প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়'র উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০২৫।

পদের নাম: সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (100)

1. 'ইত্তেফাক' শব্দের অর্থ
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্প্রীতি ১. কেন সঠিক: - ইত্তেফাক একটি আরবি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো মিল, ঐক্য, সখ্য বা সম্প্রীতি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের আরবি ও ফারসি শব্দের উৎস ও অর্থ জানা জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন যেখানে বিভিন্ন ভাষা থেকে আগত শব্দের প্রমিত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দ সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোনাজাত ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যার অর্থ প্রার্থনা বা নিবেদন। উদাহরণ ২: কেতাব ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যার অর্থ বই বা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবর্ধনা — এই শব্দের অর্থ কাউকে সম্মান জানানো বা অভ্যর্থনা করা, যা ইত্তেফাক শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) সংলাপ — এই শব্দের অর্থ কথপোকথন বা পারস্পরিক আলোচনা, যা ইত্তেফাক শব্দের সমার্থক নয়। C) ইতিহাস — এই শব্দের অর্থ অতীত দিনের কাহিনী বা বিবরণ, যা ইত্তেফাক শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) সম্প্রীতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মিল ও সৌহার্দ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিখ্যাত দৈনিক পত্রিকা দৈনিক ইত্তেফাকের নাম থেকে মনে রাখতে পারো ইত্তেফাক শব্দের অর্থ হলো ঐক্য বা সম্প্রীতি। - বিদেশি শব্দ মনে রাখতে শব্দের মূল ভাব ও ব্যবহারিক ক্ষেত্র খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি ও ফারসি শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। - শব্দের উৎস এবং প্রচলিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
5. এক কথায় প্রকাশ করুন 'মুক্তি পেতে ইচ্ছুক'
Created 1 day ago | Updated 33 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: এককথায় প্রকাশ সঠিক উত্তর: B) মুমুক্ষু ১. কেন সঠিক: - 'মুক্তি পেতে ইচ্ছুক' বাক্যটির সংকুচিত রূপ বা এককথায় প্রকাশ হলো মুমুক্ষু। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছু লাভের বা পাওয়ার তীব্র ইচ্ছাকে মুমুক্ষু বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। - এটি বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম, যা ভাষার সৌন্দর্য ও মাধুর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাভ করতে ইচ্ছুক = লিপ্সু ব্যাখ্যা: কোনো কিছু লাভ করার প্রবল আকাঙ্ক্ষাকে লিপ্সু বলা হয়। উদাহরণ ২: জয় করতে ইচ্ছুক = জিগীষু ব্যাখ্যা: কোনো কিছু জয় করার বা জয়লাভের ইচ্ছাকে জিগীষু বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুকু — এটি একটি বানানগত ভুল রূপ এবং এর কোনো সঠিক আভিধানিক অর্থ নেই। B) মুমুক্ষু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বানান এবং অর্থ উভয়ই শুদ্ধ। C) মুমুক্ষ — এই বানানটি অসঠিক এবং অসম্পূর্ণ, কারণ সঠিক বানানে শেষে উ-কার ও যুক্তবর্ণ থাকে। D) মুমুর্ষু — এটি ভুল কারণ মর্তুম বা মরতে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে মুমূর্ষু বলা হয়, যা মুক্তির ইচ্ছার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুক্তির ইচ্ছুক বোঝাতে শব্দের শেষে যুক্তবর্ণ ক্ষয় হসন্ত উ-কার (ক্ষু) ব্যবহার করতে হয়। - বানানটি মনে রাখার জন্য মূল শব্দ মোক্ষ থেকে মুমুক্ষু শব্দটি এসেছে তা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুমুক্ষু ও মুমূর্ষু শব্দের বানান ও অর্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে এই শব্দগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মুখস্থ রাখতে হবে।
7. 'অহরহ' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ-
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অহঃ + অহ ১. কেন সঠিক: - 'অহরহ' শব্দটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। বিসর্গের পূর্বে অ এবং পরে অ থাকলে বিসর্গ ও হয় এবং পরবর্তী অ লোপ পেয়ে হলাচিহ্ন বা অন্য পরিবর্তন ঘটে। - এখানে 'অহঃ' শব্দের বিসর্গ এবং পরবর্তী 'অ' মিলে 'র' হয়েছে এবং পূর্ববর্তী অ এর সাথে যুক্ত হয়ে 'অহরহ' রূপ লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুসারে, পদের অন্তে অবস্থিত বিসর্গের (ঃ) পর যদি স্বরধ্বনি থাকে, তবে বিসর্গ স্থানে 'র' বা 'র'-জাতীয় বর্ণ হয়। - 'অহঃ' শব্দের সাথে 'অহ' যুক্ত হয়ে বিসর্গ স্থানে 'র' এবং পরবর্তী 'অ' মিলে শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ বারবার বা প্রতিনিয়ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহঃ + নিশি = অহরিশি ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে এখানেও বিসর্গ স্থানে 'র' বা পরিবর্তিত রূপ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: পুনঃ + অধিকার = পুনরধিকার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পূর্বে অ-কার ছাড়া অন্য স্বরধ্বনি এবং পরে স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ স্থানে 'র' হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহঃ + অহ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) অহ + রহ — এটি ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। C) অহর + হ — এখানে শব্দের অংশগুলো সন্ধির মূল কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) অহঃ + রহ — এখানে 'রহ' কোনো মৌলিক শব্দ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিত্যদিনের পরিচিত শব্দ 'অহরহ' দেখলে মনে রাখবে এর মূল অংশ হলো 'অহঃ' এবং 'অহ'। - বিসর্গ সন্ধিতে বিসর্গ স্থানে 'র' হওয়ার চমৎকার একটি উদাহরণ হলো এই শব্দটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - 'অহঃ' সম্পর্কিত শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ ভালো করে অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
8. 'অম্ভর' এর প্রতিশব্দ কোনটি?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আকাশ ১. কেন সঠিক: - 'অম্ভর' শব্দটির অর্থ আকাশ, গগন বা আসমান। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই বিশেষ্য পদটি মূলত মহাশূন্য বা বায়ুমণ্ডল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎসের সঠিক অর্থ জানা জরুরি। 'অম্ভর' শব্দের মূল উৎস সংস্কৃত শব্দ অম্বু এবং র এর সংযোগ থেকে সৃষ্ট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অম্বরের বুকে মেঘের ডমক বেজে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'অম্ভর' শব্দটি সরাসরি আকাশ বা গগন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সুনীল অম্বরে পাখিগুলো ডানা মেলে উড়ে বেড়াচ্ছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'অম্বর' বলতে উন্মুক্ত আকাশকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ হলো ধরা, ধরণী, অবনী ও বসুন্ধরা। এটি আকাশ বা অম্ভর শব্দটির সমার্থক নয়। B) জল — জল শব্দের সমার্থক শব্দ হলো পানি, অম্বু, নীর ও সলিল। সংস্কৃত ভাষায় অম্বু অর্থ জল হলেও অম্ভর অর্থ আকাশ। C) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সাগর, পারাবার, রত্নাকর ও উদধি। এটি অম্ভর শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) আকাশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অম্ভর শব্দের সরাসরি অর্থ আকাশ বা গগন। ৫. মনে রাখার টিপস: - অম্বু অর্থ জল, কিন্তু অম্বি বা অম্ভর দ্বারা আকাশকে নির্দেশ করা হয়। জল ধারণ করে যা তা অম্বু, আর যার মধ্যে মেঘ থাকে তা অম্ভর অর্থাৎ আকাশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সূক্ষ্ম পার্থক্যের শব্দ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়। অম্বু এবং অম্ভর শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
9. 'কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল সে মরে নাই'— এই বাক্যটি যে গল্পে রয়েছে তার নাম
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবিত ও মৃত ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পংক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'জীবিত ও মৃত' ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় ভাব ও মূল থিমকে প্রকাশ করে। - গল্পের প্রধান চরিত্র কাদম্বিনী মৃত্যুবরণ না করেও সমাজ ও পরিবারের কাছে মৃত বলে গণ্য হয়েছিল এবং প্রমাণের তাগিদে সে এই ট্র্যাজিক উক্তিটি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং তাঁর গল্পে মানবজীবনের গভীর ট্র্যাজেডি ফুটে ওঠে। - 'জীবিত ও মৃত' গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'গল্পগুচ্ছ' গ্রন্থের অন্তর্গত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রহস্যময় ছোটগল্প। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ছুটি' গল্পে ফটিক চরিত্রের মৃত্যু ও তার শেষ উক্তি সবার মনকে নাড়া দেয়। ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত ছোটগল্প যার মূল সুর ট্র্যাজেডি ও মানুষের অবহেলা। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'একরাত্রি' গল্পে সুরবালা ও লেখকের শৈশবের স্মৃতি এবং না পাওয়ার বেদনা ফুটে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এই গল্পটিও সম্পর্কের জটিলতা ও জীবনের অপূর্ণতা নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোস্টমাস্টার — এই গল্পে রতন ও পোস্টমাস্টারের সম্পর্কের টানাপোড়েন ও বিচ্ছেদ দেখানো হয়েছে, যা আলোচ্য পংক্তির সঙ্গে মিলে না। B) মেঘ ও রৌদ্র — এই গল্পে শশীভূষণ ও গ্রামের অন্যায়ের প্রতিবাদ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা এই উদ্ধৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) জীবিত ও মৃত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। D) মধ্যবর্তিনী — এই গল্পে সমাজের নানা পারিবারিক জটিলতা ও দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা এই উদ্ধৃতির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাদম্বিনী চরিত্রটি যে বেঁচে থেকেও মৃত প্রমাণ করতে চেয়েছিল তা রবীন্দ্রনাথের 'জীবিত ও মৃত' গল্পের মূল চাবিকাঠি। - কাদম্বিনী নাম দেখলে চোখ বন্ধ করে 'জীবিত ও মৃত' গল্পটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের নাম ও চরিত্র থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে কাদম্বিনী ও যোগমায়া চরিত্র দুটি কোন গল্পের তা বারবার পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই এটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
12. 'Blockade' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Created 1 day ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অবরোধ ১. কেন সঠিক: Blockade শব্দটির সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অবরোধ যার অর্থ কোনো স্থান বা পথ অবরুদ্ধ বা বন্ধ করে দেওয়া। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও আইনগত পরিভাষায় এই শব্দটি কোনো শত্রুভাবাপন্ন দেশের বন্দর বা ভূখণ্ড স্থল বা জলপথে ঘিরে ফেলা বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার পরিভাষাবিজ্ঞান অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ইংরেজি প্রশাসনিক ও আইনি পরিভাষার সঠিক ও প্রমিত বাংলা রূপ জানার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন চর্চা করা আবশ্যক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Economic blockade ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো অর্থনৈতিক অবরোধ যা কোনো দেশের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: Naval blockade ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো নৌ অবরোধ যার মাধ্যমে জলপথে শত্রুর চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্ধন - এই শব্দটি সাধারণত সম্পর্ক বা কোনো কিছু বেঁধে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু Blockade এর সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক পরিভাষা এটি নয়। B) অবরোধ - এই অপশনটি সঠিক কারণ Blockade শব্দের প্রকৃত ও প্রাতিষ্ঠানিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অবরোধ। C) চাপ - এই শব্দটি Pressure শব্দের পারিভাষিক রূপ যা কোনো বস্তুর ওপর বলপ্রয়োগ বা মানসিক পীড়ন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) আবর্ত - এই শব্দটি Whirlpool বা Rotation শব্দের কাছাকাছি যার অর্থ ঘূর্ণন বা পাক খাওয়া যা আলোচ্য শব্দের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ইংরেজি Blockade শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে সামরিক বা রাজনৈতিক পরিভাষায় এটি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা বা অবরুদ্ধ করা বোঝায়। তাই এর বাংলা পরিভাষা হিসেবে অবরোধ শব্দটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় ইংরেজি শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ প্রায়ই ১ নম্বর থাকে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য নিয়মিত প্রমিত পারিভাষিক শব্দের তালিকা পড়তে হবে।
15. বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি?
Created 1 day ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে যে বর্ণগুলোর ওপরে কোনো মাত্রা বা রেখা থাকে না, সেগুলোকে মাত্রাহীন বর্ণ বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি, মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে মাত্রাভিত্তিক বিন্যাস হলো পূর্ণমাত্রা ৩২টি, অর্ধমাত্রা ৮টি এবং মাত্রাহীন ১০টি। মাত্রাহীন ১০টি বর্ণের মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ যার ওপরে কোনো মাত্রা নেই। উদাহরণ ২: ঙ ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ যার ওপরে কোনো মাত্রা থাকে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮টি — এটি ভুল কারণ ৮টি হলো বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণের সংখ্যা, মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা নয়। B) ৯টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা যা বাংলা বর্ণমালার কোনো নির্দিষ্ট মাত্রার বর্ণের সঙ্গে মেলে না। C) ৭টি — এটি ভুল কারণ মাত্রাহীন বর্ণ ৭টি নয়, বরং সঠিক সংখ্যাটি হলো ১০টি। D) ১০টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় ঠিক ১০টি বর্ণ রয়েছে যেগুলোর ওপরে কোনো মাত্রা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: মাত্রাহীন বর্ণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো স্বরবর্ণ ৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ, ঞ, ণ, ন, ৎ, ং, ঃ এর মধ্যে ব্যঞ্জনবর্ণের নির্দিষ্ট তালিকা মিলিয়ে ১০টি পূর্ণ হয়)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণমালার মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন ১০ এই সংখ্যা তিনটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
18. 'মরসিয়া' শব্দের উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে?
Created 1 day ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফারসি ১. কেন সঠিক: - মরসিয়া শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - এটি মূলত শোকগাথা বা বিয়োগান্তক কবিতা, যা কারাবলার শোকাবহ ঘটনার স্মরণে রচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মরসিয়া ফারসি ভাষার শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ শোক প্রকাশ করা বা বিলাপ করা। - বাংলা সাহিত্যে কারবালার বিষাদময় ঘটনা নিয়ে রচিত কাব্য বা গানকে মরসিয়া সাহিত্য বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইসমাইল হোসেন হোসেন সিরাজীর মহরম চিত্র ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যর একটি বিখ্যাত মরসিয়াধর্মী রচনা। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি কারবালার শোকাবহ ঘটনাভিত্তিক একটি বিখ্যাত গদ্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — মরসিয়া শব্দটি আরবি ‘রিসা’ বা ‘মারাসিয়া’ ধাতু থেকে আসলেও বাংলা ভাষায় এটি ফারসি ভাষার মাধ্যমে প্রবেশ করেছে। B) উর্দু — উর্দু ভাষা মরসিয়া সাহিত্যের জন্য পরিচিত হলেও এটি এই শব্দের মূল উৎস নয়। D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ আসলেও মরসিয়া তুর্কি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইসলামি ইতিহাস ও শোকসংগীত সম্পর্কিত অনেক ফারসি শব্দ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। - মরসিয়া ফারসি শব্দ হিসেবে মনে রাখতে এর শেষাংশ এবং উৎপত্তির ধারা মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা আগত ভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিদেশি শব্দ যেমন আরবি, ফারসি ও তুর্কি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
21. ছন্দের জাদুকর বলা হয়
Created 1 day ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১. কেন সঠিক: - সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে বাংলা কাব্যে ছন্দ ও শব্দ চয়নের জাদুকর বলা হয়। - বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের সফল প্রয়োগ এবং ছন্দের নানা বৈচিত্র্য এনে তিনি এই উপাধি লাভ করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯২২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - তিনি ছন্দের ওপর অসাধারণ দক্ষতার জন্য পরিচিত ছিলেন এবং তাকে ছন্দের বরপুত্রও বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুহূ ও কেকা ব্যাখ্যা: এটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার ছন্দ ও শব্দের জাদুকরী ব্যবহারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: বেলা শেষের গান ব্যাখ্যা: এটিও সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা তার সাহিত্যিক প্রতিভার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি এবং নোবেলজয়ী লেখক, তাকে ছন্দের জাদুকর বলা হয় না। B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোর কবি ও দ্রোহের কবি হিসেবে পরিচিত, ছন্দের জাদুকর নন। C) সুফিয়া কামাল — সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের প্রখ্যাত জননেত্রী ও প্রকৃতিপ্রেমী কবি, তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়নি। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সত্য দিয়ে শুরু সত্যেন্দ্রনাথ, আর তার ছন্দ হলো জাদুকরী। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে ছন্দের জাদুকর হলেন সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের উপাধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ছন্দের জাদুকর সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত এবং ছন্দের বরপুত্রও তাকেই বলা হয়।
22. 'তামার বিষ' বাগধারাটির অর্থ
Created 1 day ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্থের কুপ্রভাব ১. কেন সঠিক: 'তামার বিষ' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ তামার তৈরি কোনো বিষ নয়, বরং রূপক অর্থে এটি অর্থের লোভ বা অর্থের কুপ্রভাবকে নির্দেশ করে। মানুষ যখন অতিরিক্ত অর্থের মোহে পড়ে বা অবৈধ উপায়ে ধনী হতে চায়, তখন তার নৈতিক অবক্ষয় ঘটে। এই নৈতিক পতন বা অর্থের ক্ষতিকর প্রভাবকে বোঝাতেই 'তামার বিষ' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন অংশের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে অত্যন্ত সংক্ষেপে ও আকর্ষণীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলে। 'তামার বিষ' বাগধারাটিতে তামা শব্দটি মূল্যবান ধাতু বা অর্থের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইদানীং রহিমের চালচলন বদলে গেছে, মনে হয় তার মাথায় তামার বিষ চেপেছে। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত টাকা বা অর্থের প্রভাবে রহিমের আচরণের নেতিবাচক পরিবর্তন বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অর্থের অহংকারে অন্ধ হয়ে যাওয়া মানুষের পতন অনিবার্য, কারণ তামার বিষ কাউকে রেহাই দেয় না। ব্যাখ্যা: এখানে অর্থের কুপ্রভাব বা লোভের ধ্বংসাত্মক পরিণতি বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভীষণ বিষাক্ত — এটি বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থটিই সঠিক বলে গণ্য হয়। B) তামা থেকে উৎপন্ন বিষ — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য কারণ তামা কোনো জৈব বা রাসায়নিক বিষ উৎপন্ন করে না। D) নির্দয় — এটি একটি ভিন্ন মানবিক গুণ বা আচরণকে নির্দেশ করে, যার সঙ্গে অর্থের কুপ্রভাব বা তামার বিষ বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: তামা হলো একটি ধাতু যা টাকা বা মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। তাই তামা দেখলেই টাকা বা অর্থ এবং তার কুফল বা বিষের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থের কুপ্রভাব বা লোভের পরিণতি বোঝাতে প্রায়ই এই বাগধারাটি আসে। একই ধরনের অন্য একটি বাগধারা হলো অঙ্কের কষা যা কৃপণতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
24. 'চর্যাপদ' হলো
Created 1 day ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধন সংগীত ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা গান, যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত হয়েছিল। এই পদগুলোতে রূপকের মাধ্যমে তাদের ধর্মীয় সাধনা, তত্ত্ব এবং আত্মোপলব্ধির কথা প্রকাশ করা হয়েছে বলে এগুলো সাধন সংগীত হিসেবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ডক্টর সুকুমার সেন একে বাংলা গান বা পদ এবং ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একে বৌদ্ধ ধর্মের তান্ত্রিক সাধনার গান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা রচিত গান। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পদ রচনা করেছেন এবং তার গানে সাধন তত্ত্বের গভীর প্রকাশ দেখা যায়। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা রচিত চর্যাপদের পদ। ব্যাখ্যা: ভুসুকুপা সহজিয়া সাধনার নানা দিক তার গানে রূপক ও প্রতীকের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একগুচ্ছ ধর্মোপদেশ — চর্যাপদে সরাসরি কোনো সাধারণ ধর্মোপদেশ দেওয়া হয়নি, বরং এটি তান্ত্রিক সাধনার গোপন অনুভূতির প্রকাশ। C) জীবনাচরণ পদ্ধতি — চর্যাপদে তৎকালীন বাঙালি সমাজের জীবনচিত্র ও জীবনাচরণের প্রতিফলন থাকলেও মূল উদ্দেশ্য জীবনপ্রণালী শেখানো ছিল না। D) নীতি কথা — এটি কোনো নীতিবাক্য বা উপদেশমূলক গ্রন্থ নয়, বরং সাধন ভজনের গূঢ় তত্ত্বভিত্তিক সংগীত। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ মানেই গান বা সংগীত, তাই এটি মূলত সাধন সংগীত হিসেবে পরীক্ষাকেন্দ্রে চিহ্নিত করতে হবে। বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকরা গান গেয়ে সাধনা করতেন, এই সূত্র ধরে উত্তর মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের সাল এবং পদ সংখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এর পূর্ণাঙ্গ সংখ্যা হলো পঞ্চাশটি।
27. Identify the common gender?
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
32. Identify the synonym of 'Denial'.
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
33. Identity the correct sentence
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The unfortunate accident occurred on Monday last. কেন সঠিক: - বাক্যে নির্দিষ্ট অতীত সময়ের উল্লেখ (on Monday last) থাকায় verb-এর Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়েছে। - অঘটনটি নিজে নিজেই ঘটেছে, তাই এটি Active Voice-এ আছে এবং মূল verb-এর Past form (occurred) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The unfortunate accident had occurred on Monday last. — অতীতকালের নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে Past Perfect Tense (had occurred) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) The unfortunate accident was occurred on Monday last. — দুর্ঘটনা নিজে ঘটে, তাই বাক্যটি Passive Voice-এ হবে না এবং occurred verb-টির Passive রূপ হয় না। D) The unfortunate accident has occurred on Monday last. — নির্দিষ্ট অতীত সময়ের ক্ষেত্রে Present Perfect Tense (has occurred) ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে yesterday, ago, last থাকলে সাধারণত Past Indefinite Tense হয় এবং ঘটনামূলক intransitive verb-এর ক্ষেত্রে Passive হয় না।
36. Fill in the blank with the appropriate article: 'The mother seized ___ boy by the collar.'
Created 1 day ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the কেন সঠিক: - কোনো ব্যক্তির শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গ বা পোশাকের অংশ ধরতে definite article 'the' ব্যবহৃত হয়। - এখানে ছেলের কলার ধরার ক্ষেত্রে 'the boy by the collar' নিয়মটি প্রযোজ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — শরীরের অঙ্গ বা পোশাকের অংশ নির্দেশ করতে এটি সঠিক। B) an — এটি অনির্দিষ্ট স্বরবর্ণের পূর্বে বসে, নির্দিষ্ট অঙ্গের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) a — এটি অনির্দিষ্ট consonant-এর পূর্বে বসে, এখানে নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না। D) none — সঠিক উত্তর 'the' অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শরীরের অঙ্গ স্পর্শ করার ক্ষেত্রে possessive pronoun (his, her) না বসিয়ে সাধারণত definite article 'the' বসাতে হয়।
38. The suffix 'hood' can be added to -
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
39. Fill in the blank with correct option: 'The family ___ their homeland during 1960s'.
Created 1 day ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) left কেন সঠিক: - বাক্যে নির্দিষ্ট অতীতকালের সময় নির্দেশক শব্দ during ১৯৬০s রয়েছে, যা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স নির্দেশ করে। - সাবজেক্ট 'The family' এখানে এককভাবে কাজ করায় মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) left — এটি সঠিক কারণ এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স গঠন করে নির্দিষ্ট অতীতের ঘটনা প্রকাশ করে। B)was left — এটি প্যাসিভ ভয়েস, কিন্তু পরিবার নিজে দেশ ত্যাগ করেছিল তাই এটি ভুল। C) had been left — এটি পাস্ট পারফেক্ট প্যাসিভ টেন্স, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে অর্থহীন ও অগঠনমূলক। D) had left — দুটি অতীত ঘটনার তুলনা না থাকায় পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ব্যবহার এখানে অপ্রয়োজনীয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো সাল বা দশকের নাম (যেমন during ১৯৬০s) থাকলে সাধারণ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
40. The verb form of the word 'amusement' is:
Created 1 day ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Amuse কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দ 'amusement' একটি নাউন, যার সাথে সাফিক্স যুক্ত হয়ে এর ভার্ব রূপ গঠিত হয় 'amuse'। - 'Amuse' শব্দের অর্থ আনন্দিত করা বা বিনোদন দেওয়া, যা একটি নিখুঁত ভার্ব বা ক্রিয়াপদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amusing — এটি প্রেজেন্ট পার্টিসিপল অথবা অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক ভার্ব রূপ নয়। B) Amuse — এটি সঠিক ভার্ব রূপ এবং এর অর্থ আনন্দ দেওয়া। C) Amused — এটি পাস্ট পার্টিসিপল অথবা অ্যাডজেক্টিভ, যা কোনো ঘটনার প্রভাবে অনুভূতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) Amusingly — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়া-বিশেষণ, যার অর্থ আনন্দদায়কভাবে। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শেষে ment থাকলে তা সাধারণত নাউন হয় এবং তার মূল অংশটি সাধারণত ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
41. 'The moon goes round the earth'. In this sentence 'round' is a/an
Created 1 day ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) preposition কেন সঠিক: - এখানে round শব্দটি earth নাউনটির পূর্বে বসেছে এবং তার সাথে goes verb এর সম্পর্ক স্থাপন করেছে। - noun বা pronoun এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে যে শব্দ সম্পর্ক দেখায় তাকে preposition বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, যা এখানে প্রকাশ পাচ্ছে না। B) preposition — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) verb — verb হলো কাজ বা কোনো কিছু হওয়া বোঝায়, যা round শব্দ বোঝাচ্ছে না। D) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে, যা এখানে noun এর পূর্বে বসেছে। মনে রাখার টিপস: Noun বা Pronoun এর ঠিক আগে বসে যদি relation বোঝায়, তবে তা preposition হয়।
42. Select the antonym for 'Generous' is:
Created 1 day ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Stingy কেন সঠিক: - Generous শব্দের অর্থ হলো উদার বা যে ব্যক্তি মুক্তহস্তে দান করে। - Stingy শব্দের অর্থ হলো কৃপণ বা যে ব্যক্তি সহজে টাকা বা সম্পদ খরচ করতে চায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cruel — এর অর্থ নিষ্ঠুর, যা উদার শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। B) Harsh — এর অর্থ কঠোর বা কর্কশ, যা মূলত আচরণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) Friendly — এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ, যা উদার শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। D) Stingy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ কৃপণ যা উদার শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Generous মানে উদার আর তার ঠিক উল্টো Stingy মানে কৃপণ, যা মনে রাখতে উদারতার বিপরীত কৃপণতা এই সাধারণ ধারণাটি মাথায় রাখা যায়।
44. The word 'decadent' means-
Created 1 day ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Morally declined কেন সঠিক: - Decadent শব্দের বাংলা অর্থ নৈতিকভাবে অবক্ষয়প্রাপ্ত বা পতনমুখী। - এটি মূলত কোনো ব্যক্তি বা সমাজের চারিত্রিক ও নৈতিক মানের পতনকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rotten — এর অর্থ পচা বা নষ্ট, যা সাধারণত খাদ্যদ্রব্য বা জৈব বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) Morally declined — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ নৈতিকভাবে অবনতি ঘটেছে। C) Dissident — এর অর্থ ভিন্নমতাবলম্বী বা রাজনৈতিক বিদ্রোহী, যা নৈতিক পতনের সমার্থক নয়। D) Defiant — এর অর্থ অবাধ্য বা চ্যালেঞ্জিং মনোভাবাপন্ন, যা ভিন্ন একটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। মনে রাখার টিপস: Decadent শব্দটিকে 'Decline' (পতন) শব্দের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, যেখানে নৈতিকতার পতন বোঝায়।
49. The indirect speech of the sentence: Shila said to him, "Are you satisfied with your new car?"
Created 1 day ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Shila asked him if he was satisfied with his new car. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব said to থাকলে ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে asked হয় এবং অবজেক্টের পরে ইনভার্টেড কমা তুলে if বা whether বসে। - ডিরেক্ট স্পিচের প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স (are) ইনডাইরেক্ট স্পিচে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স (was) এ রূপান্তরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shila asked him whether he is satisfied with his new car. — এখানে টেন্সের পরিবর্তন করা হয়নি, is এর পরিবর্তে was হওয়ার কথা ছিল। B) Shila asked him if he was satisfied with his new car. — এটি সঠিক অপশন এবং সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। C) Shila asked him if he had been satisfied with his new car. — এখানে অতিরিক্ত পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, যা পাস্ট ইনডেফিনিট হওয়ার কথা ছিল। D) Shila enquired of him whether he has been satisfied with his new car. — এখানে বর্তমান পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশন পরিবর্তনের সময় ইন্টারোগেটিভ বাক্যে ask বসবে, দাড়ি বা ফুলস্টপ হবে এবং প্রেজেন্ট টেন্স পরিবর্তন হয়ে পাস্ট টেন্সে রূপান্তরিত হবে।
51. Identify the word having the same form in both singular and plural.
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Moose কেন সঠিক: - কিছু নাউন বা বিশেষ্য পদ রয়েছে যা একবচন এবং বহুবচন উভয় ক্ষেত্রেই একই রূপ বজায় রাখে। - Moose শব্দটির ক্ষেত্রে Singular এবং Plural উভয় রূপই Moose হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cuff — এটি একটি নিয়মিত নাউন, যার বহুবচন রূপ হলো Cuffs। B) Hunk — এটি একটি নিয়মিত নাউন, যার বহুবচন রূপ হলো Hunks। C) Life — এটি এমন একটি নাউন যার শেষে fe থাকে এবং এর বহুবচন রূপ হলো Lives। D) Moose — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর একবচন ও বহুবচন রূপ একই। মনে রাখার টিপস: Deer, Sheep, Moose এবং Fish শব্দগুলোর একবচন ও বহুবচন রূপ সর্বদা একই থাকে।
52. 9^(2x - 5) = 1/27 হলে, x এর মান কত?
Created 1 day ago | Updated 1 minute ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
55. a + b = 3 এবং ab = 2 হলে, a³ + b³ = কত?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
58. log₁₀ x = - 2 হলে, x এর মান কত?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০১ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদমের ভিত্তি হলো দশ লগ এর মান হলো মাইনাস দুই ধরি, লগ এর সমীকরণটি হলো লগ দশ ভিত্তিক এক্স সমান মাইনাস দুই লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী একে সূচকে রূপান্তর করা যায় অতএব, এক্স সমান দশ এর পাওয়ার মাইনাস দুই এক্স সমান এক ভাগ দশ এর পাওয়ার দুই সুতরাং, এক্স সমান এক ভাগ একশ এক্স সমান শূন্য দশমিক শূন্য এক উত্তর: ০.০১
60. 4 মিটার ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের পরিধি কত মিটার?
Created 1 day ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮π প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৪ মিটার ধরি, বৃত্তের পরিধি নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করতে হবে অতএব, বৃত্তের পরিধি = ২ × π × ব্যাসার্ধ সুতরাং, বৃত্তের পরিধি = ২ × π × ৪ উত্তর: ৮π মিটার
62. একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ৩ : ৪ : ৫ হলে, ক্ষুদ্রতর কোণটি কত ডিগ্রী?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৫০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ৩ : ৪ : ৫ ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০০ ধরি, প্রথম কোণটি = ৩ক দ্বিতীয় কোণটি = ৪ক তৃতীয় কোণটি = ৫ক অতএব, তিন কোণের সমষ্টি = ৩ক + ৪ক + ৫ক = ১২ক শর্তমতে, ১২ক = ১৮০০ সুতরাং, ক = ১৮০০ ÷ ১২ = ১৫০ উত্তর: ক্ষুদ্রতর কোণটি = ৩ × ১৫০ = ৪৫০
65. |x - 2|< 5 হলে, নিচের কোনটি সঠিক?
Created 1 day ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −৩ < x < ৭ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো পরম মানযুক্ত অসমতা |x − ২| < ৫ ধরি, পরম মানের সংজ্ঞা অনুযায়ী অসমতাটিকে ভাঙতে হবে −৫ < x − ২ < ৫ অতএব, মাঝের x একা রাখতে সব পক্ষের সাথে দুই যোগ করতে হবে −৫ + ২ < x < ৫ + ২ সুতরাং, যোগ করে পাই −৩ < x < ৭ উত্তর: −৩ < x < ৭
67. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য কে ছিলেন?
Created 1 day ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্যার এ.এফ. রহমান কেন সঠিক: - স্যার এ.এফ. রহমান ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় (বাঙালি) উপাচার্য। - তিনি ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন না। B) ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় উপাচার্য ছিলেন, প্রথম ভারতীয় নন। C) স্যার এ.এফ. রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য ছিলেন। D) ড. মাহমুদ হোসেন — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন কিন্তু প্রথম ভারতীয় নন। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন ফিলিপ হার্টস এবং প্রথম ভারতীয় বা বাঙালি উপাচার্য ছিলেন স্যার এ.এফ. রহমান।
76. আয়তন বিবেচনায় পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র কোনটি?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কানাডা কেন সঠিক: - পৃথিবীর মোট আয়তনের দিক থেকে কানাডা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ যার আয়তন প্রায় ৯৯ লাখ বর্গকিলোমিটার। - রাশিয়া প্রথম স্থানে থাকলেও আমেরিকার মহাদেশে কানাডা আয়তনে সর্ববৃহৎ দেশ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এটি বিশ্বের প্রথম বৃহত্তম রাষ্ট্র এবং আয়তনে সবচেয়ে বড়। B) কানাডা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। C) আমেরিকা — এটি আয়তন বিবেচনায় বিশ্বের চতুর্থ বা তৃতীয় বৃহত্তম দেশ হিসেবে গণনায় আসে। D) চীন — এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বৃহত্তম দেশগুলোর ক্রম মনে রাখার জন্য রাশিয়ার পর কানাডার নাম মনে রাখতে হবে।
77. "ই-৮" কি?
Created 1 day ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮টি পরিবেশ দূষণকারী দেশ কেন সঠিক: - ই-৮ হলো বিশ্বের প্রধান আটটি উন্নয়নশীল দেশ যারা সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন করে পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী। - এই দেশগুলোর মধ্যে চীন, ভারত, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো উচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী রাষ্ট্রগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮টি দরিদ্র দেশ — এটি অর্থনৈতিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে গঠিত কোনো দরিদ্র রাষ্ট্রসমূহের জোট নয়। B) ৮টি ধনী দেশ — এটি শিল্পোন্নত ও ধনী দেশগুলোর জি-৮ বা জি-৭ জোটকে বোঝায় না। C) ৮টি পরিবেশ দূষণকারী দেশ — এটি পরিবেশগতভাবে সর্বাধিক কার্বন নিঃসরণকারী আটটি প্রধান উন্নয়নশীল দেশকে নির্দেশ করে। D) ৮টি শিল্পোন্নত দেশ — ঐতিহ্যগতভাবে জি-৮ হলো ধনী ও শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট, যা ই-৮ এর ভিন্ন প্রেক্ষাপট। মনে রাখার টিপস: ই-৮ মানে পরিবেশের শত্রু আটটি উন্নয়নশীল দেশ, যারা বেশি দূষণ ঘটায়।
81. কোন দেশটি আরব লীগের সদস্য নয়?
Created 1 day ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইরান কেন সঠিক: - আরব লীগ মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার আরবভাষী দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক সংস্থা। - ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হলেও এর প্রধান ভাষা ফার্সি এবং এটি আরব জাতির অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লেবানন — এটি আরব লীগের একটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং এর প্রধান ভাষা আরবি। B) জর্ডান — এটি আরব লীগের অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র এবং এর জনসংখ্যা আরব জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। C) ইরান — এটি আরব লীগের সদস্য নয় কারণ এটি পারস্য বা ইরানি সংস্কৃতির দেশ। D) কাতার — এটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত আরব লীগের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: আরব লীগের সদস্য হতে হলে আরব জাতিগোষ্ঠী ও আরবি ভাষার হওয়া আবশ্যক, তাই পারস্যের দেশ ইরান এর সদস্য নয়।
82. পাপুয়া নিউগিনি কোন দেশ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে?
Created 1 day ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - পাপুয়া নিউগিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার শাসনাধীন একটি অঞ্চল বা ট্রাস্ট টেরিটরি হিসেবে পরিচালিত হতো। - দীর্ঘ ঔপনিবেশিক শাসনের পর ১৯৭৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এটি অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্সের কোনো ঔপনিবেশিক বা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ পাপুয়া নিউগিনির ওপর ছিল না। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য এই অঞ্চলের ঔপনিবেশিক শাসক ছিল না, তাই যুক্তরাজ্য থেকে এটি স্বাধীনতা লাভ করেনি। C) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাপুয়া নিউগিনি অস্ট্রেলিয়ার প্রশাসন থেকে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই অঞ্চলের ঔপনিবেশিক বা শাসনসংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক ছিল না। মনে রাখার টিপস: পাপুয়া নিউগিনির প্রতিবেশী দেশ অস্ট্রেলিয়া, তাই এটি অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকেই স্বাধীনতা লাভ করেছে।
84. বাংলাদেশের জাতীয় শিশুনীতি অনুসারে শিশুর বয়স সীমা কত?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০-১৮ বছর কেন সঠিক: - জাতীয় শিশুনীতি ২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশের আইনে ০ থেকে ১৮ বছর বয়সী সকল ব্যক্তিকে শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়। - জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ ১৯৮৯ অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে সবাই শিশু, যার সঙ্গে সংগতি রেখে এই বয়সসীমা নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০-১৮ বছর — এই বয়সসীমাটি জাতীয় শিশুনীতি এবং আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সনদের সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ এবং সঠিক। B) ০-৮ বছর — এই বয়সসীমাটি শিশুর সংজ্ঞার জন্য অনেক কম এবং এটি প্রাথমিক শৈশব বিকাশের একটি নির্দিষ্ট পর্যায় মাত্র। C) ১-২০ বছর — এই বয়সসীমাটি আইনগত বা নীতিগতভাবে শিশুর সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে না কারণ এতে জন্মের প্রথম বছর বাদ পড়েছে এবং বয়স ১৮ এর বেশি। D) ০-১২ বছর — এই বয়সসীমাটি শৈশবকাল বোঝালেও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী শিশু অধিকারের পূর্ণ বয়সসীমা হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের শিশুনীতিতে ১৮ বছর পর্যন্ত বয়সকে শিশু বলা হয়েছে, তাই ১৮ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে।
87. মন্ত্রী পরিষদের প্রধান কে?
Created 1 day ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রধানমন্ত্রী কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫ এর ধারা ২ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানত প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে এবং তিনি মন্ত্রী সভার অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়োগ ও অপসারণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পীকার — তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান এবং সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করেন, মন্ত্রী পরিষদের প্রধান নন। B) মন্ত্রী পরিষদ সচিব — তিনি মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান এবং সচিবালয়ের কাজের সমন্বয় করেন, তবে মন্ত্রী পরিষদের রাজনৈতিক প্রধান নন। C) চিফ হুইপ — তিনি সংসদে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও আইন প্রণয়নে সরকারের পক্ষে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেন। D) প্রধানমন্ত্রী — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সংবিধান অনুযায়ী সঠিক ও সর্বসম্মত। মনে রাখার টিপস: সরকারের নির্বাহী বিভাগ বা মন্ত্রী পরিষদের প্রধান সব সময় সরকারপ্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী হন।
88. কোন ভিটামিন একটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন C ১. কেন সঠিক: ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা শরীরের কোষগুলোকে মুক্ত র‍্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। মুক্ত র‍্যাডিকেল হলো অস্থির অণু যা কোষের ক্ষতি করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, তাই ভিটামিন সি এদের নিষ্ক্রিয় করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলো এমন সব রাসায়নিক পদার্থ যা জারণ প্রক্রিয়া রোধ করে এবং শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে। কার্যপ্রণালি: ভিটামিন সি নিজে জারিত হয়ে অন্য পদার্থকে বা কোষকে রক্ষা করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। বাস্তব প্রয়োগ: লেবুজাতীয় ফল খাওয়ার মাধ্যমে আমরা এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গ্রহণ করি যা আমাদের ত্বক ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাটা আপেলে লেবুর রস লাগালে আপেল বাদামি হয় না। ব্যাখ্যা: লেবুতে থাকা ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে আপেলের জারণ প্রক্রিয়া আটকে দেয়। উদাহরণ ২: ঠান্ডা লাগলে বা সর্দি হলে কমলা বা মাল্টা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন A — এটি রেটিনল নামে পরিচিত এবং প্রধানত দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় ও চোখের স্বাস্থ্যে কাজ করে, এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে প্রধান নয়। B) ভিটামিন B — এটি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স নামে পরিচিত যা শক্তির উৎপাদন ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতায় সাহায্য করে, সরাসরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নয়। C) ভিটামিন C — এটি একটি জলদ্রবণীয় ভিটামিন যা চমৎকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কোষে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ করে। D) ভিটামিন D — এটি ক্যালসিয়াম শোষণ ও হাড়ের গঠনে কাজ করে, তবে এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভিটামিন সি টক ফলে থাকে এবং টক ফল আমাদের সতেজ ও তরুণ রাখে, তাই এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ভিটামিন সি হলো অ্যাসকরবিক অ্যাসিড যা আমাদের ত্বকের কোলাজেন গঠনেও সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং এটি একটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিন ও তাদের উৎস বা অভাবজনিত রোগ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
89. বিশুদ্ধ পানির pH কত?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
90. ল্যাকটিক এসিড নিচের কোনটিতে পাওয়া যায়?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দই ১. কেন সঠিক: দইতে প্রচুর পরিমাণে ল্যাকটিক এসিড থাকে যা দুধের ল্যাকটোজ শর্করার গাঁজন প্রক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন হয়। ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়ায় দুধের শর্করা ভেঙে এই জৈব এসিড তৈরি হয় এবং দইয়ের টক স্বাদ সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ল্যাকটিক এসিড হলো একটি জৈব এসিড যার রাসায়নিক সংকেত হলো সি থ্রি এইচ সিক্স ও থ্রি। কার্যপ্রণালি: দুধের মধ্যে থাকা ল্যাকটোজ ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে অবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় ফারমেন্টেশন বা গাঁজন ঘটিয়ে ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেশিতে ক্লান্তি ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ বা ব্যায়ামের সময় অক্সিজেনের অভাবে পেশিতে ল্যাকটিক এসিড জমে এবং ব্যথা অনুভূত হয়। উদাহরণ ২: পনির তৈরি ব্যাখ্যা: দুধ থেকে ছানা বা পনির তৈরির সময় ল্যাকটিক এসিডের উপস্থিতি প্রোটিন জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দই — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে ল্যাকটিক এসিড পাওয়া যায়। B) পালংশাক — এটি ভুল কারণ পালংশাকে অক্সালিক এসিড থাকে যা এর কিছুটা কষা স্বাদের জন্য দায়ী। C) লেবু — এটি ভুল কারণ লেবুতে সাইট্রিক এসিড প্রধান উপাদান হিসেবে বিদ্যমান থাকে। D) ভিনেগার — এটি ভুল কারণ ভিনেগারের মূল রাসায়নিক উপাদান হলো এসিটিক এসিড। ৫ মনে রাখার টিপস: দুধ থেকে দই বানায় ব্যাকটেরিয়া আর দই খেলেই জিভে নাচে ল্যাকটিক এসিডের টক স্বাদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: খাবারে বিদ্যমান বিভিন্ন এসিডের নাম বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক। ভবিষ্যতে প্রশ্ন আসতে পারে পিঁপড়ার কামড়ে কোন এসিড থাকে, যার উত্তর হবে ফরমিক এসিড।
91. চোখের লেন্সের ধরন কোনটি?
Created 1 day ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বি-উত্তল ১. কেন সঠিক: - চোখের লেন্স এমন একটি প্রাকৃতিক প্রতিসারক মাধ্যম যা আলোকে এক বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করতে সাহায্য করে। - এই লেন্সটির উভয় পৃষ্ঠই বাইরের দিকে বাঁকানো বা স্ফীত থাকে বলে একে দ্বি-উত্তল লেন্স বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোকবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী যে লেন্সের মাঝখানটা মোটা এবং প্রান্তগুলো সরু তাকে উত্তল লেন্স বলে। - কার্যপ্রণালি: চোখের ভেতরে আলো প্রবেশের পর এই দ্বি-উত্তল লেন্স আলোর রশ্মিগুলোকে প্রতিসরণ করে রেটিনার ওপরে একটি উল্টো ও ক্ষুদ্র বাস্তব প্রতিবিম্ব তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উত্তল লেন্সের সাহায্যে সূর্যের আলোকে একত্রিত করে কাগজ পোড়ানো। ব্যাখ্যা: সমান্তরাল আলোক রশ্মি উত্তল লেন্সের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয়, ঠিক যেমন চোখ দূরের বস্তুর আলোকে রেটিনায় কেন্দ্রীভূত করে। উদাহরণ ২: বিবর্ধক কাচ বা ম্যাগনিফাইং গ্লাস। ব্যাখ্যা: ম্যাগনিফাইং গ্লাসেও উত্তল লেন্স ব্যবহৃত হয় যা বস্তুকে বড় করে দেখাতে সাহায্য করে, যা চোখের প্রাকৃতিক লেন্সের প্রতিসরণ ক্ষমতার সঙ্গে তুলনীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তল — এটি সঠিক উত্তরের কাছাকাছি হলেও সম্পূর্ণ নয় কারণ চোখের লেন্সের নির্দিষ্ট গঠন বোঝাতে দ্বি-উত্তল শব্দটি বেশি নিখুঁত। B) অবতল — অবতল লেন্স আলোকরশ্মিকে ছড়িয়ে দেয়, যা চোখের ভেতরে আলো কেন্দ্রীভূত করার কাজের সম্পূর্ণ বিপরীত। C) দ্বি-উত্তল — এটি সঠিক কারণ এই লেন্সের সামনে ও পেছন উভয় পৃষ্ঠই উত্তল বা বাইরের দিকে স্ফীত। D) দ্বি-অবতল — এটি এমন একটি লেন্স যার উভয় পৃষ্ঠ ভেতরের দিকে বাঁকানো এবং এটি সাধারণত অবতল চশমায় ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চোখের লেন্সের কথা মনে রাখতে চাইলে ভাবুন মানুষের চোখ বাইরে থেকে একটু গোল ও সামনের দিকে ফোলা থাকে, আর ফোলা মানেই সেটি দ্বি-উত্তল লেন্স। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চোখের কোন অংশে প্রতিবিম্ব গঠিত হয় এই প্রশ্ন আসে, উত্তর হলো রেটিনা। একই ধারণা থেকে চোখের ত্রুটি যেমন মায়োপিয়া ও হাইপারমেট্রোপিয়া সংশোধনে কোন লেন্স ব্যবহার করা হয়, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
92. নিম্নের কোন জলজ প্রাণীর ফুলকা নেই?
Created 1 day ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিমি ১. কেন সঠিক: তিমি পানিতে বসবাস করলেও এটি মাছ নয়, বরং স্তন্যপায়ী প্রাণী। স্তন্যপায়ী হওয়ার কারণে তিমির ফুলকা থাকে না এবং এরা ফুলকার সাহায্যে শ্বাস নিতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তিমি ফুসফুসের সাহায্যে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। এরা পানিতে বাস করলেও শ্বাস নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর পানির ওপরে উঠে আসে। কার্যপ্রণালি: তিমির মাথার ওপর ব্লোহোল বা ফুসফুসের ছিদ্র থাকে যার মাধ্যমে এরা পুরোনো বাতাস ত্যাগ করে এবং নতুন বাতাস গ্রহণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডলফিন ব্যাখ্যা: ডলফিনও তিমির মতো জলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং এদেরও ফুসফুস থাকে, ফুলকা থাকে না। উদাহরণ ২: রুই মাছ ব্যাখ্যা: রুই মাছ প্রকৃত জলজ প্রাণী এবং পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন নেওয়ার জন্য এদের ফুলকা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্কুইড — এটি মোলাস্কা পর্বের জলজ প্রাণী এবং পানিতে শ্বাস নেওয়ার জন্য এদের ফুলকা থাকে। B) তিমি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং ফুলকার পরিবর্তে ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেয়। C) অক্টোপাস — এটি সামুদ্রিক প্রাণী এবং ফুলকার সাহায্যে পানি থেকে অক্সিজেন শোষণ করে। D) ক্লাউন মাছ — এটি প্রকৃত মাছ এবং ফুলকা হলো এর প্রধান শ্বাস অঙ্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: যেকোনো জলজ প্রাণী দেখলেই মাছ ভেবে ফুলকা দাগানো যাবে না, কারণ তিমি ও ডলফিন হলো স্তন্যপায়ী প্রাণী যাদের ফুসফুস থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তিমি বা ডলফিন কোন শ্রেণির প্রাণী এবং এদের শ্বাস অঙ্গ কী, তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
94. চন্দ্র কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের-
Created 1 day ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছয়ভাগের একভাগ ১. কেন সঠিক: - ভর স্থির থাকলেও অভিকর্ষজ ত্বরণের মানের পার্থক্যের কারণে কোনো বস্তুর ওজনের পরিবর্তন ঘটে। - চন্দ্রের ভর ও ব্যাসার্ধ পৃথিবীর তুলনায় কম হওয়ায় চন্দ্রপৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণের ছয়ভাগের একভাগ হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ওজন হলো কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর বা অন্য কোনো গ্রহের অভিকর্ষ বলের পরিমাণ, যার সূত্র হলো ওজন সমান ভর গুণ অভিকর্ষজ ত্বরণ। - সূত্র বা তত্ত্ব: পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ যদি জি হয়, তবে চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ হবে জি ভাগ ছয়। - কারণ ও ফলাফল: ত্বরণ ছয়ভাগের একভাগ হওয়ায় চাঁদে যেকোনো বস্তুর ওজনও পৃথিবীর ওজনের তুলনায় ছয়ভাগের একভাগ হয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবীতে কোনো মানুষের ওজন যদি ষাট কেজি বা ছয়শো নিউটন হয়, তবে চাঁদে তার ওজন হবে ঠিক একশো নিউটন। ব্যাখ্যা: মানুষের শরীরের ভর অপরিবর্তিত থাকলেও চাঁদের কম অভিকর্ষ বলের টানের কারণে ওজনের এই তারতম্য ঘটে। উদাহরণ ২: মহাশূন্যচারীরা চাঁদে হাঁটার সময় স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক উঁচুতে লাফাতে পারেন। ব্যাখ্যা: চাঁদের কম ওজনের কারণে তাদের শরীর অনেক হালকা অনুভূত হয় এবং অভিকর্ষের টান কম থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছয়ভাগের একভাগ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর ছয়ভাগের একভাগ। B) তিনগুণ — এটি ভুল কারণ কোনো গ্রহ বা উপগ্রহে পৃথিবীর চেয়ে অভিকর্ষ বল তিনগুণ বেশি নয়। C) দুইভাগের একভাগ — এটি ভুল কারণ চাঁদের অভিকর্ষ বল পৃথিবীর অর্ধেক বা দুইভাগের একভাগ নয়। D) দুইগুণ — এটি ভুল কারণ চাঁদে পৃথিবীর তুলনায় ওজন কম হয়, দ্বিগুণ বা বেশি হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - চাঁদে গেলে ওজন কমে যায় এবং তা পৃথিবীর ওজনের ঠিক ছয় ভাগের এক ভাগে নেমে আসে। - ভর সব সময় সমান থাকে কিন্তু ওজন স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভর ও ওজনের পাথর্ক্য এবং চাঁদের ওজন সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মনে রাখতে হবে, বস্তুর ভর ধ্রুবক হলেও ওজনের মান স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়।

মোট প্রশ্ন (26)

1. 'অহরহ' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ-
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অহঃ + অহ ১. কেন সঠিক: - 'অহরহ' শব্দটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। বিসর্গের পূর্বে অ এবং পরে অ থাকলে বিসর্গ ও হয় এবং পরবর্তী অ লোপ পেয়ে হলাচিহ্ন বা অন্য পরিবর্তন ঘটে। - এখানে 'অহঃ' শব্দের বিসর্গ এবং পরবর্তী 'অ' মিলে 'র' হয়েছে এবং পূর্ববর্তী অ এর সাথে যুক্ত হয়ে 'অহরহ' রূপ লাভ করেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুসারে, পদের অন্তে অবস্থিত বিসর্গের (ঃ) পর যদি স্বরধ্বনি থাকে, তবে বিসর্গ স্থানে 'র' বা 'র'-জাতীয় বর্ণ হয়। - 'অহঃ' শব্দের সাথে 'অহ' যুক্ত হয়ে বিসর্গ স্থানে 'র' এবং পরবর্তী 'অ' মিলে শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ বারবার বা প্রতিনিয়ত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অহঃ + নিশি = অহরিশি ব্যাখ্যা: বিসর্গ সন্ধির নিয়মে এখানেও বিসর্গ স্থানে 'র' বা পরিবর্তিত রূপ যুক্ত হয়েছে। উদাহরণ ২: পুনঃ + অধিকার = পুনরধিকার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পূর্বে অ-কার ছাড়া অন্য স্বরধ্বনি এবং পরে স্বরধ্বনি থাকলে বিসর্গ স্থানে 'র' হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অহঃ + অহ — এটি সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ এবং নিয়মের সাথে সম্পূর্ণ মিলে যায়। B) অহ + রহ — এটি ব্যাকরণের কোনো নির্দিষ্ট সন্ধির নিয়ম মেনে গঠিত হয়নি। C) অহর + হ — এখানে শব্দের অংশগুলো সন্ধির মূল কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়। D) অহঃ + রহ — এখানে 'রহ' কোনো মৌলিক শব্দ নয়, তাই এই বিচ্ছেদ সঠিক নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - নিত্যদিনের পরিচিত শব্দ 'অহরহ' দেখলে মনে রাখবে এর মূল অংশ হলো 'অহঃ' এবং 'অহ'। - বিসর্গ সন্ধিতে বিসর্গ স্থানে 'র' হওয়ার চমৎকার একটি উদাহরণ হলো এই শব্দটি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - 'অহঃ' সম্পর্কিত শব্দগুলোর সন্ধি বিচ্ছেদ ভালো করে অনুশীলন করলে পরীক্ষার হলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।
4. এক কথায় প্রকাশ করুন 'মুক্তি পেতে ইচ্ছুক'
Created 1 day ago | Updated 33 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন: এককথায় প্রকাশ সঠিক উত্তর: B) মুমুক্ষু ১. কেন সঠিক: - 'মুক্তি পেতে ইচ্ছুক' বাক্যটির সংকুচিত রূপ বা এককথায় প্রকাশ হলো মুমুক্ষু। - বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী কোনো কিছু লাভের বা পাওয়ার তীব্র ইচ্ছাকে মুমুক্ষু বলা হয়। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বাংলা ব্যাকরণে এককথায় প্রকাশ বা বাকসংক্ষেপ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। - এটি বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম, যা ভাষার সৌন্দর্য ও মাধুর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: লাভ করতে ইচ্ছুক = লিপ্সু ব্যাখ্যা: কোনো কিছু লাভ করার প্রবল আকাঙ্ক্ষাকে লিপ্সু বলা হয়। উদাহরণ ২: জয় করতে ইচ্ছুক = জিগীষু ব্যাখ্যা: কোনো কিছু জয় করার বা জয়লাভের ইচ্ছাকে জিগীষু বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুমুকু — এটি একটি বানানগত ভুল রূপ এবং এর কোনো সঠিক আভিধানিক অর্থ নেই। B) মুমুক্ষু — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বানান এবং অর্থ উভয়ই শুদ্ধ। C) মুমুক্ষ — এই বানানটি অসঠিক এবং অসম্পূর্ণ, কারণ সঠিক বানানে শেষে উ-কার ও যুক্তবর্ণ থাকে। D) মুমুর্ষু — এটি ভুল কারণ মর্তুম বা মরতে ইচ্ছুক ব্যক্তিকে মুমূর্ষু বলা হয়, যা মুক্তির ইচ্ছার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - মুক্তির ইচ্ছুক বোঝাতে শব্দের শেষে যুক্তবর্ণ ক্ষয় হসন্ত উ-কার (ক্ষু) ব্যবহার করতে হয়। - বানানটি মনে রাখার জন্য মূল শব্দ মোক্ষ থেকে মুমুক্ষু শব্দটি এসেছে তা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই মুমুক্ষু ও মুমূর্ষু শব্দের বানান ও অর্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। - বানান শুদ্ধির ক্ষেত্রে এই শব্দগুলো অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মুখস্থ রাখতে হবে।
10. 'মরসিয়া' শব্দের উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে?
Created 1 day ago | Updated 30 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ফারসি ১. কেন সঠিক: - মরসিয়া শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। - এটি মূলত শোকগাথা বা বিয়োগান্তক কবিতা, যা কারাবলার শোকাবহ ঘটনার স্মরণে রচিত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - মরসিয়া ফারসি ভাষার শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ শোক প্রকাশ করা বা বিলাপ করা। - বাংলা সাহিত্যে কারবালার বিষাদময় ঘটনা নিয়ে রচিত কাব্য বা গানকে মরসিয়া সাহিত্য বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইসমাইল হোসেন হোসেন সিরাজীর মহরম চিত্র ব্যাখ্যা: এটি বাংলা সাহিত্যর একটি বিখ্যাত মরসিয়াধর্মী রচনা। উদাহরণ ২: মীর মশাররফ হোসেনের বিষাদ সিন্ধু ব্যাখ্যা: এটি কারবালার শোকাবহ ঘটনাভিত্তিক একটি বিখ্যাত গদ্য উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আরবি — মরসিয়া শব্দটি আরবি ‘রিসা’ বা ‘মারাসিয়া’ ধাতু থেকে আসলেও বাংলা ভাষায় এটি ফারসি ভাষার মাধ্যমে প্রবেশ করেছে। B) উর্দু — উর্দু ভাষা মরসিয়া সাহিত্যের জন্য পরিচিত হলেও এটি এই শব্দের মূল উৎস নয়। D) তুর্কি — তুর্কি ভাষা থেকে বাংলায় অনেক শব্দ আসলেও মরসিয়া তুর্কি শব্দ নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইসলামি ইতিহাস ও শোকসংগীত সম্পর্কিত অনেক ফারসি শব্দ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হয়। - মরসিয়া ফারসি শব্দ হিসেবে মনে রাখতে এর শেষাংশ এবং উৎপত্তির ধারা মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের উৎস বা আগত ভাষা থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিদেশি শব্দ যেমন আরবি, ফারসি ও তুর্কি শব্দের তালিকা ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
13. 'অম্ভর' এর প্রতিশব্দ কোনটি?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) আকাশ ১. কেন সঠিক: - 'অম্ভর' শব্দটির অর্থ আকাশ, গগন বা আসমান। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত এই বিশেষ্য পদটি মূলত মহাশূন্য বা বায়ুমণ্ডল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দের ক্ষেত্রে শব্দের উৎসের সঠিক অর্থ জানা জরুরি। 'অম্ভর' শব্দের মূল উৎস সংস্কৃত শব্দ অম্বু এবং র এর সংযোগ থেকে সৃষ্ট। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অম্বরের বুকে মেঘের ডমক বেজে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এখানে 'অম্ভর' শব্দটি সরাসরি আকাশ বা গগন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। উদাহরণ ২: সুনীল অম্বরে পাখিগুলো ডানা মেলে উড়ে বেড়াচ্ছে। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে 'অম্বর' বলতে উন্মুক্ত আকাশকে বোঝানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ হলো ধরা, ধরণী, অবনী ও বসুন্ধরা। এটি আকাশ বা অম্ভর শব্দটির সমার্থক নয়। B) জল — জল শব্দের সমার্থক শব্দ হলো পানি, অম্বু, নীর ও সলিল। সংস্কৃত ভাষায় অম্বু অর্থ জল হলেও অম্ভর অর্থ আকাশ। C) সমুদ্র — সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দ হলো সাগর, পারাবার, রত্নাকর ও উদধি। এটি অম্ভর শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) আকাশ — এটি সঠিক উত্তর কারণ অম্ভর শব্দের সরাসরি অর্থ আকাশ বা গগন। ৫. মনে রাখার টিপস: - অম্বু অর্থ জল, কিন্তু অম্বি বা অম্ভর দ্বারা আকাশকে নির্দেশ করা হয়। জল ধারণ করে যা তা অম্বু, আর যার মধ্যে মেঘ থাকে তা অম্ভর অর্থাৎ আকাশ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সূক্ষ্ম পার্থক্যের শব্দ দিয়ে বিভ্রান্ত করা হয়। অম্বু এবং অম্ভর শব্দের পার্থক্য ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
14. 'কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল সে মরে নাই'— এই বাক্যটি যে গল্পে রয়েছে তার নাম
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) জীবিত ও মৃত ১. কেন সঠিক: - এই বিখ্যাত পংক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'জীবিত ও মৃত' ছোটগল্পের কেন্দ্রীয় ভাব ও মূল থিমকে প্রকাশ করে। - গল্পের প্রধান চরিত্র কাদম্বিনী মৃত্যুবরণ না করেও সমাজ ও পরিবারের কাছে মৃত বলে গণ্য হয়েছিল এবং প্রমাণের তাগিদে সে এই ট্র্যাজিক উক্তিটি করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা ছোটগল্পের জনক এবং তাঁর গল্পে মানবজীবনের গভীর ট্র্যাজেডি ফুটে ওঠে। - 'জীবিত ও মৃত' গল্পটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত 'গল্পগুচ্ছ' গ্রন্থের অন্তর্গত একটি মনস্তাত্ত্বিক ও রহস্যময় ছোটগল্প। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ছুটি' গল্পে ফটিক চরিত্রের মৃত্যু ও তার শেষ উক্তি সবার মনকে নাড়া দেয়। ব্যাখ্যা: এটিও রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত ছোটগল্প যার মূল সুর ট্র্যাজেডি ও মানুষের অবহেলা। উদাহরণ ২: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'একরাত্রি' গল্পে সুরবালা ও লেখকের শৈশবের স্মৃতি এবং না পাওয়ার বেদনা ফুটে উঠেছে। ব্যাখ্যা: এই গল্পটিও সম্পর্কের জটিলতা ও জীবনের অপূর্ণতা নিয়ে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পোস্টমাস্টার — এই গল্পে রতন ও পোস্টমাস্টারের সম্পর্কের টানাপোড়েন ও বিচ্ছেদ দেখানো হয়েছে, যা আলোচ্য পংক্তির সঙ্গে মিলে না। B) মেঘ ও রৌদ্র — এই গল্পে শশীভূষণ ও গ্রামের অন্যায়ের প্রতিবাদ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা এই উদ্ধৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) জীবিত ও মৃত — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনের ক্ষেত্রে অন্য কোনো প্রযোজ্য কারণ নেই। D) মধ্যবর্তিনী — এই গল্পে সমাজের নানা পারিবারিক জটিলতা ও দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েন ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যা এই উদ্ধৃতির সাথে সম্পর্কযুক্ত নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: - কাদম্বিনী চরিত্রটি যে বেঁচে থেকেও মৃত প্রমাণ করতে চেয়েছিল তা রবীন্দ্রনাথের 'জীবিত ও মৃত' গল্পের মূল চাবিকাঠি। - কাদম্বিনী নাম দেখলে চোখ বন্ধ করে 'জীবিত ও মৃত' গল্পটি মনে রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছোটগল্পের নাম ও চরিত্র থেকে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে। - বিশেষ করে কাদম্বিনী ও যোগমায়া চরিত্র দুটি কোন গল্পের তা বারবার পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে, তাই এটি ভালোভাবে মনে রাখবে।
18. 'Blockade' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
Created 1 day ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) অবরোধ ১. কেন সঠিক: Blockade শব্দটির সঠিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অবরোধ যার অর্থ কোনো স্থান বা পথ অবরুদ্ধ বা বন্ধ করে দেওয়া। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও আইনগত পরিভাষায় এই শব্দটি কোনো শত্রুভাবাপন্ন দেশের বন্দর বা ভূখণ্ড স্থল বা জলপথে ঘিরে ফেলা বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার পরিভাষাবিজ্ঞান অংশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন যা বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ইংরেজি প্রশাসনিক ও আইনি পরিভাষার সঠিক ও প্রমিত বাংলা রূপ জানার জন্য এই ধরনের প্রশ্ন চর্চা করা আবশ্যক। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: Economic blockade ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো অর্থনৈতিক অবরোধ যা কোনো দেশের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: Naval blockade ব্যাখ্যা: এর সঠিক বাংলা পারিভাষিক শব্দ হলো নৌ অবরোধ যার মাধ্যমে জলপথে শত্রুর চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বন্ধন - এই শব্দটি সাধারণত সম্পর্ক বা কোনো কিছু বেঁধে ফেলার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু Blockade এর সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক পরিভাষা এটি নয়। B) অবরোধ - এই অপশনটি সঠিক কারণ Blockade শব্দের প্রকৃত ও প্রাতিষ্ঠানিক বাংলা পারিভাষিক রূপ হলো অবরোধ। C) চাপ - এই শব্দটি Pressure শব্দের পারিভাষিক রূপ যা কোনো বস্তুর ওপর বলপ্রয়োগ বা মানসিক পীড়ন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) আবর্ত - এই শব্দটি Whirlpool বা Rotation শব্দের কাছাকাছি যার অর্থ ঘূর্ণন বা পাক খাওয়া যা আলোচ্য শব্দের সঙ্গে মেলে না। ৫ মনে রাখার টিপস: ইংরেজি Blockade শব্দটি দেখলে মাথায় রাখবে সামরিক বা রাজনৈতিক পরিভাষায় এটি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলা বা অবরুদ্ধ করা বোঝায়। তাই এর বাংলা পরিভাষা হিসেবে অবরোধ শব্দটি মনে রাখা সবচেয়ে সহজ কৌশল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় ইংরেজি শব্দের বাংলা পারিভাষিক রূপ প্রায়ই ১ নম্বর থাকে। এই ধরনের প্রশ্ন সমাধানের জন্য নিয়মিত প্রমিত পারিভাষিক শব্দের তালিকা পড়তে হবে।
21. বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ কয়টি?
Created 1 day ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১০টি ১. কেন সঠিক: বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ রয়েছে। এর মধ্যে যে বর্ণগুলোর ওপরে কোনো মাত্রা বা রেখা থাকে না, সেগুলোকে মাত্রাহীন বর্ণ বলা হয়। বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রার বর্ণ ৩২টি, অর্ধমাত্রার বর্ণ ৮টি এবং মাত্রাহীন বর্ণ ১০টি। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: বাংলা স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি, মোট ৫০টি বর্ণের মধ্যে মাত্রাভিত্তিক বিন্যাস হলো পূর্ণমাত্রা ৩২টি, অর্ধমাত্রা ৮টি এবং মাত্রাহীন ১০টি। মাত্রাহীন ১০টি বর্ণের মধ্যে স্বরবর্ণ ৪টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি রয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অ ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন স্বরবর্ণ যার ওপরে কোনো মাত্রা নেই। উদাহরণ ২: ঙ ব্যাখ্যা: এটি একটি মাত্রাহীন ব্যঞ্জনবর্ণ যার ওপরে কোনো মাত্রা থাকে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮টি — এটি ভুল কারণ ৮টি হলো বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণের সংখ্যা, মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা নয়। B) ৯টি — এটি একটি ভুল সংখ্যা যা বাংলা বর্ণমালার কোনো নির্দিষ্ট মাত্রার বর্ণের সঙ্গে মেলে না। C) ৭টি — এটি ভুল কারণ মাত্রাহীন বর্ণ ৭টি নয়, বরং সঠিক সংখ্যাটি হলো ১০টি। D) ১০টি — এটি সঠিক কারণ বাংলা বর্ণমালায় ঠিক ১০টি বর্ণ রয়েছে যেগুলোর ওপরে কোনো মাত্রা নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: মাত্রাহীন বর্ণ মনে রাখার সহজ সূত্র হলো স্বরবর্ণ ৪টি (এ, ঐ, ও, ঔ) এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৬টি (ঙ, ঞ, ণ, ন, ৎ, ং, ঃ এর মধ্যে ব্যঞ্জনবর্ণের নির্দিষ্ট তালিকা মিলিয়ে ১০টি পূর্ণ হয়)। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বর্ণমালার মাত্রা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে, তাই পূর্ণমাত্রা ৩২, অর্ধমাত্রা ৮ এবং মাত্রাহীন ১০ এই সংখ্যা তিনটি ভালোভাবে মুখস্থ রাখা জরুরি।
22. 'ইত্তেফাক' শব্দের অর্থ
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সম্প্রীতি ১. কেন সঠিক: - ইত্তেফাক একটি আরবি শব্দ যার আক্ষরিক অর্থ হলো মিল, ঐক্য, সখ্য বা সম্প্রীতি। - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় শব্দের সঠিক অর্থ নির্ণয়ের জন্য এই ধরনের আরবি ও ফারসি শব্দের উৎস ও অর্থ জানা জরুরি। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি শব্দের উৎস ও শব্দের অর্থ সংক্রান্ত প্রশ্ন যেখানে বিভিন্ন ভাষা থেকে আগত শব্দের প্রমিত অর্থ জানতে চাওয়া হয়। - বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি শব্দ সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মোনাজাত ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যার অর্থ প্রার্থনা বা নিবেদন। উদাহরণ ২: কেতাব ব্যাখ্যা: এটি একটি আরবি শব্দ যার অর্থ বই বা গ্রন্থ। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সংবর্ধনা — এই শব্দের অর্থ কাউকে সম্মান জানানো বা অভ্যর্থনা করা, যা ইত্তেফাক শব্দের অর্থের সঙ্গে মেলে না। B) সংলাপ — এই শব্দের অর্থ কথপোকথন বা পারস্পরিক আলোচনা, যা ইত্তেফাক শব্দের সমার্থক নয়। C) ইতিহাস — এই শব্দের অর্থ অতীত দিনের কাহিনী বা বিবরণ, যা ইত্তেফাক শব্দের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। D) সম্প্রীতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ মিল ও সৌহার্দ্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিখ্যাত দৈনিক পত্রিকা দৈনিক ইত্তেফাকের নাম থেকে মনে রাখতে পারো ইত্তেফাক শব্দের অর্থ হলো ঐক্য বা সম্প্রীতি। - বিদেশি শব্দ মনে রাখতে শব্দের মূল ভাব ও ব্যবহারিক ক্ষেত্র খেয়াল রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বিদেশি শব্দ বিশেষ করে আরবি ও ফারসি শব্দের অর্থ প্রায়ই আসে। - শব্দের উৎস এবং প্রচলিত অর্থ ভালোভাবে আয়ত্ত করলে এই ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
23. 'চর্যাপদ' হলো
Created 1 day ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) সাধন সংগীত ১. কেন সঠিক: চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন বা গান, যা বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকদের দ্বারা রচিত হয়েছিল। এই পদগুলোতে রূপকের মাধ্যমে তাদের ধর্মীয় সাধনা, তত্ত্ব এবং আত্মোপলব্ধির কথা প্রকাশ করা হয়েছে বলে এগুলো সাধন সংগীত হিসেবে পরিচিত। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র প্রামাণিক নিদর্শন যা মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের রয়েল লাইব্রেরি থেকে আবিষ্কার করেন এবং ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন। ডক্টর সুকুমার সেন একে বাংলা গান বা পদ এবং ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ একে বৌদ্ধ ধর্মের তান্ত্রিক সাধনার গান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চর্যাপদের পদকর্তা কাহ্নপা রচিত গান। ব্যাখ্যা: কাহ্নপা চর্যাপদের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক পদ রচনা করেছেন এবং তার গানে সাধন তত্ত্বের গভীর প্রকাশ দেখা যায়। উদাহরণ ২: ভুসুকুপা রচিত চর্যাপদের পদ। ব্যাখ্যা: ভুসুকুপা সহজিয়া সাধনার নানা দিক তার গানে রূপক ও প্রতীকের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একগুচ্ছ ধর্মোপদেশ — চর্যাপদে সরাসরি কোনো সাধারণ ধর্মোপদেশ দেওয়া হয়নি, বরং এটি তান্ত্রিক সাধনার গোপন অনুভূতির প্রকাশ। C) জীবনাচরণ পদ্ধতি — চর্যাপদে তৎকালীন বাঙালি সমাজের জীবনচিত্র ও জীবনাচরণের প্রতিফলন থাকলেও মূল উদ্দেশ্য জীবনপ্রণালী শেখানো ছিল না। D) নীতি কথা — এটি কোনো নীতিবাক্য বা উপদেশমূলক গ্রন্থ নয়, বরং সাধন ভজনের গূঢ় তত্ত্বভিত্তিক সংগীত। ৫ মনে রাখার টিপস: চর্যাপদ মানেই গান বা সংগীত, তাই এটি মূলত সাধন সংগীত হিসেবে পরীক্ষাকেন্দ্রে চিহ্নিত করতে হবে। বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকরা গান গেয়ে সাধনা করতেন, এই সূত্র ধরে উত্তর মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় চর্যাপদের আবিষ্কারক, আবিষ্কারের সাল এবং পদ সংখ্যা সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। চর্যাপদের মোট পদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক থাকলেও ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে এর পূর্ণাঙ্গ সংখ্যা হলো পঞ্চাশটি।
25. 'তামার বিষ' বাগধারাটির অর্থ
Created 1 day ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অর্থের কুপ্রভাব ১. কেন সঠিক: 'তামার বিষ' একটি বিখ্যাত বাংলা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ তামার তৈরি কোনো বিষ নয়, বরং রূপক অর্থে এটি অর্থের লোভ বা অর্থের কুপ্রভাবকে নির্দেশ করে। মানুষ যখন অতিরিক্ত অর্থের মোহে পড়ে বা অবৈধ উপায়ে ধনী হতে চায়, তখন তার নৈতিক অবক্ষয় ঘটে। এই নৈতিক পতন বা অর্থের ক্ষতিকর প্রভাবকে বোঝাতেই 'তামার বিষ' বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: এটি বাংলা ভাষার একটি বিশিষ্ট বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন অংশের অন্তর্ভুক্ত। বাংলা ব্যাকরণে বাগধারা হলো এমন কিছু বিশেষ শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট ভাব প্রকাশ করে। বাগধারা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং মনের ভাবকে অত্যন্ত সংক্ষেপে ও আকর্ষণীয়ভাবে ফুটিয়ে তোলে। 'তামার বিষ' বাগধারাটিতে তামা শব্দটি মূল্যবান ধাতু বা অর্থের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ইদানীং রহিমের চালচলন বদলে গেছে, মনে হয় তার মাথায় তামার বিষ চেপেছে। ব্যাখ্যা: এখানে অতিরিক্ত টাকা বা অর্থের প্রভাবে রহিমের আচরণের নেতিবাচক পরিবর্তন বোঝাতে বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: অর্থের অহংকারে অন্ধ হয়ে যাওয়া মানুষের পতন অনিবার্য, কারণ তামার বিষ কাউকে রেহাই দেয় না। ব্যাখ্যা: এখানে অর্থের কুপ্রভাব বা লোভের ধ্বংসাত্মক পরিণতি বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভীষণ বিষাক্ত — এটি বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলেও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় বাগধারার অন্তর্নিহিত বা রূপক অর্থটিই সঠিক বলে গণ্য হয়। B) তামা থেকে উৎপন্ন বিষ — এটি সম্পূর্ণ ভুল এবং বিভ্রান্তিকর তথ্য কারণ তামা কোনো জৈব বা রাসায়নিক বিষ উৎপন্ন করে না। D) নির্দয় — এটি একটি ভিন্ন মানবিক গুণ বা আচরণকে নির্দেশ করে, যার সঙ্গে অর্থের কুপ্রভাব বা তামার বিষ বাগধারার কোনো সম্পর্ক নেই। ৫ মনে রাখার টিপস: তামা হলো একটি ধাতু যা টাকা বা মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। তাই তামা দেখলেই টাকা বা অর্থ এবং তার কুফল বা বিষের কথা মাথায় রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অর্থের কুপ্রভাব বা লোভের পরিণতি বোঝাতে প্রায়ই এই বাগধারাটি আসে। একই ধরনের অন্য একটি বাগধারা হলো অঙ্কের কষা যা কৃপণতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
26. ছন্দের জাদুকর বলা হয়
Created 1 day ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১. কেন সঠিক: - সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে বাংলা কাব্যে ছন্দ ও শব্দ চয়নের জাদুকর বলা হয়। - বাংলা ভাষায় বিদেশি শব্দের সফল প্রয়োগ এবং ছন্দের নানা বৈচিত্র্য এনে তিনি এই উপাধি লাভ করেছেন। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯২২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - তিনি ছন্দের ওপর অসাধারণ দক্ষতার জন্য পরিচিত ছিলেন এবং তাকে ছন্দের বরপুত্রও বলা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কুহূ ও কেকা ব্যাখ্যা: এটি সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা তার ছন্দ ও শব্দের জাদুকরী ব্যবহারের উৎকৃষ্ট উদাহরণ। উদাহরণ ২: বেলা শেষের গান ব্যাখ্যা: এটিও সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের একটি জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ যা তার সাহিত্যিক প্রতিভার পরিচয় দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের বিশ্বকবি এবং নোবেলজয়ী লেখক, তাকে ছন্দের জাদুকর বলা হয় না। B) সুকান্ত ভট্টাচার্য — সুকান্ত ভট্টাচার্য কিশোর কবি ও দ্রোহের কবি হিসেবে পরিচিত, ছন্দের জাদুকর নন। C) সুফিয়া কামাল — সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের প্রখ্যাত জননেত্রী ও প্রকৃতিপ্রেমী কবি, তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়নি। D) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ছন্দের জাদুকর হিসেবে পরিচিত। ৫ মনে রাখার টিপস: - সত্য দিয়ে শুরু সত্যেন্দ্রনাথ, আর তার ছন্দ হলো জাদুকরী। - এভাবে মনে রাখতে পারো যে ছন্দের জাদুকর হলেন সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবিদের উপাধি থেকে প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - ছন্দের জাদুকর সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত এবং ছন্দের বরপুত্রও তাকেই বলা হয়।

মোট প্রশ্ন (25)

2. The word 'decadent' means-
Created 1 day ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Morally declined কেন সঠিক: - Decadent শব্দের বাংলা অর্থ নৈতিকভাবে অবক্ষয়প্রাপ্ত বা পতনমুখী। - এটি মূলত কোনো ব্যক্তি বা সমাজের চারিত্রিক ও নৈতিক মানের পতনকে নির্দেশ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Rotten — এর অর্থ পচা বা নষ্ট, যা সাধারণত খাদ্যদ্রব্য বা জৈব বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। B) Morally declined — প্রদত্ত সঠিক উত্তর, যার অর্থ নৈতিকভাবে অবনতি ঘটেছে। C) Dissident — এর অর্থ ভিন্নমতাবলম্বী বা রাজনৈতিক বিদ্রোহী, যা নৈতিক পতনের সমার্থক নয়। D) Defiant — এর অর্থ অবাধ্য বা চ্যালেঞ্জিং মনোভাবাপন্ন, যা ভিন্ন একটি চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। মনে রাখার টিপস: Decadent শব্দটিকে 'Decline' (পতন) শব্দের সাথে মিলিয়ে মনে রাখতে পারো, যেখানে নৈতিকতার পতন বোঝায়।
5. Fill in the blank with correct option: 'The family ___ their homeland during 1960s'.
Created 1 day ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) left কেন সঠিক: - বাক্যে নির্দিষ্ট অতীতকালের সময় নির্দেশক শব্দ during ১৯৬০s রয়েছে, যা পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স নির্দেশ করে। - সাবজেক্ট 'The family' এখানে এককভাবে কাজ করায় মূল ভার্বের পাস্ট ফর্ম ব্যবহৃত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) left — এটি সঠিক কারণ এটি পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স গঠন করে নির্দিষ্ট অতীতের ঘটনা প্রকাশ করে। B)was left — এটি প্যাসিভ ভয়েস, কিন্তু পরিবার নিজে দেশ ত্যাগ করেছিল তাই এটি ভুল। C) had been left — এটি পাস্ট পারফেক্ট প্যাসিভ টেন্স, যা এই বাক্যের প্রেক্ষাপটে অর্থহীন ও অগঠনমূলক। D) had left — দুটি অতীত ঘটনার তুলনা না থাকায় পাস্ট পারফেক্ট টেন্সের ব্যবহার এখানে অপ্রয়োজনীয়। মনে রাখার টিপস: নির্দিষ্ট কোনো সাল বা দশকের নাম (যেমন during ১৯৬০s) থাকলে সাধারণ পাস্ট ইনডিফিনিট টেন্স ব্যবহার করতে হয়।
9. Identify the common gender?
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
13. Identify the synonym of 'Denial'.
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
14. The verb form of the word 'amusement' is:
Created 1 day ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Amuse কেন সঠিক: - প্রদত্ত শব্দ 'amusement' একটি নাউন, যার সাথে সাফিক্স যুক্ত হয়ে এর ভার্ব রূপ গঠিত হয় 'amuse'। - 'Amuse' শব্দের অর্থ আনন্দিত করা বা বিনোদন দেওয়া, যা একটি নিখুঁত ভার্ব বা ক্রিয়াপদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Amusing — এটি প্রেজেন্ট পার্টিসিপল অথবা অ্যাডজেক্টিভ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি সঠিক ভার্ব রূপ নয়। B) Amuse — এটি সঠিক ভার্ব রূপ এবং এর অর্থ আনন্দ দেওয়া। C) Amused — এটি পাস্ট পার্টিসিপল অথবা অ্যাডজেক্টিভ, যা কোনো ঘটনার প্রভাবে অনুভূতি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। D) Amusingly — এটি একটি অ্যাডভার্ব বা ক্রিয়া-বিশেষণ, যার অর্থ আনন্দদায়কভাবে। মনে রাখার টিপস: কোনো শব্দের শেষে ment থাকলে তা সাধারণত নাউন হয় এবং তার মূল অংশটি সাধারণত ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
15. Identity the correct sentence
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) The unfortunate accident occurred on Monday last. কেন সঠিক: - বাক্যে নির্দিষ্ট অতীত সময়ের উল্লেখ (on Monday last) থাকায় verb-এর Past Indefinite Tense ব্যবহৃত হয়েছে। - অঘটনটি নিজে নিজেই ঘটেছে, তাই এটি Active Voice-এ আছে এবং মূল verb-এর Past form (occurred) বসেছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) The unfortunate accident had occurred on Monday last. — অতীতকালের নির্দিষ্ট সময়ের ক্ষেত্রে Past Perfect Tense (had occurred) ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। B) The unfortunate accident was occurred on Monday last. — দুর্ঘটনা নিজে ঘটে, তাই বাক্যটি Passive Voice-এ হবে না এবং occurred verb-টির Passive রূপ হয় না। D) The unfortunate accident has occurred on Monday last. — নির্দিষ্ট অতীত সময়ের ক্ষেত্রে Present Perfect Tense (has occurred) ব্যবহার করা যায় না। মনে রাখার টিপস: বাক্যে yesterday, ago, last থাকলে সাধারণত Past Indefinite Tense হয় এবং ঘটনামূলক intransitive verb-এর ক্ষেত্রে Passive হয় না।
16. The suffix 'hood' can be added to -
Created 1 day ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
17. Fill in the blank with the appropriate article: 'The mother seized ___ boy by the collar.'
Created 1 day ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) the কেন সঠিক: - কোনো ব্যক্তির শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গ বা পোশাকের অংশ ধরতে definite article 'the' ব্যবহৃত হয়। - এখানে ছেলের কলার ধরার ক্ষেত্রে 'the boy by the collar' নিয়মটি প্রযোজ্য হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) the — শরীরের অঙ্গ বা পোশাকের অংশ নির্দেশ করতে এটি সঠিক। B) an — এটি অনির্দিষ্ট স্বরবর্ণের পূর্বে বসে, নির্দিষ্ট অঙ্গের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। C) a — এটি অনির্দিষ্ট consonant-এর পূর্বে বসে, এখানে নির্দিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে না। D) none — সঠিক উত্তর 'the' অপশনে বিদ্যমান থাকায় এটি প্রযোজ্য নয়। মনে রাখার টিপস: শরীরের অঙ্গ স্পর্শ করার ক্ষেত্রে possessive pronoun (his, her) না বসিয়ে সাধারণত definite article 'the' বসাতে হয়।
18. 'The moon goes round the earth'. In this sentence 'round' is a/an
Created 1 day ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) preposition কেন সঠিক: - এখানে round শব্দটি earth নাউনটির পূর্বে বসেছে এবং তার সাথে goes verb এর সম্পর্ক স্থাপন করেছে। - noun বা pronoun এর পূর্বে বসে বাক্যের অন্য শব্দের সাথে যে শব্দ সম্পর্ক দেখায় তাকে preposition বলে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) noun — noun হলো কোনো কিছুর নাম, যা এখানে প্রকাশ পাচ্ছে না। B) preposition — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। C) verb — verb হলো কাজ বা কোনো কিছু হওয়া বোঝায়, যা round শব্দ বোঝাচ্ছে না। D) adverb — adverb সাধারণত verb, adjective বা অন্য adverb কে modify করে, যা এখানে noun এর পূর্বে বসেছে। মনে রাখার টিপস: Noun বা Pronoun এর ঠিক আগে বসে যদি relation বোঝায়, তবে তা preposition হয়।
19. The indirect speech of the sentence: Shila said to him, "Are you satisfied with your new car?"
Created 1 day ago | Updated 12 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Shila asked him if he was satisfied with his new car. কেন সঠিক: - রিপোর্টিং ভার্ব said to থাকলে ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সে asked হয় এবং অবজেক্টের পরে ইনভার্টেড কমা তুলে if বা whether বসে। - ডিরেক্ট স্পিচের প্রেজেন্ট ইনডেফিনিট টেন্স (are) ইনডাইরেক্ট স্পিচে পাস্ট ইনডেফিনিট টেন্স (was) এ রূপান্তরিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Shila asked him whether he is satisfied with his new car. — এখানে টেন্সের পরিবর্তন করা হয়নি, is এর পরিবর্তে was হওয়ার কথা ছিল। B) Shila asked him if he was satisfied with his new car. — এটি সঠিক অপশন এবং সব নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলা হয়েছে। C) Shila asked him if he had been satisfied with his new car. — এখানে অতিরিক্ত পাস্ট পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, যা পাস্ট ইনডেফিনিট হওয়ার কথা ছিল। D) Shila enquired of him whether he has been satisfied with his new car. — এখানে বর্তমান পারফেক্ট টেন্স ব্যবহার করা হয়েছে, যা সঠিক নয়। মনে রাখার টিপস: ন্যারেশন পরিবর্তনের সময় ইন্টারোগেটিভ বাক্যে ask বসবে, দাড়ি বা ফুলস্টপ হবে এবং প্রেজেন্ট টেন্স পরিবর্তন হয়ে পাস্ট টেন্সে রূপান্তরিত হবে।
21. Identify the word having the same form in both singular and plural.
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Moose কেন সঠিক: - কিছু নাউন বা বিশেষ্য পদ রয়েছে যা একবচন এবং বহুবচন উভয় ক্ষেত্রেই একই রূপ বজায় রাখে। - Moose শব্দটির ক্ষেত্রে Singular এবং Plural উভয় রূপই Moose হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cuff — এটি একটি নিয়মিত নাউন, যার বহুবচন রূপ হলো Cuffs। B) Hunk — এটি একটি নিয়মিত নাউন, যার বহুবচন রূপ হলো Hunks। C) Life — এটি এমন একটি নাউন যার শেষে fe থাকে এবং এর বহুবচন রূপ হলো Lives। D) Moose — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর একবচন ও বহুবচন রূপ একই। মনে রাখার টিপস: Deer, Sheep, Moose এবং Fish শব্দগুলোর একবচন ও বহুবচন রূপ সর্বদা একই থাকে।
25. Select the antonym for 'Generous' is:
Created 1 day ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Stingy কেন সঠিক: - Generous শব্দের অর্থ হলো উদার বা যে ব্যক্তি মুক্তহস্তে দান করে। - Stingy শব্দের অর্থ হলো কৃপণ বা যে ব্যক্তি সহজে টাকা বা সম্পদ খরচ করতে চায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Cruel — এর অর্থ নিষ্ঠুর, যা উদার শব্দের বিপরীতার্থক হিসেবে সরাসরি প্রযোজ্য নয়। B) Harsh — এর অর্থ কঠোর বা কর্কশ, যা মূলত আচরণের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। C) Friendly — এর অর্থ বন্ধুত্বপূর্ণ, যা উদার শব্দের সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। D) Stingy — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ কৃপণ যা উদার শব্দের বিপরীত। মনে রাখার টিপস: Generous মানে উদার আর তার ঠিক উল্টো Stingy মানে কৃপণ, যা মনে রাখতে উদারতার বিপরীত কৃপণতা এই সাধারণ ধারণাটি মাথায় রাখা যায়।

মোট প্রশ্ন (15)

1. a + b = 3 এবং ab = 2 হলে, a³ + b³ = কত?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
2. 9^(2x - 5) = 1/27 হলে, x এর মান কত?
Created 1 day ago | Updated 1 minute ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
4. log₁₀ x = - 2 হলে, x এর মান কত?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ০.০১ প্রদত্ত তথ্য: লগারিদমের ভিত্তি হলো দশ লগ এর মান হলো মাইনাস দুই ধরি, লগ এর সমীকরণটি হলো লগ দশ ভিত্তিক এক্স সমান মাইনাস দুই লগারিদমের নিয়ম অনুযায়ী একে সূচকে রূপান্তর করা যায় অতএব, এক্স সমান দশ এর পাওয়ার মাইনাস দুই এক্স সমান এক ভাগ দশ এর পাওয়ার দুই সুতরাং, এক্স সমান এক ভাগ একশ এক্স সমান শূন্য দশমিক শূন্য এক উত্তর: ০.০১
5. 4 মিটার ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের পরিধি কত মিটার?
Created 1 day ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮π প্রদত্ত তথ্য: বৃত্তের ব্যাসার্ধ = ৪ মিটার ধরি, বৃত্তের পরিধি নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করতে হবে অতএব, বৃত্তের পরিধি = ২ × π × ব্যাসার্ধ সুতরাং, বৃত্তের পরিধি = ২ × π × ৪ উত্তর: ৮π মিটার
11. একটি ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ৩ : ৪ : ৫ হলে, ক্ষুদ্রতর কোণটি কত ডিগ্রী?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৪৫০ প্রদত্ত তথ্য: ত্রিভুজের তিনটি কোণের অনুপাত ৩ : ৪ : ৫ ত্রিভুজের তিন কোণের সমষ্টি ১৮০০ ধরি, প্রথম কোণটি = ৩ক দ্বিতীয় কোণটি = ৪ক তৃতীয় কোণটি = ৫ক অতএব, তিন কোণের সমষ্টি = ৩ক + ৪ক + ৫ক = ১২ক শর্তমতে, ১২ক = ১৮০০ সুতরাং, ক = ১৮০০ ÷ ১২ = ১৫০ উত্তর: ক্ষুদ্রতর কোণটি = ৩ × ১৫০ = ৪৫০
12. |x - 2|< 5 হলে, নিচের কোনটি সঠিক?
Created 1 day ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) −৩ < x < ৭ প্রদত্ত তথ্য: অসমতাটি হলো পরম মানযুক্ত অসমতা |x − ২| < ৫ ধরি, পরম মানের সংজ্ঞা অনুযায়ী অসমতাটিকে ভাঙতে হবে −৫ < x − ২ < ৫ অতএব, মাঝের x একা রাখতে সব পক্ষের সাথে দুই যোগ করতে হবে −৫ + ২ < x < ৫ + ২ সুতরাং, যোগ করে পাই −৩ < x < ৭ উত্তর: −৩ < x < ৭

মোট প্রশ্ন (21)

3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য কে ছিলেন?
Created 1 day ago | Updated 15 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) স্যার এ.এফ. রহমান কেন সঠিক: - স্যার এ.এফ. রহমান ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় (বাঙালি) উপাচার্য। - তিনি ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত এই দায়িত্ব পালন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ — তিনি বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ও পন্ডিত হলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন না। B) ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় উপাচার্য ছিলেন, প্রথম ভারতীয় নন। C) স্যার এ.এফ. রহমান — এই অপশনটি সঠিক এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভারতীয় উপাচার্য ছিলেন। D) ড. মাহমুদ হোসেন — তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন কিন্তু প্রথম ভারতীয় নন। মনে রাখার টিপস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন ফিলিপ হার্টস এবং প্রথম ভারতীয় বা বাঙালি উপাচার্য ছিলেন স্যার এ.এফ. রহমান।
6. কোন দেশটি আরব লীগের সদস্য নয়?
Created 1 day ago | Updated 5 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ইরান কেন সঠিক: - আরব লীগ মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার আরবভাষী দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক সংস্থা। - ইরান মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হলেও এর প্রধান ভাষা ফার্সি এবং এটি আরব জাতির অন্তর্ভুক্ত নয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লেবানন — এটি আরব লীগের একটি প্রতিষ্ঠাতা সদস্য রাষ্ট্র এবং এর প্রধান ভাষা আরবি। B) জর্ডান — এটি আরব লীগের অন্যতম সদস্য রাষ্ট্র এবং এর জনসংখ্যা আরব জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। C) ইরান — এটি আরব লীগের সদস্য নয় কারণ এটি পারস্য বা ইরানি সংস্কৃতির দেশ। D) কাতার — এটি আরব উপদ্বীপে অবস্থিত আরব লীগের একটি পূর্ণ সদস্য রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: আরব লীগের সদস্য হতে হলে আরব জাতিগোষ্ঠী ও আরবি ভাষার হওয়া আবশ্যক, তাই পারস্যের দেশ ইরান এর সদস্য নয়।
7. বাংলাদেশের জাতীয় শিশুনীতি অনুসারে শিশুর বয়স সীমা কত?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ০-১৮ বছর কেন সঠিক: - জাতীয় শিশুনীতি ২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশের আইনে ০ থেকে ১৮ বছর বয়সী সকল ব্যক্তিকে শিশু হিসেবে গণ্য করা হয়। - জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদ ১৯৮৯ অনুযায়ী ১৮ বছরের নিচে সবাই শিশু, যার সঙ্গে সংগতি রেখে এই বয়সসীমা নির্ধারিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ০-১৮ বছর — এই বয়সসীমাটি জাতীয় শিশুনীতি এবং আন্তর্জাতিক শিশু অধিকার সনদের সঙ্গে সম্পূর্ণ সঙ্গতিপূর্ণ এবং সঠিক। B) ০-৮ বছর — এই বয়সসীমাটি শিশুর সংজ্ঞার জন্য অনেক কম এবং এটি প্রাথমিক শৈশব বিকাশের একটি নির্দিষ্ট পর্যায় মাত্র। C) ১-২০ বছর — এই বয়সসীমাটি আইনগত বা নীতিগতভাবে শিশুর সংজ্ঞার সঙ্গে মিলে না কারণ এতে জন্মের প্রথম বছর বাদ পড়েছে এবং বয়স ১৮ এর বেশি। D) ০-১২ বছর — এই বয়সসীমাটি শৈশবকাল বোঝালেও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী শিশু অধিকারের পূর্ণ বয়সসীমা হিসেবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। মনে রাখার টিপস: জাতিসংঘের শিশু অধিকার সনদের সঙ্গে মিল রেখে বাংলাদেশের শিশুনীতিতে ১৮ বছর পর্যন্ত বয়সকে শিশু বলা হয়েছে, তাই ১৮ সংখ্যাটি মনে রাখতে হবে।
9. মন্ত্রী পরিষদের প্রধান কে?
Created 1 day ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) প্রধানমন্ত্রী কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৫৫ এর ধারা ২ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। - সরকারের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানত প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে এবং তিনি মন্ত্রী সভার অন্যান্য মন্ত্রীদের নিয়োগ ও অপসারণের জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট সুপারিশ করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্পীকার — তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান এবং সংসদ অধিবেশন পরিচালনা করেন, মন্ত্রী পরিষদের প্রধান নন। B) মন্ত্রী পরিষদ সচিব — তিনি মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান এবং সচিবালয়ের কাজের সমন্বয় করেন, তবে মন্ত্রী পরিষদের রাজনৈতিক প্রধান নন। C) চিফ হুইপ — তিনি সংসদে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা ও আইন প্রণয়নে সরকারের পক্ষে সমন্বয়কের ভূমিকা পালন করেন। D) প্রধানমন্ত্রী — প্রদত্ত সঠিক উত্তরটি সংবিধান অনুযায়ী সঠিক ও সর্বসম্মত। মনে রাখার টিপস: সরকারের নির্বাহী বিভাগ বা মন্ত্রী পরিষদের প্রধান সব সময় সরকারপ্রধান অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী হন।
13. পাপুয়া নিউগিনি কোন দেশ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে?
Created 1 day ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) অস্ট্রেলিয়া কেন সঠিক: - পাপুয়া নিউগিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে অস্ট্রেলিয়ার শাসনাধীন একটি অঞ্চল বা ট্রাস্ট টেরিটরি হিসেবে পরিচালিত হতো। - দীর্ঘ ঔপনিবেশিক শাসনের পর ১৯৭৫ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এটি অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা লাভ করে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ফ্রান্স — ফ্রান্সের কোনো ঔপনিবেশিক বা প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ পাপুয়া নিউগিনির ওপর ছিল না। B) যুক্তরাজ্য — যুক্তরাজ্য এই অঞ্চলের ঔপনিবেশিক শাসক ছিল না, তাই যুক্তরাজ্য থেকে এটি স্বাধীনতা লাভ করেনি। C) অস্ট্রেলিয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ পাপুয়া নিউগিনি অস্ট্রেলিয়ার প্রশাসন থেকে স্বাধীনতা অর্জন করেছিল। D) যুক্তরাষ্ট্র — যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই অঞ্চলের ঔপনিবেশিক বা শাসনসংক্রান্ত কোনো ঐতিহাসিক সম্পর্ক ছিল না। মনে রাখার টিপস: পাপুয়া নিউগিনির প্রতিবেশী দেশ অস্ট্রেলিয়া, তাই এটি অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকেই স্বাধীনতা লাভ করেছে।
18. "ই-৮" কি?
Created 1 day ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৮টি পরিবেশ দূষণকারী দেশ কেন সঠিক: - ই-৮ হলো বিশ্বের প্রধান আটটি উন্নয়নশীল দেশ যারা সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন করে পরিবেশ দূষণের জন্য দায়ী। - এই দেশগুলোর মধ্যে চীন, ভারত, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকার মতো উচ্চ কার্বন নিঃসরণকারী রাষ্ট্রগুলো অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৮টি দরিদ্র দেশ — এটি অর্থনৈতিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে গঠিত কোনো দরিদ্র রাষ্ট্রসমূহের জোট নয়। B) ৮টি ধনী দেশ — এটি শিল্পোন্নত ও ধনী দেশগুলোর জি-৮ বা জি-৭ জোটকে বোঝায় না। C) ৮টি পরিবেশ দূষণকারী দেশ — এটি পরিবেশগতভাবে সর্বাধিক কার্বন নিঃসরণকারী আটটি প্রধান উন্নয়নশীল দেশকে নির্দেশ করে। D) ৮টি শিল্পোন্নত দেশ — ঐতিহ্যগতভাবে জি-৮ হলো ধনী ও শিল্পোন্নত দেশগুলোর জোট, যা ই-৮ এর ভিন্ন প্রেক্ষাপট। মনে রাখার টিপস: ই-৮ মানে পরিবেশের শত্রু আটটি উন্নয়নশীল দেশ, যারা বেশি দূষণ ঘটায়।
19. আয়তন বিবেচনায় পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র কোনটি?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) কানাডা কেন সঠিক: - পৃথিবীর মোট আয়তনের দিক থেকে কানাডা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশ যার আয়তন প্রায় ৯৯ লাখ বর্গকিলোমিটার। - রাশিয়া প্রথম স্থানে থাকলেও আমেরিকার মহাদেশে কানাডা আয়তনে সর্ববৃহৎ দেশ হিসেবে পরিচিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাশিয়া — এটি বিশ্বের প্রথম বৃহত্তম রাষ্ট্র এবং আয়তনে সবচেয়ে বড়। B) কানাডা — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। C) আমেরিকা — এটি আয়তন বিবেচনায় বিশ্বের চতুর্থ বা তৃতীয় বৃহত্তম দেশ হিসেবে গণনায় আসে। D) চীন — এটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। মনে রাখার টিপস: বিশ্বের বৃহত্তম দেশগুলোর ক্রম মনে রাখার জন্য রাশিয়ার পর কানাডার নাম মনে রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (10)

2. কোন ভিটামিন একটি অ্যান্টি অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ভিটামিন C ১. কেন সঠিক: ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে যা শরীরের কোষগুলোকে মুক্ত র‍্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে। মুক্ত র‍্যাডিকেল হলো অস্থির অণু যা কোষের ক্ষতি করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, তাই ভিটামিন সি এদের নিষ্ক্রিয় করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হলো এমন সব রাসায়নিক পদার্থ যা জারণ প্রক্রিয়া রোধ করে এবং শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে। কার্যপ্রণালি: ভিটামিন সি নিজে জারিত হয়ে অন্য পদার্থকে বা কোষকে রক্ষা করে এবং শরীরকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। বাস্তব প্রয়োগ: লেবুজাতীয় ফল খাওয়ার মাধ্যমে আমরা এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গ্রহণ করি যা আমাদের ত্বক ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো রাখে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: কাটা আপেলে লেবুর রস লাগালে আপেল বাদামি হয় না। ব্যাখ্যা: লেবুতে থাকা ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে আপেলের জারণ প্রক্রিয়া আটকে দেয়। উদাহরণ ২: ঠান্ডা লাগলে বা সর্দি হলে কমলা বা মাল্টা খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ব্যাখ্যা: এতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভিটামিন A — এটি রেটিনল নামে পরিচিত এবং প্রধানত দৃষ্টিশক্তি রক্ষায় ও চোখের স্বাস্থ্যে কাজ করে, এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে প্রধান নয়। B) ভিটামিন B — এটি ভিটামিন বি কমপ্লেক্স নামে পরিচিত যা শক্তির উৎপাদন ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতায় সাহায্য করে, সরাসরি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নয়। C) ভিটামিন C — এটি একটি জলদ্রবণীয় ভিটামিন যা চমৎকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কোষে কাজ করে এবং রোগ প্রতিরোধ করে। D) ভিটামিন D — এটি ক্যালসিয়াম শোষণ ও হাড়ের গঠনে কাজ করে, তবে এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: ভিটামিন সি টক ফলে থাকে এবং টক ফল আমাদের সতেজ ও তরুণ রাখে, তাই এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। ভিটামিন সি হলো অ্যাসকরবিক অ্যাসিড যা আমাদের ত্বকের কোলাজেন গঠনেও সাহায্য করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: ভিটামিন সি এর অভাবে স্কার্ভি রোগ হয় এবং এটি একটি পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন। বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়ই ভিটামিন ও তাদের উৎস বা অভাবজনিত রোগ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে।
5. নিম্নের কোন জলজ প্রাণীর ফুলকা নেই?
Created 1 day ago | Updated 11 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) তিমি ১. কেন সঠিক: তিমি পানিতে বসবাস করলেও এটি মাছ নয়, বরং স্তন্যপায়ী প্রাণী। স্তন্যপায়ী হওয়ার কারণে তিমির ফুলকা থাকে না এবং এরা ফুলকার সাহায্যে শ্বাস নিতে পারে না। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: তিমি ফুসফুসের সাহায্যে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। এরা পানিতে বাস করলেও শ্বাস নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময় পরপর পানির ওপরে উঠে আসে। কার্যপ্রণালি: তিমির মাথার ওপর ব্লোহোল বা ফুসফুসের ছিদ্র থাকে যার মাধ্যমে এরা পুরোনো বাতাস ত্যাগ করে এবং নতুন বাতাস গ্রহণ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ডলফিন ব্যাখ্যা: ডলফিনও তিমির মতো জলচর স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং এদেরও ফুসফুস থাকে, ফুলকা থাকে না। উদাহরণ ২: রুই মাছ ব্যাখ্যা: রুই মাছ প্রকৃত জলজ প্রাণী এবং পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন নেওয়ার জন্য এদের ফুলকা থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্কুইড — এটি মোলাস্কা পর্বের জলজ প্রাণী এবং পানিতে শ্বাস নেওয়ার জন্য এদের ফুলকা থাকে। B) তিমি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং ফুলকার পরিবর্তে ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাস নেয়। C) অক্টোপাস — এটি সামুদ্রিক প্রাণী এবং ফুলকার সাহায্যে পানি থেকে অক্সিজেন শোষণ করে। D) ক্লাউন মাছ — এটি প্রকৃত মাছ এবং ফুলকা হলো এর প্রধান শ্বাস অঙ্গ। ৫. মনে রাখার টিপস: যেকোনো জলজ প্রাণী দেখলেই মাছ ভেবে ফুলকা দাগানো যাবে না, কারণ তিমি ও ডলফিন হলো স্তন্যপায়ী প্রাণী যাদের ফুসফুস থাকে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তিমি বা ডলফিন কোন শ্রেণির প্রাণী এবং এদের শ্বাস অঙ্গ কী, তা প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
6. বিশুদ্ধ পানির pH কত?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
8. চন্দ্র কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের-
Created 1 day ago | Updated 58 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ছয়ভাগের একভাগ ১. কেন সঠিক: - ভর স্থির থাকলেও অভিকর্ষজ ত্বরণের মানের পার্থক্যের কারণে কোনো বস্তুর ওজনের পরিবর্তন ঘটে। - চন্দ্রের ভর ও ব্যাসার্ধ পৃথিবীর তুলনায় কম হওয়ায় চন্দ্রপৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণের ছয়ভাগের একভাগ হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ওজন হলো কোনো বস্তুর ওপর পৃথিবীর বা অন্য কোনো গ্রহের অভিকর্ষ বলের পরিমাণ, যার সূত্র হলো ওজন সমান ভর গুণ অভিকর্ষজ ত্বরণ। - সূত্র বা তত্ত্ব: পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণ যদি জি হয়, তবে চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ হবে জি ভাগ ছয়। - কারণ ও ফলাফল: ত্বরণ ছয়ভাগের একভাগ হওয়ায় চাঁদে যেকোনো বস্তুর ওজনও পৃথিবীর ওজনের তুলনায় ছয়ভাগের একভাগ হয়ে যায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পৃথিবীতে কোনো মানুষের ওজন যদি ষাট কেজি বা ছয়শো নিউটন হয়, তবে চাঁদে তার ওজন হবে ঠিক একশো নিউটন। ব্যাখ্যা: মানুষের শরীরের ভর অপরিবর্তিত থাকলেও চাঁদের কম অভিকর্ষ বলের টানের কারণে ওজনের এই তারতম্য ঘটে। উদাহরণ ২: মহাশূন্যচারীরা চাঁদে হাঁটার সময় স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক উঁচুতে লাফাতে পারেন। ব্যাখ্যা: চাঁদের কম ওজনের কারণে তাদের শরীর অনেক হালকা অনুভূত হয় এবং অভিকর্ষের টান কম থাকে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ছয়ভাগের একভাগ — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি পৃথিবীর ছয়ভাগের একভাগ। B) তিনগুণ — এটি ভুল কারণ কোনো গ্রহ বা উপগ্রহে পৃথিবীর চেয়ে অভিকর্ষ বল তিনগুণ বেশি নয়। C) দুইভাগের একভাগ — এটি ভুল কারণ চাঁদের অভিকর্ষ বল পৃথিবীর অর্ধেক বা দুইভাগের একভাগ নয়। D) দুইগুণ — এটি ভুল কারণ চাঁদে পৃথিবীর তুলনায় ওজন কম হয়, দ্বিগুণ বা বেশি হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: - চাঁদে গেলে ওজন কমে যায় এবং তা পৃথিবীর ওজনের ঠিক ছয় ভাগের এক ভাগে নেমে আসে। - ভর সব সময় সমান থাকে কিন্তু ওজন স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভর ও ওজনের পাথর্ক্য এবং চাঁদের ওজন সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়ই আসে। - মনে রাখতে হবে, বস্তুর ভর ধ্রুবক হলেও ওজনের মান স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়।
9. চোখের লেন্সের ধরন কোনটি?
Created 1 day ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) দ্বি-উত্তল ১. কেন সঠিক: - চোখের লেন্স এমন একটি প্রাকৃতিক প্রতিসারক মাধ্যম যা আলোকে এক বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করতে সাহায্য করে। - এই লেন্সটির উভয় পৃষ্ঠই বাইরের দিকে বাঁকানো বা স্ফীত থাকে বলে একে দ্বি-উত্তল লেন্স বলা হয়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: আলোকবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী যে লেন্সের মাঝখানটা মোটা এবং প্রান্তগুলো সরু তাকে উত্তল লেন্স বলে। - কার্যপ্রণালি: চোখের ভেতরে আলো প্রবেশের পর এই দ্বি-উত্তল লেন্স আলোর রশ্মিগুলোকে প্রতিসরণ করে রেটিনার ওপরে একটি উল্টো ও ক্ষুদ্র বাস্তব প্রতিবিম্ব তৈরি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: উত্তল লেন্সের সাহায্যে সূর্যের আলোকে একত্রিত করে কাগজ পোড়ানো। ব্যাখ্যা: সমান্তরাল আলোক রশ্মি উত্তল লেন্সের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে মিলিত হয়, ঠিক যেমন চোখ দূরের বস্তুর আলোকে রেটিনায় কেন্দ্রীভূত করে। উদাহরণ ২: বিবর্ধক কাচ বা ম্যাগনিফাইং গ্লাস। ব্যাখ্যা: ম্যাগনিফাইং গ্লাসেও উত্তল লেন্স ব্যবহৃত হয় যা বস্তুকে বড় করে দেখাতে সাহায্য করে, যা চোখের প্রাকৃতিক লেন্সের প্রতিসরণ ক্ষমতার সঙ্গে তুলনীয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) উত্তল — এটি সঠিক উত্তরের কাছাকাছি হলেও সম্পূর্ণ নয় কারণ চোখের লেন্সের নির্দিষ্ট গঠন বোঝাতে দ্বি-উত্তল শব্দটি বেশি নিখুঁত। B) অবতল — অবতল লেন্স আলোকরশ্মিকে ছড়িয়ে দেয়, যা চোখের ভেতরে আলো কেন্দ্রীভূত করার কাজের সম্পূর্ণ বিপরীত। C) দ্বি-উত্তল — এটি সঠিক কারণ এই লেন্সের সামনে ও পেছন উভয় পৃষ্ঠই উত্তল বা বাইরের দিকে স্ফীত। D) দ্বি-অবতল — এটি এমন একটি লেন্স যার উভয় পৃষ্ঠ ভেতরের দিকে বাঁকানো এবং এটি সাধারণত অবতল চশমায় ব্যবহৃত হয়। ৫. মনে রাখার টিপস: চোখের লেন্সের কথা মনে রাখতে চাইলে ভাবুন মানুষের চোখ বাইরে থেকে একটু গোল ও সামনের দিকে ফোলা থাকে, আর ফোলা মানেই সেটি দ্বি-উত্তল লেন্স। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই চোখের কোন অংশে প্রতিবিম্ব গঠিত হয় এই প্রশ্ন আসে, উত্তর হলো রেটিনা। একই ধারণা থেকে চোখের ত্রুটি যেমন মায়োপিয়া ও হাইপারমেট্রোপিয়া সংশোধনে কোন লেন্স ব্যবহার করা হয়, সে সম্পর্কিত প্রশ্ন আসতে পারে।
10. ল্যাকটিক এসিড নিচের কোনটিতে পাওয়া যায়?
Created 1 day ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) দই ১. কেন সঠিক: দইতে প্রচুর পরিমাণে ল্যাকটিক এসিড থাকে যা দুধের ল্যাকটোজ শর্করার গাঁজন প্রক্রিয়ার ফলে উৎপন্ন হয়। ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক ব্যাকটেরিয়ার ক্রিয়ায় দুধের শর্করা ভেঙে এই জৈব এসিড তৈরি হয় এবং দইয়ের টক স্বাদ সৃষ্টি করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: ল্যাকটিক এসিড হলো একটি জৈব এসিড যার রাসায়নিক সংকেত হলো সি থ্রি এইচ সিক্স ও থ্রি। কার্যপ্রণালি: দুধের মধ্যে থাকা ল্যাকটোজ ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে অবাত শ্বসন প্রক্রিয়ায় ফারমেন্টেশন বা গাঁজন ঘটিয়ে ল্যাকটিক এসিডে রূপান্তরিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: পেশিতে ক্লান্তি ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত দৌড়ঝাঁপ বা ব্যায়ামের সময় অক্সিজেনের অভাবে পেশিতে ল্যাকটিক এসিড জমে এবং ব্যথা অনুভূত হয়। উদাহরণ ২: পনির তৈরি ব্যাখ্যা: দুধ থেকে ছানা বা পনির তৈরির সময় ল্যাকটিক এসিডের উপস্থিতি প্রোটিন জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) দই — এটি সঠিক উত্তর কারণ এতে ল্যাকটিক এসিড পাওয়া যায়। B) পালংশাক — এটি ভুল কারণ পালংশাকে অক্সালিক এসিড থাকে যা এর কিছুটা কষা স্বাদের জন্য দায়ী। C) লেবু — এটি ভুল কারণ লেবুতে সাইট্রিক এসিড প্রধান উপাদান হিসেবে বিদ্যমান থাকে। D) ভিনেগার — এটি ভুল কারণ ভিনেগারের মূল রাসায়নিক উপাদান হলো এসিটিক এসিড। ৫ মনে রাখার টিপস: দুধ থেকে দই বানায় ব্যাকটেরিয়া আর দই খেলেই জিভে নাচে ল্যাকটিক এসিডের টক স্বাদ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: খাবারে বিদ্যমান বিভিন্ন এসিডের নাম বিসিএস এবং ব্যাংক পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি টপিক। ভবিষ্যতে প্রশ্ন আসতে পারে পিঁপড়ার কামড়ে কোন এসিড থাকে, যার উত্তর হবে ফরমিক এসিড।