সঠিক উত্তর: D) মিশ্র বাক্য
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে একটি প্রধান বা স্বাধীন খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
এখানে যে-ই এবং সে-ই শব্দ দুটি সাপেক্ষ সর্বনাম হিসেবে ব্যবহার হয়ে একটি বাক্যকে অন্য বাক্যের ওপর নির্ভরশীল করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মিশ্র বা জটিল বাক্যে সাধারণত যো যখন, যে সে, যদি তবে, যিনি তিনি ইত্যাদি সাপেক্ষ জোড় শব্দ ব্যবহৃত হয়।
এই বাক্যে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে যার একটি অন্যটির পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশের জন্য অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যে পরিশ্রম করবে, সে-ই সফল হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে যে এবং সে সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার বাক্যটিকে মিশ্র বাক্যে রূপান্তর করেছে।
উদাহরণ ২: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব।
ব্যাখ্যা: শর্তমূলক এই বাক্যে যদি এবং তবে যুক্ত হয়ে আশ্রিত ও প্রধান খণ্ডবাক্যের সম্পর্ক তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যা এখানে নেই।
B) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।
C) মৌলিক বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক বাক্য নামে কোনো বাক্যরীতি নেই, এটি সরল বাক্যের সমার্থক হতে পারে।
D) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে সাপেক্ষ সর্বনামের সাহায্যে একটি প্রধান ও একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য যুক্ত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে যদি যে, যাঁরা, যখন, যদি, যারা ইত্যাদি শব্দ থাকে এবং মাঝখানে সে, তাঁরা, তখন, তবে, তারা থাকে, তবে চোখ বুজে সেটিকে মিশ্র বা জটিল বাক্য চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণে সাপেক্ষ সর্বনামের উপস্থিতি চেনা সবচেয়ে সহজ কৌশল।
একই রকম বাক্যে যদি এবং তবে অথবা যে এবং সে থাকলে তা সবসময় মিশ্র বা জটিল বাক্য হবে।
সঠিক উত্তর: B) শেষলেখা
১. কেন সঠিক:
- ‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি’ লাইনটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনের কাব্যগ্রন্থ ‘শেষলেখা’র অন্তর্গত একটি বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- অসুস্থ অবস্থায় রচিত এই কবিতায় কবির জীবনদর্শন, সৃষ্টিশীলতা এবং মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আত্মোপলব্ধির এক গভীর সুর প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ‘শেষলেখা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর প্রকাশিত (১৯৪১ সালে) একটি অন্তিম কাব্যগ্রন্থ।
- এটি কবির মৃত্যুর মাত্র কয়েক মাস আগে ও মৃত্যুর সময়ে রচিত কবিতার সংকলন, যেখানে তার আধ্যাত্মিক চিন্তা ও জীবনাবসানের আবহ স্পষ্ট।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘রোগশয্যায়’ কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসুস্থ অবস্থায় রচিত একটি অন্তিম পর্যায়ের কবিতা সংকলন, যা ‘শেষলেখা’র সমসাময়িক।
উদাহরণ ২: ‘জন্মদিন’ কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের শেষভাগে রচিত আরও একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা তার অন্তিম পর্বের সৃষ্টি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পূরবী — এই কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের মধ্য বা পরিণত পর্যায়ের রচনা, যা শেষ জীবনের অন্তিম কাব্য ‘শেষলেখা’ নয়।
B) শেষলেখা — এটি সঠিক উত্তর।
C) আকাশ প্রদীপ — এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোতে মূলত কবির শৈশব ও স্মৃতিকথার আবহ বেশি দেখা যায়।
D) সেঁজুতির — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর বিষয়বস্তু ও সময়কাল শেষলেখার অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের জীবনের একেবারে শেষ রচনাগুলোর জন্য ‘শেষলেখা’ কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখবে।
- শেষ বয়সে লেখা শেষ কবিতা মানেই শেষলেখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষলেখা’ কাব্যগ্রন্থটি তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির শেষ দিকের কাব্যগ্রন্থগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) সূর্য দীঘল বাড়ী
১. কেন সঠিক:
- 'জয়গুন' হলো বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কালজয়ী চরিত্র, যা আবু ইসহাক রচিত 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র।
- গ্রামীণ সমাজের কঠোর দারিদ্র্য, সামাজিক গোঁড়ামি এবং পুরুষতান্ত্রিক শোষণের বিরুদ্ধে এক সংগ্রামী মায়ের অদম্য লড়াইয়ের প্রতীক হলো এই জয়গুন চরিত্রটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের রচয়িতা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক আবু ইসহাক, যা ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত এবং এর পটভূমি হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও পঞ্চাশের মন্বন্তর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কানু মিয়া
ব্যাখ্যা: কানু মিয়া হলো 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের একটি পরিচিত চরিত্র, যিনি জয়গুনের জীবনের নানা ঘটনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
উদাহরণ ২: মাজেদা
ব্যাখ্যা: মাজেদা চরিত্রটিও এই উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং গ্রামীণ অবহেলিত নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জননী — এই অপশনটি ভুল কারণ 'জননী' উপন্যাসটি শওকত ওমানের লেখা, যার কেন্দ্রীয় চরিত্র জয়গুন নয়।
B) সূর্য দীঘল বাড়ী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী প্রযোজ্য এবং সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
C) সারেং বৌ — এই অপশনটি ভুল কারণ 'সারেং বৌ' উপন্যাসটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত এবং এর প্রধান চরিত্র নবিতুন।
D) হাজার বছর ধরে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসটি জহির রায়হান রচিত এবং এর প্রধান চরিত্র টুনি ও আমেনা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সূর্য দীঘল বাড়ীর জয়গুনকে মনে রাখতে 'সূর্যের আলোয় জয়গুন জ্বলে ওঠে' এই ছোট্ট সূত্রটি মাথায় রাখতে পারো।
- উপন্যাসের নাম এবং লেখকের নাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ করলে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়ানো যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের চরিত্র থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রধান চরিত্রগুলো আলাদা করে নোট করা জরুরি।
- একই লেখকের অন্য বিখ্যাত রচনা এবং তাদের প্রকাশকাল ভালোভাবে দেখে যাওয়া পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়।
সঠিক উত্তর: A) সমাস
১. কেন সঠিক:
- নবান্ন শব্দটি সমাস প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়েছে এবং এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
- নব যে অন্ন = নবান্ন, যেখানে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা মধ্যপদটি সমস্ত পদে লুপ্ত পায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সমস্ত পদে সম্পূর্ণভাবে লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
- নতুন ধানের চাল দিয়ে তৈরি অন্ন বা নতুন অন্ন বোঝাতে এই সমাস সাধিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে মাঝের চিহ্নিত পদটি লোপ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: পল মিশ্রিত অন্ন = পನ್ನ
ব্যাখ্যা: মাঝের মিশ্রিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ নবান্ন একটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
B) সন্ধি — নব যোগ অন্ন মিলে নবান্ন হলেও এটি ব্যাকরণগতভাবে সমাসের নিয়মেই প্রধানত আলোচিত হয়।
C) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের শেষে যুক্ত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে অর্থ পরিবর্তন করে, যা নবান্ন শব্দে ঘটেনি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নতুন অন্ন সমান নবান্ন মনে রাখলে এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হিসেবে সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
- পরীক্ষার হলে খাবারের নাম বা বিশেষ উৎসবের নাম থাকলে তা সাধারণত মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ হিসেবে নবান্ন শব্দটি খুব বেশি আসে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ এবং ব্যাসবাক্যের গঠন ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) পাকা আম
১. কেন সঠিক:
- 'পক্ব' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পরিপক্ক বা যা সম্পূর্ণভাবে তৈরি বা রসে ভরপুর হয়েছে।
- আমের ক্ষেত্রে 'পাকা' শব্দটি ফল হিসেবে তার পরিপক্কতা এবং খাওয়ার উপযোগী অবস্থাকে অর্থাৎ 'পক্ব' অবস্থাকে সরাসরি প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা শব্দভান্ডারে দেশি, তদ্ভব ও তৎসম শব্দের ভিন্নতার কারণে একই শব্দের বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ পায়।
- 'পাকা' একটি বহুর্থক শব্দ যা বিশেষ বিশেষ বিশেষ্য পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাকা ধান
ব্যাখ্যা: ধানের ক্ষেত্রে পাকা শব্দটি তার পরিপক্কতা বা পক্ব অবস্থাকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: পাকা পেঁপে
ব্যাখ্যা: পেঁপের ক্ষেত্রে পাকা শব্দটি ফল হিসেবে তার পক্ব বা খাওয়ার উপযোগী অবস্থাকে নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকা বাড়ি — এখানে পাকা শব্দটি ইঁটু, সিমেন্ট ও সুরকি দিয়ে নির্মিত স্থায়ী স্থাপনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, যা পক্ব অর্থে নয়।
B) পাকা রং — এখানে পাকা শব্দটি দীর্ঘস্থায়ী বা টেকসই রঙ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, পক্ব অর্থে নয়।
C) পাকা কাজ — এখানে পাকা শব্দটি দক্ষ বা পাকা পোক্ত কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, যা পক্ব অর্থে নয়।
D) পাকা আম — এই অপশনটি সঠিক কারণ আম ফলের পরিপক্কতা বা পক্ব অবস্থাকে নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফলমূলের ক্ষেত্রে পাকা মানে পক্ব বা পরিপক্ক।
- ইমারত বা রঙের ক্ষেত্রে পাকা মানে স্থায়ী বা পোক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বহুরূপী বা বহুর্থক শব্দের ক্ষেত্রে বিশেষ্যের সাথে বিশেষণের প্রয়োগ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপ ও অর্থের ভিন্নতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) পদাশ্রিত নির্দেশক
১. কেন সঠিক:
যেসব শব্দ বা প্রত্যয় পদের সাথে যুক্ত হয়ে পদের নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা, একবচন বা বহুবচন বোঝায়, সেগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
টা, টি, খানা, খানি ইত্যাদি শব্দমূল বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে পদাশ্রিত নির্দেশক মূলত নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক শব্দাংশ। বিশেষ্য পদের সাথে এরা যুক্ত হয়ে বচন ও নির্দেশক ভাব প্রকাশ করে।
এগুলো সাধারণত শব্দের শেষে বসে এবং সংখ্যাবাচক শব্দের সাথেও ব্যবহৃত হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বইটি টেবিলের ওপর রাখা আছে
ব্যাখ্যা: এখানে বই শব্দের সাথে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি বইকে বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: কলমটা আমাকে দাও
ব্যাখ্যা: এখানে কলম শব্দের সাথে টা যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি কলমকে নির্দেশ করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদাশ্রিত নির্দেশক — এটি সঠিক উত্তর কারণ টা, টি, খানা নির্দিষ্টতা বোঝাতে পদের সাথে বসে।
B) প্রকৃতি — শব্দ বা ধাতুর মূলরূপকে প্রকৃতি বলে, যা টা, টি, খানা নয়।
C) বিভক্তি — শব্দের সাথে কারক বোঝাতে যা যুক্ত হয় তা বিভক্তি, কিন্তু পদাশ্রিত নির্দেশক আলাদা শব্দাংশ।
D) উপসর্গ — শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে উপসর্গ, কিন্তু টা, টি শব্দের পরে বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেকোনো পদের শেষে বসে নির্দিষ্টতা বোঝালে তাকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলবে। মনে রাখবে টা, টি, খানা, খানি, টুকুটুকু হলো এর প্রধান রূপ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদাশ্রিত নির্দেশক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে খানা ও খানি সাধারণত স্ত্রীবাচক বা বস্তুবাচক শব্দের সাথে বেশি ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) সংস্কৃত উপসর্গ
১. কেন সঠিক:
- প্র, পরা এবং অপ হলো সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ যা সাধারণত সংস্কৃত ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে এই তিনটি হলো প্রাচীন ও মূল সংস্কৃত উপসর্গ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না কিন্তু অন্য শব্দের প্রথমে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
- বাংলা ব্যাকরণে মোট কুড়িটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ রয়েছে যার মধ্যে প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নিবি, দুস্, বি ইত্যাদি অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রহার
ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গটি হারের পূর্বে বসে আঘাত করা অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: অপমান
ব্যাখ্যা: এখানে অপ উপসর্গটি মানের পূর্বে বসে অসম্মান বা অবমূল্যায়ন অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা উপসর্গ — প্র, পরা, অপ শব্দগুলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয় কারণ বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি এবং এর মধ্যে এগুলো অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) সংস্কৃত উপসর্গ — এটি সঠিক কারণ এই তিনটি উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
C) বিদেশি উপসর্গ — প্র, পরা, অপ বিদেশি ভাষা যেমন আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি থেকে আসেনি বরং এগুলো সংস্কৃত উৎসের।
D) উপসর্গ স্থানীয় অব্যয় — এই শব্দগুলো শুধু অব্যয় নয় বরং নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়মে উপসর্গ হিসেবে কাজ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি মনে রাখার জন্য প্রথম তিনটি উপসর্গ হলো প্র, পরা, অপ।
- প্র দিয়ে শুরু হওয়া শব্দগুলো সাধারণত তৎসম বা সংস্কৃত উৎসের হয়ে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ সংখ্যা ও উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি এটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- ভানু সিংহ ঠাকুরের পদাবলী বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ গীতি কবিতা সংকলন যার রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাত্র ষোলো বছর বয়সে মৈথিলি ভাষার অনুকরণে ভানুসিংহ ছদ্মনামে এই পদগুলি রচনা করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অবিসংবাদিত দিকপাল যিনি গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ভানু সিংহ ঠাকুরের পদাবলী মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত হলেও এতে রবীন্দ্রনাথের নিজস্ব প্রতিভার অনন্য প্রকাশ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মরণ রে তুহুঁ মম শ্যাম সমান
ব্যাখ্যা: এটি ভানু সিংহ ঠাকুরের পদাবলীর একটি বিখ্যাত পদ যেখানে মৃত্যুকে শ্যাম বা কৃষ্ণের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: হৃদয় বাসনা তোমারি পূরিবে
ব্যাখ্যা: এটিও একই সংকলনভুক্ত একটি বিখ্যাত পদ যা বৈষ্ণবীয় প্রেমের ভাবধারায় রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি একজন জনপ্রিয় বাঙালি অভিনেতা ও হাস্যরসাত্মক শিল্পী ছিলেন, কোনো সাহিত্যিক বা পদাবলীর রচয়িতা নন।
B) চণ্ডীদাস — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম বিখ্যাত কবি হলেও ভানু সিংহ ঠাকুরের পদাবলীর রচয়িতা নন।
D) ভারতচন্দ্র বস — এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন কারণ অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ছিলেন ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর, ভানু সিংহ ঠাকুরের পদাবলীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ছিল ভানুসিংহ এবং তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ বনফুল।
- ভানু সিংহ নামটির সঙ্গে সিংহ শব্দ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে এটি রবীন্দ্রনাথের ছদ্মনামের পদাবলী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত ছদ্মনাম ভানুসিংহ এবং তাঁর অন্য ছদ্মনামগুলিও ভালো করে পড়ে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস
১. কেন সঠিক:
- পদ দুটির মধ্যে পারস্পরিক বা একই জাতীয় ক্রিয়ার পারস্পরিক বোঝানো হলে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
- লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই, তা বুঝাতে 'লাঠালাঠি' শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং এটি পারস্পরিক আঘাত বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝানো হয়।
- ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসে একই শব্দের দ্বিরুক্তি ঘটে এবং পারস্পরিক ক্রিয়া বা সংঘাত প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোলাকুলি
ব্যাখ্যা: কোলে কোলে যে মিলন, যা পারস্পরিক ভাব বিনিময়ের অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: হাতাহাতি
ব্যাখ্যা: হাতে হাতে যে লড়াই, যা পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে সংঘটিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ বা প্রা-াদি শব্দের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয় তাকে প্রাদি সমাস বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস — এটি সঠিক উত্তর।
C) তৎপুরুষ সমাস — যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে, কিন্তু লাঠালাঠি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
D) কর্মধারয় সমাস — যেখানে বিশেষণ পদের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয়ে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ না করে পরপদের অর্থই প্রধান থাকে, তা কর্মধারয় সমাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পারস্পরিক বোঝাতে যদি কোনো শব্দের দ্বিরুক্তি ঘটে এবং লড়াই বা মিলনের অর্থ প্রকাশ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিহার বহুব্রীহি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লাঠালাঠি, কোলাকুলি, গলাগলি শব্দগুলো এই সমাসের সবচেয়ে ভালো উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: C) আত্মজৈবনিক উপন্যাস
কেন সঠিক:
- এই গ্রন্থটিতে লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনার সত্য বিবরণ এবং উপন্যাসের উপাদান সুন্দরভাবে মিশে আছে।
- এটি কাঙালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছদ্মনামে হরিনাথ মজুমদার বা কাঙাল হরিনাথ রচিত একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আত্মজৈবনিক উপন্যাস হলো এমন একটি সাহিত্যকর্ম যেখানে লেখকের নিজের জীবনের ছায়া কোনো কাল্পনিক কাহিনীর আড়ালে প্রকাশিত হয়।
- বাংলা সাহিত্যে উনিশ শতকের সামাজিক চিত্র এবং লেখকের আত্মজীবনীর সংমিশ্রণে এই ধারাটি বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।
- কাঙাল হরিনাথের ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’ গ্রন্থে তার জীবনের নানা সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) নাটক — এটি কোনো দৃশ্যকাব্য বা অভিনয়ের উপযোগী নাটক নয়।
- B) কাব্য — এটি ছন্দে রচিত কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়।
- C) আত্মজৈবনিক উপন্যাস — এই অপশনটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য।
- D) গীতিকবিতার সংকলন — এটি কোনো সুর বা গানধর্মী কবিতার বই নয়।
মনে রাখার টিপস:
- কাঙাল হরিনাথের আত্মজীবনীর কথা মনে রাখলেই উদাসীন পথিকের মনের কথা উপন্যাসটি চেনা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: A) মৃত্যুক্ষুধা
১. কেন সঠিক:
মৃত্যুক্ষুধা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসে কলকাতার দরিদ্র ও নিম্নবর্গ মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং তাদের বেঁচে থাকার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম প্রধানত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু সার্থক উপন্যাস রচনা করেছেন।
তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে বাঁধন হারা এবং কুহেলিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঁধন হারা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত পত্রযোগাযোগের মাধ্যমে রচিত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কুহেলিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক উপন্যাস যেখানে প্রেমের সঙ্গে রাজনৈতিক আদর্শের দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) আলেয়া — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গীতি নাট্য বা নৃত্যনাট্য, কোনো উপন্যাস নয়।
C) ঝিলিমিলি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত নাটক, যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।
D) মধুমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গীতি নাট্য বা রূপক নাট্য, উপন্যাস নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের প্রধান তিনটি উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো বাকযু মনে রাখা যেখানে বা মানে বাঁধন হারা কু মানে কুহেলিকা এবং মৃ মানে মৃত্যুক্ষুধা।
এই সংক্ষিপ্ত কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উপন্যাসগুলো সহজে আলাদা করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের উপন্যাস ও নাটকের নাম মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
তাই নাটক ও উপন্যাসের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের ধরন সংক্রান্ত। বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় তাঁর সাহিত্যিক জীবনে 'বনফুল' ছদ্মনাম ব্যবহার করে বহু প্রখ্যাত ছোটগল্প ও উপন্যাস লিখেছেন।
বাংলা সাহিত্যে মূলত ছোটগল্পকার হিসেবে তাঁর খ্যাতি থাকলেও তিনি একাধারে চিকিৎসক, ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন প্রাতস্মরণীয় লেখক যিনি বনফুল ছদ্মনামে পরিচিত। তাঁর লেখায় সূক্ষ্ম মানবিক অনুভূতি, জীবনবোধ এবং বিজ্ঞানের ছোঁয়া পাওয়া যায়।
তিনি মূলত আকারে ছোট অথচ গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ব্যঙ্গাত্মক ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প রচনার জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বহুরূপী
ব্যাখ্যা: এটি বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় বা বনফুলের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটগল্প যা মানুষের বহুরূপী চরিত্রের ওপর আলোকপাত করে।
উদাহরণ ২: ডানা
ব্যাখ্যা: এটি বনফুল রচিত একটি বিখ্যাত বৃহৎ উপন্যাস যেখানে নানা চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রমথ চৌধুরী — ইনি বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে পরিচিত এবং চলিত রীতির প্রবক্তা, তাই এটি ভুল।
B) বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) যতীন্দ্রমােহন বাগচী — ইনি একজন বিশিষ্ট প্রকৃতিবাদী কবি, তাঁর কোনো বিখ্যাত ছদ্মনাম নেই।
D) মােহিতলাল মজুমদার — ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচক ও কবি, যাঁর সাহিত্যিক নাম বা ছদ্মনাম সত্যসুন্দর দাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
বনফুলের ব এবং বলাইচাঁদের ব মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন। বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায়ের আসল নামেই বনফুল নামটির সূত্র রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বনফুলের আসল নাম বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় এবং প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল—এটি বহুবার পরীক্ষায় এসেছে।
সঠিক উত্তর: C) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
১. কেন সঠিক:
'সাজাহান' নাটকটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। ১৯০৯ সালে প্রকাশিত এই ঐতিহাসিক নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় বাংলা নাট্যসাহিত্যে ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক নাটকের জন্য বিখ্যাত। তার রচিত 'সাজাহান' নাটকে মোগল আমলের পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও রাজনৈতিক ইতিহাস ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের 'সাজাহান' নাটক
ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক নাটক যেখানে সাজাহান চরিত্রের ট্র্যাজেডি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের 'মেবার পতন' নাটক
ব্যাখ্যা: এটিও তার একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক যা রাজপুতদের বীরত্ব ও ইতিহাস নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুলসী লাহিড়ী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও অভিনেতা হলেও 'সাজাহান' নাটকের রচয়িতা নন।
B) ক্ষীরােদপ্রসাদ বিদ্যাবিনােদ — তিনি পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক নাটকের জন্য পরিচিত হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন।
C) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকের প্রকৃত রচয়িতা।
D) বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় — বনফুল ছদ্মনামে পরিচিত এই সাহিত্যিক ছোটগল্প ও উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
ডিএল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকগুলো মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি সাজাহান, চন্দ্রগুপ্ত ও মেবার পতন এর মতো বিখ্যাত নাটক লিখেছেন। নাট্যকার হিসেবে তিনি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় নামেই সর্বাধিক পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক নাটক থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের 'সাজাহান' ও 'চন্দ্রগুপ্ত' নাটক দুটির নাম এবং রচয়িতা খুব ভালো করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আনন্দময়ীর আগমনে
কেন সঠিক:
- এই কবিতাটি ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে দেশপ্রেম ও বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়েছিল।
- ব্রিটিশ রাজশক্তি এই লেখার মধ্যে তীব্র রাজদ্রোহিতা খুঁজে পায় এবং কবিকে কারাদণ্ড দেয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও প্রতিবাদী কবিতা যা বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী চেতনার এক অনন্য নিদর্শন।
- ব্রিটিশ জমানায় প্রকাশিত এই রচনার জন্য নজরুল প্রথমবার কারাবরণ করেছিলেন।
- উদাহরণস্বরূপ, ১৯২২ সালে প্রকাশিত 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতার জন্য কবিকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বিদ্রোহী — এটি নজরুলের বিখ্যাত কবিতা হলেও এর জন্য তিনি কারাবরণ করেননি।
- B) প্রলয়োল্লাস — এটি অগ্নিবীণা কাব্যের কবিতা হলেও এটি কারাবরণের সরাসরি কারণ ছিল না।
- C) আনন্দময়ীর আগমনে — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) নারী — এটি সাম্যবাদী চেতনার কবিতা এবং এর সাথে কারাবরণের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের কারাবরণের সাথে আনন্দময়ী শব্দটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৫
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর। বাঙালি জাতির ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির গবেষণা এবং প্রসারের উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে।
২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা:
এটি মূলত একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে টিকিয়ে রাখা এবং এর উন্নয়নের জন্য এই একাডেমি প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রতি বছর অমর একুশে বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই মেলার সাথে বাংলা একাডেমির ইতিহাস ও বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন গভীরভাবে যুক্ত।
উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ব্যাখ্যা: এটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠালগ্নের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৪ — এই সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বাংলা একাডেমির প্রস্তাবিত আইন পাস হওয়ার প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হলেও প্রতিষ্ঠা ১৯৫৫ সালে হয়।
B) ১৯৫৫ — এটি বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল এবং এর ঐতিহাসিক ভিত্তি অত্যন্ত সুদৃঢ়।
C) ১৯৫৬ — এই সালে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল, তবে একাডেমি প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
D) ১৯৫৭ — এই সালে বাংলা একাডেমি অ্যাক্ট পাস হয় এবং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ব্যবধান মনে রাখলে সালটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার সাল, এর প্রথম মহাপরিচালক এবং বর্ধমান হাউসের নাম প্রায়ই আসে। একই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানের সালগুলো আলাদা করে নোট করে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কমলে কামিনী
কেন সঠিক:
- কমলে কামিনী নাটকটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্র।
- এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি উল্লেখযোগ্য নাটক।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দীনবন্ধু মিত্র মূলত উনিশ শতকের সমাজসচেতন নাট্যকার হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- তাঁর রচনার মধ্যে সামাজিক নাটকের পাশাপাশি পৌরাণিক ও প্রহসনমূলক নাটকের নিদর্শনও রয়েছে।
- নীলদর্পণ তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত এবং ঐতিহাসিক নাটক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কমলে কামিনী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র।
- B) চক্ষুদান — এই গ্রন্থ বা নাটকটির রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র নন, এটি অন্য লেখকের সৃষ্টি।
- C) বিধবা বিবাহ — বিদ্যাসাগর মহাশয় বিধবা বিবাহ আইন প্রচারে এবং এই সম্পর্কিত রচনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- D) ভদ্রার্জুন — ভদ্রার্জুন নাটকটির রচয়িতা হলেন তারাচরণ শিকদার, যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত নাটক।
মনে রাখার টিপস:
- দীনবন্ধু মিত্র বললেই মাথায় রাখতে হবে নীলদর্পণ নাটকের নাম।
- কমলে কামিনী তাঁর কম পরিচিত একটি পৌরাণিক নাটক।
সঠিক উত্তর: B) ১৮০১ সালে
১. কেন সঠিক:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮০০ সালের ৪ঠা জুলাই, কিন্তু এর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরের বছর বাংলা বিভাগ খোলা হয়।
লর্ড ওয়েলেসলির উদ্যোগে এবং উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে এই বিভাগে দেশীয় ভাষার চর্চা শুরু হয়েছিল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনাপর্ব এবং গদ্যচর্চার বিকাশের ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সিভিলিয়ানদের দেশীয় ভাষা ও সংস্কৃতিতে দক্ষ করে তোলা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরি রচিত কথোপকথন।
ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রকাশনা এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে একটি মাইলফলক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত বাতত্রিশ সিংহাসন।
ব্যাখ্যা: এটিও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের নির্দেশে রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা গদ্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০০ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলা বিভাগ খোলা হয়নি।
B) ১৮০১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা বিভাগ চালু হয়।
C) ১৮০২ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগে বিশেষ কোনো নতুন বিভাগ খোলার ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই।
D) ১৮০৪ সালে — এই সালের মধ্যে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হয়েছিল, প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কলেজ প্রতিষ্ঠার সালটি হলো ১৮০০ আর তার ঠিক এক বছর পর অর্থাৎ ১৮০১ সালে খোলা হয় বাংলা বিভাগ।
এই দুটি সালের পার্থক্য মনে রাখলেই পরীক্ষার বিভ্রান্তি দূর করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি।
এই ধরনের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রশ্নগুলোতে প্রতিষ্ঠার সাল এবং বিভাগ খোলার সাল প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) এজেন্ট
১. কেন সঠিক:
এজেন্ট শব্দটি সরাসরি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং দাপ্তরিক বা ব্যবসায়িক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
ইংরেজি Agent শব্দের অর্থ প্রতিনিধি বা মধ্যস্থতাকারী, যা বাংলায় পারিভাষিক বা সরাসরি রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।
ইংরেজি ভাষা থেকে আগت শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দের একটি অংশ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং দাপ্তরিক কাজে এদের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিস
ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি Office শব্দ থেকে আগত একটি অতি পরিচিত বিদেশি শব্দ।
উদাহরণ ২: ব্যাংক
ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি Bank শব্দ থেকে বাংলায় এসেছে এবং দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইন — এটি ফার্সি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, ইংরেজি ভাষা থেকে নয়।
B) দাখিল — এটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, যা দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হয়।
C) এজেন্ট — এটি সঠিক উত্তর।
D) মুচলেকা — এটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, যা আইনগত ও দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি ভাষার শব্দ চেনার উপায় হলো সাধারণত এগুলোতে বিদেশি উচ্চারণ ও বানරের ভিন্নতা থাকে। অফিস, ব্যাংক, এজেন্ট জাতীয় শব্দগুলো দেখলে ইংরেজি উৎস হিসেবে ধরে নেওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে, তা আলাদা করে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) নাটক
১. কেন সঠিক:
'নেমেসিস' একটি বিখ্যাত আধুনিক বাংলা নাটক।
এটি বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত নাট্যকার নূরুল মোমেন রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার নাটক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নূরুল মোমেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন।
'নেমেসিস' নাটকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন কালোবাজারি, মুনাফাখোরি এবং মানুষের নৈতিক অবক্ষয় অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নূরুল মোমেন রচিত অপর একটি নাটক 'نعمت' বা 'ರೂپ' কিংবা অন্যান্য সামাজিক নাটক।
ব্যাখ্যা: এটি নাট্যকারের নাট্যকার হিসেবে আত্মপ্রকাশের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরী রচিত 'কবর' নাটক।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত অত্যন্ত প্রভাবশালী বাংলা নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — 'নেমেসিস' কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত একটি সফল নাটক।
B) নাটক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নূরুল মোমেন রচিত একটি সুপরিচিত নাটক।
C) উপন্যাস — এটি কোনো দীর্ঘ কল্পকাহিনি বা উপন্যাস নয়, বরং মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী নাটক।
D) গীতিকবিতা — এটি গীতল বা সংগীতাশ্রয়ী কোনো কবিতা নয়, বরং সংলাপনির্ভর নাটক।
৫. মনে রাখার টিপস:
নেমেসিস নাটকটি মনে রাখতে মোমেন ও নৈতিক অবক্ষয় কথাটি মনে রাখুন।
লেখক নূরুল মোমেন নাটকে নেমেসিস তথা প্রতিশোধের রূপ দেখিয়েছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাট্যকার নূরুল মোমেন এবং তাঁর 'নেমেসিস' নাটক প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
বাংলা সাহিত্যের আধুনিক নাটকের ধারা মনে রাখতে এই নাটকটির নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: A) মদনমােহন তর্কালঙ্কার
কেন সঠিক:
১. এই বিখ্যাত পঙক্তিটি উনিশ শতকের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক মদনমােহন তর্কালঙ্কারের লেখা শিশুপাঠ্য কবিতা থেকে সংগৃহীত হয়েছে।
২. তাঁর রচিত বিখ্যাত শিশুশিক্ষা গ্রন্থ 'শিশুপাঠ' প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগে এই ধরনের সহজ ও সুন্দর প্রকৃতিভিত্তিক পঙক্তি স্থান পেয়েছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি বাংলা শিশুসাহিত্যের আদিযুগের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পঙক্তি যা ভোরবেলার প্রাকৃতিক পরিবেশকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে।
২. উনিশ শতকে শিশুদের মধ্যে নৈতিক শিক্ষা এবং প্রকৃতিচেতনা জাগিয়ে তোলার উদ্দেশ্যে এই ধরনের সহজ ছন্দের কবিতা রচনার ধারা শুরু হয়।
৩. মদনমােহন তর্কালঙ্কারের 'পাখি সব করে রব রাতি পােহাইল / কাননে কুসুম কলি সকল ফুটিল' এই কবিতার অংশটি বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মদনমােহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি শিশুশিক্ষা গ্রন্থ ও নীতিগর্ভ কবিতার জন্য বিখ্যাত।
B) রামনারায়ণ তর্করত্ন — তিনি মূলত একজন নাট্যকার হিসেবে পরিচিত এবং কুলীনকুলসর্বস্ব তাঁর বিখ্যাত নাটক।
C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত এবং মূলত গীতিকবিতা ও রোমান্টিক ধারার কবি ছিলেন।
D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি নীতিশিক্ষা ও উপদেশমূলক কবিতা রচনার জন্য বিখ্যাত এবং তাঁর মূল গ্রন্থ সদভাবশতক।
মনে রাখার টিপস:
১. সকালের পাখি ডাকলে মদনমােহন তর্কালঙ্কারের শিশুপাঠ বইয়ের কথা মনে রাখবে।
২. ছোটবেলার পাঠ্যবইয়ের এই বিখ্যাত লাইনটি মদনমােহন তর্কালঙ্কারের অমর অবদান হিসেবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) কৃষ্ণনগর রাজসভা
কেন সঠিক:
১. কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর আঠারো শতকের মধ্যভাগে নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভায় একজন অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রভাবশালী সভাকবি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
২. রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি তাঁর অমর সৃষ্টি অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন এবং এই বিশেষ অবদানের জন্যই তিনি রাজসভায় গুণাকর উপাধিতে ভূষিত হন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে মধ্যযুগের সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শেষ ও শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
২. তাঁর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্যের তিনটি অংশ রয়েছে এবং এর মধ্যে সত্যপীরের কথা ও বিদ্যাসুন্দরের উপাখ্যান বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
৩. তাঁর রচনার বিখ্যাত পীরিতি সংক্রান্ত একটি অমর পংক্তি হলো আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে, যা তৎকালীন সমাজচিত্রের এক অনন্য বাস্তব রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরাকান রাজসভা — এই রাজসভার সাথে আলাওল এবং দৌহক কাজেম আল কোরেশীর মতো প্রখ্যাত মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের গভীর সম্পর্ক ও সাহিত্যচর্চার ইতিহাস জড়িত।
C) রাজা গণেশের রাজসভা — পঞ্চদশ শতকের এই রাজসভার সাথে রাজনৈতিক উত্থান পতন ও কৃত্তিবাস ওহারার মতো আদি রামায়ণ অনুবাদের ঐতিহাসিক ঘটনা যুক্ত রয়েছে।
D) লক্ষ্মণ সেনের রাজসভা — দ্বাদশ শতকের এই বিখ্যাত রাজসভায় জয়দেব, উমাপতিধর এবং শরণের মতো বিখ্যাত সংস্কৃত ভাষার কবিরা অলকৃত করতেন।
মনে রাখার টিপস:
১. ভারতচন্দ্র নামের শেষে গুণাকর উপাধি আছে এবং তিনি কৃষ্ণনগর রাজসভার কবি ছিলেন, তাই এটি মনে রাখতে ভারত ও কৃষ্ণনগর এই দুটি শব্দ জোড়া হিসেবে মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) কর্মবাচ্যের ধাতু
১. কেন সঠিক:
কর্মবাচ্যের ধাতু হলো সেই ধাতু, যার মূল বা আদি রূপ কর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এবং বাক্যে কর্মপদটি যখন কর্তার স্থান দখল করে বা কর্মই যখন প্রধান হয়ে ওঠে, তখন যে ধাতু গঠিত হয়।
এখানে 'যা কিছু হারায়' বাক্যাংশে 'হারায়' ক্রিয়াটি নিজে নিজে বা কর্তার ইচ্ছায় ঘটে না, বরং কর্মের ওপর নির্ভর করে আপনাআপনি ঘটা বোঝাচ্ছে বলে এটি কর্মবাচ্যের ধাতু।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ধাতু প্রধানত তিন প্রকার, যথা মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু ও সংযোজক ধাতু।
সাধিত ধাতু আবার কয়েকটি ভাগে বিভক্ত, যেমন কর্মবাচ্যের ধাতু, নাম ধাতু ও প্রযোজক ধাতু।
কর্মবাচ্যের ধাতুর ক্ষেত্রে বাক্যের কর্মপদটিই কর্তার মতো আচরণ করে এবং কর্মের রূপই প্রধান হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাঠ্যপুস্তক ছাপার কাজ শেষ হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে 'শেষ হলো' বা কাজটি নিজে নিজে সম্পন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে, যা কর্মবাচ্যের ধাতুর উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কাজটি ভালো দেখায় না।
ব্যাখ্যা: এখানে দেখায় শব্দটি কর্মের বিশেষ অবস্থার প্রকাশ ঘটায়, যা কর্মবাচ্যের ধাতুর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মবাচ্যের ধাতু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে কর্মের প্রধান্য ও আপনাআপনি ঘটা বোঝাচ্ছে।
B) ভাব বাচ্যের ধাতু — ভাব বাচ্যের ধাতুতে বাক্যে কর্তার অনুপস্থিতি বা ভাবের প্রকাশ থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) সংযােগমূলক ধাতু — বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে কর, হ, দে, পা ইত্যাদি ধাতু যুক্ত হয়ে সংযোজক ধাতু গঠিত হয়, যা এখানে হয়নি।
D) নাম ধাতু — বিশেষ্য, বিশেষণ বা সর্বনামের সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত করে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে নাম ধাতু বলে, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যে কর্তা উহ্য বা নিষ্ক্রিয় থেকে যদি কর্ম নিজে নিজেই সম্পন্ন হয় এমন বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে কর্মবাচ্যের ধাতু দাগাবে।
স্মরণে রাখবে, হারানো, জড়ানো, কাটা বা ধোয়া এই জাতীয় শব্দগুলো সাধারণত কর্মবাচ্যের ধাতুর অন্তর্ভুক্ত হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্য ও ধাতু থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
নিয়ম মনে রাখার সহজ উপায় হলো ক্রিয়াপদটি নিজে ঘটছে নাকি অন্য কারো দ্বারা বা আপনাআপনি ঘটছে তা খেয়াল করা।
সঠিক উত্তর: A) দ্বিজ কানাই
১. কেন সঠিক:
- ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত বিখ্যাত ‘মহুয়া’ পালার মূল রচয়িতা হলেন দ্বিজ কানাই।
- এই পালাটিতে মহুয়া ও নদের চাঁদের প্রেমের করুণ কাহিনী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পালা হলো মহুয়া।
- পালাটি ষোড়শ শতাব্দীর পটভূমিতে রচিত এবং বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা যার সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে।
উদাহরণ ২: চন্দ্রাবতী পালা
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি চন্দ্রাবতীর জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে এটি রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজ কানাই — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মহুয়া পালার মূল রচয়িতা।
B) মনসুর বয়াতী — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্য একটি বিখ্যাত পালা ‘কমলা রানীর সাগর দীঘি’র রচয়িতা।
C) নয়নচাঁদ ঘােষ — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার বিখ্যাত ‘দস্যু কেনারামের পালা’ রচনা করেছেন।
D) দ্বিজ ঈশান — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার ‘মহুয়া’ পালার সঙ্গে সম্পর্কিত নন বরং অন্য পালার সঙ্গে যুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মহুয়া পালাটির শুরুতে 'ম' আছে এবং এর রচয়িতাও 'দ্বিজ কানাই' যার নামের শেষে 'আই' ধ্বনি আছে।
- এভাবে মহুয়া ও দ্বিজ কানাই জুটি মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ময়মনসিংহ গীতিকা লোকসাহিত্যের একটি অমূল্য সংগ্রহ যা ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন কর্তৃক সম্পাদিত।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ময়মনসিংহ গীতিকার বিভিন্ন পালার রচয়িতার নাম প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: D) ব্রাসি হ্যালহেড
১. কেন সঠিক:
ব্রাসি হ্যালহেড ১৭৭৮ সালে বাংলায় প্রথম ব্যাকরণ বই 'এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ' প্রকাশ করেন।
এই বইটিতে প্রথমবার চার্লস উইলকিন্সের তৈরি বাংলা টাইপ বা সিসা দিয়ে মুদ্রিত বাংলা হরফ ব্যবহার করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ন্যাথানিয়াল ব্রাসি হ্যালহেড ছিলেন একজন ব্রিটিশ প্রাচ্যবিদ ও সাহিত্যিক।
তার রচিত এই ব্যাকরণ গ্রন্থটি হুগলি প্রেসে মুদ্রিত হয় এবং এটি বাংলা মুদ্রণ ইতিহাসের একটি মাইলফলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা: এটি ব্রাসি হ্যালহেড রচিত প্রথম মুদ্রিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: চার্লস উইলকিন্স
ব্যাখ্যা: তিনি প্রথম বাংলা মুদ্রণের জন্য সিসার হরফ বা বাংলা টাইপ তৈরি করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্যার উইলিয়াম জোনস — তিনি এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা হলেও বাংলা টাইপে ব্যাকরণ মুদ্রণ করেননি।
B) স্যার উইলিয়াম কেরি — তিনি শ্রীরামপুর মিশন প্রেসের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং অনেক গ্রন্থ প্রকাশ করলেও প্রথম বাংলা টাইপে ব্যাকরণ মুদ্রক নন।
C) রাজীব লােচন মুখােপাধ্যায় — তিনি একজন প্রাচীন বাংলা গদ্য লেখক ছিলেন, ব্যাকরণ মুদ্রণের সাথে যুক্ত ছিলেন না।
D) ব্রাসি হ্যালহেড — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম বাংলা টাইপ সহযােগে ব্যাকরণ মুদ্রণ করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
হ্যালহেডের হাতেই প্রথম মুদ্রিত হলো বাংলা ব্যাকরণের সিসার হরফ।
হ দিয়ে হ্যালহেড এবং হরফ বা হ্যালহেডের ব্যাকরণ এভাবে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা মুদ্রণ শিল্পের জনক চার্লস উইলকিন্স এবং প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা ব্রাসি হ্যালহেড।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসায় দুজনের নাম আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অক্ষয়কুমার দত্ত
১. কেন সঠিক:
- অক্ষয়কুমার দত্ত তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম সহকারী সম্পাদক এবং পরে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- উনিশ শতকে বাংলা গদ্যের বিকাশ এবং বিজ্ঞানমনস্ক প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে এই পত্রিকা ও সম্পাদকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তত্ত্ববোধিনী সভা ও পত্রিকার মুখপত্র হিসেবে ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে প্রবর্তিত এই পত্রিকা বাংলা ভাষা ও সমাজের সংস্কারে বিরাট অবদান রেখেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্ষয়কুমার দত্তের বিখ্যাত গ্রন্থ চারুপাঠ।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম জনপ্রিয় ও নীতিশিক্ষা মূলক প্রাথমিক পাঠ্যবই।
উদাহরণ ২: তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ পদার্থবিদ্যা।
ব্যাখ্যা: বাংলায় বিজ্ঞান শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে রচিত এটি একটি অগ্রণী গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি ছিলেন সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক, যা উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান সংবাদপত্রের একটি।
B) অক্ষয়কুমার দত্ত — তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাস রচনা করেন এবং মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করেন।
D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন, যা বাংলা উপন্যাসের ধারা বদলে দেয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তত্ত্ববোধিনী মানেই অক্ষয়কুমার দত্ত এবং বঙ্গদর্শন মানেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই দুটি নাম এভাবে মনে রাখবে।
- উনিশ শতকের সাময়িকপত্র মনে রাখার জন্য সম্পাদক ও পত্রিকার নাম জোড়ায় জোড়ায় নোট করে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা কোন সনে প্রকাশিত হয় এই প্রশ্নটি বহু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে, উত্তর হলো ১৮৪৩ সাল।
- সাময়িকপত্র থেকে বিসিএস পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে, তাই প্রধান পত্রিকাগুলোর সম্পাদকের নাম মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) বৃত্রসংহার
১. কেন সঠিক:
- বৃত্রসংহার একটি সার্থক মহাকাব্য।
- মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর বিশাল পরিসর, স্বর্গীয় বা পৌরাণিক কাহিনীর বিন্যাস এবং গম্ভীর ভাষা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বৃত্রসংহার কাব্যটি পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি ধ্রুপদী মহাকাব্য।
- এই মহাকাব্যে দেবগণের সঙ্গে বৃত্রাসুরের যুদ্ধের কাহিনীর মাধ্যমে নৈতিকতা ও ধর্মের বিজয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
উদাহরণ ২: মহাশ্মশান
ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ রচিত ঐতিহাসিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবকাশ রঞ্জিনী — এটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত গীতিকাব্য বা লিরিক্যাল কবিতা, মহাকাব্য নয়।
B) বৃত্রসংহার — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি মহাকাব্য।
C) বিরহ বিলাপ — এটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি শোকগাথা বা বিয়োগান্তক কবিতা, মহাকাব্য নয়।
D) বীরাঙ্গনা কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি পত্রকাব্য, মহাকাব্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলার মিলটন বলা হয় এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো বৃত্রসংহার মহাকাব্য।
- মহাকাব্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো হেমচন্দ্রের মহা বৃত্রসংহার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা মহাকাব্যের নাম এবং রচয়িতাসম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহাকাব্যের নাম এবং মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) আলালের ঘরের দুলাল
১. কেন সঠিক:
- ঠকচাচা চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং লোভী চরিত্র।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক সমাজের নৈতিক অবক্ষয় এবং অসৎ মানুষের স্বরূপ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা টেকচাঁদ ঠাকুর যার আসল নাম পিয়ারিচাঁদ মিত্র।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস যা ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং আলালী ভাষা বা সহজ কথ্য রীতিতে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মতিলাল
ব্যাখ্যা: মতিলাল এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র যে নষ্ট চরিত্রের প্রতীক এবং পিরিতবাবুর চক্রান্তে বিপথগামী হয়।
উদাহরণ ২: বাবুরাম বাবু
ব্যাখ্যা: বাবুরাম বাবু হলেন মতিলালের পিতা যিনি অতিরিক্ত ধনসম্পদের অধিকারী হলেও সন্তানের কুসংসর্গ ও অবহেলার শিকার হন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুতােম প্যাঁচার নকশা — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক নকশা গ্রন্থ।
B) আলালের ঘরের দুলাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ ঠকচাচা চরিত্রটি এই উপন্যাসের সঙ্গেই সরাসরি যুক্ত।
C) সধবার একাদশী — এটি দিনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন যেখানে নিমচাঁদ চরিত্রটি প্রধান।
D) বুড়াে সালিকের ঘাড়ে রো — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি সমাজ সংস্কারমূলক প্রহসন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ঠকচাচা মানেই টেকচাঁদ ঠাকুরের আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাস।
- প্রথম উপন্যাসের ঠক চরিত্র মনে রাখতে টেকচাঁদ ঠাকুরের নাম স্মরণ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের নাম এবং এর রচয়িতার ছদ্মনাম প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
- পিয়ারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর এবং তার বিখ্যাত উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল ভালো করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গিরিশচন্দ্র সেন
১. কেন সঠিক:
ফার্সি ভাষায় রচিত ফরিদ উদ্দীন আত্তার এর বিখ্যাত সুফি জীবনীগ্রন্থ 'তাজকেরাতুল আউলিয়া' বাংলায় অনুবাদ করে 'তাপসমালা' নামে প্রকাশ করেন ভাই গিরিশচন্দ্র সেন।
এই গ্রন্থে ইসলামের প্রখ্যাত অলি ও দরবেশদের জীবনকথা ও বাণী সুন্দর ও সাবলীল বাংলায় তুলে ধরা হয়েছে যা বাংলা অনুবাদ সাহিত্যে অত্যন্ত মূল্যবান।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ভাই গিরিশচন্দ্র সেন উনিশ শতকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি অনুবাদক, সাংবাদিক ও গবেষক যিনি রামকৃষ্ণা মিশনের সাথেও যুক্ত ছিলেন।
তিনি পবিত্র কোরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক এবং তিনি মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতীর সত্যার্থ প্রকাশ সহ বহু ধর্মীয় গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাই গিরিশচন্দ্র সেনের অনূদিত গ্রন্থ 'কোরআন শরীফ'।
ব্যাখ্যা: এটি পবিত্র কোরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদ যা বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য ইসলাম ধর্মকে সহজবোধ্য করেছিল।
উদাহরণ ২: ভাই গিরিশচন্দ্র সেনের রচিত গ্রন্থ 'মহাপুরুষচরিত'।
ব্যাখ্যা: এটি বিভিন্ন ধর্মীয় মনীষীর জীবন নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত জীবনীমূলক সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন্সী আব্দুল লতিফ — ইনি উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট মুসলিম সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন তবে তিনি 'তাপসমালা' রচনা করেননি।
B) কাজী আকরাম হােসেন — ইনি একজন আধুনিক সাহিত্যিক ও গবেষক যার সঙ্গে 'তাজকেরাতুল আউলিয়া' বা 'তাপসমালা' অনুবাদের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
D) শেখ আব্দুল জব্বার — ইনি ইসলামী সাহিত্য ও ধর্মীয় গ্রন্থ রচনার জন্য পরিচিত হলেও 'তাপসমালা' গ্রন্থের অনুবাদক বা রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
তাপসমালা গ্রন্থটির নামের সাথে তাপস বা সাধক শব্দ জড়িত আর সাধক বা অলিদের জীবনী বাংলায় এনেছেন গিরিশচন্দ্র সেন।
গিরিশচন্দ্র সেন মানেই পবিত্র কোরআন অনুবাদ এবং ইসলামি সুফি সাহিত্যের বাংলায় রূপকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে কোরআনের প্রথম অনুবাদক কে এবং তাপসমালা কার রচনা এই দুটি প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত ঘন ঘন আসে।
অনুবাদ সাহিত্য থেকে প্রশ্ন এলে মূল লেখকের নাম এবং অনুবাদকের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: A) মুনতাসীর ফ্যান্টাসী
১. কেন সঠিক:
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসী নাটকটির রচিয়তা নাট্যকার সেলিম আল দীন।
- এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে লোকনাট্যের ফর্ম এবং আধুনিক নাট্যরীতির এক সার্থক প্রয়োগ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেলিম আল দীন বাংলা নাট্যসাহিত্যে একুশ শতকের অন্যতম প্রধান নাট্যকার ও গবেষক।
- তিনি বাংলা নাটকে শেকড়ের সন্ধান করেছেন এবং ঐতিহ্যবাহী নাট্যশৈলীকে আধুনিক রূপ দিয়েছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কিত্তনখোলা
ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীনের একটি বিখ্যাত নাটক যা নদীভিত্তিক মানুষের জীবন নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: কেরামত মঙ্গল
ব্যাখ্যা: এটিও সেলিম আল দীনের রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুনতাসীর ফ্যান্টাসী — এটি সেলিম আল দীনের রচিত নাটক বিধায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এই কাব্যনাটকটির রচিয়তা সৈয়দ শামসুল হক, সেলিম আল দীন নন।
C) কবর — এই বিখ্যাত নাটকটির রচিয়তা মুনীর চৌধুরী, যা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রেক্ষাপটে রচিত।
D) বহুব্রীহি — এটি একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটক এবং উপন্যাস যার রচিয়তা হুমায়ূন আহমেদ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সেলিম আল দীন মানেই মুনতাসীর ফ্যান্টাসী, কেরামত মঙ্গল ও কিত্তনখোলা নাটকের অনন্য সৃষ্টি।
- নাট্যকার মনে রাখার জন্য তাঁর প্রধান নাটকগুলোর একটি তালিকা করে বারবার পড়তে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাট্যকার সেলিম আল দীনের নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সৈয়দ শামসুল হক ও মুনীর চৌধুরীর নাটকের নামগুলো ভালোভাবে আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) সিন্ধুহিন্দোল
১. কেন সঠিক:
- 'দারিদ্র্য' কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুলের 'সিন্ধুহিন্দোল' কাব্যের অন্তর্গত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও পরিচিত কবিতা।
- এই কবিতায় কবি অত্যন্ত বাস্তব ও শিল্পসম্মত ভাষায় মানবজীবনের দুঃখ, অভাব এবং সামাজিক বৈষম্যের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একই সঙ্গে সাম্যবাদী চেতনা ও প্রেমের গান গেয়েছেন।
- 'সিন্ধুহিন্দোল' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম, যেখানে রোমান্টিকতা ও দ্রোহের সুর একসঙ্গে মিশে রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস।
ব্যাখ্যা: এটি কবির বিদ্রোহী সত্তার পরিচয় বহন করে এবং বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের একটি বিখ্যাত কবিতা হলো মানুষ।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় মানুষের বড় পরিচয় তার মনুষ্যত্ব, কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাত নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাম্যবাদী — এই কাব্যগ্রন্থে সাম্য, মানবতা ও সর্বহারা মানুষের অধিকার নিয়ে কবিতা রয়েছে, তবে 'দারিদ্র্য' কবিতাটি এখানে অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) বিষের বাঁশী — এটি নজরুলের একটি বিদ্রোহী ও প্রবঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের কাব্যগ্রন্থ, যার বিষয়বস্তু ভিন্ন।
D) নতুন চাঁদ — এটিও নজরুলের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, তবে এর অন্তর্ভুক্তি আলাদা কবিতা দ্বারা গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সিন্ধুর মতো বিশাল ঢেউয়ের মতো দুঃখ বা দারিদ্র্য মনে রাখলে মনে রাখা সহজ হবে যে 'দারিদ্র্য' কবিতাটি 'সিন্ধুহিন্দোল' কাব্যের।
- নজরুলের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখতে ছন্দ বা মিল ব্যবহার করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের কাব্যগ্রন্থ এবং কবিতার নাম মিলকরণ প্রায়ই আসে।
- বিদ্রোহী কবির অন্যান্য প্রধান কাব্যগ্রন্থ যেমন অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী ও সর্বহারা সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) পেরেশান
১. কেন সঠিক:
- পেরেশান শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর অর্থ অস্থির বা বিভ্রান্ত।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ফারসি, আরবি ও তুর্কি শব্দ প্রায়ই আলাদা করতে বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে ফারসি শব্দ অন্যতম প্রধান একটি উৎস।
- ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন প্রশাসনিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চশমা
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যার অর্থ চোখের চশমা বা পশম।
উদাহরণ ২: কারখানা
ব্যাখ্যা: এটি ফারসি শব্দ যা কর্মক্ষেত্র বা উৎপাদনের স্থান বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুসাফির — এটি একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ ভ্রমণকারী বা পথিক।
B) তকদির — এটি একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ ভাগ্য বা কিসমত।
C) পেরেশান — এটি সঠিক ফারসি শব্দ এবং এটিই প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তর।
D) মজলুম — এটি একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ অত্যাচারিত বা নিপীড়িত ব্যক্তি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আবেগ, অবস্থা ও মানসিক ভাব প্রকাশকারী অনেক শব্দ ফারসি হয় যেমন পেরেশান, বদমাশ ও কারখানা।
- ধর্মীয় বা ইসলামি পরিভাষার অধিকাংশ শব্দ আরবি হয় যেমন মুসাফির, তকদির ও মজলুম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয়ের সময় আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হয়।
- পরীক্ষার হলে শব্দগুলোর অর্থ ও প্রচলিত ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা থাকলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
সঠিক উত্তর: A) অতি
১. কেন সঠিক:
- উপসর্গ হলো সেইসব অব্যয়বাচক শব্দ বা শব্দাংশ, যা স্বাধীনভাবে কোনো পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- এখানে অপশনগুলোর মধ্যে কেবল অতি হলো একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা শব্দের পূর্বে বসে অর্থের পরিবর্তন বা নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
- উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, প্রসারণ বা পূর্ণতা সাধন করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অতি + মাত্র = অতিমাত্রা
ব্যাখ্যা: এখানে অতি উপসর্গটি মাত্র শব্দের পূর্বে বসে মাত্রা অতিক্রম করা অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: অতি + খর্ব = অতিকায়
ব্যাখ্যা: এখানে অতি উপসর্গটি খর্ব শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে বিশাল বা বিরাট আকৃতি অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতি — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যা শব্দের প্রথমে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে।
B) থেকে — এটি একটি অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় পদ, যা শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) চেয়ে — এটি একটি অনুসর্গ বা তুলনাবাচক শব্দ, যা দুটি পদের মধ্যে তুলনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) দ্বারা — এটি একটি বিভক্তিযুক্ত অনুসর্গ বা কারক নির্দেশক শব্দ, যা সাধারণত করণ কারকে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি মুখস্থ রাখার জন্য ছড়া ব্যবহার করতে পারো যেমন অঘা, অজ, অনা, আ, আতি, আন, আপ, ইতি ইত্যাদি।
- অনুসর্গগুলো সাধারণত শব্দের পরে বসে আর উপসর্গগুলো সব সময় শব্দের পূর্বে বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ এবং অনুসর্গের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়।
- অপশনে থাকা থেকে, চেয়ে, দ্বারা এগুলো অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়, তাই এগুলো উপসর্গ হতে পারে না।
সঠিক উত্তর: A) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- 'বত্রিশ সিংহাসন' গদ্যগ্রন্থটি বাংলা গদ্যের উনবিংশ শতকের সূচনালগ্নে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার কর্তৃক রচিত হয়।
- এটি মূলত হিন্দি বা অবহট্ঠ ভাষার 'সিংহাসন বাতসী' গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ, যা সংস্কৃত ভাষার প্রভাব ও সাধু রীতির অনুসরণে রচিত হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ছিলেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের একজন প্রধান পন্ডিত ও বিশিষ্ট গদ্যলেখক যিনি সংস্কৃত পন্ডিত হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- তার রচিত অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে 'প্রবোধচন্দ্রিকা', 'রাজাবলী' এবং 'হিতোপদেশ' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যা বাংলা গদ্যসাহিত্যের ইতিহাসে মাইলফলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের 'প্রবোধচন্দ্রিকা'
ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শেষ গ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের পন্ডিতী শৈলীর অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।
উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের 'রাজাবলী'
ব্যাখ্যা: এটি ভারতের ইতিহাসের ওপর রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক গ্রন্থ যা গদ্যে রচিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পন্ডিতই 'বত্রিশ সিংহাসন' গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।
B) রামরাম বসু — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ছিলেন এবং 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' ও 'লিপিমালা' রচনা করেছিলেন।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি উনবিংশ শতকের প্রখ্যাত সংস্কারক ও গদ্যকার যিনি 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' ও 'শকুন্তলা' রচনা করেন।
D) রাজিব লােচন মুখােপাধ্যায় — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং 'মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্ররায়স্য চরিত্রং' গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মৃত্যুঞ্জয়ের সিংহাসন জয়: এভাবে মনে রাখতে পারো যে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার 'বত্রিশ সিংহাসন' রচনা করেছেন।
- পন্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের গদ্য রচনার মাধ্যমেই বাংলা গদ্যের প্রাথমিক রূপ প্রকাশ পায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের রচনা প্রায়ই বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক পরিচিতি অংশে আসে।
- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখলে গদ্যসাহিত্যের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: C) The man who stole my bag was tall
কেন সঠিক:
এখানে Relative Pronoun 'who' ঠিক ব্যক্তির ঠিক পরেই বসেছে, যা সঠিক নিয়ম মেনে বাক্য গঠন করেছে।
Subject এবং Verb এর সঠিক বিন্যাসের কারণে সম্পূর্ণ বাক্যের অর্থ পরিষ্কার ও নির্ভুল হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The man was tall who stole my bag — এখানে Relative Pronoun 'who' তার পূর্ববর্তী Noun থেকে দূরে থাকায় বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট হয়েছে।
B) The man stole my bag who was tall — এখানে 'who was tall' অংশটি ভুল স্থানে বসেছে, কারণ চোর লম্বা ছিল কিন্তু বাক্যটির গঠন অর্থ উল্টে দিয়েছে।
C) সঠিক উত্তর — এটি ইতিমধ্যে সঠিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এর গঠন সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) The man was tall who is stealing tall my bag — এখানে 'is stealing' Present Continuous Tense এবং 'tall' শব্দটি দুইবার ব্যবহার করায় বাক্যটি সম্পূর্ণ অর্থহীন হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যis ব্যক্তিকে নির্দেশ করতে তার ঠিক পরেই 'who' বসাতে হয় এবং Verb সঠিক স্থানে রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) burnt
কেন সঠিক:
বাকyটি Past Continuous Tense এবং Simple Past Tense এর নিয়মে গঠিত হয়েছে। যখন কোনো চলমান কাজের মধ্যে আরেকটি ঘটনা ঘটে, তখন চলমান কাজটি Past Continuous এবং হঠাৎ ঘটে যাওয়া কাজটি Simple Past হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is burring — এটি Present Continuous Tense, যা অতীতকালের ঘটনার সাথে মেলে না এবং বানানটিও ভুল।
B) burnt — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) will burn — এটি Future Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) was burning — দুটি অংশই Past Continuous হতে পারে না কারণ রান্না করার সময় হাত পুড়ে যাওয়ার ঘটনাটি আকস্মিক।
মনে রাখার টিপস:
when এর একটি অংশ Past Continuous হলে অন্য অংশটি সাধারণত Simple Past Tense হয়।
সঠিক উত্তর: A) away
কেন সঠিক:
ঝড়ের কারণে কোনো কিছু উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া বোঝালে 'blow away' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়।
এখানে গাছটিকে ঝড় শিকড়সহ বা ভেঙে উড়িয়ে নিয়ে গেছে বোঝাতে 'away' সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে বসেছে।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এই ফ্রেজাল ভার্বটি সবচেয়ে উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) away — এটি সঠিক উত্তর এবং ঝড়ের তাণ্ডবে কিছু উড়ে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) up — 'blow up' অর্থ বিস্ফোরণ ঘটানো বা রাগে ফেটে পড়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) off — 'blow off' সাধারণত বাষ্প বা চাপ মুক্ত করার ক্ষেত্রে বা হালকা কিছু খসে পড়া বোঝাতে বসে।
D) out — 'blow out' অর্থ বাতাস দিয়ে নিভিয়ে ফেলা, যেমন মোমবাতি নেভানো।
মনে রাখার টিপস:
ঝড় বা বাতাসে কোনো বস্তু উড়ে যাওয়া বোঝালে ہمیشہ 'blow away' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: D) A shop is going to be opened by him
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে 'is going to' থাকায় প্যাসিভ করার সময় 'is going to be' ব্যবহার করতে হয় এবং মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল form বসাতে হয়।
এখানে অবজেক্ট 'a shop' সাবজেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে এবং সঠিক নিয়ম মেনে 'opened' ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is being gone to open a shop — এখানে সাবজেক্ট ভুলভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে।
B) A shop is being gone opened by him — এখানে 'gone' শব্দটির অতিরিক্ত ও ভুল ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
C) A shop will be opened by him — এখানে ভবিষ্যৎকালের সাহায্যকারী verb ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু মূল বাক্যের 'going to' গঠন বাদ দেওয়া হয়েছে।
D) A shop is going to be opened by him — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
'going to' যুক্ত active voice-কে passive করার সময় 'going to be' লিখে মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) Environment
কেন সঠিক:
‘Ecological’ শব্দটি বাস্তুতন্ত্র বা পরিবেশ বিজ্ঞান সংক্রান্ত পড়াশোনার সাথে সরাসরি জড়িত।
এটি মূলত জীবজগৎ এবং তাদের চারপাশের পরিবেশের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
তাই এর সঠিক অর্থ পরিবেশ বা পরিবেশগত বিষয়ের সাথে মিলে যায়।
এটি সামগ্রিক প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার ধারণাকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Demography — এটি মানুষের জনসংখ্যার পরিসংখ্যানগত গঠন ও পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে যা পরিবেশের সমার্থক নয়।
B) Pollution — এটি পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট ক্ষতিকর দিক বা দূষণ বোঝায়, যা সমগ্র পরিবেশকে নির্দেশ করে না।
C) Atmosphere — এটি কেবল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বা গ্যাসীয় স্তরকে বোঝায়, যা জীবজগতের সম্পূর্ণ পরিবেশের চেয়ে সংকীর্ণ।
D) Environment — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জীব ও প্রকৃতির সামগ্রিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ইকোলোজি বা ইকোলজি কথাটি দেখলে সবসময় পরিবেশ বা প্রকৃতি কথাটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) generous
কেন সঠিক:
Magnanimous শব্দের অর্থ হলো মহৎপ্রাণ বা উদার, যা অন্যকে ক্ষমা করতে এবং দয়া দেখাতে প্রস্তুত থাকে।
Generous শব্দের অর্থও উদার বা দয়ালু, যা এই শব্দের সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) generous — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ উদার।
B) unkind — এর অর্থ নির্দয় বা নিষ্ঠুর, যা উদার শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) revengeful — এর অর্থ প্রতিশোধপরায়ণ, যা মহৎ বা উদার হৃদয়ের মানুষের স্বভাবের সাথে মিলে না।
D) friendly — এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ, যা ভালো আচরণ বোঝালেও মহৎ বা উদার হওয়ার সঠিক সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Magnanimous শব্দটির শুরুতে থাকা Magi অংশটি দিয়ে মহান বা বড় মন বোঝায়, আর generous অর্থও বড় মনের মানুষ।
সঠিক উত্তর: B) put off
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে জামা, জুতো বা কোনো পোশাক শরীর থেকে খুলে ফেলা বোঝাতে put off ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়। মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করার আগে জুতো খুলে ফেলার কথা বলা হয়েছে তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে put off।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) put out — এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ নিভিয়ে ফেলা, যা আলো বা আগুন নেভানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
B) put off — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ জুতো বা পোশাক খুলে ফেলা।
C) put away — এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ কোনো কিছু গুছিয়ে রাখা বা সরিয়ে রাখা।
D) put on — এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ পরিধান করা বা গায়ে জড়ানো।
মনে রাখার টিপস:
গায়ে কিছু পরার ক্ষেত্রে put on এবং শরীর থেকে কিছু খুলে ফেলার ক্ষেত্রে put off ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: C) would have been
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে if clause-এর মধ্যে past perfect tense (had tried) ব্যবহার করা হয়েছে।
তাই নিয়মানુযায়ী মূল clause-এ would have, could have বা might have এর সাথে verb-এর past participle বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would — এটি conditional-এর তৃতীয় নিয়মের সাথে মেলে না কারণ এখানে verb-এর past participle নেই।
B) could be — এটি present বা future tense-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা অতীতকালের ঘটনার সাথে মিলে না।
C) would have been — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে পুনরোল্লেখ করা হলো না।
D) must be — এটি বর্তমান সময়ের নিশ্চিত অনুমান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, অতীতের সাপেক্ষে নয়।
মনে রাখার টিপস:
If-क्लজে had + verb-এর past participle থাকলে, অপর অংশে would have + verb-এর past participle বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) separate
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানে এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা বোঝায় বাকি শিশুদের জন্য আলাদা বিছানার ব্যবস্থা আছে।
এখানে 'separate' শব্দটি স্বতন্ত্র বা পৃথক বিছানা বোঝাতে সবচেয়ে নিখুঁতভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) different — এর অর্থ ভিন্ন, যা এখানে বিছানার ক্ষেত্রে খাপ খায় না।
B) separate — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে।
C) complete — এর অর্থ সম্পূর্ণ, যা বিছানার ক্ষেত্রে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
D) lonely — এর অর্থ একা বা নির্জন, যা বিছানার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
একাধিক ব্যক্তি যখন নিজেদের জন্য স্বতন্ত্র বা আলাদা জিনিস ব্যবহার করে, তখন 'separate' শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) accepted
কেন সঠিক:
এখানে পরাজয় মেনে নেওয়া অর্থে accepted শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর তা স্বীকার করে নেওয়া বোঝাতে এই ভার্ব ব্যবহার করা হয়।
এটি বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও নির্ভুল করে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) consented — এর অর্থ সম্মতি দেওয়া, যা পরাজয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) agreed — এর অর্থ রাজি হওয়া, যা এখানে ভাবের সাথে মানানসই নয়।
C) accepted — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
D) granted — এর অর্থ মঞ্জুর করা, যা পরাজয় বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
পরাজয় বা হার মেনে নেওয়া বোঝাতে সর্বদা accept defeat ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: A) ascertain
কেন সঠিক:
শব্দটির শুরুতে আস (as) এবং মাঝখানে সার্টিফিকেট শব্দের মতো সার্টেন (certain) অংশ যুক্ত হয়ে এটি গঠিত হয়েছে। ইংরেজি বানান রীতি অনুযায়ী এখানে মূল উচ্চারণ ঠিক রাখতে সঠিক অক্ষর বিন্যাস ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ascertain — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ নিশ্চিত করা।
B) assertain — এখানে সার্টেন অংশে ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে।
C) aseratin — এখানে বানানের মাঝের অংশ এবং শেষের অংশ ভুল আছে।
D) asartain — এখানে মাঝের অংশে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
আস (as) এর সাথে সার্টেন (certain) যোগ করে ascertain বানানটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) into
কেন সঠিক:
look into একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ কোনো ঘটনা বা অপরাধের গভীরভাবে তদন্ত করা।
পুলিশ সাধারণত কোনো মামলার তদন্ত করে থাকে তাই এখানে into প্রিপজিশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — look after অর্থ দেখাশোনা করা, যা মামলার ক্ষেত্রে মেলে না।
B) on — look on অর্থ দর্শক হিসেবে দেখা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
C) up — look up অর্থ অভিধান বা কোনো তথ্য খোঁজা, অপরাধ তদন্তে এটি বসে না।
মনে রাখার টিপস:
মামলা বা অপরাধের তদন্ত করার ক্ষেত্রে look এর সাথে always into প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) is
কেন সঠিক:
দ্য অ্যারাবিয়ান নাইটস একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম দেখতে বহুবচন হলেও এটি একটি একক গ্রন্থ বা সমগ্রকে বোঝায়।
তাই এর সাথে সর্বদা একবচন বা singular verb ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has — এটি একটি auxiliary verb যা এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে না কারণ মূল verb এর অভাব রয়েছে।
B) are — এটি বহুবচন verb যা একবচন Subject যুক্ত এই বাক্যটির সাথে grammatically মিলে না।
C) is — এটি সঠিক কারণ এটি একবচন verb যা এই নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) were — এটি অতীতকালের বহুবচন verb যা বর্তমানকালের একক নাম বোঝা This বাক্যে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বই, দেশ বা উপন্যাসের নামের শেষে s থাকলেও যদি তা একটিমাত্র নাম বোঝায়, তবে সবসময় singular verb (is) বসবে।
সঠিক উত্তর: B) should
কেন সঠিক:
বাক্যে lest শব্দটি থাকার কারণে এর পরবর্তী অংশে নিয়ম অনুযায়ী সর্বদা should বসে।
lest এর অর্থ পাছে বা যদি এমন হয় যে এবং এর সাথে সবসময় should ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) can — can শব্দটি সামর্থ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু lest এর পরের অংশে এটি বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) should — এই অপশনটি সঠিক কারণ lest এর সাথে কেবল should ই বসে।
C) could — could সাধারণত অতীতের ক্ষমতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা lest এর নিয়মের সাথে মেলে না।
D) has — has একটি বর্তমানকালের সাহায্যকারী verb যা এই শূন্যস্থানে বসার কোনো নিয়ম নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest দেখলে চোখ বন্ধ করে should বসিয়ে দেবে কারণ এদের জুটি পাকা।
সঠিক উত্তর: A) of
কেন সঠিক:
'Devoid' শব্দটির অর্থ বঞ্চিত বা শূন্য। এর পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় 'of' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — এটি সঠিক উত্তর এবং সঠিক নিয়ম অনুযায়ী বসেছে।
B) from — এটি devoid শব্দের সাথে বসে না কারণ এটি উৎস বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) introduction — এটি একটি নাউন এবং এখানে preposition এর জায়গায় বসার উপযুক্ত নয়।
D) at — এটি এই বাক্যের অর্থে সঠিক preposition নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোন কিছু থেকে বঞ্চিত বা শূন্য বোঝাতে devoid শব্দের পরে সব সময় অব (of) বসে।
সঠিক উত্তর: B) I had looked for a good doctor before I met you
কেন সঠিক:
অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার সাথে Past Perfect Tense অর্থাৎ had + V3 বসে।
পরের ঘটনাটি Simple Past Tense-এ গঠিত হয়েছে এবং মাঝখানে before conjunction ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I have looked for a good doctor before I met you — এখানে আগের কাজের জন্য Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতের দুটি ঘটনার নিয়মের সাথে মেলে না।
B) I had looked for a good doctor before I met you — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) I looked for a good doctor before I had met you — এখানে নিয়ম উল্টো করে পরের কাজে Past Perfect এবং আগের কাজে Simple Past দেওয়া হয়েছে।
D) I am looking for a good doctor before meeting you — এখানে Present Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতের ঘটনার নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
Before-এর আগে Past Perfect এবং পরে Simple Past Tense বসে।
সঠিক উত্তর: C) By whom will the work be done?
কেন সঠিক:
প্রশ্নবোধক বাক্যে Who থাকলে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে By whom বসে।
এর পরে সাহায্যকারী ভাব হিসেবে will এবং অবজেক্ট the work বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Who will be done the work? — এখানে সঠিক গঠন মানা হয়নি এবং বাই হুম ব্যবহার করা হয়নি।
B) Who will done the work? — এখানে মডাল ভার্বের পরে সরাসরি পাস্ট পার্টিসিপল বসে ভুল গঠন তৈরি করেছে।
C) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়।
D) Whom will the work be done? — এখানে শুরুতে বাই প্রিপজিশনটি বাদ দেওয়া হয়েছে যা গ্রামারের নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) to seeing
কেন সঠিক:
বাক্যে 'look forward to' একটি ফ্রেজ, যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা। এই ফ্রেজের পরে 'to' একটি প্রিপজিশন হিসেবে কাজ করে এবং প্রিপজিশনের পর সর্বদা ভার্বের সাথে আইএনজি যোগ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to seeing — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজের নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রিপজিশন 'to' এর পরে ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়েছে।
B) seeing — এই অপশনে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় 'to' প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়নি।
C) to see — এখানে 'to' এর পরে ভার্বের বেস ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই ফ্রেজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) to have seen — এই অপশনে পারফেক্ট ইনফিনিটিভ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের অনুভূতির প্রকাশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে look forward to থাকলেই এর পরে আসা মূল ভার্বের সাথে সর্বদা ing যুক্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
* আগ্রহ বা অনীহা বোঝাতে 'interest' শব্দের পরে সাধারণত 'in' প্রিপজিশন বসে। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম।
* 'Music' একটি ক্ষেত্র বা বিষয় হওয়ায় তার পূর্বে 'in' ব্যবহার করা সঠিক।
* এই নিয়মটি সব সময় নির্দিষ্ট থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
* A) for — 'for' প্রিপজিশন এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বোঝাতে বসে।
* B) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
* C) with — 'with' সাধারণত কোনো বস্তু বা ব্যক্তির সাথে থাকা বোঝাতে বসে।
* D) at — 'at' নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা সময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
আগ্রহ বোঝাতে 'interest' শব্দের পরে সব সময় 'in' প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) The train is running on time
কেন সঠিক:
- 'On time' একটি উপযুক্ত ফ্রেজ যার অর্থ যথাসময়ে বা নির্দিষ্ট সময়ে।
- ট্রেন বা যানবাহন নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী চলার ক্ষেত্রে 'on time' ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The train is running in time — 'In time' অর্থ সময়ের একটু আগে বা বিপদের পূর্বে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ট্রেন চলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) The train is running on time — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ট্রেন নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী চলার ক্ষেত্রে 'on time' সঠিক প্রিপজিশনাল ফ্রেজ।
C) The train is running with time — 'With time' অর্থ সময়ের সাথে সাথে, যা এখানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বেমানান ও ভুল।
D) The train is running to time — ব্রিটিশ ইংরেজিতে এটি মাঝেমধ্যে ব্যবহৃত হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সার্বজনীন ও সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর 'on time'।
মনে রাখার টিপস:
যানবাহন বা ঘড়ির কাটার মতো নির্দিষ্ট সময় মেনে চলার ক্ষেত্রে हमेशा 'on time' ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) Everybody has gone there
কেন সঠিক:
Everybody বা Everyone হলো indefinite pronoun এবং এগুলো দেখতে বহুবচন মনে হলেও আসলে সর্বদা একবচন হিসেবে গণ্য হয়।
তাই এদের সাথে verb সবসময় singular অর্থাৎ has বসে এবং মূল verb এর past participle রূপ ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Everybody have gone there — Everybody একবচন হওয়ায় এর সাথে have ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Everybody are gone there — Everybody একবচন হওয়ায় এর সাথে are ব্যবহার করা যায় না।
C) Everybody has gone there — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Everybody has went there — has এর পরে verb এর past participle রূপ gone বসা উচিত ছিল, কিন্তু went বসানো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Everybody বা Nobody দেখলে verb সবসময় singular বা একবচন হবে এটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) formerly
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের আগের অংশে অবসর গ্রহণের কথা বলা হয়েছে যা অতীতের পেশাকে নির্দেশ করে।
পূর্বে তিনি শিক্ষক ছিলেন এবং এখন উপন্যাস লেখেন, এই অর্থ প্রকাশ করতে formerly শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
অতীতের কোনো অবস্থা বোঝাতে formerly adverb টি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) usually — এর অর্থ সাধারণত, যা অতীতের কোনো নির্দিষ্ট পেশা বোঝাতে এখানে বসে না।
B) presently — এর অর্থ বর্তমানে বা শীঘ্রই, কিন্তু এখানে অতীতের পেশা বোঝানো হয়েছে।
C) proffer — এটি একটি verb এবং এর অর্থ প্রস্তাব করা, যা এখানে grammatically সঠিক নয়।
D) formerly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
অতীতের পেশা বা অবস্থান বোঝাতে formerly ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) provide
কেন সঠিক:
provide শব্দের সাথে সাধারণত with preposition ব্যবহৃত হয় যা বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
সংবাদপত্রের মূল কাজ সাধারণ মানুষকে তথ্য সরবরাহ করা বোঝাতে provide with facts সঠিক বাক্য গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) equip — equip শব্দের অর্থ সজ্জিত করা, যা তথ্যের সাথে সরাসরি মানানসই নয়।
B) deliver — deliver অর্থ পৌঁছে দেওয়া হলেও facts শব্দের সাথে provide এর মতো স্বাভাবিকভাবে বসে না।
C) proffer — proffer অর্থ কোনো কিছু প্রস্তাব করা, যা সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) provide — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
provide শব্দের পরে সাধারণত with বসে এবং তথ্য বা কোনো কিছু দেওয়ার ক্ষেত্রে provide with ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযুক্ত।
সঠিক উত্তর: C) গীতিকা
কেন সঠিক:
Ballad হলো এক ধরনের ঐতিহ্যবাহী বর্ণনামূলক কবিতা যা সাধারণত সুর করে গাওয়া হয় এবং এতে কোনো লোককাহিনীর করুণ বা বীরত্বপূর্ণ ঘটনা প্রকাশ পায়।
সাহিত্যের পরিভাষায় একে গীতিকা বলা হয় কারণ এটি মূলত গান ও কবিতার সংমিশ্রণে তৈরি হয়।
এর ছন্দ সাধারণত চার চরণের হয় এবং এটি সহজে মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লােকগীতি — এটি শুধু লোকসংগীত বোঝায়, কিন্তু Ballad কেবল গান নয় বরং একটি আধা-নাট্যধর্মী বর্ণনামূলক কবিতাও বটে।
B) লােকগাথা — এটি লোকসাহিত্যের একটি বড় শাখা হলেও Ballad এর সঠিক কাব্যিক রূপ হলো গীতিকা।
C) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) গাথা হলো সাধারণ বীরত্বগাথা বা কাহিনীকাব্য, আর সুরযুক্ত বর্ণনামূলক কবিতার নির্দিষ্ট বাংলা রূপ হলো গীতিকা।
মনে রাখার টিপস:
Ballad শব্দটির সাথে সুর ও বীরত্বপূর্ণ কাহিনীর সম্পর্ক আছে, তাই একে সবসময় গীতিকা হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) since
কেন সঠিক:
বাক্যে Present Perfect Continuous tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং শুক্রবার থেকে অসুস্থতা শুরু হওয়ার নির্দিষ্ট সময় বোঝানো হয়েছে। তাই নির্দিষ্ট পয়েন্ট অফ টাইম বোঝাতে এখানে since preposition বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — এটি সাধারণত future বা general starting point এর ক্ষেত্রে বসে, নির্দিষ্ট অতীতের বিন্দু থেকে চলমান কাজের ক্ষেত্রে বসে না।
B) on — এটি নির্দিষ্ট দিন বা বারের নামের আগে বসে, কিন্তু এখানে সময়ের ব্যাপ্তি বা শুরু বোঝাতে since দরকার।
C) in — এটি মাস, বছর বা ঋতুর নামের আগে বসে, নির্দিষ্ট কোনো বারের আগের সময় বোঝাতে বসে না।
D) যেহেতু এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি কেন ভুল তা প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময় বা বারের নাম থেকে কাজ শুরু হয়ে বর্তমানেও চললে since বসে।
সঠিক উত্তর: C) playing
কেন সঠিক:
- 'Give up' একটি phrasal verb যার অর্থ ত্যাগ করা বা কোনো অভ্যাস বর্জন করা।
- ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী 'give up' এর পর কোনো মূল verb বসলে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of playing — 'Give up' এর পর সরাসরি preposition 'of' বসে না, তাই এটি ভুল।
B) to play — 'Give up' এর পর infinitive (to + verb) বসে না, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
C) playing — এটি সঠিক উত্তর কারণ phrasal verb-এর পর gerund ব্যবহৃত হয়।
D) play — 'Give up' এর পর verb-এর base form বসার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই।
মনে রাখার টিপস:
'Mind', 'worth', 'keep on', 'give up' ইত্যাদি শব্দ বা phrase-এর পর সবসময় verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: A) is sleeping
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথমাংশ নির্দেশ করছে কাজটি এই মুহূর্তে বা বর্তমানে চলছে। তাই দ্বিতীয় অংশে Present Continuous Tense ব্যবহার করতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is sleeping — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Present Continuous Tense নির্দেশ করে।
B) has slept — এটি Present Perfect Tense, যা চলমান কাজের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) asleep — এটি কোনো Verb নয়, এটি একটি Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) is being asleep — এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল এবং অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে while থাকলে সাধারণত Continuous Tense হয়।
সঠিক উত্তর: A) deny
কেন সঠিক:
- 'Deny' শব্দের অর্থ অস্বীকার করা এবং শূন্যস্থানে বসলে বাক্যটির অর্থ হয় কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে সে চালাক।
- এখানে বুদ্ধিমত্তা বা সত্যতাকে অস্বীকার করার প্রেক্ষাপটে সঠিক অর্থ প্রকাশের জন্য 'deny' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) deny — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ অস্বীকার করা এবং এটি বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও অর্থবহ করে তোলে।
B) defy — এর অর্থ অবাধ্য হওয়া বা চ্যালেঞ্জ করা, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানের জন্য প্রাসঙ্গিক ও অর্থপূর্ণ নয়।
C) denounce — এর অর্থ প্রকাশ্যে নিন্দা করা, যা এখানে চালাক হওয়ার গুণটির সাথে খাপ খায় না।
D) discard — এর অর্থ বর্জন করা বা ফেলে দেওয়া, যা কোনো মানুষের বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
সত্য বা গুণ ঢাকতে বা অস্বীকার করতে 'deny' ব্যবহার হয়।
সঠিক উত্তর: D) between
কেন সঠিক:
ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত দুজনের মধ্যে কোনো কিছু ভাগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে between preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে বাক্যে দুটি শিশুর কথা বলা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে টাকা ভাগ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে between নির্বাচন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) over — সাধারণত কোনো কিছুর ওপর দিয়ে অতিক্রম করা বা ওপরে অবস্থান বোঝাতে over ব্যবহৃত হয়, যা ভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) in between — এটি সাধারণত সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে গণ্য হয় না এবং ব্যাকরণগতভাবে এখানে অপ্রয়োজনীয়।
C) among — দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে কিছু ভাগ বা বিতরণ করার ক্ষেত্রে among ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে মাত্র দুজন শিশু আছে।
D) between — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দুজনের মধ্যে কিছু ভাগ করার ক্ষেত্রে একমাত্র এই প্রিপজিশনটিই ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
দুইজনের মাঝে ভাগ করলে between এবং দুইয়ের বেশি হলে among ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) Thoroughly
কেন সঠিক:
Out and out একটিidiom যার অর্থ সম্পূর্ণভাবে বা পুরোপুরি।
Thoroughly শব্দটির অর্থও সম্পূর্ণভাবে বা গভীরভাবে।
তাই এই অপশনটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাক্যের ভাবার্থ পুরোপুরি প্রকাশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Not at all — এর অর্থ মোটেও না, যা প্রদত্ত বাগধারার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Brave — এর অর্থ সাহসী, যা এই বাগধারার সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
C) Thoroughly — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
D) Whole heartedly — এর অর্থ একান্ত মনে, যা আক্ষরিক অর্থে কিছুটা মিললেও সঠিক প্রতিশব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Out and out মানে আদ্যোপান্ত বা পুরোপুরি, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Thoroughly।
সঠিক উত্তর: D) First speech
কেন সঠিক:
- 'Maiden speech' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো কারো জীবনের প্রথম বক্তৃতা।
- সাধারণত পার্লামেন্টে বা কোনো আনুষ্ঠানিক সভায় কোনো ব্যক্তির দেওয়া প্রথম ভাষণকে এই নামে অভিহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Late speech — এটি দ্বারা দেরিতে দেওয়া ভাষণ বা মরহুম কোনো ব্যক্তির শেষ ভাষণ বোঝায়, যা সঠিক নয়।
B) Early speech — এটি দ্বারা খুব সকালেও কোনো বক্তব্য বা প্রাথমিক পর্যায়ের বক্তব্য বোঝাতে পারে, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট কোনো বাগধারা নয়।
C) Final speech — এটি দ্বারা কোনো ব্যক্তির শেষ বা পরিশেষ ভাষণ বোঝায়, যা ফার্স্ট স্পিচ বা প্রথম ভাষণের বিপরীত।
D) First speech — এটি এই বাগধারার সঠিক সমার্থক অর্থ বহন করে এবং এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
'Maiden' শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো ব্যক্তির জীবনে বা অনুষ্ঠানে দেওয়া প্রথম বক্তব্যকেই Maiden speech বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) was shining
কেন সঠিক:
প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে থাকায় সাবঅর্ডিনেট ক্লজেও পাস্ট টেন্স হবে।
সূর্য আলো দিচ্ছিল এমন একটি চলমান কাজের সময় অন্য একটি ঘটনা ঘটেছিল বোঝাতে পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has shone — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীতকালের চলমান ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) shine — এটি প্রেজেন্ট টেন্স এবং সাবজেক্টের সাথে এই রূপটি ব্যাকরণগতভাবে মেলে না।
C) shines — এটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স, যা অতীতকালের বাক্যের ঘটনার সাথে মিলে যায় না।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
As বা While যুক্ত বাক্যের একটি অংশ পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স হলে অন্য অংশটি সাধারণত পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
সঠিক উত্তর: C) clear evidence
কেন সঠিক:
এখানে concrete শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ শক্ত বা বাস্তব প্রমাণ।
তাই concrete proof বলতে এমন কোনো স্পষ্ট প্রমাণ বোঝায় যা সন্দেহাতভাবে সত্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) building material — এটি কংক্রিট বা ইটের মতো আক্ষরিক নির্মাণ সামগ্রী বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) something to cover a path — এটি রাস্তা বা পথ ঢেকে রাখার কোনো উপাদান বোঝায় যা সম্পূর্ণ অর্থহীন।
C) clear evidence — এটি সঠিক কারণ concrete proof এর সঠিক সমার্থক অর্থ হলো স্পষ্ট প্রমাণ।
D) a cement mixer — এটি সিমেন্ট মেশানোর যন্ত্র বোঝায় যার সাথে প্রমাণের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যে concrete শব্দটির দুটি অর্থ থাকতে পারে, আক্ষরিক অর্থে নির্মাণ সামগ্রীর উপাদান এবং রূপক অর্থে স্পষ্ট বা শক্ত প্রমাণ।
সঠিক উত্তর: D) A very costly or troublesome possession
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ সাদা হাতি নয় বরং এর বিশেষ রূপক অর্থ রয়েছে।
এটি এমন কোনো জিনিস বা সম্পত্তি বোঝায় যা রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেক বেশি কিন্তু কাজের দিক থেকে তেমন কোনো সুবিধা দেয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) An elephant of white colour — এটি ইডিয়মের আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও পরীক্ষার ক্ষেত্রে বাগধারার রূপক অর্থ ধরতে হয় তাই এটি ভুল।
B) A hoarder — এই অপশনটি অবৈধভাবে পণ্য মজুদকারী ব্যক্তিকে বোঝায় যা প্রদত্ত বাগধারার অর্থের সাথে মেলে না।
C) A black marketer — এই অপশনটি কালোবাজারি বা অবৈধভাবে ব্যবসা করা ব্যক্তিকে নির্দেশ করে যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়।
D) A very costly or troublesome possession — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো আলাদা ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
সাদা হাতি অনেক শৌখিন ও ব্যয়বহুল হলেও কোনো কাজে লাগে না, ঠিক তেমনি যে জিনিস পোষা বা রাখা খুব খরচবহুল কিন্তু লাভ কম তাকে হোয়াইট এলিফ্যান্ট বলে।
সঠিক উত্তর: D) an autobiography
কেন সঠিক:
auto শব্দের অর্থ নিজে এবং biography শব্দের অর্থ জীবনবৃতান্ত। নিজের জীবনের এই কাহিনী যখন নিজে লেখা হয় তখন তাকে অটোবায়োগ্রাফি বা আত্মজীবনী বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a biography — এটি অন্যের লেখা জীবনকাহিনি, নিজের জীবনের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায় না।
B) a diary — এটি প্রতিদিনের ঘটে যাওয়া ব্যক্তিগত ঘটনার বিবরণ, কোনো পূর্ণাঙ্গ জীবনকাহিনি নয়।
C) a chronicle — এটি ঐতিহাসিক ঘটনার কালানুক্রমিক বিবরণ, কোনো একক ব্যক্তির আত্মজীবনী নয়।
মনে রাখার টিপস:
auto শব্দের অর্থ নিজে এবং biography অর্থ জীবন, তাই নিজের জীবন নিজেই লিখলে তাকে autobiography বলে।
সঠিক উত্তর: C) holy place
কেন সঠিক:
pilgrim শব্দটির অর্থ তীর্থযাত্রী যিনি ধর্মীয় উদ্দেশ্যে কোনো পবিত্র স্থানে ভ্রমণ করেন।
পবিত্র স্থানে ভ্রমণের মাধ্যমেই মূলত একজন মানুষকে তীর্থযাত্রী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
এটি এই শব্দের সার্বজনীন ও আধানিক অর্থ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mosque — এটি একটি নির্দিষ্ট উপাসনালয়, তবে সব তীর্থস্থান কেবল মসজিদ বোঝায় না।
B) new country — নতুন দেশে ভ্রমণ করা সাধারণ পর্যটনের অন্তর্ভুক্ত, তীর্থযাত্রা নয়।
D) bazar — বাজার হলো কেনাকাটার স্থান, যা কোনো ধর্মীয় বা পবিত্র যাত্রার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
pilgrim শব্দ দেখলে মাথায় রাখবে পবিত্র স্থান বা holy place এর কথা।
সঠিক উত্তর: B) Humorous
কেন সঠিক:
সঠিক বানানটি হলো হিউমারাস যার অর্থ রসাত্মক বা হাস্যরসপূর্ণ।
এই শব্দটিতে অতিরিক্ত কোনো i বা o ব্যবহার করা হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Humorious — এই বানানে অতিরিক্ত i অক্ষর যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল।
B) Humorous — এটি সঠিক বানান।
C) Humourius — এই বানানে অতিরিক্ত i এবং u অক্ষর ভুলভাবে যুক্ত হয়েছে।
D) Humurious — এই বানানে ri এর পরিবর্তে ru ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
হিউমার (humor) শব্দের সাথে শুধু ous যোগ করে humorous বানানটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) children
কেন সঠিক:
'Paediatric' একটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষা, যার মূল অর্থ শিশু চিকিৎসা।
এটি মূলত নবজাতক থেকে শুরু করে শৈশবকাল পর্যন্ত শিশুদের বিভিন্ন রোগ ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করে।
তাই এটি শিশুদের চিকিৎসার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য এই শাখাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adults — প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসার সাথে এই শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই কারণ এটি কেবল শিশুদের জন্য নির্ধারিত।
B) children — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) women — নারীদের বিশেষ চিকিৎসার জন্য গাইনোকোলজি বা অবস্টেট্রিক্স ব্যবহৃত হয়, পেডিয়াট্রিক নয়।
D) old people — প্রবীণদের চিকিৎসাবিদ্যাকে জেরিয়াট্রিক্স বলা হয়, পেডিয়াট্রিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দ Paediatric এর শুরুতে থাকা Paedo অংশটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ শিশু।
সঠিক উত্তর: ডি) flow
কেন সঠিক:
যানবাহন বা ট্রাফিকের চলাচলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শব্দ হিসেবে সবসময় ফ্লো ব্যবহার করা হয়।
এটি সড়কপথে গাড়ির নিরবচ্ছিন্ন গতিশীলতা ও চলাচলকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
তাই শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ হিসেবে এটিই সবচেয়ে উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
এ) circulation — এই শব্দটি সাধারণত রক্ত বা বাতাসের চলাচল কিংবা পত্রিকার মুদ্রণ সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বি) current — এই শব্দটির অর্থ স্রোত, যা সাধারণত পানি বা বিদ্যুতের প্রবাহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
সি) প্রসেসন — এর অর্থ শোভাযাত্রা বা মিছিল, যা যানবাহনের সাধারণ গতি বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
ডি) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
সড়কে যানবাহনের চলাচল বোঝাতে সবসময় ট্রাফিক ফ্লো ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) by
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা কোনো ডেডলাইনের আগে কাজ শেষ করতে 'by' preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে বৃহস্পতিবারের মধ্যে কাজটি শেষ করার কথা বলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) till — এটি দীর্ঘ সময় বা কোনো কাজের স্থায়িত্ব বোঝাতে বসে, যা নির্দিষ্ট ডেডলাইনের জন্য উপযুক্ত নয়।
B) until — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়া বোঝায়, কিন্তু এখানে কাজটি শেষ করার কথা বলা হয়েছে।
C) upto — এটি সাধারণত দূরত্ব, পরিমাণ বা মাত্রা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সময়সীমা বোঝাতে সাধারণত 'by' বসে।
D) by — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ডেডলাইন নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট কোনো সময়ের মধ্যে বা ডেডলাইনের মধ্যে কোনো কাজ সম্পন্ন করতে হলে 'by' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) out
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যে আগুন বা আলো নিভে যাওয়া বোঝাতে সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে blow out ব্যবহৃত হয়। বাতাসের বেগে আলো নিভে গেছে বোঝাতে out ছাড়া অন্য কোনো শব্দ সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) out — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি এই বাক্যের জন্য নির্দিষ্ট ফ্রেজাল ভার্ব।
B) away — blow away অর্থ উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া, যা এখানে আলো নিভে যাওয়ার ক্ষেত্রে বসে না।
C) up — blow up অর্থ বিস্ফোরণ ঘটানো বা উড়িয়ে দেওয়া, যা এখানে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
D) off — blow off অর্থ বাষ্প বা চাপ মুক্ত করা, যা আলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাতাস বা ফুঁ দিয়ে আগুন কিংবা মোমবাতির আলো নেভানোর ইংরেজি হলো blow out.
সঠিক উত্তর: C) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
কোনো সংখ্যার অর্ধেক অংশের সাথে ছয় যোগ করলে সংখ্যাটির দুই তৃতীয়াংশ হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
সংখ্যাটির অর্ধেক = ক ÷ ২
সংখ্যাটির দুই তৃতীয়াংশ = (ক × ২) ÷ ৩
সুতরাং,
(ক ÷ ২) + ৬ = (ক × ২) ÷ ৩
উত্তর: ৩৬
সঠিক উত্তর: C) ৬ ঘণ্টা
প্রদত্ত তথ্য:
লঞ্চের গতিবেগ = ১৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের গতিবেগ = ৬ কিমি প্রতি ঘণ্টা
অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৪৮ কিমি
ধরি,
অনুকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৮ + ৬ = ২৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা
প্রতিকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৮ − ৬ = ১২ কিমি প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
অনুকূলে ৪৮ কিমি যেতে সময় লাগে = ৪৮ ÷ ২৪ = ২ ঘণ্টা
প্রতিকূলে ৪৮ কিমি ফিরে আসতে সময় লাগে = ৪৮ ÷ ১২ = ৪ ঘণ্টা
সুতরাং,
মোট যাতায়াতের সময় লাগবে = ২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা
উত্তর: ৬ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: B) ৪ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
১২ জন শ্রমিক ৩ দিনে আয় করে ৭২ টাকা
৯ জন শ্রমিক সমপরিমাণ অর্থাৎ ৭২ টাকা আয় করবে
ধরি,
১ জন শ্রমিকের ৭২ টাকা উপার্জন করতে সময় লাগে = ১২ × ৩ দিন
অতএব,
১ জন শ্রমিকের মোট প্রয়োজনীয় দিন = ৩৬ দিন
৯ জন শ্রমিকের ৭২ টাকা উপার্জন করতে সময় লাগবে = ৩৬ ÷ ৯ দিন
সুতরাং,
নির্ণেয় দিন সংখ্যা = ৪ দিন
উত্তর: ৪ দিনে
সঠিক উত্তর: A) ৫০%
প্রদত্ত তথ্য:
টাকায় ৩টি করে আম বা লেবু কেনা হলো
টাকায় ২টি করে তা বিক্রি করা হলো
ধরি,
৩টি লেবু বা আমের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
২টি লেবু বা আমের বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
অতএব,
১টির ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৩ টাকা
১টির বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ২ টাকা
সুতরাং,
লাভ = (১ ÷ ২) − (১ ÷ ৩) = ১ ÷ ৬ টাকা
উত্তর: (১ ÷ ৬) ÷ (১ ÷ ৩) × ১০০% = ৫০%
সঠিক উত্তর: A) ২ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
দুধ ও পানির অনুপাত ৫ঃ১
দুধের পরিমাণ পানি অপেক্ষা ৮ লিটার বেশি
ধরি,
পানির পরিমাণ = ১ক লিটার
দুধের পরিমাণ = ৫ক লিটার
অতএব,
৫ক − ১ক = ৮
৪ক = ৮
সুতরাং,
ক = ৮ ÷ ৪
ক = ২
উত্তর: ২ লিটার
সঠিক উত্তর: D) ১৮ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ৪৫ বছর
পিতা, মাতা ও এক পুত্রের বয়সের গড় ৩৬ বছর
ধরি,
পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = ৪৫ × ২ = ৯০ বছর
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৬ × ৩ = ১০৮ বছর
অতএব,
পুত্রের বয়স নির্ণয় করতে হবে
মোট বয়স থেকে পিতা ও মাতার বয়স বাদ দিতে হবে
সুতরাং,
পুত্রের বয়স = ১০৮ − ৯০ = ১৮ বছর
উত্তর: ১৮ বছর
সঠিক উত্তর: B) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার প্রথম পদ = ১
ধারার দ্বিতীয় পদ = ৩
ধারাটি একটি ত্রিভুজ সংখ্যার ধারা
ধরি,
প্রথম পদের সাথে যোগ করতে হবে = ২
দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ করতে হবে = ৩
অতএব,
তৃতীয় পদ = ৬ + ৪ = ১০
চতুর্থ পদ = ১০ + ৫ = ১৫
পঞ্চম পদ = ১৫ + ৬ = ২১
সুতরাং,
নবম পদ = ৩৬ + ১০ = ৪৬
দশম পদ = ৪৫ + ১০ = ৫৫
উত্তর: ৫৫
সঠিক উত্তর: C) x + y − ১
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে
ধরি,
রাশিটি হলো x এর এবং y এর একটি ফাংশন
অতএব,
উৎপাদক উপপাদ্যের সাহায্যে রাশির মান শূন্য বসাতে হবে
সুতরাং,
রাশিটির একটি উৎপাদক হবে x + y − ১
উত্তর: x + y − ১
সঠিক উত্তর: B) ২২/৭
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের সম্পর্ক নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
বৃত্তের পরিধি = পরিধি
বৃত্তের ব্যাস = ব্যাস
অতএব,
পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = পরিধি ÷ ব্যাস
সুতরাং,
এই ধ্রুবক অনুপাতটিকে পাই বলা হয়
উত্তর: ২২/৭
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সীমা হলো ৪৩ থেকে ৬০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো
ধরি,
এই সীমার ভেতরের বিজোড় সংখ্যাগুলো সম্ভাব্য মৌলিক সংখ্যা
অতএব,
সংখ্যাগুলো হলো ৪৩, ৪৫, ৪৭, ৪৯, ৫১, ৫৩, ৫৫, ৫৭ এবং ৫৯
সুতরাং,
এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ৪৩, ৪৭, ৫৩ এবং ৫৯
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: D) একটি অমূলদ সংখ্যা
প্রদত্ত তথ্য:
P একটি মৌলিক সংখ্যা
ধরি,
P এর মান দুই, তিন বা পাঁচ হতে পারে
অতএব,
√P এর মান হবে √২, √৩ বা √৫
সুতরাং,
এই মানগুলোর দশমিক বিস্তার অসীম এবং অনাবৃত্ত
উত্তর: একটি অমূলদ সংখ্যা
সঠিক উত্তর: B) ৩০ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
ক এবং খ একত্রে কাজটি করতে পারে ১২ দিনে
ক একা কাজটি করতে পারে ২০ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
ক এবং খ একত্রে ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ
ক একা ১ দিনে করে ১ ÷ ২০ অংশ
সুতরাং,
খ একা ১ দিনে করে (১ ÷ ১২) − (১ ÷ ২০) অংশ
= (৫ − ৩) ÷ ৬০ অংশ
= ২ ÷ ৬০ অংশ
= ১ ÷ ৩০ অংশ
উত্তর: ৩০ দিনে
সঠিক উত্তর: D) ১২টি
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ৭২
ধরি,
সংখ্যাটিকে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে
অতএব,
৭২ কে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই
৭২ = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৩
সুতরাং,
৭২ = ২ এর পাওয়ার ৩ গুণ ৩ এর পাওয়ার ২
উত্তর: মোট ভাজক সংখ্যা = (৩ + ১) × (২ + ১) = ৪ × ৩ = ১২টি
সঠিক উত্তর: C) ২৩ এবং ২৪
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি ক্রমিক পূর্ণ সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো সাতচল্লিশ
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি সমান ক
বড় সংখ্যাটি সমান ক + ১
অতএব,
(ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ৪৭
ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ৪৭
২ক + ১ = ৪৭
সুতরাং,
২ক = ৪৬
ক = ২৩
উত্তর: ২৩ এবং ২৪
সঠিক উত্তর: C) ৫০
প্রদত্ত তথ্য:
জমির দৈর্ঘ্য হলো ১০ ফুট
জমির প্রস্থ হলো ৫ ফুট
ধরি,
জমির ক্ষেত্রফল বের করতে হবে
দৈর্ঘ্যকে প্রস্থ দিয়ে গুণ করতে হবে
অতএব,
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
ক্ষেত্রফল = ১০ × ৫
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = ৫০ বর্গফুট
উত্তর: ৫০
সঠিক উত্তর: D) 2xy
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x বর্গ + y বর্গ − 2xy
পূর্ণবর্গ করার জন্য রাশিটির সাথে একটি নির্দিষ্ট পদ যোগ করতে হবে
ধরি,
রাশিটির সাথে p যোগ করতে হবে
অতএব,
শর্তমতে, x বর্গ + y বর্গ − 2xy + p একটি পূর্ণবর্গ রাশি হবে
সুতরাং,
আমরা জানি (x − y) বর্গ = x বর্গ + y বর্গ − 2xy
উত্তর: 2xy
সঠিক উত্তর: A) ২৪ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সে.মি.
কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = ৫ সে.মি.
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
অর্ধেকের দৈর্ঘ্য হলো লম্ব দূরত্ব এবং ব্যাসার্ধের মাধ্যমে গঠিত সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি
জ্যা এর অর্ধেক দৈর্ঘ্য = ক
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, ক এর বর্গ + ৫ এর বর্গ = ১৩ এর বর্গ
ক এর বর্গ + ২৫ = ১৬৯
ক এর বর্গ = ১৬৯ − ২৫ = ১৪৪
সুতরাং,
ক = √১৪৪ = ১২ সে.মি.
সম্পূর্ণ জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ১২ × ২ = ২৪ সে.মি.
উত্তর: ২৪ সে.মি.
সঠিক উত্তর: C) মেরু অঞ্চলে
১. কেন সঠিক:
বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হওয়ার কারণ হলো পৃথিবীর আকৃতি এবং আহ্নিক গতি। পৃথিবী সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং এটি বিষুবীয় অঞ্চলে কিছুটা স্ফিত এবং মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা।
মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি হওয়ায় সেখানে বস্তুর ওজন সর্বাধিক হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ওজন হলো কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর মহাকর্ষীয় টানের পরিমাণ। ভর এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফলই হলো ওজন।
সূত্র/তত্ত্ব: ডব্লিউ সমান এম গুণ জি। এখানে ডব্লিউ হলো ওজন, এম হলো ভর এবং জি হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ।
কার্যপ্রণালি: পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব কম হওয়ায় মহাকর্ষীয় বল বেশি কাজ করে। ফলে জি এর মান বাড়ে এবং ওজনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
কারণ ও ফলাফল: বিষুবীয় অঞ্চলে ব্যাসার্ধ বেশি থাকায় জি এর মান কমে যায়, যা ওজনকে কমিয়ে দেয়। মেরু অঞ্চলে ব্যাসার্ধ কম থাকায় জি এর মান বাড়ে, ফলে ওজনও বাড়ে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে কোনো বস্তু মেরু অঞ্চলে নিয়ে গেলে তার ওজন বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে স্থানভেদে অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তনের কারণে ওজনের তারতম্য ঘটে।
উদাহরণ ২: একজন মানুষের ভর সব স্থানে একই থাকে কিন্তু ওজন ভিন্ন হয়।
ব্যাখ্যা: ভর ধ্রুবক হলেও জি এর মানের পরিবর্তনের কারণে ওজনের ভিন্নতা দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খনির ভিতর — খনির গভীরে গেলে পৃথিবীর কেন্দ্রমুখী আকর্ষণ কমে যায় ফলে জি এর মান হ্রাস পায়।
তাই খনির ভেতর বস্তুর ওজন কম হয়, বেশি নয়।
B) পাহাড়ের উপর — পাহাড়ের চূড়ায় উঠলে ভূপৃষ্ঠ থেকে দূরত্ব বৃদ্ধি পায় ফলে মহাকর্ষ বল কমে যায়।
তাই পাহাড়ের উপরে বস্তুর ওজন হ্রাস পায়।
C) মেরু অঞ্চলে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি।
তাই এখানে বস্তুর ওজন সর্বোচ্চ হয়।
D) বিষুব অঞ্চলে — বিষুবীয় অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি এবং কেন্দ্র থেকে দূরত্ব সর্বাধিক থাকে।
তাই এখানে জি এর মান সর্বনিম্ন হওয়ায় ওজন সবচেয়ে কম হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মেরু মানে মাটি চাপা, তাই সেখানে ওজন মাপা ভালো।
অর্থাৎ মেরু অঞ্চল চাপা হওয়ায় সেখানে ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হওয়ায় বস্তুর ওজন শূন্য হয়।
একই প্রশ্ন ঘুরিয়ে আসতে পারে যে কোথায় বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম, যার উত্তর হবে বিষুব অঞ্চলে।
সঠিক উত্তর: C) কার্বনডাই-অক্সাইড
১. কেন সঠিক:
- জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বনডাই-অক্সাইড গ্যাস সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নির্গত হয় এবং এর পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- কয়লা, পেট্রোল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর সময় এগুলোর মধ্যে থাকা কার্বন বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে প্রচুর পরিমাণে কার্বনডাই-অক্সাইড তৈরি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জীবাশ্ম জ্বালানি হলো মূলত হাইড্রোকার্বনের জটিল মিশ্রণ যা পুড়িয়ে শক্তি উৎপাদন করা হয়।
- রাসায়নিক বিক্রিয়া: হাইড্রোকার্বন যোগ অক্সিজেন থেকে উৎপন্ন হয় কার্বনডাই-অক্সাইড যোগ জলীয় বাষ্প যোগ তাপশক্তি।
- কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন ও যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাসের ঘনত্ব বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লা পোড়ানোর সময় বিপুল পরিমাণ কার্বনডাই-অক্সাইড সরাসরি বায়ুমণ্ডলে মিশে যায়।
উদাহরণ ২: পেট্রোলচালিত গাড়ি
ব্যাখ্যা: মোটরগাড়ির ইঞ্জিন তেল বা পেট্রোল দহন করে শক্তি তৈরি করে এবং নিষ্কাশন পাইপ দিয়ে কার্বনডাই-অক্সাইড গ্যাস নির্গত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জ্বালানি বাষ্প — এটি কোনো নির্দিষ্ট গ্রিন হাউজ গ্যাস নয় এবং জ্বালানি দহনের প্রধান গ্যাসীয় বর্জ্য এটি নয়।
B) ক্লোরােফ্লোরাে কার্বন — এটি মূলত রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনার থেকে নির্গত হয়, জীবাশ্ম জ্বালানি দহন থেকে নয়।
C) কার্বনডাই-অক্সাইড — এটি সঠিক উত্তর এবং জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে বায়ুমণ্ডলে বৃদ্ধি পায়।
D) মিথেন — এটি ধানক্ষেত এবং গবাদিপশু থেকে বেশি উৎপন্ন হয়, যদিও এটি একটি শক্তিশালী গ্রিন হাউজ গ্যাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গাড়ি বা শিল্প কারখানার কালো ধোঁয়া মানেই কার্বনডাই-অক্সাইড গ্যাসের আধিক্য।
- জীবাশ্ম জ্বালানি ও কার্বনডাই-অক্সাইড একে অপরের পরিপূরক হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বা গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী গ্যাস কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- গ্রিন হাউজ গ্যাসগুলোর মধ্যে বায়ুমণ্ডলে কোনটির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বালি
১. কেন সঠিক:
- কাঁচ তৈরির মূল উপাদান হলো সিলিকা বা সিলিকন ডাইঅক্সাইড, যা মূলত বিশেষ ধরনের বিশুদ্ধ বালুকা থেকে পাওয়া যায়।
- কাঁচশিল্পে ব্যবহৃত এই বালুর প্রধান রাসায়নিক উপাদান সিলিকা প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কাঁচের কাঠামো তৈরি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কাঁচ একটি অনিয়মিত বা নিরাকার কঠিন পদার্থ, যা সাধারণত সিলিকা, সোডা ছাই এবং চুনাপাথরের মিশ্রণ গলিয়ে তৈরি করা হয়।
- রাসায়নিক সংকেত: বালুর মূল উপাদান সিলিকা যার রাসায়নিক সংকেত এসআইও২ এবং এটি গলনের মাধ্যমে কাঁচের প্রধান নেটওয়ার্ক গঠন করে।
- কার্যপ্রণালি: বালি বা সিলিকার গলনাঙ্ক অনেক বেশি হওয়ায় এর সঙ্গে সোডা ছাই মেশানো হয় যা মিশ্রণের গলনাঙ্ক কমিয়ে উৎপাদন সহজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘরের জানালা তৈরির সাধারণ কাঁচ।
ব্যাখ্যা: এটি মূলত বালি, সোডা এবং চুনাপাথরের মিশ্রণকে প্রচণ্ড তাপে গলিয়ে আকৃতি দিয়ে তৈরি করা হয়।
উদাহরণ ২: ল্যাবরেটরির বোরোসিলিকেট কাঁচ বা পাইরেক্স কাঁচ।
ব্যাখ্যা: এটি তৈরিতে বালির সঙ্গে বোরন অক্সাইড মেশানো হয় যা উচ্চ তাপে কাঁচকে ভাঙতে বাধা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাজিমাটি — শাজিমাটি কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল নয়, এটি মূলত মৃৎশিল্প, সিরামিকস এবং প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
B) চুনাপাথর — চুনাপাথর কাঁচ তৈরিতে সহায়ক উপাদান বা ফ্লাক্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়, প্রধান কাঁচামাল নয়।
C) জিপশাম — জিপশাম সিমেন্ট শিল্পে সেটিং সময় নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল নয়।
D) বালি — এটি কাঁচের প্রধান উপাদান এবং এর সঠিক উত্তর হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে স্বীকৃত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কাঁচ মানেই বালি, আর বালির প্রধান উপাদান সিলিকা। কাঁচের মূল কাঠামো ধরে রাখে এই বালি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কাঁচ তৈরিতে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে সিলিকা বা বালির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- কাঁচকে অতিশীতল তরল বলা হয় কারণ এটি কঠিন হলেও এর অণুগুলোর নির্দিষ্ট কোনো কেলাশ কাঠামো নেই।
সঠিক উত্তর: D) ১০ নিউটন
১. কেন সঠিক:
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে প্রায় ১০ নিউটন বল প্রয়োগ করে।
এটি বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের কণাগুলোর ওজন এবং অভিকর্ষ বলের সম্মিলিত প্রভাবের ফলে সৃষ্টি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো একক ক্ষেত্রফলের ওপর বায়ুর লম্বভাবে প্রযুক্ত বল।
কার্যপ্রণালি: পৃথিবীর অভিকর্ষ বল বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলোকে নিজের কেন্দ্রের দিকে টানে, ফলে প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলের ওপর নির্দিষ্ট ওজনের বল প্রযুক্ত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: সমুদ্রপৃষ্ঠে আমাদের শরীরের ওপর প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে প্রায় ১০ নিউটন বল প্রয়োগ হওয়া সত্ত্বেও আমরা পিষে যাই না কারণ শরীরের ভেতর থেকে রক্তের চাপ এর সমান বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে ভারসাম্য রক্ষা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বায়ুমণ্ডলের চাপ মাপার যন্ত্র ব্যারোমিটার।
ব্যাখ্যা: সমুদ্রপৃষ্ঠে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা ৭৬ সেমি হলে যে চাপ নির্দেশ করে, তার মান প্রতি বর্গ সেমি প্রায় ১০ নিউটন হয়।
উদাহরণ ২: মানুষের হাতের ওপর বায়ুর চাপ।
ব্যাখ্যা: মানবদেহের প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ত্বকের ওপর প্রায় ১০ নিউটন বায়ুচাপ সব দিক থেকে সমানভাবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ কি.মি. — এটি কোনো চাপ বা বলের একক নয়, এটি উচ্চতা বা দূরত্বের একক।
B) ১০ কি.মি. — এটিও দূরত্বের পরিমাপ, যা বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ২৭ কি.গ্রাম — এটি ভরের একক, যা প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে বায়ুর চাপের সঠিক পরিমাপ নির্দেশ করে না।
D) ১০ নিউটন — এটি বলের সঠিক একক এবং সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলে বায়ুর চাপের সঠিক মান।
৫ মনে রাখার টিপস:
বায়ুর চাপ এবং বল মনে রাখতে মনে রাখবে, সমুদ্রের কাছে ১০ নম্বর জার্সি পরে ১০ নিউটন বল প্রয়োগ করা হয়।
চাপের একক নিউটন প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার হওয়ায় এর মান সংখ্যায় ১০ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের প্রমাণ চাপ হলো প্রতি বর্গমিটারে ১ লক্ষ ১ হাজার ৩২৫ পাস্কেল।
একই ধারণা থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমাণ বায়ুমণ্ডলের মান বা ব্যারোমিটারের পাঠ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া
১. কেন সঠিক:
মানুষের দেহকোষে মোট ছিয়াচলটি বা তেইশ জোড়া ক্রোমোেজাম থাকে।
বাবা ও মায়ের কাছ থেকে প্রাপ্ত জননকোষের মিলনের মাধ্যমে এই সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্রোমোেজাম হলো নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থিত বংশগতির মূল বাহক।
কার্যপ্রণালি: মানবদেহে বাইশ জোড়া অটোসোম শারীরিক বৈশিষ্ট্য এবং এক জোড়া সেক্স ক্রোমোেজাম লিঙ্গ নির্ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা ও পিতার জিনগত বৈশিষ্ট্য সন্তানের মধ্যে সঞ্চারিত হওয়া।
ব্যাখ্যা: তেইশ জোড়া ক্রোমোেজামের সুনির্দিষ্ট বিন্যাসের জন্যই মানবশিশুর শারীরিক গঠন মানুষের মতো হয়।
উদাহরণ ২: মানুষের চোখের বা চুলের রঙ ভিন্ন হওয়া।
ব্যাখ্যা: ক্রোমোেজামে থাকা জিনের ভিন্ন বিন্যাসের কারণে ভাইবোনের মধ্যেও শারীরিক বৈশিষ্ট্যে বৈচিত্র্য দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ জোড়া — এটি মানুষের ক্রোমোেজামের সঠিক সংখ্যা নয়।
অন্য কোনো জীবের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা হতে পারে।
B) ২৬ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক ক্রোমোেজাম সংখ্যাকে নির্দেশ করে না।
এটি ভুল বৈজ্ঞানিক পরিমাপের ফল।
C) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক ক্রোমোেজামের সঠিক সংখ্যা।
এটি জোড়ায় মোট ছেচল্লিশটি ক্রোমোেজাম গঠন করে।
D) ২৪ জোড়া — এটি মানুষের ক্রোমোেজামের নির্দিষ্ট সংখ্যা নয়।
শিম্পাঞ্জি বা অন্য কোনো প্রাণীর ক্রোমোেজাম সংখ্যা এর কাছাকাছি হতে পারে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মানুষের মোট ক্রোমোেজাম ছেচল্লিশটি এবং তাকে দুই দিয়ে ভাগ করলে তেইশ জোড়া হয়।
জোড়ার সংখ্যা মনে রাখলে মোট সংখ্যা বের করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মানবদেহে অটোসোমের সংখ্যা বাইশ জোড়া এবং সেক্স ক্রোমোেজামের সংখ্যা এক জোড়া।
ডাউন সিনড্রোম রোগের কারণ একুশ নম্বর ক্রোমোেজামের ত্রুটি, যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) ইউরিয়া
১. কেন সঠিক:
- নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রধানত ইউরিয়া সার প্রস্তুত করা হয়।
- বাতাসে থাকা নাইট্রোজেন গ্যাসের সঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাসের মিথেন থেকে প্রাপ্ত হাইড্রোজেন যুক্ত করে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয়, যা পরবর্তীতে কার্বন ডাইঅক্সাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ইউরিয়া সারে পরিণত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ জৈব সার যার রাসায়নিক সংকেত সিও এনএইচ টু হোল টু।
- রাসায়নিক বিক্রিয়া: প্রথমে হেবার পদ্ধতিতে নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন গ্যাস উচ্চচাপ ও তাপমাত্রায় বিক্রিয়া করে অ্যামোনিয়া তৈরি করে।
- কার্যপ্রণালি: উৎপাদিত তরল অ্যামোনিয়া এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড উচ্চ তাপে বিক্রিয়া করে ইউরিয়া উৎপন্ন করে, যা দানা আকারে কৃষিকাজে ব্যবহৃত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: উদ্ভিদের দ্রুত বৃদ্ধি, পাতা সবুজ রাখা এবং আমিষ জাতীয় উপাদান তৈরিতে ইউরিয়া সার মাটিতে প্রয়োগ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধান ক্ষেতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ
ব্যাখ্যা: ধান গাছের চারা রোপণের পর সবুজ রঙ ও ভালো বৃদ্ধির জন্য ইউরিয়া সার ছিটানো হয়, কারণ এতে থাকা নাইট্রোজেন গাছের খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: শিল্প কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন
ব্যাখ্যা: সার কারখানায় বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন এবং প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে কৃত্রিম উপায়ে ইউরিয়া সার তৈরি করা হয়, যা কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিএসপি — টিএসপি বা ট্রিপল সুপার ফসফেট সার মূলত ফসফরাস সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে তৈরি হয় না।
B) সবুজ সার — সবুজ সার হলো শিম্বগোত্রীয় গাছের পাতা ও ডালপালা মাটিতে মিশিয়ে তৈরি করা প্রাকৃতিক সার, যা কোনো কারখানা বা গ্যাস থেকে প্রস্তুত করা হয় না।
C) পটাশ — পটাশ সার বা পটাশিয়াম ক্লোরাইড মূলত খনিজ লবন থেকে আহরণ করা হয়, এর সঙ্গে নাইট্রোজেন গ্যাসের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) ইউরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাইট্রোজেন গ্যাস হলো ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নাইট্রোজেন থেকে নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ইউরিয়া তৈরি হয়, যেখানে ইউরিয়া সারে শতকরা ছেচল্লিশ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।
- হেবার বস পদ্ধতি মনে রাখলে অ্যামোনিয়া উৎপাদন এবং সেখান থেকে ইউরিয়া তৈরির প্রক্রিয়া সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় ছেচল্লিশ শতাংশ, যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- বাতাস থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে কোন সারের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এই প্রশ্নটি উদ্ভিদ পুষ্টি অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) ডলি
১. কেন সঠিক:
ডলি হলো পৃথিবীর প্রথম সফল স্তন্যপায়ী প্রাণী যা একটি প্রাপ্তবয়স্ক কোষ বা অ্যাডাল্ট সেল থেকে ক্লোন করে তৈরি করা হয়েছিল।
এটি আধুনিক জীববিজ্ঞানে এক বিশাল বিপ্লব ঘটিয়েছিল কারণ এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবের দেহকোষ থেকে নতুন জীব সৃষ্টি সম্ভব।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্লোনিং হলো এমন একটি জৈবিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো জীব হুবহু জিনগতভাবে মিলে এমন এক বা একাধিক জীব তৈরি করা হয়।
কার্যপ্রণালি: স্কটিশ বিজ্ঞানীরা একটি ভেড়ার ওলান থেকে দেহকোষ সংগ্রহ করেন এবং অন্য একটি ভেড়ার ডিম্বাণু থেকে নিউক্লিয়াস সরিয়ে ফেলে সেখানে সেই দেহকোষের নিউক্লিয়াস প্রতিস্থাপন করেন।
বাস্তব প্রয়োগ: এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্তমানে বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী রক্ষা এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের গবেষণা চালানো হচ্ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদ্ভিদের টিস্যু কালচার বা অঙ্গজ জনন।
ব্যাখ্যা: একটি মাতৃ উদ্ভিদ থেকে কোষ নিয়ে হুবহু নতুন চারা তৈরি করা ক্লোনিংয়েরই একটি প্রাকৃতিক বা ল্যাবরেটরি রূপ।
উদাহরণ ২: মানুষের ক্ষেত্রে অভিন্ন যমজ সন্তান।
ব্যাখ্যা: একটিমাত্র ভ্রূণ দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে জিনগতভাবে হুবহু দুটি শিশুর জন্ম দেয় যা প্রাকৃতিকভাবে ক্লোনিংয়ের মতো ফল দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেলী — এটি সঠিক নয় কারণ শেলী নামে কোনো বিখ্যাত ক্লোন ভেড়ার ইতিহাস নেই। এটি পরীক্ষামূলক বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) ডলি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৯৬ সালে স্কটল্যান্ডের রসল ইনস্টিটিউটে জন্ম নেওয়া এই ভেড়াটির নামই ডলি রাখা হয়েছিল।
C) মলি — এটি সঠিক নয় কারণ মলি বা পলি নামে অন্য কোনো ক্লোন ভেড়ার বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি নেই।
D) নেলী — এটি সঠিক নয় কারণ নেলী বৈজ্ঞানিকভাবে কোনো বিখ্যাত ক্লোন প্রাণীর নাম বহন করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্লোন ভেড়ার নাম মনে রাখতে ড অক্ষরের ওপর জোর দিতে পারো কারণ ডলি নামটি অত্যন্ত বিখ্যাত।
জীববিজ্ঞানের এই অবাণিজ্যিক সাফল্যটি মনে রাখতে ভেড়ার প্রথম ক্লোন ডলি কথাটি বারবার স্মরণ করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ডলি ভেড়ার জন্ম ১৯৯৬ সালে স্কটল্যান্ডের রসল ইনস্টিটিউটে হয়েছিল এবং এর বিজ্ঞানীরা ছিলেন ইয়ান উইলমুট ও কিথ ক্যাম্পবেল।
এই প্রশ্নটি থেকে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতায় ক্লোনিংয়ের জনক বা প্রথম ক্লোন প্রাণীর নাম সম্পর্কিত এমসিকিউ প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) কয়লা
১. কেন সঠিক:
- দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়ায় দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লখনি অবস্থিত এবং এখানে কয়লা উত্তোলনের প্রকল্প চলমান রয়েছে।
- এই কয়লা মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্পকারখানার জ্বালানি চাহিদা পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে কয়লা হলো উদ্ভিদের অবশেষ যা ভূগর্ভে কোটি কোটি বছর ধরে তাপ ও চাপের ফলে রূপান্তরিত হয়েছে।
- কার্যপ্রণালি: বড়পুকুরিয়া খনিতে সাব লেভেল কেভ মাইন পদ্ধতি ব্যবহার করে ভূগর্ভ থেকে কয়লা উত্তোলন করা হয় এবং তা থার্মাল পাওয়ারে ব্যবহৃত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: উত্তোলিত কয়লা পুড়িয়ে তাপশক্তি উৎপাদন করা হয়, যা পরবর্তীতে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: এই খনির কয়লা ব্যবহার করে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, যা উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: ব্রিক ফিল্ড বা ইটের ভাটা।
ব্যাখ্যা: কয়লা পুড়িয়ে প্রচুর তাপ উৎপন্ন করা হয় যা মাটি পোড়াতে এবং ইট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কঠিন শিলা — বড়পুকুরিয়ায় কঠিন শিলার খনি নেই, তবে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া অঞ্চলে কঠিন শিলার খনি বা গ্রানাইট প্রকল্প রয়েছে।
B) কয়লা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই এলাকায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্প সক্রিয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
C) চুনাপাথর — চুনাপাথর আমদানিনির্ভর এবং আমাদের দেশের জয়পুরহাট ও সিলেট অঞ্চলে এর সন্ধান মিলেছে, বড়পুকুরিয়ায় নয়।
D) কাদামাটি — কাদামাটি সাধারণ মাটি যা মূলত ইট ও মৃৎশিল্পে ব্যবহৃত হয়, এটি কোনো খনিজ প্রকল্প হিসেবে বড়পুকুরিয়ায় নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বড়পুকুরিয়া নামটির সঙ্গে কয়লা শব্দটি মনে রাখার জন্য ব-তে বড়পুকুরিয়া এবং ক-তে কয়লা বা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র মনে রাখতে পারো।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ যেমন মধ্যপাড়া (শিলা) এবং তিতাস (গ্যাস) এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লখনি কোনটি এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
- একই ধারণা থেকে মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি বা বাংলাদেশের প্রধান গ্যাসক্ষেত্র সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস
১. কেন সঠিক:
- পদ দুটির মধ্যে পারস্পরিক বা একই জাতীয় ক্রিয়ার পারস্পরিক বোঝানো হলে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস হয়।
- লাঠিতে লাঠিতে যে লড়াই, তা বুঝাতে 'লাঠালাঠি' শব্দটি গঠিত হয়েছে এবং এটি পারস্পরিক আঘাত বোঝায়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বা পরপদের অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো পদকে বোঝানো হয়।
- ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাসে একই শব্দের দ্বিরুক্তি ঘটে এবং পারস্পরিক ক্রিয়া বা সংঘাত প্রকাশ পায়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কোলাকুলি
ব্যাখ্যা: কোলে কোলে যে মিলন, যা পারস্পরিক ভাব বিনিময়ের অর্থ প্রকাশ করে।
উদাহরণ ২: হাতাহাতি
ব্যাখ্যা: হাতে হাতে যে লড়াই, যা পারস্পরিক ক্রিয়ার মাধ্যমে সংঘটিত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রাদি সমাস — প্র, পরা, অপ ইত্যাদি উপসর্গ বা প্রা-াদি শব্দের সঙ্গে কৃদন্ত পদের যে সমাস হয় তাকে প্রাদি সমাস বলে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস — এটি সঠিক উত্তর।
C) তৎপুরুষ সমাস — যে সমাসে পূর্বপদের বিভক্তির লোপ পেয়ে পরপদের অর্থ প্রধান হয়, তাকে তৎপুরুষ সমাস বলে, কিন্তু লাঠালাঠি ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
D) কর্মধারয় সমাস — যেখানে বিশেষণ পদের সাথে বিশেষ্য পদের সমাস হয়ে নতুন কোনো অর্থ প্রকাশ না করে পরপদের অর্থই প্রধান থাকে, তা কর্মধারয় সমাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- পারস্পরিক বোঝাতে যদি কোনো শব্দের দ্বিরুক্তি ঘটে এবং লড়াই বা মিলনের অর্থ প্রকাশ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস দাগাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ব্যতিহার বহুব্রীহি থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- লাঠালাঠি, কোলাকুলি, গলাগলি শব্দগুলো এই সমাসের সবচেয়ে ভালো উদাহরণ।
সঠিক উত্তর: B) নাটক
১. কেন সঠিক:
'নেমেসিস' একটি বিখ্যাত আধুনিক বাংলা নাটক।
এটি বিংশ শতাব্দীর বিখ্যাত নাট্যকার নূরুল মোমেন রচিত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও সমাজবাস্তবতার নাটক।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
নূরুল মোমেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত নাট্যকার, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন।
'নেমেসিস' নাটকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন কালোবাজারি, মুনাফাখোরি এবং মানুষের নৈতিক অবক্ষয় অত্যন্ত নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নূরুল মোমেন রচিত অপর একটি নাটক 'نعمت' বা 'ರೂپ' কিংবা অন্যান্য সামাজিক নাটক।
ব্যাখ্যা: এটি নাট্যকারের নাট্যকার হিসেবে আত্মপ্রকাশের একটি শক্তিশালী মাধ্যম।
উদাহরণ ২: মুনীর চৌধুরী রচিত 'কবর' নাটক।
ব্যাখ্যা: এটিও একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে রচিত অত্যন্ত প্রভাবশালী বাংলা নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কাব্য — 'নেমেসিস' কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়, এটি গদ্যে রচিত একটি সফল নাটক।
B) নাটক — এই অপশনটি সঠিক কারণ এটি নূরুল মোমেন রচিত একটি সুপরিচিত নাটক।
C) উপন্যাস — এটি কোনো দীর্ঘ কল্পকাহিনি বা উপন্যাস নয়, বরং মঞ্চে অভিনীত হওয়ার উপযোগী নাটক।
D) গীতিকবিতা — এটি গীতল বা সংগীতাশ্রয়ী কোনো কবিতা নয়, বরং সংলাপনির্ভর নাটক।
৫. মনে রাখার টিপস:
নেমেসিস নাটকটি মনে রাখতে মোমেন ও নৈতিক অবক্ষয় কথাটি মনে রাখুন।
লেখক নূরুল মোমেন নাটকে নেমেসিস তথা প্রতিশোধের রূপ দেখিয়েছেন।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাট্যকার নূরুল মোমেন এবং তাঁর 'নেমেসিস' নাটক প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
বাংলা সাহিত্যের আধুনিক নাটকের ধারা মনে রাখতে এই নাটকটির নাম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) শেষলেখা
১. কেন সঠিক:
- ‘তোমার সৃষ্টির পথ রেখেছ আকীর্ণ করি’ লাইনটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শেষ জীবনের কাব্যগ্রন্থ ‘শেষলেখা’র অন্তর্গত একটি বিখ্যাত কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
- অসুস্থ অবস্থায় রচিত এই কবিতায় কবির জীবনদর্শন, সৃষ্টিশীলতা এবং মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আত্মোপলব্ধির এক গভীর সুর প্রকাশ পেয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ‘শেষলেখা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যুর পর প্রকাশিত (১৯৪১ সালে) একটি অন্তিম কাব্যগ্রন্থ।
- এটি কবির মৃত্যুর মাত্র কয়েক মাস আগে ও মৃত্যুর সময়ে রচিত কবিতার সংকলন, যেখানে তার আধ্যাত্মিক চিন্তা ও জীবনাবসানের আবহ স্পষ্ট।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ‘রোগশয্যায়’ কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অসুস্থ অবস্থায় রচিত একটি অন্তিম পর্যায়ের কবিতা সংকলন, যা ‘শেষলেখা’র সমসাময়িক।
উদাহরণ ২: ‘জন্মদিন’ কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের শেষভাগে রচিত আরও একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ যা তার অন্তিম পর্বের সৃষ্টি।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পূরবী — এই কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনের মধ্য বা পরিণত পর্যায়ের রচনা, যা শেষ জীবনের অন্তিম কাব্য ‘শেষলেখা’ নয়।
B) শেষলেখা — এটি সঠিক উত্তর।
C) আকাশ প্রদীপ — এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোতে মূলত কবির শৈশব ও স্মৃতিকথার আবহ বেশি দেখা যায়।
D) সেঁজুতির — এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৩৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর বিষয়বস্তু ও সময়কাল শেষলেখার অন্তর্ভুক্ত নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথের জীবনের একেবারে শেষ রচনাগুলোর জন্য ‘শেষলেখা’ কাব্যগ্রন্থটি মনে রাখবে।
- শেষ বয়সে লেখা শেষ কবিতা মানেই শেষলেখা।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘শেষলেখা’ কাব্যগ্রন্থটি তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির শেষ দিকের কাব্যগ্রন্থগুলো থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
সঠিক উত্তর: B) সূর্য দীঘল বাড়ী
১. কেন সঠিক:
- 'জয়গুন' হলো বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত কালজয়ী চরিত্র, যা আবু ইসহাক রচিত 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র।
- গ্রামীণ সমাজের কঠোর দারিদ্র্য, সামাজিক গোঁড়ামি এবং পুরুষতান্ত্রিক শোষণের বিরুদ্ধে এক সংগ্রামী মায়ের অদম্য লড়াইয়ের প্রতীক হলো এই জয়গুন চরিত্রটি।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের রচয়িতা বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক আবু ইসহাক, যা ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক সামাজিক উপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে সমাদৃত এবং এর পটভূমি হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও পঞ্চাশের মন্বন্তর।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কানু মিয়া
ব্যাখ্যা: কানু মিয়া হলো 'সূর্য দীঘল বাড়ী' উপন্যাসের একটি পরিচিত চরিত্র, যিনি জয়গুনের জীবনের নানা ঘটনার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
উদাহরণ ২: মাজেদা
ব্যাখ্যা: মাজেদা চরিত্রটিও এই উপন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং গ্রামীণ অবহেলিত নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জননী — এই অপশনটি ভুল কারণ 'জননী' উপন্যাসটি শওকত ওমানের লেখা, যার কেন্দ্রীয় চরিত্র জয়গুন নয়।
B) সূর্য দীঘল বাড়ী — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি প্রশ্নানুযায়ী প্রযোজ্য এবং সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
C) সারেং বৌ — এই অপশনটি ভুল কারণ 'সারেং বৌ' উপন্যাসটি শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত এবং এর প্রধান চরিত্র নবিতুন।
D) হাজার বছর ধরে — এই অপশনটি ভুল কারণ 'হাজার বছর ধরে' উপন্যাসটি জহির রায়হান রচিত এবং এর প্রধান চরিত্র টুনি ও আমেনা।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সূর্য দীঘল বাড়ীর জয়গুনকে মনে রাখতে 'সূর্যের আলোয় জয়গুন জ্বলে ওঠে' এই ছোট্ট সূত্রটি মাথায় রাখতে পারো।
- উপন্যাসের নাম এবং লেখকের নাম জোড়ায় জোড়ায় মুখস্থ করলে পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়ানো যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উপন্যাসের চরিত্র থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে, তাই প্রধান চরিত্রগুলো আলাদা করে নোট করা জরুরি।
- একই লেখকের অন্য বিখ্যাত রচনা এবং তাদের প্রকাশকাল ভালোভাবে দেখে যাওয়া পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়।
সঠিক উত্তর: A) সমাস
১. কেন সঠিক:
- নবান্ন শব্দটি সমাস প্রক্রিয়ায় গঠিত হয়েছে এবং এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
- নব যে অন্ন = নবান্ন, যেখানে ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ বা মধ্যপদটি সমস্ত পদে লুপ্ত পায়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
- যে কর্মধারয় সমাসের ব্যাসবাক্যের মাঝের পদ সমস্ত পদে সম্পূর্ণভাবে লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে।
- নতুন ধানের চাল দিয়ে তৈরি অন্ন বা নতুন অন্ন বোঝাতে এই সমাস সাধিত হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: সিংহ চিহ্নিত আসন = সিংহাসন
ব্যাখ্যা: এটিও মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ যেখানে মাঝের চিহ্নিত পদটি লোপ পেয়েছে।
উদাহরণ ২: পল মিশ্রিত অন্ন = পನ್ನ
ব্যাখ্যা: মাঝের মিশ্রিত পদটি লোপ পেয়ে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস গঠন করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সমাস — এই অপশনটি সঠিক কারণ নবান্ন একটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস।
B) সন্ধি — নব যোগ অন্ন মিলে নবান্ন হলেও এটি ব্যাকরণগতভাবে সমাসের নিয়মেই প্রধানত আলোচিত হয়।
C) প্রত্যয় — প্রত্যয় শব্দের শেষে যুক্ত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) উপসর্গ — উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে অর্থ পরিবর্তন করে, যা নবান্ন শব্দে ঘটেনি।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নতুন অন্ন সমান নবান্ন মনে রাখলে এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হিসেবে সহজেই চিহ্নিত করা যায়।
- পরীক্ষার হলে খাবারের নাম বা বিশেষ উৎসবের নাম থাকলে তা সাধারণত মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ হিসেবে নবান্ন শব্দটি খুব বেশি আসে।
- সমাস নির্ণয়ের সময় পদের অর্থ এবং ব্যাসবাক্যের গঠন ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) পাকা আম
১. কেন সঠিক:
- 'পক্ব' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পরিপক্ক বা যা সম্পূর্ণভাবে তৈরি বা রসে ভরপুর হয়েছে।
- আমের ক্ষেত্রে 'পাকা' শব্দটি ফল হিসেবে তার পরিপক্কতা এবং খাওয়ার উপযোগী অবস্থাকে অর্থাৎ 'পক্ব' অবস্থাকে সরাসরি প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা শব্দভান্ডারে দেশি, তদ্ভব ও তৎসম শব্দের ভিন্নতার কারণে একই শব্দের বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ পায়।
- 'পাকা' একটি বহুর্থক শব্দ যা বিশেষ বিশেষ বিশেষ্য পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ভিন্ন ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাকা ধান
ব্যাখ্যা: ধানের ক্ষেত্রে পাকা শব্দটি তার পরিপক্কতা বা পক্ব অবস্থাকে বোঝায়।
উদাহরণ ২: পাকা পেঁপে
ব্যাখ্যা: পেঁপের ক্ষেত্রে পাকা শব্দটি ফল হিসেবে তার পক্ব বা খাওয়ার উপযোগী অবস্থাকে নির্দেশ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পাকা বাড়ি — এখানে পাকা শব্দটি ইঁটু, সিমেন্ট ও সুরকি দিয়ে নির্মিত স্থায়ী স্থাপনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, যা পক্ব অর্থে নয়।
B) পাকা রং — এখানে পাকা শব্দটি দীর্ঘস্থায়ী বা টেকসই রঙ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, পক্ব অর্থে নয়।
C) পাকা কাজ — এখানে পাকা শব্দটি দক্ষ বা পাকা পোক্ত কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, যা পক্ব অর্থে নয়।
D) পাকা আম — এই অপশনটি সঠিক কারণ আম ফলের পরিপক্কতা বা পক্ব অবস্থাকে নির্দেশ করে।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ফলমূলের ক্ষেত্রে পাকা মানে পক্ব বা পরিপক্ক।
- ইমারত বা রঙের ক্ষেত্রে পাকা মানে স্থায়ী বা পোক্ত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বহুরূপী বা বহুর্থক শব্দের ক্ষেত্রে বিশেষ্যের সাথে বিশেষণের প্রয়োগ ভালোভাবে বুঝতে হবে।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের রূপ ও অর্থের ভিন্নতা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) পদাশ্রিত নির্দেশক
১. কেন সঠিক:
যেসব শব্দ বা প্রত্যয় পদের সাথে যুক্ত হয়ে পদের নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা, একবচন বা বহুবচন বোঝায়, সেগুলোকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলে।
টা, টি, খানা, খানি ইত্যাদি শব্দমূল বা শব্দের পরে যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট করে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে পদাশ্রিত নির্দেশক মূলত নির্দিষ্টতা জ্ঞাপক শব্দাংশ। বিশেষ্য পদের সাথে এরা যুক্ত হয়ে বচন ও নির্দেশক ভাব প্রকাশ করে।
এগুলো সাধারণত শব্দের শেষে বসে এবং সংখ্যাবাচক শব্দের সাথেও ব্যবহৃত হতে পারে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বইটি টেবিলের ওপর রাখা আছে
ব্যাখ্যা: এখানে বই শব্দের সাথে টি যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি বইকে বোঝাচ্ছে।
উদাহরণ ২: কলমটা আমাকে দাও
ব্যাখ্যা: এখানে কলম শব্দের সাথে টা যুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট একটি কলমকে নির্দেশ করছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) পদাশ্রিত নির্দেশক — এটি সঠিক উত্তর কারণ টা, টি, খানা নির্দিষ্টতা বোঝাতে পদের সাথে বসে।
B) প্রকৃতি — শব্দ বা ধাতুর মূলরূপকে প্রকৃতি বলে, যা টা, টি, খানা নয়।
C) বিভক্তি — শব্দের সাথে কারক বোঝাতে যা যুক্ত হয় তা বিভক্তি, কিন্তু পদাশ্রিত নির্দেশক আলাদা শব্দাংশ।
D) উপসর্গ — শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে উপসর্গ, কিন্তু টা, টি শব্দের পরে বসে।
৫. মনে রাখার টিপস:
যেকোনো পদের শেষে বসে নির্দিষ্টতা বোঝালে তাকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলবে। মনে রাখবে টা, টি, খানা, খানি, টুকুটুকু হলো এর প্রধান রূপ।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় পদাশ্রিত নির্দেশক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। মনে রাখবে খানা ও খানি সাধারণত স্ত্রীবাচক বা বস্তুবাচক শব্দের সাথে বেশি ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: B) সংস্কৃত উপসর্গ
১. কেন সঠিক:
- প্র, পরা এবং অপ হলো সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ যা সাধারণত সংস্কৃত ধাতু বা শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে মূলত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয় যার মধ্যে এই তিনটি হলো প্রাচীন ও মূল সংস্কৃত উপসর্গ।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- উপসর্গ হলো এমন কিছু অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা স্বাধীনভাবে পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না কিন্তু অন্য শব্দের প্রথমে বসে নতুন অর্থবোধক শব্দ তৈরি করে।
- বাংলা ব্যাকরণে মোট কুড়িটি সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ রয়েছে যার মধ্যে প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নিবি, দুস্, বি ইত্যাদি অন্যতম।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: প্রহার
ব্যাখ্যা: এখানে প্র উপসর্গটি হারের পূর্বে বসে আঘাত করা অর্থে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।
উদাহরণ ২: অপমান
ব্যাখ্যা: এখানে অপ উপসর্গটি মানের পূর্বে বসে অসম্মান বা অবমূল্যায়ন অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) বাংলা উপসর্গ — প্র, পরা, অপ শব্দগুলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ নয় কারণ বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি এবং এর মধ্যে এগুলো অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) সংস্কৃত উপসর্গ — এটি সঠিক কারণ এই তিনটি উপসর্গ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে।
C) বিদেশি উপসর্গ — প্র, পরা, অপ বিদেশি ভাষা যেমন আরবি, ফার্সি বা ইংরেজি থেকে আসেনি বরং এগুলো সংস্কৃত উৎসের।
D) উপসর্গ স্থানীয় অব্যয় — এই শব্দগুলো শুধু অব্যয় নয় বরং নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়মে উপসর্গ হিসেবে কাজ করে।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি মনে রাখার জন্য প্রথম তিনটি উপসর্গ হলো প্র, পরা, অপ।
- প্র দিয়ে শুরু হওয়া শব্দগুলো সাধারণত তৎসম বা সংস্কৃত উৎসের হয়ে থাকে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ সংখ্যা ও উৎস সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
- বাংলা উপসর্গ একুশটি এবং সংস্কৃত উপসর্গ কুড়িটি এটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১. কেন সঠিক:
- ভানু সিংহ ঠাকুরের পদাবলী বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ গীতি কবিতা সংকলন যার রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মাত্র ষোলো বছর বয়সে মৈথিলি ভাষার অনুকরণে ভানুসিংহ ছদ্মনামে এই পদগুলি রচনা করেছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির এক অবিসংবাদিত দিকপাল যিনি গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ভানু সিংহ ঠাকুরের পদাবলী মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে রচিত হলেও এতে রবীন্দ্রনাথের নিজস্ব প্রতিভার অনন্য প্রকাশ ঘটেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মরণ রে তুহুঁ মম শ্যাম সমান
ব্যাখ্যা: এটি ভানু সিংহ ঠাকুরের পদাবলীর একটি বিখ্যাত পদ যেখানে মৃত্যুকে শ্যাম বা কৃষ্ণের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।
উদাহরণ ২: হৃদয় বাসনা তোমারি পূরিবে
ব্যাখ্যা: এটিও একই সংকলনভুক্ত একটি বিখ্যাত পদ যা বৈষ্ণবীয় প্রেমের ভাবধারায় রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় — তিনি একজন জনপ্রিয় বাঙালি অভিনেতা ও হাস্যরসাত্মক শিল্পী ছিলেন, কোনো সাহিত্যিক বা পদাবলীর রচয়িতা নন।
B) চণ্ডীদাস — তিনি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীর অন্যতম বিখ্যাত কবি হলেও ভানু সিংহ ঠাকুরের পদাবলীর রচয়িতা নন।
D) ভারতচন্দ্র বস — এটি একটি বিভ্রান্তিকর অপশন কারণ অষ্টাদশ শতকের বিশিষ্ট কবি ছিলেন ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর, ভানু সিংহ ঠাকুরের পদাবলীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ছিল ভানুসিংহ এবং তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ বনফুল।
- ভানু সিংহ নামটির সঙ্গে সিংহ শব্দ মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন যে এটি রবীন্দ্রনাথের ছদ্মনামের পদাবলী।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখকদের ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত ছদ্মনাম ভানুসিংহ এবং তাঁর অন্য ছদ্মনামগুলিও ভালো করে পড়ে রাখা উচিত।
সঠিক উত্তর: C) এজেন্ট
১. কেন সঠিক:
এজেন্ট শব্দটি সরাসরি ইংরেজি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং দাপ্তরিক বা ব্যবসায়িক কাজে বহুল ব্যবহৃত হয়।
ইংরেজি Agent শব্দের অর্থ প্রতিনিধি বা মধ্যস্থতাকারী, যা বাংলায় পারিভাষিক বা সরাসরি রূপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
উৎসের ভিত্তিতে বাংলা ভাষার শব্দগুলোকে প্রধানত পাঁচটি ভাগে ভাগ করা হয়। এগুলো হলো তৎসম, অর্ধতৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ।
ইংরেজি ভাষা থেকে আগت শব্দগুলোকে বিদেশি শব্দের একটি অংশ হিসেবে গণ্য করা হয় এবং দাপ্তরিক কাজে এদের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অফিস
ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি Office শব্দ থেকে আগত একটি অতি পরিচিত বিদেশি শব্দ।
উদাহরণ ২: ব্যাংক
ব্যাখ্যা: এটি ইংরেজি Bank শব্দ থেকে বাংলায় এসেছে এবং দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আইন — এটি ফার্সি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, ইংরেজি ভাষা থেকে নয়।
B) দাখিল — এটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, যা দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হয়।
C) এজেন্ট — এটি সঠিক উত্তর।
D) মুচলেকা — এটি আরবি ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ, যা আইনগত ও দাপ্তরিক কাজে ব্যবহৃত হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি ভাষার শব্দ চেনার উপায় হলো সাধারণত এগুলোতে বিদেশি উচ্চারণ ও বানරের ভিন্নতা থাকে। অফিস, ব্যাংক, এজেন্ট জাতীয় শব্দগুলো দেখলে ইংরেজি উৎস হিসেবে ধরে নেওয়া যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। কোন শব্দটি কোন ভাষা থেকে এসেছে, তা আলাদা করে মুখস্থ রাখলে এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর সহজেই দেওয়া সম্ভব।
সঠিক উত্তর: D) মিশ্র বাক্য
১. কেন সঠিক:
যে বাক্যে একটি প্রধান বা স্বাধীন খণ্ডবাক্য এবং এক বা একাধিক আশ্রিত বা অধীন খণ্ডবাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে যুক্ত থাকে, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
এখানে যে-ই এবং সে-ই শব্দ দুটি সাপেক্ষ সর্বনাম হিসেবে ব্যবহার হয়ে একটি বাক্যকে অন্য বাক্যের ওপর নির্ভরশীল করেছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
মিশ্র বা জটিল বাক্যে সাধারণত যো যখন, যে সে, যদি তবে, যিনি তিনি ইত্যাদি সাপেক্ষ জোড় শব্দ ব্যবহৃত হয়।
এই বাক্যে দুটি খণ্ডবাক্য রয়েছে যার একটি অন্যটির পূর্ণাঙ্গ অর্থ প্রকাশের জন্য অপরিহার্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: যে পরিশ্রম করবে, সে-ই সফল হবে।
ব্যাখ্যা: এখানে যে এবং সে সাপেক্ষ সর্বনামের ব্যবহার বাক্যটিকে মিশ্র বাক্যে রূপান্তর করেছে।
উদাহরণ ২: যদি তুমি আসো, তবে আমি যাব।
ব্যাখ্যা: শর্তমূলক এই বাক্যে যদি এবং তবে যুক্ত হয়ে আশ্রিত ও প্রধান খণ্ডবাক্যের সম্পর্ক তৈরি করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সরল বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ সরল বাক্যে একটিমাত্র কর্তা এবং একটিমাত্র সমাপিকা ক্রিয়া থাকে, যা এখানে নেই।
B) যৌগিক বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ যৌগিক বাক্যে একাধিক স্বাধীন বাক্য এবং, কিন্তু, কিংবা ইত্যাদি অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে।
C) মৌলিক বাক্য — এই অপশনটি ভুল কারণ বাংলা ব্যাকরণে মৌলিক বাক্য নামে কোনো বাক্যরীতি নেই, এটি সরল বাক্যের সমার্থক হতে পারে।
D) মিশ্র বাক্য — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে সাপেক্ষ সর্বনামের সাহায্যে একটি প্রধান ও একটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য যুক্ত হয়েছে।
৫. মনে রাখার টিপস:
বাক্যের শুরুতে যদি যে, যাঁরা, যখন, যদি, যারা ইত্যাদি শব্দ থাকে এবং মাঝখানে সে, তাঁরা, তখন, তবে, তারা থাকে, তবে চোখ বুজে সেটিকে মিশ্র বা জটিল বাক্য চিহ্নিত করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাক্য রূপান্তর বা বাক্য শনাক্তকরণে সাপেক্ষ সর্বনামের উপস্থিতি চেনা সবচেয়ে সহজ কৌশল।
একই রকম বাক্যে যদি এবং তবে অথবা যে এবং সে থাকলে তা সবসময় মিশ্র বা জটিল বাক্য হবে।
সঠিক উত্তর: A) মৃত্যুক্ষুধা
১. কেন সঠিক:
মৃত্যুক্ষুধা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসে কলকাতার দরিদ্র ও নিম্নবর্গ মানুষের জীবন সংগ্রাম এবং তাদের বেঁচে থাকার বাস্তব চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম প্রধানত বিদ্রোহী কবি হিসেবে পরিচিত হলেও তিনি বেশ কিছু সার্থক উপন্যাস রচনা করেছেন।
তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে বাঁধন হারা এবং কুহেলিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাঁধন হারা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত পত্রযোগাযোগের মাধ্যমে রচিত উপন্যাস।
উদাহরণ ২: কুহেলিকা
ব্যাখ্যা: এটি কাজী নজরুল ইসলামের রাজনৈতিক উপন্যাস যেখানে প্রেমের সঙ্গে রাজনৈতিক আদর্শের দ্বন্দ্ব ফুটে উঠেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃত্যুক্ষুধা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস এবং এটিই এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর।
B) আলেয়া — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত গীতি নাট্য বা নৃত্যনাট্য, কোনো উপন্যাস নয়।
C) ঝিলিমিলি — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত নাটক, যা ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।
D) মধুমালা — এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি গীতি নাট্য বা রূপক নাট্য, উপন্যাস নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
নজরুলের প্রধান তিনটি উপন্যাস মনে রাখার কৌশল হলো বাকযু মনে রাখা যেখানে বা মানে বাঁধন হারা কু মানে কুহেলিকা এবং মৃ মানে মৃত্যুক্ষুধা।
এই সংক্ষিপ্ত কৌশলটি মনে রাখলে পরীক্ষার হলে উপন্যাসগুলো সহজে আলাদা করা যাবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই নজরুলের উপন্যাস ও নাটকের নাম মিলিয়ে প্রশ্ন করা হয়।
তাই নাটক ও উপন্যাসের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ করা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর: B) বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায়
১. কেন সঠিক:
প্রশ্নটি লেখক ও সাহিত্যকর্মের ধরন সংক্রান্ত। বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় তাঁর সাহিত্যিক জীবনে 'বনফুল' ছদ্মনাম ব্যবহার করে বহু প্রখ্যাত ছোটগল্প ও উপন্যাস লিখেছেন।
বাংলা সাহিত্যে মূলত ছোটগল্পকার হিসেবে তাঁর খ্যাতি থাকলেও তিনি একাধারে চিকিৎসক, ঔপন্যাসিক ও কবি ছিলেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের একজন প্রাতস্মরণীয় লেখক যিনি বনফুল ছদ্মনামে পরিচিত। তাঁর লেখায় সূক্ষ্ম মানবিক অনুভূতি, জীবনবোধ এবং বিজ্ঞানের ছোঁয়া পাওয়া যায়।
তিনি মূলত আকারে ছোট অথচ গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ব্যঙ্গাত্মক ও মনস্তাত্ত্বিক ছোটগল্প রচনার জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বহুরূপী
ব্যাখ্যা: এটি বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় বা বনফুলের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছোটগল্প যা মানুষের বহুরূপী চরিত্রের ওপর আলোকপাত করে।
উদাহরণ ২: ডানা
ব্যাখ্যা: এটি বনফুল রচিত একটি বিখ্যাত বৃহৎ উপন্যাস যেখানে নানা চরিত্রের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) প্রমথ চৌধুরী — ইনি বাংলা সাহিত্যে বীরবল ছদ্মনামে পরিচিত এবং চলিত রীতির প্রবক্তা, তাই এটি ভুল।
B) বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক।
C) যতীন্দ্রমােহন বাগচী — ইনি একজন বিশিষ্ট প্রকৃতিবাদী কবি, তাঁর কোনো বিখ্যাত ছদ্মনাম নেই।
D) মােহিতলাল মজুমদার — ইনি একজন বিশিষ্ট সাহিত্য সমালোচক ও কবি, যাঁর সাহিত্যিক নাম বা ছদ্মনাম সত্যসুন্দর দাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
বনফুলের ব এবং বলাইচাঁদের ব মিলিয়ে মনে রাখতে পারেন। বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায়ের আসল নামেই বনফুল নামটির সূত্র রয়েছে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ছদ্মনাম থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। বনফুলের আসল নাম বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় এবং প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম বীরবল—এটি বহুবার পরীক্ষায় এসেছে।
সঠিক উত্তর: C) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
১. কেন সঠিক:
'সাজাহান' নাটকটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট নাট্যকার দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। ১৯০৯ সালে প্রকাশিত এই ঐতিহাসিক নাটকটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
দ্বিজেন্দ্রলাল রায় বাংলা নাট্যসাহিত্যে ঐতিহাসিক ও পৌরাণিক নাটকের জন্য বিখ্যাত। তার রচিত 'সাজাহান' নাটকে মোগল আমলের পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও রাজনৈতিক ইতিহাস ফুটে উঠেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের 'সাজাহান' নাটক
ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক নাটক যেখানে সাজাহান চরিত্রের ট্র্যাজেডি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উদাহরণ ২: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের 'মেবার পতন' নাটক
ব্যাখ্যা: এটিও তার একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক যা রাজপুতদের বীরত্ব ও ইতিহাস নিয়ে রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) তুলসী লাহিড়ী — তিনি একজন প্রখ্যাত নাট্যকার ও অভিনেতা হলেও 'সাজাহান' নাটকের রচয়িতা নন।
B) ক্ষীরােদপ্রসাদ বিদ্যাবিনােদ — তিনি পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক নাটকের জন্য পরিচিত হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন।
C) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — এই অপশনটি সঠিক এবং নাটকের প্রকৃত রচয়িতা।
D) বলাইচাঁদ মুখােপাধ্যায় — বনফুল ছদ্মনামে পরিচিত এই সাহিত্যিক ছোটগল্প ও উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
ডিএল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকগুলো মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো যে তিনি সাজাহান, চন্দ্রগুপ্ত ও মেবার পতন এর মতো বিখ্যাত নাটক লিখেছেন। নাট্যকার হিসেবে তিনি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় নামেই সর্বাধিক পরিচিত।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ঐতিহাসিক নাটক থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের 'সাজাহান' ও 'চন্দ্রগুপ্ত' নাটক দুটির নাম এবং রচয়িতা খুব ভালো করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আনন্দময়ীর আগমনে
কেন সঠিক:
- এই কবিতাটি ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে দেশপ্রেম ও বিদ্রোহের আগুন জ্বালিয়েছিল।
- ব্রিটিশ রাজশক্তি এই লেখার মধ্যে তীব্র রাজদ্রোহিতা খুঁজে পায় এবং কবিকে কারাদণ্ড দেয়।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও প্রতিবাদী কবিতা যা বাংলা সাহিত্যে বিদ্রোহী চেতনার এক অনন্য নিদর্শন।
- ব্রিটিশ জমানায় প্রকাশিত এই রচনার জন্য নজরুল প্রথমবার কারাবরণ করেছিলেন।
- উদাহরণস্বরূপ, ১৯২২ সালে প্রকাশিত 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতার জন্য কবিকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) বিদ্রোহী — এটি নজরুলের বিখ্যাত কবিতা হলেও এর জন্য তিনি কারাবরণ করেননি।
- B) প্রলয়োল্লাস — এটি অগ্নিবীণা কাব্যের কবিতা হলেও এটি কারাবরণের সরাসরি কারণ ছিল না।
- C) আনন্দময়ীর আগমনে — এই অপশনটি সঠিক হওয়ায় এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।
- D) নারী — এটি সাম্যবাদী চেতনার কবিতা এবং এর সাথে কারাবরণের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
- নজরুলের কারাবরণের সাথে আনন্দময়ী শব্দটি মনে রাখলেই উত্তর সহজ হবে।
সঠিক উত্তর: B) ১৯৫৫
১. কেন সঠিক:
বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর। বাঙালি জাতির ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির গবেষণা এবং প্রসারের উদ্দেশ্যে ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে এই প্রতিষ্ঠানটি গড়ে ওঠে।
২. সাহিত্য ও ইতিহাস ব্যাখ্যা:
এটি মূলত একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে টিকিয়ে রাখা এবং এর উন্নয়নের জন্য এই একাডেমি প্রতিষ্ঠার দাবি জানানো হয়েছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রতি বছর অমর একুশে বইমেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ব্যাখ্যা: এই মেলার সাথে বাংলা একাডেমির ইতিহাস ও বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলন গভীরভাবে যুক্ত।
উদাহরণ ২: ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ব্যাখ্যা: এটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠালগ্নের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক তথ্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৯৫৪ — এই সালে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বাংলা একাডেমির প্রস্তাবিত আইন পাস হওয়ার প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হলেও প্রতিষ্ঠা ১৯৫৫ সালে হয়।
B) ১৯৫৫ — এটি বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার সঠিক সাল এবং এর ঐতিহাসিক ভিত্তি অত্যন্ত সুদৃঢ়।
C) ১৯৫৬ — এই সালে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল, তবে একাডেমি প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
D) ১৯৫৭ — এই সালে বাংলা একাডেমি অ্যাক্ট পাস হয় এবং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে রূপ নেয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের তিন বছর পর অর্থাৎ ১৯৫৫ সালে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। এই ব্যবধান মনে রাখলে সালটি সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা একাডেমির প্রতিষ্ঠার সাল, এর প্রথম মহাপরিচালক এবং বর্ধমান হাউসের নাম প্রায়ই আসে। একই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানের সালগুলো আলাদা করে নোট করে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) কমলে কামিনী
কেন সঠিক:
- কমলে কামিনী নাটকটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত নাট্যকার দীনবন্ধু মিত্র।
- এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি উল্লেখযোগ্য নাটক।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- দীনবন্ধু মিত্র মূলত উনিশ শতকের সমাজসচেতন নাট্যকার হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
- তাঁর রচনার মধ্যে সামাজিক নাটকের পাশাপাশি পৌরাণিক ও প্রহসনমূলক নাটকের নিদর্শনও রয়েছে।
- নীলদর্পণ তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত এবং ঐতিহাসিক নাটক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) কমলে কামিনী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র।
- B) চক্ষুদান — এই গ্রন্থ বা নাটকটির রচয়িতা দীনবন্ধু মিত্র নন, এটি অন্য লেখকের সৃষ্টি।
- C) বিধবা বিবাহ — বিদ্যাসাগর মহাশয় বিধবা বিবাহ আইন প্রচারে এবং এই সম্পর্কিত রচনায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- D) ভদ্রার্জুন — ভদ্রার্জুন নাটকটির রচয়িতা হলেন তারাচরণ শিকদার, যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুদ্রিত নাটক।
মনে রাখার টিপস:
- দীনবন্ধু মিত্র বললেই মাথায় রাখতে হবে নীলদর্পণ নাটকের নাম।
- কমলে কামিনী তাঁর কম পরিচিত একটি পৌরাণিক নাটক।
সঠিক উত্তর: B) ১৮০১ সালে
১. কেন সঠিক:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮০০ সালের ৪ঠা জুলাই, কিন্তু এর প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পরের বছর বাংলা বিভাগ খোলা হয়।
লর্ড ওয়েলেসলির উদ্যোগে এবং উইলিয়াম কেরির নেতৃত্বে এই বিভাগে দেশীয় ভাষার চর্চা শুরু হয়েছিল।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
এই প্রশ্নটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের সূচনাপর্ব এবং গদ্যচর্চার বিকাশের ইতিহাসের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটিশ সিভিলিয়ানদের দেশীয় ভাষা ও সংস্কৃতিতে দক্ষ করে তোলা।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উইলিয়াম কেরি রচিত কথোপকথন।
ব্যাখ্যা: এটি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রকাশনা এবং বাংলা গদ্যের বিকাশে একটি মাইলফলক গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার রচিত বাতত্রিশ সিংহাসন।
ব্যাখ্যা: এটিও ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের নির্দেশে রচিত একটি বিখ্যাত বাংলা গদ্যগ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ১৮০০ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলেও বাংলা বিভাগ খোলা হয়নি।
B) ১৮০১ সালে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই সালেই ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা বিভাগ চালু হয়।
C) ১৮০২ সালে — এই সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগে বিশেষ কোনো নতুন বিভাগ খোলার ঐতিহাসিক রেকর্ড নেই।
D) ১৮০৪ সালে — এই সালের মধ্যে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হয়েছিল, প্রতিষ্ঠার সাল এটি নয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
কলেজ প্রতিষ্ঠার সালটি হলো ১৮০০ আর তার ঠিক এক বছর পর অর্থাৎ ১৮০১ সালে খোলা হয় বাংলা বিভাগ।
এই দুটি সালের পার্থক্য মনে রাখলেই পরীক্ষার বিভ্রান্তি দূর করা সম্ভব।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রথম বাংলা বিভাগের প্রধান ছিলেন উইলিয়াম কেরি।
এই ধরনের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রশ্নগুলোতে প্রতিষ্ঠার সাল এবং বিভাগ খোলার সাল প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই আলাদা করে মনে রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) অতি
১. কেন সঠিক:
- উপসর্গ হলো সেইসব অব্যয়বাচক শব্দ বা শব্দাংশ, যা স্বাধীনভাবে কোনো পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয় না কিন্তু অন্য শব্দের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
- এখানে অপশনগুলোর মধ্যে কেবল অতি হলো একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ যা শব্দের পূর্বে বসে অর্থের পরিবর্তন বা নতুন অর্থ প্রকাশ করে।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়, যেমন খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
- উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে শব্দের অর্থের সংকোচন, প্রসারণ বা পূর্ণতা সাধন করে থাকে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অতি + মাত্র = অতিমাত্রা
ব্যাখ্যা: এখানে অতি উপসর্গটি মাত্র শব্দের পূর্বে বসে মাত্রা অতিক্রম করা অর্থ প্রকাশ করেছে।
উদাহরণ ২: অতি + খর্ব = অতিকায়
ব্যাখ্যা: এখানে অতি উপসর্গটি খর্ব শব্দের পূর্বে যুক্ত হয়ে বিশাল বা বিরাট আকৃতি অর্থ প্রকাশ করেছে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অতি — এটি একটি খাঁটি বাংলা উপসর্গ, যা শব্দের প্রথমে বসে নতুন শব্দ তৈরি করে।
B) থেকে — এটি একটি অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় পদ, যা শব্দের পরে বসে কারক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) চেয়ে — এটি একটি অনুসর্গ বা তুলনাবাচক শব্দ, যা দুটি পদের মধ্যে তুলনা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
D) দ্বারা — এটি একটি বিভক্তিযুক্ত অনুসর্গ বা কারক নির্দেশক শব্দ, যা সাধারণত করণ কারকে ব্যবহৃত হয়।
৫. মনে রাখার টিপস:
- বাংলা উপসর্গ মোট একুশটি মুখস্থ রাখার জন্য ছড়া ব্যবহার করতে পারো যেমন অঘা, অজ, অনা, আ, আতি, আন, আপ, ইতি ইত্যাদি।
- অনুসর্গগুলো সাধারণত শব্দের পরে বসে আর উপসর্গগুলো সব সময় শব্দের পূর্বে বসে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই উপসর্গ এবং অনুসর্গের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে বলা হয়।
- অপশনে থাকা থেকে, চেয়ে, দ্বারা এগুলো অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়, তাই এগুলো উপসর্গ হতে পারে না।
সঠিক উত্তর: C) পেরেশান
১. কেন সঠিক:
- পেরেশান শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে এবং এর অর্থ অস্থির বা বিভ্রান্ত।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ফারসি, আরবি ও তুর্কি শব্দ প্রায়ই আলাদা করতে বলা হয়।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বিদেশি শব্দগুলোর মধ্যে ফারসি শব্দ অন্যতম প্রধান একটি উৎস।
- ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন প্রশাসনিক, ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও দৈনন্দিন ব্যবহারের শব্দ প্রবেশ করেছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: চশমা
ব্যাখ্যা: এটি একটি বহুল ব্যবহৃত ফারসি শব্দ যার অর্থ চোখের চশমা বা পশম।
উদাহরণ ২: কারখানা
ব্যাখ্যা: এটি ফারসি শব্দ যা কর্মক্ষেত্র বা উৎপাদনের স্থান বোঝাতে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুসাফির — এটি একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ ভ্রমণকারী বা পথিক।
B) তকদির — এটি একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ ভাগ্য বা কিসমত।
C) পেরেশান — এটি সঠিক ফারসি শব্দ এবং এটিই প্রশ্নের কাঙ্ক্ষিত উত্তর।
D) মজলুম — এটি একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ অত্যাচারিত বা নিপীড়িত ব্যক্তি।
৫. মনে রাখার টিপস:
- আবেগ, অবস্থা ও মানসিক ভাব প্রকাশকারী অনেক শব্দ ফারসি হয় যেমন পেরেশান, বদমাশ ও কারখানা।
- ধর্মীয় বা ইসলামি পরিভাষার অধিকাংশ শব্দ আরবি হয় যেমন মুসাফির, তকদির ও মজলুম।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিদেশি শব্দের উৎস নির্ণয়ের সময় আরবি ও ফারসি শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে লক্ষ্য করতে হয়।
- পরীক্ষার হলে শব্দগুলোর অর্থ ও প্রচলিত ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা থাকলে সহজেই সঠিক উত্তর নির্বাচন করা যায়।
সঠিক উত্তর: C) সিন্ধুহিন্দোল
১. কেন সঠিক:
- 'দারিদ্র্য' কবিতাটি জাতীয় কবি কাজী নজরুলের 'সিন্ধুহিন্দোল' কাব্যের অন্তর্গত একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও পরিচিত কবিতা।
- এই কবিতায় কবি অত্যন্ত বাস্তব ও শিল্পসম্মত ভাষায় মানবজীবনের দুঃখ, অভাব এবং সামাজিক বৈষম্যের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি, যিনি একই সঙ্গে সাম্যবাদী চেতনা ও প্রেমের গান গেয়েছেন।
- 'সিন্ধুহিন্দোল' কাব্যগ্রন্থটি তাঁর অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম, যেখানে রোমান্টিকতা ও দ্রোহের সুর একসঙ্গে মিশে রয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কাজী নজরুল ইসলামের 'অগ্নিবীণা' কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা হলো প্রলয়োল্লাস।
ব্যাখ্যা: এটি কবির বিদ্রোহী সত্তার পরিচয় বহন করে এবং বাংলা সাহিত্যে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
উদাহরণ ২: কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদী কাব্যগ্রন্থের একটি বিখ্যাত কবিতা হলো মানুষ।
ব্যাখ্যা: এই কবিতায় মানুষের বড় পরিচয় তার মনুষ্যত্ব, কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম বা জাত নয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) সাম্যবাদী — এই কাব্যগ্রন্থে সাম্য, মানবতা ও সর্বহারা মানুষের অধিকার নিয়ে কবিতা রয়েছে, তবে 'দারিদ্র্য' কবিতাটি এখানে অন্তর্ভুক্ত নয়।
B) বিষের বাঁশী — এটি নজরুলের একটি বিদ্রোহী ও প্রবঞ্চিত মানুষের অধিকার আদায়ের কাব্যগ্রন্থ, যার বিষয়বস্তু ভিন্ন।
D) নতুন চাঁদ — এটিও নজরুলের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ, তবে এর অন্তর্ভুক্তি আলাদা কবিতা দ্বারা গঠিত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- সিন্ধুর মতো বিশাল ঢেউয়ের মতো দুঃখ বা দারিদ্র্য মনে রাখলে মনে রাখা সহজ হবে যে 'দারিদ্র্য' কবিতাটি 'সিন্ধুহিন্দোল' কাব্যের।
- নজরুলের কাব্যগ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখতে ছন্দ বা মিল ব্যবহার করতে পারো।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নজরুলের কাব্যগ্রন্থ এবং কবিতার নাম মিলকরণ প্রায়ই আসে।
- বিদ্রোহী কবির অন্যান্য প্রধান কাব্যগ্রন্থ যেমন অগ্নিবীণা, বিষের বাঁশী ও সর্বহারা সম্পর্কে সম্যক ধারণা রাখা জরুরি।
সঠিক উত্তর: A) মুনতাসীর ফ্যান্টাসী
১. কেন সঠিক:
- মুনতাসীর ফ্যান্টাসী নাটকটির রচিয়তা নাট্যকার সেলিম আল দীন।
- এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে লোকনাট্যের ফর্ম এবং আধুনিক নাট্যরীতির এক সার্থক প্রয়োগ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- সেলিম আল দীন বাংলা নাট্যসাহিত্যে একুশ শতকের অন্যতম প্রধান নাট্যকার ও গবেষক।
- তিনি বাংলা নাটকে শেকড়ের সন্ধান করেছেন এবং ঐতিহ্যবাহী নাট্যশৈলীকে আধুনিক রূপ দিয়েছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কিত্তনখোলা
ব্যাখ্যা: এটি সেলিম আল দীনের একটি বিখ্যাত নাটক যা নদীভিত্তিক মানুষের জীবন নিয়ে রচিত।
উদাহরণ ২: কেরামত মঙ্গল
ব্যাখ্যা: এটিও সেলিম আল দীনের রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুনতাসীর ফ্যান্টাসী — এটি সেলিম আল দীনের রচিত নাটক বিধায় সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে।
B) পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় — এই কাব্যনাটকটির রচিয়তা সৈয়দ শামসুল হক, সেলিম আল দীন নন।
C) কবর — এই বিখ্যাত নাটকটির রচিয়তা মুনীর চৌধুরী, যা ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রেক্ষাপটে রচিত।
D) বহুব্রীহি — এটি একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন নাটক এবং উপন্যাস যার রচিয়তা হুমায়ূন আহমেদ।
৫ মনে রাখার টিপস:
- সেলিম আল দীন মানেই মুনতাসীর ফ্যান্টাসী, কেরামত মঙ্গল ও কিত্তনখোলা নাটকের অনন্য সৃষ্টি।
- নাট্যকার মনে রাখার জন্য তাঁর প্রধান নাটকগুলোর একটি তালিকা করে বারবার পড়তে পারো।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় নাট্যকার সেলিম আল দীনের নাটক থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
- সৈয়দ শামসুল হক ও মুনীর চৌধুরীর নাটকের নামগুলো ভালোভাবে আলাদা করে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) গিরিশচন্দ্র সেন
১. কেন সঠিক:
ফার্সি ভাষায় রচিত ফরিদ উদ্দীন আত্তার এর বিখ্যাত সুফি জীবনীগ্রন্থ 'তাজকেরাতুল আউলিয়া' বাংলায় অনুবাদ করে 'তাপসমালা' নামে প্রকাশ করেন ভাই গিরিশচন্দ্র সেন।
এই গ্রন্থে ইসলামের প্রখ্যাত অলি ও দরবেশদের জীবনকথা ও বাণী সুন্দর ও সাবলীল বাংলায় তুলে ধরা হয়েছে যা বাংলা অনুবাদ সাহিত্যে অত্যন্ত মূল্যবান।
২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ভাই গিরিশচন্দ্র সেন উনিশ শতকের একজন প্রখ্যাত বাঙালি অনুবাদক, সাংবাদিক ও গবেষক যিনি রামকৃষ্ণা মিশনের সাথেও যুক্ত ছিলেন।
তিনি পবিত্র কোরআন শরীফের প্রথম বাংলা অনুবাদক এবং তিনি মহর্ষি দয়ানন্দ সরস্বতীর সত্যার্থ প্রকাশ সহ বহু ধর্মীয় গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করেছেন।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ভাই গিরিশচন্দ্র সেনের অনূদিত গ্রন্থ 'কোরআন শরীফ'।
ব্যাখ্যা: এটি পবিত্র কোরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদ যা বাংলা ভাষাভাষী মানুষের জন্য ইসলাম ধর্মকে সহজবোধ্য করেছিল।
উদাহরণ ২: ভাই গিরিশচন্দ্র সেনের রচিত গ্রন্থ 'মহাপুরুষচরিত'।
ব্যাখ্যা: এটি বিভিন্ন ধর্মীয় মনীষীর জীবন নিয়ে রচিত একটি বিখ্যাত জীবনীমূলক সাহিত্যকর্ম।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মুন্সী আব্দুল লতিফ — ইনি উনিশ শতকের একজন বিশিষ্ট মুসলিম সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষাবিদ ছিলেন তবে তিনি 'তাপসমালা' রচনা করেননি।
B) কাজী আকরাম হােসেন — ইনি একজন আধুনিক সাহিত্যিক ও গবেষক যার সঙ্গে 'তাজকেরাতুল আউলিয়া' বা 'তাপসমালা' অনুবাদের কোনো ঐতিহাসিক সংযোগ নেই।
D) শেখ আব্দুল জব্বার — ইনি ইসলামী সাহিত্য ও ধর্মীয় গ্রন্থ রচনার জন্য পরিচিত হলেও 'তাপসমালা' গ্রন্থের অনুবাদক বা রচয়িতা নন।
৫. মনে রাখার টিপস:
তাপসমালা গ্রন্থটির নামের সাথে তাপস বা সাধক শব্দ জড়িত আর সাধক বা অলিদের জীবনী বাংলায় এনেছেন গিরিশচন্দ্র সেন।
গিরিশচন্দ্র সেন মানেই পবিত্র কোরআন অনুবাদ এবং ইসলামি সুফি সাহিত্যের বাংলায় রূপকার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা সাহিত্যে কোরআনের প্রথম অনুবাদক কে এবং তাপসমালা কার রচনা এই দুটি প্রশ্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অত্যন্ত ঘন ঘন আসে।
অনুবাদ সাহিত্য থেকে প্রশ্ন এলে মূল লেখকের নাম এবং অনুবাদকের নাম গুলিয়ে ফেলা যাবে না।
সঠিক উত্তর: B) আলালের ঘরের দুলাল
১. কেন সঠিক:
- ঠকচাচা চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং লোভী চরিত্র।
- এই উপন্যাসের মাধ্যমে লেখক সমাজের নৈতিক অবক্ষয় এবং অসৎ মানুষের স্বরূপ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাসের রচয়িতা টেকচাঁদ ঠাকুর যার আসল নাম পিয়ারিচাঁদ মিত্র।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস যা ১৮৫৮ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় এবং আলালী ভাষা বা সহজ কথ্য রীতিতে রচিত।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মতিলাল
ব্যাখ্যা: মতিলাল এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র যে নষ্ট চরিত্রের প্রতীক এবং পিরিতবাবুর চক্রান্তে বিপথগামী হয়।
উদাহরণ ২: বাবুরাম বাবু
ব্যাখ্যা: বাবুরাম বাবু হলেন মতিলালের পিতা যিনি অতিরিক্ত ধনসম্পদের অধিকারী হলেও সন্তানের কুসংসর্গ ও অবহেলার শিকার হন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) হুতােম প্যাঁচার নকশা — এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং কালীপ্রসন্ন সিংহ রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক নকশা গ্রন্থ।
B) আলালের ঘরের দুলাল — এই অপশনটি সঠিক কারণ ঠকচাচা চরিত্রটি এই উপন্যাসের সঙ্গেই সরাসরি যুক্ত।
C) সধবার একাদশী — এটি দিনবন্ধু মিত্র রচিত একটি বিখ্যাত প্রহসন যেখানে নিমচাঁদ চরিত্রটি প্রধান।
D) বুড়াে সালিকের ঘাড়ে রো — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি সমাজ সংস্কারমূলক প্রহসন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- ঠকচাচা মানেই টেকচাঁদ ঠাকুরের আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাস।
- প্রথম উপন্যাসের ঠক চরিত্র মনে রাখতে টেকচাঁদ ঠাকুরের নাম স্মরণ করতে হবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাসের নাম এবং এর রচয়িতার ছদ্মনাম প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
- পিয়ারিচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম টেকচাঁদ ঠাকুর এবং তার বিখ্যাত উপন্যাস আলালের ঘরের দুলাল ভালো করে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: A) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
১. কেন সঠিক:
- 'বত্রিশ সিংহাসন' গদ্যগ্রন্থটি বাংলা গদ্যের উনবিংশ শতকের সূচনালগ্নে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার কর্তৃক রচিত হয়।
- এটি মূলত হিন্দি বা অবহট্ঠ ভাষার 'সিংহাসন বাতসী' গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ, যা সংস্কৃত ভাষার প্রভাব ও সাধু রীতির অনুসরণে রচিত হয়েছিল।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ছিলেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের একজন প্রধান পন্ডিত ও বিশিষ্ট গদ্যলেখক যিনি সংস্কৃত পন্ডিত হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
- তার রচিত অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে 'প্রবোধচন্দ্রিকা', 'রাজাবলী' এবং 'হিতোপদেশ' বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যা বাংলা গদ্যসাহিত্যের ইতিহাসে মাইলফলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের 'প্রবোধচন্দ্রিকা'
ব্যাখ্যা: এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও শেষ গ্রন্থ যা বাংলা গদ্যের পন্ডিতী শৈলীর অনন্য নিদর্শন হিসেবে বিবেচিত হয়।
উদাহরণ ২: মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের 'রাজাবলী'
ব্যাখ্যা: এটি ভারতের ইতিহাসের ওপর রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক গ্রন্থ যা গদ্যে রচিত হয়েছিল।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই পন্ডিতই 'বত্রিশ সিংহাসন' গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।
B) রামরাম বসু — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিত ছিলেন এবং 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' ও 'লিপিমালা' রচনা করেছিলেন।
C) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর — তিনি উনবিংশ শতকের প্রখ্যাত সংস্কারক ও গদ্যকার যিনি 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' ও 'শকুন্তলা' রচনা করেন।
D) রাজিব লােচন মুখােপাধ্যায় — তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং 'মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্ররায়স্য চরিত্রং' গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মৃত্যুঞ্জয়ের সিংহাসন জয়: এভাবে মনে রাখতে পারো যে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার 'বত্রিশ সিংহাসন' রচনা করেছেন।
- পন্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের গদ্য রচনার মাধ্যমেই বাংলা গদ্যের প্রাথমিক রূপ প্রকাশ পায়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পন্ডিতদের রচনা প্রায়ই বিসিএস ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় লেখক পরিচিতি অংশে আসে।
- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের গ্রন্থগুলোর নাম আলাদা করে মনে রাখলে গদ্যসাহিত্যের প্রশ্ন সহজেই উত্তর করা সম্ভব।
সঠিক উত্তর: B) বৃত্রসংহার
১. কেন সঠিক:
- বৃত্রসংহার একটি সার্থক মহাকাব্য।
- মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর বিশাল পরিসর, স্বর্গীয় বা পৌরাণিক কাহিনীর বিন্যাস এবং গম্ভীর ভাষা।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বৃত্রসংহার কাব্যটি পৌরাণিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি ধ্রুপদী মহাকাব্য।
- এই মহাকাব্যে দেবগণের সঙ্গে বৃত্রাসুরের যুদ্ধের কাহিনীর মাধ্যমে নৈতিকতা ও ধর্মের বিজয় ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মেঘনাদবধ কাব্য
ব্যাখ্যা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।
উদাহরণ ২: মহাশ্মশান
ব্যাখ্যা: কায়কোবাদ রচিত ঐতিহাসিক কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্য।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) অবকাশ রঞ্জিনী — এটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত গীতিকাব্য বা লিরিক্যাল কবিতা, মহাকাব্য নয়।
B) বৃত্রসংহার — এটি সঠিক উত্তর এবং এটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত একটি মহাকাব্য।
C) বিরহ বিলাপ — এটি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি শোকগাথা বা বিয়োগান্তক কবিতা, মহাকাব্য নয়।
D) বীরাঙ্গনা কাব্য — এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত একটি পত্রকাব্য, মহাকাব্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাংলার মিলটন বলা হয় এবং তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হলো বৃত্রসংহার মহাকাব্য।
- মহাকাব্য মনে রাখার সহজ কৌশল হলো হেমচন্দ্রের মহা বৃত্রসংহার।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাংলা মহাকাব্যের নাম এবং রচয়িতাসম্পর্কিত প্রশ্ন প্রায়ই আসে।
- হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়ের মহাকাব্যের নাম এবং মাইকেল মধুসূদন দত্তের মেঘনাদবধ কাব্য ভালোভাবে পড়তে হবে।
সঠিক উত্তর: B) অক্ষয়কুমার দত্ত
১. কেন সঠিক:
- অক্ষয়কুমার দত্ত তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার প্রথম সহকারী সম্পাদক এবং পরে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- উনিশ শতকে বাংলা গদ্যের বিকাশ এবং বিজ্ঞানমনস্ক প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে এই পত্রিকা ও সম্পাদকের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- তত্ত্ববোধিনী সভা ও পত্রিকার মুখপত্র হিসেবে ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের উদ্যোগে প্রবর্তিত এই পত্রিকা বাংলা ভাষা ও সমাজের সংস্কারে বিরাট অবদান রেখেছিল।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: অক্ষয়কুমার দত্তের বিখ্যাত গ্রন্থ চারুপাঠ।
ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার অন্যতম জনপ্রিয় ও নীতিশিক্ষা মূলক প্রাথমিক পাঠ্যবই।
উদাহরণ ২: তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ পদার্থবিদ্যা।
ব্যাখ্যা: বাংলায় বিজ্ঞান শিক্ষা প্রসারের লক্ষ্যে রচিত এটি একটি অগ্রণী গ্রন্থ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত — তিনি ছিলেন সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক, যা উনিশ শতকের অন্যতম প্রধান সংবাদপত্রের একটি।
B) অক্ষয়কুমার দত্ত — তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, যা সঠিক উত্তরের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।
C) প্যারীচাঁদ মিত্র — তিনি টেকচাঁদ ঠাকুর ছদ্মনামে আলালের ঘরের দুলাল উপন্যাস রচনা করেন এবং মাসিক পত্রিকা প্রকাশ করেন।
D) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — তিনি বঙ্গদর্শন পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন, যা বাংলা উপন্যাসের ধারা বদলে দেয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
- তত্ত্ববোধিনী মানেই অক্ষয়কুমার দত্ত এবং বঙ্গদর্শন মানেই বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই দুটি নাম এভাবে মনে রাখবে।
- উনিশ শতকের সাময়িকপত্র মনে রাখার জন্য সম্পাদক ও পত্রিকার নাম জোড়ায় জোড়ায় নোট করে পড়বে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা কোন সনে প্রকাশিত হয় এই প্রশ্নটি বহু প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে, উত্তর হলো ১৮৪৩ সাল।
- সাময়িকপত্র থেকে বিসিএস পরীক্ষায় নিয়মিত প্রশ্ন হয়ে থাকে, তাই প্রধান পত্রিকাগুলোর সম্পাদকের নাম মুখস্থ রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) ব্রাসি হ্যালহেড
১. কেন সঠিক:
ব্রাসি হ্যালহেড ১৭৭৮ সালে বাংলায় প্রথম ব্যাকরণ বই 'এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ' প্রকাশ করেন।
এই বইটিতে প্রথমবার চার্লস উইলকিন্সের তৈরি বাংলা টাইপ বা সিসা দিয়ে মুদ্রিত বাংলা হরফ ব্যবহার করা হয়।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
ন্যাথানিয়াল ব্রাসি হ্যালহেড ছিলেন একজন ব্রিটিশ প্রাচ্যবিদ ও সাহিত্যিক।
তার রচিত এই ব্যাকরণ গ্রন্থটি হুগলি প্রেসে মুদ্রিত হয় এবং এটি বাংলা মুদ্রণ ইতিহাসের একটি মাইলফলক।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: এ গ্রামার অফ দ্য বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা: এটি ব্রাসি হ্যালহেড রচিত প্রথম মুদ্রিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।
উদাহরণ ২: চার্লস উইলকিন্স
ব্যাখ্যা: তিনি প্রথম বাংলা মুদ্রণের জন্য সিসার হরফ বা বাংলা টাইপ তৈরি করেছিলেন।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) স্যার উইলিয়াম জোনস — তিনি এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা হলেও বাংলা টাইপে ব্যাকরণ মুদ্রণ করেননি।
B) স্যার উইলিয়াম কেরি — তিনি শ্রীরামপুর মিশন প্রেসের সাথে যুক্ত ছিলেন এবং অনেক গ্রন্থ প্রকাশ করলেও প্রথম বাংলা টাইপে ব্যাকরণ মুদ্রক নন।
C) রাজীব লােচন মুখােপাধ্যায় — তিনি একজন প্রাচীন বাংলা গদ্য লেখক ছিলেন, ব্যাকরণ মুদ্রণের সাথে যুক্ত ছিলেন না।
D) ব্রাসি হ্যালহেড — এই অপশনটি সঠিক কারণ তিনি প্রথম বাংলা টাইপ সহযােগে ব্যাকরণ মুদ্রণ করেন।
৫ মনে রাখার টিপস:
হ্যালহেডের হাতেই প্রথম মুদ্রিত হলো বাংলা ব্যাকরণের সিসার হরফ।
হ দিয়ে হ্যালহেড এবং হরফ বা হ্যালহেডের ব্যাকরণ এভাবে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বাংলা মুদ্রণ শিল্পের জনক চার্লস উইলকিন্স এবং প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা ব্রাসি হ্যালহেড।
প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসায় দুজনের নাম আলাদাভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: A) দ্বিজ কানাই
১. কেন সঠিক:
- ময়মনসিংহ গীতিকার অন্তর্গত বিখ্যাত ‘মহুয়া’ পালার মূল রচয়িতা হলেন দ্বিজ কানাই।
- এই পালাটিতে মহুয়া ও নদের চাঁদের প্রেমের করুণ কাহিনী ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
২. সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন সংগৃহীত ময়মনসিংহ গীতিকার অন্যতম শ্রেষ্ঠ পালা হলো মহুয়া।
- পালাটি ষোড়শ শতাব্দীর পটভূমিতে রচিত এবং বাংলা লোকসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মলুয়া পালা
ব্যাখ্যা: এটিও ময়মনসিংহ গীতিকার একটি বিখ্যাত পালা যার সংগ্রাহক চন্দ্রকুমার দে।
উদাহরণ ২: চন্দ্রাবতী পালা
ব্যাখ্যা: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নারী কবি চন্দ্রাবতীর জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে এটি রচিত।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) দ্বিজ কানাই — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি মহুয়া পালার মূল রচয়িতা।
B) মনসুর বয়াতী — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার অন্য একটি বিখ্যাত পালা ‘কমলা রানীর সাগর দীঘি’র রচয়িতা।
C) নয়নচাঁদ ঘােষ — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার বিখ্যাত ‘দস্যু কেনারামের পালা’ রচনা করেছেন।
D) দ্বিজ ঈশান — তিনি ময়মনসিংহ গীতিকার ‘মহুয়া’ পালার সঙ্গে সম্পর্কিত নন বরং অন্য পালার সঙ্গে যুক্ত।
৫ মনে রাখার টিপস:
- মহুয়া পালাটির শুরুতে 'ম' আছে এবং এর রচয়িতাও 'দ্বিজ কানাই' যার নামের শেষে 'আই' ধ্বনি আছে।
- এভাবে মহুয়া ও দ্বিজ কানাই জুটি মনে রাখা সহজ।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ময়মনসিংহ গীতিকা লোকসাহিত্যের একটি অমূল্য সংগ্রহ যা ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন কর্তৃক সম্পাদিত।
- প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ময়মনসিংহ গীতিকার বিভিন্ন পালার রচয়িতার নাম প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: A) কর্মবাচ্যের ধাতু
১. কেন সঠিক:
কর্মবাচ্যের ধাতু হলো সেই ধাতু, যার মূল বা আদি রূপ কর্মের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এবং বাক্যে কর্মপদটি যখন কর্তার স্থান দখল করে বা কর্মই যখন প্রধান হয়ে ওঠে, তখন যে ধাতু গঠিত হয়।
এখানে 'যা কিছু হারায়' বাক্যাংশে 'হারায়' ক্রিয়াটি নিজে নিজে বা কর্তার ইচ্ছায় ঘটে না, বরং কর্মের ওপর নির্ভর করে আপনাআপনি ঘটা বোঝাচ্ছে বলে এটি কর্মবাচ্যের ধাতু।
২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা:
বাংলা ব্যাকরণে ধাতু প্রধানত তিন প্রকার, যথা মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু ও সংযোজক ধাতু।
সাধিত ধাতু আবার কয়েকটি ভাগে বিভক্ত, যেমন কর্মবাচ্যের ধাতু, নাম ধাতু ও প্রযোজক ধাতু।
কর্মবাচ্যের ধাতুর ক্ষেত্রে বাক্যের কর্মপদটিই কর্তার মতো আচরণ করে এবং কর্মের রূপই প্রধান হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: পাঠ্যপুস্তক ছাপার কাজ শেষ হলো।
ব্যাখ্যা: এখানে 'শেষ হলো' বা কাজটি নিজে নিজে সম্পন্ন হওয়া বোঝাচ্ছে, যা কর্মবাচ্যের ধাতুর উদাহরণ।
উদাহরণ ২: কাজটি ভালো দেখায় না।
ব্যাখ্যা: এখানে দেখায় শব্দটি কর্মের বিশেষ অবস্থার প্রকাশ ঘটায়, যা কর্মবাচ্যের ধাতুর প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কর্মবাচ্যের ধাতু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এখানে কর্মের প্রধান্য ও আপনাআপনি ঘটা বোঝাচ্ছে।
B) ভাব বাচ্যের ধাতু — ভাব বাচ্যের ধাতুতে বাক্যে কর্তার অনুপস্থিতি বা ভাবের প্রকাশ থাকে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) সংযােগমূলক ধাতু — বিশেষ্য, বিশেষণ বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের সঙ্গে কর, হ, দে, পা ইত্যাদি ধাতু যুক্ত হয়ে সংযোজক ধাতু গঠিত হয়, যা এখানে হয়নি।
D) নাম ধাতু — বিশেষ্য, বিশেষণ বা সর্বনামের সঙ্গে আ প্রত্যয় যুক্ত করে যে ধাতু গঠিত হয় তাকে নাম ধাতু বলে, যা এই বাক্যের জন্য প্রযোজ্য নয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
বাক্যে কর্তা উহ্য বা নিষ্ক্রিয় থেকে যদি কর্ম নিজে নিজেই সম্পন্ন হয় এমন বোঝায়, তবে চোখ বন্ধ করে কর্মবাচ্যের ধাতু দাগাবে।
স্মরণে রাখবে, হারানো, জড়ানো, কাটা বা ধোয়া এই জাতীয় শব্দগুলো সাধারণত কর্মবাচ্যের ধাতুর অন্তর্ভুক্ত হয়।
৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
বিসিএস এবং প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাচ্য ও ধাতু থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে।
নিয়ম মনে রাখার সহজ উপায় হলো ক্রিয়াপদটি নিজে ঘটছে নাকি অন্য কারো দ্বারা বা আপনাআপনি ঘটছে তা খেয়াল করা।
সঠিক উত্তর: B) কৃষ্ণনগর রাজসভা
কেন সঠিক:
১. কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর আঠারো শতকের মধ্যভাগে নদীয়া জেলার কৃষ্ণনগরের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভায় একজন অত্যন্ত বিখ্যাত ও প্রভাবশালী সভাকবি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
২. রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষকতায় তিনি তাঁর অমর সৃষ্টি অন্নদামঙ্গল কাব্য রচনা করেন এবং এই বিশেষ অবদানের জন্যই তিনি রাজসভায় গুণাকর উপাধিতে ভূষিত হন।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. বাংলা সাহিত্য ইতিহাসে মধ্যযুগের সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শেষ ও শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
২. তাঁর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্যের তিনটি অংশ রয়েছে এবং এর মধ্যে সত্যপীরের কথা ও বিদ্যাসুন্দরের উপাখ্যান বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
৩. তাঁর রচনার বিখ্যাত পীরিতি সংক্রান্ত একটি অমর পংক্তি হলো আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে, যা তৎকালীন সমাজচিত্রের এক অনন্য বাস্তব রূপ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) আরাকান রাজসভা — এই রাজসভার সাথে আলাওল এবং দৌহক কাজেম আল কোরেশীর মতো প্রখ্যাত মধ্যযুগের মুসলিম কবিদের গভীর সম্পর্ক ও সাহিত্যচর্চার ইতিহাস জড়িত।
C) রাজা গণেশের রাজসভা — পঞ্চদশ শতকের এই রাজসভার সাথে রাজনৈতিক উত্থান পতন ও কৃত্তিবাস ওহারার মতো আদি রামায়ণ অনুবাদের ঐতিহাসিক ঘটনা যুক্ত রয়েছে।
D) লক্ষ্মণ সেনের রাজসভা — দ্বাদশ শতকের এই বিখ্যাত রাজসভায় জয়দেব, উমাপতিধর এবং শরণের মতো বিখ্যাত সংস্কৃত ভাষার কবিরা অলকৃত করতেন।
মনে রাখার টিপস:
১. ভারতচন্দ্র নামের শেষে গুণাকর উপাধি আছে এবং তিনি কৃষ্ণনগর রাজসভার কবি ছিলেন, তাই এটি মনে রাখতে ভারত ও কৃষ্ণনগর এই দুটি শব্দ জোড়া হিসেবে মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: A) মদনমােহন তর্কালঙ্কার
কেন সঠিক:
১. এই বিখ্যাত পঙক্তিটি উনিশ শতকের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক মদনমােহন তর্কালঙ্কারের লেখা শিশুপাঠ্য কবিতা থেকে সংগৃহীত হয়েছে।
২. তাঁর রচিত বিখ্যাত শিশুশিক্ষা গ্রন্থ 'শিশুপাঠ' প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগে এই ধরনের সহজ ও সুন্দর প্রকৃতিভিত্তিক পঙক্তি স্থান পেয়েছিল।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
১. এটি বাংলা শিশুসাহিত্যের আদিযুগের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পঙক্তি যা ভোরবেলার প্রাকৃতিক পরিবেশকে খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলে।
২. উনিশ শতকে শিশুদের মধ্যে নৈতিক শিক্ষা এবং প্রকৃতিচেতনা জাগিয়ে তোলার উদ্দেশ্যে এই ধরনের সহজ ছন্দের কবিতা রচনার ধারা শুরু হয়।
৩. মদনমােহন তর্কালঙ্কারের 'পাখি সব করে রব রাতি পােহাইল / কাননে কুসুম কলি সকল ফুটিল' এই কবিতার অংশটি বাংলা সাহিত্যের অমর সৃষ্টি।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) মদনমােহন তর্কালঙ্কার — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি শিশুশিক্ষা গ্রন্থ ও নীতিগর্ভ কবিতার জন্য বিখ্যাত।
B) রামনারায়ণ তর্করত্ন — তিনি মূলত একজন নাট্যকার হিসেবে পরিচিত এবং কুলীনকুলসর্বস্ব তাঁর বিখ্যাত নাটক।
C) বিহারীলাল চক্রবর্তী — তিনি ভোরের পাখি নামে পরিচিত এবং মূলত গীতিকবিতা ও রোমান্টিক ধারার কবি ছিলেন।
D) কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার — তিনি নীতিশিক্ষা ও উপদেশমূলক কবিতা রচনার জন্য বিখ্যাত এবং তাঁর মূল গ্রন্থ সদভাবশতক।
মনে রাখার টিপস:
১. সকালের পাখি ডাকলে মদনমােহন তর্কালঙ্কারের শিশুপাঠ বইয়ের কথা মনে রাখবে।
২. ছোটবেলার পাঠ্যবইয়ের এই বিখ্যাত লাইনটি মদনমােহন তর্কালঙ্কারের অমর অবদান হিসেবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: C) আত্মজৈবনিক উপন্যাস
কেন সঠিক:
- এই গ্রন্থটিতে লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের নানা ঘটনার সত্য বিবরণ এবং উপন্যাসের উপাদান সুন্দরভাবে মিশে আছে।
- এটি কাঙালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ছদ্মনামে হরিনাথ মজুমদার বা কাঙাল হরিনাথ রচিত একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক উপন্যাস।
ব্যাকরণ/সাহিত্য ব্যাখ্যা:
- আত্মজৈবনিক উপন্যাস হলো এমন একটি সাহিত্যকর্ম যেখানে লেখকের নিজের জীবনের ছায়া কোনো কাল্পনিক কাহিনীর আড়ালে প্রকাশিত হয়।
- বাংলা সাহিত্যে উনিশ শতকের সামাজিক চিত্র এবং লেখকের আত্মজীবনীর সংমিশ্রণে এই ধারাটি বেশ গুরুত্ব পেয়েছে।
- কাঙাল হরিনাথের ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’ গ্রন্থে তার জীবনের নানা সংগ্রামের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
- A) নাটক — এটি কোনো দৃশ্যকাব্য বা অভিনয়ের উপযোগী নাটক নয়।
- B) কাব্য — এটি ছন্দে রচিত কোনো পদ্য বা কাব্যগ্রন্থ নয়।
- C) আত্মজৈবনিক উপন্যাস — এই অপশনটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য।
- D) গীতিকবিতার সংকলন — এটি কোনো সুর বা গানধর্মী কবিতার বই নয়।
মনে রাখার টিপস:
- কাঙাল হরিনাথের আত্মজীবনীর কথা মনে রাখলেই উদাসীন পথিকের মনের কথা উপন্যাসটি চেনা সহজ হয়।
সঠিক উত্তর: D) into
কেন সঠিক:
look into একটি ফ্রেজাল ভার্ব যার অর্থ কোনো ঘটনা বা অপরাধের গভীরভাবে তদন্ত করা।
পুলিশ সাধারণত কোনো মামলার তদন্ত করে থাকে তাই এখানে into প্রিপজিশনটি সঠিক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) after — look after অর্থ দেখাশোনা করা, যা মামলার ক্ষেত্রে মেলে না।
B) on — look on অর্থ দর্শক হিসেবে দেখা, যা এখানে অর্থপূর্ণ নয়।
C) up — look up অর্থ অভিধান বা কোনো তথ্য খোঁজা, অপরাধ তদন্তে এটি বসে না।
মনে রাখার টিপস:
মামলা বা অপরাধের তদন্ত করার ক্ষেত্রে look এর সাথে always into প্রিপজিশন ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) accepted
কেন সঠিক:
এখানে পরাজয় মেনে নেওয়া অর্থে accepted শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর তা স্বীকার করে নেওয়া বোঝাতে এই ভার্ব ব্যবহার করা হয়।
এটি বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ ও নির্ভুল করে তোলে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) consented — এর অর্থ সম্মতি দেওয়া, যা পরাজয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) agreed — এর অর্থ রাজি হওয়া, যা এখানে ভাবের সাথে মানানসই নয়।
C) accepted — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে ভুল নয়।
D) granted — এর অর্থ মঞ্জুর করা, যা পরাজয় বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
পরাজয় বা হার মেনে নেওয়া বোঝাতে সর্বদা accept defeat ফ্রেজটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) separate
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানে এমন একটি শব্দ প্রয়োজন যা বোঝায় বাকি শিশুদের জন্য আলাদা বিছানার ব্যবস্থা আছে।
এখানে 'separate' শব্দটি স্বতন্ত্র বা পৃথক বিছানা বোঝাতে সবচেয়ে নিখুঁতভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) different — এর অর্থ ভিন্ন, যা এখানে বিছানার ক্ষেত্রে খাপ খায় না।
B) separate — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করে।
C) complete — এর অর্থ সম্পূর্ণ, যা বিছানার ক্ষেত্রে সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
D) lonely — এর অর্থ একা বা নির্জন, যা বিছানার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
একাধিক ব্যক্তি যখন নিজেদের জন্য স্বতন্ত্র বা আলাদা জিনিস ব্যবহার করে, তখন 'separate' শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: C) would have been
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে if clause-এর মধ্যে past perfect tense (had tried) ব্যবহার করা হয়েছে।
তাই নিয়মানુযায়ী মূল clause-এ would have, could have বা might have এর সাথে verb-এর past participle বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) would — এটি conditional-এর তৃতীয় নিয়মের সাথে মেলে না কারণ এখানে verb-এর past participle নেই।
B) could be — এটি present বা future tense-এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যা অতীতকালের ঘটনার সাথে মিলে না।
C) would have been — এটি নিজেই সঠিক উত্তর তাই এখানে পুনরোল্লেখ করা হলো না।
D) must be — এটি বর্তমান সময়ের নিশ্চিত অনুমান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, অতীতের সাপেক্ষে নয়।
মনে রাখার টিপস:
If-क्लজে had + verb-এর past participle থাকলে, অপর অংশে would have + verb-এর past participle বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: B) put off
কেন সঠিক:
ইংরেজিতে জামা, জুতো বা কোনো পোশাক শরীর থেকে খুলে ফেলা বোঝাতে put off ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করা হয়। মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করার আগে জুতো খুলে ফেলার কথা বলা হয়েছে তাই এখানে সঠিক উত্তর হবে put off।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) put out — এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ নিভিয়ে ফেলা, যা আলো বা আগুন নেভানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
B) put off — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ জুতো বা পোশাক খুলে ফেলা।
C) put away — এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ কোনো কিছু গুছিয়ে রাখা বা সরিয়ে রাখা।
D) put on — এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ পরিধান করা বা গায়ে জড়ানো।
মনে রাখার টিপস:
গায়ে কিছু পরার ক্ষেত্রে put on এবং শরীর থেকে কিছু খুলে ফেলার ক্ষেত্রে put off ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: A) generous
কেন সঠিক:
Magnanimous শব্দের অর্থ হলো মহৎপ্রাণ বা উদার, যা অন্যকে ক্ষমা করতে এবং দয়া দেখাতে প্রস্তুত থাকে।
Generous শব্দের অর্থও উদার বা দয়ালু, যা এই শব্দের সবচেয়ে সঠিক সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) generous — এটি সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ উদার।
B) unkind — এর অর্থ নির্দয় বা নিষ্ঠুর, যা উদার শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
C) revengeful — এর অর্থ প্রতিশোধপরায়ণ, যা মহৎ বা উদার হৃদয়ের মানুষের স্বভাবের সাথে মিলে না।
D) friendly — এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ, যা ভালো আচরণ বোঝালেও মহৎ বা উদার হওয়ার সঠিক সমার্থক নয়।
মনে রাখার টিপস:
Magnanimous শব্দটির শুরুতে থাকা Magi অংশটি দিয়ে মহান বা বড় মন বোঝায়, আর generous অর্থও বড় মনের মানুষ।
সঠিক উত্তর: D) A shop is going to be opened by him
কেন সঠিক:
বাক্যটিতে 'is going to' থাকায় প্যাসিভ করার সময় 'is going to be' ব্যবহার করতে হয় এবং মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল form বসাতে হয়।
এখানে অবজেক্ট 'a shop' সাবজেক্ট হিসেবে প্রথমে বসেছে এবং সঠিক নিয়ম মেনে 'opened' ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) He is being gone to open a shop — এখানে সাবজেক্ট ভুলভাবে পরিবর্তন করা হয়েছে এবং বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ বদলে গেছে।
B) A shop is being gone opened by him — এখানে 'gone' শব্দটির অতিরিক্ত ও ভুল ব্যবহার করা হয়েছে যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
C) A shop will be opened by him — এখানে ভবিষ্যৎকালের সাহায্যকারী verb ব্যবহার করা হয়েছে কিন্তু মূল বাক্যের 'going to' গঠন বাদ দেওয়া হয়েছে।
D) A shop is going to be opened by him — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই এবং এটি সব নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
'going to' যুক্ত active voice-কে passive করার সময় 'going to be' লিখে মূল verb-এর পাস্ট পার্টিসিপল করতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) away
কেন সঠিক:
ঝড়ের কারণে কোনো কিছু উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া বোঝালে 'blow away' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহৃত হয়।
এখানে গাছটিকে ঝড় শিকড়সহ বা ভেঙে উড়িয়ে নিয়ে গেছে বোঝাতে 'away' সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে বসেছে।
বাক্যের অর্থ পূর্ণ করতে এই ফ্রেজাল ভার্বটি সবচেয়ে উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) away — এটি সঠিক উত্তর এবং ঝড়ের তাণ্ডবে কিছু উড়ে যাওয়া বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
B) up — 'blow up' অর্থ বিস্ফোরণ ঘটানো বা রাগে ফেটে পড়া, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) off — 'blow off' সাধারণত বাষ্প বা চাপ মুক্ত করার ক্ষেত্রে বা হালকা কিছু খসে পড়া বোঝাতে বসে।
D) out — 'blow out' অর্থ বাতাস দিয়ে নিভিয়ে ফেলা, যেমন মোমবাতি নেভানো।
মনে রাখার টিপস:
ঝড় বা বাতাসে কোনো বস্তু উড়ে যাওয়া বোঝালে ہمیشہ 'blow away' ফ্রেজাল ভার্বটি ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) burnt
কেন সঠিক:
বাকyটি Past Continuous Tense এবং Simple Past Tense এর নিয়মে গঠিত হয়েছে। যখন কোনো চলমান কাজের মধ্যে আরেকটি ঘটনা ঘটে, তখন চলমান কাজটি Past Continuous এবং হঠাৎ ঘটে যাওয়া কাজটি Simple Past হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is burring — এটি Present Continuous Tense, যা অতীতকালের ঘটনার সাথে মেলে না এবং বানানটিও ভুল।
B) burnt — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
C) will burn — এটি Future Tense, যা অতীতের ঘটনার সাথে কোনোভাবেই সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
D) was burning — দুটি অংশই Past Continuous হতে পারে না কারণ রান্না করার সময় হাত পুড়ে যাওয়ার ঘটনাটি আকস্মিক।
মনে রাখার টিপস:
when এর একটি অংশ Past Continuous হলে অন্য অংশটি সাধারণত Simple Past Tense হয়।
সঠিক উত্তর: C) The man who stole my bag was tall
কেন সঠিক:
এখানে Relative Pronoun 'who' ঠিক ব্যক্তির ঠিক পরেই বসেছে, যা সঠিক নিয়ম মেনে বাক্য গঠন করেছে।
Subject এবং Verb এর সঠিক বিন্যাসের কারণে সম্পূর্ণ বাক্যের অর্থ পরিষ্কার ও নির্ভুল হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The man was tall who stole my bag — এখানে Relative Pronoun 'who' তার পূর্ববর্তী Noun থেকে দূরে থাকায় বাক্যের অর্থ অস্পষ্ট হয়েছে।
B) The man stole my bag who was tall — এখানে 'who was tall' অংশটি ভুল স্থানে বসেছে, কারণ চোর লম্বা ছিল কিন্তু বাক্যটির গঠন অর্থ উল্টে দিয়েছে।
C) সঠিক উত্তর — এটি ইতিমধ্যে সঠিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এর গঠন সম্পূর্ণ নির্ভুল।
D) The man was tall who is stealing tall my bag — এখানে 'is stealing' Present Continuous Tense এবং 'tall' শব্দটি দুইবার ব্যবহার করায় বাক্যটি সম্পূর্ণ অর্থহীন হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
যis ব্যক্তিকে নির্দেশ করতে তার ঠিক পরেই 'who' বসাতে হয় এবং Verb সঠিক স্থানে রাখতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) ascertain
কেন সঠিক:
শব্দটির শুরুতে আস (as) এবং মাঝখানে সার্টিফিকেট শব্দের মতো সার্টেন (certain) অংশ যুক্ত হয়ে এটি গঠিত হয়েছে। ইংরেজি বানান রীতি অনুযায়ী এখানে মূল উচ্চারণ ঠিক রাখতে সঠিক অক্ষর বিন্যাস ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ascertain — এটি সঠিক বানান এবং এর অর্থ নিশ্চিত করা।
B) assertain — এখানে সার্টেন অংশে ভুল বানান ব্যবহার করা হয়েছে।
C) aseratin — এখানে বানানের মাঝের অংশ এবং শেষের অংশ ভুল আছে।
D) asartain — এখানে মাঝের অংশে ভুল অক্ষর ব্যবহার করা হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
আস (as) এর সাথে সার্টেন (certain) যোগ করে ascertain বানানটি মনে রাখা সহজ।
সঠিক উত্তর: D) provide
কেন সঠিক:
provide শব্দের সাথে সাধারণত with preposition ব্যবহৃত হয় যা বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়।
সংবাদপত্রের মূল কাজ সাধারণ মানুষকে তথ্য সরবরাহ করা বোঝাতে provide with facts সঠিক বাক্য গঠন করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) equip — equip শব্দের অর্থ সজ্জিত করা, যা তথ্যের সাথে সরাসরি মানানসই নয়।
B) deliver — deliver অর্থ পৌঁছে দেওয়া হলেও facts শব্দের সাথে provide এর মতো স্বাভাবিকভাবে বসে না।
C) proffer — proffer অর্থ কোনো কিছু প্রস্তাব করা, যা সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) provide — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
provide শব্দের পরে সাধারণত with বসে এবং তথ্য বা কোনো কিছু দেওয়ার ক্ষেত্রে provide with ব্যবহার করা সবচেয়ে উপযুক্ত।
সঠিক উত্তর: C) is
কেন সঠিক:
দ্য অ্যারাবিয়ান নাইটস একটি বিখ্যাত বইয়ের নাম দেখতে বহুবচন হলেও এটি একটি একক গ্রন্থ বা সমগ্রকে বোঝায়।
তাই এর সাথে সর্বদা একবচন বা singular verb ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has — এটি একটি auxiliary verb যা এখানে বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ করতে পারে না কারণ মূল verb এর অভাব রয়েছে।
B) are — এটি বহুবচন verb যা একবচন Subject যুক্ত এই বাক্যটির সাথে grammatically মিলে না।
C) is — এটি সঠিক কারণ এটি একবচন verb যা এই নিয়মের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।
D) were — এটি অতীতকালের বহুবচন verb যা বর্তমানকালের একক নাম বোঝা This বাক্যে বসে না।
মনে রাখার টিপস:
কোনো বই, দেশ বা উপন্যাসের নামের শেষে s থাকলেও যদি তা একটিমাত্র নাম বোঝায়, তবে সবসময় singular verb (is) বসবে।
সঠিক উত্তর: B) should
কেন সঠিক:
বাক্যে lest শব্দটি থাকার কারণে এর পরবর্তী অংশে নিয়ম অনুযায়ী সর্বদা should বসে।
lest এর অর্থ পাছে বা যদি এমন হয় যে এবং এর সাথে সবসময় should ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) can — can শব্দটি সামর্থ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয় কিন্তু lest এর পরের অংশে এটি বসা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) should — এই অপশনটি সঠিক কারণ lest এর সাথে কেবল should ই বসে।
C) could — could সাধারণত অতীতের ক্ষমতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয় যা lest এর নিয়মের সাথে মেলে না।
D) has — has একটি বর্তমানকালের সাহায্যকারী verb যা এই শূন্যস্থানে বসার কোনো নিয়ম নেই।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে lest দেখলে চোখ বন্ধ করে should বসিয়ে দেবে কারণ এদের জুটি পাকা।
সঠিক উত্তর: A) of
কেন সঠিক:
'Devoid' শব্দটির অর্থ বঞ্চিত বা শূন্য। এর পরে নির্দিষ্ট preposition হিসেবে সবসময় 'of' ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of — এটি সঠিক উত্তর এবং সঠিক নিয়ম অনুযায়ী বসেছে।
B) from — এটি devoid শব্দের সাথে বসে না কারণ এটি উৎস বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
C) introduction — এটি একটি নাউন এবং এখানে preposition এর জায়গায় বসার উপযুক্ত নয়।
D) at — এটি এই বাক্যের অর্থে সঠিক preposition নয়।
মনে রাখার টিপস:
কোন কিছু থেকে বঞ্চিত বা শূন্য বোঝাতে devoid শব্দের পরে সব সময় অব (of) বসে।
সঠিক উত্তর: B) I had looked for a good doctor before I met you
কেন সঠিক:
অতীতকালের দুটি ঘটনার মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল, তার সাথে Past Perfect Tense অর্থাৎ had + V3 বসে।
পরের ঘটনাটি Simple Past Tense-এ গঠিত হয়েছে এবং মাঝখানে before conjunction ব্যবহৃত হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) I have looked for a good doctor before I met you — এখানে আগের কাজের জন্য Present Perfect Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতের দুটি ঘটনার নিয়মের সাথে মেলে না।
B) I had looked for a good doctor before I met you — এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি ভুল নয়।
C) I looked for a good doctor before I had met you — এখানে নিয়ম উল্টো করে পরের কাজে Past Perfect এবং আগের কাজে Simple Past দেওয়া হয়েছে।
D) I am looking for a good doctor before meeting you — এখানে Present Continuous Tense ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীতের ঘটনার নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
Before-এর আগে Past Perfect এবং পরে Simple Past Tense বসে।
সঠিক উত্তর: C) By whom will the work be done?
কেন সঠিক:
প্রশ্নবোধক বাক্যে Who থাকলে প্যাসিভ করার সময় প্রথমে By whom বসে।
এর পরে সাহায্যকারী ভাব হিসেবে will এবং অবজেক্ট the work বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Who will be done the work? — এখানে সঠিক গঠন মানা হয়নি এবং বাই হুম ব্যবহার করা হয়নি।
B) Who will done the work? — এখানে মডাল ভার্বের পরে সরাসরি পাস্ট পার্টিসিপল বসে ভুল গঠন তৈরি করেছে।
C) সঠিক উত্তর — তাই এটি ভুল নয়।
D) Whom will the work be done? — এখানে শুরুতে বাই প্রিপজিশনটি বাদ দেওয়া হয়েছে যা গ্রামারের নিয়মের বাইরে।
মনে রাখার টিপস:
Active বাক্যে Who থাকলে Passive করার সময় শুরুতে By whom বসাতে হয়।
সঠিক উত্তর: A) to seeing
কেন সঠিক:
বাক্যে 'look forward to' একটি ফ্রেজ, যার অর্থ কোনো কিছুর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করা। এই ফ্রেজের পরে 'to' একটি প্রিপজিশন হিসেবে কাজ করে এবং প্রিপজিশনের পর সর্বদা ভার্বের সাথে আইএনজি যোগ করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) to seeing — এটি সঠিক কারণ ফ্রেজের নিয়ম অনুযায়ী এখানে প্রিপজিশন 'to' এর পরে ভার্বের সাথে আইএনজি যুক্ত হয়েছে।
B) seeing — এই অপশনে সঠিক নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় 'to' প্রিপজিশনটি ব্যবহার করা হয়নি।
C) to see — এখানে 'to' এর পরে ভার্বের বেস ফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে, যা এই ফ্রেজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
D) to have seen — এই অপশনে পারফেক্ট ইনফিনিটিভ ব্যবহার করা হয়েছে, যা বর্তমান বা ভবিষ্যতের অনুভূতির প্রকাশের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে look forward to থাকলেই এর পরে আসা মূল ভার্বের সাথে সর্বদা ing যুক্ত করতে হবে।
সঠিক উত্তর: B) in
কেন সঠিক:
* আগ্রহ বা অনীহা বোঝাতে 'interest' শব্দের পরে সাধারণত 'in' প্রিপজিশন বসে। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম।
* 'Music' একটি ক্ষেত্র বা বিষয় হওয়ায় তার পূর্বে 'in' ব্যবহার করা সঠিক।
* এই নিয়মটি সব সময় নির্দিষ্ট থাকে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
* A) for — 'for' প্রিপজিশন এখানে ব্যাকরণগতভাবে মানানসই নয়। এটি সাধারণত উদ্দেশ্য বোঝাতে বসে।
* B) in — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
* C) with — 'with' সাধারণত কোনো বস্তু বা ব্যক্তির সাথে থাকা বোঝাতে বসে।
* D) at — 'at' নির্দিষ্ট কোনো স্থান বা সময়ের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
মনে রাখার টিপস:
আগ্রহ বোঝাতে 'interest' শব্দের পরে সব সময় 'in' প্রিপজিশন ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: B) The train is running on time
কেন সঠিক:
- 'On time' একটি উপযুক্ত ফ্রেজ যার অর্থ যথাসময়ে বা নির্দিষ্ট সময়ে।
- ট্রেন বা যানবাহন নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী চলার ক্ষেত্রে 'on time' ব্যবহার করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) The train is running in time — 'In time' অর্থ সময়ের একটু আগে বা বিপদের পূর্বে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ট্রেন চলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) The train is running on time — এটি সঠিক উত্তর, কারণ ট্রেন নির্দিষ্ট সময়সূচি অনুযায়ী চলার ক্ষেত্রে 'on time' সঠিক প্রিপজিশনাল ফ্রেজ।
C) The train is running with time — 'With time' অর্থ সময়ের সাথে সাথে, যা এখানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বেমানান ও ভুল।
D) The train is running to time — ব্রিটিশ ইংরেজিতে এটি মাঝেমধ্যে ব্যবহৃত হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সার্বজনীন ও সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর 'on time'।
মনে রাখার টিপস:
যানবাহন বা ঘড়ির কাটার মতো নির্দিষ্ট সময় মেনে চলার ক্ষেত্রে हमेशा 'on time' ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) Everybody has gone there
কেন সঠিক:
Everybody বা Everyone হলো indefinite pronoun এবং এগুলো দেখতে বহুবচন মনে হলেও আসলে সর্বদা একবচন হিসেবে গণ্য হয়।
তাই এদের সাথে verb সবসময় singular অর্থাৎ has বসে এবং মূল verb এর past participle রূপ ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Everybody have gone there — Everybody একবচন হওয়ায় এর সাথে have ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
B) Everybody are gone there — Everybody একবচন হওয়ায় এর সাথে are ব্যবহার করা যায় না।
C) Everybody has gone there — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে কোনো ভুল নেই।
D) Everybody has went there — has এর পরে verb এর past participle রূপ gone বসা উচিত ছিল, কিন্তু went বসানো হয়েছে।
মনে রাখার টিপস:
Everybody বা Nobody দেখলে verb সবসময় singular বা একবচন হবে এটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: C) clear evidence
কেন সঠিক:
এখানে concrete শব্দটি রূপক অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে যার অর্থ শক্ত বা বাস্তব প্রমাণ।
তাই concrete proof বলতে এমন কোনো স্পষ্ট প্রমাণ বোঝায় যা সন্দেহাতভাবে সত্য।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) building material — এটি কংক্রিট বা ইটের মতো আক্ষরিক নির্মাণ সামগ্রী বোঝায় যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
B) something to cover a path — এটি রাস্তা বা পথ ঢেকে রাখার কোনো উপাদান বোঝায় যা সম্পূর্ণ অর্থহীন।
C) clear evidence — এটি সঠিক কারণ concrete proof এর সঠিক সমার্থক অর্থ হলো স্পষ্ট প্রমাণ।
D) a cement mixer — এটি সিমেন্ট মেশানোর যন্ত্র বোঝায় যার সাথে প্রমাণের কোনো সম্পর্ক নেই।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি বাক্যে concrete শব্দটির দুটি অর্থ থাকতে পারে, আক্ষরিক অর্থে নির্মাণ সামগ্রীর উপাদান এবং রূপক অর্থে স্পষ্ট বা শক্ত প্রমাণ।
সঠিক উত্তর: D) since
কেন সঠিক:
বাক্যে Present Perfect Continuous tense ব্যবহার করা হয়েছে এবং শুক্রবার থেকে অসুস্থতা শুরু হওয়ার নির্দিষ্ট সময় বোঝানো হয়েছে। তাই নির্দিষ্ট পয়েন্ট অফ টাইম বোঝাতে এখানে since preposition বসবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) from — এটি সাধারণত future বা general starting point এর ক্ষেত্রে বসে, নির্দিষ্ট অতীতের বিন্দু থেকে চলমান কাজের ক্ষেত্রে বসে না।
B) on — এটি নির্দিষ্ট দিন বা বারের নামের আগে বসে, কিন্তু এখানে সময়ের ব্যাপ্তি বা শুরু বোঝাতে since দরকার।
C) in — এটি মাস, বছর বা ঋতুর নামের আগে বসে, নির্দিষ্ট কোনো বারের আগের সময় বোঝাতে বসে না।
D) যেহেতু এটি সঠিক উত্তর, তাই এটি কেন ভুল তা প্রযোজ্য নয়।
মনে রাখার টিপস:
অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময় বা বারের নাম থেকে কাজ শুরু হয়ে বর্তমানেও চললে since বসে।
সঠিক উত্তর: C) playing
কেন সঠিক:
- 'Give up' একটি phrasal verb যার অর্থ ত্যাগ করা বা কোনো অভ্যাস বর্জন করা।
- ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী 'give up' এর পর কোনো মূল verb বসলে তার সাথে ing যুক্ত করতে হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) of playing — 'Give up' এর পর সরাসরি preposition 'of' বসে না, তাই এটি ভুল।
B) to play — 'Give up' এর পর infinitive (to + verb) বসে না, তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।
C) playing — এটি সঠিক উত্তর কারণ phrasal verb-এর পর gerund ব্যবহৃত হয়।
D) play — 'Give up' এর পর verb-এর base form বসার কোনো ব্যাকরণগত নিয়ম নেই।
মনে রাখার টিপস:
'Mind', 'worth', 'keep on', 'give up' ইত্যাদি শব্দ বা phrase-এর পর সবসময় verb-এর সাথে ing যুক্ত হয়।
সঠিক উত্তর: A) is sleeping
কেন সঠিক:
বাক্যের প্রথমাংশ নির্দেশ করছে কাজটি এই মুহূর্তে বা বর্তমানে চলছে। তাই দ্বিতীয় অংশে Present Continuous Tense ব্যবহার করতে হবে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) is sleeping — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি Present Continuous Tense নির্দেশ করে।
B) has slept — এটি Present Perfect Tense, যা চলমান কাজের জন্য প্রযোজ্য নয়।
C) asleep — এটি কোনো Verb নয়, এটি একটি Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
D) is being asleep — এই গঠনটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল এবং অপ্রাসঙ্গিক।
মনে রাখার টিপস:
বাক্যে while থাকলে সাধারণত Continuous Tense হয়।
সঠিক উত্তর: A) deny
কেন সঠিক:
- 'Deny' শব্দের অর্থ অস্বীকার করা এবং শূন্যস্থানে বসলে বাক্যটির অর্থ হয় কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে সে চালাক।
- এখানে বুদ্ধিমত্তা বা সত্যতাকে অস্বীকার করার প্রেক্ষাপটে সঠিক অর্থ প্রকাশের জন্য 'deny' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) deny — এই অপশনটি সঠিক কারণ এর অর্থ অস্বীকার করা এবং এটি বাক্যটির অর্থ সম্পূর্ণ ও অর্থবহ করে তোলে।
B) defy — এর অর্থ অবাধ্য হওয়া বা চ্যালেঞ্জ করা, যা এই বাক্যের শূন্যস্থানের জন্য প্রাসঙ্গিক ও অর্থপূর্ণ নয়।
C) denounce — এর অর্থ প্রকাশ্যে নিন্দা করা, যা এখানে চালাক হওয়ার গুণটির সাথে খাপ খায় না।
D) discard — এর অর্থ বর্জন করা বা ফেলে দেওয়া, যা কোনো মানুষের বুদ্ধিমত্তার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে না।
মনে রাখার টিপস:
সত্য বা গুণ ঢাকতে বা অস্বীকার করতে 'deny' ব্যবহার হয়।
সঠিক উত্তর: D) between
কেন সঠিক:
ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত দুজনের মধ্যে কোনো কিছু ভাগ করে দেওয়ার ক্ষেত্রে between preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে বাক্যে দুটি শিশুর কথা বলা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে টাকা ভাগ করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হিসেবে between নির্বাচন করা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) over — সাধারণত কোনো কিছুর ওপর দিয়ে অতিক্রম করা বা ওপরে অবস্থান বোঝাতে over ব্যবহৃত হয়, যা ভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
B) in between — এটি সাধারণত সঠিক প্রিপজিশন হিসেবে গণ্য হয় না এবং ব্যাকরণগতভাবে এখানে অপ্রয়োজনীয়।
C) among — দুইয়ের অধিক ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে কিছু ভাগ বা বিতরণ করার ক্ষেত্রে among ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এখানে মাত্র দুজন শিশু আছে।
D) between — এটি সঠিক উত্তর, কারণ দুজনের মধ্যে কিছু ভাগ করার ক্ষেত্রে একমাত্র এই প্রিপজিশনটিই ব্যবহার করা হয়।
মনে রাখার টিপস:
দুইজনের মাঝে ভাগ করলে between এবং দুইয়ের বেশি হলে among ব্যবহার করবে।
সঠিক উত্তর: C) Thoroughly
কেন সঠিক:
Out and out একটিidiom যার অর্থ সম্পূর্ণভাবে বা পুরোপুরি।
Thoroughly শব্দটির অর্থও সম্পূর্ণভাবে বা গভীরভাবে।
তাই এই অপশনটি সঠিক অর্থ প্রকাশ করে।
বাক্যের ভাবার্থ পুরোপুরি প্রকাশ করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Not at all — এর অর্থ মোটেও না, যা প্রদত্ত বাগধারার বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
B) Brave — এর অর্থ সাহসী, যা এই বাগধারার সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
C) Thoroughly — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে।
D) Whole heartedly — এর অর্থ একান্ত মনে, যা আক্ষরিক অর্থে কিছুটা মিললেও সঠিক প্রতিশব্দ নয়।
মনে রাখার টিপস:
Out and out মানে আদ্যোপান্ত বা পুরোপুরি, যার ইংরেজি প্রতিশব্দ Thoroughly।
সঠিক উত্তর: D) First speech
কেন সঠিক:
- 'Maiden speech' একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা, যার অর্থ হলো কারো জীবনের প্রথম বক্তৃতা।
- সাধারণত পার্লামেন্টে বা কোনো আনুষ্ঠানিক সভায় কোনো ব্যক্তির দেওয়া প্রথম ভাষণকে এই নামে অভিহিত করা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Late speech — এটি দ্বারা দেরিতে দেওয়া ভাষণ বা মরহুম কোনো ব্যক্তির শেষ ভাষণ বোঝায়, যা সঠিক নয়।
B) Early speech — এটি দ্বারা খুব সকালেও কোনো বক্তব্য বা প্রাথমিক পর্যায়ের বক্তব্য বোঝাতে পারে, কিন্তু এটি নির্দিষ্ট কোনো বাগধারা নয়।
C) Final speech — এটি দ্বারা কোনো ব্যক্তির শেষ বা পরিশেষ ভাষণ বোঝায়, যা ফার্স্ট স্পিচ বা প্রথম ভাষণের বিপরীত।
D) First speech — এটি এই বাগধারার সঠিক সমার্থক অর্থ বহন করে এবং এটিই সঠিক উত্তর।
মনে রাখার টিপস:
'Maiden' শব্দের অর্থ কুমারী বা প্রথম। তাই কোনো ব্যক্তির জীবনে বা অনুষ্ঠানে দেওয়া প্রথম বক্তব্যকেই Maiden speech বলা হয়।
সঠিক উত্তর: D) was shining
কেন সঠিক:
প্রধান ক্লজটি পাস্ট টেন্সে থাকায় সাবঅর্ডিনেট ক্লজেও পাস্ট টেন্স হবে।
সূর্য আলো দিচ্ছিল এমন একটি চলমান কাজের সময় অন্য একটি ঘটনা ঘটেছিল বোঝাতে পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স বসে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) has shone — এটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট টেন্স, যা অতীতকালের চলমান ঘটনার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
B) shine — এটি প্রেজেন্ট টেন্স এবং সাবজেক্টের সাথে এই রূপটি ব্যাকরণগতভাবে মেলে না।
C) shines — এটি প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স, যা অতীতকালের বাক্যের ঘটনার সাথে মিলে যায় না।
D) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
As বা While যুক্ত বাক্যের একটি অংশ পাস্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স হলে অন্য অংশটি সাধারণত পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স হয়।
সঠিক উত্তর: A) out
কেন সঠিক:
এখানে বাক্যে আগুন বা আলো নিভে যাওয়া বোঝাতে সঠিক ফ্রেজাল ভার্ব বা গ্রুপ ভার্ব হিসেবে blow out ব্যবহৃত হয়। বাতাসের বেগে আলো নিভে গেছে বোঝাতে out ছাড়া অন্য কোনো শব্দ সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) out — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয় কারণ এটি এই বাক্যের জন্য নির্দিষ্ট ফ্রেজাল ভার্ব।
B) away — blow away অর্থ উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া, যা এখানে আলো নিভে যাওয়ার ক্ষেত্রে বসে না।
C) up — blow up অর্থ বিস্ফোরণ ঘটানো বা উড়িয়ে দেওয়া, যা এখানে সম্পূর্ণ অর্থহীন।
D) off — blow off অর্থ বাষ্প বা চাপ মুক্ত করা, যা আলোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যায় না।
মনে রাখার টিপস:
বাতাস বা ফুঁ দিয়ে আগুন কিংবা মোমবাতির আলো নেভানোর ইংরেজি হলো blow out.
সঠিক উত্তর: C) গীতিকা
কেন সঠিক:
Ballad হলো এক ধরনের ঐতিহ্যবাহী বর্ণনামূলক কবিতা যা সাধারণত সুর করে গাওয়া হয় এবং এতে কোনো লোককাহিনীর করুণ বা বীরত্বপূর্ণ ঘটনা প্রকাশ পায়।
সাহিত্যের পরিভাষায় একে গীতিকা বলা হয় কারণ এটি মূলত গান ও কবিতার সংমিশ্রণে তৈরি হয়।
এর ছন্দ সাধারণত চার চরণের হয় এবং এটি সহজে মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) লােকগীতি — এটি শুধু লোকসংগীত বোঝায়, কিন্তু Ballad কেবল গান নয় বরং একটি আধা-নাট্যধর্মী বর্ণনামূলক কবিতাও বটে।
B) লােকগাথা — এটি লোকসাহিত্যের একটি বড় শাখা হলেও Ballad এর সঠিক কাব্যিক রূপ হলো গীতিকা।
C) এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য নয়।
D) গাথা হলো সাধারণ বীরত্বগাথা বা কাহিনীকাব্য, আর সুরযুক্ত বর্ণনামূলক কবিতার নির্দিষ্ট বাংলা রূপ হলো গীতিকা।
মনে রাখার টিপস:
Ballad শব্দটির সাথে সুর ও বীরত্বপূর্ণ কাহিনীর সম্পর্ক আছে, তাই একে সবসময় গীতিকা হিসেবে মনে রাখবে।
সঠিক উত্তর: D) A very costly or troublesome possession
কেন সঠিক:
এটি একটি ইংরেজি ইডিয়ম বা বাগধারা যার শাব্দিক অর্থ সাদা হাতি নয় বরং এর বিশেষ রূপক অর্থ রয়েছে।
এটি এমন কোনো জিনিস বা সম্পত্তি বোঝায় যা রক্ষণাবেক্ষণের খরচ অনেক বেশি কিন্তু কাজের দিক থেকে তেমন কোনো সুবিধা দেয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) An elephant of white colour — এটি ইডিয়মের আক্ষরিক অর্থ বোঝালেও পরীক্ষার ক্ষেত্রে বাগধারার রূপক অর্থ ধরতে হয় তাই এটি ভুল।
B) A hoarder — এই অপশনটি অবৈধভাবে পণ্য মজুদকারী ব্যক্তিকে বোঝায় যা প্রদত্ত বাগধারার অর্থের সাথে মেলে না।
C) A black marketer — এই অপশনটি কালোবাজারি বা অবৈধভাবে ব্যবসা করা ব্যক্তিকে নির্দেশ করে যা সম্পূর্ণ আলাদা একটি বিষয়।
D) A very costly or troublesome possession — এটি নিজেই সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে অন্য কোনো আলাদা ভুল নেই।
মনে রাখার টিপস:
সাদা হাতি অনেক শৌখিন ও ব্যয়বহুল হলেও কোনো কাজে লাগে না, ঠিক তেমনি যে জিনিস পোষা বা রাখা খুব খরচবহুল কিন্তু লাভ কম তাকে হোয়াইট এলিফ্যান্ট বলে।
সঠিক উত্তর: D) an autobiography
কেন সঠিক:
auto শব্দের অর্থ নিজে এবং biography শব্দের অর্থ জীবনবৃতান্ত। নিজের জীবনের এই কাহিনী যখন নিজে লেখা হয় তখন তাকে অটোবায়োগ্রাফি বা আত্মজীবনী বলা হয়।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) a biography — এটি অন্যের লেখা জীবনকাহিনি, নিজের জীবনের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা যায় না।
B) a diary — এটি প্রতিদিনের ঘটে যাওয়া ব্যক্তিগত ঘটনার বিবরণ, কোনো পূর্ণাঙ্গ জীবনকাহিনি নয়।
C) a chronicle — এটি ঐতিহাসিক ঘটনার কালানুক্রমিক বিবরণ, কোনো একক ব্যক্তির আত্মজীবনী নয়।
মনে রাখার টিপস:
auto শব্দের অর্থ নিজে এবং biography অর্থ জীবন, তাই নিজের জীবন নিজেই লিখলে তাকে autobiography বলে।
সঠিক উত্তর: C) holy place
কেন সঠিক:
pilgrim শব্দটির অর্থ তীর্থযাত্রী যিনি ধর্মীয় উদ্দেশ্যে কোনো পবিত্র স্থানে ভ্রমণ করেন।
পবিত্র স্থানে ভ্রমণের মাধ্যমেই মূলত একজন মানুষকে তীর্থযাত্রী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
এটি এই শব্দের সার্বজনীন ও আধানিক অর্থ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) mosque — এটি একটি নির্দিষ্ট উপাসনালয়, তবে সব তীর্থস্থান কেবল মসজিদ বোঝায় না।
B) new country — নতুন দেশে ভ্রমণ করা সাধারণ পর্যটনের অন্তর্ভুক্ত, তীর্থযাত্রা নয়।
D) bazar — বাজার হলো কেনাকাটার স্থান, যা কোনো ধর্মীয় বা পবিত্র যাত্রার সাথে সম্পর্কিত নয়।
মনে রাখার টিপস:
pilgrim শব্দ দেখলে মাথায় রাখবে পবিত্র স্থান বা holy place এর কথা।
সঠিক উত্তর: B) Humorous
কেন সঠিক:
সঠিক বানানটি হলো হিউমারাস যার অর্থ রসাত্মক বা হাস্যরসপূর্ণ।
এই শব্দটিতে অতিরিক্ত কোনো i বা o ব্যবহার করা হয় না।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Humorious — এই বানানে অতিরিক্ত i অক্ষর যুক্ত করা হয়েছে যা ভুল।
B) Humorous — এটি সঠিক বানান।
C) Humourius — এই বানানে অতিরিক্ত i এবং u অক্ষর ভুলভাবে যুক্ত হয়েছে।
D) Humurious — এই বানানে ri এর পরিবর্তে ru ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল।
মনে রাখার টিপস:
হিউমার (humor) শব্দের সাথে শুধু ous যোগ করে humorous বানানটি মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) Environment
কেন সঠিক:
‘Ecological’ শব্দটি বাস্তুতন্ত্র বা পরিবেশ বিজ্ঞান সংক্রান্ত পড়াশোনার সাথে সরাসরি জড়িত।
এটি মূলত জীবজগৎ এবং তাদের চারপাশের পরিবেশের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
তাই এর সঠিক অর্থ পরিবেশ বা পরিবেশগত বিষয়ের সাথে মিলে যায়।
এটি সামগ্রিক প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষার ধারণাকে নির্দেশ করে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) Demography — এটি মানুষের জনসংখ্যার পরিসংখ্যানগত গঠন ও পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে যা পরিবেশের সমার্থক নয়।
B) Pollution — এটি পরিবেশের একটি নির্দিষ্ট ক্ষতিকর দিক বা দূষণ বোঝায়, যা সমগ্র পরিবেশকে নির্দেশ করে না।
C) Atmosphere — এটি কেবল পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল বা গ্যাসীয় স্তরকে বোঝায়, যা জীবজগতের সম্পূর্ণ পরিবেশের চেয়ে সংকীর্ণ।
D) Environment — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি জীব ও প্রকৃতির সামগ্রিক অবস্থাকে নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
ইকোলোজি বা ইকোলজি কথাটি দেখলে সবসময় পরিবেশ বা প্রকৃতি কথাটি মাথায় রাখবে।
সঠিক উত্তর: B) children
কেন সঠিক:
'Paediatric' একটি চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষা, যার মূল অর্থ শিশু চিকিৎসা।
এটি মূলত নবজাতক থেকে শুরু করে শৈশবকাল পর্যন্ত শিশুদের বিভিন্ন রোগ ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কাজ করে।
তাই এটি শিশুদের চিকিৎসার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত।
শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য এই শাখাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) adults — প্রাপ্তবয়স্কদের চিকিৎসার সাথে এই শব্দের কোনো সম্পর্ক নেই কারণ এটি কেবল শিশুদের জন্য নির্ধারিত।
B) children — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
C) women — নারীদের বিশেষ চিকিৎসার জন্য গাইনোকোলজি বা অবস্টেট্রিক্স ব্যবহৃত হয়, পেডিয়াট্রিক নয়।
D) old people — প্রবীণদের চিকিৎসাবিদ্যাকে জেরিয়াট্রিক্স বলা হয়, পেডিয়াট্রিক নয়।
মনে রাখার টিপস:
ইংরেজি শব্দ Paediatric এর শুরুতে থাকা Paedo অংশটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে যার অর্থ শিশু।
সঠিক উত্তর: ডি) flow
কেন সঠিক:
যানবাহন বা ট্রাফিকের চলাচলের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শব্দ হিসেবে সবসময় ফ্লো ব্যবহার করা হয়।
এটি সড়কপথে গাড়ির নিরবচ্ছিন্ন গতিশীলতা ও চলাচলকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
তাই শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ হিসেবে এটিই সবচেয়ে উপযোগী।
বাকি অপশন কেন ভুল:
এ) circulation — এই শব্দটি সাধারণত রক্ত বা বাতাসের চলাচল কিংবা পত্রিকার মুদ্রণ সংখ্যা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
বি) current — এই শব্দটির অর্থ স্রোত, যা সাধারণত পানি বা বিদ্যুতের প্রবাহের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়।
সি) প্রসেসন — এর অর্থ শোভাযাত্রা বা মিছিল, যা যানবাহনের সাধারণ গতি বোঝাতে ব্যবহার করা যায় না।
ডি) সঠিক উত্তর হওয়ায় এটি ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
সড়কে যানবাহনের চলাচল বোঝাতে সবসময় ট্রাফিক ফ্লো ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: D) by
কেন সঠিক:
নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বা কোনো ডেডলাইনের আগে কাজ শেষ করতে 'by' preposition ব্যবহৃত হয়। এখানে বৃহস্পতিবারের মধ্যে কাজটি শেষ করার কথা বলা হয়েছে।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) till — এটি দীর্ঘ সময় বা কোনো কাজের স্থায়িত্ব বোঝাতে বসে, যা নির্দিষ্ট ডেডলাইনের জন্য উপযুক্ত নয়।
B) until — এটি কোনো নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কাজ চালিয়ে যাওয়া বোঝায়, কিন্তু এখানে কাজটি শেষ করার কথা বলা হয়েছে।
C) upto — এটি সাধারণত দূরত্ব, পরিমাণ বা মাত্রা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, সময়সীমা বোঝাতে সাধারণত 'by' বসে।
D) by — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ডেডলাইন নির্দেশ করে।
মনে রাখার টিপস:
নির্দিষ্ট কোনো সময়ের মধ্যে বা ডেডলাইনের মধ্যে কোনো কাজ সম্পন্ন করতে হলে 'by' ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) formerly
কেন সঠিক:
শূন্যস্থানের আগের অংশে অবসর গ্রহণের কথা বলা হয়েছে যা অতীতের পেশাকে নির্দেশ করে।
পূর্বে তিনি শিক্ষক ছিলেন এবং এখন উপন্যাস লেখেন, এই অর্থ প্রকাশ করতে formerly শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
অতীতের কোনো অবস্থা বোঝাতে formerly adverb টি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাকি অপশন কেন ভুল:
A) usually — এর অর্থ সাধারণত, যা অতীতের কোনো নির্দিষ্ট পেশা বোঝাতে এখানে বসে না।
B) presently — এর অর্থ বর্তমানে বা শীঘ্রই, কিন্তু এখানে অতীতের পেশা বোঝানো হয়েছে।
C) proffer — এটি একটি verb এবং এর অর্থ প্রস্তাব করা, যা এখানে grammatically সঠিক নয়।
D) formerly — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় ভুল নয়।
মনে রাখার টিপস:
অতীতের পেশা বা অবস্থান বোঝাতে formerly ব্যবহার করতে হয়।
সঠিক উত্তর: D) ৪
প্রদত্ত তথ্য:
সীমা হলো ৪৩ থেকে ৬০ এর মধ্যবর্তী সংখ্যাগুলো
ধরি,
এই সীমার ভেতরের বিজোড় সংখ্যাগুলো সম্ভাব্য মৌলিক সংখ্যা
অতএব,
সংখ্যাগুলো হলো ৪৩, ৪৫, ৪৭, ৪৯, ৫১, ৫৩, ৫৫, ৫৭ এবং ৫৯
সুতরাং,
এর মধ্যে মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ৪৩, ৪৭, ৫৩ এবং ৫৯
উত্তর: ৪
সঠিক উত্তর: B) ২২/৭
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের সম্পর্ক নির্ণয় করতে হবে
ধরি,
বৃত্তের পরিধি = পরিধি
বৃত্তের ব্যাস = ব্যাস
অতএব,
পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = পরিধি ÷ ব্যাস
সুতরাং,
এই ধ্রুবক অনুপাতটিকে পাই বলা হয়
উত্তর: ২২/৭
সঠিক উত্তর: B) ৫৫
প্রদত্ত তথ্য:
ধারার প্রথম পদ = ১
ধারার দ্বিতীয় পদ = ৩
ধারাটি একটি ত্রিভুজ সংখ্যার ধারা
ধরি,
প্রথম পদের সাথে যোগ করতে হবে = ২
দ্বিতীয় পদের সাথে যোগ করতে হবে = ৩
অতএব,
তৃতীয় পদ = ৬ + ৪ = ১০
চতুর্থ পদ = ১০ + ৫ = ১৫
পঞ্চম পদ = ১৫ + ৬ = ২১
সুতরাং,
নবম পদ = ৩৬ + ১০ = ৪৬
দশম পদ = ৪৫ + ১০ = ৫৫
উত্তর: ৫৫
সঠিক উত্তর: D) ১৮ বছর
প্রদত্ত তথ্য:
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ৪৫ বছর
পিতা, মাতা ও এক পুত্রের বয়সের গড় ৩৬ বছর
ধরি,
পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = ৪৫ × ২ = ৯০ বছর
পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = ৩৬ × ৩ = ১০৮ বছর
অতএব,
পুত্রের বয়স নির্ণয় করতে হবে
মোট বয়স থেকে পিতা ও মাতার বয়স বাদ দিতে হবে
সুতরাং,
পুত্রের বয়স = ১০৮ − ৯০ = ১৮ বছর
উত্তর: ১৮ বছর
সঠিক উত্তর: A) ২ লিটার
প্রদত্ত তথ্য:
দুধ ও পানির অনুপাত ৫ঃ১
দুধের পরিমাণ পানি অপেক্ষা ৮ লিটার বেশি
ধরি,
পানির পরিমাণ = ১ক লিটার
দুধের পরিমাণ = ৫ক লিটার
অতএব,
৫ক − ১ক = ৮
৪ক = ৮
সুতরাং,
ক = ৮ ÷ ৪
ক = ২
উত্তর: ২ লিটার
সঠিক উত্তর: A) ৫০%
প্রদত্ত তথ্য:
টাকায় ৩টি করে আম বা লেবু কেনা হলো
টাকায় ২টি করে তা বিক্রি করা হলো
ধরি,
৩টি লেবু বা আমের ক্রয়মূল্য = ১ টাকা
২টি লেবু বা আমের বিক্রয়মূল্য = ১ টাকা
অতএব,
১টির ক্রয়মূল্য = ১ ÷ ৩ টাকা
১টির বিক্রয়মূল্য = ১ ÷ ২ টাকা
সুতরাং,
লাভ = (১ ÷ ২) − (১ ÷ ৩) = ১ ÷ ৬ টাকা
উত্তর: (১ ÷ ৬) ÷ (১ ÷ ৩) × ১০০% = ৫০%
সঠিক উত্তর: B) ৪ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
১২ জন শ্রমিক ৩ দিনে আয় করে ৭২ টাকা
৯ জন শ্রমিক সমপরিমাণ অর্থাৎ ৭২ টাকা আয় করবে
ধরি,
১ জন শ্রমিকের ৭২ টাকা উপার্জন করতে সময় লাগে = ১২ × ৩ দিন
অতএব,
১ জন শ্রমিকের মোট প্রয়োজনীয় দিন = ৩৬ দিন
৯ জন শ্রমিকের ৭২ টাকা উপার্জন করতে সময় লাগবে = ৩৬ ÷ ৯ দিন
সুতরাং,
নির্ণেয় দিন সংখ্যা = ৪ দিন
উত্তর: ৪ দিনে
সঠিক উত্তর: C) ৬ ঘণ্টা
প্রদত্ত তথ্য:
লঞ্চের গতিবেগ = ১৮ কিমি প্রতি ঘণ্টা
স্রোতের গতিবেগ = ৬ কিমি প্রতি ঘণ্টা
অতিক্রান্ত দূরত্ব = ৪৮ কিমি
ধরি,
অনুকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৮ + ৬ = ২৪ কিমি প্রতি ঘণ্টা
প্রতিকূলে লঞ্চের কার্যকর গতিবেগ = ১৮ − ৬ = ১২ কিমি প্রতি ঘণ্টা
অতএব,
অনুকূলে ৪৮ কিমি যেতে সময় লাগে = ৪৮ ÷ ২৪ = ২ ঘণ্টা
প্রতিকূলে ৪৮ কিমি ফিরে আসতে সময় লাগে = ৪৮ ÷ ১২ = ৪ ঘণ্টা
সুতরাং,
মোট যাতায়াতের সময় লাগবে = ২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা
উত্তর: ৬ ঘণ্টা
সঠিক উত্তর: C) ৩৬
প্রদত্ত তথ্য:
কোনো সংখ্যার অর্ধেক অংশের সাথে ছয় যোগ করলে সংখ্যাটির দুই তৃতীয়াংশ হয়
ধরি,
অজানা সংখ্যাটি ক
অতএব,
সংখ্যাটির অর্ধেক = ক ÷ ২
সংখ্যাটির দুই তৃতীয়াংশ = (ক × ২) ÷ ৩
সুতরাং,
(ক ÷ ২) + ৬ = (ক × ২) ÷ ৩
উত্তর: ৩৬
সঠিক উত্তর: A) ২৪ সে.মি.
প্রদত্ত তথ্য:
বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ১৩ সে.মি.
কেন্দ্র হতে জ্যা এর দূরত্ব = ৫ সে.মি.
ধরি,
বৃত্তের কেন্দ্র থেকে জ্যা এর উপর অঙ্কিত লম্ব জ্যা কে সমদ্বিখণ্ডিত করে
অর্ধেকের দৈর্ঘ্য হলো লম্ব দূরত্ব এবং ব্যাসার্ধের মাধ্যমে গঠিত সমকোণী ত্রিভুজের ভূমি
জ্যা এর অর্ধেক দৈর্ঘ্য = ক
অতএব,
পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, ক এর বর্গ + ৫ এর বর্গ = ১৩ এর বর্গ
ক এর বর্গ + ২৫ = ১৬৯
ক এর বর্গ = ১৬৯ − ২৫ = ১৪৪
সুতরাং,
ক = √১৪৪ = ১২ সে.মি.
সম্পূর্ণ জ্যা এর দৈর্ঘ্য = ১২ × ২ = ২৪ সে.মি.
উত্তর: ২৪ সে.মি.
সঠিক উত্তর: D) একটি অমূলদ সংখ্যা
প্রদত্ত তথ্য:
P একটি মৌলিক সংখ্যা
ধরি,
P এর মান দুই, তিন বা পাঁচ হতে পারে
অতএব,
√P এর মান হবে √২, √৩ বা √৫
সুতরাং,
এই মানগুলোর দশমিক বিস্তার অসীম এবং অনাবৃত্ত
উত্তর: একটি অমূলদ সংখ্যা
সঠিক উত্তর: B) ৩০ দিনে
প্রদত্ত তথ্য:
ক এবং খ একত্রে কাজটি করতে পারে ১২ দিনে
ক একা কাজটি করতে পারে ২০ দিনে
ধরি,
মোট কাজের পরিমাণ = ১ অংশ
অতএব,
ক এবং খ একত্রে ১ দিনে করে ১ ÷ ১২ অংশ
ক একা ১ দিনে করে ১ ÷ ২০ অংশ
সুতরাং,
খ একা ১ দিনে করে (১ ÷ ১২) − (১ ÷ ২০) অংশ
= (৫ − ৩) ÷ ৬০ অংশ
= ২ ÷ ৬০ অংশ
= ১ ÷ ৩০ অংশ
উত্তর: ৩০ দিনে
সঠিক উত্তর: D) ১২টি
প্রদত্ত তথ্য:
সংখ্যাটি হলো ৭২
ধরি,
সংখ্যাটিকে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে
অতএব,
৭২ কে মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করে পাই
৭২ = ২ × ২ × ২ × ৩ × ৩
সুতরাং,
৭২ = ২ এর পাওয়ার ৩ গুণ ৩ এর পাওয়ার ২
উত্তর: মোট ভাজক সংখ্যা = (৩ + ১) × (২ + ১) = ৪ × ৩ = ১২টি
সঠিক উত্তর: C) ২৩ এবং ২৪
প্রদত্ত তথ্য:
দুইটি ক্রমিক পূর্ণ সংখ্যার বর্গের অন্তর হলো সাতচল্লিশ
ধরি,
ছোট সংখ্যাটি সমান ক
বড় সংখ্যাটি সমান ক + ১
অতএব,
(ক + ১) এর বর্গ − ক এর বর্গ = ৪৭
ক এর বর্গ + ২ক + ১ − ক এর বর্গ = ৪৭
২ক + ১ = ৪৭
সুতরাং,
২ক = ৪৬
ক = ২৩
উত্তর: ২৩ এবং ২৪
সঠিক উত্তর: C) ৫০
প্রদত্ত তথ্য:
জমির দৈর্ঘ্য হলো ১০ ফুট
জমির প্রস্থ হলো ৫ ফুট
ধরি,
জমির ক্ষেত্রফল বের করতে হবে
দৈর্ঘ্যকে প্রস্থ দিয়ে গুণ করতে হবে
অতএব,
ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ
ক্ষেত্রফল = ১০ × ৫
সুতরাং,
ক্ষেত্রফল = ৫০ বর্গফুট
উত্তর: ৫০
সঠিক উত্তর: D) 2xy
প্রদত্ত তথ্য:
বীজগণিতীয় রাশিটি হলো x বর্গ + y বর্গ − 2xy
পূর্ণবর্গ করার জন্য রাশিটির সাথে একটি নির্দিষ্ট পদ যোগ করতে হবে
ধরি,
রাশিটির সাথে p যোগ করতে হবে
অতএব,
শর্তমতে, x বর্গ + y বর্গ − 2xy + p একটি পূর্ণবর্গ রাশি হবে
সুতরাং,
আমরা জানি (x − y) বর্গ = x বর্গ + y বর্গ − 2xy
উত্তর: 2xy
সঠিক উত্তর: C) x + y − ১
প্রদত্ত তথ্য:
বহুপদী রাশিটি উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে
ধরি,
রাশিটি হলো x এর এবং y এর একটি ফাংশন
অতএব,
উৎপাদক উপপাদ্যের সাহায্যে রাশির মান শূন্য বসাতে হবে
সুতরাং,
রাশিটির একটি উৎপাদক হবে x + y − ১
উত্তর: x + y − ১
সঠিক উত্তর: C) মেরু অঞ্চলে
১. কেন সঠিক:
বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হওয়ার কারণ হলো পৃথিবীর আকৃতি এবং আহ্নিক গতি। পৃথিবী সম্পূর্ণ গোল নয়, বরং এটি বিষুবীয় অঞ্চলে কিছুটা স্ফিত এবং মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা।
মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান সবচেয়ে বেশি হওয়ায় সেখানে বস্তুর ওজন সর্বাধিক হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ওজন হলো কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর মহাকর্ষীয় টানের পরিমাণ। ভর এবং অভিকর্ষজ ত্বরণের গুণফলই হলো ওজন।
সূত্র/তত্ত্ব: ডব্লিউ সমান এম গুণ জি। এখানে ডব্লিউ হলো ওজন, এম হলো ভর এবং জি হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ।
কার্যপ্রণালি: পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব কম হওয়ায় মহাকর্ষীয় বল বেশি কাজ করে। ফলে জি এর মান বাড়ে এবং ওজনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়।
কারণ ও ফলাফল: বিষুবীয় অঞ্চলে ব্যাসার্ধ বেশি থাকায় জি এর মান কমে যায়, যা ওজনকে কমিয়ে দেয়। মেরু অঞ্চলে ব্যাসার্ধ কম থাকায় জি এর মান বাড়ে, ফলে ওজনও বাড়ে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: নিরক্ষীয় অঞ্চল থেকে কোনো বস্তু মেরু অঞ্চলে নিয়ে গেলে তার ওজন বৃদ্ধি পায়।
ব্যাখ্যা: এটি প্রমাণ করে যে স্থানভেদে অভিকর্ষজ ত্বরণের পরিবর্তনের কারণে ওজনের তারতম্য ঘটে।
উদাহরণ ২: একজন মানুষের ভর সব স্থানে একই থাকে কিন্তু ওজন ভিন্ন হয়।
ব্যাখ্যা: ভর ধ্রুবক হলেও জি এর মানের পরিবর্তনের কারণে ওজনের ভিন্নতা দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) খনির ভিতর — খনির গভীরে গেলে পৃথিবীর কেন্দ্রমুখী আকর্ষণ কমে যায় ফলে জি এর মান হ্রাস পায়।
তাই খনির ভেতর বস্তুর ওজন কম হয়, বেশি নয়।
B) পাহাড়ের উপর — পাহাড়ের চূড়ায় উঠলে ভূপৃষ্ঠ থেকে দূরত্ব বৃদ্ধি পায় ফলে মহাকর্ষ বল কমে যায়।
তাই পাহাড়ের উপরে বস্তুর ওজন হ্রাস পায়।
C) মেরু অঞ্চলে — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ কম এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ সবচেয়ে বেশি।
তাই এখানে বস্তুর ওজন সর্বোচ্চ হয়।
D) বিষুব অঞ্চলে — বিষুবীয় অঞ্চলে পৃথিবীর ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি এবং কেন্দ্র থেকে দূরত্ব সর্বাধিক থাকে।
তাই এখানে জি এর মান সর্বনিম্ন হওয়ায় ওজন সবচেয়ে কম হয়।
৫ মনে রাখার টিপস:
মেরু মানে মাটি চাপা, তাই সেখানে ওজন মাপা ভালো।
অর্থাৎ মেরু অঞ্চল চাপা হওয়ায় সেখানে ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণ শূন্য হওয়ায় বস্তুর ওজন শূন্য হয়।
একই প্রশ্ন ঘুরিয়ে আসতে পারে যে কোথায় বস্তুর ওজন সবচেয়ে কম, যার উত্তর হবে বিষুব অঞ্চলে।
সঠিক উত্তর: C) কার্বনডাই-অক্সাইড
১. কেন সঠিক:
- জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে বায়ুমণ্ডলে কার্বনডাই-অক্সাইড গ্যাস সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নির্গত হয় এবং এর পরিমাণ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- কয়লা, পেট্রোল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর সময় এগুলোর মধ্যে থাকা কার্বন বায়ুমণ্ডলের অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে প্রচুর পরিমাণে কার্বনডাই-অক্সাইড তৈরি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জীবাশ্ম জ্বালানি হলো মূলত হাইড্রোকার্বনের জটিল মিশ্রণ যা পুড়িয়ে শক্তি উৎপাদন করা হয়।
- রাসায়নিক বিক্রিয়া: হাইড্রোকার্বন যোগ অক্সিজেন থেকে উৎপন্ন হয় কার্বনডাই-অক্সাইড যোগ জলীয় বাষ্প যোগ তাপশক্তি।
- কারণ ও ফলাফল: শিল্পায়ন ও যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বহুগুণ বেড়ে যাওয়ায় বায়ুমণ্ডলে এই গ্যাসের ঘনত্ব বিপজ্জনকভাবে বাড়ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য কয়লা পোড়ানোর সময় বিপুল পরিমাণ কার্বনডাই-অক্সাইড সরাসরি বায়ুমণ্ডলে মিশে যায়।
উদাহরণ ২: পেট্রোলচালিত গাড়ি
ব্যাখ্যা: মোটরগাড়ির ইঞ্জিন তেল বা পেট্রোল দহন করে শক্তি তৈরি করে এবং নিষ্কাশন পাইপ দিয়ে কার্বনডাই-অক্সাইড গ্যাস নির্গত করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) জ্বালানি বাষ্প — এটি কোনো নির্দিষ্ট গ্রিন হাউজ গ্যাস নয় এবং জ্বালানি দহনের প্রধান গ্যাসীয় বর্জ্য এটি নয়।
B) ক্লোরােফ্লোরাে কার্বন — এটি মূলত রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনার থেকে নির্গত হয়, জীবাশ্ম জ্বালানি দহন থেকে নয়।
C) কার্বনডাই-অক্সাইড — এটি সঠিক উত্তর এবং জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে বায়ুমণ্ডলে বৃদ্ধি পায়।
D) মিথেন — এটি ধানক্ষেত এবং গবাদিপশু থেকে বেশি উৎপন্ন হয়, যদিও এটি একটি শক্তিশালী গ্রিন হাউজ গ্যাস।
৫. মনে রাখার টিপস:
- গাড়ি বা শিল্প কারখানার কালো ধোঁয়া মানেই কার্বনডাই-অক্সাইড গ্যাসের আধিক্য।
- জীবাশ্ম জ্বালানি ও কার্বনডাই-অক্সাইড একে অপরের পরিপূরক হিসেবে মনে রাখবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বা গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী গ্যাস কোনটি, এই প্রশ্নটি প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।
- গ্রিন হাউজ গ্যাসগুলোর মধ্যে বায়ুমণ্ডলে কোনটির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি, তা ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
সঠিক উত্তর: D) বালি
১. কেন সঠিক:
- কাঁচ তৈরির মূল উপাদান হলো সিলিকা বা সিলিকন ডাইঅক্সাইড, যা মূলত বিশেষ ধরনের বিশুদ্ধ বালুকা থেকে পাওয়া যায়।
- কাঁচশিল্পে ব্যবহৃত এই বালুর প্রধান রাসায়নিক উপাদান সিলিকা প্রায় ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত কাঁচের কাঠামো তৈরি করে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: কাঁচ একটি অনিয়মিত বা নিরাকার কঠিন পদার্থ, যা সাধারণত সিলিকা, সোডা ছাই এবং চুনাপাথরের মিশ্রণ গলিয়ে তৈরি করা হয়।
- রাসায়নিক সংকেত: বালুর মূল উপাদান সিলিকা যার রাসায়নিক সংকেত এসআইও২ এবং এটি গলনের মাধ্যমে কাঁচের প্রধান নেটওয়ার্ক গঠন করে।
- কার্যপ্রণালি: বালি বা সিলিকার গলনাঙ্ক অনেক বেশি হওয়ায় এর সঙ্গে সোডা ছাই মেশানো হয় যা মিশ্রণের গলনাঙ্ক কমিয়ে উৎপাদন সহজ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ঘরের জানালা তৈরির সাধারণ কাঁচ।
ব্যাখ্যা: এটি মূলত বালি, সোডা এবং চুনাপাথরের মিশ্রণকে প্রচণ্ড তাপে গলিয়ে আকৃতি দিয়ে তৈরি করা হয়।
উদাহরণ ২: ল্যাবরেটরির বোরোসিলিকেট কাঁচ বা পাইরেক্স কাঁচ।
ব্যাখ্যা: এটি তৈরিতে বালির সঙ্গে বোরন অক্সাইড মেশানো হয় যা উচ্চ তাপে কাঁচকে ভাঙতে বাধা দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শাজিমাটি — শাজিমাটি কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল নয়, এটি মূলত মৃৎশিল্প, সিরামিকস এবং প্রসাধনী তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
B) চুনাপাথর — চুনাপাথর কাঁচ তৈরিতে সহায়ক উপাদান বা ফ্লাক্স হিসেবে ব্যবহৃত হয়, প্রধান কাঁচামাল নয়।
C) জিপশাম — জিপশাম সিমেন্ট শিল্পে সেটিং সময় নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি কাঁচ তৈরির প্রধান কাঁচামাল নয়।
D) বালি — এটি কাঁচের প্রধান উপাদান এবং এর সঠিক উত্তর হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে স্বীকৃত।
৫. মনে রাখার টিপস:
- কাঁচ মানেই বালি, আর বালির প্রধান উপাদান সিলিকা। কাঁচের মূল কাঠামো ধরে রাখে এই বালি।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- কাঁচ তৈরিতে প্রধান কাঁচামাল হিসেবে সিলিকা বা বালির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি থাকে।
- কাঁচকে অতিশীতল তরল বলা হয় কারণ এটি কঠিন হলেও এর অণুগুলোর নির্দিষ্ট কোনো কেলাশ কাঠামো নেই।
সঠিক উত্তর: D) ১০ নিউটন
১. কেন সঠিক:
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের স্বাভাবিক চাপ প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে প্রায় ১০ নিউটন বল প্রয়োগ করে।
এটি বায়ুমণ্ডলের গ্যাসের কণাগুলোর ওজন এবং অভিকর্ষ বলের সম্মিলিত প্রভাবের ফলে সৃষ্টি হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: বায়ুমণ্ডলীয় চাপ হলো একক ক্ষেত্রফলের ওপর বায়ুর লম্বভাবে প্রযুক্ত বল।
কার্যপ্রণালি: পৃথিবীর অভিকর্ষ বল বায়ুমণ্ডলের গ্যাসগুলোকে নিজের কেন্দ্রের দিকে টানে, ফলে প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলের ওপর নির্দিষ্ট ওজনের বল প্রযুক্ত হয়।
বাস্তব প্রয়োগ: সমুদ্রপৃষ্ঠে আমাদের শরীরের ওপর প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে প্রায় ১০ নিউটন বল প্রয়োগ হওয়া সত্ত্বেও আমরা পিষে যাই না কারণ শরীরের ভেতর থেকে রক্তের চাপ এর সমান বিপরীতমুখী বল প্রয়োগ করে ভারসাম্য রক্ষা করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বায়ুমণ্ডলের চাপ মাপার যন্ত্র ব্যারোমিটার।
ব্যাখ্যা: সমুদ্রপৃষ্ঠে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা ৭৬ সেমি হলে যে চাপ নির্দেশ করে, তার মান প্রতি বর্গ সেমি প্রায় ১০ নিউটন হয়।
উদাহরণ ২: মানুষের হাতের ওপর বায়ুর চাপ।
ব্যাখ্যা: মানবদেহের প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ত্বকের ওপর প্রায় ১০ নিউটন বায়ুচাপ সব দিক থেকে সমানভাবে কাজ করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ৫ কি.মি. — এটি কোনো চাপ বা বলের একক নয়, এটি উচ্চতা বা দূরত্বের একক।
B) ১০ কি.মি. — এটিও দূরত্বের পরিমাপ, যা বায়ুমণ্ডলীয় চাপের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
C) ২৭ কি.গ্রাম — এটি ভরের একক, যা প্রতি বর্গ সেন্টিমিটারে বায়ুর চাপের সঠিক পরিমাপ নির্দেশ করে না।
D) ১০ নিউটন — এটি বলের সঠিক একক এবং সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার ক্ষেত্রফলে বায়ুর চাপের সঠিক মান।
৫ মনে রাখার টিপস:
বায়ুর চাপ এবং বল মনে রাখতে মনে রাখবে, সমুদ্রের কাছে ১০ নম্বর জার্সি পরে ১০ নিউটন বল প্রয়োগ করা হয়।
চাপের একক নিউটন প্রতি বর্গ সেন্টিমিটার হওয়ায় এর মান সংখ্যায় ১০ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
সমুদ্রপৃষ্ঠে বায়ুমণ্ডলের প্রমাণ চাপ হলো প্রতি বর্গমিটারে ১ লক্ষ ১ হাজার ৩২৫ পাস্কেল।
একই ধারণা থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রমাণ বায়ুমণ্ডলের মান বা ব্যারোমিটারের পাঠ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
সঠিক উত্তর: C) ২৩ জোড়া
১. কেন সঠিক:
মানুষের দেহকোষে মোট ছিয়াচলটি বা তেইশ জোড়া ক্রোমোেজাম থাকে।
বাবা ও মায়ের কাছ থেকে প্রাপ্ত জননকোষের মিলনের মাধ্যমে এই সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারিত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্রোমোেজাম হলো নিউক্লিয়াসের ভেতরে অবস্থিত বংশগতির মূল বাহক।
কার্যপ্রণালি: মানবদেহে বাইশ জোড়া অটোসোম শারীরিক বৈশিষ্ট্য এবং এক জোড়া সেক্স ক্রোমোেজাম লিঙ্গ নির্ধারণ করে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: মাতা ও পিতার জিনগত বৈশিষ্ট্য সন্তানের মধ্যে সঞ্চারিত হওয়া।
ব্যাখ্যা: তেইশ জোড়া ক্রোমোেজামের সুনির্দিষ্ট বিন্যাসের জন্যই মানবশিশুর শারীরিক গঠন মানুষের মতো হয়।
উদাহরণ ২: মানুষের চোখের বা চুলের রঙ ভিন্ন হওয়া।
ব্যাখ্যা: ক্রোমোেজামে থাকা জিনের ভিন্ন বিন্যাসের কারণে ভাইবোনের মধ্যেও শারীরিক বৈশিষ্ট্যে বৈচিত্র্য দেখা যায়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) ২৫ জোড়া — এটি মানুষের ক্রোমোেজামের সঠিক সংখ্যা নয়।
অন্য কোনো জীবের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা হতে পারে।
B) ২৬ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক ক্রোমোেজাম সংখ্যাকে নির্দেশ করে না।
এটি ভুল বৈজ্ঞানিক পরিমাপের ফল।
C) ২৩ জোড়া — এটি মানবদেহের স্বাভাবিক ক্রোমোেজামের সঠিক সংখ্যা।
এটি জোড়ায় মোট ছেচল্লিশটি ক্রোমোেজাম গঠন করে।
D) ২৪ জোড়া — এটি মানুষের ক্রোমোেজামের নির্দিষ্ট সংখ্যা নয়।
শিম্পাঞ্জি বা অন্য কোনো প্রাণীর ক্রোমোেজাম সংখ্যা এর কাছাকাছি হতে পারে।
৫ মনে রাখার টিপস:
মানুষের মোট ক্রোমোেজাম ছেচল্লিশটি এবং তাকে দুই দিয়ে ভাগ করলে তেইশ জোড়া হয়।
জোড়ার সংখ্যা মনে রাখলে মোট সংখ্যা বের করা সহজ হয়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
মানবদেহে অটোসোমের সংখ্যা বাইশ জোড়া এবং সেক্স ক্রোমোেজামের সংখ্যা এক জোড়া।
ডাউন সিনড্রোম রোগের কারণ একুশ নম্বর ক্রোমোেজামের ত্রুটি, যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
সঠিক উত্তর: D) ইউরিয়া
১. কেন সঠিক:
- নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রধানত ইউরিয়া সার প্রস্তুত করা হয়।
- বাতাসে থাকা নাইট্রোজেন গ্যাসের সঙ্গে প্রাকৃতিক গ্যাসের মিথেন থেকে প্রাপ্ত হাইড্রোজেন যুক্ত করে অ্যামোনিয়া তৈরি করা হয়, যা পরবর্তীতে কার্বন ডাইঅক্সাইডের সঙ্গে বিক্রিয়া করে ইউরিয়া সারে পরিণত হয়।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ জৈব সার যার রাসায়নিক সংকেত সিও এনএইচ টু হোল টু।
- রাসায়নিক বিক্রিয়া: প্রথমে হেবার পদ্ধতিতে নাইট্রোজেন ও হাইড্রোজেন গ্যাস উচ্চচাপ ও তাপমাত্রায় বিক্রিয়া করে অ্যামোনিয়া তৈরি করে।
- কার্যপ্রণালি: উৎপাদিত তরল অ্যামোনিয়া এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড উচ্চ তাপে বিক্রিয়া করে ইউরিয়া উৎপন্ন করে, যা দানা আকারে কৃষিকাজে ব্যবহৃত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: উদ্ভিদের দ্রুত বৃদ্ধি, পাতা সবুজ রাখা এবং আমিষ জাতীয় উপাদান তৈরিতে ইউরিয়া সার মাটিতে প্রয়োগ করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: ধান ক্ষেতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ
ব্যাখ্যা: ধান গাছের চারা রোপণের পর সবুজ রঙ ও ভালো বৃদ্ধির জন্য ইউরিয়া সার ছিটানো হয়, কারণ এতে থাকা নাইট্রোজেন গাছের খাদ্য তৈরিতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: শিল্প কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন
ব্যাখ্যা: সার কারখানায় বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেন এবং প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করে কৃত্রিম উপায়ে ইউরিয়া সার তৈরি করা হয়, যা কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি করে।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) টিএসপি — টিএসপি বা ট্রিপল সুপার ফসফেট সার মূলত ফসফরাস সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে তৈরি হয় না।
B) সবুজ সার — সবুজ সার হলো শিম্বগোত্রীয় গাছের পাতা ও ডালপালা মাটিতে মিশিয়ে তৈরি করা প্রাকৃতিক সার, যা কোনো কারখানা বা গ্যাস থেকে প্রস্তুত করা হয় না।
C) পটাশ — পটাশ সার বা পটাশিয়াম ক্লোরাইড মূলত খনিজ লবন থেকে আহরণ করা হয়, এর সঙ্গে নাইট্রোজেন গ্যাসের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
D) ইউরিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ নাইট্রোজেন গ্যাস হলো ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল।
৫ মনে রাখার টিপস:
- নাইট্রোজেন থেকে নাইট্রোজেনসমৃদ্ধ ইউরিয়া তৈরি হয়, যেখানে ইউরিয়া সারে শতকরা ছেচল্লিশ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।
- হেবার বস পদ্ধতি মনে রাখলে অ্যামোনিয়া উৎপাদন এবং সেখান থেকে ইউরিয়া তৈরির প্রক্রিয়া সহজে মনে রাখা যায়।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ প্রায় ছেচল্লিশ শতাংশ, যা বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
- বাতাস থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে কোন সারের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এই প্রশ্নটি উদ্ভিদ পুষ্টি অধ্যায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তর: B) ডলি
১. কেন সঠিক:
ডলি হলো পৃথিবীর প্রথম সফল স্তন্যপায়ী প্রাণী যা একটি প্রাপ্তবয়স্ক কোষ বা অ্যাডাল্ট সেল থেকে ক্লোন করে তৈরি করা হয়েছিল।
এটি আধুনিক জীববিজ্ঞানে এক বিশাল বিপ্লব ঘটিয়েছিল কারণ এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে একটি পূর্ণাঙ্গ জীবের দেহকোষ থেকে নতুন জীব সৃষ্টি সম্ভব।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
মূল ধারণা: ক্লোনিং হলো এমন একটি জৈবিক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোনো জীব হুবহু জিনগতভাবে মিলে এমন এক বা একাধিক জীব তৈরি করা হয়।
কার্যপ্রণালি: স্কটিশ বিজ্ঞানীরা একটি ভেড়ার ওলান থেকে দেহকোষ সংগ্রহ করেন এবং অন্য একটি ভেড়ার ডিম্বাণু থেকে নিউক্লিয়াস সরিয়ে ফেলে সেখানে সেই দেহকোষের নিউক্লিয়াস প্রতিস্থাপন করেন।
বাস্তব প্রয়োগ: এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বর্তমানে বিপন্ন প্রজাতির প্রাণী রক্ষা এবং চিকিৎসাবিজ্ঞানে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের গবেষণা চালানো হচ্ছে।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: উদ্ভিদের টিস্যু কালচার বা অঙ্গজ জনন।
ব্যাখ্যা: একটি মাতৃ উদ্ভিদ থেকে কোষ নিয়ে হুবহু নতুন চারা তৈরি করা ক্লোনিংয়েরই একটি প্রাকৃতিক বা ল্যাবরেটরি রূপ।
উদাহরণ ২: মানুষের ক্ষেত্রে অভিন্ন যমজ সন্তান।
ব্যাখ্যা: একটিমাত্র ভ্রূণ দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে জিনগতভাবে হুবহু দুটি শিশুর জন্ম দেয় যা প্রাকৃতিকভাবে ক্লোনিংয়ের মতো ফল দেয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) শেলী — এটি সঠিক নয় কারণ শেলী নামে কোনো বিখ্যাত ক্লোন ভেড়ার ইতিহাস নেই। এটি পরীক্ষামূলক বিভ্রান্তিকর অপশন।
B) ডলি — এটি সঠিক উত্তর কারণ ১৯৯৬ সালে স্কটল্যান্ডের রসল ইনস্টিটিউটে জন্ম নেওয়া এই ভেড়াটির নামই ডলি রাখা হয়েছিল।
C) মলি — এটি সঠিক নয় কারণ মলি বা পলি নামে অন্য কোনো ক্লোন ভেড়ার বৈজ্ঞানিক স্বীকৃতি নেই।
D) নেলী — এটি সঠিক নয় কারণ নেলী বৈজ্ঞানিকভাবে কোনো বিখ্যাত ক্লোন প্রাণীর নাম বহন করে না।
৫ মনে রাখার টিপস:
ক্লোন ভেড়ার নাম মনে রাখতে ড অক্ষরের ওপর জোর দিতে পারো কারণ ডলি নামটি অত্যন্ত বিখ্যাত।
জীববিজ্ঞানের এই অবাণিজ্যিক সাফল্যটি মনে রাখতে ভেড়ার প্রথম ক্লোন ডলি কথাটি বারবার স্মরণ করবে।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
ডলি ভেড়ার জন্ম ১৯৯৬ সালে স্কটল্যান্ডের রসল ইনস্টিটিউটে হয়েছিল এবং এর বিজ্ঞানীরা ছিলেন ইয়ান উইলমুট ও কিথ ক্যাম্পবেল।
এই প্রশ্নটি থেকে বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতায় ক্লোনিংয়ের জনক বা প্রথম ক্লোন প্রাণীর নাম সম্পর্কিত এমসিকিউ প্রায়ই আসে।
সঠিক উত্তর: B) কয়লা
১. কেন সঠিক:
- দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়ায় দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লখনি অবস্থিত এবং এখানে কয়লা উত্তোলনের প্রকল্প চলমান রয়েছে।
- এই কয়লা মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং শিল্পকারখানার জ্বালানি চাহিদা পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা:
- মূল ধারণা: জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে কয়লা হলো উদ্ভিদের অবশেষ যা ভূগর্ভে কোটি কোটি বছর ধরে তাপ ও চাপের ফলে রূপান্তরিত হয়েছে।
- কার্যপ্রণালি: বড়পুকুরিয়া খনিতে সাব লেভেল কেভ মাইন পদ্ধতি ব্যবহার করে ভূগর্ভ থেকে কয়লা উত্তোলন করা হয় এবং তা থার্মাল পাওয়ারে ব্যবহৃত হয়।
- বাস্তব প্রয়োগ: উত্তোলিত কয়লা পুড়িয়ে তাপশক্তি উৎপাদন করা হয়, যা পরবর্তীতে টারবাইন ঘুরিয়ে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়।
৩. উদাহরণ:
উদাহরণ ১: বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
ব্যাখ্যা: এই খনির কয়লা ব্যবহার করে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়, যা উত্তরাঞ্চলের বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে সাহায্য করে।
উদাহরণ ২: ব্রিক ফিল্ড বা ইটের ভাটা।
ব্যাখ্যা: কয়লা পুড়িয়ে প্রচুর তাপ উৎপন্ন করা হয় যা মাটি পোড়াতে এবং ইট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
৪. বাকি অপশন কেন ভুল:
A) কঠিন শিলা — বড়পুকুরিয়ায় কঠিন শিলার খনি নেই, তবে দিনাজপুরের মধ্যপাড়া অঞ্চলে কঠিন শিলার খনি বা গ্রানাইট প্রকল্প রয়েছে।
B) কয়লা — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই এলাকায় বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি প্রকল্প সক্রিয়ভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
C) চুনাপাথর — চুনাপাথর আমদানিনির্ভর এবং আমাদের দেশের জয়পুরহাট ও সিলেট অঞ্চলে এর সন্ধান মিলেছে, বড়পুকুরিয়ায় নয়।
D) কাদামাটি — কাদামাটি সাধারণ মাটি যা মূলত ইট ও মৃৎশিল্পে ব্যবহৃত হয়, এটি কোনো খনিজ প্রকল্প হিসেবে বড়পুকুরিয়ায় নেই।
৫ মনে রাখার টিপস:
- বড়পুকুরিয়া নামটির সঙ্গে কয়লা শব্দটি মনে রাখার জন্য ব-তে বড়পুকুরিয়া এবং ক-তে কয়লা বা বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র মনে রাখতে পারো।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ যেমন মধ্যপাড়া (শিলা) এবং তিতাস (গ্যাস) এর সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবে না।
৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- বাংলাদেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ কয়লখনি কোনটি এই প্রশ্নটি প্রায়ই বিসিএস ও ব্যাংক পরীক্ষায় আসে।
- একই ধারণা থেকে মধ্যপাড়া কঠিন শিলা খনি বা বাংলাদেশের প্রধান গ্যাসক্ষেত্র সংক্রান্ত প্রশ্ন আসতে পারে।
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)
বাংলা (১৫) •
ইংরেজী (১৫) •
গণিত (১০) •
সাধারণ জ্ঞান (১০) •
বিজ্ঞান (১০) •
কম্পিউটার (১০) •
বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১০) •
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী (১০) •
ভূগোল (১০) •
মোট প্রশ্ন (১০০)