Exam Date: November 5, 2023
বিষয় কোড: ০০১
(কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারের জন্য)
নির্ধারিত সময়: ৩ ঘণ্টা
পূর্ণমান-১০০
১। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখুন:
(ক) উৎস অনুসারে বাংলাভাষার শব্দসম্ভারকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়েছে? উদাহরণসহ আলোচনা করুন।
(খ) উদাহরণসহ ষ-ত্ব ও ণ-ত্ব বিধি আলোচনা করুন।
(গ) বানান শুদ্ধ করে লিখুন:
সাতন্ত্র, ফটোস্টেট; স্বত্ত্বাধিকারী; মুমূর্ষ; জাতিয়করন; উচ্চকাংখা।
নিচের বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন ব্যবহার করে অর্থপূর্ণ বাক্যগঠন করুন:
(ঘ) আটকপালে; এক মাঘে শীত যায়না; কুলকাঠের আগুন; আঠারো মাসে বছর; অজরবৃত্তি, নয়ছয়।
(ঙ) নিচের বাক্যগুলো নির্দেশ অনুসারে রূপান্তর করুন:
(১) গফুর জবাব দিল না। (অস্তিবাচক বাক্য)
(২) যারা কীর্তিমান, তাদের মৃত্যু নেই। (সরল বাক্য)
(৩) জগতে অসম্ভব বলে কিছু নেই। (জটিল বাক্য)
(৪) তার বয়স হলেও বুদ্ধি হয়নি। (যৌগিক বাক্য)
(৫) এতে তার দোষ কী? (নেতিবাচক বাক্য)
(৬) ত্যাগের মহিমা বড় অপূর্ব। (বিস্ময়বোধক বাকা)
২। ভাব-সম্প্রসারণ করুন।
(ক) স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন।
অথবা
(খ) স্বার্থমন্ত্র যেজন বিমুখ বৃহৎ জগৎ হতে, সে কখনো শেখেনি বাঁচিতে।
৩. সারমর্ম লিখুন:
হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন,-
তা সবে, (অবোধ আমি।) অবহেলা করি,
পর-ধন-লোভে মত্ত করিনু ভ্রমণ
পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।
কাটাইনু বহুদিন সুখ পরিহরি।
অনিদ্রায়, নিরাহারে সঁপি কায়, মনঃ,
মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি, -
কেলিনু শৈবালে; ভুলি কমল-কানন।
স্বপ্নে তব কুললক্ষ্মী কয়ে দিলা পরে-
"ওরে বাছা, মাতৃকোষে রতনের রাজি
এ ভিখারী-দশা তবে কেন তোর আজি?
যা ফিরি, অজ্ঞান তুই, যা রে ফিরি ঘরে।"
পালিলাম আজ্ঞা সুখে, পাইলাম কালে
মাতৃভাষা-রূপ খনি, পূর্ণ মণিজালে।
অথবা
(খ) বাল্যকাল হইতেই আমাদের শিক্ষার সহিত আনন্দ নাই। কেবল যাহা কিছু নিতান্ত আবশ্যক, তাহাই কণ্ঠস্থ করিতেছি। তেমন করিয়া কোনো মতে কাজ চলে মাত্র, কিন্তু বিকাশ লাভ হয়না। হাওয়া খাইলে পেট ভরে না, আহার করিলে পেট ভরে। কিন্তু আহারটি রীতিমতো হজম করিবার জন্য হাওয়া খাওয়া দরকার। তেমনি একটি শিক্ষা পুস্তককে রীতিমতো হজম করিতে অনেক পাঠ্যপুস্তকের সাহায্য আবশ্যক। আনন্দের সহিত পড়িতে পড়িতে পড়িবার শক্তি অলক্ষিতভাবে বৃদ্ধি পাইতে থাকে। গ্রহণশক্তি, ধারণশক্তি, চিন্তাশক্তি বেশ সহজে এবং স্বাভাবিক নিয়মে বল লাভ করে।
৪. নিচের প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর দিন:
(ক) বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ সম্পর্কে আলোকপাত করুন।
(খ) চর্যাপদ রচয়িতাদের মধ্যে একজন বাঙালি চর্যাকারের পরিচয় দিন।
(গ) বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের মৌলিক পার্থক্যসমূহ উল্লেখ করুন।
(ঘ) 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের পাণ্ডুলিপি কে, কখন এবং কোথা থেকে উদ্ধার করেছিলেন।
(ঙ) রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের বৈশিষ্ট্যগুলো লিখুন।
(চ) মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রধান তিনটি গ্রন্থের নাম লিখুন।
(ছ) 'অগ্নিবীণা' কাব্যের তিনটি বৈশিষ্ট্য উদাহরণসহ উল্লেখ করুন।
(জ) লেখকের নামসহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক তিনটি ছোটগল্পের নাম লিখুন।
(ক) 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাস অবলম্বনে কপালকুণ্ডলার রূপের বর্ণনা দিন।
(ঞ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'বলাকা' কাব্যের বিশেষত্ব লিখুন।
বিষয় কোড: ০০১
(কারিগরি/পেশাগত ক্যাডারের জন্য)
নির্ধারিত সময়: ৩ ঘণ্টা
পূর্ণমান-১০০
১। নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখুন:
(ক) উৎস অনুসারে বাংলাভাষার শব্দসম্ভারকে কয়ভাগে ভাগ করা হয়েছে? উদাহরণসহ আলোচনা করুন।
(খ) উদাহরণসহ ষ-ত্ব ও ণ-ত্ব বিধি আলোচনা করুন।
(গ) বানান শুদ্ধ করে লিখুন:
সাতন্ত্র, ফটোস্টেট; স্বত্ত্বাধিকারী; মুমূর্ষ; জাতিয়করন; উচ্চকাংখা।
নিচের বাগধারা ও প্রবাদ-প্রবচন ব্যবহার করে অর্থপূর্ণ বাক্যগঠন করুন:
(ঘ) আটকপালে; এক মাঘে শীত যায়না; কুলকাঠের আগুন; আঠারো মাসে বছর; অজরবৃত্তি, নয়ছয়।
(ঙ) নিচের বাক্যগুলো নির্দেশ অনুসারে রূপান্তর করুন:
(১) গফুর জবাব দিল না। (অস্তিবাচক বাক্য)
(২) যারা কীর্তিমান, তাদের মৃত্যু নেই। (সরল বাক্য)
(৩) জগতে অসম্ভব বলে কিছু নেই। (জটিল বাক্য)
(৪) তার বয়স হলেও বুদ্ধি হয়নি। (যৌগিক বাক্য)
(৫) এতে তার দোষ কী? (নেতিবাচক বাক্য)
(৬) ত্যাগের মহিমা বড় অপূর্ব। (বিস্ময়বোধক বাকা)
২। ভাব-সম্প্রসারণ করুন।
(ক) স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা কঠিন।
অথবা
(খ) স্বার্থমন্ত্র যেজন বিমুখ বৃহৎ জগৎ হতে, সে কখনো শেখেনি বাঁচিতে।
৩. সারমর্ম লিখুন:
হে বঙ্গ, ভাণ্ডারে তব বিবিধ রতন,-
তা সবে, (অবোধ আমি।) অবহেলা করি,
পর-ধন-লোভে মত্ত করিনু ভ্রমণ
পরদেশে, ভিক্ষাবৃত্তি কুক্ষণে আচরি।
কাটাইনু বহুদিন সুখ পরিহরি।
অনিদ্রায়, নিরাহারে সঁপি কায়, মনঃ,
মজিনু বিফল তপে অবরেণ্যে বরি, -
কেলিনু শৈবালে; ভুলি কমল-কানন।
স্বপ্নে তব কুললক্ষ্মী কয়ে দিলা পরে-
"ওরে বাছা, মাতৃকোষে রতনের রাজি
এ ভিখারী-দশা তবে কেন তোর আজি?
যা ফিরি, অজ্ঞান তুই, যা রে ফিরি ঘরে।"
পালিলাম আজ্ঞা সুখে, পাইলাম কালে
মাতৃভাষা-রূপ খনি, পূর্ণ মণিজালে।
অথবা
(খ) বাল্যকাল হইতেই আমাদের শিক্ষার সহিত আনন্দ নাই। কেবল যাহা কিছু নিতান্ত আবশ্যক, তাহাই কণ্ঠস্থ করিতেছি। তেমন করিয়া কোনো মতে কাজ চলে মাত্র, কিন্তু বিকাশ লাভ হয়না। হাওয়া খাইলে পেট ভরে না, আহার করিলে পেট ভরে। কিন্তু আহারটি রীতিমতো হজম করিবার জন্য হাওয়া খাওয়া দরকার। তেমনি একটি শিক্ষা পুস্তককে রীতিমতো হজম করিতে অনেক পাঠ্যপুস্তকের সাহায্য আবশ্যক। আনন্দের সহিত পড়িতে পড়িতে পড়িবার শক্তি অলক্ষিতভাবে বৃদ্ধি পাইতে থাকে। গ্রহণশক্তি, ধারণশক্তি, চিন্তাশক্তি বেশ সহজে এবং স্বাভাবিক নিয়মে বল লাভ করে।
৪. নিচের প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর দিন:
(ক) বাংলা সাহিত্যের যুগবিভাগ সম্পর্কে আলোকপাত করুন।
(খ) চর্যাপদ রচয়িতাদের মধ্যে একজন বাঙালি চর্যাকারের পরিচয় দিন।
(গ) বিদ্যাপতি ও চণ্ডীদাসের মৌলিক পার্থক্যসমূহ উল্লেখ করুন।
(ঘ) 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের পাণ্ডুলিপি কে, কখন এবং কোথা থেকে উদ্ধার করেছিলেন।
(ঙ) রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যানের বৈশিষ্ট্যগুলো লিখুন।
(চ) মীর মশাররফ হোসেন রচিত প্রধান তিনটি গ্রন্থের নাম লিখুন।
(ছ) 'অগ্নিবীণা' কাব্যের তিনটি বৈশিষ্ট্য উদাহরণসহ উল্লেখ করুন।
(জ) লেখকের নামসহ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক তিনটি ছোটগল্পের নাম লিখুন।
(ক) 'কপালকুণ্ডলা' উপন্যাস অবলম্বনে কপালকুণ্ডলার রূপের বর্ণনা দিন।
(ঞ) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'বলাকা' কাব্যের বিশেষত্ব লিখুন।