প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২ (ড্যাফোডিল সেট ১)।

পদের নাম: প্রধান শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

2. ‘সাত নরী হার’ কাব্যগ্রন্থটি কোন কবির রচনা?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কারণ ‘সাত নরী হার’ কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। - বাংলা কবিতায় আধুনিক চেতনা এবং বাঙালি সংস্কৃতি ফুটিয়ে তুলতে এই কবির বিশেষ অবদান রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ আধুনিক বাংলা কবিতার একজন প্রথিতযশা কবি ও ভাষাসৈনিক। - তাঁর রচিত ‘সাত নরী হার’ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘কোন এক কালে’ ব্যাখ্যা: এটি কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: ‘মা গো পেছন থেকে বলছি’ ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দীর্ঘ কবিতা যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল মান্নান সৈয়দ — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্য সমালোচক হলেও ‘সাত নরী হার’ তাঁর কাব্যগ্রন্থ নয়। B) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই কাব্যগ্রন্থের নাম। C) বেলল চৌধুরী — ইনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও লেখক হলেও এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। D) নির্মলেন্দু গুণ — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর নাম মনে রাখলে তাঁর ‘সাত নরী হার’ ও ‘কোন এক কালে’ কাব্যগ্রন্থ দুটি একসঙ্গে ছলে পড়তে পারো। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়াতে কবির বিখ্যাত কবিতা ও কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশিষ্ট কবিদের কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়। - কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর সাহিত্যকর্ম যেমন কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
6. যিনি বক্তৃতা দানে পটু তাকে বলে-
Created 2 days ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাগ্মী ১. কেন সঠিক: - যিনি খুব সুন্দর ও সাবলীলভাবে বক্তৃতা দানে পটু, তাকে এককথায় বাগ্মী বলা হয়। - এই শব্দটি বিশেষ করে দক্ষ বক্তা বা যাঁদের বাকণ্মিতা অসাধারণ, তাঁদের বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে সংক্ষেপে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো বাক্য সংকোচন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি একজন বাগ্মী নেতা হিসেবে সারা দেশে পরিচিত। ব্যাখ্যা: এখানে নেতার চমৎকার বক্তৃতা দেওয়ার পারদর্শিতা বোঝাতে বাগ্মী শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সংসদ ভবনে তাঁর বাগ্মিতাপূর্ণ বক্তব্য সবাই মুগ্ধ হয়ে শুনেছিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বক্তব্যের চমৎকারিত্ব প্রকাশ করতে বাগ্মিতা শব্দটি এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাকপটু — এই শব্দটির অর্থ যিনি কথা বলতে পটু বা চালাক, তবে তা সবসময় জনসভার বক্তৃতা দানে পটু হওয়া বোঝায় না। B) বাগ্মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশেষভাবে বক্তৃতার ক্ষেত্রে পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। C) সুবক্তা — এটি সাধারণভাবে ভালো বক্তা বোঝায়, তবে ব্যাকরণগত এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ডে বাগ্মী বেশি উপযুক্ত। D) অনলবর্ষী — এই শব্দটির অর্থ যিনি অত্যন্ত তেজস্বী বা আক্রমণাত্মক ভাষায় বক্তৃতা বা লেখা প্রকাশ করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে বা বক্তৃতায় পারদর্শী বোঝাতে বাগ্মী শব্দটি মনে রাখবে বাগ বা বাক শব্দ থেকে, যার অর্থ কথা। - কথা বলার বিশেষ নৈপুণ্য বোঝাতে বাগ্মী শব্দটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বাকপটু এবং বাগ্মী শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
7. ‘সুরভি’ এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুতি ১. কেন সঠিক: - সুরভি শব্দের অর্থ হলো সুগন্ধ বা সুবাস। - এর বিপরীতার্থক বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে পুতি শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ দুর্গন্ধ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম, অর্ধ-তদ্ভব ও দেশি শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ জানা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুরভি ছড়ানো ফুল ব্যাখ্যা: এটি সুন্দর গন্ধ বা সুবাস ছড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পুতি গন্ধময় আবর্জনা ব্যাখ্যা: এটি দুর্গন্ধযুক্ত বা পচা কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ — কৃষ শব্দের অর্থ দুর্বল বা ক্ষীণ, যা সুরভি শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) শুভ্র — শুভ্র শব্দের অর্থ সাদা বা উজ্জ্বল, যার বিপরীত শব্দ হলো অশুভ্র বা কৃষ্ণ। D) সুশীল — সুশীল শব্দের অর্থ ভালো চরিত্রের অধিকারী, যার বিপরীত শব্দ হলো দুশীল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুরভি মানে সুগন্ধ এবং পুতি মানে দুর্গন্ধ। - সু দিয়ে শুরু শব্দটির বিপরীত পুতি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের মূল অর্থ জানা থাকলে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ সহজে নির্ণয় করা যায়।
8. ‘চন্দ্র’ এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অদ্রি ১. কেন সঠিক: - 'চন্দ্র' শব্দের অর্থ চাঁদ, যা রাতের আকাশকে আলোকিত করে এবং এর অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'অদ্রি' শব্দটি চন্দ্রের সমার্থক নয়, কারণ এর অর্থ পর্বত বা পাহাড়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয় কিন্তু রূপ বা বানান ভিন্ন। - বাংলা ভাষায় একই বস্তুর একাধিক নাম থাকতে পারে, যা শব্দের ভাণ্ডার ও লেখার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ হলো রবি, দিবাকর, ভাস্কর ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: এগুলো সবই সূর্যের বিভিন্ন রূপ ও গুণের প্রকাশ ঘটায়। উদাহরণ ২: নদী শব্দের সমার্থক শব্দ হলো তটিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বিনী ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো নদীর গতিশীল রূপকে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অদ্রি — এই অপশনটি সঠিক কারণ অদ্রি শব্দের অর্থ পর্বত বা পাহাড়, যা চন্দ্রের সমার্থক শব্দ নয়। B) হিমকর — এই অপশনটি ভুল কারণ হিমকর শব্দের অর্থ চাঁদ, যা চন্দ্রের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ। C) নিশাকর — এই অপশনটি ভুল কারণ নিশাকর শব্দের অর্থ চাঁদ, যা রাত্রির সাথে সম্পর্কিত চন্দ্রের সমার্থক। D) চাঁদ — এই অপশনটি ভুল কারণ চাঁদ হলো চন্দ্র শব্দের তদ্ভব বা প্রচলিত রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদের সাথে কর যুক্ত শব্দ যেমন হিমকর, নিশাকর, সুধাকর সাধারণত চাঁদের সমার্থক হয়। - পর্বত বা পাহাড় বোঝাতে অদ্রি, গিরি, শৈল শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ এবং উৎস ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। - প্রাকৃতিকভাবে বিপরীত বা ভিন্নার্থক শব্দগুলো আলাদা করতে পারলে সঠিক উত্তর সহজে পাওয়া যায়।
9. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গৃহিণী ১. কেন সঠিক: গৃহিণী শব্দটির বানান বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে হ্রস্ব ই-কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম এই শব্দটির মূল রূপ সংরক্ষণের জন্য বানানে ই-কার এবং ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দে ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ অথবা র, ষ থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য ণ এ পরিণত হয়। গৃহ শব্দটির সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত এই শব্দটিতে ণ-ত্ব বিধানের নিয়মানুযায়ী মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্ৰতিমূর্তি ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত তৎসম শব্দ যা একই ব্যাকরণগত ও বানানরীতি অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মণীষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ণ-ত্ব বিধানের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৃহিনী — এই বানানে শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল কারণ সঠিক বানানে দীর্ঘ ঈ-কার হবে। B) গৃহিণি — এই বানানে প্রথম অংশে হ্রস্ব ই-কার এবং শেষের অংশেও হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। C) গৃহীনি — এই বানানে প্রথম অংশে দীর্ঘ ঈ-কার এবং শেষের অংশে দন্ত ন ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। D) গৃহিণী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে প্রথম অংশে হ্রস্ব ই-কার, মধ্যের বর্ণে মূর্ধন্য ণ এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার সঠিকভাবে বসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: গৃহিণী বানানের প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার বসে এবং মাঝে মূর্ধন্য ণ হয়। পরীক্ষায় বানান নির্ভুল রাখতে শব্দের শেষাংশের দীর্ঘ ঈ-কার এবং মূর্ধন্য ণের ব্যবহার বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বানান শুদ্ধিকরণে তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান এবং ই-কার ও ঈ-কার ব্যবহারের নিয়ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই রকম নিয়মের আওতাধীন অন্যান্য তৎসম শব্দগুলোর বানান অনুশীলন করলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো করা সম্ভব।
15. ‘বিজয়া’ নাটকটির রচয়িতা কে?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ‘বিজয়া’ হলো অমর কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক। - এটি মূলত তাঁরই ‘বিলাসী’ ও ‘দত্তা’ উপন্যাসের সমসাময়িক ধারার একটি সামাজিক নাটক, যা নাট্যরূপের মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব ফুটিয়ে তুলেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের এক যুগান্তকারী কথাসাহিত্যিক, যিনি মূলত সমাজবাস্তবতা ও মানুষের আবেগ ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত। - তাঁর রচিত ‘বিজয়া’ নাটকটি মঞ্চে এবং পাঠকমহলে বেশ সমাদৃত হয়েছিল এবং এটি মূলত তাঁর ‘ষোড়শী’ নাটকের পরিমার্জিত রূপ হিসেবেও পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস ‘শ্রীকান্ত’ ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি আত্মজীবনীমূলক ও বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা উপন্যাস। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস ‘পল্লীসমাজ’ ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি নিজেই ‘বিজয়া’ নাটকের রচয়িতা। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি ও নাট্যকার হলেও তিনি ‘বিজয়া’ নাটকটি রচনা করেননি। C) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ঐতিহাসিক ও সামাজিক নাটকের জন্য বিখ্যাত হলেও তিনি এই নাটকের রচয়িতা নন। D) মীর মোশাররফ হোসেন — মীর মোশাররফ হোসেন বাংলা গদ্য ও নাট্যসাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ হলেও তাঁর বিখ্যাত নাটক হলো ‘জমীদার দর্পণ’। ৫. মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাটক মনে রাখার কৌশল হলো ‘ষোড়শী’ ও ‘বিজয়া’ নাটকের নাম একসঙ্গে মনে রাখা। - কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র উপন্যাসের পাশাপাশি সফল নাটকও উপহার দিয়েছেন, যার মধ্যে ‘বিজয়া’ অন্যতম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের নাটক ও উপন্যাসের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাট্যকর্ম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
17. ‘Gender’ কত প্রকার?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চার প্রকার কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে নাউন বা প্রোনাউনের লিঙ্গভেদ বোঝাতে জেন্ডার চার প্রকার। - এগুলো হলো ম্যাসকুলিন, ফেমিনিন, কমন এবং নিউটার জেন্ডার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার প্রকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইংরেজি জেন্ডার চার ভাগে বিভক্ত। B) তিন প্রকার — এই সংখ্যাটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ বাংলা বা ইংরেজি জেন্ডার তিন প্রকার হতে পারে না। C) দুই প্রকার — দুই প্রকার জেন্ডার বাংলা ব্যাকরণে প্রচলিত থাকলেও ইংরেজিতে জেন্ডার চার প্রকার। D) পাঁচ প্রকার — জেন্ডারের ক্ষেত্রে পাঁচ প্রকারের কোনো শ্রেণিবিভাগ ইংরেজিতে নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি জেন্ডার মনে রাখতে পুরুষ, স্ত্রী, উভয় এবং বস্তুবাচক এই চারটির কথা মনে রাখবে।
19. ‘Do you know them?’ বাক্যের passive voice হচ্ছে-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Are they known to you? কেন সঠিক: - ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সের ক্ষেত্রে Active Voice-এর 'Do' উঠে গিয়ে টেন্স ও পার্স অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব 'Are' বসেছে। - 'Know' ভার্বটির পর সাধারণত প্যাসিভ ভয়েসে 'by' preposition না বসে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী 'to' preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Is they known by you? — এখানে 'they' প্লুরাল সাবজেক্ট হওয়ায় এর সাথে 'Is' না হয়ে 'Are' হওয়ার কথা ছিল। B) Are they known with you? — 'Known' ভার্বের পর সঠিক preposition 'to' বসে, এখানে 'with' ব্যবহার করা ভুল। C) Are they known by you? — 'Know' ভার্বের পর প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী 'by' এর পরিবর্তে 'to' preposition বসে। D) Are they known to you? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে সাহায্যকারী ভার্ব এবং preposition উভয়ই সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Active voice-এ 'Know' থাকলে Passive voice-এ 'by' না বসিয়ে সবসময় 'to' preposition ব্যবহার করতে হয়।
20. He asked me when the next letter would come? বাক্যের Direct speech হচ্ছে-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He said to me, “When will the next letter come?” কেন সঠিক: - Indirect speech-এ when যুক্ত Interrogative sentence-কে Direct-এ রূপান্তর করার সময় reporting verb হিসেবে said to ব্যবহার করতে হয়। - Reported speech-এর past tense-এর would-কে Direct speech-এ Present indefinite tense-এর will করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said to me, “When would the next letter come?” — এখানে Reported speech-এ would ব্যবহার করা হয়েছে যা Present tense-এর জন্য প্রযোজ্য নয়। B) He said to me, “When will the next letter come?” — এটি সঠিক অপশন এবং সব ব্যাকরণগত নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলেছে। C) He asked to me, “When will the next letter come?” — এখানে said to-এর পরিবর্তে ভুলভাবে asked to ব্যবহার করা হয়েছে। D) He said to me, “When the next letter will will come?” — এখানে বাক্যটি Interrogative গঠনে না রেখে assertive গঠনে রাখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Indirect speech-এ would থাকলে Direct speech-এ সবসময় will ব্যবহার করতে হয় এবং প্রশ্নবোধক বাক্য ঠিক রাখতে Subject-এর আগে auxiliary verb বসাতে হয়।
22. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) We write in ink কেন সঠিক: - লেখার ক্ষেত্রে মাধ্যম বা উপকরণ বোঝাতে ইনক শব্দের পূর্বে ইন প্রিপজিশন বসে। - প্রমিত ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী রাইট ইন ইনক বাক্যটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is raining for three days — এটি ভুল, কারণ ধরে বা যাবৎ সময় উল্লেখ থাকলে বাক্যটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স হয়, তাই ইট হ্যাজ বিন রেইনিং হবে। B) You are an Hercules — এটি ভুল, কারণ প্রোপার নাউনের পূর্বে সাধারণত আর্টিকেল বসে না, তবে তুলনা বোঝালে দ্য বসে। C) We write in ink — এটি সঠিক বাক্য, তাই এটি কোনো ভুল অপশন নয়। D) He got the work by doing — এটি ভুল, কারণ ডুইং শব্দটি এই বাক্যে অর্থহীন এবং অসম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কলমের কালির সাহায্যে লেখা বোঝাতে ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়।
25. কোনটি শুদ্ধ বানান
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Sedantary (নোট: সঠিক বানানটি হলো Sedentary, প্রদত্ত অপশনের বানানটি সামান্য ভিন্ন হলেও কাছাকাছি হিসেবে সি চিহ্নিত করা হয়েছে।) কেন সঠিক: - ইংরেজি বানান নিয়মে নিষ্ক্রিয় বা অলস অর্থে Sedentary শব্দটির উৎপত্তি ল্যাটিন শব্দ Sedere থেকে। - এই শব্দটিতে e এবং a এর সঠিক বিন্যাস হলো S-e-d-e-n-t-a-r-y। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sydentary — এই বানানে প্রথম অক্ষর S-এর পরে y ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। B) Syndentry — এখানে বানানটিতে অতিরিক্ত n এবং ভুল প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) Sedantary — এই বানানটি মূলত সঠিক উত্তরের কাছাকাছি হলেও সঠিক প্রমিত বানান হলো Sedentary। D) Sydenteryans — এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল শব্দ এবং এর বানান গঠন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মানের সঙ্গে অসংগত। মনে রাখার টিপস: Sedentary বানানটি মনে রাখতে Se-den-tary এভাবে ভেঙে পড়তে পারো।
26. Antonym of the word ‘Torpid’ is-
Created 2 days ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
27. Synonym of the word ‘Mystery’ is-
Created 2 days ago | Updated 9 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
32. (0.008)³ = কত?
Created 2 days ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.৬E−৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ০.০০৮ এর ঘন বা কিউব নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যা = ০.০০৮ অতএব, সংখ্যাটিকে লেখা যায় ৮ গুণ ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৩ হিসেবে সুতরাং, এর কিউব করলে পাই আট এর কিউব গুণ ১০ এর পাওয়ার মাইনাস নয় উত্তর: ১.৬E−৫
33. ৭, ১০, ১৬, ২৮, ৫২ —— ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: ধারার প্রথম পদ = ৭ ধারার দ্বিতীয় পদ = ১০ ধারার তৃতীয় পদ = ১৬ ধারার চতুর্থ পদ = ২৮ ধারার পঞ্চম পদ = ৫২ ধরি, পদগুলোর মধ্যকার পার্থক্য বের করতে হবে অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় পদের পার্থক্য = ১০ − ৭ = ৩ দ্বিতীয় ও তৃতীয় পদের পার্থক্য = ১৬ − ১০ = ৬ তৃতীয় ও চতুর্থ পদের পার্থক্য = ২৮ − ১৬ = ১২ চতুর্থ ও পঞ্চম পদের পার্থক্য = ৫২ − ২৮ = ২৪ সুতরাং, পার্থক্যগুলোর দ্বিগুণ হচ্ছে পরের পার্থক্য, অর্থাৎ ২৪ এর দ্বিগুণ ৪৮ উত্তর: ৫২ + ৪৮ = ১০০
34. একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি এবং প্রস্থ ১০% হ্রাস করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮% বৃদ্ধি প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি পায় আয়তাকার ক্ষেত্রের প্রস্থ ১০% হ্রাস পায় ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, প্রাথমিক ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক পরিবর্তিত দৈর্ঘ্য = ১০০ + ২০ = ১২০ একক পরিবর্তিত প্রস্থ = ১০০ − ১০ = ৯০ একক সুতরাং, পরিবর্তিত ক্ষেত্রফল = ১২০ × ৯০ = ১০৮০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফলের পরিবর্তন = ১০৮০০ − ১০০০০ = ৮০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল ৮% বৃদ্ধি পাবে
36. পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৭৪ বছর এবং তাদের বয়সের অনুপাত ১০ বছর পূর্বে ছিল ৭ : ২। ১০ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?
Created 2 days ago | Updated 10 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১.৩০২৭৭৭৭৭৭৭৭৭৮ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৭৪ বছর ১০ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল ৭ : ২ ধরি, ১০ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল ৭ক বছর ১০ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল ২ক বছর অতএব, বর্তমানে পিতার বয়স = ৭ক + ১০ বছর বর্তমানে পুত্রের বয়স = ২ক + ১০ বছর সুতরাং, প্রশ্নমতে, (৭ক + ১০) + (২ক + ১০) = ৭৪ বা, ৯ক + ২০ = ৭৪ বা, ৯ক = ৫৪ অতএব, ক = ৬ তাই, ১০ বছর পূর্বে পিতার বয়স = ৭ × ৬ = ৪২ বছর এবং ১০ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স = ২ × ৬ = ১২ বছর বর্তমানে পিতার বয়স = ৪২ + ১০ = ৫২ বছর বর্তমানে পুত্রের বয়স = ১২ + ১০ = ২২ বছর ১০ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৫২ + ১০ = ৬২ বছর ১০ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ২২ + ১০ = ৩২ বছর উত্তর: ৬২ ÷ ৩২ = ১.৩০২৭৭৭৭৭৭৭৭৭৮
39. কোনটি সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূমি × উচ্চতা প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে সামান্তরিকের একটি বাহুকে ভূমি ধরতে হয় ধরি, সামান্তরিকের ভূমি = ক সামান্তরিকের উচ্চতা = খ অতএব, সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল হলো ভূমির সাথে উচ্চতার গুণফল ক্ষেত্রফল = ক × খ সুতরাং, জ্যামিতিক সূত্রানুসারে ক্ষেত্রফল সমান ভূমি গুণ উচ্চতা উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
41. a + b = 12 এবং ab = 35 হলে, a² + b² এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = ১২ ab = ৩৫ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে a স্কয়ার + b স্কয়ার এর অতএব, আমরা জানি a স্কয়ার + b স্কয়ার এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a + b) হোল স্কয়ার − ২ab সুতরাং, (১২) স্কয়ার − ২ × ৩৫ = ১৪৪ − ৭০ = ৭৪ উত্তর: ৭৪
43. 2x² - x - 3 এর উৎপাদক কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (২x − ৩)(x + ১) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো দুই x স্কয়ার বিয়োগ x বিয়োগ তিন ধরি, রাশিটির মধ্যপদ বিভাজনের মাধ্যমে উৎপাদক বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, প্রথম ও শেষ পদের গুণফল হলো দুই × (−৩) = −৬ x স্কয়ার সুতরাং, মাঝের পদ −x কে ভেঙে লেখা যায় −৩x এবং +২x উত্তর: (২x − ৩)(x + ১)
44. ৩০ জন লোক কোনো কাজ ২৪ দিনে করতে পারে। কাজ আরম্ভের ১২ দিন পর ১৫ জন লোক চলে গেলে বাকী লোক কত দিনে অবশিষ্ট কাজ সমাধান করতে পারবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ৩০ জন লোক কাজটি করে ২৪ দিনে কাজ আরম্ভের ১২ দিন পর ১৫ জন লোক চলে যায় ধরি, ৩০ জন লোকের ২৪ দিনের কাজ = ১ অংশ ৩০ জন লোকের ১ দিনের কাজ = ১ ÷ ২৪ অংশ ৩০ জন লোকের ১২ দিনের কাজ = ১২ ÷ ২৪ অংশ = ১ ÷ ২ অংশ অতএব, বাকি কাজ = ১ − (১ ÷ ২) অংশ = ১ ÷ ২ অংশ চলে যাওয়ার পর বাকি লোক = ৩০ − ১৫ = ১৫ জন লোক সুতরাং, ১৫ জন লোক ১ ÷ ২ অংশ কাজ করে যত দিনে তা হলো (২৪ × ৩০) ÷ ১৫ জনের জায়গায় হিসাব করে পাওয়া যায় ২৪ দিন উত্তর: ২৪ দিনে
47. বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন-
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্রাট আকবর কেন সঠিক: - সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে ফসলি সন বা বাংলা সন প্রবর্তন করেন, যা পরবর্তীতে পহেলা বৈশাখ হিসেবে উদযাপিত হয়। - খাজনা আদায় সহজ করার জন্য হিজরি চন্দ্রবর্ষ ও সৌরবর্ষের ওপর ভিত্তি করে এই নতুন বর্ষপঞ্জি চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট আকবর — সঠিক উত্তর কারণ তিনি বৈজ্ঞানিক উপায়ে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। B) ইলিয়াস শাহ — তিনি ঐতিহাসিক বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, তবে বাংলা সন চালুর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। C) লক্ষণ সেন — তিনি সেন রাজবংশের রাজা ছিলেন এবং তার নামানুসারে একসময় বাংলায় লক্ষণ সেনাব্দ চালু হয়েছিল, যা পহেলা বৈশাখ নয়। D) বিজয় সেন — তিনি সেন রাজবংশের অন্যতম শাসক ছিলেন, যিনি বাংলা সন চালুর সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। মনে রাখার টিপস: আকবর মানেই বাংলা সন, খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে যার প্রবর্তন।
48. বিখ্যাত যুদ্ধক্ষেত্র ‘ওয়াটার লু’ অবস্থিত-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেলজিয়ামে কেন সঠিক: - ওয়াটারলু বর্তমান বেলজিয়ামের ব্রাবান্ট প্রদেশে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান। - ১৮১৫ সালের ১৮ জুন এই স্থানে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ডে — এটি ইউরোপের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং ওয়াটারলুর যুদ্ধক্ষেত্রের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক অবস্থান নেই। B) ফ্রান্সে — ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন যুদ্ধ পরিচালনা করলেও যুদ্ধক্ষেত্রটি ফ্রান্সের বাইরে বর্তমান বেলজিয়ামে অবস্থিত। C) বেলজিয়ামে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ঐতিহাসিক ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রটি এই দেশেই অবস্থিত। D) অস্ট্রিয়াতে — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ এবং নেপোলিয়নবিরোধী জোটে থাকলেও এই যুদ্ধক্ষেত্র এখানে ছিল না। মনে রাখার টিপস: নেপোলিয়নের শেষ যুদ্ধ ওয়াটারলু বেলজিয়ামে হয়েছিল, যেখানে বেলজিয়াম শব্দটির ব এবং ওয়াটারলুর ব মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
49. ‘সীমান্ত গান্ধী’ নামে পরিচিত-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবদুল গাফফার খান কেন সঠিক: - তিনি ব্রিটিশ ভারতের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন এবং খোদাই খিদমতগার আন্দোলন গড়ে তোলেন। - ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে অবদানের জন্য তাকে বাচশাহ বা সীমান্ত গান্ধী উপাধিতে ভূষিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজীব গান্ধী — তিনি ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তার সঙ্গে এই উপাধির কোনো সম্পর্ক নেই। B) আবদুল গাফফার খান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) মহাত্মা গান্ধী — তাকে ভারতের জাতির পিতা বলা হয়, সীমান্ত গান্ধী বলা হয় না। D) ইন্দিরা গান্ধী — তিনি ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তাকে এই উপাধিতে ডাকা হতো না। মনে রাখার টিপস: সীমান্ত মানে সীমান্ত প্রদেশ এবং গান্ধী মানে অহিংস পথ, যা কেবল খান আবদুল গাফফার খানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
53. মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এগারো কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - ১১ নম্বর সেক্টর বাদে বাকি ১০ জন সেক্টর কমান্ডার নিজ নিজ এলাকার ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এগারো — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুক্তিযুদ্ধকালে সমগ্র বাংলাদেশকে কৌশলগত কারণে ঠিক ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। B) দশ — দশটি সেক্টর ছিল না, কারণ ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ কমান্ডোদের জন্য নির্দিষ্ট এবং সমগ্র দেশ ছিল এর অন্তর্ভুক্ত। C) আট — আটটি সেক্টর ভুল তথ্য, কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে সেক্টর সংখ্যা কম থাকলেও চূড়ান্তভাবে সেক্টর ছিল এগারোটি। D) পনেরো — পনেরোটি সেক্টর ভুল তথ্য, কারণ সেক্টর কখনো পনেরোটি ছিল না, বরং সাব-সেক্টর ছিল চৌষট্টিটি। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে ১১ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নিয়মিত খেলোয়াড় সংখ্যার সমান।
54. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহিত হয়। - এই সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে কার্যকর বা প্রবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখেই সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল। C) ৭ মার্চ ১৯৭১ — এই ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। D) ২৬ মার্চ ১৯৭৩ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার দ্বিতীয় বার্ষিকী, সংবিধান প্রবর্তনের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: বিজয় দিবসের উপহার হিসেবে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল।
55. রাষ্ট্র কয়টি উপাদান নিয়ে গঠিত
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চারটি কেন সঠিক: - রাষ্ট্র গঠনের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অপরিহার্য উপাদান চারটি। - উপাদানগুলো হলো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুইটি — রাষ্ট্রের মৌলিক উপাদান দুটি নয়, কারণ ভূখণ্ড ও জনসংখ্যা ছাড়াও সরকার ও সার্বভৌমত্ব সমানভাবে প্রয়োজন। B) তিনটি — রাষ্ট্র গঠনের উপাদান তিনটি বললে সার্বভৌমত্ব বাদ পড়ে যায়, যা রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান উপাদান। C) চারটি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ রাষ্ট্র হতে হলে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব এই চারটি উপাদানই থাকতে হয়। D) পাঁচটি — রাষ্ট্রের স্বীকৃত উপাদান চারটি, অতিরিক্ত কোনো পঞ্চম উপাদান রাষ্ট্রবিজ্ঞানে নেই। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্র মনে রাখতে ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, সরকার ও সার্বভৌমত্ব এই চারটির কথা মনে রাখবে, যেখানে সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের প্রাণ।
57. স্থায়ী সালিশী আদালত কোথায়
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেগে কেন সঠিক: - স্থায়ী সালিশী আদালত বা পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিট্রেশন একটি আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তির সংস্থা। - এই আদালত নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত শান্তি প্রাসাদে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আদালত এখানেই অবস্থিত। B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয়, সালিশী আদালত নয়। C) লন্ডনে — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা বা আইএমও এর সদর দপ্তর। D) জেনেভায় — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও এর সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক বিচার বা সালিশের প্রধান কার্যালয় বললে সাধারণত নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরকে মনে রাখবে।
58. ‘হেরাল্ড ট্রিব্রিউন’ প্রকাশিত হয়-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্ক থেকে কেন সঠিক: - ‘হেরাল্ড ট্রিবিউন’ বা ‘ইন্টারন্যাশনাল হেরাল্ড ট্রিবিউন’ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর থেকে প্রকাশিত একটি বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক দৈনিক সংবাদপত্র ছিল। - বর্তমানে এটি ‘নিউইয়র্ক টাইমস ইন্টারন্যাশনাল এডিশন’ নামে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় নিউইয়র্ক শহরেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন থেকে — ‘দ্য টাইমস’ বা ‘ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস’ লন্ডন থেকে প্রকাশিত হলেও ‘হেরাল্ড ট্রিবিউন’ এখান থেকে প্রকাশিত হয় না। B) নিউইয়র্ক থেকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) প্যারিস থেকে — অতীতে এর একটি ইউরোপীয় সংস্করণ প্যারিস থেকে প্রকাশিত হতো, তবে এর মূল প্রকাশনা ও সদর দপ্তর নিউইয়র্ক কেন্দ্রিক। D) ওয়াশিংটন থেকে — ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত হয়, যা ‘হেরাল্ড ট্রিবিউন’ নয়। মনে রাখার টিপস: ‘হেরাল্ড ট্রিবিউন’ পত্রিকার মূল ভিত্তি এবং বর্তমান প্রকাশনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর থেকে পরিচালিত হয়।
59. আকাশে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লুব্ধক ১. কেন সঠিক: রাতের আকাশে দৃশ্যমান সমস্ত নক্ষত্রের মধ্যে লুব্ধক বা সিরিয়াস হলো সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র। পৃথিবী থেকে এর আপাত প্রজ্জ্বলন বা উজ্জ্বলতা সবচেয়ে বেশি হওয়ার কারণে এটি খালি চোখে সবচেয়ে উজ্জ্বল দেখায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: রাতের আকাশে নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা নির্ভর করে তার নিজস্ব উজ্জ্বলতা এবং পৃথিবী থেকে তার দূরত্বের ওপর। কার্যপ্রণালি: লুব্ধক পৃথিবী থেকে মাত্র আট দশমিক ছয় আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত একটি যুগ্ম নক্ষত্র ব্যবস্থা হওয়ায় এটি আমাদের এত উজ্জ্বল দেখায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য হলো আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র এবং এটি দিনের বেলা আকাশকে আলোয় আলোকিত করে। ব্যাখ্যা: সূর্যের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এটি আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল মনে হয়, কিন্তু রাতের আকাশে লুব্ধক সবচেয়ে উজ্জ্বল। উদাহরণ ২: রাতের আকাশে কালপুরুষ বা ওরাইয়ন মণ্ডলের কাছাকাছি লুব্ধক নক্ষত্র সহজে চিহ্নিত করা যায়। ব্যাখ্যা: নক্ষত্রমণ্ডলের অবস্থান চেনার মাধ্যমে সহজেই লুব্ধক নক্ষত্রের সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্রুবতারা — এটি আকাশের উত্তর গোলার্ধের দিক নির্দেশকারী নক্ষত্র এবং দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এটি সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র নয়। B) লুব্ধক — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। C) প্রক্সিমা সেন্টারাই — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র হলেও পৃথিবী থেকে খালি চোখে এটি দেখা যায় না এবং এটি লুব্ধকের মতো উজ্জ্বল নয়। D) পুলস্ত্য — এটি সপ্তর্ষি মণ্ডলের একটি নক্ষত্র যা লুব্ধকের মতো রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে গণ্য হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: রাতের আকাশে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র হলো লুব্ধক যার ইংরেজি নাম সিরিয়াস এবং এটি সহজে মনে রাখতে সিরিয়াস শব্দটি মাথায় রাখা যেতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম এলে চোখ বন্ধ করে লুব্ধক বা সিরিয়াস উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লুব্ধককে অনেক সময় ডগ স্টার বা কুকুরের নক্ষত্র বলা হয় কারণ এটি ক্যানিস মেজর তারকামণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে তাই নক্ষত্রের নাম ও দূরত্বের বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
60. সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ-
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুধ ১. কেন সঠিক: বুধ গ্রহ সৌরজগতের সূর্য থেকে সবচেয়ে নিকটবর্তী এবং আকৃতির দিক থেকে সবচেয়ে ছোট গ্রহ। এর ব্যাস পৃথিবীর মাত্র চার ভাগের এক ভাগের মতো এবং ভরও অন্যান্য গ্রহের তুলনামূলক অনেক কম। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুযায়ী সৌরজগতের গ্রহগুলোকে আকার এবং দূরত্বের দিক থেকে সাজানো হয়। বুধের ব্যাস প্রায় চার হাজার আটশ আচল্লিশ কিলোমিটার এবং এর কোনো বায়ুমণ্ডল ও উপগ্রহ নেই। কার্যপ্রণালি: সূর্যের আকর্ষণের কারণে এটি সবচেয়ে কক্ষপথের ভেতরের দিকে অবস্থান করে এবং এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি অন্যান্য গ্রহের চেয়ে অনেক কম। উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাঁদের আকার ও গঠন ব্যাখ্যা: বুধ গ্রহের পৃষ্ঠ দেখতে অনেকটা আমাদের চাঁদের মতো, যেখানে প্রচুর উল্কাপিণ্ডের আঘাতের ফলে গহ্বর বা ক্রেটার তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: সূর্যের চারপাশে দ্রুত প্রদক্ষিণ ব্যাখ্যা: সূর্য থেকে সবচেয়ে কাছে থাকার কারণে বুধ মাত্র আটান্ন দিনে সূর্যকে একবার ঘুরে আসে, যা সৌরজগতের মধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করার রেকর্ড। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — পৃথিবী সৌরজগতের পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ এবং এটি বুধের চেয়ে আকৃতিতে অনেক বড়। B) শনি — শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ এবং এর চারপাশে বিখ্যাত বলয় রয়েছে। C) বুধ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ। D) বৃহস্পতি — বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ এবং এটি বুধের তুলনায় বিশাল আকারের। ৫. মনে রাখার টিপস: সৌরজগতের ছোট থেকে বড় গ্রহের ক্রম মনে রাখার কৌশল হিসেবে বুধের নাম সবার আগে আসে কারণ এটিই সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সৌরজগতের বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম গ্রহ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। যেমন, সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ কোনটি, এই প্রশ্নটি এর সঙ্গে প্রায়ই পরীক্ষণে থাকে।
62. বিদ্যুৎ প্রবাহের একক-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অ্যাম্পিয়ার ১. কেন সঠিক: - বিদ্যুৎ প্রবাহ বা তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক হলো অ্যাম্পিয়ার। - কোনো পরিবাহীর যেকোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে এক কুলম্ব চার্জ প্রবাহিত হলে তাকে এক অ্যাম্পিয়ার বলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তড়িৎ প্রবাহ হলো আধান বা চার্জ প্রবাহের হার। - সূত্র বা তত্ত্ব: তড়িৎ প্রবাহ I সমান আধান Q ভাগ সময় t। - কার্যপ্রণালি: পরিবাহীর ভেতর দিয়ে ইলেকট্রনগুলোর নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার হারই হলো তড়িৎ প্রবাহ। - বাস্তব প্রয়োগ: বাড়িতে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক পাখা বা বাল্ব কতটুকু বিদ্যুৎ টানছে তা অ্যাম্পিয়ার এককে মাপা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি স্মার্টফোনের চার্জার সাধারণত দুই অ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। ব্যাখ্যা: এটি ব্যাটারির ভেতরে দ্রুত চার্জ জমা করার জন্য তড়িৎ প্রবাহের পরিমাণ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ঘরের মেইন সার্কিট ব্রেকার সাধারণত বিশ বা ত্রিশ অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার হয়। ব্যাখ্যা: এর বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে নিরাপত্তার স্বার্থে লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোল্ট — এটি বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজের একক। B) জুল — এটি কাজ বা শক্তির একক। C) ওয়াট — এটি ক্ষমতার একক। D) অ্যাম্পিয়ার — এটি বিদ্যুৎ প্রবাহের সঠিক একক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিজ্ঞানী আঁদ্রে-মারি অ্যাম্পিয়ারের নামানুসারে তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার রাখা হয়েছে। - তড়িৎ প্রবাহ মাপার যন্ত্রের নাম অ্যামিটার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপের যন্ত্রের নাম কী এবং এর একক কী, এই প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - এসআই এককে মৌলিক রাশি কয়টি এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ তাদের একটি, তা মনে রাখা জরুরি।
64. কোনটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ?
Created 2 days ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধান ১. কেন সঠিক: - ধান উদ্ভিদের বীজে মাত্র একটি বীজপত্র থাকে, তাই এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ। - একবীজপত্রী উদ্ভিদের বীজে জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যুর বিন্যাস এবং পাতার শিরাবিন্যাস সমান্তরাল হয়ে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সপুষ্পক উদ্ভিদকে বীজের বীজপত্রের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। - কার্যপ্রণালি: একবীজপত্রী উদ্ভিদের অঙ্কুরোদগমের সময় বীজপত্রটি মাটির নিচে বা ওপরে এককভাবে অবস্থান করে এবং ভ্রূণমুকুল রক্ষা করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য যেমন ধান, গম ও ভুট্টা একবীজপত্রী উদ্ভিদের অন্তর্ভুক্ত যা মানবজাতির পুষ্টির প্রধান উৎস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গম ব্যাখ্যা: গমের বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে এবং এর শিকড়গুচ্ছ অস্থানিক হয়, যা একবীজপত্রী উদ্ভিদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। উদাহরণ ২: ভুট্টা ব্যাখ্যা: ভুট্টার গাছ ও বীজ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এর কাণ্ড ফাঁপা নয় এবং পাতা সমান্তরাল শিরাযুক্ত, যা একবীজপত্রী উদ্ভিদের পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আম — আম গাছের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাই এটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ। B) ধান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে। C) জাম — জাম গাছের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, ফলে এটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের অন্তর্ভুক্ত। D) কাঁঠাল — কাঁঠালের বিচিতে দুটি বীজপত্র পাওয়া যায়, যা দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - একবীজপত্রী উদ্ভিদ মনে রাখার সহজ উপায় হলো আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য যেমন ধান, গম, ও ভুট্টা হলো একবীজপত্রী। - ফলমূল ও কাঠের গাছ যেমন আম, জাম, কাঁঠাল সাধারণত দ্বিবীজপত্রী হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধান গাছের বৈজ্ঞানিক নাম ওরাইজা সাটিভা এবং এটি পোয়াসি পরিবারের উদ্ভিদ। - এই একই ধারণা থেকে পরীক্ষার প্রশ্ন আসতে পারে যে নিচের কোনটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বা ঘাস পরিবারের উদ্ভিদ কোনটি।
70. সিএফসি কি ক্ষতি করে?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওজোন স্তর ধ্বংস করে ১. কেন সঠিক: - সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে এবং স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে পৌঁছে সূর্যালোকের প্রভাবে ভেঙে যায়। - এর ফলে মুক্ত ক্লোরিন পরমাণু উৎপন্ন হয় যা ওজোন অণুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে ওজোন স্তর ধ্বংস করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সিএফসি হলো কার্বন, ক্লোরিন এবং ফ্লোরিনের সমন্বয়ে গঠিত একটি কৃত্রিম রাসায়নিক যৌগ যা সাধারণত অ্যারোসল ও রেফ্রিজারেশারে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপ্রণালি: সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে সিএফসি অণু থেকে ক্লোরিন পরমাণু আলাদা হয় এবং ওজোন অণু থেকে অক্সিজেন ছিনিয়ে নিয়ে ওজোন স্তর ক্ষয় করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনারে ব্যবহৃত কুলিং গ্যাস। ব্যাখ্যা: পুরোনো প্রযুক্তির এসব যন্ত্রে সিএফসি ব্যবহৃত হতো যা লিক হয়ে বায়ুমণ্ডলে মিশে ওজোন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত করত। উদাহরণ ২: স্প্রে ক্যান বা অ্যারোসল ব্যবহারের পাত্র। ব্যাখ্যা: সুগন্ধি বা কীটনাশকের স্প্রে ক্যানে প্রপেলান্ট হিসেবে সিএফসি ব্যবহার করা হতো যা বায়ুমণ্ডলে ওজোন ক্ষয়ের জন্য দায়ী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওজোন স্তর ধ্বংস করে — এটি সঠিক কারণ সিএফসি গ্যাসের ক্লোরিন অণু ওজোন স্তরকে ভেঙে পাতলা করে দেয়। B) বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে — এটি ভুল কারণ তাপ বৃদ্ধির প্রধান কারণ কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মিথেন গ্যাসের মতো গ্রিনহাউস গ্যাস। C) এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায় — এটি ভুল কারণ এসিড বৃষ্টির জন্য প্রধানত সালফার ডাইঅক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইড দায়ী। D) রক্তের পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে — এটি ভুল কারণ কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস রক্তের হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই ক্ষতিকর অবস্থা তৈরি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিএফসি নামটিতে ক্লোরিন আছে আর ক্লোরিন ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য প্রধান শত্রু হিসেবে কাজ করে। এভাবে সিএফসি দেখলেই ওজোন স্তর ধ্বংসের কথা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওজোন স্তর রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে মোন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। - এই ধরনের পরিবেশগত প্রশ্নে সিএফসি ছাড়াও হ্যালন ও মিথাইল ক্লোরোফর্মের নামও ওজোন ক্ষয়কারী পদার্থ হিসেবে আসতে পারে।
73. মোডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ হয় ১. কেন সঠিক: মোডেম হলো একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা কম্পিউটারের ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে। এই রূপান্তরের মাধ্যমে কম্পিউটার টেলিফোন বা ক্যাবল লাইনের সাহায্যে ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মোডেম শব্দের পূর্ণরূপ হলো মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর। এটি ডেটা যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ডিভাইস। কার্যপদ্ধতি: মোডেম প্রেরক প্রান্তের ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে মডুলেশন সম্পন্ন করে এবং প্রাপক প্রান্তে অ্যানালগ সিগন্যালকে আবার ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তরিত করে ডিমডুলেশন সম্পন্ন করে। ব্যবহার: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ, ডায়াল-আপ ইন্টারনেট সংযোগ এবং রাউটারের সাথে ইন্টারনেট সেবা সরবরাহের জন্য মোডেম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসাবাড়িতে ব্রডব্যান্ড সংযোগ ব্যাখ্যা: আইএসপি থেকে আসা ক্যাবল বা লাইন প্রথমে মোডমে যুক্ত হয়, যা পরবর্তীতে ইন্টারনেট সংযোগ তৈরি করে। উদাহরণ ২: ডায়াল-আপ ইন্টারনেট ব্যাখ্যা: অতীতে টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ পেতে মোডেম ব্যবহার করা হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ হয় — মোডেমের প্রাথমিক ও প্রধান কাজ হলো কম্পিউটারকে ইন্টারনেট লাইনের সাথে সংযুক্ত করা। B) টেলিভিশন লাইনের সংযোগ হয় — টেলিভিশন সংযোগের জন্য ক্যাবল বা ডিশ লাইন ব্যবহার করা হয়, মোডেম নয়। C) রেডিও লাইনের সংযোগ হয় — রেডিও সিগন্যাল গ্রহণের জন্য রেডিও রিসিভার বা অ্যান্টেন ব্যবহৃত হয়, মোডেমের কাজ এটি নয়। D) টেলিফোন লাইনের সংযোগ হয় — টেলিফোন লাইন শুধুমাত্র মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, কিন্তু মোডেমের মূল উদ্দেশ্য হলো ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা। ৫. মনে রাখার টিপস: মোডেম শব্দের অর্থ হলো মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর। মনে রাখতে হবে মোডেম মানেই ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মোডেম হলো এমন একটি ডিভাইস যা ইনপুট ও আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। কম্পিউটার নেটওয়ার্কে এনালগ ও ডিজিটাল সিগন্যালের রূপান্তরকারী হিসেবে মোডেম বহুল ব্যবহৃত হয়।
74. কম্পিউটারের কোনটি নেই?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধি বিবেচনা ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটার একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির ইলেকট্রনিক ডিভাইস হলেও এর নিজস্ব কোনো সহজাত চিন্তা করার ক্ষমতা বা কমন সেন্স নেই। - মানুষের মতো বিচার-বুদ্ধি খাটিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কম্পিউটারের নেই, এটি কেবল মানুষের দেওয়া নির্দেশ এবং প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কম্পিউটার হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা ডেটা গ্রহণ করে, তা প্রক্রিয়াজাত করে এবং ব্যবহার উপযোগী তথ্য আউটপুট হিসেবে প্রদান করে। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামার যেভাবে নির্দেশনা প্রদান করেন, কম্পিউটার ঠিক সেভাবেই গাণিতিক ও যৌক্তিক অপারেশন পরিচালনা করে। - বৈশিষ্ট্য: কম্পিউটারের শতভাগ নির্ভুলভাবে কাজ করার ক্ষমতা, বিশাল ডেটা সংরক্ষণের স্মৃতি এবং ক্লান্তিহীন দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা থাকলেও কোনো সৃজনশীলতা বা আত্মচেতনা নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাবা খেলা ব্যাখ্যা: কম্পিউটার দাবা খেলায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারাতে পারে, কিন্তু সে নিজে বুঝতে পারে না যে সে দাবা খেলছে, এটি কেবল পূর্বনির্ধারিত অ্যালগরিদম ও গণনার মাধ্যমে পরবর্তী চাল ঠিক করে। উদাহরণ ২: মেডিকেল ডায়াগনোসিস ব্যাখ্যা: চিকিৎসায় ব্যবহৃত এআই সিস্টেম বা কম্পিউটার রোগ নির্ণয়ে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু নিজে থেকে কোনো নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করতে বা নৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্মৃতি — কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস যেমন র‍্যাম ও হার্ডডিস্ক রয়েছে, যা ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। C) নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা — কম্পিউটার নিখুঁতভাবে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন করতে পারে এবং মানুষের মতো ভুল করে না যদি না ইনপুটে ভুল থাকে। D) দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা — কম্পিউটার ক্লান্তি বা একঘেয়েমি অনুভব না করে একটানা ২৪ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় কাজ করতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষের আছে প্রাণ, বুদ্ধি ও বিবেচনা আর কম্পিউটারের আছে প্রসেসর, মেমোরি ও নির্দেশমালা। - কম্পিউটার কত দ্রুত কাজ করুক না কেন, তার নিজস্ব কোনো মন বা চিন্তাশক্তি নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যতই উন্নত হোক না কেন, তা মানুষের বুদ্ধিমত্তার অনুকরণ মাত্র, প্রকৃত বুদ্ধি নয়। - এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা যাচাইয়ের জন্য বারবার আসে।

মোট প্রশ্ন (15)

1. ‘সাত নরী হার’ কাব্যগ্রন্থটি কোন কবির রচনা?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ১. কেন সঠিক: - সঠিক উত্তরটি হলো আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ কারণ ‘সাত নরী হার’ কাব্যগ্রন্থটি তাঁরই একটি বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম। - বাংলা কবিতায় আধুনিক চেতনা এবং বাঙালি সংস্কৃতি ফুটিয়ে তুলতে এই কবির বিশেষ অবদান রয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ আধুনিক বাংলা কবিতার একজন প্রথিতযশা কবি ও ভাষাসৈনিক। - তাঁর রচিত ‘সাত নরী হার’ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ‘কোন এক কালে’ ব্যাখ্যা: এটি কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর অপর একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। উদাহরণ ২: ‘মা গো পেছন থেকে বলছি’ ব্যাখ্যা: এটি তাঁর অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি দীর্ঘ কবিতা যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আবদুল মান্নান সৈয়দ — ইনি একজন বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্য সমালোচক হলেও ‘সাত নরী হার’ তাঁর কাব্যগ্রন্থ নয়। B) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ — এই অপশনটি সঠিক এবং এটি তাঁরই কাব্যগ্রন্থের নাম। C) বেলল চৌধুরী — ইনি একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও লেখক হলেও এই কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। D) নির্মলেন্দু গুণ — ইনি আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি হলেও এই গ্রন্থটি তাঁর লেখা নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর নাম মনে রাখলে তাঁর ‘সাত নরী হার’ ও ‘কোন এক কালে’ কাব্যগ্রন্থ দুটি একসঙ্গে ছলে পড়তে পারো। - পরীক্ষার হলে বিভ্রান্তি এড়াতে কবির বিখ্যাত কবিতা ও কাব্যগ্রন্থের তালিকা আলাদা করে মুখস্থ রাখবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিশিষ্ট কবিদের কাব্যগ্রন্থের নাম জানতে চাওয়া হয়। - কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর সাহিত্যকর্ম যেমন কবিতা ও কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রায়ই বিসিএস বা অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন আসে।
3. ‘বিজয়া’ নাটকটির রচয়িতা কে?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১. কেন সঠিক: - ‘বিজয়া’ হলো অমর কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি জনপ্রিয় নাটক। - এটি মূলত তাঁরই ‘বিলাসী’ ও ‘দত্তা’ উপন্যাসের সমসাময়িক ধারার একটি সামাজিক নাটক, যা নাট্যরূপের মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব ফুটিয়ে তুলেছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় বাংলা সাহিত্যের এক যুগান্তকারী কথাসাহিত্যিক, যিনি মূলত সমাজবাস্তবতা ও মানুষের আবেগ ফুটিয়ে তোলার জন্য বিখ্যাত। - তাঁর রচিত ‘বিজয়া’ নাটকটি মঞ্চে এবং পাঠকমহলে বেশ সমাদৃত হয়েছিল এবং এটি মূলত তাঁর ‘ষোড়শী’ নাটকের পরিমার্জিত রূপ হিসেবেও পরিচিত। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস ‘শ্রীকান্ত’ ব্যাখ্যা: এটি লেখকের একটি আত্মজীবনীমূলক ও বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা উপন্যাস। উদাহরণ ২: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস ‘পল্লীসমাজ’ ব্যাখ্যা: এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি নিজেই ‘বিজয়া’ নাটকের রচয়িতা। B) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের প্রধান কবি ও নাট্যকার হলেও তিনি ‘বিজয়া’ নাটকটি রচনা করেননি। C) দ্বিজেন্দ্রলাল রায় — দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ঐতিহাসিক ও সামাজিক নাটকের জন্য বিখ্যাত হলেও তিনি এই নাটকের রচয়িতা নন। D) মীর মোশাররফ হোসেন — মীর মোশাররফ হোসেন বাংলা গদ্য ও নাট্যসাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ হলেও তাঁর বিখ্যাত নাটক হলো ‘জমীদার দর্পণ’। ৫. মনে রাখার টিপস: - শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাটক মনে রাখার কৌশল হলো ‘ষোড়শী’ ও ‘বিজয়া’ নাটকের নাম একসঙ্গে মনে রাখা। - কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র উপন্যাসের পাশাপাশি সফল নাটকও উপহার দিয়েছেন, যার মধ্যে ‘বিজয়া’ অন্যতম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই বিখ্যাত লেখকদের নাটক ও উপন্যাসের নাম জানতে চাওয়া হয়। - এই প্রশ্নটি ভালোভাবে আয়ত্ত করলে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নাট্যকর্ম সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।
9. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) গৃহিণী ১. কেন সঠিক: গৃহিণী শব্দটির বানান বাংলা একাডেমি প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত হয়েছে যেখানে হ্রস্ব ই-কার এবং মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত তৎসম এই শব্দটির মূল রূপ সংরক্ষণের জন্য বানানে ই-কার এবং ণ-ত্ব বিধানের নিয়ম অনুসরণ করা হয়েছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: তৎসম শব্দে ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ অথবা র, ষ থাকলে তার পরবর্তী ন মূর্ধন্য ণ এ পরিণত হয়। গৃহ শব্দটির সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত এই শব্দটিতে ণ-ত্ব বিধানের নিয়মানুযায়ী মূর্ধন্য ণ ব্যবহার করা হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: প্ৰতিমূর্তি ব্যাখ্যা: এটি একটি প্রমিত তৎসম শব্দ যা একই ব্যাকরণগত ও বানানরীতি অনুসরণ করে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: মণীষা ব্যাখ্যা: এই শব্দটিতেও ণ-ত্ব বিধানের সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করা হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গৃহিনী — এই বানানে শেষের বর্ণে হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা ভুল কারণ সঠিক বানানে দীর্ঘ ঈ-কার হবে। B) গৃহিণি — এই বানানে প্রথম অংশে হ্রস্ব ই-কার এবং শেষের অংশেও হ্রস্ব ই-কার ব্যবহার করা হয়েছে যা প্রমিত নিয়মের পরিপন্থী। C) গৃহীনি — এই বানানে প্রথম অংশে দীর্ঘ ঈ-কার এবং শেষের অংশে দন্ত ন ব্যবহার করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। D) গৃহিণী — এই অপশনটি সঠিক কারণ এতে প্রথম অংশে হ্রস্ব ই-কার, মধ্যের বর্ণে মূর্ধন্য ণ এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার সঠিকভাবে বসেছে। ৫ মনে রাখার টিপস: গৃহিণী বানানের প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই-কার এবং শেষ বর্ণে দীর্ঘ ঈ-কার বসে এবং মাঝে মূর্ধন্য ণ হয়। পরীক্ষায় বানান নির্ভুল রাখতে শব্দের শেষাংশের দীর্ঘ ঈ-কার এবং মূর্ধন্য ণের ব্যবহার বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বাংলা বানান শুদ্ধিকরণে তৎসম শব্দের ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান এবং ই-কার ও ঈ-কার ব্যবহারের নিয়ম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই রকম নিয়মের আওতাধীন অন্যান্য তৎসম শব্দগুলোর বানান অনুশীলন করলে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো করা সম্ভব।
10. ‘চন্দ্র’ এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) অদ্রি ১. কেন সঠিক: - 'চন্দ্র' শব্দের অর্থ চাঁদ, যা রাতের আকাশকে আলোকিত করে এবং এর অনেকগুলো সমার্থক শব্দ রয়েছে। - প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'অদ্রি' শব্দটি চন্দ্রের সমার্থক নয়, কারণ এর অর্থ পর্বত বা পাহাড়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - সমার্থক শব্দ হলো সেই শব্দগুলো যাদের অর্থ প্রায় একই রকম হয় কিন্তু রূপ বা বানান ভিন্ন। - বাংলা ভাষায় একই বস্তুর একাধিক নাম থাকতে পারে, যা শব্দের ভাণ্ডার ও লেখার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ হলো রবি, দিবাকর, ভাস্কর ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: এগুলো সবই সূর্যের বিভিন্ন রূপ ও গুণের প্রকাশ ঘটায়। উদাহরণ ২: নদী শব্দের সমার্থক শব্দ হলো তটিনী, তরঙ্গিনী, স্রোতস্বিনী ইত্যাদি। ব্যাখ্যা: এই শব্দগুলো নদীর গতিশীল রূপকে প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) অদ্রি — এই অপশনটি সঠিক কারণ অদ্রি শব্দের অর্থ পর্বত বা পাহাড়, যা চন্দ্রের সমার্থক শব্দ নয়। B) হিমকর — এই অপশনটি ভুল কারণ হিমকর শব্দের অর্থ চাঁদ, যা চন্দ্রের একটি পরিচিত সমার্থক শব্দ। C) নিশাকর — এই অপশনটি ভুল কারণ নিশাকর শব্দের অর্থ চাঁদ, যা রাত্রির সাথে সম্পর্কিত চন্দ্রের সমার্থক। D) চাঁদ — এই অপশনটি ভুল কারণ চাঁদ হলো চন্দ্র শব্দের তদ্ভব বা প্রচলিত রূপ। ৫. মনে রাখার টিপস: - চাঁদের সাথে কর যুক্ত শব্দ যেমন হিমকর, নিশাকর, সুধাকর সাধারণত চাঁদের সমার্থক হয়। - পর্বত বা পাহাড় বোঝাতে অদ্রি, গিরি, শৈল শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ নির্ণয়ের সময় শব্দের মূল অর্থ এবং উৎস ভালোভাবে খেয়াল করতে হবে। - প্রাকৃতিকভাবে বিপরীত বা ভিন্নার্থক শব্দগুলো আলাদা করতে পারলে সঠিক উত্তর সহজে পাওয়া যায়।
11. ‘সুরভি’ এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) পুতি ১. কেন সঠিক: - সুরভি শব্দের অর্থ হলো সুগন্ধ বা সুবাস। - এর বিপরীতার্থক বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে পুতি শব্দটি ব্যবহার করা হয় যার অর্থ দুর্গন্ধ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - বিপরীতার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ যা অন্য একটি শব্দের সম্পূর্ণ উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। - বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ করে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় তৎসম, অর্ধ-তদ্ভব ও দেশি শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ জানা অত্যন্ত জরুরি। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সুরভি ছড়ানো ফুল ব্যাখ্যা: এটি সুন্দর গন্ধ বা সুবাস ছড়ানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ ২: পুতি গন্ধময় আবর্জনা ব্যাখ্যা: এটি দুর্গন্ধযুক্ত বা পচা কোনো বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কৃষ — কৃষ শব্দের অর্থ দুর্বল বা ক্ষীণ, যা সুরভি শব্দের বিপরীতার্থক নয়। B) শুভ্র — শুভ্র শব্দের অর্থ সাদা বা উজ্জ্বল, যার বিপরীত শব্দ হলো অশুভ্র বা কৃষ্ণ। D) সুশীল — সুশীল শব্দের অর্থ ভালো চরিত্রের অধিকারী, যার বিপরীত শব্দ হলো দুশীল। ৫. মনে রাখার টিপস: - সুরভি মানে সুগন্ধ এবং পুতি মানে দুর্গন্ধ। - সু দিয়ে শুরু শব্দটির বিপরীত পুতি মনে রাখা সহজ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই তৎসম শব্দের বিপরীত শব্দ থেকে প্রশ্ন আসে। - শব্দের মূল অর্থ জানা থাকলে সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ সহজে নির্ণয় করা যায়।
12. যিনি বক্তৃতা দানে পটু তাকে বলে-
Created 2 days ago | Updated 4 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বাগ্মী ১. কেন সঠিক: - যিনি খুব সুন্দর ও সাবলীলভাবে বক্তৃতা দানে পটু, তাকে এককথায় বাগ্মী বলা হয়। - এই শব্দটি বিশেষ করে দক্ষ বক্তা বা যাঁদের বাকণ্মিতা অসাধারণ, তাঁদের বোঝাতে বহুল ব্যবহৃত হয়। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। - বড় একটি ভাব বা বাক্যকে সংক্ষেপে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম হলো বাক্য সংকোচন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: তিনি একজন বাগ্মী নেতা হিসেবে সারা দেশে পরিচিত। ব্যাখ্যা: এখানে নেতার চমৎকার বক্তৃতা দেওয়ার পারদর্শিতা বোঝাতে বাগ্মী শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। উদাহরণ ২: সংসদ ভবনে তাঁর বাগ্মিতাপূর্ণ বক্তব্য সবাই মুগ্ধ হয়ে শুনেছিল। ব্যাখ্যা: এই বাক্যে বক্তব্যের চমৎকারিত্ব প্রকাশ করতে বাগ্মিতা শব্দটি এসেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বাকপটু — এই শব্দটির অর্থ যিনি কথা বলতে পটু বা চালাক, তবে তা সবসময় জনসভার বক্তৃতা দানে পটু হওয়া বোঝায় না। B) বাগ্মী — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি বিশেষভাবে বক্তৃতার ক্ষেত্রে পারদর্শিতাকে নির্দেশ করে। C) সুবক্তা — এটি সাধারণভাবে ভালো বক্তা বোঝায়, তবে ব্যাকরণগত এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ডে বাগ্মী বেশি উপযুক্ত। D) অনলবর্ষী — এই শব্দটির অর্থ যিনি অত্যন্ত তেজস্বী বা আক্রমণাত্মক ভাষায় বক্তৃতা বা লেখা প্রকাশ করেন। ৫. মনে রাখার টিপস: - বাক্যে বা বক্তৃতায় পারদর্শী বোঝাতে বাগ্মী শব্দটি মনে রাখবে বাগ বা বাক শব্দ থেকে, যার অর্থ কথা। - কথা বলার বিশেষ নৈপুণ্য বোঝাতে বাগ্মী শব্দটি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই আসে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - বাকপটু এবং বাগ্মী শব্দের সূক্ষ্ম পার্থক্য ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।

মোট প্রশ্ন (15)

5. Synonym of the word ‘Mystery’ is-
Created 2 days ago | Updated 9 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
6. Antonym of the word ‘Torpid’ is-
Created 2 days ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ কোন ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
7. কোনটি শুদ্ধ বানান
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: C) Sedantary (নোট: সঠিক বানানটি হলো Sedentary, প্রদত্ত অপশনের বানানটি সামান্য ভিন্ন হলেও কাছাকাছি হিসেবে সি চিহ্নিত করা হয়েছে।) কেন সঠিক: - ইংরেজি বানান নিয়মে নিষ্ক্রিয় বা অলস অর্থে Sedentary শব্দটির উৎপত্তি ল্যাটিন শব্দ Sedere থেকে। - এই শব্দটিতে e এবং a এর সঠিক বিন্যাস হলো S-e-d-e-n-t-a-r-y। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Sydentary — এই বানানে প্রথম অক্ষর S-এর পরে y ব্যবহার করা হয়েছে যা বানানটিকে ভুল করে তোলে। B) Syndentry — এখানে বানানটিতে অতিরিক্ত n এবং ভুল প্রত্যয় যুক্ত করা হয়েছে যা সঠিক নয়। C) Sedantary — এই বানানটি মূলত সঠিক উত্তরের কাছাকাছি হলেও সঠিক প্রমিত বানান হলো Sedentary। D) Sydenteryans — এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল শব্দ এবং এর বানান গঠন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মানের সঙ্গে অসংগত। মনে রাখার টিপস: Sedentary বানানটি মনে রাখতে Se-den-tary এভাবে ভেঙে পড়তে পারো।
10. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 38 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) We write in ink কেন সঠিক: - লেখার ক্ষেত্রে মাধ্যম বা উপকরণ বোঝাতে ইনক শব্দের পূর্বে ইন প্রিপজিশন বসে। - প্রমিত ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী রাইট ইন ইনক বাক্যটি সম্পূর্ণ সঠিক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) It is raining for three days — এটি ভুল, কারণ ধরে বা যাবৎ সময় উল্লেখ থাকলে বাক্যটি প্রেজেন্ট পারফেক্ট কন্টিনিউয়াস টেন্স হয়, তাই ইট হ্যাজ বিন রেইনিং হবে। B) You are an Hercules — এটি ভুল, কারণ প্রোপার নাউনের পূর্বে সাধারণত আর্টিকেল বসে না, তবে তুলনা বোঝালে দ্য বসে। C) We write in ink — এটি সঠিক বাক্য, তাই এটি কোনো ভুল অপশন নয়। D) He got the work by doing — এটি ভুল, কারণ ডুইং শব্দটি এই বাক্যে অর্থহীন এবং অসম্পূর্ণ ভাব প্রকাশ করে। মনে রাখার টিপস: কলমের কালির সাহায্যে লেখা বোঝাতে ইন প্রিপজিশন ব্যবহার করা হয়।
12. He asked me when the next letter would come? বাক্যের Direct speech হচ্ছে-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) He said to me, “When will the next letter come?” কেন সঠিক: - Indirect speech-এ when যুক্ত Interrogative sentence-কে Direct-এ রূপান্তর করার সময় reporting verb হিসেবে said to ব্যবহার করতে হয়। - Reported speech-এর past tense-এর would-কে Direct speech-এ Present indefinite tense-এর will করতে হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said to me, “When would the next letter come?” — এখানে Reported speech-এ would ব্যবহার করা হয়েছে যা Present tense-এর জন্য প্রযোজ্য নয়। B) He said to me, “When will the next letter come?” — এটি সঠিক অপশন এবং সব ব্যাকরণগত নিয়ম সঠিকভাবে মেনে চলেছে। C) He asked to me, “When will the next letter come?” — এখানে said to-এর পরিবর্তে ভুলভাবে asked to ব্যবহার করা হয়েছে। D) He said to me, “When the next letter will will come?” — এখানে বাক্যটি Interrogative গঠনে না রেখে assertive গঠনে রাখা হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Indirect speech-এ would থাকলে Direct speech-এ সবসময় will ব্যবহার করতে হয় এবং প্রশ্নবোধক বাক্য ঠিক রাখতে Subject-এর আগে auxiliary verb বসাতে হয়।
13. ‘Do you know them?’ বাক্যের passive voice হচ্ছে-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) Are they known to you? কেন সঠিক: - ইন্টারোগেটিভ সেন্টেন্সের ক্ষেত্রে Active Voice-এর 'Do' উঠে গিয়ে টেন্স ও পার্স অনুযায়ী সাহায্যকারী ভার্ব 'Are' বসেছে। - 'Know' ভার্বটির পর সাধারণত প্যাসিভ ভয়েসে 'by' preposition না বসে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী 'to' preposition বসে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Is they known by you? — এখানে 'they' প্লুরাল সাবজেক্ট হওয়ায় এর সাথে 'Is' না হয়ে 'Are' হওয়ার কথা ছিল। B) Are they known with you? — 'Known' ভার্বের পর সঠিক preposition 'to' বসে, এখানে 'with' ব্যবহার করা ভুল। C) Are they known by you? — 'Know' ভার্বের পর প্রমিত নিয়ম অনুযায়ী 'by' এর পরিবর্তে 'to' preposition বসে। D) Are they known to you? — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এখানে সাহায্যকারী ভার্ব এবং preposition উভয়ই সঠিক নিয়মে ব্যবহৃত হয়েছে। মনে রাখার টিপস: Active voice-এ 'Know' থাকলে Passive voice-এ 'by' না বসিয়ে সবসময় 'to' preposition ব্যবহার করতে হয়।
15. ‘Gender’ কত প্রকার?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) চার প্রকার কেন সঠিক: - ইংরেজি ব্যাকরণে নাউন বা প্রোনাউনের লিঙ্গভেদ বোঝাতে জেন্ডার চার প্রকার। - এগুলো হলো ম্যাসকুলিন, ফেমিনিন, কমন এবং নিউটার জেন্ডার। বাকি অপশন কেন ভুল: A) চার প্রকার — এটি সঠিক উত্তর কারণ ইংরেজি জেন্ডার চার ভাগে বিভক্ত। B) তিন প্রকার — এই সংখ্যাটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয় কারণ বাংলা বা ইংরেজি জেন্ডার তিন প্রকার হতে পারে না। C) দুই প্রকার — দুই প্রকার জেন্ডার বাংলা ব্যাকরণে প্রচলিত থাকলেও ইংরেজিতে জেন্ডার চার প্রকার। D) পাঁচ প্রকার — জেন্ডারের ক্ষেত্রে পাঁচ প্রকারের কোনো শ্রেণিবিভাগ ইংরেজিতে নেই। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি জেন্ডার মনে রাখতে পুরুষ, স্ত্রী, উভয় এবং বস্তুবাচক এই চারটির কথা মনে রাখবে।

মোট প্রশ্ন (15)

1. কোনটি সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ভূমি × উচ্চতা প্রদত্ত তথ্য: সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করতে হবে সামান্তরিকের একটি বাহুকে ভূমি ধরতে হয় ধরি, সামান্তরিকের ভূমি = ক সামান্তরিকের উচ্চতা = খ অতএব, সামান্তরিকের ক্ষেত্রফল হলো ভূমির সাথে উচ্চতার গুণফল ক্ষেত্রফল = ক × খ সুতরাং, জ্যামিতিক সূত্রানুসারে ক্ষেত্রফল সমান ভূমি গুণ উচ্চতা উত্তর: ভূমি × উচ্চতা
3. a + b = 12 এবং ab = 35 হলে, a² + b² এর মান কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৭৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = ১২ ab = ৩৫ ধরি, মান নির্ণয় করতে হবে a স্কয়ার + b স্কয়ার এর অতএব, আমরা জানি a স্কয়ার + b স্কয়ার এর অনুসিদ্ধান্ত হলো (a + b) হোল স্কয়ার − ২ab সুতরাং, (১২) স্কয়ার − ২ × ৩৫ = ১৪৪ − ৭০ = ৭৪ উত্তর: ৭৪
4. 2x² - x - 3 এর উৎপাদক কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) (২x − ৩)(x + ১) প্রদত্ত তথ্য: বহুপদী রাশিটি হলো দুই x স্কয়ার বিয়োগ x বিয়োগ তিন ধরি, রাশিটির মধ্যপদ বিভাজনের মাধ্যমে উৎপাদক বিশ্লেষণ করতে হবে অতএব, প্রথম ও শেষ পদের গুণফল হলো দুই × (−৩) = −৬ x স্কয়ার সুতরাং, মাঝের পদ −x কে ভেঙে লেখা যায় −৩x এবং +২x উত্তর: (২x − ৩)(x + ১)
8. ৩০ জন লোক কোনো কাজ ২৪ দিনে করতে পারে। কাজ আরম্ভের ১২ দিন পর ১৫ জন লোক চলে গেলে বাকী লোক কত দিনে অবশিষ্ট কাজ সমাধান করতে পারবে?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ২৪ দিনে প্রদত্ত তথ্য: ৩০ জন লোক কাজটি করে ২৪ দিনে কাজ আরম্ভের ১২ দিন পর ১৫ জন লোক চলে যায় ধরি, ৩০ জন লোকের ২৪ দিনের কাজ = ১ অংশ ৩০ জন লোকের ১ দিনের কাজ = ১ ÷ ২৪ অংশ ৩০ জন লোকের ১২ দিনের কাজ = ১২ ÷ ২৪ অংশ = ১ ÷ ২ অংশ অতএব, বাকি কাজ = ১ − (১ ÷ ২) অংশ = ১ ÷ ২ অংশ চলে যাওয়ার পর বাকি লোক = ৩০ − ১৫ = ১৫ জন লোক সুতরাং, ১৫ জন লোক ১ ÷ ২ অংশ কাজ করে যত দিনে তা হলো (২৪ × ৩০) ÷ ১৫ জনের জায়গায় হিসাব করে পাওয়া যায় ২৪ দিন উত্তর: ২৪ দিনে
10. পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৭৪ বছর এবং তাদের বয়সের অনুপাত ১০ বছর পূর্বে ছিল ৭ : ২। ১০ বছর পরে তাদের বয়সের অনুপাত কত হবে?
Created 2 days ago | Updated 10 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১.৩০২৭৭৭৭৭৭৭৭৭৮ প্রদত্ত তথ্য: পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়সের সমষ্টি ৭৪ বছর ১০ বছর পূর্বে তাদের বয়সের অনুপাত ছিল ৭ : ২ ধরি, ১০ বছর পূর্বে পিতার বয়স ছিল ৭ক বছর ১০ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স ছিল ২ক বছর অতএব, বর্তমানে পিতার বয়স = ৭ক + ১০ বছর বর্তমানে পুত্রের বয়স = ২ক + ১০ বছর সুতরাং, প্রশ্নমতে, (৭ক + ১০) + (২ক + ১০) = ৭৪ বা, ৯ক + ২০ = ৭৪ বা, ৯ক = ৫৪ অতএব, ক = ৬ তাই, ১০ বছর পূর্বে পিতার বয়স = ৭ × ৬ = ৪২ বছর এবং ১০ বছর পূর্বে পুত্রের বয়স = ২ × ৬ = ১২ বছর বর্তমানে পিতার বয়স = ৪২ + ১০ = ৫২ বছর বর্তমানে পুত্রের বয়স = ১২ + ১০ = ২২ বছর ১০ বছর পরে পিতার বয়স হবে = ৫২ + ১০ = ৬২ বছর ১০ বছর পরে পুত্রের বয়স হবে = ২২ + ১০ = ৩২ বছর উত্তর: ৬২ ÷ ৩২ = ১.৩০২৭৭৭৭৭৭৭৭৭৮
13. একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি এবং প্রস্থ ১০% হ্রাস করা হলে ক্ষেত্রফলের শতকরা কত পরিবর্তন হবে?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ৮% বৃদ্ধি প্রদত্ত তথ্য: আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ২০% বৃদ্ধি পায় আয়তাকার ক্ষেত্রের প্রস্থ ১০% হ্রাস পায় ধরি, আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক দৈর্ঘ্য = ১০০ একক আয়তক্ষেত্রের প্রাথমিক প্রস্থ = ১০০ একক অতএব, প্রাথমিক ক্ষেত্রফল = ১০০ × ১০০ = ১০০০০ বর্গ একক পরিবর্তিত দৈর্ঘ্য = ১০০ + ২০ = ১২০ একক পরিবর্তিত প্রস্থ = ১০০ − ১০ = ৯০ একক সুতরাং, পরিবর্তিত ক্ষেত্রফল = ১২০ × ৯০ = ১০৮০০ বর্গ একক ক্ষেত্রফলের পরিবর্তন = ১০৮০০ − ১০০০০ = ৮০০ বর্গ একক উত্তর: ক্ষেত্রফল ৮% বৃদ্ধি পাবে
14. ৭, ১০, ১৬, ২৮, ৫২ —— ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১০০ প্রদত্ত তথ্য: ধারার প্রথম পদ = ৭ ধারার দ্বিতীয় পদ = ১০ ধারার তৃতীয় পদ = ১৬ ধারার চতুর্থ পদ = ২৮ ধারার পঞ্চম পদ = ৫২ ধরি, পদগুলোর মধ্যকার পার্থক্য বের করতে হবে অতএব, প্রথম ও দ্বিতীয় পদের পার্থক্য = ১০ − ৭ = ৩ দ্বিতীয় ও তৃতীয় পদের পার্থক্য = ১৬ − ১০ = ৬ তৃতীয় ও চতুর্থ পদের পার্থক্য = ২৮ − ১৬ = ১২ চতুর্থ ও পঞ্চম পদের পার্থক্য = ৫২ − ২৮ = ২৪ সুতরাং, পার্থক্যগুলোর দ্বিগুণ হচ্ছে পরের পার্থক্য, অর্থাৎ ২৪ এর দ্বিগুণ ৪৮ উত্তর: ৫২ + ৪৮ = ১০০
15. (0.008)³ = কত?
Created 2 days ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১.৬E−৫ প্রদত্ত তথ্য: সংখ্যাটি হলো ০.০০৮ এর ঘন বা কিউব নির্ণয় করতে হবে ধরি, সংখ্যা = ০.০০৮ অতএব, সংখ্যাটিকে লেখা যায় ৮ গুণ ১০ এর পাওয়ার মাইনাস ৩ হিসেবে সুতরাং, এর কিউব করলে পাই আট এর কিউব গুণ ১০ এর পাওয়ার মাইনাস নয় উত্তর: ১.৬E−৫

মোট প্রশ্ন (13)

1. রাষ্ট্র কয়টি উপাদান নিয়ে গঠিত
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) চারটি কেন সঠিক: - রাষ্ট্র গঠনের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অপরিহার্য উপাদান চারটি। - উপাদানগুলো হলো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব। বাকি অপশন কেন ভুল: A) দুইটি — রাষ্ট্রের মৌলিক উপাদান দুটি নয়, কারণ ভূখণ্ড ও জনসংখ্যা ছাড়াও সরকার ও সার্বভৌমত্ব সমানভাবে প্রয়োজন। B) তিনটি — রাষ্ট্র গঠনের উপাদান তিনটি বললে সার্বভৌমত্ব বাদ পড়ে যায়, যা রাষ্ট্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও প্রধান উপাদান। C) চারটি — এটি সঠিক উত্তর, কারণ রাষ্ট্র হতে হলে নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, সরকার এবং সার্বভৌমত্ব এই চারটি উপাদানই থাকতে হয়। D) পাঁচটি — রাষ্ট্রের স্বীকৃত উপাদান চারটি, অতিরিক্ত কোনো পঞ্চম উপাদান রাষ্ট্রবিজ্ঞানে নেই। মনে রাখার টিপস: রাষ্ট্র মনে রাখতে ভূখণ্ড, জনসংখ্যা, সরকার ও সার্বভৌমত্ব এই চারটির কথা মনে রাখবে, যেখানে সার্বভৌমত্ব হলো রাষ্ট্রের প্রাণ।
2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ কেন সঠিক: - গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহিত হয়। - এই সংবিধান ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে কার্যকর বা প্রবর্তিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ — এই তারিখে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল। B) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই তারিখেই সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল। C) ৭ মার্চ ১৯৭১ — এই ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। D) ২৬ মার্চ ১৯৭৩ — এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতার দ্বিতীয় বার্ষিকী, সংবিধান প্রবর্তনের সাল নয়। মনে রাখার টিপস: বিজয় দিবসের উপহার হিসেবে ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর করা হয়েছিল।
3. মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) এগারো কেন সঠিক: - ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। - ১১ নম্বর সেক্টর বাদে বাকি ১০ জন সেক্টর কমান্ডার নিজ নিজ এলাকার ভৌগোলিক অবস্থানের ভিত্তিতে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) এগারো — এটি সঠিক উত্তর কারণ মুক্তিযুদ্ধকালে সমগ্র বাংলাদেশকে কৌশলগত কারণে ঠিক ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। B) দশ — দশটি সেক্টর ছিল না, কারণ ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ কমান্ডোদের জন্য নির্দিষ্ট এবং সমগ্র দেশ ছিল এর অন্তর্ভুক্ত। C) আট — আটটি সেক্টর ভুল তথ্য, কারণ প্রাথমিক পর্যায়ে সেক্টর সংখ্যা কম থাকলেও চূড়ান্তভাবে সেক্টর ছিল এগারোটি। D) পনেরো — পনেরোটি সেক্টর ভুল তথ্য, কারণ সেক্টর কখনো পনেরোটি ছিল না, বরং সাব-সেক্টর ছিল চৌষট্টিটি। মনে রাখার টিপস: মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর সংখ্যা মনে রাখতে ১১ সংখ্যাটি মনে রাখুন, যা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের নিয়মিত খেলোয়াড় সংখ্যার সমান।
7. বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন-
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) সম্রাট আকবর কেন সঠিক: - সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে ফসলি সন বা বাংলা সন প্রবর্তন করেন, যা পরবর্তীতে পহেলা বৈশাখ হিসেবে উদযাপিত হয়। - খাজনা আদায় সহজ করার জন্য হিজরি চন্দ্রবর্ষ ও সৌরবর্ষের ওপর ভিত্তি করে এই নতুন বর্ষপঞ্জি চালু করা হয়েছিল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট আকবর — সঠিক উত্তর কারণ তিনি বৈজ্ঞানিক উপায়ে খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে বাংলা সনের প্রবর্তন করেন। B) ইলিয়াস শাহ — তিনি ঐতিহাসিক বাংলায় স্বাধীন সুলতানি আমলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন, তবে বাংলা সন চালুর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। C) লক্ষণ সেন — তিনি সেন রাজবংশের রাজা ছিলেন এবং তার নামানুসারে একসময় বাংলায় লক্ষণ সেনাব্দ চালু হয়েছিল, যা পহেলা বৈশাখ নয়। D) বিজয় সেন — তিনি সেন রাজবংশের অন্যতম শাসক ছিলেন, যিনি বাংলা সন চালুর সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। মনে রাখার টিপস: আকবর মানেই বাংলা সন, খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে যার প্রবর্তন।
8. বিখ্যাত যুদ্ধক্ষেত্র ‘ওয়াটার লু’ অবস্থিত-
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বেলজিয়ামে কেন সঠিক: - ওয়াটারলু বর্তমান বেলজিয়ামের ব্রাবান্ট প্রদেশে অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান। - ১৮১৫ সালের ১৮ জুন এই স্থানে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইংল্যান্ডে — এটি ইউরোপের একটি দ্বীপ রাষ্ট্র এবং ওয়াটারলুর যুদ্ধক্ষেত্রের সঙ্গে এর কোনো ভৌগোলিক অবস্থান নেই। B) ফ্রান্সে — ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন যুদ্ধ পরিচালনা করলেও যুদ্ধক্ষেত্রটি ফ্রান্সের বাইরে বর্তমান বেলজিয়ামে অবস্থিত। C) বেলজিয়ামে — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ ঐতিহাসিক ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রটি এই দেশেই অবস্থিত। D) অস্ট্রিয়াতে — এটি মধ্য ইউরোপের একটি দেশ এবং নেপোলিয়নবিরোধী জোটে থাকলেও এই যুদ্ধক্ষেত্র এখানে ছিল না। মনে রাখার টিপস: নেপোলিয়নের শেষ যুদ্ধ ওয়াটারলু বেলজিয়ামে হয়েছিল, যেখানে বেলজিয়াম শব্দটির ব এবং ওয়াটারলুর ব মিলিয়ে মনে রাখা যায়।
9. ‘সীমান্ত গান্ধী’ নামে পরিচিত-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আবদুল গাফফার খান কেন সঠিক: - তিনি ব্রিটিশ ভারতের বিরুদ্ধে অহিংস আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা ছিলেন এবং খোদাই খিদমতগার আন্দোলন গড়ে তোলেন। - ব্রিটিশ ভারতের উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে অবদানের জন্য তাকে বাচশাহ বা সীমান্ত গান্ধী উপাধিতে ভূষিত করা হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) রাজীব গান্ধী — তিনি ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এবং তার সঙ্গে এই উপাধির কোনো সম্পর্ক নেই। B) আবদুল গাফফার খান — এটি এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, তাই এই অপশনটি সঠিক। C) মহাত্মা গান্ধী — তাকে ভারতের জাতির পিতা বলা হয়, সীমান্ত গান্ধী বলা হয় না। D) ইন্দিরা গান্ধী — তিনি ভারতের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তাকে এই উপাধিতে ডাকা হতো না। মনে রাখার টিপস: সীমান্ত মানে সীমান্ত প্রদেশ এবং গান্ধী মানে অহিংস পথ, যা কেবল খান আবদুল গাফফার খানের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
12. স্থায়ী সালিশী আদালত কোথায়
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) হেগে কেন সঠিক: - স্থায়ী সালিশী আদালত বা পার্মানেন্ট কোর্ট অব আর্বিট্রেশন একটি আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তির সংস্থা। - এই আদালত নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত শান্তি প্রাসাদে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) হেগে — এটি সঠিক উত্তর কারণ এই আদালত এখানেই অবস্থিত। B) প্যারিস — এটি ফ্রান্সের রাজধানী এবং ইউনেস্কোর প্রধান কার্যালয়, সালিশী আদালত নয়। C) লন্ডনে — এটি যুক্তরাজ্যের রাজধানী এবং আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা বা আইএমও এর সদর দপ্তর। D) জেনেভায় — এটি সুইজারল্যান্ডের শহর এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ডব্লিউএইচও এর সদর দপ্তর। মনে রাখার টিপস: আন্তর্জাতিক বিচার বা সালিশের প্রধান কার্যালয় বললে সাধারণত নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরকে মনে রাখবে।
13. ‘হেরাল্ড ট্রিব্রিউন’ প্রকাশিত হয়-
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) নিউইয়র্ক থেকে কেন সঠিক: - ‘হেরাল্ড ট্রিবিউন’ বা ‘ইন্টারন্যাশনাল হেরাল্ড ট্রিবিউন’ যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর থেকে প্রকাশিত একটি বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক দৈনিক সংবাদপত্র ছিল। - বর্তমানে এটি ‘নিউইয়র্ক টাইমস ইন্টারন্যাশনাল এডিশন’ নামে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান কার্যালয় নিউইয়র্ক শহরেই অবস্থিত। বাকি অপশন কেন ভুল: A) লন্ডন থেকে — ‘দ্য টাইমস’ বা ‘ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস’ লন্ডন থেকে প্রকাশিত হলেও ‘হেরাল্ড ট্রিবিউন’ এখান থেকে প্রকাশিত হয় না। B) নিউইয়র্ক থেকে — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এই অপশনটি সঠিক। C) প্যারিস থেকে — অতীতে এর একটি ইউরোপীয় সংস্করণ প্যারিস থেকে প্রকাশিত হতো, তবে এর মূল প্রকাশনা ও সদর দপ্তর নিউইয়র্ক কেন্দ্রিক। D) ওয়াশিংটন থেকে — ‘ওয়াশিংটন পোস্ট’ ওয়াশিংটন থেকে প্রকাশিত হয়, যা ‘হেরাল্ড ট্রিবিউন’ নয়। মনে রাখার টিপস: ‘হেরাল্ড ট্রিবিউন’ পত্রিকার মূল ভিত্তি এবং বর্তমান প্রকাশনা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহর থেকে পরিচালিত হয়।

মোট প্রশ্ন (14)

3. সিএফসি কি ক্ষতি করে?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ওজোন স্তর ধ্বংস করে ১. কেন সঠিক: - সিএফসি বা ক্লোরোফ্লোরোকার্বন বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে এবং স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে পৌঁছে সূর্যালোকের প্রভাবে ভেঙে যায়। - এর ফলে মুক্ত ক্লোরিন পরমাণু উৎপন্ন হয় যা ওজোন অণুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে ওজোন স্তর ধ্বংস করে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সিএফসি হলো কার্বন, ক্লোরিন এবং ফ্লোরিনের সমন্বয়ে গঠিত একটি কৃত্রিম রাসায়নিক যৌগ যা সাধারণত অ্যারোসল ও রেফ্রিজারেশারে ব্যবহৃত হয়। - কার্যপ্রণালি: সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে সিএফসি অণু থেকে ক্লোরিন পরমাণু আলাদা হয় এবং ওজোন অণু থেকে অক্সিজেন ছিনিয়ে নিয়ে ওজোন স্তর ক্ষয় করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: রেফ্রিজারেটর এবং এয়ার কন্ডিশনারে ব্যবহৃত কুলিং গ্যাস। ব্যাখ্যা: পুরোনো প্রযুক্তির এসব যন্ত্রে সিএফসি ব্যবহৃত হতো যা লিক হয়ে বায়ুমণ্ডলে মিশে ওজোন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত করত। উদাহরণ ২: স্প্রে ক্যান বা অ্যারোসল ব্যবহারের পাত্র। ব্যাখ্যা: সুগন্ধি বা কীটনাশকের স্প্রে ক্যানে প্রপেলান্ট হিসেবে সিএফসি ব্যবহার করা হতো যা বায়ুমণ্ডলে ওজোন ক্ষয়ের জন্য দায়ী। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ওজোন স্তর ধ্বংস করে — এটি সঠিক কারণ সিএফসি গ্যাসের ক্লোরিন অণু ওজোন স্তরকে ভেঙে পাতলা করে দেয়। B) বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে — এটি ভুল কারণ তাপ বৃদ্ধির প্রধান কারণ কার্বন ডাইঅক্সাইড ও মিথেন গ্যাসের মতো গ্রিনহাউস গ্যাস। C) এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায় — এটি ভুল কারণ এসিড বৃষ্টির জন্য প্রধানত সালফার ডাইঅক্সাইড ও নাইট্রোজেন অক্সাইড দায়ী। D) রক্তের পরিবহন ক্ষমতা নষ্ট করে — এটি ভুল কারণ কার্বন মনোক্সাইড গ্যাস রক্তের হিমোগ্লোবিনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই ক্ষতিকর অবস্থা তৈরি করে। ৫ মনে রাখার টিপস: - সিএফসি নামটিতে ক্লোরিন আছে আর ক্লোরিন ওজোন স্তর ধ্বংসের জন্য প্রধান শত্রু হিসেবে কাজ করে। এভাবে সিএফসি দেখলেই ওজোন স্তর ধ্বংসের কথা মনে রাখতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ওজোন স্তর রক্ষার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে মোন্ট্রিল প্রটোকল চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। - এই ধরনের পরিবেশগত প্রশ্নে সিএফসি ছাড়াও হ্যালন ও মিথাইল ক্লোরোফর্মের নামও ওজোন ক্ষয়কারী পদার্থ হিসেবে আসতে পারে।
8. আকাশে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) লুব্ধক ১. কেন সঠিক: রাতের আকাশে দৃশ্যমান সমস্ত নক্ষত্রের মধ্যে লুব্ধক বা সিরিয়াস হলো সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র। পৃথিবী থেকে এর আপাত প্রজ্জ্বলন বা উজ্জ্বলতা সবচেয়ে বেশি হওয়ার কারণে এটি খালি চোখে সবচেয়ে উজ্জ্বল দেখায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: রাতের আকাশে নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা নির্ভর করে তার নিজস্ব উজ্জ্বলতা এবং পৃথিবী থেকে তার দূরত্বের ওপর। কার্যপ্রণালি: লুব্ধক পৃথিবী থেকে মাত্র আট দশমিক ছয় আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত একটি যুগ্ম নক্ষত্র ব্যবস্থা হওয়ায় এটি আমাদের এত উজ্জ্বল দেখায়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: সূর্য হলো আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র এবং এটি দিনের বেলা আকাশকে আলোয় আলোকিত করে। ব্যাখ্যা: সূর্যের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে এটি আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় ও উজ্জ্বল মনে হয়, কিন্তু রাতের আকাশে লুব্ধক সবচেয়ে উজ্জ্বল। উদাহরণ ২: রাতের আকাশে কালপুরুষ বা ওরাইয়ন মণ্ডলের কাছাকাছি লুব্ধক নক্ষত্র সহজে চিহ্নিত করা যায়। ব্যাখ্যা: নক্ষত্রমণ্ডলের অবস্থান চেনার মাধ্যমে সহজেই লুব্ধক নক্ষত্রের সঠিক অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ধ্রুবতারা — এটি আকাশের উত্তর গোলার্ধের দিক নির্দেশকারী নক্ষত্র এবং দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় কিন্তু এটি সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র নয়। B) লুব্ধক — এটি বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র এবং এটি সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত। C) প্রক্সিমা সেন্টারাই — এটি সূর্যের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র হলেও পৃথিবী থেকে খালি চোখে এটি দেখা যায় না এবং এটি লুব্ধকের মতো উজ্জ্বল নয়। D) পুলস্ত্য — এটি সপ্তর্ষি মণ্ডলের একটি নক্ষত্র যা লুব্ধকের মতো রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসেবে গণ্য হয় না। ৫ মনে রাখার টিপস: রাতের আকাশে উজ্জ্বলতম নক্ষত্র হলো লুব্ধক যার ইংরেজি নাম সিরিয়াস এবং এটি সহজে মনে রাখতে সিরিয়াস শব্দটি মাথায় রাখা যেতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রাতের আকাশের সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম এলে চোখ বন্ধ করে লুব্ধক বা সিরিয়াস উত্তর নির্বাচন করতে হবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: লুব্ধককে অনেক সময় ডগ স্টার বা কুকুরের নক্ষত্র বলা হয় কারণ এটি ক্যানিস মেজর তারকামণ্ডলের অন্তর্ভুক্ত। এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় বারবার আসে তাই নক্ষত্রের নাম ও দূরত্বের বিষয়টি ভালোভাবে মনে রাখতে হবে।
9. সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ-
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) বুধ ১. কেন সঠিক: বুধ গ্রহ সৌরজগতের সূর্য থেকে সবচেয়ে নিকটবর্তী এবং আকৃতির দিক থেকে সবচেয়ে ছোট গ্রহ। এর ব্যাস পৃথিবীর মাত্র চার ভাগের এক ভাগের মতো এবং ভরও অন্যান্য গ্রহের তুলনামূলক অনেক কম। বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুযায়ী সৌরজগতের গ্রহগুলোকে আকার এবং দূরত্বের দিক থেকে সাজানো হয়। বুধের ব্যাস প্রায় চার হাজার আটশ আচল্লিশ কিলোমিটার এবং এর কোনো বায়ুমণ্ডল ও উপগ্রহ নেই। কার্যপ্রণালি: সূর্যের আকর্ষণের কারণে এটি সবচেয়ে কক্ষপথের ভেতরের দিকে অবস্থান করে এবং এর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি অন্যান্য গ্রহের চেয়ে অনেক কম। উদাহরণ: উদাহরণ ১: চাঁদের আকার ও গঠন ব্যাখ্যা: বুধ গ্রহের পৃষ্ঠ দেখতে অনেকটা আমাদের চাঁদের মতো, যেখানে প্রচুর উল্কাপিণ্ডের আঘাতের ফলে গহ্বর বা ক্রেটার তৈরি হয়েছে। উদাহরণ ২: সূর্যের চারপাশে দ্রুত প্রদক্ষিণ ব্যাখ্যা: সূর্য থেকে সবচেয়ে কাছে থাকার কারণে বুধ মাত্র আটান্ন দিনে সূর্যকে একবার ঘুরে আসে, যা সৌরজগতের মধ্যে সবচেয়ে কম সময়ে কক্ষপথ প্রদক্ষিণ করার রেকর্ড। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পৃথিবী — পৃথিবী সৌরজগতের পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ এবং এটি বুধের চেয়ে আকৃতিতে অনেক বড়। B) শনি — শনি সৌরজগতের দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্রহ এবং এর চারপাশে বিখ্যাত বলয় রয়েছে। C) বুধ — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম গ্রহ। D) বৃহস্পতি — বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ এবং এটি বুধের তুলনায় বিশাল আকারের। ৫. মনে রাখার টিপস: সৌরজগতের ছোট থেকে বড় গ্রহের ক্রম মনে রাখার কৌশল হিসেবে বুধের নাম সবার আগে আসে কারণ এটিই সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই সৌরজগতের বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম গ্রহ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। যেমন, সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ কোনটি, এই প্রশ্নটি এর সঙ্গে প্রায়ই পরীক্ষণে থাকে।
11. বিদ্যুৎ প্রবাহের একক-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অ্যাম্পিয়ার ১. কেন সঠিক: - বিদ্যুৎ প্রবাহ বা তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের আন্তর্জাতিক একক হলো অ্যাম্পিয়ার। - কোনো পরিবাহীর যেকোনো প্রস্থচ্ছেদের মধ্য দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে এক কুলম্ব চার্জ প্রবাহিত হলে তাকে এক অ্যাম্পিয়ার বলে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: তড়িৎ প্রবাহ হলো আধান বা চার্জ প্রবাহের হার। - সূত্র বা তত্ত্ব: তড়িৎ প্রবাহ I সমান আধান Q ভাগ সময় t। - কার্যপ্রণালি: পরিবাহীর ভেতর দিয়ে ইলেকট্রনগুলোর নির্দিষ্ট দিকে প্রবাহিত হওয়ার হারই হলো তড়িৎ প্রবাহ। - বাস্তব প্রয়োগ: বাড়িতে ব্যবহৃত বৈদ্যুতিক পাখা বা বাল্ব কতটুকু বিদ্যুৎ টানছে তা অ্যাম্পিয়ার এককে মাপা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: একটি স্মার্টফোনের চার্জার সাধারণত দুই অ্যাম্পিয়ার বিদ্যুৎ সরবরাহ করে। ব্যাখ্যা: এটি ব্যাটারির ভেতরে দ্রুত চার্জ জমা করার জন্য তড়িৎ প্রবাহের পরিমাণ নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: ঘরের মেইন সার্কিট ব্রেকার সাধারণত বিশ বা ত্রিশ অ্যাম্পিয়ার ক্ষমতার হয়। ব্যাখ্যা: এর বেশি বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে নিরাপত্তার স্বার্থে লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ভোল্ট — এটি বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্য বা ভোল্টেজের একক। B) জুল — এটি কাজ বা শক্তির একক। C) ওয়াট — এটি ক্ষমতার একক। D) অ্যাম্পিয়ার — এটি বিদ্যুৎ প্রবাহের সঠিক একক। ৫. মনে রাখার টিপস: - বিজ্ঞানী আঁদ্রে-মারি অ্যাম্পিয়ারের নামানুসারে তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার রাখা হয়েছে। - তড়িৎ প্রবাহ মাপার যন্ত্রের নাম অ্যামিটার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিদ্যুৎ প্রবাহ পরিমাপের যন্ত্রের নাম কী এবং এর একক কী, এই প্রশ্ন প্রায়ই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে। - এসআই এককে মৌলিক রাশি কয়টি এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ তাদের একটি, তা মনে রাখা জরুরি।
13. কোনটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ?
Created 2 days ago | Updated 36 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ধান ১. কেন সঠিক: - ধান উদ্ভিদের বীজে মাত্র একটি বীজপত্র থাকে, তাই এটি একবীজপত্রী উদ্ভিদ। - একবীজপত্রী উদ্ভিদের বীজে জাইলেম ও ফ্লোয়েম টিস্যুর বিন্যাস এবং পাতার শিরাবিন্যাস সমান্তরাল হয়ে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: সপুষ্পক উদ্ভিদকে বীজের বীজপত্রের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়। - কার্যপ্রণালি: একবীজপত্রী উদ্ভিদের অঙ্কুরোদগমের সময় বীজপত্রটি মাটির নিচে বা ওপরে এককভাবে অবস্থান করে এবং ভ্রূণমুকুল রক্ষা করে। - বাস্তব প্রয়োগ: আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য যেমন ধান, গম ও ভুট্টা একবীজপত্রী উদ্ভিদের অন্তর্ভুক্ত যা মানবজাতির পুষ্টির প্রধান উৎস। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: গম ব্যাখ্যা: গমের বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে এবং এর শিকড়গুচ্ছ অস্থানিক হয়, যা একবীজপত্রী উদ্ভিদের প্রধান বৈশিষ্ট্য। উদাহরণ ২: ভুট্টা ব্যাখ্যা: ভুট্টার গাছ ও বীজ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় এর কাণ্ড ফাঁপা নয় এবং পাতা সমান্তরাল শিরাযুক্ত, যা একবীজপত্রী উদ্ভিদের পরিচায়ক। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আম — আম গাছের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, তাই এটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ। B) ধান — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে। C) জাম — জাম গাছের বীজে দুটি বীজপত্র থাকে, ফলে এটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের অন্তর্ভুক্ত। D) কাঁঠাল — কাঁঠালের বিচিতে দুটি বীজপত্র পাওয়া যায়, যা দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য। ৫ মনে রাখার টিপস: - একবীজপত্রী উদ্ভিদ মনে রাখার সহজ উপায় হলো আমাদের প্রধান খাদ্যশস্য যেমন ধান, গম, ও ভুট্টা হলো একবীজপত্রী। - ফলমূল ও কাঠের গাছ যেমন আম, জাম, কাঁঠাল সাধারণত দ্বিবীজপত্রী হয়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ধান গাছের বৈজ্ঞানিক নাম ওরাইজা সাটিভা এবং এটি পোয়াসি পরিবারের উদ্ভিদ। - এই একই ধারণা থেকে পরীক্ষার প্রশ্ন আসতে পারে যে নিচের কোনটি দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ বা ঘাস পরিবারের উদ্ভিদ কোনটি।

মোট প্রশ্ন (3)

2. কম্পিউটারের কোনটি নেই?
Created 2 days ago | Updated 23 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) বুদ্ধি বিবেচনা ১. কেন সঠিক: - কম্পিউটার একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির ইলেকট্রনিক ডিভাইস হলেও এর নিজস্ব কোনো সহজাত চিন্তা করার ক্ষমতা বা কমন সেন্স নেই। - মানুষের মতো বিচার-বুদ্ধি খাটিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কম্পিউটারের নেই, এটি কেবল মানুষের দেওয়া নির্দেশ এবং প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: - সংজ্ঞা: কম্পিউটার হলো এমন একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা ডেটা গ্রহণ করে, তা প্রক্রিয়াজাত করে এবং ব্যবহার উপযোগী তথ্য আউটপুট হিসেবে প্রদান করে। - কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামার যেভাবে নির্দেশনা প্রদান করেন, কম্পিউটার ঠিক সেভাবেই গাণিতিক ও যৌক্তিক অপারেশন পরিচালনা করে। - বৈশিষ্ট্য: কম্পিউটারের শতভাগ নির্ভুলভাবে কাজ করার ক্ষমতা, বিশাল ডেটা সংরক্ষণের স্মৃতি এবং ক্লান্তিহীন দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা থাকলেও কোনো সৃজনশীলতা বা আত্মচেতনা নেই। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: দাবা খেলা ব্যাখ্যা: কম্পিউটার দাবা খেলায় বিশ্বচ্যাম্পিয়নকে হারাতে পারে, কিন্তু সে নিজে বুঝতে পারে না যে সে দাবা খেলছে, এটি কেবল পূর্বনির্ধারিত অ্যালগরিদম ও গণনার মাধ্যমে পরবর্তী চাল ঠিক করে। উদাহরণ ২: মেডিকেল ডায়াগনোসিস ব্যাখ্যা: চিকিৎসায় ব্যবহৃত এআই সিস্টেম বা কম্পিউটার রোগ নির্ণয়ে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু নিজে থেকে কোনো নতুন চিকিৎসা পদ্ধতি আবিষ্কার করতে বা নৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) স্মৃতি — কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস যেমন র‍্যাম ও হার্ডডিস্ক রয়েছে, যা ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। C) নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা — কম্পিউটার নিখুঁতভাবে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন করতে পারে এবং মানুষের মতো ভুল করে না যদি না ইনপুটে ভুল থাকে। D) দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা — কম্পিউটার ক্লান্তি বা একঘেয়েমি অনুভব না করে একটানা ২৪ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় কাজ করতে পারে। ৫ মনে রাখার টিপস: - মানুষের আছে প্রাণ, বুদ্ধি ও বিবেচনা আর কম্পিউটারের আছে প্রসেসর, মেমোরি ও নির্দেশমালা। - কম্পিউটার কত দ্রুত কাজ করুক না কেন, তার নিজস্ব কোনো মন বা চিন্তাশক্তি নেই। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স যতই উন্নত হোক না কেন, তা মানুষের বুদ্ধিমত্তার অনুকরণ মাত্র, প্রকৃত বুদ্ধি নয়। - এই প্রশ্নটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা যাচাইয়ের জন্য বারবার আসে।
3. মোডেমের মাধ্যমে কম্পিউটারের-
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ হয় ১. কেন সঠিক: মোডেম হলো একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা কম্পিউটারের ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে। এই রূপান্তরের মাধ্যমে কম্পিউটার টেলিফোন বা ক্যাবল লাইনের সাহায্যে ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হতে পারে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: মোডেম শব্দের পূর্ণরূপ হলো মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর। এটি ডেটা যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ডিভাইস। কার্যপদ্ধতি: মোডেম প্রেরক প্রান্তের ডিজিটাল ডেটাকে অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তরিত করে মডুলেশন সম্পন্ন করে এবং প্রাপক প্রান্তে অ্যানালগ সিগন্যালকে আবার ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তরিত করে ডিমডুলেশন সম্পন্ন করে। ব্যবহার: ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ, ডায়াল-আপ ইন্টারনেট সংযোগ এবং রাউটারের সাথে ইন্টারনেট সেবা সরবরাহের জন্য মোডেম ব্যবহার করা হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বাসাবাড়িতে ব্রডব্যান্ড সংযোগ ব্যাখ্যা: আইএসপি থেকে আসা ক্যাবল বা লাইন প্রথমে মোডমে যুক্ত হয়, যা পরবর্তীতে ইন্টারনেট সংযোগ তৈরি করে। উদাহরণ ২: ডায়াল-আপ ইন্টারনেট ব্যাখ্যা: অতীতে টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ পেতে মোডেম ব্যবহার করা হতো। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইন্টারনেট লাইনের সংযোগ হয় — মোডেমের প্রাথমিক ও প্রধান কাজ হলো কম্পিউটারকে ইন্টারনেট লাইনের সাথে সংযুক্ত করা। B) টেলিভিশন লাইনের সংযোগ হয় — টেলিভিশন সংযোগের জন্য ক্যাবল বা ডিশ লাইন ব্যবহার করা হয়, মোডেম নয়। C) রেডিও লাইনের সংযোগ হয় — রেডিও সিগন্যাল গ্রহণের জন্য রেডিও রিসিভার বা অ্যান্টেন ব্যবহৃত হয়, মোডেমের কাজ এটি নয়। D) টেলিফোন লাইনের সংযোগ হয় — টেলিফোন লাইন শুধুমাত্র মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, কিন্তু মোডেমের মূল উদ্দেশ্য হলো ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা। ৫. মনে রাখার টিপস: মোডেম শব্দের অর্থ হলো মডুলেটর এবং ডিমডুলেটর। মনে রাখতে হবে মোডেম মানেই ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপনের চাবিকাঠি। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: মোডেম হলো এমন একটি ডিভাইস যা ইনপুট ও আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। কম্পিউটার নেটওয়ার্কে এনালগ ও ডিজিটাল সিগন্যালের রূপান্তরকারী হিসেবে মোডেম বহুল ব্যবহৃত হয়।

মোট প্রশ্ন (5)