব,
১ জন শ্রমিকের কাজটি করতে সময় লাগবে = ৩৫ × ১২ দিন
সুতরাং,
১৪ জন শ্রমিকের কাজটি শেষ করতে সময় লাগবে = (৩৫ × ১২) ÷ ১৪ দিন
উত্তর: ৩০ দিন
সঠিক উত্তর: B) ৪৫
প্রদত্ত তথ্য:
পূর্বরাশি ও উত্তর রাশির অনুপাত ৫ অনুপাত ১১
উত্তর রাশি = ৯৯
ধরি,
পূর্বরাশি = ৫ক
উত্তর রাশি = ১১ক
অতএব,
প্রশ্নমতে, ১১ক = ৯৯
ক = ৯৯ ÷ ১১
ক = ৯
সুতরাং,
পূর্বরাশি = ৫ × ৯ = ৪৫
উত্তর: ৪৫
সঠিক উত্তর: A) ২৮
প্রদত্ত তথ্য:
মূল সংখ্যাটি = ২৪
অনুপাতটি = ৭ অনুপাত ৬
ধরি,
নতুন সংখ্যাটি ক
অতএব,
ক এর মান নির্ণয় করতে হবে ২৪ কে ৭ দিয়ে গুণ এবং ৬ দিয়ে ভাগ করে
সুতরাং,
ক = ২৪ × ৭ ÷ ৬
উত্তর: ২৮
সঠিক উত্তর: B) ৬
প্রদত্ত তথ্য:
সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ = ১২০°
ধরি,
বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা = ন
বহুভুজটির একটি বহিঃকোণের পরিমাণ = ১৮০° − ১২০° = ৬০°
অতএব,
আমরা জানি বহুভুজের বহিঃকোণগুলোর সমষ্টি = ৩৬০°
সুষম বহুভুজের বাহুর সংখ্যা ন হলে প্রতিটি বহিঃকোণ = ৩৬০° ÷ ন
সুতরাং,
৬০° = ৩৬০° ÷ ন
ন = ৩৬০° ÷ ৬০° = ৬
উত্তর: ৬
সঠিক উত্তর: B) ৩/৪
প্রدত্ত তথ্য:
ভগ্নাংশগুলো হলো ২÷৩, ৩÷৪, ৫÷৯ এবং ৭÷১২
ধরি,
ভগ্নাংশগুলোর হরগুলোর লসাগু বের করতে হবে
হরগুলো হলো ৩, ৪, ৯ এবং ১২ এর লসাগু = ৩৬
অতএব,
প্রথম ভগ্নাংশ = (২ × ১২) ÷ (৩ × ১২) = ২৪ ÷ ৩৬
দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = (৩ × ৯) ÷ (৪ × ৯) = ২৭ ÷ ৩৬
তৃতীয় ভগ্নাংশ = (৫ × ৪) ÷ (৯ × ৪) = ২০ ÷ ৩৬
চতুর্থ ভগ্নাংশ = (৭ × ৩) ÷ (১২ × ৩) = ২১ ÷ ৩৬
সুতরাং,
সবচেয়ে বড় লব হলো ২৭ যা দ্বিতীয় ভগ্নাংশ থেকে এসেছে
উত্তর: ৩÷৪
সঠিক উত্তর: D) সোডিয়াম সিলিকেট
কেন সঠিক:
- সাবান তৈরির সময় সোডিয়াম সিলিকেট বা ওয়াটার গ্লাস যুক্ত করলে সাবান দ্রুত শক্ত হয় এবং এর ক্ষয় রোধ হয়।
- এটি সাবানের আর্দ্রতা ধরে রাখতে এবং মান বজায় রাখতে ফিলার হিসেবে কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সোডিয়াম কার্বনেট — এটি ওয়াশিং সোডা নামে পরিচিত এবং পানি মৃদু করতে ব্যবহৃত হয়, সাবান শক্ত করতে নয়।
B) সোডিয়াম সালফেট — এটি সাবান তৈরিতে ফিলার হিসেবে ব্যবহার করা হলেও তা সাবান শক্ত করার প্রধান উপাদান নয়।
C) সোডিয়াম ক্লোরাইড — সাধারণ লবণ সাবান তৈরিতে গ্লিসারল আলাদা করতে বা সল্টিং আউট প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
D) সোডিয়াম সিলিকেট — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সাবানকে শক্ত ও টেকসই করতে সরাসরি সাহায্য করে।
মনে রাখার টিপস:
সাবান শক্ত করতে সিলিকেট ব্যবহার করা হয়, এটি এভাবে মনে রাখা যায় যে সিলিকা বা বালু যেমন শক্ত, সোডিয়াম সিলিকেটও সাবানকে তেমনি শক্ত করে।
সঠিক উত্তর: A) গাজীপুরে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানাটি গাজীপুর জেলার রাজেন্দ্রপুরে অবস্থিত।
- এটি দেশের একমাত্র সরকারি কারখানা যেখানে সামরিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ তৈরি করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) গাজীপুরে — এটি সঠিক কারণ একমাত্র সমরাস্ত্র কারখানাটি এখানেই অবস্থিত।
B) ঢাকা জেলায় — ঢাকা জেলার বাইরে গাজীপুরে অবস্থিত হওয়ায় এটি ভুল।
C) চট্টগ্রাম জেলায় — চট্টগ্রাম বন্দর নগরী হলেও এখানে প্রধান সমরাস্ত্র কারখানা নেই।
D) রাজশাহী জেলায় — রাজশাহী বিখ্যাত হলেও এখানে এই কারখানাটি অবস্থিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
অস্ত্র বা সমরাস্ত্র তৈরির কারখানা বললেই গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর কথাটি মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) চট্টগ্রাম
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বিদেশ থেকে আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেল এই শোধনাগারের মাধ্যমে পরিশোধন করে দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটানো হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঢাকায় — ঢাকা দেশের রাজধানী ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হলেও এখানে কোনো জ্বালানি তৈল শোধনাগার নেই।
B) চট্টগ্রাম — এটি সঠিক উত্তর কারণ বাংলাদেশের একমাত্র প্রধান তেল শোধনাগারটি এখানেই অবস্থিত।
C) খুলনায় — খুলনা একটি শিল্পাঞ্চল হলেও এখানে কোনো জ্বালানি তৈল শোধনাগার নেই।
D) সিলেটে — সিলেটে গ্যাসক্ষেত্র ও খনিজ তেল পাওয়া গেলেও সেখানে কোনো তেল শোধনাগার নেই।
মনে রাখার টিপস:
তেল আমদানির প্রধান বন্দর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর, তাই জ্বালানি তৈল শোধনাগারটিও চট্টগ্রামে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: D) গাজীপুর
কেন সঠিক:
- তালিবাবাদ ভূউপগ্রহ কেন্দ্রটি বাংলাদেশের গাজীপুর জেলায় অবস্থিত।
- এটি দেশের টেলিযোগাযোগ ও সম্প্রচার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নরসিংদী — এটি তালিবাবাদ অবস্থিত এমন জেলা নয়, এটি তাঁতশিল্পের জন্য বিখ্যাত।
B) খুলনা — এটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের একটি জেলা, যেখানে তালিবাবাদ অবস্থিত নয়।
C) দিনাজপুর — এটি উত্তরাঞ্চলের একটি জেলা এবং তালিবাবাদের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক সংযোগ নেই।
D) গাজীপুর — এটিই তালিবাবাদের সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান।
মনে রাখার টিপস:
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে তালিবাবাদ ভূউপগ্রহ কেন্দ্র অবস্থিত, এটি এভাবে মনে রাখতে পারেন যে টেলিযোগাযোগ কেন্দ্রটি ঢাকার কাছেই গাজীপুরে অবস্থিত।
সঠিক উত্তর: C) ১৯৮২ সালে
কেন সঠিক:
- গাজীপুর জেলার তালিবাবাদে অবস্থিত এই ভূ-কেন্দ্রটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র।
- আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থার সাথে দেশের যোগাযোগ উন্নত করতে এটি ১৯৮২ সালের ২২ অক্টোবর চালু করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৮০ সালে — এই সালে তালিবাবাদ উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র চালু হয়নি, এটি ভুল সাল।
B) ১৯৮১ সালে — এই বছরও কেন্দ্রটির আনুষ্ঠানিক চালুর সাল নয়।
D) ১৯৯৩ সালে — এই সালে দ্বিতীয় উপগ্রহ ভূ-কেন্দ্র বেতবুনিয়ায় বা অন্য কোনো সম্প্রসারণ হতে পারে, কিন্তু তালিবাবাদ চালু হয় ১৯৮২ সালে।
মনে রাখার টিপস:
স্বাধীনতার পর টেলিকমিউনিকেশন উন্নয়নে আশির দশকের শুরুতে অর্থাৎ ১৯৮২ সালে তালিবাবাদ কেন্দ্রটি চালু হয়।
সঠিক উত্তর: C) নাসিরাবাদ
কেন সঠিক:
- ব্রিটিশ আমলে ময়মনসিংহ জেলার নামকরণ করা হয়েছিল নাসিরাবাদ।
- বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার নামানুসারে অথবা তৎকালীন এক শাসকের নামানুসারে এই নাম রাখা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জালালাবাদ — এটি বর্তমান সিলেট জেলার প্রাচীন নাম।
B) ইসলামাবাদ — এটি চট্টগ্রাম জেলার প্রাচীন নাম।
C) নাসিরাবাদ — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং ময়মনসিংহ জেলার পূর্ব নাম।
D) সিংহগ্রাম — এটি ময়মনসিংহের কোনো প্রাচীন নাম নয়।
মনে রাখার টিপস:
ময়মনসিংহের পূর্বে থাকা নাসিরকে মনে রাখলেই নাসিরাবাদ নামটি সহজে মনে থাকবে।
সঠিক উত্তর: A) ইসলাম খাঁন
কেন সঠিক:
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে মোগল সেনাপতি ইসলাম খাঁন চিশতী ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করে এর নাম রাখা হয় জাহাঙ্গীরনগর।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ইসলাম খাঁন — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, কারণ তিনি ১৬১০ সালে ঢাকায় প্রথম মোগল রাজধানী স্থাপন করেছিলেন।
B) শায়েস্তা খাঁন — তিনি বাংলার অন্যতম বিখ্যাত সুবেদার ছিলেন যিনি পরবর্তীতে ঢাকা শাসন ও সৌন্দর্যবর্ধন করেন, রাজধানী স্থাপন করেননি।
C) ইব্রাহীম খাঁন — তিনি ইসলাম খাঁনের পর বাংলার সুবেদার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, রাজধানী স্থানান্তরের সাথে সম্পর্কিত নন।
D) মীর জুমলা — তিনি আওরঙ্গজেবের আমলে বাংলার সুবেদার ছিলেন এবং আসাম ও কুচবিহার জয় করেছিলেন, রাজধানী স্থাপন করেননি।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেছেন ইসলাম খাঁন, নামের সাথে মিল রেখে এভাবে মনে রাখতে পারেন যে ইসলাম ধর্মে কোনো কিছু প্রতিষ্ঠা বা শুরু করার সময় প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়।
সঠিক উত্তর: C) হাইগ্রোমিটার
কেন সঠিক:
- হাইগ্রোমিটার হলো এমন একটি বৈজ্ঞানিক যন্ত্র যার সাহায্যে বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত জলীয় বাষ্প বা আর্দ্রতার পরিমাণ নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা হয়।
- আবহাওয়া বিজ্ঞান এবং দৈনন্দিন আবহাওয়ার পূর্বাভাস প্রদানে বায়ুর আর্দ্রতা নির্ধারণের জন্য এই যন্ত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণভাবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) এ্যাভোমিটার — এটি মূলত বিভিন্ন বৈদ্যুতিক পরিমাপ যেমন কারেন্ট, ভোল্টেজ ও রোধ মাপার একটি বহুল ব্যবহৃত যন্ত্র।
B) ব্যারোমিটার — এই যন্ত্রটি বায়ুর আর্দ্রতা নয়, বরং বায়ুমণ্ডলীয় চাপ বা বায়ুচাপ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
C) হাইগ্রোমিটার — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি বায়ুর আর্দ্রতা পরিমাপের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রাসঙ্গিক ও নির্ভুল।
D) অ্যামিটার — এটি বৈদ্যুতিক সার্কিটে তড়িৎ প্রবাহ বা কারেন্টের মাত্রা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
আর্দ্রতা মাপার যন্ত্রের নাম মনে রাখতে হাইগ্রো শব্দের হাইদ্রো বা জলীয় অংশের সঙ্গে যন্ত্রের নাম মিলিয়ে হাইগ্রোমিটার মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: B) উরুগুয়ে
কেন সঠিক:
- ১৯৩০ সালে ফিফা বিশ্বকাপের প্রথম আসর বসেছিল উরুগুয়েতে এবং স্বাগতিক দল হিসেবে তারা ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে প্রথম চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
- ওই টুর্নামেন্টের ফাইনাল ম্যাচটি উরুগুয়ের রাজধানী মোন্তেভিদেও শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ব্রাজিল — ব্রাজিল ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করলেও সেবার চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি, তারা পরে ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়।
B) উরুগুয়ে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়, কারণ উরুগুয়েই ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের স্বাগতিক ও চ্যাম্পিয়ন দল।
C) ফ্রান্স — ফ্রান্স ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপে খেললেও সেবার তারা গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয় এবং অনেক পরে ১৯৯৮ ও ২০১৮ সালে চ্যাম্পিয়ন হয়।
D) ইংল্যান্ড — ইংল্যান্ড ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপসহ ফিফার প্রথম তিনটি আসরে অংশ নেয়নি এবং তারা প্রথম বিশ্বকাপ জেতে ১৯৬৬ সালে।
মনে রাখার টিপস:
বিশ্বকাপ ফুটবলের শুভসূচনা যেখানে, প্রথম চ্যাম্পিয়নও সে দেশ অর্থাৎ ১৯৩০ সালে স্বাগতিক উরুগুয়েই প্রথম শিরোপা জিতেছিল।
প্রশ্নের ধরন: ইতিহাস ও ঐতিহাসিক ঘটনা
সঠিক উত্তর: A) ১৯৩০ সালে
কেন সঠিক:
- ফিফার উদ্যোগে ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে ফুটবল বিশ্বকাপের প্রথম আসর অনুষ্ঠিত হয়।
- উরুগুয়ে দল ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে প্রথম বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৩০ সালে — এটি বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রথম আসর চালুর সঠিক সাল হওয়ায় এটি সঠিক উত্তর।
B) ১৯৩১ সালে — এই সালে বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয়নি এবং এটি সঠিক সাল নয়।
C) ১৯৩২ সালে — এই বছর কোনো ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়নি কারণ এটি বিশ্বকাপের বছর নয়।
D) ১৯৩৪ সালে — এটি ফুটবল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় আসর যা ইতালিতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
মনে রাখার টিপস:
১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হয়।
সঠিক উত্তর: D) ২৩ জোড়া
কেন সঠিক:
- সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের কোষে মোট ৪৬টি বা ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে।
- এর মধ্যে ২২ জোড়া অটোসোম এবং ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম বা লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮ জোড়া — এটি মানুষের স্বাভাবিক ক্রোমোজোম সংখ্যা নয়, এটি ভুল তথ্য।
B) ২০ জোড়া — এটি মানুষের ক্রোমোজোম সংখ্যার সঠিক হিসাব নয়।
C) ২২ জোড়া — এটি কেবল অটোসোমের সংখ্যা, লিঙ্গ নির্ধারণকারী ক্রোমোজোম বাদে।
D) ২৩ জোড়া — এটি মানুষের কোষে অবস্থিত মোট ক্রোমোজোমের সঠিক জোড়া সংখ্যা।
মনে রাখার টিপস:
মানুষের ক্রোমোজোম জোড়া মনে রাখতে সংখ্যাটি মনে রাখুন ২৩, যার দ্বিগুণ অর্থাৎ ৪৬ হলো মোট ক্রোমোজোম সংখ্যা।
সঠিক উত্তর: A) নাইট্রোজেন
কেন সঠিক:
- নাইট্রোজেন উদ্ভিদের ক্লোরোফিল অণুর প্রধান গঠন উপাদান, যার অভাবে ক্লোরোফিল উৎপাদন ব্যাহত হয়।
- ক্লোরোফিল কমে যাওয়ার কারণে পাতার সবুজ রঙ নষ্ট হয়ে হলুদ বা পীত বর্ণ ধারণ করে, যাকে ক্লোরোসিস বলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) নাইট্রোজেন — গাছের পাতা পীত বর্ণ ধারণ করার প্রধান কারণ এই মৌলের অভাব।
B) ম্যাগনেসিয়াম — ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে পাতা হলুদ হয়, তবে সাধারণত পাতার শিরাগুলোর মধ্যবর্তী অংশ বেশি হলুদ হয়।
C) আয়রন — আয়রনের অভাবে প্রধানত কচি পাতার ক্লোরোসিস বা হলুদ বর্ণ দেখা দেয়, সার্বিক পাতার পীত বর্ণ নাইট্রোজেনের অভাবে ঘটে।
D) পটাশিয়াম — পটাশিয়ামের অভাবে পাতার কিনারা পুড়ে যায় বা বাদামী বর্ণ ধারণ করে, যা নাইট্রোজেনের মতো পীত বর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
নাইট্রোজেনের অভাবে পাতার সবুজ ভাব নষ্ট হয়ে হলুদ বা পীত বর্ণ হয়।
সঠিক উত্তর: D) প্লিহায়
কেন সঠিক:
- লোহিত রক্তকণিকার আয়ুষ্কাল শেষ হলে প্লিহা প্রধানত সেগুলোকে ভেঙে ফেলে এবং হিমোগ্লোবিন থেকে বিলিরুবিন তৈরি করে।
- প্লিহাকে লোহিত রক্তকণিকার graveyard বা শ্মশান বলা হয়, কারণ এখানেই পুরনো রক্তকণিকা ধ্বংস হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কিডনীতে — কিডনি রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ ফিল্টার করে মূত্র তৈরি করে, বিলিরুবিন তৈরি করে না।
B) যকৃতে — যকৃতে বিলিরুবিন তৈরি হয় না, তবে প্লিহা থেকে আসা বিলিরুবিন যকৃতে এসে পিত্তরসের সাথে মিশে দেহ থেকে নিষ্কাশিত হয়।
C) পিত্তথলিতে — পিত্তথলি কেবল যকৃতে উৎপাদিত পিত্তরস জমা রাখে ও ঘন করে, বিলিরুবিন তৈরি করে না।
D) প্লিহায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
রক্ত ভেঙে বিলিরুবিন হয় প্লিহায়, আর পিত্তে মিশে দেহ থেকে বের হয় যকৃতে।
সঠিক উত্তর: D) বায়ুচাপ
কেন সঠিক:
- বায়ুমণ্ডলের চাপের তারতম্যের ওপর আবহাওয়ার পরিবর্তন সরাসরি নির্ভর করে।
- বায়ুচাপ কমলে বা বাড়লে আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি পরিবর্তিত হয়, যা দিয়ে আবহাওয়া অনুমান করা যায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জলবায়ু — এটি দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার গড় অবস্থা, যা দিয়ে হঠাৎ পরিবর্তন জানা যায় না।
B) আর্দ্রতা — এটি বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বোঝায়, যা আবহাওয়ার একটি উপাদান মাত্র।
C) বৃষ্টিপাত — এটি আবহাওয়ার একটি ফলাফল, যা বায়ুর চাপের পরিবর্তনের কারণে ঘটে থাকে।
D) বায়ুচাপ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর তারতম্য থেকেই মূলত আবহাওয়ার অবস্থা জানা যায়।
মনে রাখার টিপস:
আবহাওয়া বদলের মূল চাবিকাঠি হলো বায়ুর চাপের কমবেশি হওয়া।
সঠিক উত্তর: A) অ্যাসকরবিক এসিড
কেন সঠিক:
- অ্যাসকরবিক এসিড হলো ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম, যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
- এটি পানিতে দ্রবণীয় একটি ভিটামিন এবং এর অভাবে প্রধানত স্কার্ভি রোগ হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অ্যাসকরবিক এসিড — এটি ভিটামিন সি এর মূল রাসায়নিক নাম বিধায় এটি সঠিক উত্তর।
B) সাইট্রিক এসিড — এটি লেবু, কমলা ও বিভিন্ন টক জাতীয় ফলে পাওয়া যায়, যা ভিটামিন সি নয়।
C) অ্যসিটিক এসিড — এটি মূলত ভিনেগারের প্রধান উপাদান এবং এর রাসায়নিক ব্যবহার ভিন্ন।
D) অক্সালিক এসিড — এটি পালং শাক ও টমেটোতে পাওয়া এক ধরনের জৈব যৌগ।
মনে রাখার টিপস:
ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম মনে রাখতে স্কি (Scurvy - Ascorbic) কথাটি মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: C) অ্যালুমিনিয়াম
কেন সঠিক:
- ভূত্বকে বা ভূপৃষ্ঠে ওয়ান জিওকেমিক্যাল উপাদানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি থাকা ধাতব মৌল হলো অ্যালুমিনিয়াম, যার পরিমাণ প্রায় আট শতাংশ।
- সামগ্রিক বিবেচনায় অক্সিজেন ও সিলিকন বেশি থাকলেও তারা ধাতু নয়, অধাতু ও অপধাতু; তাই ধাতুর মধ্যে অ্যালুমিনিয়াম প্রথম।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তামা — তামা একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাতু হলেও ভূত্বকে এর পরিমাণ অ্যালুমিনিয়ামের তুলনায় অনেক কম।
B) দস্তা — দস্তা বা জিংক ভূত্বকে প্রাপ্ত ধাতুগুলোর মধ্যে পরিমাণে বেশ কম এবং এটি প্রধান ধাতু হিসেবে শীর্ষে নয়।
C) অ্যালুমিনিয়াম — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক এবং অন্যান্য ধাতুর তুলনায় ভূত্বকে এর উপস্থিতি সর্বাধিক।
D) সীসা — সীসা একটি ভারী ধাতু এবং ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগে এর পরিমাণ অত্যন্ত নগণ্য।
মনে রাখার টিপস:
মাটিতে মেটালের মধ্যে এগিয়ে অ্যালুমিনিয়াম, মনে রাখুন এম দিয়ে অ্যালুমিনিয়াম আর এম দিয়ে মেটাল বা ধাতু।
সঠিক উত্তর: B) কঠিন পদার্থে
কেন সঠিক:
- কঠিন পদার্থের অণুগুলোর পারস্পরিক দূরত্ব কম থাকায় স্থিতিস্থাপকতা বেশি হয় এবং শব্দ দ্রুত সঞ্চালিত হতে পারে।
- পদার্থের ঘনত্ব ও অণুর বিন্যাসের ওপর শব্দের বেগ নির্ভর করে, যা কঠিন মাধ্যমে সবচেয়ে অনুকূল পরিবেশ পায়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শূন্যতায় — শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম প্রয়োজন, কিন্তু শূন্যতায় কোনো মাধ্যম বা অণু না থাকায় শব্দ চলতে পারে না।
B) কঠিন পদার্থে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) তরল পদার্থে — তরলের অণুগুলোর দূরত্ব কঠিনের চেয়ে বেশি হওয়ায় শব্দের গতি কঠিনের তুলনায় কম হয়।
D) বায়বীয় পদার্থ — বায়বীয় পদার্থের অণুগুলো অনেক দূরে থাকে, তাই এতে শব্দের গতি সবচেয়ে কম হয়।
মনে রাখার টিপস:
কঠিন মাধ্যমে অণু কাছাকাছি থাকে বলে শব্দ দ্রুত ছুটে চলে।
সঠিক উত্তর: A) সাদা
কেন সঠিক:
- সাদা রঙ সমস্ত দৃশ্যমান আলো প্রতিফলিত করে এবং তাপ শোষণ করে না।
- আলোর শোষণ কম হওয়ায় সাদা রঙের বস্তু কম গরম হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাদা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই রঙের বস্তুর তাপ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে কম।
B) কালো — এটি ভুল কারণ কালো রঙের বস্তু সব আলো শোষণ করে এবং তাপ সবচেয়ে বেশি শোষণ করে।
C) বেগুনি — এটি ভুল কারণ এটি সাদা বা হালকা রঙের তুলনায় বেশি তাপ শোষণ করে।
D) হলুদ — এটি ভুল কারণ এটি সাদা রঙের তুলনায় বেশি তাপ শোষণ করে।
মনে রাখার টিপস:
গরমের দিনে সাদা পোশাক পরলে আরাম লাগে কারণ সাদা রঙ তাপ শোষণ না করে প্রতিফলিত করে।
সঠিক উত্তর: D) পক প্রণালী
কেন সঠিক:
- পক প্রণালী ভারত ও শ্রীলংকাকে পৃথক করেছে এবং বঙ্গোপসাগরকে পক উপসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে।
- ভৌগোলিক অবস্থানগতভাবে এই জলরাশিটি ভারত ও শ্রীলংকার মধ্যবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ডোভার প্রণালী — এটি যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে পৃথক করেছে এবং আটচল্লিশ থেকে উত্তর সাগরকে যুক্ত করেছে।
B) বেরিং প্রণালী — এটি এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।
C) মালাক্কা প্রণালী — এটি মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপকে পৃথক করেছে।
D) পক প্রণালী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভারত ও শ্রীলংকাকে পৃথক করেছে।
মনে রাখার টিপস:
ভারত ও শ্রীলংকাকে পৃথককারী প্রণালী মনে রাখতে শ্রীলংকার ক্রিকেটারের নাম পক বা পাক এর সঙ্গে মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: B) বৃহস্পতি
কেন সঠিক:
- বৃহস্পতি সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে আকারে এবং ভরে সবচেয়ে বড় গ্রহ।
- এর আয়তন এবং ভর পৃথিবীর তুলনায় বহুগুণ বেশি হওয়ায় একে বৃহত্তম গ্রহ বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বুধ — এটি সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ এবং সূর্যের সবচেয়ে কাছের গ্রহ, তাই বৃহত্তম নয়।
B) বৃহস্পতি — এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ।
C) মঙ্গল — এটিকে লাল গ্রহ বলা হয় এবং এটি আকৃতিতে ছোট, তাই বৃহত্তম গ্রহ নয়।
D) শক্র — এটি কোনো গ্রহের নাম নয়, তাই এটি সঠিক উত্তর হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
সৌরজগতের গ্রহগুলোর মধ্যে আকারে সবার ওপরে বা বড় হলো বৃহস্পতি।
সঠিক উত্তর: C) ১১টি
কেন সঠিক:
- ১৯৭১ সালের ১১ই জুলাই অনুষ্ঠিত সেক্টর কমান্ডারদের বৈঠকে সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- সুচারুভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং সামরিক কৌশল গ্রহণের জন্যই এই সেক্টর বিভাজন করা হয়েছিল।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৮টি — এটি ভুল কারণ মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে প্রাথমিক পরিকল্পনা অন্যরকম থাকলেও চূড়ান্তভাবে সেক্টর সংখ্যা আটটি ছিল না।
B) ৯টি — এটি ভুল কারণ কোনো সময়ই বাংলাদেশকে নয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়নি।
D) ১২টি — এটি ভুল কারণ সেক্টর বা সাব-সেক্টরের সংখ্যা কোনো পর্যায়েই বারোটি নির্ধারণ করা হয়নি।
মনে রাখার টিপস:
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে ১১ সংখ্যাটি মনে রাখুন, কারণ ১১ জন সেক্টর কমান্ডার পুরো দেশকে ১১টি ভাগে পরিচালনা করেছিলেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৯০ সালে
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশে প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন এক্সচেঞ্জ চালু হয় ১৯৯০ সালের ১৪ আগস্ট।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থায় অ্যানালগ যুগ থেকে ডিজিটাল যুগে প্রবেশ ঘটে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৯০ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল।
B) ১৯৯১ সালে — এই সালে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়, যা টেলিফোন ব্যবস্থার চালুর সাল নয়।
C) ১৯৯২ সালে — এটি প্রথম ডিজিটাল টেলিফোন চালুর সাল নয়, যদিও এই সময়ে তথ্যপ্রযুক্তিতে কিছু উন্নয়ন হয়েছিল।
D) ১৯৯৩ সালে — এই সালে বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট সংযোগ চালু হয়, যা ডিজিটাল টেলিফোন চালুর পরের ঘটনা।
মনে রাখার টিপস:
নব্বইয়ের দশকের শুরুর বছরে (১৯৯০) বাংলাদেশ প্রথম ডিজিটালের ছোঁয়া পায় টেলিফোনে।
সঠিক উত্তর: B) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য
কেন সঠিক:
- এটি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রসমাজ ও জনগণের বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা স্মরণে নির্মিত একটি বিখ্যাত ভাস্কর্য।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত এই ভাস্কর্যটির স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রকর্ম — এটি কোনো দ্বিমাত্রিক ছবি বা চিত্রকর্ম নয়, বরং ত্রিমাত্রিক ভাস্কর্য।
B) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য — প্রদত্ত উত্তরটি সঠিক কারণ এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে নির্মিত একটি ভাস্কর্য।
C) মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ম্যুরালচিত্র — এটি দেয়ালগাত্রের কোনো ম্যুরাল বা নকশাকৃত চিত্রশিল্প নয়।
D) একটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক স্থাপনা — এটি কেবল সাধারণ কোনো অবকাঠামো বা স্থাপনা নয়, সুনির্দিষ্টভাবে একটি ভাস্কর্য শিল্পকর্ম।
মনে রাখার টিপস:
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলা ভাস্কর্যটি মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত এবং এর স্থপতি সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।
প্রশ্নের ধরন: বাংলাদেশ বিষয়াবলি
সঠিক উত্তর: A) ১৯৭৪
কেন সঠিক:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে প্রথম বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৭৪ — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে এবং একই বছরে জাতিসংঘে বাংলায় ভাষণ দেওয়া হয়।
B) ১৯৭৫ — এই সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেনি, এটি ১৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের বছর।
C) ১৯৭৬ — এই সালটি জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, এটি অন্য কোনো ঐতিহাসিক ঘটনার বছর।
D) ১৯৭৭ — এই সালটি বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্য হয়।
সঠিক উত্তর: C) ট্রিগভেলি
কেন সঠিক:
- ট্রিগভেলি ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি নরওয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং সংস্থার প্রতিষ্ঠালগ্নে নেতৃত্ব দেন।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কফি আনান — তিনি জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন, প্রথম নন।
B) হ্যামারশোল্ড — দাগ হ্যামারশোল্ড জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব ছিলেন।
D) বান কি মুন — বান কি মুন জাতিসংঘের অষ্টম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মনে রাখার টিপস:
প্রথম মহাসচিব ট্রিপল ট্রাই বা ট্রিগভেলি দিয়ে মনে রাখতে পারেন।
সঠিক উত্তর: A) ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর
কেন সঠিক:
- ইউনেসকো ১৯৪৫ সালের ১৬ নভেম্বর লন্ডনে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত।
- জাতিসংঘর এই বিশেষায়িত সংস্থাটি শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতির প্রসারের মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৪৫ সালে — এই সালেই সংস্থাটির সংবিধান গৃহীত হয় এবং ইউনেসকো প্রতিষ্ঠিত হয়।
B) ১৯৪৬ সালে — এই সালে ইউনেসকোর প্রথম সাধারণ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং এর সংবিধান কার্যকর হয়।
C) ১৯৪৭ সালে — এই সালে ইউনেসকো জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থায় রূপ লাভ করে এবং এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
D) ১৯৪৮ সালে — এই সালে ইউনেসকো সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা প্রচারের সঙ্গে যুক্ত ছিল তবে এটি প্রতিষ্ঠার সাল নয়।
মনে রাখার টিপস:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক পরপরই অর্থাৎ ১৯৪৫ সালে শিক্ষার আলো ছড়াতে ইউনেসকো গঠিত হয়।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)