প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০১২।

পদের নাম: প্রধান শিক্ষক (১০ম গ্রেড)

মোট প্রশ্ন (80)

1. ‘নৌকাডুবি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: নৌকাডুবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে ভুলের কারণে দুটি ভিন্ন দম্পতির জীবন জটিলতার আবর্তে কীভাবে আবর্তিত হয়েছে তা চিত্রিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি কবিতা ও গানের পাশাপাশি সার্থক উপন্যাস রচনা করেছেন। নৌকাডুবি উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলো হলো রমেশ, কমলারানি, নলিনাক্ষ ও হেমা নলিনী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের বাইরে ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: গোরা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও দীর্ঘতম রাজনৈতিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গল্প — নৌকাডুবি কোনো ছোটগল্প নয় বরং এটি একটি দীর্ঘ কলেবরের উপন্যাস। B) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনীত কোনো নাটক নয় বরং পাঠ্যভিত্তিক একটি গদ্য উপন্যাস। C) উপন্যাস — এটি সঠিক কারণ নৌকাডুবি একটি পূর্ণাঙ্গ সামাজিক উপন্যাস। D) প্রবন্ধ — এটি কোনো তত্ত্বমূলক বা সমালোচনামূলক প্রবন্ধ নয় বরং কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নৌকাডুবির ফলে চোখের বালি খেয়ে গোরা চতুরঙ্গ যোগাযোগ রক্ষা করে শেষের কবিতা লিখল। এই ছন্দের মাধ্যমে নৌকাডুবি যে একটি উপন্যাস তা সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নৌকাডুবি উপন্যাসের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ও ছোটগল্পের পার্থক্য প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়।
2. ‘শিষ্টাচার’ এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সদাচার ১. কেন সঠিক: - শিষ্টাচার শব্দের অর্থ ভালো আচরণ, ভদ্রতা বা বিনয়, যা সদাচার শব্দের সমার্থক। - সদাচার গঠিত হয়েছে সৎ এবং আচার মিলে, যার অর্থও সৎ বা ভালো আচরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ বিষয়ক ব্যাকরণগত প্রশ্ন। - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও অর্থের দিক থেকে একই ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভদ্রতা ব্যাখ্যা: এটি শিষ্টাচার বা সদাচারের সমার্থক আরেকটি চমৎকার বাংলা শব্দ। উদাহরণ ২: সদ্ব্যবহার ব্যাখ্যা: এটিও ভালো আচরণ বা শিষ্টাচারের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সততা — সততা বলতে সাধুতা বা নৈতিক দৃঢ়তাকে বোঝায়, যা শিষ্টাচারের কাছাকাছি হলেও সরাসরি সমার্থক নয়। B) নিষ্ঠতা — নিষ্ঠতা অর্থ একাগ্রতা বা অনুরাগ, যা আচরণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) সদাচার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ভালো আচরণ বা শিষ্টাচার। D) সংযম — সংযম অর্থ প্রবৃত্তি নিবৃত্তি বা নিয়ন্ত্রণ, যা শিষ্টাচারের ভিন্ন একটি গুণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিষ্টাচার শব্দের শ দিয়েই সদাচার শব্দটি শুরু হয়, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। - সৎ বা ভালো আচার বা আচরণই হলো শিষ্টাচার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের গভীর অর্থ অনুধাবন করতে হবে। - একই জাতীয় বিশেষণের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র খেয়াল রাখতে হবে।
3. ‘ইতস্তত’ শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইত: + তত ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে বিসর্গের পর অঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ ধ্বনি থাকলে বিসর্গ ও হয় কিংবা বিসর্গের স্থানে শ, ষ, স হয়। - ইতস্ যোগ তত মিলে ইতস্তত শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে বিসর্গ বিসর্গই থেকে গেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে ত বা থ থাকলে বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স হয় অথবা বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে। - এখানে ইতস্ পদের স স্থানে বিসর্গ বসে এবং পরবর্তী ত এর প্রভাবে শব্দটি ইতস্তত রূপে সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনঃ + তাপ = মনস্তাপ ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ত থাকায় বিসর্গের স্থানে স যুক্ত হয়ে মনস্তাপ শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পুরঃ + কার = পুরস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকায় বিসর্গের স্থানে স যুক্ত হয়ে পুরস্কার শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইত + তত — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে মূল শব্দে বিসর্গ বা স এর উপস্থিতি নেই, যা সন্ধির নিয়মের বাইরে। B) ইত: + তত — এটি সঠিক উত্তর। C) ইতস্ + তত — এই অপশনটি আংশিক ব্যাকরণিক রূপ হলেও প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। D) ইত + স্তত — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দ্বিতীয় অংশে অতিরিক্ত স যুক্ত করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে ত বা থ যুক্ত শব্দ দেখলে বিসর্গ বা স এর রূপান্তর মনে রাখতে হবে। - ইতস্তত শব্দের ক্ষেত্রে বিসর্গ চিহ্নের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিসর্গ ও স এর পারস্পরিক পরিবর্তন ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
10. ‘কাটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা / দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টিকা।’ এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
Created 2 days ago | Updated 33 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতাংশটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতার পঙ্‌ক্তি। - এখানে কবি দুঃখ-বেদনা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই জীবনের জয়মাল্য রচনার কথা প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদী কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - তাঁর কবিতায় প্রেম, দ্রোহ, সাম্য এবং মানবমুক্তির সুর জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের সবচেয়ে বিখ্যাত ও পরিচিত কবিতা, যা তাঁকে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দিয়েছে। উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি তাঁর 'অগ্নি-বীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা, যেখানে ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির আহ্বান জানানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত পঙ্‌ক্তিটি তাঁরই কবিতা থেকে গৃহীত। B) মোহিতলাল মজুমদার — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও সমালোচক হলেও এই পঙ্‌ক্তিটি তাঁর নয়। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যশৈলী ও ভাবনার সাথে এই পঙ্‌ক্তির সুর মেলে না। D) ফজলুল করিম — তিনি একজন প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবি বা সংশ্লিষ্ট ধারার লেখক নন, তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - বেদনার টিকা এবং মালিকা গাঁথার এই কাব্যিক বেদনাভরা লাইনগুলোর রচয়িতা আমাদের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির বিখ্যাত কবিতার পঙ্‌ক্তি তুলে দিয়ে রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়। তাই বিখ্যাত কবিতাগুলোর মূল ভাব ও পঙ্‌ক্তিগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
12. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আদ্যাক্ষর ১. কেন সঠিক: আদ্যাক্ষর শব্দটির সঠিক গঠন হলো আদি যোগ অক্ষর। সন্ধির নিয়মে অ বা আ এর পরে অ বা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয়, যা দীর্ঘসন্ধির একটি প্রচলিত নিয়ম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দটি স্বরসন্ধির দীর্ঘসন্ধি সূত্রের আওতায় গঠিত হয়েছে। এখানে আদি শব্দের অন্তস্থিত অ এবং অক্ষর শব্দের আদি অ মিলে আ কার যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিমালয় ব্যাখ্যা: হিম যোগ আলয় সমান হিমালয়, যা দীর্ঘসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কথামৃত ব্যাখ্যা: কথা যোগ অমৃত সমান কথামৃত, যেখানে অ যোগ অ মিলে আ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদ্যোক্ষর — এই বানানে ভুল ও কার ব্যবহৃত হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) আদ্যাক্ষর — এটি সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত শব্দ। C) আদ্যক্ষর — এই বানানে মাঝের আ কারটি বাদ পড়েছে, ফলে সন্ধির নিয়ম রক্ষা হয়নি। D) আদ্যাঅক্ষর — এখানে দুটি স্বরবর্ণ পাশাপাশি রাখা হয়েছে, যা সন্ধির নিয়ম লঙ্ঘন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: আদি শব্দের সঙ্গে অক্ষর যুক্ত করার সময় আদি এর অ এবং অক্ষর এর অ মিলে আ কার হয়। আদ্যাক্ষর লেখার সময় দ এর সঙ্গে সবসময় য ফলা এবং আ কার ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘসন্ধি ঘটিত বানান যেমন মাধ্যাহ্ন বা কথামৃত প্রায়ই আসে। সন্ধির মূল নিয়ম জানা থাকলে এ ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
14. ‘যে গাছে ফল ধরে কিন্তু ফুল ধরে না’ এক কথায় কী হবে?
Created 2 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বনস্পতি ১. কেন সঠিক: - যে গাছে ফুল না ধরে সরাসরি ফল ধরে, তাকে এককথায় বনস্পতি বলা হয়। - বনস্পতি শব্দটি সমাসবদ্ধ পদ, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালে পেকেছে যা = অপক্ক ব্যাখ্যা: সময়ের আগে পেকে যাওয়া বা পরিপক্ব হওয়া বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না = অবিনশ্বর ব্যাখ্যা: যার কোনো ধ্বংস বা ক্ষয় নেই, তাকে এককথায় অবিনশ্বর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনস্পতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্টভাবে ফুল না ধরে ফল ধরার গাছকে বোঝায়। B) পরগাছা — যে উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না এবং অন্য গাছের ওপর বেঁচে থাকে, তাকে পরগাছা বলে। C) বর্ণচোরা — যে ব্যক্তি বা বস্তু স্বভাব বা রূপ লুকিয়ে রাখে এবং সুযোগ বুঝে ক্ষতি করে, তাকে বর্ণচোরা বলা হয়। D) আগাছা — ফসলের জমিতে বা বাগানে যেসব অনাবশ্যক উদ্ভিদ নিজে থেকেই জন্মায়, তাদের আগাছা বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বনস্পতি শব্দের অর্থ বড় গাছ, যা ফুল ছাড়াই সরাসরি ফল দেয়। - মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো বন মানে জঙ্গল এবং স্পতি মানে বড় গাছ, যা ফুল ফোটার ধাপ ছাড়াই ফল দেয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দার্থ ও বাক্য সংকোচন আয়ত্ত করা সম্ভব।
19. He said to me, ‘Will you go home?’ বাক্যটির Indirect speech হবে
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He asked me if I would go home. কেন সঠিক: - interrogative sentence-কে indirect speech-এ রূপান্তর করার সময় reporting verb (said to) পরিবর্তন হয়ে ask বা inquire হয়। - Direct speech-এর reporting verb-টি past tense-এ থাকায় future tense-এর will পরিবর্তিত হয়ে would হয় এবং if যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said to me if I will go home. — এখানে reporting verb পরিবর্তিত হয়ে said থেকে asked হয়নি এবং will অপরিবর্তিত রয়েছে। B) He said to me if I would would go home. — এখানে reporting verb পরিবর্তিত হয়ে asked হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়। C) He asked me if I would go home. — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং নিয়মানুগ রূপান্তর। D) He asked me if I will go home. — এখানে will-কে পরিবর্তন করে would করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: প্রশ্নবোধক বাক্যে said to-এর বদলে asked ব্যবহার করতে হয় এবং tense পরিবর্তনের নিয়মে will-কে would করতে হয়।
20. Deny শব্দের Noun হবে
Created 2 days ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Denial কেন সঠিক: - Deny একটি ভার্ব বা ক্রিয়া শব্দ যার অর্থ অস্বীকার করা। - এর সাথে al প্রত্যয় যুক্ত হয়ে Denial নাউন বা বিশেষ্য গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Refuse — এটি একটি সমার্থক ভার্ব বা ক্রিয়া, কোনো নাউন নয়। B) Denial — এটি সঠিক নাউন ফর্ম যা প্রদত্ত উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। C) Deny — এটি মূল শব্দ যা একটি ভার্ব বা ক্রিয়া রূপে আছে। D) Deniable — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ রূপ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক ভার্বের শেষে al যোগ করে নাউন করা হয়, যেমন Deny থেকে Denial এবং Arrive থেকে Arrival।
21. কোনটি Material noun?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Paper কেন সঠিক: - Material noun হলো সেই বিশেষ্য যা কোনো উপাদান, কাঁচামাল বা পদার্থ বোঝায় যা দিয়ে অন্যান্য বস্তু তৈরি হয়। - Paper একটি উপাদান বা বস্তুগত পদার্থ যা দিয়ে বই, খাতা ইত্যাদি তৈরি করা হয়, তাই এটি Material noun. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Book — এটি কমন নাউন কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট ধরনের বস্তুর সাধারণ নাম এবং এর প্লুরাল করা যায়। B) Paper — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি একটি উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায়। C) Ring — এটি কমন নাউন কারণ এটি সোনা বা রুপা দ্বারা তৈরি একটি নির্দিষ্ট আকৃতির বস্তু বোঝায়। D) River — এটি কমন নাউন কারণ এটি যেকোনো নদীর সাধারণ নাম বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যেসব বস্তু বা উপাদান ওজন করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না এবং যা দিয়ে অন্য কিছু তৈরি হয়, সেগুলোকে Material noun বলে।
26. He was entrusted _____ the care of his uncle. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: - কোনো দায়িত্ব বা সম্পত্তি কারো ওপর অর্পণ করা বোঝালে 'entrust' শব্দের পর সাধারণত 'to' preposition ব্যবহৃত হয়। - এখানে চাচার যত্নের দায়িত্ব তার ওপর অর্পণ করা হয়েছে বোঝাতে 'entrusted to' সঠিক গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — 'Entrust a person with something' বা কারো হাতে কোনো দায়িত্ব সঁপে দেওয়া বোঝালে 'with' হয়, কিন্তু এখানে দায়িত্বটি কারো কাছে অর্পণ করা বোঝানো হয়েছে। B) at — 'at' নির্দিষ্ট স্থান বা সময় বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের উপযুক্ত preposition নয়। C) for — 'for' সাধারণত কারণ বা উদ্দেশ্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ কোনো দায়িত্ব ব্যক্তির ওপর অর্পণ করা অর্থে 'entrust to' সঠিক নিয়ম। মনে রাখার টিপস: দায়িত্ব অর্পণের ক্ষেত্রে ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'entrust to' এবং বস্তুর ক্ষেত্রে 'entrust with' ব্যবহার করা হয়।
27. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Paper is made from wood. কেন সঠিক: - উপাদান পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন বস্তুতে রূপান্তর হলে preposition হিসেবে from ব্যবহৃত হয়। - এখানে কাঠ থেকে কাগজ তৈরি হয় এবং কাঠকে আর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Paper is made of wood — উপাদান অপরিবর্তিত থাকলে of বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Paper is made by wood — by সাধারণত জীব বা কর্তাকে নির্দেশ করতে বসে, বস্তুকে নয়। C) Paper is made from wood — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) Paper is made with wood — with সাধারণত কোনো হাতিয়ার বা উপকরণের ক্ষেত্রে বসে। মনে রাখার টিপস: উপাদান চেনা গেলে of এবং রূপান্তর ঘটে নতুন বস্তু হলে from বসে।
30. কোনটি ‘Feasible’ শব্দের সমার্থক শব্দ?
Created 2 days ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Practical কেন সঠিক: - Feasible শব্দের বাংলা অর্থ হলো সম্ভাব্য, যা সহজে করা সম্ভব বা বাস্তবসম্মত এমন কাজ বোঝায়। - Practical শব্দের অর্থ বাস্তবসম্মত বা প্রায়োগিক, যা Feasible শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Realistic — এর অর্থ বাস্তবধর্মী, যা Feasible বা Practical-এর সমার্থক হলেও এই প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে Practical অধিকতর উপযুক্ত। B) Practical — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ বাস্তবসম্মত ও কার্যকর। C) Impossible — এর অর্থ অসম্ভব, যা Feasible বা সম্ভাব্য শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ। D) Difficult — এর অর্থ কঠিন, যা কোনো কাজ করার যোগ্য বা সম্ভাব্য হওয়ার ধারণার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Feasible অর্থ যা ফিজিক্যালি বা বাস্তবে করা সম্ভব, তাই এর সমার্থক হলো Practical বা বাস্তবসম্মত।
33. একটি বর্গের ক্ষেত্রফল একটি আয়তের ক্ষেত্রফলের সমান। বর্গের পরিসীমা ২৪ সেন্টিমিটার এবং আয়তনের প্রস্থ ৪ সেন্টিমিটার হলে, আয়তের পরিসীমা হবে
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৬ সেমি প্রদত্ত তথ্য: বর্গের পরিসীমা = ২৪ সেন্টিমিটার আয়তের প্রস্থ = ৪ সেন্টিমিটার ধরি, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সেন্টিমিটার আয়তের দৈর্ঘ্য = খ সেন্টিমিটার অতএব, বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ২৪ ÷ ৪ = ৬ সেন্টিমিটার বর্গের ক্ষেত্রফল = ৬ × ৬ = ৩৬ বর্গসেন্টিমিটার সুতরাং, আয়তের ক্ষেত্রফল = বর্গের ক্ষেত্রফল = ৩৬ বর্গসেন্টিমিটার আয়তের দৈর্ঘ্য = ৩৬ ÷ ৪ = ৯ সেন্টিমিটার উত্তর: আয়তের পরিসীমা = ২ × (৯ + ৪) = ২৬ সেন্টিমিটার
36. a + b = 6, ab = 4 হলে a³ + b³ = কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = ৬ ab = ৪ ধরি, পদের মান নির্ণয় করতে হবে প্রদত্ত বীজগণিতীয় সূত্র প্রয়োগ করি অতএব, a কিউব + b কিউব এর সূত্রটি হলো a + b এর হোল কিউব − ৩ab গুণ (a + b) সুতরাং, ৬ এর হোল কিউব − ৩ গুণ ৪ গুণ ৬ = ২১৬ − ৭২ উত্তর: ১৪৪
39. পরীক্ষায় ‘ক’ এর প্রাপ্ত নম্বর যথাক্রমে ৭০, ৮৫ এবং ৭৫। চতুর্থ পরীক্ষায় তাকে কত নম্বর পেতে হবে যেন তার গড় প্রাপ্ত নম্বর ৮০ হয়?
Created 2 days ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম তিন পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর যথাক্রমে ৭০, ৮৫ এবং ৭৫ চতুর্থ পরীক্ষায় গড় নম্বর হতে হবে ৮০ ধরি, ৪টি পরীক্ষায় মোট প্রাপ্ত নম্বর দরকার = ৮০ × ৪ = ৩২০ অতএব, প্রথম তিন পরীক্ষার মোট নম্বর = ৭০ + ৮৫ + ৭৫ = ২৩0 চতুর্থ পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর হবে মোট নম্বর থেকে প্রথম তিন পরীক্ষার নম্বর বাদ দিয়ে সুতরাং, চতুর্থ পরীক্ষায় পেতে হবে = ৩২০ − ২৩০ = ৯০ উত্তর: ৯০
41. ১৫টি খাসির মূল্য ৫টি গরুর মূল্যের সমান। ২টি গরুর মূল্য ৩,০০০ টাকা হলে, ৩টি খাসির মূল্য কত?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১,৫০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১৫টি খাসির মূল্য ৫টি গরুর মূল্যের সমান ২টি গরুর মূল্য ৩,০০০ টাকা ধরি, ১টি গরুর মূল্য = ৩,০০০ ÷ ২ = ১,৫০০ টাকা ৫টি গরুর মোট মূল্য = ১,৫০০ × ৫ = ৭,৫০০ টাকা অতএব, ১৫টি খাসির মোট মূল্য = ৭,৫০০ টাকা ১টি খাসির মূল্য = ৭,৫০০ ÷ ১৫ = ৫০০ টাকা সুতরাং, ৩টি খাসির মোট মূল্য = ৫০০ × ৩ = ১,৫০০ টাকা উত্তর: ১,৫০০ টাকা
42. একটি দ্রব্য ৫০০ টাকায় ক্রয় করে ১০% লাভে বিক্রয় করা হলো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০% কম হলে, কত টাকা লাভ হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ৫০০ টাকা প্রথম বিক্রয় লাভ = ১০% ধরি, প্রকৃত ক্রয়মূল্য = ৫০০ টাকা প্রথম বিক্রয়মূল্য = ৫০০ + (৫০০ এর ১০%) = ৫৫০ টাকা অতএব, নতুন ক্রয়মূল্য ১০% কমে হয় = ৫০০ − (৫০০ এর ১০%) = ৪৫০ টাকা নতুন লাভ বের করতে হবে বিক্রয়মূল্য থেকে নতুন ক্রয়মূল্য বিয়োগ করে সুতরাং, লাভ = প্রথম বিক্রয়মূল্য − নতুন ক্রয়মূল্য লাভ = ৫৫০ − ৪৫০ = ১০০ টাকা উত্তর: ১০০ টাকা
43. একটি কোম্পানি দিনে প্রথম ১,০০০ টাকা বিক্রির উপর ৫% লাভ করে এবং ১,০০০ টাকার অতিরিক্ত বিক্রির উপর ৪% লাভ করে। দিনে মোট ৬,০০০ টাকার জিনিস বিক্রি হলে, কোম্পানি সর্বমোট কত টাকা লাভ করে?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম এক হাজার টাকা বিক্রির উপর লাভ পাঁচ শতাংশ এক হাজার টাকার অতিরিক্ত বিক্রির উপর লাভ চার শতাংশ দিনে মোট বিক্রির পরিমাণ ছয় হাজার টাকা ধরি, প্রথম বিক্রির অংশ = এক হাজার টাকা অতিরিক্ত বিক্রির অংশ = ছয় হাজার টাকা − এক হাজার টাকা = পাঁচ হাজার টাকা অতএব, প্রথম এক হাজার টাকার উপর লাভ = এক হাজার টাকার পাঁচ শতাংশ = এক হাজার × পাঁচ ÷ একশত = পঞ্চাশ টাকা অতিরিক্ত পাঁচ হাজার টাকার উপর লাভ = পাঁচ হাজার টাকার চার শতাংশ = পাঁচ হাজার × চার ÷ একশত = দুইশত টাকা সুতরাং, সর্বমোট লাভের পরিমাণ = পঞ্চাশ টাকা + দুইশত টাকা = দুইশত পঞ্চাশ টাকা উত্তর: দুইশত পঞ্চাশ টাকা
45. কোন সংখ্যাটি ক্ষুদ্রতম?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/১১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলো হলো ১ ÷ ১১, ২ ÷ ২১, ৩ ÷ ৩১ এবং √০.০২ ধরি, প্রথম ভগ্নাংশ = ১ ÷ ১১ = ০.০৯ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২ ÷ ২১ = ০.০৯৫ তৃতীয় ভগ্নাংশ = ৩ ÷ ৩১ = ০.০৯৬ অতএব, চতুর্থ সংখ্যাটি হলো √০.০২ = ০.১৪ প্রথম ভগ্নাংশের মান সবচেয়ে কম পাওয়া গেল দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ভগ্নাংশের মান প্রথমটির চেয়ে বেশি সুতরাং, ০.০৯ সংখ্যাটি অন্য সব সংখ্যার চেয়ে ছোট তাই নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো প্রথম অপশন উত্তর: A) ১/১১
46. নিশাত মজুমদার কত তারিখে এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯ মে ২০১২ কেন সঠিক: - নিশাত মজুমদার প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ১৯ মে তারিখে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন। - এভারেস্ট জয়ের এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি বাংলাদেশের নারী অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ মে ২০১২ — এই তারিখে নিশাত মজুমদার এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছাননি, এটি ভুল তারিখ। B) ১৯ মে ২০১২ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিন তিনি এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান। C) ২১ মে ২০১২ — এই তারিখে অন্য কোনো অভিযাত্রী চূড়ায় উঠতে পারেন, তবে নিশাত মজুমদারের ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। D) ২২ মে ২০১২ — এটি নিশাত মজুমদারের এভারেস্ট জয়ের তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: নিশাত মজুমদার ২০১২ সালের মে মাসের ১৯ তারিখে এভারেস্ট জয় করেন, সংখ্যাটি মনে রাখতে ১৯ মে সাল মনে রাখুন ২০১২।
50. ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবর কাকে পরাজিত করেন?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইব্রাহিম লোদি কেন সঠিক: - ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দের ২১শে এপ্রিল পানিপথের প্রথম যুদ্ধে মুঘল সম্রাট বাবর দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদিখকে পরাজিত ও নিহত করেন। - এই যুদ্ধের মাধ্যমেই ভারতে লোদি রাজবংশের পতন ঘটে এবং মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইব্রাহিম লোদি — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের কাছে পরাজিত ও নিহত হয়েছিলেন। B) শিবাজি — তিনি মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সমসাময়িক ছিলেন, বাবর ও পানিপথের যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) রানা প্রতাপ সিংহ — তিনি মেবারের রাজপুত রাজা ছিলেন এবং মুঘল সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে হলদিঘাটের যুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। D) বৈরাম খাঁ — তিনি মুঘল সেনাপতি ছিলেন যিনি আকবরের অভিভাবক ও প্রধান উজির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: পানিপথের প্রথম যুদ্ধ ১৫২৬ সালে বাবর ও ইব্রাহিম লোদির মধ্যে হয়, যেখানে বাবর জয়ী হয়ে মুঘল বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
51. বাংলাদেশের রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁও এর পত্তন করেন
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশা খান কেন সঠিক: - বারো ভূঁইয়াদের প্রধান ঈশা খান বাংলার সুলতানদের পতনের পর সোনারগাঁওকে তাঁর রাজধানী বা প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলেন। - মুঘল আমলের পূর্বে বাংলার স্বাধীন ভূঁইয়াদের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই ঐতিহাসিক সোনারগাঁও অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট আকবর — তিনি মুঘল সম্রাট ছিলেন এবং সোনারগাঁও পত্তন করেননি, তবে তাঁর সেনাপতি মানসিংহ এই অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। B) শাহজাদা আজম — তিনি সুবেদার ছিলেন এবং তাঁর নামানুਸারে পরবর্তীতে ঢাকার নাম আজিমাবাদ করা হয়েছিল, সোনারগাঁও পত্তন করেননি। C) সুবেদার ইসলাম খান — তিনি মুঘল সুবেদার ছিলেন এবং বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেছিলেন, সোনারগাঁও পত্তন করেননি। D) ঈশা খান — তিনি বারো ভূঁইয়াদের প্রধান হিসেবে সোনারগাঁওকে বাংলার রাজধানী বা প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে প্রথম পত্তন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সোনারগাঁও মানেই বারো ভূঁইয়াদের প্রধান বীর ঈশা খানের ঐতিহাসিক রাজধানী।
52. ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় কত সালে?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৮৯ কেন সঠিক: - ১৭৮৯ সালের ৫ই মে ফ্রান্সে স্টেটস জেনারেলের অধিবেশন আহ্বানের মাধ্যমে এই বিপ্লবের সূচনা ঘটে। - এই সালের ১৪ই জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের পূর্ণ বিস্ফোরণ ঘটে এবং সামন্ততন্ত্রের অবসান হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৫৭ — এটি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার ক্ষমতা দখলের সাথে সম্পর্কিত পলাশীর যুদ্ধের সাল। B) ১৭৬৯ — এটি শিল্পবিপ্লবের ক্ষেত্রে জেমস ওয়াটের বাষ্পীয় ইঞ্জিনের পেটেন্ট অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত বছর। D) ১৮১০ — এটি ঊনবিংশ শতাব্দীর একটি বছর, যা ফরাসি বিপ্লবের সূচনা বা মূল ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় ১৭৮৯ সালে এবং বিখ্যাত বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল ১৪ই জুলাই।
56. কোন মুসলিম নারী সর্বপ্রথম নোবেল শান্তি পুরস্কার পান?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিরিন এবাদি কেন সঠিক: - ইরানের মানবাধিকার আইনজীবী শিরিন এবাদি ২০০৩ সালে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। - তিনিই প্রথম কোনো মুসলিম নারী যিনি এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিরিন এবাদি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০০৩ সালে প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। B) বেনজীর ভূট্টো — তিনি পাকিস্তানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কিন্তু নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি। C) মনিকা আলী — তিনি একজন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক ও লেখক, নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) বেগম রোকেয়া — তিনি বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত ও সমাজসংস্কারক, নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি। মনে রাখার টিপস: শান্তিতে প্রথম মুসলিম নারী শিরিন এবাদি, যাঁর নাম শুরু হয় ই দিয়ে এবং তিনি ২০০৩ সালে নোবেল পান।
58. কোন মুঘল সুবাদার চট্টগ্রাম দখল করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শায়েস্তা খান কেন সঠিক: - বাংলার মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগীজ ও মগদের কবল থেকে চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধার করেন। - চট্টগ্রাম দখলের পর এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ইসলামাবাদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলাম খান — তিনি প্রথম মুঘল সুবাদার হিসেবে ঢাকা রাজধানী স্থাপন করেন এবং বাকলা ও কামরূপ জয় করেন, চট্টগ্রাম দখল করেননি। B) মীর জুমলা — তিনি আসাম ও কোচবিহার জয় করেছিলেন, তবে চট্টগ্রাম জয়ের অভিযানের নেতৃত্ব তিনি দেননি। C) রাজা মানসিংহ — তিনি আকবরের সেনাপতি হিসেবে বাংলা ও বিহারের বিভিন্ন বিদ্রোহী দমন করেন, তবে চট্টগ্রাম অভিযানে যুক্ত ছিলেন না। D) শায়েস্তা খান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনিই চট্টগ্রাম দখল করে এর নাম ইসলামাবাদ রেখেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ইসলামাবাদ নামের ইসলাম অংশটি মনে রাখতে পারেন শায়েস্তা খানের নামের সাথে মিলিয়ে, যিনি ১৬৬৬ সালে চট্টগ্রাম জয় করেছিলেন।
59. বাংলাদেশের সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয় কোন সালে?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫৪ কেন সঠিক: - ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার বাংলাদেশ পুলিশে প্রথম নারী কনস্টেবল নিয়োগের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। - এই পদক্ষেপে ১৪ জন নারী সদস্য নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে নারী জাগরণ ও সমতা নিশ্চিতকরণের পথচলা শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭১ — এই সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হয়, কিন্তু তখন নারী পুলিশ নিয়োগ করা হয়নি। B) ১৯৭৩ — এই সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী পুনর্গঠনের কাজ শুরু হলেও তখনো নারী পুলিশ নিয়োগের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। D) ১৯৭৮ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ এর চার বছর আগেই ১৯৭৪ সালে প্রথম নারী পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে ১৪ জন নারী সদস্যের মাধ্যমে নারী পুলিশ নিয়োগের ইতিহাস শুরু হয়।
61. কত বছর পর পর হ্যালির ধূমকেতু আবির্ভূত হয়?
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৬ বছর ১. কেন সঠিক: - হ্যালির ধূমকেতু একটি বিখ্যাত периодиক বা পর্যায়বৃত্ত ধূমকেতু যা নির্দিষ্ট সময় পরপর পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান হয়। - এর কক্ষপথ এমন যে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে এর প্রায় ছিয়াত্তর বছর সময় লাগে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ধূমকেতু হলো বরফ, ধূলিকণা এবং গ্যাস নিয়ে গঠিত মহাজাগতিক বস্তু যা উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। - কার্যপ্রণালি: হ্যালির ধূমকেতু যখন সূর্যের কাছাকাছি আসে তখন তাপের কারণে এর বরফ ও গ্যাস বাষ্পীভূত হয়ে উজ্জ্বল লেজের সৃষ্টি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা কেপলারের গ্রহের গতি সংক্রান্ত সূত্র ব্যবহার করে এর কক্ষপথের আবর্তনকাল হিসাব করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হ্যালির ধূমকেতু শেষবার দেখা গিয়েছিল উনিশ শ ছিয়াশি সালে। ব্যাখ্যা: এই হিসাব অনুযায়ী পরবর্তীবার এটিকে দুই হাজার একষট্টি সালে আবার আকাশে দেখা যাবে। উদাহরণ ২: অন্যান্য পর্যায়বৃত্ত ধূমকেতু যেমন এনকের ধূমকেতুর আবর্তনকাল মাত্র তিন বছর তিন মাস। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন ধূমকেতুর আকার এবং সূর্যের থেকে দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে তাদের আবর্তনকাল ভিন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬৫ বছর — এই সময়কালের মধ্যে হ্যালির ধূমকেতু সূর্যকে প্রদক্ষিণ সম্পন্ন করতে পারে না। B) ৭০ বছর — এটি হ্যালির ধূমকেতুর প্রকৃত কক্ষপথের আবর্তনকালের সঙ্গে মেলে না। C) ৭৬ বছর — এটি হ্যালির ধূমকেতুর সঠিক ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত আবর্তনকাল। D) ৮০ বছর — এই সময়কালটি হ্যালির ধূমকেতুর কক্ষীয় গতির হিসাবের চেয়ে বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: - হ্যালির ধূমকেতুর আবর্তনকাল মনে রাখতে সংখ্যাটি ছিয়াত্তর মনে রাখুন। - ধূমকেতুর আবর্তনকাল তার সূর্য থেকে দূরত্বের ওপর নির্ভর করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হ্যালির ধূমকেতুর নাম রাখা হয়েছে বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালির নামানুসারে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই জ্যোতির্বিজ্ঞান অংশ থেকে আসে।
62. কোন ধাতুটির তরল অবস্থায় থাকে?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারদ (Hg) ১. কেন সঠিক: পারদ একটি ধাতু হওয়া সত্ত্বেও স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ও চাপে এটি তরল অবস্থায় থাকে। এর কারণ হলো পারদের পরমাণুগুলোর মধ্যে ধাতব বন্ধন তুলনামূলকভাবে দুর্বল হয় এবং এর গলনাঙ্ক সাধারণ তাপমাত্রার নিচে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: রসায়ন শাস্ত্রের ধাতু ও অধাতু অধ্যায়ের আওতাধীন এই প্রশ্নে পারদ বা মার্কারির ভৌত অবস্থা আলোচিত হয়েছে। সাধারণ ধাতুগুলো কঠিন হলেও পারদের ইলেকট্রন বিন্যাস এবং দুর্বল আন্তঃপারমাণবিক আকর্ষণের কারণে এটি ঘরের তাপমাত্রায় তরল থাকে। এর পারমাণবিক সংখ্যা ৮০ এবং প্রতীক Hg হলো এর ল্যাটিন নাম হাইড্রাজিরা থেকে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জ্বর মাপার সাধারণ থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেই পারদের প্রসারণ ঘটে এবং এটি নলের ভেতর ওপরের দিকে উঠে সঠিক তাপমাত্রা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: রক্তচাপ মাপার যন্ত্র বা স্ফিগমোম্যানোমিটারে পারদ ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: পারদের ঘনত্ব অনেক বেশি থাকায় অল্প জায়গার মধ্যে নির্ভুলভাবে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ মাপা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Au হলো সোনার রাসায়নিক প্রতীক এবং এটি একটি অত্যন্ত মূল্যবান কঠিন ধাতু। B) Hg হলো পারদের রাসায়নিক প্রতীক যা স্বাভাবিক অবস্থায় একমাত্র তরল ধাতু। C) Cu হলো তামার রাসায়নিক প্রতীক এবং এটি বিদ্যুৎ ও তাপের সুবাহী কঠিন ধাতু। D) Na হলো সোডিয়ামের রাসায়নিক প্রতীক যা একটি নরম কিন্তু কঠিন ক্ষার ধাতু। ৫. মনে রাখার টিপস: পর্যায় সারণিতে একমাত্র তরল ধাতু হলো পারদ, যার প্রতীক Hg এবং তরল অধাতু হলো ব্রোমিন। মার্কারির প্রথম অক্ষর M দিয়ে মনে রাখতে পারো এটি মেটাল বা ধাতু হওয়া সত্ত্বেও তরল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পারদ একমাত্র তরল ধাতু হলেও ব্রোমিন হলো একমাত্র তরল অধাতু যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একসঙ্গে আসে। পারদের ঘনত্ব অনেক বেশি হওয়ায় এর ভেতর লোহা বা সীসাও ভেসে থাকতে পারে।
66. মানবদেহের কোন অংশে নিউমোনিয়া রোগ হয়?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফুসফুসে ১. কেন সঠিক: নিউমোনিয়া একটি ফুসফুসের সংক্রমণ যা সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের কারণে ঘটে। এই রোগে ফুসফুসের বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাই পুঁজ ও তরলে পূর্ণ হয়ে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের প্যারেনকাইমার তীব্র প্রদাহজনিত রোগ। কার্যপ্রণালি: জীবাণু ফুসফুসে প্রবেশ করে অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে। কারণ ও ফলাফল: অক্সিজেন বিনিময়ে ব্যাঘাত ঘটে এবং শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঠান্ডা লাগার পর তীব্র কাশি এবং বুকে কফ জমে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ফুসফুসে জীবাণু সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ঠান্ডা পানিতে দীর্ঘক্ষণ ভিজে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া। ব্যাখ্যা: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িক কমে গেলে ফুসফুসে জীবাণু সহজে আক্রমণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গলায় — গলা বা স্বরযন্ত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা বা টনসিল প্রদাহ হয়, নিউমোনিয়া হয় না। B) ফুসফুসে — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউমোনিয়া সরাসরি ফুসফুসের টিস্যুকে আক্রমণ করে। C) নাকে — নাকে সর্দি বা সাইনুসাইটিস হতে পারে, কিন্তু নিউমোনিয়া নাকের রোগ নয়। D) হৃদপিণ্ডে — হৃদপিণ্ডে মায়োকার্ডাইটিস বা পেরিডাইটিস হতে পারে, নিউমোনিয়া নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিউমোনিয়া শব্দটির সাথে ফুসফুসের বায়ুথলির সংক্রমণ কথাটি মনে রাখবে। নি দিয়ে নিউমোনিয়া এবং ফু দিয়ে ফুসফুস মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিউমোনিয়া সাধারণত স্ট্রিপটোককাস নিউমোনিয়া ব্যাকটেরিয়ার কারণে বেশি হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে নিউমোনিয়া মানবদেহের কোন তন্ত্রকে আক্রান্ত করে, যার উত্তর হবে শ্বসনতন্ত্র।
72. DOS (কম্পিউটার সংক্রান্ত) কি?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Disk Operating System. ১. কেন সঠিক: DOS হলো একটি কমান্ড লাইনভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটারের ডিস্ক বা সংরক্ষণ মাধ্যম পরিচালনা করে। এটি ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে ফাইল ও মেমোরি নিয়ন্ত্রণ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Disk Operating System বা ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা টেক্সট কমান্ডের মাধ্যমে ডিস্ক ড্রাইভ ও ফাইল ম্যানেজ করে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কিবোর্ড থেকে কমান্ড টাইপ করলে কমান্ড প্রম্পট তা গ্রহণ করে এবং অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেলের মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে নির্দেশ পাঠায়। বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত একক ব্যবহারকারী এবং একক টাস্কভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম যেখানে মাউসের কোনো ব্যবহার থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: MS-DOS ব্যাখ্যা: মাইক্রোসফট কোম্পানির তৈরি করা সবচেয়ে জনপ্রিয় ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম হলো এমএস-ডোস। উদাহরণ ২: PC-DOS ব্যাখ্যা: আইবিএম কম্পিউটারের জন্য তৈরি করা প্রথম দিকের একটি বিখ্যাত ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Disk Operating System — এটি সঠিক উত্তর কারণ DOS-এর পূর্ণরূপ এটিই এবং এটি ডিস্ক নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। B) Data Operating Service — এই নামে কম্পিউটার বিজ্ঞানে কোনো স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম বা সেবা নেই। C) Data Operating System — এটি শুনতে সঠিক মনে হলেও প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক নাম Disk Operating System। D) এর কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন A সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: DOS শব্দটিতে প্রথম অক্ষর D দিয়ে Disk এবং OS দিয়ে Operating System মনে রাখা যায়। এটি আধুনিক উইন্ডোজের মতো গ্রাফিকাল নয়, বরং সম্পূর্ণ টেক্সটভিত্তিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের প্রারম্ভিক যুগে ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম খুবই জনপ্রিয় ছিল। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এমএস-ডোস (MS-DOS) এর পূর্ণরূপ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।
75. মালদ্বীপ গঠিত হয়েছে কীভাবে?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে ১. কেন সঠিক: মালদ্বীপ একক কোনো ভূখণ্ড বা ছোট দুই-চারটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত নয়। এটি ভারত মহাসাগরের বুকে প্রবাল গঠিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র, যা অসংখ্য ক্ষুদ্র দ্বীপের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত মহাসাগরের ঠিক দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে এটি অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম নিচু দেশ এবং প্রধানত প্রবাল প্রাচীর বা অ্যাটল দ্বারা গঠিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মালদ্বীপের রাজধানী মালে। ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট দ্বীপের ওপর গড়ে ওঠা শহর এবং দেশের প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র। উদাহরণ ২: আদ্দু অ্যাটল। ব্যাখ্যা: এটি মালদ্বীপের সর্বদক্ষিণপ্রান্তের একটি প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ যা এর বহুদ্বীপীয় গঠনের প্রমাণ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি বড় দ্বীপ নিয়ে — এটি সঠিক নয় কারণ মালদ্বীপ কোনো একক বড় দ্বীপ নয়। B) দুইটি ছোট দ্বীপ নিয়ে — এটি ভুল তথ্য কারণ এখানে দুইয়ের অধিক অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে। C) চারটি দ্বীপ নিয়ে — এটি ভৌগোলিক বাস্তবতার সঙ্গে মিলে না কারণ এর দ্বীপের সংখ্যা সহস্রাধিক। D) অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ মালদ্বীপ প্রায় এক হাজারেরও বেশি ক্ষুদ্র দ্বীপের সমষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: মালদ্বীপ নামটির সঙ্গে প্রবাল দ্বীপপুঞ্জের বহুত্ব বিষয়টি মনে রাখলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব। মনে রাখবে এটি শত শত দ্বীপের একটি নিখুঁত মালা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রবাল দ্বীপ বা অ্যাটল গঠনে সামুদ্রিক প্রাণীর দেহাবশেষের ভূমিকা কী, তা জানা আবশ্যক। একই ধারণা থেকে দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।
77. ইংলিশ চ্যানেল সংযুক্ত করেছে
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে ১. কেন সঠিক: - ইংলিশ চ্যানেলটি গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপকে ইউরোপীয় মূল ভূখণ্ড তথা ফ্রান্স থেকে আলাদা করেছে এবং উত্তর সাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। - এটি উত্তর ইউরোপের সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এবং এর মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরের পানি উত্তর সাগরে প্রবেশ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি ইউরোপ মহাদেশের উত্তর-পশ্চিমে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মাঝখানে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এর সর্বনিম্ন প্রশস্ততা প্রায় তেত্রিশ কিলোমিটার এবং এর তলদেশ দিয়ে বিখ্যাত চ্যানেল টানেল নির্মিত হয়েছে যা যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে যুক্ত করেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ডোভার প্রণালি ব্যাখ্যা: এটি ইংলিশ চ্যানেলের সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ যা ইংলিশ চ্যানেলকে উত্তর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: চ্যানেল টানেল ব্যাখ্যা: এটি ইংলিশ চ্যানেলের তলদেশ দিয়ে চলে যাওয়া একটি রেল সুড়ঙ্গ যা যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে সংযুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে — এটি প্যানামা খালের কাজ যা আমেরিকার দুই মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। B) উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে — এটি ইংলিশ চ্যানেলের সঠিক সংযোগকারী জলপথ। C) ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর — এটি সুয়েজ খালের মাধ্যমে লোহিত সাগর হয়ে সংযুক্ত হয়েছে কিন্তু ইংলিশ চ্যানেল নয়। D) ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে — এটি সুয়েজ খালের সংযোগ যা এশিয়া ও আফ্রিকার মাঝখানে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইউকে এবং ফ্রান্সের মাঝখানে যে চ্যানেল দিয়ে জাহাজ চলাচল করে, তা আটলান্টিক মহাসাগরকে উত্তর সাগরের সঙ্গে মেশায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইংলিশ চ্যানেল সাঁতার কেটে অতিক্রমকারী প্রথম বাঙালি ও এশীয় হলেন ব্রজেন দাস। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ইংলিশ চ্যানেল কোন দুটি দেশকে পৃথক করেছে, যার উত্তর হবে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
78. পদ্মা নদী যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোয়ালন্দের নিকট ১. কেন সঠিক: - হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে পদ্মা নদী বাংলাদেশে প্রবেশের পর রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দঘাটের নিকট যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। - যমুনা নদ নিজেই মূলত ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান ধারা, যা তিব্বত থেকে এসে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এই দুই বিশাল নদীর মিলনের ফলে সৃষ্ট জলধারাটি পরবর্তীতে পদ্মা নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: রাজবাড়ী জেলা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ। - বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত দুটি প্রধান নদ নদীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহত্তম মিলনস্থল। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: গোয়ালন্দে মিলনের পর এই মিলিত প্রবাহ দক্ষিণ পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে চাঁদপুরের কাছে মেঘনা নদীর সাথে মিশেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভৈরব বাজার ব্যাখ্যা: এটি মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর, যা নদীমাতৃক বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ জলপথের সাথে সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: আরিচা ঘাট ব্যাখ্যা: এটি মানিকগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং যমুনা নদীর তীরবর্তী একটি বিখ্যাত ফেরিঘাট যা যমুনা পারাপারে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুন্সিগঞ্জের নিকট — মুন্সিগঞ্জের কাছে পদ্মা নদী মেঘনার সাথে মেশার কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে, যমুনার সাথে নয়। B) গোয়ালন্দের নিকট — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই পদ্মা ও যমুনা নদী একত্রিত হয়েছে। C) চাঁদপুরের নিকট — চাঁদপুরের নিকট এসে পদ্মা নদী মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে, যমুনার সাথে নয়। D) ভৈরবের নিকট — ভৈরব বাজার ব্রহ্মপুত্র বা মেঘনা অববাহিকার সাথে যুক্ত, যমুনা বা পদ্মার মিলনস্থল এখানে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ্মা ও যমুনার মিলনে নতুন জলধারা তৈরির স্থান মনে রাখতে 'পযগ' শব্দ সংক্ষেপ ব্যবহার করতে পারো, অর্থাৎ পদ্মার প, যমুনার য এবং গোয়ালন্দের গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই মিলনস্থলের পর নদীটির নাম পদ্মা হিসেবেই পরিচিত থাকে এবং পরবর্তীতে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে পদ্মা ও মেঘনা নদী কোথায় মিলিত হয়েছে, যার উত্তর হবে চাঁদপুর।
80. মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন শনাক্তকরণ: - বাংলাদেশের বিভাগ, জেলা ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য - নদ-নদী, হ্রদ ও জলপ্রপাত - বিশ্ব ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক স্থান সঠিক উত্তর: C) করতোয়া ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে মহানন্দা উল্লেখ করা হয়েছে, যা একটি ভুল তথ্য। মহাস্থানগড় প্রাচীন বরেন্দ্র ভূমির করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। - করতোয়া নদী উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী যা পুণ্ড্রবর্ধন নগরের পূর্ব সীমানা নির্ধারণ করেছিল এবং মহাস্থানগড় এর তীরে গড়ে উঠেছিল। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: মহাস্থানগড় বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরের ধ্বংসাবশেষ। - বৈশিষ্ট্য: করতোয়া নদী এই প্রাচীন জনপদের পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহিত হতো এবং একে সুরক্ষা প্রদান করত। বর্তমানে নদীটির রূপ অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: পুণ্ড্রবর্ধন বা মহাস্থানগড় ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক স্থান যা করতোয়া নদীর তীরে গড়ে ওঠা নগর সভ্যতার নিদর্শন। উদাহরণ ২: করতোয়া নদী ব্যাখ্যা: এই নদীটি উত্তরবঙ্গের ভূপ্রকৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং প্রাচীন বাংলার ইতিহাস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর একটি এবং গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা, যা মহাস্থানগড়ের তীরে অবস্থিত নয়। B) গড়াই — এটি গঙ্গার একটি প্রধান শাখা নদী যা কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ী অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং মহাস্থানগড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) করতোয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের পাশে এই নদীর তীরেই গড়ে উঠেছিল। D) মহানন্দা — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও অন্যান্য অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী, যা মহাস্থানগড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং প্রশ্নে ভুল উত্তর হিসেবে দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ম দিয়ে মহাস্থানগড় এবং ক দিয়ে করতোয়া মনে রাখতে পারো। মহাস্থানগড় ও করতোয়া নদীর সংযোগ প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মহাস্থানগড় কোন জেলায় অবস্থিত এবং এর প্রাচীন নাম কী, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।

মোট প্রশ্ন (15)

1. ‘কাটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা / দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টিকা।’ এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?
Created 2 days ago | Updated 33 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) কাজী নজরুল ইসলাম ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত উদ্ধৃতাংশটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি বিখ্যাত কবিতার পঙ্‌ক্তি। - এখানে কবি দুঃখ-বেদনা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই জীবনের জয়মাল্য রচনার কথা প্রকাশ করেছেন। ২. সাহিত্য ব্যাখ্যা: - কাজী নজরুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের বিদ্রোহী কবি ও সাম্যবাদী কবি হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত। - তাঁর কবিতায় প্রেম, দ্রোহ, সাম্য এবং মানবমুক্তির সুর জোরালোভাবে ফুটে উঠেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: বিদ্রোহী ব্যাখ্যা: কাজী নজরুল ইসলামের সবচেয়ে বিখ্যাত ও পরিচিত কবিতা, যা তাঁকে বিদ্রোহী কবির খ্যাতি এনে দিয়েছে। উদাহরণ ২: প্রলয়োল্লাস ব্যাখ্যা: এটি তাঁর 'অগ্নি-বীণা' কাব্যের প্রথম কবিতা, যেখানে ধ্বংসের মধ্য দিয়ে নতুন সৃষ্টির আহ্বান জানানো হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) কাজী নজরুল ইসলাম — এই অপশনটি সঠিক কারণ উল্লিখিত পঙ্‌ক্তিটি তাঁরই কবিতা থেকে গৃহীত। B) মোহিতলাল মজুমদার — তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট কবি ও সমালোচক হলেও এই পঙ্‌ক্তিটি তাঁর নয়। C) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর — বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যশৈলী ও ভাবনার সাথে এই পঙ্‌ক্তির সুর মেলে না। D) ফজলুল করিম — তিনি একজন প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবি বা সংশ্লিষ্ট ধারার লেখক নন, তাই এটি ভুল। ৫ মনে রাখার টিপস: - বেদনার টিকা এবং মালিকা গাঁথার এই কাব্যিক বেদনাভরা লাইনগুলোর রচয়িতা আমাদের বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির বিখ্যাত কবিতার পঙ্‌ক্তি তুলে দিয়ে রচয়িতা জানতে চাওয়া হয়। তাই বিখ্যাত কবিতাগুলোর মূল ভাব ও পঙ্‌ক্তিগুলো ভালোভাবে আয়ত্ত করতে হবে।
2. ‘নৌকাডুবি’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি
Created 2 days ago | Updated 22 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) উপন্যাস ১. কেন সঠিক: নৌকাডুবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস যা ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে ভুলের কারণে দুটি ভিন্ন দম্পতির জীবন জটিলতার আবর্তে কীভাবে আবর্তিত হয়েছে তা চিত্রিত হয়েছে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের এক অবিসংবাদিত প্রতিভা যিনি কবিতা ও গানের পাশাপাশি সার্থক উপন্যাস রচনা করেছেন। নৌকাডুবি উপন্যাসের মূল চরিত্রগুলো হলো রমেশ, কমলারানি, নলিনাক্ষ ও হেমা নলিনী। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: চোখের বাইরে ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অপর একটি বিখ্যাত সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উদাহরণ ২: গোরা ব্যাখ্যা: এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও দীর্ঘতম রাজনৈতিক উপন্যাস। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গল্প — নৌকাডুবি কোনো ছোটগল্প নয় বরং এটি একটি দীর্ঘ কলেবরের উপন্যাস। B) নাটক — এটি মঞ্চে অভিনীত কোনো নাটক নয় বরং পাঠ্যভিত্তিক একটি গদ্য উপন্যাস। C) উপন্যাস — এটি সঠিক কারণ নৌকাডুবি একটি পূর্ণাঙ্গ সামাজিক উপন্যাস। D) প্রবন্ধ — এটি কোনো তত্ত্বমূলক বা সমালোচনামূলক প্রবন্ধ নয় বরং কাল্পনিক কাহিনীর উপন্যাস। ৫. মনে রাখার টিপস: রবীন্দ্রনাথের উপন্যাস মনে রাখার সহজ কৌশল হলো নৌকাডুবির ফলে চোখের বালি খেয়ে গোরা চতুরঙ্গ যোগাযোগ রক্ষা করে শেষের কবিতা লিখল। এই ছন্দের মাধ্যমে নৌকাডুবি যে একটি উপন্যাস তা সহজেই মনে রাখা যায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নৌকাডুবি উপন্যাসের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং এটি ১৯০৬ সালে প্রকাশিত হয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ও ছোটগল্পের পার্থক্য প্রায়ই জিজ্ঞাসা করা হয়।
4. কোনটি শুদ্ধ বানান?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) আদ্যাক্ষর ১. কেন সঠিক: আদ্যাক্ষর শব্দটির সঠিক গঠন হলো আদি যোগ অক্ষর। সন্ধির নিয়মে অ বা আ এর পরে অ বা আ থাকলে উভয় মিলে আ হয়, যা দীর্ঘসন্ধির একটি প্রচলিত নিয়ম। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: শব্দটি স্বরসন্ধির দীর্ঘসন্ধি সূত্রের আওতায় গঠিত হয়েছে। এখানে আদি শব্দের অন্তস্থিত অ এবং অক্ষর শব্দের আদি অ মিলে আ কার যুক্ত হয়েছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হিমালয় ব্যাখ্যা: হিম যোগ আলয় সমান হিমালয়, যা দীর্ঘসন্ধির নিয়মে গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: কথামৃত ব্যাখ্যা: কথা যোগ অমৃত সমান কথামৃত, যেখানে অ যোগ অ মিলে আ হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আদ্যোক্ষর — এই বানানে ভুল ও কার ব্যবহৃত হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়। B) আদ্যাক্ষর — এটি সঠিক এবং প্রমিত বাংলা বানানরীতি অনুযায়ী গঠিত শব্দ। C) আদ্যক্ষর — এই বানানে মাঝের আ কারটি বাদ পড়েছে, ফলে সন্ধির নিয়ম রক্ষা হয়নি। D) আদ্যাঅক্ষর — এখানে দুটি স্বরবর্ণ পাশাপাশি রাখা হয়েছে, যা সন্ধির নিয়ম লঙ্ঘন করে। ৫. মনে রাখার টিপস: আদি শব্দের সঙ্গে অক্ষর যুক্ত করার সময় আদি এর অ এবং অক্ষর এর অ মিলে আ কার হয়। আদ্যাক্ষর লেখার সময় দ এর সঙ্গে সবসময় য ফলা এবং আ কার ব্যবহার করবে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় দীর্ঘসন্ধি ঘটিত বানান যেমন মাধ্যাহ্ন বা কথামৃত প্রায়ই আসে। সন্ধির মূল নিয়ম জানা থাকলে এ ধরনের বানান সহজে নির্ণয় করা যায়।
6. ‘যে গাছে ফল ধরে কিন্তু ফুল ধরে না’ এক কথায় কী হবে?
Created 2 days ago | Updated 13 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) বনস্পতি ১. কেন সঠিক: - যে গাছে ফুল না ধরে সরাসরি ফল ধরে, তাকে এককথায় বনস্পতি বলা হয়। - বনস্পতি শব্দটি সমাসবদ্ধ পদ, যা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এককথায় প্রকাশের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এককথায় প্রকাশ বা বাক্য সংকোচন হলো বড় একটি ভাব বা বাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করার মাধ্যম। - এটি বাংলা ভাষার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে এবং বাক্যকে সংক্ষিপ্ত ও আকর্ষণীয় করে তোলে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: অকালে পেকেছে যা = অপক্ক ব্যাখ্যা: সময়ের আগে পেকে যাওয়া বা পরিপক্ব হওয়া বোঝাতে এই বাক্য সংকোচন ব্যবহার করা হয়। উদাহরণ ২: যা কখনো নষ্ট হয় না = অবিনশ্বর ব্যাখ্যা: যার কোনো ধ্বংস বা ক্ষয় নেই, তাকে এককথায় অবিনশ্বর বলা হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) বনস্পতি — এটি সঠিক উত্তর কারণ এটি নির্দিষ্টভাবে ফুল না ধরে ফল ধরার গাছকে বোঝায়। B) পরগাছা — যে উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে না এবং অন্য গাছের ওপর বেঁচে থাকে, তাকে পরগাছা বলে। C) বর্ণচোরা — যে ব্যক্তি বা বস্তু স্বভাব বা রূপ লুকিয়ে রাখে এবং সুযোগ বুঝে ক্ষতি করে, তাকে বর্ণচোরা বলা হয়। D) আগাছা — ফসলের জমিতে বা বাগানে যেসব অনাবশ্যক উদ্ভিদ নিজে থেকেই জন্মায়, তাদের আগাছা বলা হয়। ৫ মনে রাখার টিপস: - বনস্পতি শব্দের অর্থ বড় গাছ, যা ফুল ছাড়াই সরাসরি ফল দেয়। - মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারো বন মানে জঙ্গল এবং স্পতি মানে বড় গাছ, যা ফুল ফোটার ধাপ ছাড়াই ফল দেয়। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এককথায় প্রকাশ থেকে নিয়মিত প্রশ্ন আসে। - নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে এই ধরনের শব্দার্থ ও বাক্য সংকোচন আয়ত্ত করা সম্ভব।
14. ‘ইতস্তত’ শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ইত: + তত ১. কেন সঠিক: - এটি বিসর্গ সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম, যেখানে বিসর্গের পর অঘোষ অল্পপ্রাণ বা মহাপ্রাণ ধ্বনি থাকলে বিসর্গ ও হয় কিংবা বিসর্গের স্থানে শ, ষ, স হয়। - ইতস্ যোগ তত মিলে ইতস্তত শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে বিসর্গ বিসর্গই থেকে গেছে। ২. ব্যাকরণ ব্যাখ্যা: - বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী বিসর্গের পরে ত বা থ থাকলে বিসর্গের স্থানে দন্ত্য স হয় অথবা বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে। - এখানে ইতস্ পদের স স্থানে বিসর্গ বসে এবং পরবর্তী ত এর প্রভাবে শব্দটি ইতস্তত রূপে সাধিত হয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: মনঃ + তাপ = মনস্তাপ ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ত থাকায় বিসর্গের স্থানে স যুক্ত হয়ে মনস্তাপ শব্দটি গঠিত হয়েছে। উদাহরণ ২: পুরঃ + কার = পুরস্কার ব্যাখ্যা: বিসর্গের পর ক থাকায় বিসর্গের স্থানে স যুক্ত হয়ে পুরস্কার শব্দটি গঠিত হয়েছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইত + তত — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে মূল শব্দে বিসর্গ বা স এর উপস্থিতি নেই, যা সন্ধির নিয়মের বাইরে। B) ইত: + তত — এটি সঠিক উত্তর। C) ইতস্ + তত — এই অপশনটি আংশিক ব্যাকরণিক রূপ হলেও প্রমিত সন্ধি বিচ্ছেদে বিসর্গ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। D) ইত + স্তত — এই অপশনটি ভুল কারণ এখানে দ্বিতীয় অংশে অতিরিক্ত স যুক্ত করা হয়েছে। ৫ মনে রাখার টিপস: - বিসর্গ সন্ধির ক্ষেত্রে ত বা থ যুক্ত শব্দ দেখলে বিসর্গ বা স এর রূপান্তর মনে রাখতে হবে। - ইতস্তত শব্দের ক্ষেত্রে বিসর্গ চিহ্নের ব্যবহার ভালোভাবে খেয়াল রাখতে হবে। ৬ পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - বিসর্গ সন্ধি থেকে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্ন আসে। - বিসর্গ ও স এর পারস্পরিক পরিবর্তন ভালোভাবে চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্ন সহজে সমাধান করা যায়।
15. ‘শিষ্টাচার’ এর সমার্থক শব্দ কোনটি?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) সদাচার ১. কেন সঠিক: - শিষ্টাচার শব্দের অর্থ ভালো আচরণ, ভদ্রতা বা বিনয়, যা সদাচার শব্দের সমার্থক। - সদাচার গঠিত হয়েছে সৎ এবং আচার মিলে, যার অর্থও সৎ বা ভালো আচরণ। ২. ব্যাকরণ / সাহিত্য ব্যাখ্যা: - এটি সমার্থক শব্দ বা প্রতিশব্দ বিষয়ক ব্যাকরণগত প্রশ্ন। - সমার্থক শব্দ হলো এমন শব্দ, যা ভিন্ন বানান বা রূপের হলেও অর্থের দিক থেকে একই ভাব প্রকাশ করে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ভদ্রতা ব্যাখ্যা: এটি শিষ্টাচার বা সদাচারের সমার্থক আরেকটি চমৎকার বাংলা শব্দ। উদাহরণ ২: সদ্ব্যবহার ব্যাখ্যা: এটিও ভালো আচরণ বা শিষ্টাচারের কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) সততা — সততা বলতে সাধুতা বা নৈতিক দৃঢ়তাকে বোঝায়, যা শিষ্টাচারের কাছাকাছি হলেও সরাসরি সমার্থক নয়। B) নিষ্ঠতা — নিষ্ঠতা অর্থ একাগ্রতা বা অনুরাগ, যা আচরণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। C) সদাচার — এটি সঠিক উত্তর কারণ এর অর্থ ভালো আচরণ বা শিষ্টাচার। D) সংযম — সংযম অর্থ প্রবৃত্তি নিবৃত্তি বা নিয়ন্ত্রণ, যা শিষ্টাচারের ভিন্ন একটি গুণ। ৫. মনে রাখার টিপস: - শিষ্টাচার শব্দের শ দিয়েই সদাচার শব্দটি শুরু হয়, এভাবে মিলিয়ে মনে রাখা সহজ। - সৎ বা ভালো আচার বা আচরণই হলো শিষ্টাচার। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সমার্থক শব্দ থেকে প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দের গভীর অর্থ অনুধাবন করতে হবে। - একই জাতীয় বিশেষণের ক্ষেত্রে শব্দের মূল অর্থ এবং ব্যবহারের ক্ষেত্র খেয়াল রাখতে হবে।

মোট প্রশ্ন (15)

3. He was entrusted _____ the care of his uncle. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
বিষয়: ভাষা ও ব্যাকরণ সঠিক উত্তর: D) to কেন সঠিক: - কোনো দায়িত্ব বা সম্পত্তি কারো ওপর অর্পণ করা বোঝালে 'entrust' শব্দের পর সাধারণত 'to' preposition ব্যবহৃত হয়। - এখানে চাচার যত্নের দায়িত্ব তার ওপর অর্পণ করা হয়েছে বোঝাতে 'entrusted to' সঠিক গঠন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) with — 'Entrust a person with something' বা কারো হাতে কোনো দায়িত্ব সঁপে দেওয়া বোঝালে 'with' হয়, কিন্তু এখানে দায়িত্বটি কারো কাছে অর্পণ করা বোঝানো হয়েছে। B) at — 'at' নির্দিষ্ট স্থান বা সময় বোঝাতে বসে, যা এই বাক্যের উপযুক্ত preposition নয়। C) for — 'for' সাধারণত কারণ বা উদ্দেশ্য প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। D) to — এটি সঠিক উত্তর কারণ কোনো দায়িত্ব ব্যক্তির ওপর অর্পণ করা অর্থে 'entrust to' সঠিক নিয়ম। মনে রাখার টিপস: দায়িত্ব অর্পণের ক্ষেত্রে ব্যক্তির ক্ষেত্রে 'entrust to' এবং বস্তুর ক্ষেত্রে 'entrust with' ব্যবহার করা হয়।
5. নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) Paper is made from wood. কেন সঠিক: - উপাদান পরিবর্তিত হয়ে সম্পূর্ণ নতুন বস্তুতে রূপান্তর হলে preposition হিসেবে from ব্যবহৃত হয়। - এখানে কাঠ থেকে কাগজ তৈরি হয় এবং কাঠকে আর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া যায় না। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Paper is made of wood — উপাদান অপরিবর্তিত থাকলে of বসে, যা এখানে প্রযোজ্য নয়। B) Paper is made by wood — by সাধারণত জীব বা কর্তাকে নির্দেশ করতে বসে, বস্তুকে নয়। C) Paper is made from wood — এটি সঠিক উত্তর হওয়ায় এখানে প্রযোজ্য। D) Paper is made with wood — with সাধারণত কোনো হাতিয়ার বা উপকরণের ক্ষেত্রে বসে। মনে রাখার টিপস: উপাদান চেনা গেলে of এবং রূপান্তর ঘটে নতুন বস্তু হলে from বসে।
8. কোনটি ‘Feasible’ শব্দের সমার্থক শব্দ?
Created 2 days ago | Updated 37 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Practical কেন সঠিক: - Feasible শব্দের বাংলা অর্থ হলো সম্ভাব্য, যা সহজে করা সম্ভব বা বাস্তবসম্মত এমন কাজ বোঝায়। - Practical শব্দের অর্থ বাস্তবসম্মত বা প্রায়োগিক, যা Feasible শব্দের সবচেয়ে কাছাকাছি সমার্থক শব্দ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Realistic — এর অর্থ বাস্তবধর্মী, যা Feasible বা Practical-এর সমার্থক হলেও এই প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে Practical অধিকতর উপযুক্ত। B) Practical — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এর অর্থ বাস্তবসম্মত ও কার্যকর। C) Impossible — এর অর্থ অসম্ভব, যা Feasible বা সম্ভাব্য শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীতার্থক শব্দ। D) Difficult — এর অর্থ কঠিন, যা কোনো কাজ করার যোগ্য বা সম্ভাব্য হওয়ার ধারণার সমার্থক নয়। মনে রাখার টিপস: Feasible অর্থ যা ফিজিক্যালি বা বাস্তবে করা সম্ভব, তাই এর সমার্থক হলো Practical বা বাস্তবসম্মত।
11. কোনটি Material noun?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Paper কেন সঠিক: - Material noun হলো সেই বিশেষ্য যা কোনো উপাদান, কাঁচামাল বা পদার্থ বোঝায় যা দিয়ে অন্যান্য বস্তু তৈরি হয়। - Paper একটি উপাদান বা বস্তুগত পদার্থ যা দিয়ে বই, খাতা ইত্যাদি তৈরি করা হয়, তাই এটি Material noun. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Book — এটি কমন নাউন কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট ধরনের বস্তুর সাধারণ নাম এবং এর প্লুরাল করা যায়। B) Paper — এটি প্রদত্ত সঠিক উত্তর এবং এটি একটি উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায়। C) Ring — এটি কমন নাউন কারণ এটি সোনা বা রুপা দ্বারা তৈরি একটি নির্দিষ্ট আকৃতির বস্তু বোঝায়। D) River — এটি কমন নাউন কারণ এটি যেকোনো নদীর সাধারণ নাম বোঝায়। মনে রাখার টিপস: যেসব বস্তু বা উপাদান ওজন করা যায় কিন্তু গণনা করা যায় না এবং যা দিয়ে অন্য কিছু তৈরি হয়, সেগুলোকে Material noun বলে।
12. Deny শব্দের Noun হবে
Created 2 days ago | Updated 34 minutes ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) Denial কেন সঠিক: - Deny একটি ভার্ব বা ক্রিয়া শব্দ যার অর্থ অস্বীকার করা। - এর সাথে al প্রত্যয় যুক্ত হয়ে Denial নাউন বা বিশেষ্য গঠিত হয়েছে। বাকি অপশন কেন ভুল: A) Refuse — এটি একটি সমার্থক ভার্ব বা ক্রিয়া, কোনো নাউন নয়। B) Denial — এটি সঠিক নাউন ফর্ম যা প্রদত্ত উত্তর হিসেবে নির্ধারিত। C) Deny — এটি মূল শব্দ যা একটি ভার্ব বা ক্রিয়া রূপে আছে। D) Deniable — এটি একটি অ্যাডজেক্টিভ বা বিশেষণ রূপ। মনে রাখার টিপস: ইংরেজি অনেক ভার্বের শেষে al যোগ করে নাউন করা হয়, যেমন Deny থেকে Denial এবং Arrive থেকে Arrival।
13. He said to me, ‘Will you go home?’ বাক্যটির Indirect speech হবে
Created 2 days ago | Updated 19 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) He asked me if I would go home. কেন সঠিক: - interrogative sentence-কে indirect speech-এ রূপান্তর করার সময় reporting verb (said to) পরিবর্তন হয়ে ask বা inquire হয়। - Direct speech-এর reporting verb-টি past tense-এ থাকায় future tense-এর will পরিবর্তিত হয়ে would হয় এবং if যুক্ত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) He said to me if I will go home. — এখানে reporting verb পরিবর্তিত হয়ে said থেকে asked হয়নি এবং will অপরিবর্তিত রয়েছে। B) He said to me if I would would go home. — এখানে reporting verb পরিবর্তিত হয়ে asked হয়নি, তাই এটি সঠিক নয়। C) He asked me if I would go home. — এটি সম্পূর্ণ সঠিক এবং নিয়মানুগ রূপান্তর। D) He asked me if I will go home. — এখানে will-কে পরিবর্তন করে would করা হয়নি। মনে রাখার টিপস: প্রশ্নবোধক বাক্যে said to-এর বদলে asked ব্যবহার করতে হয় এবং tense পরিবর্তনের নিয়মে will-কে would করতে হয়।

মোট প্রশ্ন (15)

3. পরীক্ষায় ‘ক’ এর প্রাপ্ত নম্বর যথাক্রমে ৭০, ৮৫ এবং ৭৫। চতুর্থ পরীক্ষায় তাকে কত নম্বর পেতে হবে যেন তার গড় প্রাপ্ত নম্বর ৮০ হয়?
Created 2 days ago | Updated 2 days ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ৯০ প্রদত্ত তথ্য: প্রথম তিন পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর যথাক্রমে ৭০, ৮৫ এবং ৭৫ চতুর্থ পরীক্ষায় গড় নম্বর হতে হবে ৮০ ধরি, ৪টি পরীক্ষায় মোট প্রাপ্ত নম্বর দরকার = ৮০ × ৪ = ৩২০ অতএব, প্রথম তিন পরীক্ষার মোট নম্বর = ৭০ + ৮৫ + ৭৫ = ২৩0 চতুর্থ পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর হবে মোট নম্বর থেকে প্রথম তিন পরীক্ষার নম্বর বাদ দিয়ে সুতরাং, চতুর্থ পরীক্ষায় পেতে হবে = ৩২০ − ২৩০ = ৯০ উত্তর: ৯০
6. ১৫টি খাসির মূল্য ৫টি গরুর মূল্যের সমান। ২টি গরুর মূল্য ৩,০০০ টাকা হলে, ৩টি খাসির মূল্য কত?
Created 2 days ago | Updated 14 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১,৫০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: ১৫টি খাসির মূল্য ৫টি গরুর মূল্যের সমান ২টি গরুর মূল্য ৩,০০০ টাকা ধরি, ১টি গরুর মূল্য = ৩,০০০ ÷ ২ = ১,৫০০ টাকা ৫টি গরুর মোট মূল্য = ১,৫০০ × ৫ = ৭,৫০০ টাকা অতএব, ১৫টি খাসির মোট মূল্য = ৭,৫০০ টাকা ১টি খাসির মূল্য = ৭,৫০০ ÷ ১৫ = ৫০০ টাকা সুতরাং, ৩টি খাসির মোট মূল্য = ৫০০ × ৩ = ১,৫০০ টাকা উত্তর: ১,৫০০ টাকা
7. একটি দ্রব্য ৫০০ টাকায় ক্রয় করে ১০% লাভে বিক্রয় করা হলো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০% কম হলে, কত টাকা লাভ হয়?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১০০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য = ৫০০ টাকা প্রথম বিক্রয় লাভ = ১০% ধরি, প্রকৃত ক্রয়মূল্য = ৫০০ টাকা প্রথম বিক্রয়মূল্য = ৫০০ + (৫০০ এর ১০%) = ৫৫০ টাকা অতএব, নতুন ক্রয়মূল্য ১০% কমে হয় = ৫০০ − (৫০০ এর ১০%) = ৪৫০ টাকা নতুন লাভ বের করতে হবে বিক্রয়মূল্য থেকে নতুন ক্রয়মূল্য বিয়োগ করে সুতরাং, লাভ = প্রথম বিক্রয়মূল্য − নতুন ক্রয়মূল্য লাভ = ৫৫০ − ৪৫০ = ১০০ টাকা উত্তর: ১০০ টাকা
8. একটি কোম্পানি দিনে প্রথম ১,০০০ টাকা বিক্রির উপর ৫% লাভ করে এবং ১,০০০ টাকার অতিরিক্ত বিক্রির উপর ৪% লাভ করে। দিনে মোট ৬,০০০ টাকার জিনিস বিক্রি হলে, কোম্পানি সর্বমোট কত টাকা লাভ করে?
Created 2 days ago | Updated 17 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৫০ টাকা প্রদত্ত তথ্য: প্রথম এক হাজার টাকা বিক্রির উপর লাভ পাঁচ শতাংশ এক হাজার টাকার অতিরিক্ত বিক্রির উপর লাভ চার শতাংশ দিনে মোট বিক্রির পরিমাণ ছয় হাজার টাকা ধরি, প্রথম বিক্রির অংশ = এক হাজার টাকা অতিরিক্ত বিক্রির অংশ = ছয় হাজার টাকা − এক হাজার টাকা = পাঁচ হাজার টাকা অতএব, প্রথম এক হাজার টাকার উপর লাভ = এক হাজার টাকার পাঁচ শতাংশ = এক হাজার × পাঁচ ÷ একশত = পঞ্চাশ টাকা অতিরিক্ত পাঁচ হাজার টাকার উপর লাভ = পাঁচ হাজার টাকার চার শতাংশ = পাঁচ হাজার × চার ÷ একশত = দুইশত টাকা সুতরাং, সর্বমোট লাভের পরিমাণ = পঞ্চাশ টাকা + দুইশত টাকা = দুইশত পঞ্চাশ টাকা উত্তর: দুইশত পঞ্চাশ টাকা
9. কোন সংখ্যাটি ক্ষুদ্রতম?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ১/১১ প্রদত্ত তথ্য: অপশনগুলো হলো ১ ÷ ১১, ২ ÷ ২১, ৩ ÷ ৩১ এবং √০.০২ ধরি, প্রথম ভগ্নাংশ = ১ ÷ ১১ = ০.০৯ দ্বিতীয় ভগ্নাংশ = ২ ÷ ২১ = ০.০৯৫ তৃতীয় ভগ্নাংশ = ৩ ÷ ৩১ = ০.০৯৬ অতএব, চতুর্থ সংখ্যাটি হলো √০.০২ = ০.১৪ প্রথম ভগ্নাংশের মান সবচেয়ে কম পাওয়া গেল দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ভগ্নাংশের মান প্রথমটির চেয়ে বেশি সুতরাং, ০.০৯ সংখ্যাটি অন্য সব সংখ্যার চেয়ে ছোট তাই নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো প্রথম অপশন উত্তর: A) ১/১১
11. a + b = 6, ab = 4 হলে a³ + b³ = কত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ১৪৪ প্রদত্ত তথ্য: a + b = ৬ ab = ৪ ধরি, পদের মান নির্ণয় করতে হবে প্রদত্ত বীজগণিতীয় সূত্র প্রয়োগ করি অতএব, a কিউব + b কিউব এর সূত্রটি হলো a + b এর হোল কিউব − ৩ab গুণ (a + b) সুতরাং, ৬ এর হোল কিউব − ৩ গুণ ৪ গুণ ৬ = ২১৬ − ৭২ উত্তর: ১৪৪
14. একটি বর্গের ক্ষেত্রফল একটি আয়তের ক্ষেত্রফলের সমান। বর্গের পরিসীমা ২৪ সেন্টিমিটার এবং আয়তনের প্রস্থ ৪ সেন্টিমিটার হলে, আয়তের পরিসীমা হবে
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ২৬ সেমি প্রদত্ত তথ্য: বর্গের পরিসীমা = ২৪ সেন্টিমিটার আয়তের প্রস্থ = ৪ সেন্টিমিটার ধরি, বর্গের বাহুর দৈর্ঘ্য = ক সেন্টিমিটার আয়তের দৈর্ঘ্য = খ সেন্টিমিটার অতএব, বর্গের এক বাহুর দৈর্ঘ্য = ২৪ ÷ ৪ = ৬ সেন্টিমিটার বর্গের ক্ষেত্রফল = ৬ × ৬ = ৩৬ বর্গসেন্টিমিটার সুতরাং, আয়তের ক্ষেত্রফল = বর্গের ক্ষেত্রফল = ৩৬ বর্গসেন্টিমিটার আয়তের দৈর্ঘ্য = ৩৬ ÷ ৪ = ৯ সেন্টিমিটার উত্তর: আয়তের পরিসীমা = ২ × (৯ + ৪) = ২৬ সেন্টিমিটার

মোট প্রশ্ন (15)

1. বাংলাদেশের সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয় কোন সালে?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৯৫৪ কেন সঠিক: - ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার বাংলাদেশ পুলিশে প্রথম নারী কনস্টেবল নিয়োগের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। - এই পদক্ষেপে ১৪ জন নারী সদস্য নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে নারী জাগরণ ও সমতা নিশ্চিতকরণের পথচলা শুরু হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৯৭১ — এই সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হয়, কিন্তু তখন নারী পুলিশ নিয়োগ করা হয়নি। B) ১৯৭৩ — এই সালে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনী পুনর্গঠনের কাজ শুরু হলেও তখনো নারী পুলিশ নিয়োগের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। D) ১৯৭৮ — এই সালটি সঠিক নয় কারণ এর চার বছর আগেই ১৯৭৪ সালে প্রথম নারী পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছিল। মনে রাখার টিপস: স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে ১৪ জন নারী সদস্যের মাধ্যমে নারী পুলিশ নিয়োগের ইতিহাস শুরু হয়।
4. কোন মুঘল সুবাদার চট্টগ্রাম দখল করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) শায়েস্তা খান কেন সঠিক: - বাংলার মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৬ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগীজ ও মগদের কবল থেকে চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধার করেন। - চট্টগ্রাম দখলের পর এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ইসলামাবাদ। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইসলাম খান — তিনি প্রথম মুঘল সুবাদার হিসেবে ঢাকা রাজধানী স্থাপন করেন এবং বাকলা ও কামরূপ জয় করেন, চট্টগ্রাম দখল করেননি। B) মীর জুমলা — তিনি আসাম ও কোচবিহার জয় করেছিলেন, তবে চট্টগ্রাম জয়ের অভিযানের নেতৃত্ব তিনি দেননি। C) রাজা মানসিংহ — তিনি আকবরের সেনাপতি হিসেবে বাংলা ও বিহারের বিভিন্ন বিদ্রোহী দমন করেন, তবে চট্টগ্রাম অভিযানে যুক্ত ছিলেন না। D) শায়েস্তা খান — এটি সঠিক উত্তর, কারণ তিনিই চট্টগ্রাম দখল করে এর নাম ইসলামাবাদ রেখেছিলেন। মনে রাখার টিপস: ইসলামাবাদ নামের ইসলাম অংশটি মনে রাখতে পারেন শায়েস্তা খানের নামের সাথে মিলিয়ে, যিনি ১৬৬৬ সালে চট্টগ্রাম জয় করেছিলেন।
6. কোন মুসলিম নারী সর্বপ্রথম নোবেল শান্তি পুরস্কার পান?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) শিরিন এবাদি কেন সঠিক: - ইরানের মানবাধিকার আইনজীবী শিরিন এবাদি ২০০৩ সালে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় অবদানের জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। - তিনিই প্রথম কোনো মুসলিম নারী যিনি এই মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করেন। বাকি অপশন কেন ভুল: A) শিরিন এবাদি — এটি সঠিক উত্তর কারণ তিনি ২০০৩ সালে প্রথম মুসলিম নারী হিসেবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছেন। B) বেনজীর ভূট্টো — তিনি পাকিস্তানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কিন্তু নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি। C) মনিকা আলী — তিনি একজন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক ও লেখক, নোবেল পুরস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। D) বেগম রোকেয়া — তিনি বাঙালি নারী জাগরণের অগ্রদূত ও সমাজসংস্কারক, নোবেল শান্তি পুরস্কার পাননি। মনে রাখার টিপস: শান্তিতে প্রথম মুসলিম নারী শিরিন এবাদি, যাঁর নাম শুরু হয় ই দিয়ে এবং তিনি ২০০৩ সালে নোবেল পান।
9. ফরাসি বিপ্লব সংঘটিত হয় কত সালে?
Created 2 days ago | Updated 16 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ১৭৮৯ কেন সঠিক: - ১৭৮৯ সালের ৫ই মে ফ্রান্সে স্টেটস জেনারেলের অধিবেশন আহ্বানের মাধ্যমে এই বিপ্লবের সূচনা ঘটে। - এই সালের ১৪ই জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের পূর্ণ বিস্ফোরণ ঘটে এবং সামন্ততন্ত্রের অবসান হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৭৫৭ — এটি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার ক্ষমতা দখলের সাথে সম্পর্কিত পলাশীর যুদ্ধের সাল। B) ১৭৬৯ — এটি শিল্পবিপ্লবের ক্ষেত্রে জেমস ওয়াটের বাষ্পীয় ইঞ্জিনের পেটেন্ট অর্জনের সঙ্গে সম্পর্কিত বছর। D) ১৮১০ — এটি ঊনবিংশ শতাব্দীর একটি বছর, যা ফরাসি বিপ্লবের সূচনা বা মূল ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। মনে রাখার টিপস: ফরাসি বিপ্লব শুরু হয় ১৭৮৯ সালে এবং বিখ্যাত বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল ১৪ই জুলাই।
10. বাংলাদেশের রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁও এর পত্তন করেন
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) ঈশা খান কেন সঠিক: - বারো ভূঁইয়াদের প্রধান ঈশা খান বাংলার সুলতানদের পতনের পর সোনারগাঁওকে তাঁর রাজধানী বা প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলেন। - মুঘল আমলের পূর্বে বাংলার স্বাধীন ভূঁইয়াদের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই ঐতিহাসিক সোনারগাঁও অঞ্চল। বাকি অপশন কেন ভুল: A) সম্রাট আকবর — তিনি মুঘল সম্রাট ছিলেন এবং সোনারগাঁও পত্তন করেননি, তবে তাঁর সেনাপতি মানসিংহ এই অঞ্চলে অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। B) শাহজাদা আজম — তিনি সুবেদার ছিলেন এবং তাঁর নামানুਸারে পরবর্তীতে ঢাকার নাম আজিমাবাদ করা হয়েছিল, সোনারগাঁও পত্তন করেননি। C) সুবেদার ইসলাম খান — তিনি মুঘল সুবেদার ছিলেন এবং বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেছিলেন, সোনারগাঁও পত্তন করেননি। D) ঈশা খান — তিনি বারো ভূঁইয়াদের প্রধান হিসেবে সোনারগাঁওকে বাংলার রাজধানী বা প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে প্রথম পত্তন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: সোনারগাঁও মানেই বারো ভূঁইয়াদের প্রধান বীর ঈশা খানের ঐতিহাসিক রাজধানী।
11. ১৫২৬ খ্রিষ্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবর কাকে পরাজিত করেন?
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) ইব্রাহিম লোদি কেন সঠিক: - ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দের ২১শে এপ্রিল পানিপথের প্রথম যুদ্ধে মুঘল সম্রাট বাবর দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদিখকে পরাজিত ও নিহত করেন। - এই যুদ্ধের মাধ্যমেই ভারতে লোদি রাজবংশের পতন ঘটে এবং মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপিত হয়। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ইব্রাহিম লোদি — এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর কারণ তিনি পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবরের কাছে পরাজিত ও নিহত হয়েছিলেন। B) শিবাজি — তিনি মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এবং মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের সমসাময়িক ছিলেন, বাবর ও পানিপথের যুদ্ধের সঙ্গে সম্পর্কিত নন। C) রানা প্রতাপ সিংহ — তিনি মেবারের রাজপুত রাজা ছিলেন এবং মুঘল সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে হলদিঘাটের যুদ্ধে লড়াই করেছিলেন। D) বৈরাম খাঁ — তিনি মুঘল সেনাপতি ছিলেন যিনি আকবরের অভিভাবক ও প্রধান উজির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মনে রাখার টিপস: পানিপথের প্রথম যুদ্ধ ১৫২৬ সালে বাবর ও ইব্রাহিম লোদির মধ্যে হয়, যেখানে বাবর জয়ী হয়ে মুঘল বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
15. নিশাত মজুমদার কত তারিখে এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ১৯ মে ২০১২ কেন সঠিক: - নিশাত মজুমদার প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ১৯ মে তারিখে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন। - এভারেস্ট জয়ের এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি বাংলাদেশের নারী অগ্রযাত্রার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক। বাকি অপশন কেন ভুল: A) ১৮ মে ২০১২ — এই তারিখে নিশাত মজুমদার এভারেস্টের চূড়ায় পৌঁছাননি, এটি ভুল তারিখ। B) ১৯ মে ২০১২ — এটি সঠিক উত্তর, কারণ এই দিন তিনি এভারেস্টের চূড়ায় বাংলাদেশের পতাকা ওড়ান। C) ২১ মে ২০১২ — এই তারিখে অন্য কোনো অভিযাত্রী চূড়ায় উঠতে পারেন, তবে নিশাত মজুমদারের ক্ষেত্রে এটি সঠিক নয়। D) ২২ মে ২০১২ — এটি নিশাত মজুমদারের এভারেস্ট জয়ের তারিখ নয়। মনে রাখার টিপস: নিশাত মজুমদার ২০১২ সালের মে মাসের ১৯ তারিখে এভারেস্ট জয় করেন, সংখ্যাটি মনে রাখতে ১৯ মে সাল মনে রাখুন ২০১২।

মোট প্রশ্ন (11)

3. কত বছর পর পর হ্যালির ধূমকেতু আবির্ভূত হয়?
Created 2 days ago | Updated 18 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: C) ৭৬ বছর ১. কেন সঠিক: - হ্যালির ধূমকেতু একটি বিখ্যাত периодиক বা পর্যায়বৃত্ত ধূমকেতু যা নির্দিষ্ট সময় পরপর পৃথিবী থেকে দৃশ্যমান হয়। - এর কক্ষপথ এমন যে সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে এর প্রায় ছিয়াত্তর বছর সময় লাগে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: - মূল ধারণা: ধূমকেতু হলো বরফ, ধূলিকণা এবং গ্যাস নিয়ে গঠিত মহাজাগতিক বস্তু যা উপবৃত্তাকার পথে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে। - কার্যপ্রণালি: হ্যালির ধূমকেতু যখন সূর্যের কাছাকাছি আসে তখন তাপের কারণে এর বরফ ও গ্যাস বাষ্পীভূত হয়ে উজ্জ্বল লেজের সৃষ্টি করে। - বাস্তব প্রয়োগ: জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা কেপলারের গ্রহের গতি সংক্রান্ত সূত্র ব্যবহার করে এর কক্ষপথের আবর্তনকাল হিসাব করেন। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: হ্যালির ধূমকেতু শেষবার দেখা গিয়েছিল উনিশ শ ছিয়াশি সালে। ব্যাখ্যা: এই হিসাব অনুযায়ী পরবর্তীবার এটিকে দুই হাজার একষট্টি সালে আবার আকাশে দেখা যাবে। উদাহরণ ২: অন্যান্য পর্যায়বৃত্ত ধূমকেতু যেমন এনকের ধূমকেতুর আবর্তনকাল মাত্র তিন বছর তিন মাস। ব্যাখ্যা: বিভিন্ন ধূমকেতুর আকার এবং সূর্যের থেকে দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে তাদের আবর্তনকাল ভিন্ন হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) ৬৫ বছর — এই সময়কালের মধ্যে হ্যালির ধূমকেতু সূর্যকে প্রদক্ষিণ সম্পন্ন করতে পারে না। B) ৭০ বছর — এটি হ্যালির ধূমকেতুর প্রকৃত কক্ষপথের আবর্তনকালের সঙ্গে মেলে না। C) ৭৬ বছর — এটি হ্যালির ধূমকেতুর সঠিক ও বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত আবর্তনকাল। D) ৮০ বছর — এই সময়কালটি হ্যালির ধূমকেতুর কক্ষীয় গতির হিসাবের চেয়ে বেশি। ৫ মনে রাখার টিপস: - হ্যালির ধূমকেতুর আবর্তনকাল মনে রাখতে সংখ্যাটি ছিয়াত্তর মনে রাখুন। - ধূমকেতুর আবর্তনকাল তার সূর্য থেকে দূরত্বের ওপর নির্ভর করে। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - হ্যালির ধূমকেতুর নাম রাখা হয়েছে বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী এডমন্ড হ্যালির নামানুসারে। - এই প্রশ্নটি বিসিএস এবং ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই জ্যোতির্বিজ্ঞান অংশ থেকে আসে।
4. কোন ধাতুটির তরল অবস্থায় থাকে?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) পারদ (Hg) ১. কেন সঠিক: পারদ একটি ধাতু হওয়া সত্ত্বেও স্বাভাবিক তাপমাত্রায় ও চাপে এটি তরল অবস্থায় থাকে। এর কারণ হলো পারদের পরমাণুগুলোর মধ্যে ধাতব বন্ধন তুলনামূলকভাবে দুর্বল হয় এবং এর গলনাঙ্ক সাধারণ তাপমাত্রার নিচে থাকে। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: রসায়ন শাস্ত্রের ধাতু ও অধাতু অধ্যায়ের আওতাধীন এই প্রশ্নে পারদ বা মার্কারির ভৌত অবস্থা আলোচিত হয়েছে। সাধারণ ধাতুগুলো কঠিন হলেও পারদের ইলেকট্রন বিন্যাস এবং দুর্বল আন্তঃপারমাণবিক আকর্ষণের কারণে এটি ঘরের তাপমাত্রায় তরল থাকে। এর পারমাণবিক সংখ্যা ৮০ এবং প্রতীক Hg হলো এর ল্যাটিন নাম হাইড্রাজিরা থেকে এসেছে। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: জ্বর মাপার সাধারণ থার্মোমিটারে পারদ ব্যবহার করা হয়। ব্যাখ্যা: তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেই পারদের প্রসারণ ঘটে এবং এটি নলের ভেতর ওপরের দিকে উঠে সঠিক তাপমাত্রা নির্দেশ করে। উদাহরণ ২: রক্তচাপ মাপার যন্ত্র বা স্ফিগমোম্যানোমিটারে পারদ ব্যবহৃত হয়। ব্যাখ্যা: পারদের ঘনত্ব অনেক বেশি থাকায় অল্প জায়গার মধ্যে নির্ভুলভাবে বায়ুমণ্ডলীয় চাপ মাপা সম্ভব হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Au হলো সোনার রাসায়নিক প্রতীক এবং এটি একটি অত্যন্ত মূল্যবান কঠিন ধাতু। B) Hg হলো পারদের রাসায়নিক প্রতীক যা স্বাভাবিক অবস্থায় একমাত্র তরল ধাতু। C) Cu হলো তামার রাসায়নিক প্রতীক এবং এটি বিদ্যুৎ ও তাপের সুবাহী কঠিন ধাতু। D) Na হলো সোডিয়ামের রাসায়নিক প্রতীক যা একটি নরম কিন্তু কঠিন ক্ষার ধাতু। ৫. মনে রাখার টিপস: পর্যায় সারণিতে একমাত্র তরল ধাতু হলো পারদ, যার প্রতীক Hg এবং তরল অধাতু হলো ব্রোমিন। মার্কারির প্রথম অক্ষর M দিয়ে মনে রাখতে পারো এটি মেটাল বা ধাতু হওয়া সত্ত্বেও তরল। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: পারদ একমাত্র তরল ধাতু হলেও ব্রোমিন হলো একমাত্র তরল অধাতু যা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই একসঙ্গে আসে। পারদের ঘনত্ব অনেক বেশি হওয়ায় এর ভেতর লোহা বা সীসাও ভেসে থাকতে পারে।
8. মানবদেহের কোন অংশে নিউমোনিয়া রোগ হয়?
Created 2 days ago | Updated 20 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) ফুসফুসে ১. কেন সঠিক: নিউমোনিয়া একটি ফুসফুসের সংক্রমণ যা সাধারণত ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাসের কারণে ঘটে। এই রোগে ফুসফুসের বায়ুথলি বা অ্যালভিওলাই পুঁজ ও তরলে পূর্ণ হয়ে যায়। ২. বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা: মূল ধারণা: নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের প্যারেনকাইমার তীব্র প্রদাহজনিত রোগ। কার্যপ্রণালি: জীবাণু ফুসফুসে প্রবেশ করে অ্যালভিওলাই বা বায়ুথলিতে প্রদাহ সৃষ্টি করে। কারণ ও ফলাফল: অক্সিজেন বিনিময়ে ব্যাঘাত ঘটে এবং শ্বাসকষ্ট ও বুকে ব্যথা দেখা দেয়। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: ঠান্ডা লাগার পর তীব্র কাশি এবং বুকে কফ জমে যাওয়া। ব্যাখ্যা: এটি ফুসফুসে জীবাণু সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণ প্রকাশ করে। উদাহরণ ২: ঠান্ডা পানিতে দীর্ঘক্ষণ ভিজে নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হওয়া। ব্যাখ্যা: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সাময়িক কমে গেলে ফুসফুসে জীবাণু সহজে আক্রমণ করে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) গলায় — গলা বা স্বরযন্ত্রে ইনফ্লুয়েঞ্জা বা টনসিল প্রদাহ হয়, নিউমোনিয়া হয় না। B) ফুসফুসে — এটি সঠিক উত্তর কারণ নিউমোনিয়া সরাসরি ফুসফুসের টিস্যুকে আক্রমণ করে। C) নাকে — নাকে সর্দি বা সাইনুসাইটিস হতে পারে, কিন্তু নিউমোনিয়া নাকের রোগ নয়। D) হৃদপিণ্ডে — হৃদপিণ্ডে মায়োকার্ডাইটিস বা পেরিডাইটিস হতে পারে, নিউমোনিয়া নয়। ৫ মনে রাখার টিপস: নিউমোনিয়া শব্দটির সাথে ফুসফুসের বায়ুথলির সংক্রমণ কথাটি মনে রাখবে। নি দিয়ে নিউমোনিয়া এবং ফু দিয়ে ফুসফুস মনে রাখতে পারো। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: নিউমোনিয়া সাধারণত স্ট্রিপটোককাস নিউমোনিয়া ব্যাকটেরিয়ার কারণে বেশি হয়। পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে নিউমোনিয়া মানবদেহের কোন তন্ত্রকে আক্রান্ত করে, যার উত্তর হবে শ্বসনতন্ত্র।

মোট প্রশ্ন (1)

1. DOS (কম্পিউটার সংক্রান্ত) কি?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: A) Disk Operating System. ১. কেন সঠিক: DOS হলো একটি কমান্ড লাইনভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটারের ডিস্ক বা সংরক্ষণ মাধ্যম পরিচালনা করে। এটি ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে ফাইল ও মেমোরি নিয়ন্ত্রণ করে। ২. টেকনিক্যাল ব্যাখ্যা: সংজ্ঞা: Disk Operating System বা ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা টেক্সট কমান্ডের মাধ্যমে ডিস্ক ড্রাইভ ও ফাইল ম্যানেজ করে। কার্যপদ্ধতি: ব্যবহারকারী কিবোর্ড থেকে কমান্ড টাইপ করলে কমান্ড প্রম্পট তা গ্রহণ করে এবং অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেলের মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে নির্দেশ পাঠায়। বৈশিষ্ট্য: এটি মূলত একক ব্যবহারকারী এবং একক টাস্কভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম যেখানে মাউসের কোনো ব্যবহার থাকে না। ৩. উদাহরণ: উদাহরণ ১: MS-DOS ব্যাখ্যা: মাইক্রোসফট কোম্পানির তৈরি করা সবচেয়ে জনপ্রিয় ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম হলো এমএস-ডোস। উদাহরণ ২: PC-DOS ব্যাখ্যা: আইবিএম কম্পিউটারের জন্য তৈরি করা প্রথম দিকের একটি বিখ্যাত ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) Disk Operating System — এটি সঠিক উত্তর কারণ DOS-এর পূর্ণরূপ এটিই এবং এটি ডিস্ক নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। B) Data Operating Service — এই নামে কম্পিউটার বিজ্ঞানে কোনো স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং সিস্টেম বা সেবা নেই। C) Data Operating System — এটি শুনতে সঠিক মনে হলেও প্রযুক্তিগতভাবে সঠিক নাম Disk Operating System। D) এর কোনোটিই নয় — যেহেতু অপশন A সঠিক, তাই এই অপশনটি গ্রহণযোগ্য নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: DOS শব্দটিতে প্রথম অক্ষর D দিয়ে Disk এবং OS দিয়ে Operating System মনে রাখা যায়। এটি আধুনিক উইন্ডোজের মতো গ্রাফিকাল নয়, বরং সম্পূর্ণ টেক্সটভিত্তিক। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: কম্পিউটারের প্রারম্ভিক যুগে ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম খুবই জনপ্রিয় ছিল। বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এমএস-ডোস (MS-DOS) এর পূর্ণরূপ প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে।

মোট প্রশ্ন (8)

3. মহাস্থানগড় কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
Created 2 days ago | Updated 1 day ago
ব্যাখ্যাঃ
প্রশ্নের ধরন শনাক্তকরণ: - বাংলাদেশের বিভাগ, জেলা ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য - নদ-নদী, হ্রদ ও জলপ্রপাত - বিশ্ব ঐতিহ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক স্থান সঠিক উত্তর: C) করতোয়া ১. কেন সঠিক: - প্রদত্ত প্রশ্নে সঠিক উত্তর হিসেবে মহানন্দা উল্লেখ করা হয়েছে, যা একটি ভুল তথ্য। মহাস্থানগড় প্রাচীন বরেন্দ্র ভূমির করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত। - করতোয়া নদী উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী যা পুণ্ড্রবর্ধন নগরের পূর্ব সীমানা নির্ধারণ করেছিল এবং মহাস্থানগড় এর তীরে গড়ে উঠেছিল। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: মহাস্থানগড় বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। এটি প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগরের ধ্বংসাবশেষ। - বৈশিষ্ট্য: করতোয়া নদী এই প্রাচীন জনপদের পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহিত হতো এবং একে সুরক্ষা প্রদান করত। বর্তমানে নদীটির রূপ অনেকটাই পরিবর্তিত হয়েছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: পুণ্ড্রবর্ধন বা মহাস্থানগড় ব্যাখ্যা: এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক স্থান যা করতোয়া নদীর তীরে গড়ে ওঠা নগর সভ্যতার নিদর্শন। উদাহরণ ২: করতোয়া নদী ব্যাখ্যা: এই নদীটি উত্তরবঙ্গের ভূপ্রকৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং প্রাচীন বাংলার ইতিহাস গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) পদ্মা — এটি বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর একটি এবং গঙ্গা নদীর প্রধান শাখা, যা মহাস্থানগড়ের তীরে অবস্থিত নয়। B) গড়াই — এটি গঙ্গার একটি প্রধান শাখা নদী যা কুষ্টিয়া ও রাজবাড়ী অঞ্চলের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং মহাস্থানগড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। C) করতোয়া — এটি সঠিক উত্তর কারণ মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের পাশে এই নদীর তীরেই গড়ে উঠেছিল। D) মহানন্দা — এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও অন্যান্য অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী, যা মহাস্থানগড়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয় এবং প্রশ্নে ভুল উত্তর হিসেবে দেওয়া হয়েছে। ৫. মনে রাখার টিপস: - ম দিয়ে মহাস্থানগড় এবং ক দিয়ে করতোয়া মনে রাখতে পারো। মহাস্থানগড় ও করতোয়া নদীর সংযোগ প্রাচীন বাংলার ইতিহাসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - মহাস্থানগড় কোন জেলায় অবস্থিত এবং এর প্রাচীন নাম কী, তা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে। পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা রাখা জরুরি।
5. পদ্মা নদী যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে
Created 2 days ago | Updated 2 hours ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) গোয়ালন্দের নিকট ১. কেন সঠিক: - হিমালয় থেকে উৎপন্ন হয়ে পদ্মা নদী বাংলাদেশে প্রবেশের পর রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দঘাটের নিকট যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। - যমুনা নদ নিজেই মূলত ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান ধারা, যা তিব্বত থেকে এসে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং এই দুই বিশাল নদীর মিলনের ফলে সৃষ্ট জলধারাটি পরবর্তীতে পদ্মা নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: রাজবাড়ী জেলা, ঢাকা বিভাগ, বাংলাদেশ। - বৈশিষ্ট্য: এটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত দুটি প্রধান নদ নদীর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও বৃহত্তম মিলনস্থল। - সংশ্লিষ্ট তথ্য: গোয়ালন্দে মিলনের পর এই মিলিত প্রবাহ দক্ষিণ পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে চাঁদপুরের কাছে মেঘনা নদীর সাথে মিশেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ভৈরব বাজার ব্যাখ্যা: এটি মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নদীবন্দর, যা নদীমাতৃক বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ জলপথের সাথে সম্পর্কিত। উদাহরণ ২: আরিচা ঘাট ব্যাখ্যা: এটি মানিকগঞ্জ জেলায় অবস্থিত এবং যমুনা নদীর তীরবর্তী একটি বিখ্যাত ফেরিঘাট যা যমুনা পারাপারে ব্যবহৃত হয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) মুন্সিগঞ্জের নিকট — মুন্সিগঞ্জের কাছে পদ্মা নদী মেঘনার সাথে মেশার কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে, যমুনার সাথে নয়। B) গোয়ালন্দের নিকট — এই অপশনটি সঠিক কারণ এখানেই পদ্মা ও যমুনা নদী একত্রিত হয়েছে। C) চাঁদপুরের নিকট — চাঁদপুরের নিকট এসে পদ্মা নদী মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে, যমুনার সাথে নয়। D) ভৈরবের নিকট — ভৈরব বাজার ব্রহ্মপুত্র বা মেঘনা অববাহিকার সাথে যুক্ত, যমুনা বা পদ্মার মিলনস্থল এখানে নয়। ৫. মনে রাখার টিপস: পদ্মা ও যমুনার মিলনে নতুন জলধারা তৈরির স্থান মনে রাখতে 'পযগ' শব্দ সংক্ষেপ ব্যবহার করতে পারো, অর্থাৎ পদ্মার প, যমুনার য এবং গোয়ালন্দের গ। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: এই মিলনস্থলের পর নদীটির নাম পদ্মা হিসেবেই পরিচিত থাকে এবং পরবর্তীতে চাঁদপুরে মেঘনার সাথে মিলিত হয়। একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে যে পদ্মা ও মেঘনা নদী কোথায় মিলিত হয়েছে, যার উত্তর হবে চাঁদপুর।
6. ইংলিশ চ্যানেল সংযুক্ত করেছে
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: B) উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে ১. কেন সঠিক: - ইংলিশ চ্যানেলটি গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপকে ইউরোপীয় মূল ভূখণ্ড তথা ফ্রান্স থেকে আলাদা করেছে এবং উত্তর সাগরকে আটলান্টিক মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করেছে। - এটি উত্তর ইউরোপের সামুদ্রিক বাণিজ্যের জন্য একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ এবং এর মাধ্যমে আটলান্টিক মহাসাগরের পানি উত্তর সাগরে প্রবেশ করে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: - অবস্থান: এটি ইউরোপ মহাদেশের উত্তর-পশ্চিমে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সের মাঝখানে অবস্থিত। - বৈশিষ্ট্য: এর সর্বনিম্ন প্রশস্ততা প্রায় তেত্রিশ কিলোমিটার এবং এর তলদেশ দিয়ে বিখ্যাত চ্যানেল টানেল নির্মিত হয়েছে যা যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে যুক্ত করেছে। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: ডোভার প্রণালি ব্যাখ্যা: এটি ইংলিশ চ্যানেলের সবচেয়ে সংকীর্ণ অংশ যা ইংলিশ চ্যানেলকে উত্তর সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। উদাহরণ ২: চ্যানেল টানেল ব্যাখ্যা: এটি ইংলিশ চ্যানেলের তলদেশ দিয়ে চলে যাওয়া একটি রেল সুড়ঙ্গ যা যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সকে সংযুক্ত করেছে। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরকে — এটি প্যানামা খালের কাজ যা আমেরিকার দুই মহাসাগরকে যুক্ত করেছে। B) উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে — এটি ইংলিশ চ্যানেলের সঠিক সংযোগকারী জলপথ। C) ভারত মহাসাগর ও ভূমধ্যসাগর — এটি সুয়েজ খালের মাধ্যমে লোহিত সাগর হয়ে সংযুক্ত হয়েছে কিন্তু ইংলিশ চ্যানেল নয়। D) ভূমধ্যসাগর ও লোহিত সাগরকে — এটি সুয়েজ খালের সংযোগ যা এশিয়া ও আফ্রিকার মাঝখানে অবস্থিত। ৫. মনে রাখার টিপস: - ইউকে এবং ফ্রান্সের মাঝখানে যে চ্যানেল দিয়ে জাহাজ চলাচল করে, তা আটলান্টিক মহাসাগরকে উত্তর সাগরের সঙ্গে মেশায়। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: - ইংলিশ চ্যানেল সাঁতার কেটে অতিক্রমকারী প্রথম বাঙালি ও এশীয় হলেন ব্রজেন দাস। - একই ধারণা থেকে প্রশ্ন আসতে পারে ইংলিশ চ্যানেল কোন দুটি দেশকে পৃথক করেছে, যার উত্তর হবে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স।
8. মালদ্বীপ গঠিত হয়েছে কীভাবে?
Created 2 days ago | Updated 1 hour ago
ব্যাখ্যাঃ
সঠিক উত্তর: D) অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে ১. কেন সঠিক: মালদ্বীপ একক কোনো ভূখণ্ড বা ছোট দুই-চারটি দ্বীপ নিয়ে গঠিত নয়। এটি ভারত মহাসাগরের বুকে প্রবাল গঠিত একটি দ্বীপরাষ্ট্র, যা অসংখ্য ক্ষুদ্র দ্বীপের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে। ২. ভৌগোলিক তথ্য: অবস্থান: দক্ষিণ এশিয়ায় ভারত মহাসাগরের ঠিক দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে এটি অবস্থিত। বৈশিষ্ট্য: এটি বিশ্বের অন্যতম নিচু দেশ এবং প্রধানত প্রবাল প্রাচীর বা অ্যাটল দ্বারা গঠিত। ৩. উদাহরণ ও ব্যাখ্যা: উদাহরণ ১: মালদ্বীপের রাজধানী মালে। ব্যাখ্যা: এটি একটি নির্দিষ্ট দ্বীপের ওপর গড়ে ওঠা শহর এবং দেশের প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র। উদাহরণ ২: আদ্দু অ্যাটল। ব্যাখ্যা: এটি মালদ্বীপের সর্বদক্ষিণপ্রান্তের একটি প্রবাল দ্বীপপুঞ্জ যা এর বহুদ্বীপীয় গঠনের প্রমাণ দেয়। ৪. বাকি অপশন কেন ভুল: A) একটি বড় দ্বীপ নিয়ে — এটি সঠিক নয় কারণ মালদ্বীপ কোনো একক বড় দ্বীপ নয়। B) দুইটি ছোট দ্বীপ নিয়ে — এটি ভুল তথ্য কারণ এখানে দুইয়ের অধিক অসংখ্য দ্বীপ রয়েছে। C) চারটি দ্বীপ নিয়ে — এটি ভৌগোলিক বাস্তবতার সঙ্গে মিলে না কারণ এর দ্বীপের সংখ্যা সহস্রাধিক। D) অনেকগুলো দ্বীপ নিয়ে — এটি সম্পূর্ণ সঠিক কারণ মালদ্বীপ প্রায় এক হাজারেরও বেশি ক্ষুদ্র দ্বীপের সমষ্টি। ৫. মনে রাখার টিপস: মালদ্বীপ নামটির সঙ্গে প্রবাল দ্বীপপুঞ্জের বহুত্ব বিষয়টি মনে রাখলে সহজেই উত্তর করা সম্ভব। মনে রাখবে এটি শত শত দ্বীপের একটি নিখুঁত মালা। ৬. পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ: প্রবাল দ্বীপ বা অ্যাটল গঠনে সামুদ্রিক প্রাণীর দেহাবশেষের ভূমিকা কী, তা জানা আবশ্যক। একই ধারণা থেকে দ্বীপরাষ্ট্রগুলোর ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে প্রশ্ন আসতে পারে।